নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

দয়াল বাবা কেবলা কাবা আয়নার কারিগর

যার ঘড়ি সে তৈয়ার করে, ঘড়ির ভিতর লুকাইছে

জ্বিনের বাদশা

কি করার কথা কি করছি, কি লেখার কথা কি লিখছি!

জ্বিনের বাদশা › বিস্তারিত পোস্টঃ

জ্যোতিষী নিউটনের ভবিষ্যদ্বাণী, পৃথিবীর আয়ূ আর বেশী নেই!

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৬

১.

ভুল দেখছেননা, সেই স্যার আইজাক নিউটনের নামের আগেই জ্যোতিষী উপাধি বসালাম, একটু সাহস করেই; কারণটা বলাই বাহুল্য, ভদ্রলোক যে পাগলাটে বা রোমান্টিক টাইপের বিজ্ঞানী ছিলেন আবার বেশ খানিকটা খোদাভীরু টাইপের লোকও ছিলেন, সেটা নিয়ে অনেক কথাই প্রচলিত আছে বাজারে। তারমধ্যেই সম্ভবতঃ সবচেয়ে আলোড়ন তুলেছে পৃথিবীর ধ্বংস হয়ে যাওয়া নিয়ে তাঁর ভবিষ্যদ্বাণীটি।



যদিও পদার্থবিদ্যার জনক, ক্লাসিকাল মেকানিক্স, ক্যালকুলাস আর অপটিক্সের মতো ভয়াবহ সব শাস্ত্রের সূচনা এই নিউটনের হাত ধরে, তার মানে এই নয় যে একেবারে কাঠখোট্টা ধরনের, "শুধু চোখে যা দেখি, কানে যা শুনি বা নাকে যা শুঁকি সেটা ছাড়া আর কিছু বুঝিনা" টাইপের লোক তিনি ছিলেন। বরং, রহস্যময়তা, কুসংস্কার আর অন্যান্য প্রাচীন বিষয়াদি নিয়ে তাঁর বেশ ভালোই উৎসাহ ছিলো। সত্যি বলতে কি, আমার ধারনা ভদ্রলোক এসব আবজাব জিনিস নিয়েই বেশী সময় কাটিয়েছেন, চার-চারটা বছর নাকি আলকেমিদের দেখানো স্বপ্নের পেছনে ছুটেছেন। অনেক নিউটনপ্রেমীর ধারনা হয়ত তিনি আলকেমি রহস্যের সমাধানও করে ফেলতেন বা ফেলেছেনও (!!) যদি তার কুকুর ডায়মন্ড জানত সে কি করেছে! যাই হোক, শুধু আলকেমি হওয়াই না, আরো অনেক উদ্ভট বিষয়েই যে তাঁর আগ্রহ ছিলো এটা সবাই মানেন। তাঁর নাকি তোড়া তোড়া অপ্রকাশিত লেখা আছে যেগুলোতে তিনি যাবতীয় ভুতুড়ে ব্যাপার স্যাপার নিয়ে বেশ সিরিয়াস মত দিয়েছেন। নিউটন'স সিক্রেট, ডার্কস সাইডস অভ নিউটন -- এসব কীওয়ার্ডের সার্চে নিউটন সম্পর্কে নেটেই অনেক মজার মজার তথ্য পাবেন, বইও আছে মনে হয় একটা নিউটন'স সিক্রেট নামে।



নিউটনের ভাববাদ সম্পর্কিত টুকটাক এসব বিষয় কিছুটা জানতাম, তবে সেদিন যেটা জানলাম, খানিকটা অবাকই হলাম। নিউটন নাকি জ্যোতিষীদের মতো ভবিষ্যদ্বাণীও করেছেন, তাও আবার যেন তেন বিষয়ে না, একেবারে আসল বিষয়ে। সেটা হলো, পৃথিবী ধ্বংস হবে কবে?



জেরুজালেমের হিব্রু ইউনিভার্সিটিতে একটা শোতে গত বছর বিষয়টা বেশ আলোচনায় আসে। সেখানে নিউটনের ১৭০৪ সালে লেখা চিঠি/স্ক্র্যাপ থেকে জানা যায় যে আমাদের প্রাণপ্রিয় পৃথিবী নাকি আর মাত্র ৫২ বছর টিকবে। অন্ততঃ খবরটা এভাবেই প্রকাশ পেয়েছে!



নিউটন কি তবে জ্যোতিষী খেতাবটাও নিয়ে নিবেন? সেটা জানতে হয়ত আমাদের আরো ৫২ বছর অপেক্ষা করতে হবে, যদি না তার আগেই লার্জ হ্যাড্রনওয়ালারা পৃথিবীর লালবাতি জ্বালিয়ে দেয়! তবে বটমলাইন হলো, নিউটন বেচারা জ্যোতিষী হিসেবে স্বীকৃত হবার সুযোগটা এমনেও পাবেননা, অমনেও পাবেননা। পৃথিবীই যদি ধ্বংস হয়, স্বীকৃতিটা দেবে কে?



২.

স্বাভাবিক কারণেই পৃথিবীর ধ্বংস নিয়ে নিউটনের নোটটা নিয়ে সবচেয়ে উত্তেজিত ইসরায়েলীরা, কারণ নিউটনের সেই ভবিষ্যদ্বাণীটা অংকের হিসেবের চেয়েও অনেকটা শাস্ত্রের মন্ত্রের মতো। নিউটন এই ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন বাইবেলে (ড্যানিয়েল) দেয়া তথ্যের উপর ভিত্তি করে। সেখানে তিনি পৃথিবীর শেষ দিনগুলো সম্পর্কে বলেছেন যে তখন দুষ্টু জাতিগুলো ধ্বংস হয়ে যাবে, সব কষ্ট-কান্না-ঝামেলা দূর হয়ে যাবে, ইহুদী জাতির মুক্তি ঘটবে আর চিরসুখী এক ইহুদী রাজ্যের অভ্যুত্থান হবে। বিশ্বের ইতিহাসের সবচেয়ে ধীমান ব্যক্তির কাছ থেকে এমন ভবিষ্যদ্বাণী পেয়ে কে না খুশী হবে!



(নিউটনের নোটদুটোর ছবি পোস্টের সাথে জুড়ে দিলাম, আমার পড়ার ধৈর্য্য হয়নি, ব্যাটার হাতের লেখা বেশ খারাপ। ধৈর্য্যশীলরা পড়ে অনুবাদ করে দিতে পারেন। উইকিতে একটার পাঠোদ্ধার করা হয়েছে, তবে সেটার অনুবাদ পাঠোদ্ধারের চেয়েও কঠিন বলে মনে হয়েছে, বিবলিক ফ্রেইজিং সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান না থাকায় সে পথ মাড়ালামনা।)



তবে নিউটনের উদ্দেশ্য ঠিক জ্যোতিষীদের মতো ছিলোনা, মানে, কবে পৃথিবী ধ্বংস হবে সেটা গননা করে বের করে চারদিকে সাড়া ফেলে দেবার উদ্দেশ্যে তিনি একাজ করেননি। বরং, তাঁর উদ্দেশ্যটা ছিলো উল্টো। সেযুগেও এযুগের মতো এরকম নানাবিধ ভবিষ্যদ্বাণীর জোয়ার চলত, কবে পৃথিবী ধ্বংস হবে এনিয়ে অনেক ধাপ্পাবাজই নানান গননা করে লোকের মধ্যে ত্রাস সৃষ্টি করত। মহাজাতক নিউটন বরং এসবকে থামাতেই হিসেব কষে বলেছিলেন যে এত নাচানাচির কিছু নেই, পৃথিবী ধ্বংস হতে দেরী আছে।



তাঁর ভবিষ্যদ্বাণীটির মূলকথা ছিলো ২০৬০ সালের আগে পৃথিবী ধ্বংস হবেনা! আবার ২৩৭০ সালের পরেওনা। এর মাঝমাঝি!! তবে স্পেসিফিক কবে পৃথিবী ধ্বংস হবে সেটা না বললেও ব্যাপারটা মোটেও তাঁর বাইবেলের উপর ভিত্তি করে ভবিষ্যত বলে দেয়ার বিষয়টিকে ম্লান করেনা।



৩.

এদিকে কাল সর্বশেষ যা দেখলাম তাতে আবার নতুনভাবে আশ্চর্য হওয়া ছাড়া উপায় নেই। এখানকার টিভিতে এক প্রোগ্রামে তারা দাবী করলো যে নিউটন আসলে বাইবেলের উপর ভিত্তি করে না, বরং বৈজ্ঞানিক ভিত্তিতেই নাকি হিসেব টিসেব কষে বের করেছেন যে ২০৬০ সালের দিকে পৃথিবী ধ্বংস হবে।



কাহিনীটা এরকম -- নীহারিকার গতিপথ নির্ণয়ে নিউটনের ভূমিকা আমরা জানি, এবং তিনিই প্রথম বলেছিলেন যে ধূমকেতুগুলোও আসলে কোন না কোন স্টেলার বডিকে ঘিরেই ঘোরে। এদেরকে অনেকদিন পরপর উদয় হতে দেখা যায় কারণ এদের গতিপথ অতিমাত্রায় লম্বাটে, মানে গতিপথ-উপবৃত্তের বড় অক্ষটা ছোট অক্ষের চেয়ে অনেক বড়। এটুকু ঠিক আছে। এবং এডমন্ড হ্যালি, যিনি নিউটনের খুব ভালো এবং মতান্তরে একমাত্র বন্ধু, তিনি নিউটনের দেয়া সূত্রের উপর ভিত্তি করেই দিনের পর দিন অবজারভেশনের পর হ্যালির ধুমকেতু যে ৭৫ বছর পরপর আমাদের এক দেখা দিয়ে যায়, সেটা দাবী করেছিলেন। সেটা ১৭৫৮ সালে কনফার্মও করা হয়, যদিও হ্যালি বেচারা অতদিন বেঁচে ছিলেননা।



নিউটন নাকি এই হ্যালির ধূমকেতু নিয়েই বলেছিলেন যে এটা আর পাঁচ-ছয়বার ঘুরলেই সূর্য্যের উপর গিয়ে পড়বে। উল্লেখ্য, ধূমকেতু টাইপের তুলনামূলক হাল্কা জিনিসগুলো বড় বড় গ্রহ যেমন বৃহস্পতি/শনির পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় গ্রহের টানে সোজাপথে চলতে পারেনা, ফলে এদের গতিপথ একটু একটু করে বদলাতে থাকে। আর নিউটনের ভবিষ্যদ্বাণী নাকি এই হ্যালির ধূমকেতু নিয়েই যে, সেটা নাকি গতিপথ পাল্টাতে পাল্টাতে একসময় সূর্য্যে গিয়ে আঘাত করবে!! এটা ঠিক যে সূর্য্যে আঘাত করলে আর রক্ষা নাই, বিস্ফোরণে একটানে সূর্য্যের আশপাশে যে তাপপ্রবাহ বাড়বে তাতে পৃথিবীর তাপমাত্রা কোথায় গিয়ে ঠেকে কে জানে, মানুষ তো বাঁচবেইনা। কিন্তু অপবাকের মন্তব্যে মনে হলো টিভিওলাদের কর্পোরেট ভিডিওকে বিনাপ্রশ্নে মেনে নেয়াটা ঠিক হয়নি, হ্যালির ধূমকেতুর বেগ ৫০ মাইল/সে., সেটা সূর্য্যের বায়ুমন্ডলের (করোনা) ১ মিলিয়ন ডিঃ সে. তাপের বিশাল অঞ্চল পেরুনোর আগেই গলে-পুড়ে একাকার হয়ে যেতে পারে। এবিষয়ে বইদগ্ধ কোন আলোচনা, আর্টিকেল থাকলে পাঠককে শেয়ার করার আহবান জানাই। আমি টিভিওলাদের একটা মেইল করে দেখবো।



যাই হোক, যে প্রশ্নটা থেকে যায়, তা হলো আসলেই হ্যালির ধূমকেতু কি পরেরবার সূর্য্যের পাশ দিয়ে যাবার সময় ঢুকে যাবে নাকি?



তারমানে তো এটাও যে, গতবার মানে ৮৬ সালে আমাদের কানের পাশ দিয়ে গুলী গেছে, কেউ কি টের পায়নি?



মন্তব্য ৫৯ টি রেটিং +২৩/-১

মন্তব্য (৫৯) মন্তব্য লিখুন

১| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩১

ত্রিভুজ বলেছেন: খাইসে......

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৫

জ্বিনের বাদশা বলেছেন: সব তো শ্যাষ হইয়া গেলো!

২| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৮

মদন বলেছেন: আমি শ্যাষ :(

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৬

জ্বিনের বাদশা বলেছেন: বুঝেন ঠ্যালা ... কই যামু

৩| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪২

মরিয়ম বলেছেন: আজব

৪| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৬

অপ বাক বলেছেন: হ্যালির ধুমকেতু সূর্য্যের ভেতরে ঢুকে গেলে কি হবে?

সূর্য্য বিস্ফোরিত হবে?

অদ্ভুত মানুষের বিশ্বাস, মানুষ বৈজ্ঞানিক পন্থায় কুসংস্কারের চর্চা শুরু করেছে।

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫০

জ্বিনের বাদশা বলেছেন: সূর্য্য পুরোপুরি বিস্ফারিত বা বিস্ফোরিত কোনটাই হবেনা, তবে ব্যাটারা সিমুলেশনে দেখালো যে যে পরিমাণ বিস্ফোরণ ঘটবে তাতে সূর্য্যে থেকে ভয়াবহ মাত্রার তাপপ্রবাহ চারদিকে ছড়িয়ে পড়বে।

আপনার যদি অন্য কোন ব্যাখ্যা থাকে তবে ব্যাখ্যাটা দিয়ে দিন, আমরাও বাঁচি। ;)

৫| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৯

সোনালীডানা বলেছেন: ওরেব্বাপ্রে.......... :o

৬| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৫

ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: জ্ঞানী পুষ্ট

৭| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৯

সাইফুর বলেছেন: ব্যাপকস..

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৩৯

জ্বিনের বাদশা বলেছেন: কেমনে কি ;)

৮| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১২

অপ বাক বলেছেন: সূর্য্যের পেট পর্যন্ত কি যাইতে পারবে হ্যালির ধুমকেতু?

সূর্য্যের আকাশের তাপমাত্রা কোনো এক অজানা কারণে সূর্য্যের উপরিভাগের তাপমাত্রার চেয়ে কয়েকশত গুন বেশী, সেই তাপমাত্রায় হ্যালি যাওয়ার আগে সম্পূর্ণ ছাই হয়ে যাবে। অন্তত সূর্য্যে আঘাত করে একটা নির্দিষ্ট অঞ্চলে তাপের বিকিরণ বাড়িয়ে দেওয়া এবং সেটার প্রভাব পৃথিবীতে পড়বার মতো ঘটনা ঘটবে না।

আর সূর্য্যের মোট বিকীর্ণ তাপের কতটুকুই পৃথিবীতে আসে? কোটি ভাগের একভাগেরও কম।

সেখানে কতটুকু পরিবর্তন আসবে ?

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৩৮

জ্বিনের বাদশা বলেছেন: হুমম ... আপনার কথাই ঠিক মনে হচ্ছে ... আমার এসব সূর্য্য-চন্দ্র বিষয়ক জ্ঞান খুব কম ... এখন মনে হচ্ছে, করোনার মধ্যে ঢুকলে হ্যালির ধুমকেতু ছাতু হয়ে যাবে

আপনাকে ধন্যবাদ


তবে ব্রাদার, একটা কথা বলতে বাধ্য হচ্ছি
ভুল হতেই পারে ... কিন্তু ভুল হলেই কুসংস্কার খুঁজতে যাওয়াটা কিন্তু খানিকটা হলেও কু-সংস্কৃতি হয়ে যায় ;) ... কেউ তো এখানে বলছেনা যে কোন পীর-সাধুর ঝাড়-ফুঁকে হ্যালির ধূমকেতু সূর্য্যকে গুড়াগুড়া করে ফেলবে ...

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৪৮

জ্বিনের বাদশা বলেছেন: আপনার মন্তব্যের প্রেক্ষিতে লেখায় খানিকটা সম্পাদনা করলাম। ধন্যবাদ।

৯| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১২

ফেরারী পাখি বলেছেন: পোস্ট ব্যাপক্স হইছে, ঈমানে কইতাছি। কিন্তু পৃথিবী ধ্বংস হইয়া যাইতেছে পোস্ট দিলেই কি আর না দিলেই কি? পড়বে কে?

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৩৯

জ্বিনের বাদশা বলেছেন: চিন্তার বিষয় !! :(

১০| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৭

চাচামিঞা বলেছেন: আমাদের কি হবে..........ওরে তোরা কে কোথায় আছিস.......ইসরাফীল সিংগায় ফুঁ দিলো বুঝি......

১১| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৬

মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন: শেষে নিউটনও!

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৪১

জ্বিনের বাদশা বলেছেন: লেখার মূল টোনটা এইখানেই ছিলো, তবে মনে হয় একটু বেশী ইনডাইরেক্ট হয়ে গেছে ;)

১২| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:১৯

শফিউল আলম ইমন বলেছেন: :):):) মজাক পাইলাম।

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৪২

জ্বিনের বাদশা বলেছেন: ইট ড্রিং এন্ড ... ;) ... আরমাত্র কয়দিন !!

১৩| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৩৮

নুশেরা বলেছেন: চিন্তা কি, আপনি (জ্বিন) তো আগুনেরই তৈরি। আর আমরা মাটির মানুষ এমনেই পুড়ে টেরাকোটা...

দারুণ লেখা!

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৪৪

জ্বিনের বাদশা বলেছেন: আমার শেষ আশাটাই তো অপবাক ভ্রাতা ভাতে মেরে দিলেন ! ;)
এখন তো মনে হয় আর হিটে না, পানিতে বা অন্যকোনভাবে ধ্বংস হবে ... তখন তো আর আমাদের জ্বীন বাবাজিদের রক্ষে নেই ! :(

১৪| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৪৬

পারভেজ বলেছেন: উপভোগ্য পোস্ট! +

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:১২

জ্বিনের বাদশা বলেছেন: দুনিয়া ধ্বংস হয়, আবার উপভোগ্য!!

১৫| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৫৬

সাইফুর বলেছেন: ভাই..কেমন আছেন?

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:১২

জ্বিনের বাদশা বলেছেন: আছি ভালোই ... আপনারা কেমন আছেন ;)

১৬| ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:০১

আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
ব্যাপকস মজাক পাওয়া গেল :)

২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:০০

জ্বিনের বাদশা বলেছেন: খবর কি বস্?

১৭| ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:১৪

ফারহান দাউদ বলেছেন: ব্যাপক।

২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:০১

জ্বিনের বাদশা বলেছেন: কি মনে হয়? আসলেই ধ্বংস হইবো? ;)

১৮| ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:১৮

বিবর্তনবাদী বলেছেন: আমার মজা লাগল না। আমি ভাই নিউটনেরে অনেক শ্রদ্ধা করি। সে যে আমার চাইল্ডহুড হিরো আছিল।

উনি তার জীবনের শেষের কয়েকবছর বাইবেল ঘেটে নরকের অবস্থান নির্ণয়ের গবেষণাও করেছেন। তবুও, যে যাই কউক, নিউটন ইস মাই হিরো:|

২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:০২

জ্বিনের বাদশা বলেছেন: নিউটনের নরকের স্থান নির্ণয়ের কাজকর;ম নিয়ে লিখে ফেলেন

১৯| ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:১৯

বিবর্তনবাদী বলেছেন: আমি ফিজিক্সের ছাত্র নই, নাইলে খোদার কসম আপনার এই পোস্টে ছুরি কাচি যা পাই তা নিয়াই ঝাপায়া পড়তাম। :)

২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:০২

জ্বিনের বাদশা বলেছেন: এমনেই দুনিয়া ধ্বংস হইবে, তার ওপর আবার ছুরি-কাঁচি!!!!

২০| ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:০০

রাশেদ বলেছেন: গেলো গেলো! :P

২১| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:০২

বাফড়া বলেছেন: হ্যাপী বাড্ডে... আই মিন ঈদ মোবারাক। আমাদের এইখানে আজকে ঈদ; জাপানে?

২২| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:০৬

ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:

২৩| ০১ লা অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৩

রাশেদ বলেছেন: আপনাকে ও ভাবীকে ঈদের শুছেচ্ছা।

২৪| ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১০

রাশেদ বলেছেন: আপ্নে কই!

২৫| ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৫২

ইন্ডিয়ানা জোন্স বলেছেন: গুরুজী দেখি প্রোফাইলের বক্তব্য চেন্জ করি ফেললেন?

ইচ্ছা ছিল আপনের নয়া পুস্টে কমেন্ট মাইরা যাত্রা শুরু করুম;সেই সুযোগটা দিলেন না বস। যাউগ্গা আপনার ব্লগেই পয়লা কমেন্ট.... দোয়া রাইখেন

১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:০৬

জ্বিনের বাদশা বলেছেন: গুরুজী, মেসেজ বদলাইছি একটা হতাশা থেকে ... তবে তাও আশা হারাবোনা, একদিন না একদিন আশপূরণ হবেই ... আপনাকে ধন্যবাদ

২৬| ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:০৫

চাচামিঞা বলেছেন: ট্রেলার:
ব্লগ কি শুধু সময়ের অপচয়? জানতে নিচের ভিডিওটি দেখুন

পরীক্ষামুলোক সম্প্রোচার দেখাতে Click This Link




মজার মজার সব জিনিষ দেখতে নজর রাখুন...।
ট্রেলার:

যাদুর রাজা ডেভিট কপারফিল্ডের মনমুগ্ধ যাদু দেখতে ডিভিওটি দেখুন




Dire Straits - Romeo and Juliet Liv। ভিডিও কোয়ালিটি খুব ভালো.........স্রুতি মধুর একটা রোমান্টিক গান

১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:২৪

জ্বিনের বাদশা বলেছেন: কি বলেন মিয়া? এর চেয়ে ভালো সময়ের ব্যবহার আর কি আছে?

২৭| ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:১৮

ইন্ডিয়ানা জোন্স বলেছেন: সেইটাই... হতাশ হইলেও আশা হারানো যাইবোনা!!! কিন্তু আপনি হতাশই বা হচ্ছেন কেন... আপনার জন্য হতাশা নিরোধক বটিকা

১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৩৮

জ্বিনের বাদশা বলেছেন: থ্যাংক্যু ...
আসলে আগের প্রোফাইলটা লিখছিলাম সেই সেক্টর কামন্ডারদের উদ্যোগের সময়, সত্যিই ভাবছিলাম কিছু হইতেও পারে ... পরে বুঝলাম যেই লাউ ... :(

২৮| ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৫৪

মাহমুদ রহমান বলেছেন: মহাশুন্যে প্রত্যেকটা জিনিস যেভাবে ছুটাছুটি করতেছে তার হিসাব নিকাশ করতে গেলে পৃথিবীটা এতদিন ধরে কেমনে টিকে আছে সেটা বিশ্বাস করায় কষ্টকর।

১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:৫৯

জ্বিনের বাদশা বলেছেন: হুমমম, এসব বেশী ভাবলে আর শান্তিতে নাক ডেকে ঘুমানোটা হয়ে উঠবেনা ;)

২৯| ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:১৫

কানা বাবা বলেছেন:
জৈতিশি কানাবাবার নিকট-অতীতীয় ভবিষ্যদ্বানী: বাদশা চাচার পুস্টানির ফ্রিকুয়েন্সি আর আগের মতুন নাই...

১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৮

জ্বিনের বাদশা বলেছেন: হ, দিনদিন খালি কমতেছেই :(

৩০| ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৭:৫৬

তানজু রাহমান বলেছেন: ভয় পেলাম যেন কিছুটা।

আপনি ভালো আছেন?! :)

১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৮

জ্বিনের বাদশা বলেছেন: আমিও খানিকটা ভয়েই আছি ;)

৩১| ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৫

মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন: অনেকদিন লেখা নেই কোন?

৩২| ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৮

ইন্ডিয়ানা জোন্স বলেছেন: আজকে হবে নাকি গেসবল দুই তিনটা?

৩৩| ২০ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১০:২৫

মুনীর উদ্দীন শামীম বলেছেন: আমার পোস্টে আপনার মন্তব্যের প্রেক্ষিতে কিছু বলার চেষ্টা করেছি। আপনার মতামত পেলে বাধিত হবো।

৩৪| ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:২৬

আবু সালেহ বলেছেন:
আয়ুকাল শেষ!!!!!!

আছেন কেমুন???
অনেক দিন পর দেখলাম.....

৩৫| ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:৪৮

বিহঙ্গ বলেছেন: তারও আগে শেষ হবে কি পৃথিবী?
21st December,2012 Prophecy
End of Time,
End of the world.?????

৩৬| ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৫১

ফজল বলেছেন: জ্যোতিষীদের এ ধরনের মন্তব্যগুলো ক্রমাগত ভাবে মিথ্যা প্রমাণিত হচ্ছে অন্যদিকে ইসলামের নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বর্ণিত পৃথিবী ধ্বংসের পূর্বেকার্ বিভিন্ন ঘটনা প্রবাহ সংঘটিত হবার মাধ্যমে তাঁর ভবিষ্যতবাণী সত্য প্রমাণিত হয়েছে ও আরো হবে ইনশাআল্লাহ্। অতএব, পৃথিবী ধ্বংসের ব্যাপারে ইসলামের বাণীই গ্রহণযোগ্য হতে পারে মাত্র।

দারুন গবেষণা করলে জ্বিনের বাদশা।

৩৭| ০৯ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:১৪

শরীফ উদ্দীন বলেছেন: এত তাড়াতাড়ি মরি বার নাহি চাই। বাচিতে চাই আমি শত সহস্র বছর এই সুন্দর ভুবনে। জ্যোতিষী নিউটনকে অনুরোধ তিনি যেন পুনর্জন্ম নিয়ে তার ভবিষ্যতবাণীটা তুলে নেন।


মাহমুদ রহমান বলেছেন: মহাশুন্যে প্রত্যেকটা জিনিস যেভাবে ছুটাছুটি করতেছে তার হিসাব নিকাশ করতে গেলে পৃথিবীটা এতদিন ধরে কেমনে টিকে আছে সেটা বিশ্বাস করায় কষ্টকর।
১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:৫৯
লেখক বলেছেন: হুমমম, এসব বেশী ভাবলে আর শান্তিতে নাক ডেকে ঘুমানোটা হয়ে উঠবেনা।

আমার কেমন কেমন জানি লাগতাছে। মনে হইতাছে এইতো একটা উল্কা আইসা কইষা নাকের ডগায় পইরা নাকটা থেতলাইয়া দিব। আমি এহন কি করি???????

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.