নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অদ্ভুত ছেলেটি

মেহেদী আনোয়ার

জানিনা

মেহেদী আনোয়ার › বিস্তারিত পোস্টঃ

রোজা সম্পর্কিত একটি সংক্ষিপ্ত আলোচনা

০২ রা আগস্ট, ২০১১ রাত ৯:৩২

রোজা (ফারসি روزہ রুজ়ে), সাউম (আরবি صوم স্বাউম্‌), বা সিয়াম ইসলাম ধর্মের পাঁচটি মূল ভিত্তির তৃতীয়। সূর্য ওঠা থেকে সূর্য ডোবা পর্যন্ত পানাহার এবং সেই সাথে যাবতীয় ভোগ-বিলাস থেকেও বিরত থাকার নাম রোযা।আল্লাহ রোজাকে মানুষের ধৈর্যের শিক্ষাদান এবং আত্নার রিপু দমন করার জন্য রোজা ফরয করেছেন। এ রোজা প্রত্যেক বয়স্ক নর নারীর উপর ফরয। রহমত, মাগফিরাত ও নারকীয় জীবনের স্পর্শ থেকে মুক্তি লাভের অফুরান সম্ভাবনা নিয়ে ফিরে আসে মাহে রমজান। আসে তাকওয়ার উত্তাপ অনুভব করাতে, যা কিছু অকল্যাণকর, অন্ধকারময় তা থেকে ব্যক্তির অন্তর ও বাহ্য জগৎকে বিমুক্ত করে শুদ্ধ-আলোকিত মানুষের উন্মেষ ঘটাতে। তবে তার জন্য প্রয়োজন মাহে রমজানকে যথার্থভাবে যাপন, সিয়াম পালনের নীতি-বিধান বিষয় জ্ঞানার্জন, সিয়ামের শিক্ষা ও মাসায়েল বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা অর্জন।রমজান মাসের আগমনে মুসলিমগণ আনন্দ প্রকাশ করে থাকেন। আনন্দ প্রকাশ করাই স্বাভাবিক স্বতঃস্ফূর্ততা। আল্লাহ্‌ রাব্বুল আলামীন বলেন :



হে ঈমানদারগণ! তোমাদের ওপর রোযা ফরয করে দেয়া হয়েছে যেমন তোমাদের পূর্ববর্তী নবীদের অনুসারীদের ওপর ফরয করা হয়েছিল। এ থেকে আশা করা যায়, তোমাদের মধ্যে তাকওয়ার গুণাবলী সৃষ্টি হয়ে যাবে।এ কতিপয় নির্দিষ্ট দিনের রোযা। যদি তোমাদের কেউ হয়ে থাকে রোগগ্রস্ত অথবা মুসাফির তাহলে সে যেন অন্য দিনগুলোয় এই সংখ্যা পূর্ণ করে। আর যাদের রোযা রাখার সামর্থ আছে (এরপরও রাখে না) তারা যেন ফিদিয়া দেয়। একটি রোযার ফিদিয়া একজন মিসকিনকে খাওয়ানো। আর যে ব্যক্তি স্বেচ্ছায় ও সানন্দে কিছু বেশী সৎকাজ করে, তা তার জন্য ভালো। তবে যদি তোমরা সঠিক বিষয় অনুধাবন করে থাকো তাহলে তোমাদের জন্য রোযা রাখাই ভালো। রমযানের মাস, এ মাসেই কুরআন নাযিল করা হয়েছে, যা মানবজাতির জন্য পুরোপুরি হিদায়াত এবং এমন দ্ব্যর্থহীন শিক্ষা সম্বলিত, যা সত্য-সঠিক পথ দেখায় এবং হক ও বাতিলের পার্থক্য সুস্পষ্ট করে দেয়। কাজেই এখন থেকে যে ব্যক্তি এ মাসের সাক্ষাত পাবে তার জন্য এই সম্পূর্ণ মাসটিতে রোযা রাখা অপরিহার্য এবং যে ব্যক্তি রোগগ্রস্ত হয় বা সফরে থাকে, সে যেন অন্য দিনগুলোয় রোযার সংখ্যা পূর্ণ করে।আল্লাহ তোমাদের সাথে নরম নীতি অবলম্বন করতে চান, কঠোর নীতি অবলম্বন করতে চান না। তাই তোমাদেরকে এই পদ্ধতি জানানো হচ্ছে, যাতে তোমরা রোযার সংখ্যা পূর্ণ করতে পারো এবং আল্লাহ তোমাদের যে হিদায়াত দান করেছেন সে জন্য যেন তোমরা আল্লাহর শ্রেষ্ঠত্ব প্রকাশ করতে ও তার স্বীকৃতি দিতে এবং তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে পারো। [আল বাকারাহ(১৮৩-১৮৫)]



যখন রমজানের আগমন হত তখন রাসূলে করীম (সঃ) অতিশয় আনন্দিত হতেন, তার সাহাবাদের বলতেন: তোমাদের দ্বারে বরকতময় মাস রমজান এসেছে। এরপর তিনি এ মাসের কিছু ফযীলত বর্ণনা করে বলতেন, আল্লাহতাআলা তোমাদের জন্য সিয়াম পালন ফরজ করেছেন। এ মাসে আকাশের দ্বারসমূহ খুলে দেয়া হয়। বন্ধ করে দেয়া হয় জাহান্নামের দরজাগুলো। অভিশপ্ত শয়তানকে বন্দি করা হয়। এ মাসে রয়েছে একটি রাত যা হাজার রাতের চেয়ে শ্রেষ্ঠ। যে ব্যক্তি এর কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হলো সে মূলত সকল কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হল।

সিয়াম জান্নাত লাভের একটি মাধ্যম; যেমন হাদীসে এসেছেঃ যে আল্লাহ্‌ এবং তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান আনল, সালাত কায়েম করল, যাকাত আদায় করল, সিয়াম পালন করল রমজান মাসে, আল্লাহতাআলার কর্তব্য হয়ে যায় তাকে জান্নাতে প্রবেশ করানো...।[বোখারি : ৭৪২৩]

অন্য হাদীসে এসেছে “ আল্লাহ রাব্বুল আলামীন রমজানের প্রতি রাতে ও দিনে বহু মানুষকে মুক্তি দিয়ে থাকেন এবং প্রতি রাত ও দিবসে মুসলিমের দোয়া-প্রার্থনা কবুল করা হয়।“ যে ব্যক্তি রমজান মাস পেয়েও তার পাপসমূহ ক্ষমা করানো থেকে বঞ্চিত হলো আল্লাহ্‌র রাসূল (সঃ) তাকে ধিক্কার দিয়েছেন। তিনি বলেছেন “ ঐ ব্যক্তির নাক ধুলায় ধূসরিত হোক যার কাছে রমজান মাস এসে চলে গেল অথচ তার পাপগুলো ক্ষমা করা হয়নি।“ [জামেউল উসুল ফি আহাদিসির রাসূল : ১৪১০]

তিনি আরও বলেন “রমজান মাসের প্রথম রজনীর যখন আগমন ঘটে তখন শয়তান ও অসৎ জিনগুলোকে বন্দি করা হয়। জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়, এ মাসে একটি দরজাও খোলা হয় না। জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেয়া হয়, এ মাসে তা আর বন্ধ করা হয় না। প্রত্যেক রাতে একজন ঘোষণাকারী এ বলে ঘোষণা দিতে থাকে যে, হে সৎকর্মের অনুসন্ধানকারী তুমি অগ্রসর হও! হে অসৎ কাজের অনুসন্ধানকারী তুমি থেমে যাও! এ মাসের প্রতি রাতে আল্লাহতাআলা জাহান্নাম থেকে বহু মানুষকে মুক্তি দিয়ে থাকেন।“ [আস সুনান আস সগুরা : ১৪২৯]

“ হে যুবকেরা ! তোমাদের মাঝে যে সামর্থ্য রাখে সে যেন বিবাহ করে। কেননা বিবাহ দৃষ্টি-কে অবনত করে ও লজ্জাস্থানের সুরক্ষা দেয়। আর যে বিবাহের সামর্থ্য রাখে না সে যেন সিয়াম পালন করে। কারণ এটা তার রক্ষা কবচ।“ [ মুসলিমঃ ১৪০০]

“সিয়াম হল ঢাল। সুতরাং তোমাদের মাঝে যে সিয়াম পালন করবে সে যেন অশ্লীল আচরণ ও শোরগোল থেকে বিরত থাকে। যদি তার সাথে কেউ ঝগড়া বিবাদ কিংবা মারামারিতে লিপ্ত হতে চায় তবে তাকে বলে দেবে আমি সিয়াম পালনকারী।“ [ মুসলিমঃ১৫৫১]

“জান্নাতে একটি দরজা রয়েছে। যার নাম রাইয়ান। কেয়ামতের দিন সিয়াম পালনকারীরাই শুধু সে দরজা দিয়ে প্রবেশ করবে। তাদের ছাড়া অন্য কেউ সে দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না। সেদিন ঘোষণা করা হবে, সিয়াম পালনকারীরা কোথায়? তখন তারা দাঁড়িয়ে যাবে সে দরজা দিয়ে প্রবেশ করার জন্য। যখন তারা প্রবেশ করবে, দরজা বন্ধ করে দেয়া হবে। ফলে তারা ব্যতীত অন্য কেউ প্রবেশ করতে পারবে না।“ [বোখারি : ১৭৯৭, মুসলিম : ১১৫২]



রমজান মাসের ফযীলত ঃ-

১। এ মাসের সাথে ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ রুকনের সম্পর্ক রয়েছে; আর তা হলো সিয়াম পালন।

২। রমজান হল কুরআন নাযিলের মাস।

৩। রমজান মাসে জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেয়া হয় ও জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেয়া হয় শৃঙ্খলাবদ্ধ করা হয় শয়তানদের।

৪। রমজান মাসে রয়েছে লাইলাতুল কদর।

৫। রমজান মাস দোয়া কবুলের মাস।

৬। রমজান পাপ থেকে ক্ষমা লাভের মাস।

৭। রমজান জাহান্নাম থেকে মুক্তি লাভের মাস।

৮। রমজান মাসে সৎকর্মের প্রতিদান বহুগুণে বৃদ্ধি করে দেয়া হয়।

৯।রমজান ধৈর্য ও সবরের মাস।



সিয়ামের ফযীলতঃ- [/sb]

১। সিয়াম শুধ আল্লাহ্‌র জন্য।

২। সিয়াম আদায়কারী বিনা হিসাবে প্রতিদান লাভ করে থাকেন।

৩। সিয়াম ঢাল ও কুপ্রবৃত্তি থেকে সুরক্ষা।

৪। সিয়াম জাহান্নাম থেকে বাঁচার ঢাল।

৫। সিয়াম হল জান্নাত লাভের পথ।

৬। সিয়াম পালনকারীর মুখের গন্ধ আল্লাহ্‌র কাছে মেশকের চেয়েও উত্তম।

৭। সিয়াম ইহকাল ও পরকালের সাফল্যের মাধ্যম।

৮। সিয়াম কেয়ামতের দিন সুপারিশ করবে।

৯। সিয়াম হল গুনাহ মাফের কারণ ও গুনাহের কাফফারা।



চিকিৎসা বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে রোজাঃ

প্রখ্যাত স্বাস্থ্য বিজ্ঞানী ডাঃ শেলটন তার “সুপিরিয়র নিউট্রিশন” গ্রন্থে বলেছেন- উপবাসকালে শরীরের মধ্যস্থিত, প্রোটিন, ফ্যাট ও শর্করা জাতীয় পদার্থসমূহ স্বয়ং পাচিত হয়। ফলে গুরুত্বপূর্ণ কোষগুলোতে পুষ্টি বিধান হয়। এই পদ্ধতিকে “এ্যান্টো লিসিস” বলা হয়। এর ফলে শরীরে উৎপন্ন উৎসেচকগুলো বিভিন্ন কোষে ছড়িয়ে পড়ে। এটি হচ্ছে শরীর বিক্রিয়ার এক স্বাভাবিক পদ্ধতি। রোজা এই পদ্ধতিকে সহজ, সাবলীল ও গতিময় করে। ভেষজের জনক হিপ্লোক্র্যাটন দু’ হাজার চারশ’ বছর আগে বলেছিলেন “খাদ্য তোমার রোগের ওষুধ”। অর্থাৎ খাদ্যকে আয়ত্ত করার মাধ্যমে বিভিন্ন রোগ হতে মুক্তি পাওয়া যায়। আর এই আয়ত্ত করার অন্যতম মাধ্যম হলো রোজা। নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ওষুধ ও শল্য চিকিৎসার প্রখ্যাত ডাঃ অ্যালেকসিস বলেছেন, পুনঃ পুনঃ নিয়মিত এবং বেশি পরিমাণ খাদ্য গ্রহণ এমন এক শরীর বৃত্তয় ক্রিয়ায় বাধাদান করে যা মানব প্রজাতির ঊর্ধ্বতন বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। রোজার উপবাসের মাধ্যমে লিভার রক্ত সঞ্চালন দ্রুত হয় ফলে ত্বকের নিচে সঞ্চিত চর্বি, পেশীর প্রোটিন, গ্রন্থিসমূহ এবং লিভারে কোষসমূহ আন্দোলিত হয়। আভ্যন্তরীণ দেহ যন্ত্রগুলোর সংরক্ষণ এবং হ্নদপিণ্ডের নিরাপত্তার জন্য অন্য দেহাংশগুলোর বিক্রিয়া বন্ধ রাখে। খাদ্যাভাব কিংবা আরাম-আয়েশের জন্য মানুষের শরীরের যে ক্ষতি হয়, রোজা তা পূরণ করে দেয়। এ ছাড়া মানুষের শরীরে থাকে অনেক ধরনের রোগ। এ রোগ নিরাময়ের ক্ষেত্রেও রোজা অনেক উপকার করে।যেমনঃ-

বহুমূত্র রোগঃ মোটা লোকের বহুমূত্র রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে রোজা খুব উপকারী। ডাক্তারী পরীক্ষায় দেখা গেছে, একাধারে ১৫ দিন রোজা রাখলে বহুমূত্র রোগের অত্যন্ত উপকার হয়। চর্বিযুক্ত বস্ত্রমূত্র রোগীকে চিকিৎসাশাস্ত্রে ওজন কমাতে বলা হয়েছে। কোন ওষুধ না খেয়ে শুধুমাত্র রোজা রাখার মধ্যমেও বহুমূত্র রোগ নিরাময় হয়।



চর্মরোগঃ রোজা চর্ম রোগের জন্য খুবই উপকারি।পুষ্টির সঙ্গে চর্মরোগের সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর। তাই চর্ম রোগের কিংবা ত্বকের উপর স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়ায় রোজা খুবই ফলদায়ক পদ্ধতি। আধুনিক চিকিৎসকগণ এমত পোষণ করে থাকেন।



কিডনীর পাথর কণা ও চুনঃ অনেকের কিডনী সমস্যা আছে। অথবা কিডনীতে পাথর ও চুন হয়। রোজা রাখলে এ সমস্যা আরো বেড়ে যাবে বিধায় তারা রোজা রাখেন না। অথচ আধুনিক ডাক্তারগণ বলেছেন রোজা রাখলে কিডনীতে সঞ্চিত পাথর কণা ও চুন দূরীভূত হয়। রোজাদারগণ যদি বেশী পানি পান করে তাহলে প্রস্রাবের নালি ধুয়ে পরিষ্কার হয় এবং নালি পথ প্রশস্ত হওয়া ছোট পাথর কণা নিঃসরণে সুবিধা হয়। ধমনীতে উচ্চচাপ জনিত কষ্টঃ রোজা রাখলে শরীরের ওজন কমে। শরীরের মধ্যে যে সমস্ত লবণ প্রবেশ করে সেই লবণগুলি রক্ত চাপ বাড়ায় তাই রোজা সেই লবণের পরিমাণ কামায় ফলে হ্নদপিণ্ডের উপর চাপ কম হয়



স্মৃতি শক্তি বৃদ্ধিঃ স্নায়ুতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে এবং স্মৃতি শক্তি ও একাগ্রতা বৃদ্ধি করতে রোজা বিশেষ উপকার করে। চিকিৎসকগণের মতে স্নায়ুতন্ত্রের উপর রোজার ক্রিয়া মরিচা পরিষ্কার করার জন্য লোহার ব্রাশের মত। রোজা স্নায়ুতন্ত্রে কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে, তাই রোজা জীবনের অনেক অনেক মারাত্মক রোগ দূর করতে সক্ষম।



অন্ত্রের দীর্ঘস্থায়ী রোগঃ রোজা হল অন্ত্রের দীর্ঘস্থায়ী রোগের উত্তম নিরাময় পদ্ধতি আমিষ ও শর্করা জাতীয় খাদ্য গেঁজে ওঠার ফলে বিভিন্ন রোগের সৃষ্টি হয়। রোজা রাখলে অন্ত্রে সঞ্চালন হয় এবং বিভিন্ন পাচক রস নিঃসৃত হয় ফলে আন্ত্রিক সময়ের জন্য তৎপর রাখে। ফলে তার কর্ম ক্ষমতা কমে যায় ও খাদ্য পরিপাকে অক্ষম হয়ে পড়ে। এ জন্য খাদ্য গেঁজে ওঠে ও কতগুলো উত্তপ্ত গ্যাস উৎপন্ন হয়। রোজা উক্ত খাদ্যকে পাচিত করে তাই উপরোক্ত ব্যাধি হতে রোজা দ্বারা সহজে নিরাময় পাওয়া যায়।



মেদ বৃদ্ধি জনিত রোগঃ মেদ বৃদ্ধি জনিত রোগ নিরাময়ে রোজা উত্তম চিকিৎসা। মেদ বৃদ্ধি বিশেষতঃ রক্তে কোলেষ্টল বেশী হলে হ্নৎপিন্ড ধমনির উপর বিপজ্জনক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে এবং ধমনির অন্যান্য রোগ যেমন-থ্রম্বসিস হয়। যার কারণে রোগীর হঠাৎ মৃত্যু হতে পারে।

মন্তব্য ১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ২১ শে জুলাই, ২০১২ দুপুর ২:৩১

মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান বলেছেন: ভালো। +

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.