নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

পডুন,জানুন,শেয়ার করুন

একাকী মনের মানুষ

একাকী মাহ্‌মুদুল হাসান

েদশের খবর তুলে ধরাই আমার কাজ

একাকী মাহ্‌মুদুল হাসান › বিস্তারিত পোস্টঃ

বিভিন্ন জেলার পরিস্থিতি

০৫ ই এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:১৬

রাজশাহী: নিরাপত্তার নিশ্চয়তা না থাকায় বাসমালিকেরা ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তে বেলা ১১টা থেকে ঢাকাগামী বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছেন। রাজশাহী সড়ক পরিবহন গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুর রহমান জানান, এটা সংগঠনের কোনো সিদ্ধান্তে হয়নি। প্রত্যেক বাসমালিক তাঁদের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তে বাস চলাচল বন্ধ রেখেছেন। তিনি জানান, যেকোনো হরতাল হলেই বাস ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। ঢাকাগামী প্রতিটি কোচের দাম কোটি টাকার ওপরে।





কুমিল্লা: সহিংসতার আশঙ্কায় বাসমালিকেরা ৪৮ ঘণ্টার জন্য গণপরিবহন চলাচল বন্ধ রেখেছেন। এ পরিস্থিতিতে সকাল থেকে নগরের শাসনগাছা বাস টার্মিনাল ও আশ্রাফপুর এলাকার বাস টার্মিনালে শত শত যাত্রী আটকা পড়েছে।

এদিকে, হেফাজতে ইসলামের কুমিল্লার নেতা-কর্মীরা ভোরেই হেঁটে সুয়াগাজী থেকে কুমিল্লা পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড যান। এরপর তাঁরা কয়েকটি মিনিবাস, পণ্যবাহী ছোট ট্রাক ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা করে রওনা হন।

হেফাজতে ইসলাম কুমিল্লার সদস্য হাফেজ গোলাম জিলানী জানান, ‘রাতের মধ্যে সব নেতা-কর্মী ঢাকায় পৌঁছাবেন। পরিবহন না দিলেও আমরা ঠিকই লংমার্চ করে পৌঁছাব।’

ঢাকাগামী এশিয়া লাইন পরিবহনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জলিশ আবদুর রব বলেন, ‘সরকারি নির্দেশে ৪৮ ঘণ্টা বাস বন্ধ রাখা হয়েছে।’ অন্যদিকে কুমিল্লা জেলা সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের মহাসচিব ও উপকূল পরিবহনের মালিক কবির আহমেদ বলেন, ‘নিরাপত্তার স্বার্থে দুদিনের জন্য উপকূল পরিবহনের সব রুটের বাস চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।’

বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির (বিআরটিএ) কুমিল্লা জেলার সভাপতি ও কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মো. রেজাউল আহসান বলেন, ‘আমরা কাউকে বাস বন্ধ রাখতে বলিনি। বাসমালিকেরা নিজেরাই সহিংসতার আশঙ্কায় বাস বন্ধ রেখেছেন।



বগুড়া: বাস টার্মিনালগুলো থেকে দূরপাল্লার বিশেষ করে ঢাকাগামী বাস ছেড়ে যায়নি। পরিবহন মালিক-শ্রমিকেরা জানান, নাশকতার আশঙ্কায় ও গণজাগরণ মঞ্চের দেওয়া দেশব্যাপী অবরোধ কর্মসূচির কারণে তাঁরা বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছেন। আজ ঢাকায় যাওয়ার জন্য যাঁরা টিকিট কেটেছিলেন, তাঁদের টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে।





চাঁদপুর: আজ ভোর থেকে চাঁদপুরের সঙ্গে ঢাকার সব ধরনের বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। অনেক যাত্রী নৌপথে যাতায়াত করছে। চাঁদপুর বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শোয়েবুর রহমান জানান, মালিক পক্ষ থেকে বাস চলাচলে কোনো বাধা নেই। তবে ঢাকাগামী গাড়ি ভাঙচুর ও আগুন ধরিয়ে দেওয়ার আশঙ্কায় চালকেরা বাস বন্ধ রেখেছেন।

এদিকে, সকাল আটটা থেকে সব কটি লঞ্চ অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে চাঁদপুর ত্যাগ করছে বলে নৌপুলিশ জানায়।



মাদারীপুর: গণজাগরণ মঞ্চের ঘোষিত কর্মসূচির প্রতি সমর্থন জানিয়ে সকাল সাড়ে নয়টা থেকে মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌপথে লঞ্চ, স্পিডবোট ও ফেরিসহ সব নৌযান চলাচল বন্ধ রয়েছে। সকালে কাওড়াকান্দি ঘাট থেকে একটি মাত্র ফেরি মাওয়ার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। এদিকে, বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ফেরি বন্ধ করা হয়নি, যাত্রীবাহী গাড়ি কম থাকায় দীর্ঘ সময় পর পর ফেরি ছাড়তে হচ্ছে।



পটুয়াখালী: জেলার অভ্যন্তরীণ যানসহ দূরপাল্লার সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। নাশকতার আশঙ্কায় আজ সকাল ছয়টা থেকে কাল শনিবার সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত যানবাহন চলাচল বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়। পটুয়াখালীর জেলা বাস মালিক সমিতি ও জেলা পরিবহন শ্রমিক সংগঠন যৌথভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে এই ঘোষণা দেয়।



কুষ্টিয়া ও মেহেরপুর: সকালে কয়েকটি বাস ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে গেলেও ১০টার পর থেকে আর কোনো বাস ছেড়ে যায়নি। শ্যামলী, হানিফ, জেআরসহ বেশ কয়েকটি বাস কাউন্টারে যোগাযোগ করে এ তথ্য জানা গেছে।

কুষ্টিয়া বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নূর হোসেন দুলাল প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, নিরাপত্তাজনিত কারণে সকাল থেকে ঢাকাগামী দূরপাল্লার বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। এমনকি আন্তজেলা বাস চলাচলও বন্ধ রয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন মাইক্রোবাসচালক বলেন, কুষ্টিয়ার মজমপুর মাইক্রোবাস স্ট্যান্ড থেকে কোনো গাড়ি ঢাকার উদ্দেশে ভাড়ায় যাচ্ছে না।



(প্রতিবেদনটি তৈরিতে সহায়তা করেছেন কমল জোহা খান, ঢাকা; গাজীউলহক, কুমিল্লা; মিলন রহমান,বগুড়া; আলম পলাশ, চাঁদপুর ; জহিরুল ইসলাম, মাদারীপুর; আবুল কালাম আজাদ, রাজশাহী; শংকর দাস, পটুয়াখালী ও তৌহিদী হাসান, কুষ্টিয়া)



মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.