| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রাজধানীর মহাখালীতে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সমাবেশে হামলা চালিয়েছে হেফাজতে ইসলাম। এতে একজন পুলিশসহ আটজন আহত হয়েছেন। আজ শনিবার সকালে মহাখালী উড়ালসেতুর নিচের সড়কে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আজ সকাল পৌনে ১০টার দিকে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহরিয়ার কবির ও অধ্যাপক মুনতাসীর মামুনের নেতৃত্বে মহাখালী উড়ালসেতুর নিচের সড়কে একটি সমাবেশ চলছিল। এ সময় ওই এলাকা দিকে হেফাজতে ইসলামের একটি বিশাল মিছিল মতিঝিলের সমাবেশের উদ্দেশে যাচ্ছিল। সমাবেশ থেকে ‘রাজাকারের ফাঁসি চাই’, ‘রাজাকারের দুই গালে, জুতা মারো তালে তালে’—এসব স্লোগান দিচ্ছিলেন নির্মূল কমিটির কর্মীরা। এ স্লোগান শুনে হেফাজতে ইসলামের মিছিলের পেছন ভাগে থাকা প্রায় ৬০০-৭০০ কর্মী ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। তাঁরা সমাবেশ লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ও বোতল ছোড়েন, ব্যানার কেড়ে নেন, মাইক ভেঙে ফেলেন। থামাতে গেলে তাঁরা পুলিশের ওপর চড়াও হন। এ সময় হেফাজতের কর্মীদের ছোড়া ইটের আঘাতে বনানী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ইমদাদ হোসেন আহত হন। তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এ ছাড়া, আরও সাতজন আহত হন।
এ বিষয়ে অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, পুলিশের নীরবতার সুযোগ নিয়ে হেফাজতের কর্মীরা তাঁদের অন্তত সাতজন কর্মীকে আহত করেছেন। বিভিন্ন অলিগলির মুখে অবস্থান নেওয়া হেফাজতের কর্মীদের পুলিশ সরিয়ে দিলে এ অবস্থার সৃষ্টি হতো না। তিনি বলেন, পুলিশ আসলে হেফাজতের সঙ্গে সংঘর্ষে যেতে চায়নি। ঘটনার সময় হামলাকারীরা যতই সমাবেশ মঞ্চের দিকে এগোচ্ছিল, পুলিশ ততই পিছিয়ে যাচ্ছিল।
পুলিশের গুলশান বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার নিজামুল হক মোল্যা প্রথম আলো ডটকমকে জানান, পুলিশ নীরব ছিল না। পুলিশ যথাযথ দায়িত্ব পালন করেছে। হেফাজতের কর্মীদের হামলায় পুলিশের একজন সদস্য আহত হন।
অন্যদিকে, আজ বেলা ১১টার দিকে মহাখালী রেলগেটে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছিলেন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। হেফাজতে ইসলামের আরেকটি মিছিল সেখানে পৌঁছালে তারা দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন।
©somewhere in net ltd.