| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মাহিরাহি
বাড়ী আখাউড়া। আখাউড়া রেলওয়ে হাইস্কুল থেকে পাস করে সোজা ঢাকায় চলে আসি। কিছুদিন সিটি কলেজে ছিলাম। ছিলাম জগন্নাথেও। তারপর টোকিওতে কাটিয়েছি সাড়ে ছয়টি বছর। দেশে ফিরে এসে চাকুরি আর সংসার নিয়ে আছি। দুটো ছেলে, মাহি আর রাহি। একজনের সাড়ে ছয় আর আরেকজনে সদ্য চার পেরিয়েছে। ওদের নামদুটো জুড়ে দিয়েই আমার নিকের জন্ম। বেশিরভাগ সময়কাটে সন্তানের সান্নিধ্য। ঘরকুনো মানুষ আমি। লেখালেখিতে হাতেখড়ি এই সা ইন বল্গে এসেই। কেউ বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিল ফিরিয়ে দেয়ার মত উদ্ধত্য আমার নেই। সবারই বন্ধু হতে চাই।
বিক্ষিতভাবে কিছু কোরআনের আয়াত তুলে ধরা বলা হয় যে ইসলাম অন্য ধর্মের প্রতি মোটেও সহনশীল নয়। জেহাদ ভুল অর্থে ব্যবহার করা হয়। আরো প্রচার করা হয় যে মুসলমানেরা সারা পৃথিবী জুড়ে ধর্মান্তরের কাজটি করেছে তরবারিত জোরে । এসব কিছুই প্রচার করা হয় উদ্দ্যেশপ্রনোদিতভাবে ইসলামকে হেয় করার জন্য। তাই ইসলামের ব্যপারে যারা অজ্ঞ তাদের কাছে শেষ প্রযন্ত চিত্রটা দাড়ায় এরকম যে মুসলান মাত্রেই সুযোগ পেলে বিধর্মীদের তলোয়ার দিয়ে কতল করতে আসে।
তাই বিধর্মীদের প্রশ্নে ইসলামের প্রকৃত অবস্থানটি কিছুটা স্পষ্ট করে তোলার প্রয়াস এই পোষ্টটি।
নাজরান এর খৃষ্টানরা নবীজিকে সাঃ যখন দেখতে এলেন তখন নবীজি সাঃ তাদেরকে যে শুধু মসজিদে থাকতে দিলেন তা নয় তাদের বিশ্বাস অনুসারে মসজিদের ভিতরে প্রার্থনাও করতে দিলেন। নবীজি সাঃ তাদের এমর্মে সনদ প্রদান করলেন যে, নাজরান এর আশেপাশে অন্চলের খৃষ্টানদের জীবনের প্রতি, তাদের ধর্মের প্রতি তাদের সম্পত্তির জন্য মহান আল্লাহর নিরাপত্তা এবং রাসুল সাঃ প্রতিশ্রুতি ...তাদের বিশ্বাস এবং তাদের রীতিনীতিতে কোন হস্তক্ষেপ করা হবে না, তাদের কোন অধিকার বা সুযোগ সুবিধা পরিবর্তন করা হবেনা, তারা ছোট বড় সব কিছুই আগের মত উপভোগ করতে পারবে।
রাসুল সাঃ প্রথম ইসলামি ষ্ট্যাটের শুধু যে প্রধান ছিলেন তা নয় তিনি সুপ্রীম জুডিশিয়াল অথরিটিও ছিলেন। বিধর্মীরাও তার কাছে বিচার নিয়ে আসত এবং তিনি তাদের ধর্ম অনুসারে তাদের বিচারকার্য পরিচালনা করতেন। মুসলমান এবং বিধর্মীদের মধ্যে কোন বিবাদ থাকলে তিনি কোরআনের নির্দেশ অনুযায়ী আইনের চোখে সবাই সমান নীতিতে বিচারকার্য পরিচালনা করতেন, ধর্মের পার্থক্যটি আমলে আনতেন না।
রাসুল সাঃ বলতেন ইসলামী রাজ্যে একজন বিধর্মী এবং একজন মুসলমানের রয়েছে সমান অধিকার। যে কেউ একজন বিধর্মীকে আঘাত করল সে যেন আমাকে আঘাত করল এবং যে কেউ আমাকে আঘাত করল সে যেন আল্লাহকে অসন্তুষ্ট করল।
রাসুল সাঃ আরো বলেছেন, সাবধান হাশরের ময়দানে তার বিরুদ্ধে আমি নিজে অভিযোগ করব যে কোন বিধর্মীর প্রতি অন্যায় করল, তার অধিকার বিনষ্ট করল কিংবা তার উপর এমন দায়িত্ব চাপিয়ে দিল যা বইবার শক্তি তার নেই।
প্রথম ইসলামি রাজ্যের কনষ্টিশিউনে বলা আছে, মুসলামনদের জন্য মুসলমানদের ধর্ম ইহুদিদের জন্য ইহুদিদের ধর্ম। ক্লজ ২৫ এ উপরন্তু ইহুদিদের কম্যিউনিটি হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।
এমনকি এও বলা হয় যে ইহুদিদের ভোটাধিকার ছিল।
রাজ্য স্থাপনের পর রাসুল সাঃ মদিনার প্রতিবেশি পাগানদের সাথে প্রতিরক্ষা এবং পারষ্পরিক সহযোগিতার চুক্তি করেছিলেন। দীর্ঘ দশ বছর বিশ্বস্থতার সাথে তারা পাশাপাশি অবস্থান করেছিল।
নবীজি সাঃ তার মৃত্যু শয্যায় বলে গিয়েছেন তোমরা বিধর্মীদের সর্বাত্মক সততার সুরক্ষা দিয়ো যেমন আমি দিয়েছিলাম।
নবীজি সাঃ একজন অমুসলিমকে আবিসিনিয়ার দুত হিসেবে পাঠিয়েছিলেন।
পরবর্তীকালে অনেক মুসলিম গভর্নমেন্ট খৃষ্টান যাচককে বিচারকার্যের ক্ষমতা দিয়েছিলেন, আবার অনেক ইহুদি এবং খৃষ্টান রাষ্টের সর্বোচ্চ সম্মানিতদের মধ্যে ছিলেন যাদের সরাসরি সম্পর্ক ছিল খলিফার সাথে।
হযরত ওমর রাঃ এর সময় কিছু মুসলমান এক ইহুদির জায়গা দখল করে মসজিল নির্মনা করেছিল তা জানতে পেরে ওমর রাঃ মসজিদ ভাংগার নির্দেশ দিয়েছিলেন এবং ইহুদিকে তার জায়গা ফিরিয়ে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। বাইয়াতুল ইয়াহুদ নামক জায়গাটি এখনো বিদ্যমান এবং সর্বজন পরিচিত।
আরেকবার গির্জা এক অংশ ভেংগে মসজিদ নির্মান করা হয়েছে, এরকম এক অভিযোগ আসলে ওমর রাঃ মসজিদের গির্জার অংশটি ভেংগে ফেলার নির্দেশ দিলেন এর সাথে সাথে গির্জাটি পুনর্নির্মানেরও নির্দেশ দিলেন।
ওমর রাঃ বলেছেন, বিধর্মীদের সুব্যবস্থার প্রতি নজর দাও, তাদের সাথে নম্র ব্যবহার কর তাদের কেউ বৃদ্ধাবস্থায় উপনীত হলে কোন সম্পদ না থাকলে তোমাকে তার ব্যয়ভার বহন করতে হবে।
আলী রাঃ একবার এক যুদ্ধে একজন বিখ্যাত কাফের যোদ্ধার সাথে লড়ছিলেন। তুমুল সেই যুদ্ধের শেষের দিকে আলী রাঃ কাফেরের বুকের উপর চেপে বসে যেই তলোয়ার দিয়ে মারতে উদ্যত হলেন পরাজিত সেই কাফের ক্রুধে আলী রাঃ মুখের উপর থুথু ছুড়ে মারল। ক্ষনিকের জন্য আলী রাঃ মাথায় ক্রুধের সন্চার হল তিনি দ্বিগুন তেজে তলোয়ার চালাতে গিয়েও থেমে গেলেন। কাফেরের বুকের উপর থেকে নেমে পড়লেন।
সেই কাফের যোদ্ধা ত অবাক।
ধাতস্ত হয়ে সে জিজ্ঞাসা করল, আমায় মারলেন না কেন?
আলী রাঃ উত্তর দিলেন, এতক্ষন তোমার সাথে যে আমার যে যুদ্ধ হল তা ধর্মের (নীতির)কারনে ব্যক্তিগত বিদ্বেষের কারনে নয়। কিন্ত তুমি যখন আমায় থুথু দিলে তখন আমার মধ্যে ক্রুধের সন্চার হল, তাই তখন যদি আমি তোমায় মারতে যেতাম তাহলে ব্যক্তিগত বিদ্বেষটা কারন হয়ে দাড়াত।
তাই ব্যক্তিগত বিদ্বেষের কারনে আমি তোমাকে মারতে পারিনা।
উপরের ঘটনাটি বলে দেয় যে, ব্যক্তিগত বা জাতিগত কিংবা জাতিগত বিদ্বেষ নয় নীতিগত কারনেই নবীজি সাঃ এবং তার সহচরদের বিধর্মীদের ব্যপারে কঠোর হতে হয়েছিল।
নবীজি সাঃ আর সেই ইহুদি বুড়ির ঘটনা আমরা সবাই জানি যে বুড়ি নবীজি সাঃ কষ্ট দেয়ার জন্য পথে কাটা বিছিয়ে রাখত। একদিন পথে কাটা নে পেয়ে নবীজি সাঃ চিন্তিত হলেন, ভাবলেন বুড়ির কিছু হয়নিত। বুড়ির ঘরে গিয়ে দেখলেন তিনি অসুস্থ, সেবা করে সারিয়ে তুললেন তাকে।
আরেকজন মানুষের (শত্রুর) প্রতি কিরকম মমত্ব থাকলে এ ধরনের আচরন সম্ভব আমরা কি কেউ ভাবি।
অথচ এরকম একজন মহামানবের চরিত্রে কালিমা লেপনে কিছু কিছু মুর্খের হাত একটুও কাপেনা।
শেষে ব্লগারদের কাছে আমার প্রশ্ন আমরা কি শুধু নীতির কারনেই পরষ্পর ঝগড়াঝাটি করি নাকি এতে ব্যক্তিগত বিদ্বেষেটাই শেষ পর্যন্ত মুখ্য হয়ে দাঁড়ায়।
২|
১০ ই আগস্ট, ২০০৭ রাত ৮:২৪
ডাক্তার আইজউদ্দিন বলেছেন: আপনার লেকার কোন সুত্র নাই আর আপনি জিজিরা করের আলোচনা করা ছাড়া কি ভাবে অন্যধর্মাল্বিদের ট্রিটমেনট করেন। আর টাইটেল বিধর্মি ব্যবহার করচেন কেন, আপনার টাই ধর্ম অন্য ধর্মালম্বিদের টা বিধর্ম। কেন?
৩|
১০ ই আগস্ট, ২০০৭ রাত ৮:৩১
মোসতাকিম রাহী বলেছেন: এই পোস্টটিতে ১ রেটিং কে দিলো?
৪|
১০ ই আগস্ট, ২০০৭ রাত ৮:৩৩
ডাক্তার আইজউদ্দিন বলেছেন: আমি কেননা এটা পুরা একজনের ধর্মাচারনের আলোকে লেকা অভিমত কোন সুত্র বা আলোচনার গভীরতা নেই
৫|
১০ ই আগস্ট, ২০০৭ রাত ৮:৩৪
জায়দান বলেছেন: আগেরটা কে দিসে জানি না, আমি একটা দিলাম।
'বিধর্মী' শব্দটা সন্ত্রাসী মানসিকতার পরিচয় দেয়।
৬|
১০ ই আগস্ট, ২০০৭ রাত ৮:৩৫
মোসতাকিম রাহী বলেছেন: ডাক্তার, বিধর্মী মানে 'অন্য ধর্মালম্বী' এটা আপনার মতো জ্ঞানী মানুষকে নিশ্চয়ই নতুন করে শেখানোর প্রয়োজন নেই?
লেখক যেহেতু ইসলামের কথা বলছেন, বিধর্মী মানে অন্য ধর্মালম্বী এটা বুঝতে কষ্ট হওয়ার তো কথা নয়!
সূত্র উল্লেখ করেন নি এটা ঠিক।
৭|
১০ ই আগস্ট, ২০০৭ রাত ৮:৩৭
জায়দান বলেছেন: মোসতাকিম তুমিও বিধর্মী। আমি হিন্দু হইলে কি তোমারে বিধর্মী কইতে পারুম?
৮|
১০ ই আগস্ট, ২০০৭ রাত ৮:৩৭
ডাক্তার আইজউদ্দিন বলেছেন: বিধর্মী মানে অন্য ধর্মালম্বী এ কতাটা খুব অপমানজনক। এটা অন্য ধর্মালম্বী বুজাই না বোজায় আমারটা ধর্ম আর অন্যরটা বিধর্ম
৯|
১০ ই আগস্ট, ২০০৭ রাত ৮:৩৮
মোসতাকিম রাহী বলেছেন: 'বিধর্মী' শব্দের অর্থ অভিধানে কী আছে দেখুন। @ জায়দান।
১০|
১০ ই আগস্ট, ২০০৭ রাত ৮:৩৮
এস্কিমো বলেছেন: সবই ভাল বলেছেন। এগুলো সবইতো ১৪০০ বছর আগের। এখনকার ইসলামের চেহারা নিয়ে কিছু বলেন।
কথায় কথায় অমুকের মাথা - তমুকের কল্লা চাই ..এই দাবীগুলোর সাথে উপরের ঘটনাবলী খাপ খায়না। তাহলে কি এখনকার মুসলমানরা সঠিক ইসলাম পালন করছে না?
১১|
১০ ই আগস্ট, ২০০৭ রাত ৮:৩৯
জায়দান বলেছেন: কি আছে অভিধানে? তোমারে বিধর্মী কওন যাইবো?
১২|
১০ ই আগস্ট, ২০০৭ রাত ৮:৩৯
মোসতাকিম রাহী বলেছেন: ডাক্তার, অভিধান কিন্তু সেটাই বলে। 'বিধর্মী' মানে ভিন্ন ধর্মালম্বী।
১৩|
১০ ই আগস্ট, ২০০৭ রাত ৮:৪০
মোসতাকিম রাহী বলেছেন: হ্যাঁ জায়দান, আপনি যদি হিন্দু বা অন্য ধর্মের অধিকারী হন, আমাকে বিধর্মী বলতে পারবেন।
১৪|
১০ ই আগস্ট, ২০০৭ রাত ৮:৪০
জায়দান বলেছেন: তাইলে মোসতাকিমও বিধর্মী।
কিন্তু যারা ধর্ম মানে না, তারা যাইবো কই?
১৫|
১০ ই আগস্ট, ২০০৭ রাত ৮:৪১
ডাক্তার আইজউদ্দিন বলেছেন: অভিধানে কি আচে সেটা বিবেচ্য বিষয় না কেননা অভিযানের রাজাকার অর্থ সাহায্যকারী। শাব্দিক অর্থ আর প্রায়োগিক অর্থে পার্থক্য আচে
১৬|
১০ ই আগস্ট, ২০০৭ রাত ৮:৪১
মোসতাকিম রাহী বলেছেন: ফট করে কাউকে তুমি বলাটা কি উচিত? @ জায়দান।
১৭|
১০ ই আগস্ট, ২০০৭ রাত ৮:৪২
ডাক্তার আইজউদ্দিন বলেছেন: তুমি ই ভালা এ আপনি তুই সিস্টেম নষ্ট করে
১৮|
১০ ই আগস্ট, ২০০৭ রাত ৮:৪৪
জায়দান বলেছেন: আপন মনে কইরা বলি। খারাপ লাগলে আপনি বলতে পারি। কিন্তু যারা ধর্ম মানে না, তারা কই যাইবো?
১৯|
১০ ই আগস্ট, ২০০৭ রাত ৮:৪৭
মোসতাকিম রাহী বলেছেন: ঠিক ডাক্তার, কেউ যদি বিধর্মী শব্দের কারণে অপমান বোধ করেন সেটা ব্যবহার না করে ভিন্নধর্মী বা অন্য ধর্মালম্বী বলা উচিত।
ধর্ম তো সবার আছে, যাদের আমরা বলছি ধর্ম নেই, তারাও কিন্তু ইচ্ছে মতো একটা ধর্ম বানিয়ে নিয়েছে।@ জায়দান
২০|
১০ ই আগস্ট, ২০০৭ রাত ৮:৪৯
মোসতাকিম রাহী বলেছেন: আপন মনে করে বললে আপত্তি নেই। আপন ভাবার জন্যে ধন্যবাদ। ডাক্তারের কথা অনুযায়ী ভালোবাসা তৈরির জন্যেই এখন থেকে সবাইকে তুমি বলতে হবে।
২১|
১০ ই আগস্ট, ২০০৭ রাত ৮:৫০
জায়দান বলেছেন: না তো। অনেকেই ধর্ম মানে না। তারা তো তাইলে বিধর্মী ফর্মূলায় বাদ যাইবো। তাগো কি হইবো, সেইডা কও। ধর্মের চিপায় পইড়া তারা বলি হইয়া যাইবো?
২২|
১০ ই আগস্ট, ২০০৭ রাত ৮:৫২
মোসতাকিম রাহী বলেছেন: আমার কথা তুমি ধরতে পারো নি জায়দান, আমি বলছি যারা প্রচলিত ধর্মগুলোতে বিশ্বাস রাখে না, তাদের নিজেদরও কিন্তু জীবন যাপনের একটা সিস্টেম আছে, এটাই ধর্ম।
২৩|
১০ ই আগস্ট, ২০০৭ রাত ৮:৫৪
জায়দান বলেছেন: A group of people from the Oreyneh and Oqayelh tribes came to the prophet to embrace Islam, the prophet advised them to drink the urine of the camels. Later on when they killed the prophet's shepherd, the prophet seized them, gouged out their eyes, cut their hands and legs, and left them thirsty in the desert to die. - সহীহ বুখারী
২৪|
১০ ই আগস্ট, ২০০৭ রাত ৮:৫৭
জায়দান বলেছেন: অনেকেরই জীবনযাপনের কোনো সিস্টেম নাই। তাগো উপরে ধর্ম চাপায় দিলে চলে কেমনে? যারা প্রচলিত ধর্ম মানে না, যারা ধার্মিক নামের পশুদের অত্যাচার দেখে ধর্মের প্রতি বিতৃষ্ঞ, তাদেরকে ধার্মিক বলাটাও তো অপমানজনক।
তুমি আমারে তুমি বলা ধরলা কেন? আপনি করে বলো।
২৫|
১০ ই আগস্ট, ২০০৭ রাত ৮:৫৮
মোসতাকিম রাহী বলেছেন: কোথায় পেলে? অনলাইনে?
২৬|
১০ ই আগস্ট, ২০০৭ রাত ৯:০৬
পাঠক বলেছেন: জিজিয়া কর হইল ওন্যদের জন্য ইসলামী রাষ্ট্রের ট্যাক্স । ইসলামী রাষ্ট্রে মুসলমানরা যাকাত দেয়- বিধর্মীরা জিজিয়া দেয় । তা নাইলে তো সমতা থাকত না ।
২৭|
১০ ই আগস্ট, ২০০৭ রাত ৯:১২
ডাক্তার আইজউদ্দিন বলেছেন: যাকাত ট্যাক্স হয় কেমতে সেটা তো শুধু দরিদ্র সেবার জন্য। এক ধরনের দান, রাষ্ট্র হে পয়সা দিয়া রাস্তআ বানাইতে পারবোনা। আর জিজিরা করের লগে জাকাতের % বিরাট ফাক জিজিরা কর বেসী। আর আপনারে মুসলিম শাসিত অন্চলে তাকলে এ কর দিতে হইতো। আপনে একন বাংলাদেশে ট্যাক্স দেন আর যাকাত দান হিসাবে দেন সওয়াব পাওয়ার আসায়। আদি কালেও তাই আচিল;
২৮|
১০ ই আগস্ট, ২০০৭ রাত ৯:১৫
জায়দান বলেছেন: যাকাত দেয় সওয়াবের আশায়। কর সবার দেওয়া উচিত। মুসলমানেরা তাইলে যাকাতের নাম করে কর ফাকি দেয়।
২৯|
১০ ই আগস্ট, ২০০৭ রাত ৯:৩৩
সোনার বাংলা বলেছেন: ভালো লিখেছেন।৫
আমার মাথায় একটা জিনিষটা কাজ করে না!
কিছু কিছু ব্লগার আছে সত্য জানার পরে ও বিরোধীতা
করবে, এইটা কি ইসলাম অপছন্দের কারনে?
তারা কি চায় সেটাই এই গিলুর মধ্যে যাইতেছে না!
তবে তাদের উদ্দেশ্য যে ভালো না সে বিষয়ে আমি
একমত।
৩০|
১০ ই আগস্ট, ২০০৭ রাত ৯:৩৮
ডাক্তার আইজউদ্দিন বলেছেন: সোনার বাংলা টিক বলেচেন কিচু লোকের ঘিলু বেসী হওয়াতে কিচু লোকের ঘিলু কইমা গেচে
৩১|
১০ ই আগস্ট, ২০০৭ রাত ৯:৫৯
সোনার বাংলা বলেছেন: ভাই, গিলু কম থাকলে মনে হয় ভালা!
দুনিয়ার মাইনষের এত গিলু বাড়তাছে আধুনিকতার
বাতাসে, কিন্তু মানুষ গুলা কেন যেন সব অন্য রকম
হয়ে যাচ্ছে দিন কে দিন বুঝতাছি না!
কিছুই ভালা লাগে না! ঐ বাংলা মা এবং তার
সুনীল আকাশ ছাড়া।
মানুষের অভাবে এ পৃথিবি শুন্য হবে হয়তো শেষ দিনের অনেক আগে! মনের কথা বিবেকের না!
৩২|
১০ ই আগস্ট, ২০০৭ রাত ১০:২২
মাহিরাহি বলেছেন: Narrated Anas ibn Malik: A group of people from the `Ukl (or `Uraina) tribe—but I think he said that they were from `Ukl—came to Madinah and (they became ill, so) the Prophet ordered them to go to the herd of (milch) camels and told them to go out and drink the camels’ urine and milk (as a medicine). So they went and drank it, and when they became healthy, they killed the camel herder and drove away the camels. This news reached the Prophet early in the morning, so he sent (some) men in their pursuit and they were captured and brought to the Prophet before midday. He ordered their hands and legs to be cut off and their eyes to be branded with heated iron pieces and they were thrown at Al-Harra, and when they asked for water to drink, they were not given water. (Abu Qilaba said, “Those were the people who committed theft and murder and reverted to disbelief after being believers (Muslims), and fought against Allah and His Apostle”). (Reported by Al-Bukhari)
It should be made clear that those people who came to the Prophet (peace and blessings be upon him) were Muslims and they were sick. The Prophet advised them to go to the herd of camels and to drink their milk and urine (as a medicine). When they became healthy, they killed the herder of the Prophet and drove away all the camels that were allocated for sadaqah (charity).
When the Prophet (peace and blessings be upon him) came to know about this, he applied the punishment for Hirabah on them.
Hiraba means killing people, robbing their money or raping women by an armed group of people. The punishment for Hirabah is mentioned in the Qur’an. Allah says: “The only reward of those who make war upon Allah and His Messenger and strive after corruption in the land will be that they will be killed or crucified, or have their hands and feet on alternate sides cut off, or will be expelled out of the land. Such will be their degradation in the world, and in the Hereafter theirs will be an awful doom” (Al-Ma’idah: 33).
As for branding their eyes, the Prophet (peace and blessings be upon him) branded the eyes of the people of `Ukl or `Uraina with iron because they killed the herder and branded his eyes with iron. Imam Ibn Hajar stated the differences of opinions among scholars and he said, “The killing that took place (that is, in reference to the above hadith) was in retaliation and Allah Almighty says, ‘And one who attacketh you, attack him in like manner as he attacked you’ (Al-Baqarah: 194).”
All in all, using this story as evidence in favor of the permissibility of torturing people in Islam is refuted by the fact that the Prophet (peace and blessings be upon him) applied the punishment for Hirabah on them and that he did not do so for personal vengeance.”
৩৩|
১০ ই আগস্ট, ২০০৭ রাত ১০:২৬
ডাক্তার আইজউদ্দিন বলেছেন: urine (as a medicine
প্প্বঙ্প্প্মপ্প্বেষপ্প্ব্যপ্প্ম েপ্প্বঙ্প্প্ব্ত্র?্মঃ;
৩৪|
১১ ই আগস্ট, ২০০৭ রাত ১০:৫৬
তাহমিদাল বলেছেন: ভালো পোস্ট।
©somewhere in net ltd.
১|
১০ ই আগস্ট, ২০০৭ রাত ৮:২২
ঘোড়ার ডিম বলেছেন: ৫