| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রুশনারার জন্ম সিলেটের বিশ্বনাথের বুরকি গ্রামে ১৯৭৫ সালে। বয়স যখন ৭ বছর তখন পরিবারের সঙ্গে ব্রিটেনে পাড়ি জমান। টাওয়ার হ্যামলেটসের মালবারি স্কুলের পাঠ চুকিয়ে চলে যান বিশ্বখ্যাত অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে। পলিটিক্স, ফিলোসফি এবং ইকোনোমিক্সে ডিগ্রি অর্জন করেন। কর্মজীবন শুরু করেন ইস্ট অ্যান্ডেই। এডুকেশন, লিডারশিপ, হেলথ, রেস রিলেশন, সোশ্যাল পলিসি অ্যান্ড ইনোভেশন ইত্যাদি বিষয়ে মূলধারায় প্রচুর লেখালেখিও রয়েছে তার। ব্রিটিশ ফরেন অ্যান্ড কমনওয়েলথ অফিসে হিউম্যান রাইটস ইস্যুতে কনসালটেন্ট, ইনস্টিটিউট ফর পাবলিক পলিসি রিসার্চে রিসার্চ ফেলো এবং সাবেক এমপি ওনা কিংয়ের পার্লামেন্টারি অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে রোশনারা কাজ করেছেন। তিনি বর্তমানে টাওয়ার হ্যামলেটস সামার ইউনিভার্সিটি এবং সামার ইউনিয়ন লন্ডনের চেয়ারপার্সন।
আমরা তার সাফল্য কামনা করি।
২|
০৮ ই মে, ২০১০ রাত ১২:৫৫
সাধারণমানুষ বলেছেন: তার সাফল্যে আমাদের আদতেও কোন লাভ আছে কি??
৩|
০৮ ই মে, ২০১০ রাত ১২:৫৮
নাজির বলেছেন: বিজয়ের পর এক প্রতিক্রিয়ায় রুশনারা বলেন, "বাংলাদেশে আমার জন্ম। বাঙালি হয়ে আমি গর্বিত। বিশ্বব্যাপী লাখ লাখ বাঙালি এ বিজয়কে দেখছেন তাদের বিজয় হিসেবে। কারণ এই প্রথমবারের মতো গণতন্ত্রের মাতৃভূমি ব্রিটেনের পার্লামেন্টে একজন বাঙালি এমপি নির্বাচিত হয়েছেন।"
৪|
০৮ ই মে, ২০১০ রাত ১:৩২
ইন্তাজ ভাই বলেছেন: এই পোষ্ট এত মাইনাস কেন বুঝতে পারলাম না। লেখকতো এখানে খারাপ কিছু বলেন নাই।
অবাক হলাম। তবে এই পোষ্ট থেকে বেরিয়ে সমকাল পত্রিকা পড়ে বুঝতে পারলাম কাহিনী অন্যখানে।
জামায়াত সমর্থিত আবজল মিয়া তৃতীয় বৃহস্পতিবারের নির্বাচনে ব্রিটেনের বিভিন্ন আসন থেকে মোট ১২ জন বাঙালি পার্লামেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। বেথনাল গ্রিন অ্যান্ড বো আসনে মোট ১১ জন প্রার্থীর মধ্যে ছয়জন ছিলেন বাঙালি। ওই আসনে শীর্ষ তিনটি রাজনৈতিক দল তিনজন বাঙালিকে মনোনয়ন দেওয়ায় একজন বাঙালি এমপি নির্বাচিত হওয়াটা নিশ্চিত হয়ে যায়। নির্বাচনের আগে ধারণা করা হয়েছিল জামায়াত সমর্থিত রেসপেক্ট দলীয় প্রার্থী সিলেটের আবজল মিয়ার সঙ্গে হয়তো রুশনারার মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। এর আগে বিতর্কিত বামঘেঁষা রাজনীতিক জর্জ গ্যালাওয়ে ছিলেন এ আসনের এমপি। তার দল রেসপেক্ট পার্টির মনোনয়ন নিয়েও সুবিধা করতে পারেননি আবজল মিয়া। রয়েছেন তৃতীয় স্থানে। একই ঘরানার লিবডেম প্রার্থী আজমল মশরুর হয়েছেন রুশনারার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী। বিলেতের বাঙালি কমিউনিটির প্রগতিশীল অংশসহ আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সমর্থকরা রুশনারার পক্ষেই কাজ করেছেন। জামায়াত, হিযবুত তাহ্রীরসহ মৌলবাদীরা নির্বাচনী প্রচারে অনৈতিকভাবে রুশনারার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালালেও ভোটাররা তাতে বিভ্রান্ত হননি নির্বাচনী ফলে তারই প্রমাণ মিলেছে।
৫|
০৮ ই মে, ২০১০ রাত ১:৪৬
বিপরীত স্রোত বলেছেন:
কয়েক দিন আগে জাশির ছাগুরা আবজল মিঞার পক্ষে ব্লগে প্রচারনা চালাছিল তাদের সমর্থিত পার্টি ভোটারদের কাছে গদাম লাথি খেয়েছে দেখে এখন মাইনাস দিয়ে যাচ্ছে
৬|
০৮ ই মে, ২০১০ সকাল ৭:২৫
লাবিব ইত্তিহাদুল বলেছেন: যে জাতী মেধার মূল্য দেয় না, সে জাতীতে মেধাবী রা থাকে না ।
৭|
০৮ ই মে, ২০১০ সকাল ৯:২৮
অলস ছেলে বলেছেন: পড়ে মনে হচ্ছে উনি মেধাবী একজন মানুষ। সাফল্য কামনা করি। আমরা জাতিগতভাবে প্রচন্ড পরশ্রীকাতর আর হিংসুটে। কিন্তু কিছু মানুষকে এসব দোষ থেকে উপরে উঠে আসতেই হবে। আশা করি তিনি তার দেশের (ব্রিটেনের) জন্য ভালো কিছু করবেন। তাতে এই ফকিরার জাত বাংলাদেশের সম্মান বাড়বে বৈ কমবে না। অভিনন্দন। খুশী হইছি আম্বা মন্ত্রীরা গাধার মতো নাম ধরে যাকে সাপোর্ট করেছিলো, সে বিজয়ী না হওয়াতে। আর গ্যালা্ওয়ের প্রার্থী রোশনারার জয়ে।
৮|
০৮ ই মে, ২০১০ দুপুর ১২:১৯
কুয়াশা বলেছেন: রুসনারা এমপি হয়েছে এতে এত আহলাদিত হওয়ার কোন কারণ নাই। সে আগে বৃটিশদের স্বার্থ রক্ষাকরবে এতে যদি বাংলাদেশের ক্ষতিও হয় তবুও সে করবে। যেমন সাবেক রাষ্ট্রদুত আনোয়ারুল ইসলাম।
একজন বাংলাদেশী বৃটিশ এমপি নির্বাচিত হওয়ায় তার জন্য শুভ কামনা রইল। ব্যাস শুধুই শুভ কামনা
©somewhere in net ltd.
১|
০৮ ই মে, ২০১০ রাত ১২:৫৪
হা...হা...হা... বলেছেন: এরা হলো বিক্রিত মাল। বিত্তবৈভবের আশায় এই দেশ থেকে এরা প্রচার হয়ে গেছে, বিক্রি হয়ে গেছে। এদের জন্য এইদেশের কোন সহানুভুতি থাকা উচিত নয়। যেমনটি এইদেশের জন্য তাদের নেই। Click This Link