| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ভাসমান
যা চাই তা পাই বলে কোন কষ্ট নেই আমার। চাওয়া আর পাওয়ার মাঝে যে ফাঁকটুকু তা পূরণের চেষ্টায় আছি। ব্যস্ত থাকতে পছন্দ করি। এতটুকু যদি অবসর পাই তো প্রিয়জনদের স্মরণ করি। ভালোবাসি প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশকে। ভালোবাসি সুন্দর মনের মানুষদের। যে কেউ এক কথায় বন্ধু হতে পারেন। এখনও ভেসে আছি জীবন সমুদ্রে ডুবে যাওয়ার অপেক্ষায়। [email protected] Mobile:00447932265819 Blood group: A+
বিবেকের দংশন বলে একটা কথা আছে। এটা কেউ খেয়ালই করেনা। অথচ এই বিবেকই আমাদের জীবনকে নিয়ন্ত্রণ করে। ভাল খারাপ দুদিকেই বিবেকের ব্যবহার করতে পারেন। পরিস্থিতি বুঝে আপনার বিবেক কি বলে হয়তো আপনি তাই করেন। আপনার বিবেকই আপনার ভাল মন্দ বিচার করে। কয়েক উদাহরণ দেই আমার নিজের:
1.গতকাল এক কাষ্টমার তার খাবার খেয়ে আমার কাছে বিল চাইলেন। আমি বিল দিলাম ,সে পরিশোধ করলো যাওয়ার আগে বললৌ তার বেচে যাওয়া খাবারগুলো ডগি বেগে দিয়ে দিতে। কিন্তু কিছুক্ষণ আগে আমি সেগুলো বিনে ফেলেছি। নতুন খাবার দেয়ারও কোন উপায় নাই।কি করবো ভেবে না পৈয়ে ভেতরে গিয়ে বিন থেকেই তুলে ডগি ব্যাগে করে কাষ্টমারকে দিয়ে বিদায় করলাম। এরপর থেকে বিবেকের দংশনে মরছি। কাজটা কি ঠিক হলো? সে যদি ঐ খাবার কুকুরকে খাওয়ায়তো ঠিক আছে কিন্তু যদি নিজে খায় ?
খেতে বসলেই খালি মনে হয় ঐ বিন থেকে তোলা খাবারটাই আমি খাচ্ছি।
2.প্রায় সব ইন্ডিয়ান রেষ্টুরেন্টে মালিকরা টিপস রেখে দেয়।অথচ কাষ্টমারকে ভালো সাভিস দেয়ার কারনে তারা এই টিপস দেয় ওয়েটারদের খুশি করে। ইন্ডিয়ান রেষ্টুরেন্ট এ কাজ করাকালিন আমার কলিগরা মালিককে ফাকি দিয়ে টিপস রেখে দিতো। আমি এই কাজটা কখনই পারতামনা। কেন জানি এটাকে চুরি মনে হতো।বিবেক বাধা দিতো। অথচ টিপস ওয়েটারদেরই প্রাপ্য।
3.উইকেন্ড এ বন্ধুরা নাইট ক্লাবে যায়।সপ্তাহের এই দিন দুটোতে যে যেভাবে পারে এনজয় করে।আমাকে প্রায়ই টানাটানি করে নাইট ক্লাব ,পাব কিংবা সিনেমা হলে যাওয়ার জন্য। কিন্তু অমার যেতে বিবেকে বাধে।নাইট ক্লাব কিংবা পাবের পরিবেশের কথা জানলে আমার প্রিয়া এটা মেনে নেবেনা।যদিও আমি না বললে তার জানার কথানা তবুআমার বিবেকে বাধে।যাবার কথা চিন্তাকরলেই তার মুখটা ভেসে উঠে।তাছাড়া এই সামান্য আনন্দের জন্য কষ্টাজিত পয়সা নষ্ট করতে ইচ্ছে হয়না।
(নিজেকে ভালো সাজাবার উদ্দেশ্যে এই পোষ্ট নয়। বিবেক জিনিসটা আমাদের কিভাবে নিয়ন্ত্রণ করে সেটা বুঝাবার সামান্য প্রয়াস মাত্র।)
২|
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ২:২২
অতিথি বলেছেন: প্রথম ক্ষেত্রে:
আপনি কাস্টমারকে বলে দিতে পারতেন । এসব ক্ষেত্রে সাধারনত: খাবার প্লেট নিয়ে আসার সময়ই কাস্টমার বলে দেয়, ডগি ব্যাগের কথা । আপনার কাষ্টমার যেহেতু সে সময় বলেনি, সুতরাং বিনে ফেলে দেয়াটাই স্বাভাবিক ।
দ্্বিতীয় ক্ষেত্রে:
আগে রেস্টুরেন্টগুলোতে টিপস ওয়েটাররা ভাগ করে নিতো, কিন্তু বেতন তখন কম ছিলো । এই টিপসের পয়সা নিয়ে মারামারি ও হতো । সে কারনেই পরবতর্ীতে এই নিয়মটা করা হয়েছে যে টিপসের পয়সা মালিকের কাছে যাবে, কিন্তু ওয়েটারের বতন ও বেড়েছে । সে যাক, যেখানে কাজ করছেন সেখানে নিয়ম যা সেটাই মানুন, কেউ কেউ চুরি করছে বলে আপনি কেনো করবেন? আরেকটা জিনিস খেয়াল রাখবেন, পড়াশোনার পাশাপাশি যারা রেষ্টুরেন্টে কাজ করে, অনেক মালিক কিন্তু তাদের কে আলাদা সম্মানের চোখে দেখে ।
তৃতীয় ক্ষেত্রে:
কমিটেড থাকলে অবশ্যই মেনে চলবেন । আর পয়সার ব্যপারটাতো আছেই । অনেক কষ্টের উপার্জন, না?
[ বেশী বেশী উপদেশ দিয়ে দিলাম নাকি?
আপনার মতো আমি ও এদেশে এসে ছাত্র অবস্থায় রেষ্টুরেন্টে কাজ করেছি, প্রায় দু বছর রেস্টুরেন্ট চালিয়েছি... সে কারনেই শেয়ার করা )
৩|
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ৩:১৫
ঝরা পাতা বলেছেন: আর কিছু কি বলার আছে। শুধু বলি- এই বিবেকবোধটুকুই থাক সবসময়।
৪|
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ৩:৩৩
অতিথি বলেছেন: নাইটক্লাব আর পাবে গেলে যে বিবেকবোধ লোপ পায় মানা গেল না। আপনি গেলে আপনাকে কি আলকোহল টানতে হবে বা নাচতে হবে -এমন তো না।
আপনার বিবেক বা আপনার প্রিয়ার বিশ্বাস কি এত টুনকো?
৫|
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ ভোর ৪:০৩
পথিক!!!!!!! বলেছেন: বিবেকে কি স্বয়ম্ভু জাতীয় কিছু .?
না কৃত্রিম নিজ নিজ মানব জাত?
৬|
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ ভোর ৪:৩১
মাহবুব সুমন বলেছেন: @ দর্শক ,
পাবে বা নাইট ক্লাবে মানুষ কেনো যায় সেটা যানেন ? ওখানে গিয়ে আর যাই করুক বসে বসে ধ্যান করে না ! যেদিন যাবেন সেদিন বুঝবেন।
@ ভাসু,
আপনার লেখাটা ভালো লেগেছে।
3 টা ক্ষেত্রেই আপনার বিবেক আপনাকে খারাপ কাজ হতে দূরে রেখেছে। আপাত দৃষ্টিতে অনেকের কাছে সেটা লস মনে হলেও আপনার বিবেক ও ভালো কাজ আপনাকে একদিন এমন একটা জিনিস উপহার দিবে যা ওই সব লসের চাইতে হাজার গুন বেশি প্রফিট।
আবারো ধন্যবাদ।
৭|
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ ভোর ৪:৩৩
হারাধন বলেছেন: প্রথমটা ঠিক হয়নাই। আর পাব একটাব্যাক্তিগত ব্যাপার
৮|
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ ভোর ৫:০২
অরুনাভ বলেছেন: আমার কাছে মনে হয় ভাল বা খারাপ অনেক ক্ষেত্রেই আপৈক্ষিক ব্যাপার। সুতরাং নিজের কাছে যেটা ভাল মনে হয় সেটাই করা উচিৎ। যদি আপনি মনে করেন বার বা নাইট ক্লাবে যাওয়া খারাপ তবে না যাওয়াটাই ভাল।
৯|
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ ভোর ৫:০৮
অতিথি বলেছেন: ধ্যান না করলে ও নাচতে বা টানতে হবে এমন নিয়ম নাই মনে হয়।
না গেলে তো বলতাম না@ মা. মু
১০|
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ ভোর ৫:১২
অতিথি বলেছেন: অবশ্য ভাসমানের ব্যাপারটা তার মতে ঠিক আছে। শেষের লাইন চোখে পড়ে নাই, দু:খিত।
১১|
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ ভোর ৬:০১
মিসকল বলেছেন: সকলের বিবেক আপনার মত তাড়া দেক।
লেখাটা খুব ভাল লাগলো।
১২|
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ ভোর ৬:২২
অতিথি বলেছেন: হুমমম...
১৩|
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ৯:৪০
ভাসমান বলেছেন: সাবি্বর মানুষ হইতে পারলাম কই খালি মানুষরে কষ্ট দেই।
হাসান ভাই ধন্যবাদ।2নং এর ক্ষেত্রে যেটা বললেন সেখানে কিছু বলার আছে। একজন ওয়েটার সপ্তাহে 70-80ঘন্টা কাজ করে যৈ বেতন পায় সেটা 3 পাউন্ডের ও কম।কিন্তু ইউকে তে মিনিমাম পেমেন্ট এখন 5 পাউন্ডের উপরে। এছাড়াও রেষ্টুরেন্টের মালিকরা ওয়েটার দিয়ে নিজের ঘর হতে শুরু করে গাডী পযন্ত ধোয়ায়।বেশীরভাগ মালিকেরা ওয়েটারকে নিজের ঘরের চাকর মনে করে।
ঝরু ভাই ধন্যবাদ।
দশক ব্যপারটা তানা। আসলে আমার প্রেম মনে হয় ঠুনকো। তাই সবসময় ভেঙ্গে যাওয়ার ভয় করি
পথিক ভাই উত্তর জানা নাই কঠিন প্রশ্ন।
মাসুমন ভাই ধন্যবাদ। আপনার মূল্যবান কথাটা মনে থাকবে।
হারাধন খুইল্লা বলেন।
অরুনাভ ভালো খারাপ সেটাইতো বিবেক বলে দেয়।
মিসকল ধন্যবাদ।
ত্রিভূজ হুমমম....
১৪|
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ১০:১৩
অতিথি বলেছেন: ভাসু:
আমি তাহলে সেই বিরল ভাগ্যবানদের একজন, ইন্ডিয়ান রেষ্টুরেন্টের কামলা জীবন যে চুটিয়ে উপভোগ করেছিল । সত্যি কিন্তু! আমি M.B.A শেষ করেছিলাম রেষ্টুরেন্টে থেকে খেয়ে এবং কাজ করে
। একটা হতে পারে, এটাকে আমি এক্সপেরিমেন্ট হিসেবে নিয়েছিলাম । একেবারেই অন্য এক জগতের লোকজন, কাজ শেষে গাঁজা খাওয়া, বাংলা সিনেমা- মুর্শিদী মারফতী গান, এক একজন মানুষের কি ভীষন রকম চ্যালেঞ্জ নিয়ে এদেশে আসা, একজনকে পেয়ে ছিলাম প্রায় অশিক্ষিত একটা মানুষ--বাংলাদেশ থেকে এগারো দেশ ঘুরে(বলাবাহুল্য অবৈধ ভাবেই) এখানে এসেছে, এই সব মানুষের সংগ্রামমুখর জীবন দেখে নিজেকে প্রবোধ দিতাম--কি আর এমন কষ্ট করছি !
তবে হ্যাঁ,যেরকম বলেছেন এরকম পরিবেশ হলে কখনোই কাজ করবেননা । আমাদের এদিকে কিন্তু প্রায় রেস্টুরেন্টগুলো কাজের টাইমিং 8 ঘন্টাই । দুপুর 12-2, রাতে 5-11 টা । পুরনো ওয়েটার হলে 200 পাউন্ড পাবেন, থাকা খাওয়া ফ্রি। লন্ডনে থাকলে এ বাবদ খরচই তো হতো 75-100 পাউন্ড । আমি অবশ্য এখন আর কাজ করিনা । মাঝে মাঝে উইকএন্ডে খেপ দেই । আমি লন্ডন থেকে আমার বন্ধুদের ও ভাগিয়ে নিয়ে এসেছিলাম
স্টুডেন্ট হিসেবে আছেন, আপনি কিন্তু ইল্লিগ্যাল না । ইল্লিগ্যালি যারা আছে, তাদের উপর সুবিধা আদায় করবেই অন্যরা, সে দেশী মামুই হোক আর বিদেশী কাকাই হোক ।
ভালো থাকুন ।
১৫|
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ১০:৩৩
ভাসমান বলেছেন: হাসান ভাই ধন্যবাদ। আপনি সিলেটি বলে হয়তো এই সুবিধা পেয়েছেন।
সত্যি কথা বলতে কি এরা বেশির ভাগই অশিক্ষিত।দেশে থাকতে তারা চাকরদের সাথে যে ব্যবহার দেখেছে এখানে সুযোগ পেয়ে তাই করছে।
১৬|
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ১০:৩৯
অতিথি বলেছেন:
নারে ভাই ওরকম কিছুনা ।
শুধু আঞ্চলিকতা নয়, আরো অনেক ফ্যাক্টর কাজ করে । একজন সিলেটি ইল্লিগ্যাল হলে, অন্যরা তার উপর ও সুবিধা নেয় । হ্যাঁ, আঞ্চলিকতা একটা ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করে অবশ্যই, আপনি হয়তো নতুন হিসেবে আপনার এলাকার একজনের কাছেই যাবেন- এক্সট্রিম লেভেল পর্যন্ত না হলে এটাকে আমি খারাপ কিছু মনে করিনা ।
আর আচরনের দৈন্যতা বোধ করি আমাদের সংস্কৃতিতেই আছে, শিক্ষিত অশিক্ষিত নির্বিশেষে ।
১৭|
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ১০:৪৩
ভাসমান বলেছেন: একমত।
আপনি এখন কোন দেশে থাকেন?
১৮|
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ১০:৪৫
হারাধন বলেছেন: তোমার গার্বেজ বীন থেকে খাবার উঠানৌ
১৯|
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ১০:৪৯
অতিথি বলেছেন: আমি স্কটল্যান্ডে আছি । স্কটিশ এক্সিকিউভের ' ফ্রেশ ট্যালেন্ট ইনিশিয়েটিভ' এর স্কীমে ।
এ সুযোগ কিন্তু আপনারা ও নিতে পারেন । বিস্তারিত জানা আছে ? না থাকলে [link|http://www.scotland.gov.uk/News/Releases/2005/06/16102727| GLv
২০|
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ১০:৫০
ভাসমান বলেছেন: আমি জানি এই কাজটা ঠিক হয়নি।
তাইতো পোষ্টে লিখলাম
২১|
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ১১:০৮
ভাসমান বলেছেন: মেইল করছি
২২|
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ১১:২৪
অতিথি বলেছেন: ভাসু,আমি তো তোমাকে আগেই বলেছিলাম রেষ্টুরেন্টে কাজ করলে লন্ডনের বাইরে করাই ভালো। আমি স্কাবরা, উইটবি ঐ সাইটে কাজ করেছি। মালিক পুরো রেষ্টুরেন্ট আমার কাছে দিয়ে পুরো সপ্তাহ গায়েব।
ওখানে যারা কিচেনে কাজ করে সবাই ভগির ঘরে যায়। সারা সপ্তাহের ইনকাম এক রাতেই শেষ। সাধারনত বেতনটা আমিই দিতাম। রবিবারে রাতেই সব শেষ করে সবাই বাসায় ফিরতো। রেষ্টুরেন্টে যারা ফিক্সড কাজ করে ওদের কোন ক্লাস নেই। আর টিপসের ব্যাপারতো মালিক আগেই বলে দেয় ঐটা ওদের।
রেষ্টুরেন্টে কাজ করার ইচ্ছে থাকলে লন্ডনের বাইরেই ভালো।
২৩|
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ১:১১
মুশফিক বলেছেন: পোষ্টটা পড়ে ভালো লাগলো।দোয়া করি সব মিলিয়ে আপনি ভালো থাকেন
২৪|
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ১:১২
অতিথি বলেছেন: হাসান ভাই
দরকারী লিংক। আপনাকে একটা মেইল করতে পারি? কিছু জানার ছিল।
২৫|
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ২:০৭
অতিথি বলেছেন: [email protected] নির্দ্ি্বধায় মেইল করুন ।
ইউ.কে থাকলে, মোবাইল নং ও সুবিধাজনক সময় জানিয়ে দেবেন । আমি সুযোগ করে কল করবো ।
২৬|
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ২:১০
অতিথি বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
আমি মেইল করছি।
২৭|
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ২:২১
ভাসমান বলেছেন: হাসান ভাই পারলে এটা নিয়ে একটা পোষ্টদেন। অনৈকেই উপকৃত হবে।
২৮|
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ২:৩১
অতিথি বলেছেন: ঠিক কোনটা বলেন তো?
স্কটিশ ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে লেখা যেতে পারে । রেষ্টুরেন্ট হাবিজাবি নিয়ে লিখতে ভাল লাগেনা ।
©somewhere in net ltd.
১|
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ২:১৮
অতিথি বলেছেন: মানুষের মত মানুষ হওয়া বড় কঠিন।কিন্তু সম্ভব......
ভাল লাগল খুব।