নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

পডুন,জানুন,শেয়ার করুন

একাকী মনের মানুষ

একাকী মাহ্‌মুদুল হাসান

েদশের খবর তুলে ধরাই আমার কাজ

একাকী মাহ্‌মুদুল হাসান › বিস্তারিত পোস্টঃ

কাবাডিতে আবারও মারামারি ২৭/০৪/২০১৩

২৭ শে এপ্রিল, ২০১৩ সকাল ৮:০৩

আবারও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটল কাবাডিতে। গত মঙ্গলবার বাংলাদেশ গেমসের মেয়েদের ফাইনালে আনসার সদস্যদের হাতে মার খেয়ে হাসপাতালে গিয়েছিলেন আম্পায়াররা। কাল পুলিশের খেলোয়াড় ও কিছু সদস্যের কিল-ঘুষি, চেয়ারের আঘাতে আহত হয়ে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন সেনাবাহিনীর রেইডার আবু সালেহ মুসা। আহত হয়েছেন আরেক খেলোয়াড় রুহুল আমিন ও কোচ সুবিমল চন্দ্র।

কাবাডি কোর্টে পুলিশের বিপক্ষে সেমিফাইনালে তখন ১৭-১২ পয়েন্টে এগিয়ে সেনাবাহিনী। মুসা রেইড করতে গেলে তাঁকে আটকে রাখেন পুলিশের খেলোয়াড়েরা। ৩০ সেকেন্ডের বেশি কোনো খেলোয়াড়কে আটকে রাখার নিয়ম নেই, কিন্তু তাঁকে প্রায় দুই মিনিট নিজেদের সীমানায় ধরে রাখে পুলিশ দল। সঙ্গে চলে কিল-ঘুষি। কোর্টের বাইরে থাকা পুলিশের সদস্যরাও কোর্টে ঢুকে খেলোয়াড়দের মারতে থাকেন। চেয়ার ছুড়ে, পতাকা টাঙানো বাঁশ তুলে আহত করেন খেলোয়াড়দের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা র‌্যাবের শরণাপন্ন হন। র‌্যাব আসার পর পুলিশ সদস্য ও খেলোয়াড়েরা স্টেডিয়াম ছাড়েন। পুলিশের খেলোয়াড় ফারুকের দাবি, ‘প্রথমে মুসা রোমানুজ্জামানের আঙুল কামড়ে দেয়। এরপরই আত্মরক্ষার্থে মুসাকে আটকে রাখি। আসলে বেআইনিভাবে ওরাই (সেনা দল) আমাদের আঘাত করেছে।’

খালি চোখে নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের দাবি, ফেডারেশনের সাংগঠনিক দুর্বলতা ও বাজে আম্পায়ারিংয়ের কারণেই বারবার এমন ঘটনা ঘটছে। আম্পায়ারিং নিয়ে অভিযোগ ছিল কালও। এই ম্যাচে রেফারি ছিলেন শাহ আলম। আম্পায়ারের দায়িত্বে ছিলেন গোলাম ফারুক ও আবদুল হক। বয়স্ক কর্মকর্তাদের দিয়ে বারবার কেন ম্যাচ পরিচালনা করা হচ্ছে সেটাই প্রশ্ন। খেলোয়াড়দের অভিযোগ, দৃষ্টিশক্তি অনেক কম শাহ আলম ও আবদুল হকের। তাঁদের ম্যাচ পরিচালনার স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

বিজেএমসি-আনসারের ঘটনার পর তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে সন্তষ্ট নয় বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন (বিওএ)। ফেডারেশনের প্রতিবেদনে কোনো সুপারিশ নেই। ওই ঘটনার কোনো শাস্তিও হয়নি। নতুন করে আবারও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম ম্যাচ নিষ্পত্তির বিষয়টি বারবার এড়িয়ে যেতে চাইলেন, ‘আমি এই ম্যাচের ব্যাপারে এখন কিছু বলব না। আম্পায়ার ও টেকনিক্যাল কমিটির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।’ কেন এমন বিশৃঙ্খলা হচ্ছে জানতে চাইলে বললেন, ‘আসলে আনসার, সেনাবাহিনী, পুলিশে আগের মতো ডিসিপ্লিন নেই। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সামনেই তারা মারামারি করছে। এ ধরনের ঘটনা অতীতে হয়নি, এবারই হচ্ছে।’

মারামারি থামলে ম্যাচের বাকি ১৩ মিনিটের খেলা চালানোর সিদ্ধান্ত নেয় ফেডারেশন। কিন্তু তখন সেনাবাহিনী খেলতে অস্বীকৃতি জানায়। বাইলজের ১৫ নম্বর ধারায় আছে, মাঠে উপস্থিত থেকে খেলতে অস্বীকৃতি জানালে রেফারিই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। সেনাবাহিনীর ম্যানেজার তানিম হোসেন খান বললেন, ‘বাইলজের ১২ নম্বর ধারা আগে নিষ্পত্তি করতে হবে। এরপর ১৫ নম্বর ধারা নিয়ে আলোচনা করব।’ ১২ নম্বর ধারায় আছে—আলোকস্বল্পতা, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া ও অন্য কোনো কারণে খেলা স্থগিত হলে সেই খেলাটি এক ঘণ্টার বিরতিতে আবারও শুরু করা যাবে। কিন্তু প্রায় দুই ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও পুলিশ মাঠে আসেনি। পরে উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তাদের অনুরোধে মাঠে আসে পুলিশ দল। এরপর আম্পায়ার দুই দলকে খেলতে অনুরোধ জানালেও সেনাবাহিনী অস্বীকৃতি জানায়। রাতে জরুরি সভায় রেফারির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সেনাবাহিনীকে জয়ী ঘোষণা করা হয়।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.