নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালবাসি।

বেঙ্গল মাসুদ

সোনার বাংলার স্বপ্ন দেখি। "সবুজে শ্যামলে আঁকা থোকা থোকা জুঁই... নাও-নদী-ঢেউ-জল দেব না কিছুই... উজাড় দু'হাত জুড়ে শোধ নেব ঋণ... দেব না সীমানা ছেড়ে ইঞ্চি জমিন.."

বেঙ্গল মাসুদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

অলি-গলি-সড়ক-সমুদ্র-আকাশ দিয়েও কি ‘তিনবিঘা করিডোর’ নামে সরু রাস্তাটি দিবেনা "বন্ধু"?

২১ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ১১:১৮



দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা ছিটমহলবাসী



নানা আলাপ-আলোচনা, দেন-দরবার, উপটৌকন আর অনুরোধের পর আমাদের প্রভু!! ভারত যখন ‘তিনবিঘা করিডোর’ নামে সরু একটি রাস্তা বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য ২৪ ঘণ্টা দিতে কিছুটা সম্মত হয়েছিল তখন এই সিন্ধান্তের প্রতিবাদে ভারতের কুচবিহার জেলাজুড়ে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে খবরে প্রকাশ। সর্বশক্তি দিয়ে ২৪ ঘণ্টা করিডোর খোলার রাখা প্রতিরোধের ডাক দিয়েছে রাজ্যের ডান, বামসহ সব রাজনৈতিক দল। শুরু হয়েছে ব্যাপক মিটিং, মিছিল।



দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা ছিটমহল ও ‘তিনবিঘা করিডোর’:

দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা ছিটমহলে ঢুকতেই বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিবির) নিরাপত্তা চৌকি। এরপর তিনবিঘা করিডর। এরপর আবার বিজিবির চৌকি। মাঝখানের তিনবিঘা করিডর ভেদ করে চলে গেছে ভারতীয় সড়ক। সড়ক ও করিডরের নিয়ন্ত্রণ করে বিএসএফ। এই সড়কেই বিএসএফের গেট। তিনবিঘা করিডোরটি পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার কুচলিবাড়ী থানার অন্তর্গত। এখন সকাল ছয়টা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত এই করিডর খুলে রাখা হয়। ১৯৯২ সালের ২৬ জুন ভারত সরকার লিজের মাধ্যমে ১৭৫ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ৮৫ মিটার প্রস্থের ‘তিনবিঘা করিডোর’ নামে সরু একটি রাস্তা বাংলাদেশিদের পারাপারের জন্য উন্মুক্ত করে দিলেও শর্ত জুড়ে দেয়, সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত প্রতি ১ ঘণ্টা পর ১ ঘণ্টা বাংলাদেশিরা চলাচল করবে। এ ক্ষেত্রে ১ দিনে বাংলাদেশিরা ৬ ঘণ্টার জন্য চলাচলের সুবিধা পেত। এরপর দুদেশের মধ্যে আলোচনার ভিত্তিতে বাংলাদেশিরা সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত টানা ১২ ঘণ্টা চলাচলের সুবিধা পেলেও রাতের বেলায় ছিটমহলবাসীর চলাচলের সুবিধার বিষয়টি আজও উপেক্ষিত রয়েছে। দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা দুটি ছিটমহল নিয়ে বাংলাদেশের একটি ইউনিয়ন। প্রায় ২৩ হাজার জনগোষ্ঠীর এই ইউনিয়নে স্কুল থাকলেও কোনো কলেজ নেই। ছোট্ট একটা বাজার আছে। স্বাস্থ্যকেন্দ্র থাকলেও সার্বক্ষণিক চিকিৎসক সেখানে তেমন যায়না বললেই চলে। তাই চিকিৎসা এবং উচ্চশিক্ষার জন্য এখানকার লোকজনকে ছুটতে হয় পাটগ্রাম উপজেলা সদর অথবা লালমনিরহাটে। কিন্তু রাতে কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে তার বিনা চিকিৎসায় মারা যাওয়া ছাড়া কোন উপায় থাকেনা কারন করিডোরের দরজা সকাল ৬ টায় খুলে সন্ধ্যা ৬টায় বন্ধ হইয়ে যায়। দহগ্রাম ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও দহগ্রাম সংগ্রাম কমিটির নেতা সাইফুল ইসলাম প্রামাণিক বলেন, রাতের বেলা ছিটমহলের কোনো মানুষ অসুস্থ হলে তাকে দ্রুত চিকিত্সার জন্য হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হয় না। তাই অনেকেই বিনা চিকিত্সায় ধুঁকে ধুঁকে মৃত্যুবরণ করে।







ইন্দিরা-গান্ধী কেউ কথা রাখেনিঃ

১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ সৃষ্টি হওয়ার পর ’৭৪ সালে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে (মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি) ছিটমহল বিনিময় সক্রান্ত এক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।চুক্তির অন্যতম শর্ত ছিল-১১নং দক্ষিণ বেরুবাড়ি ভারতের কাছে হস্তান্তরের বিনিময়ে দহগ্রাম এবং আঙ্গরপোতা ছিটমহল দুটি বাংলাদেশের মূল ভূ-খণ্ডের সঙ্গে সংযুক্ত করতে ১৭৫ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ৮৫ মিটার প্রস্থের একটি সরু রাস্তার তিন বিঘা পরিমাণ ভূমি ভারত স্থায়ী ইজারা দেবে বাংলাদেশকে।তৎকালীন বাংলাদেশ সরকার আন্তর্জাতিক চুক্তির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে সংসদে বিল পাস করে অতি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানের পৌনে ২ বর্গমাইল আয়তনের দক্ষিণ বেরুবাড়ি ভারতের কাছে হস্তান্তর করে। কিন্তু বিনিময় শর্তানুযায়ী তিনবিঘা করিডোরটি পায়নি বাংলাদেশ। এ ব্যাপারে এরশাদ সরকারও একটি সংশোধিত চুক্তি করেছিল। রাজীব গান্ধীর সঙ্গে সম্পাদিত সে চুক্তিতে ওই তিনবিঘা করিডোরের ওপর ভারত সরকার ফ্লাইওভার ব্রিজ বা উড়াল সেতু তৈরি করে দেওয়ার শর্ত ছিল। যাতে করে ছিটমহলবাসী ২৪ ঘণ্টা অবাধে যাতায়াত করতে পারে। কিন্তু চুক্তির সেই শর্তটি আজও বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে দীর্ঘ দেড় যুগেও বেশি সময়ের বন্দিত্বের অবসান ঘটেনি ছিটমহলবাসীর। (সুত্র- আরিফুর রশীদ,সকালের খবর)









এবার সোনিয়া-মনমোহনের পালা:

আধুনিক সভ্য দুনিয়ায় এক ইসরাঈল-প্যালেস্টাইন রাষ্ট্র ছাড়া এমন বন্দীদশা আর কোথাও নেই। যেহেতু ভারতের সাথে আমাদের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক সেকারনে বাংলাদেশ অনেকবার এই করিডোর ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখার জন্য দেন দরবার করে আসছিল। আর এ কারনে ভারতের নানা যৌক্তিক-অযৌক্তিক অনেক দাবিই বাংলাদেশ পুরন করেছে। বাংলাদেশ ভারতকে সমুদ্র এবং সড়ক-রেল ট্রানজিট দিয়েছে। এতসব দেয়ার পর গত বছরের নভেম্বরে ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারিক এ করিম ছিটমহলের মানুষের জন্য সুখবর দিয়ে বলেন, আন্তর্জাতিক তিনবিঘা করিডোর নিয়ে অবশেষে বাংলাদেশের দাবি পূরণ হতে চলছে। কিন্তু সে দাবী আজো পুরন হয়নি। তবে এটা নিয়ে ভালোই অগ্রগতি হয়েছিল। কথাছিল সামনে মাসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন বাংলাদেশে আসলে এটা নিয়ে চূড়ান্ত চুক্তি হবে। কিন্তু এবার বাধ সধেছে ভারতের সব রাজনৈতিক দল এবং সামাজিক সংগঠনগুলো। তারা যুক্তি দেখাচ্ছে যদি বাংলাদেশকে ২৪ ঘণ্টা করিডোর সুবিধা দেয়া হয় তাহলে নাকি বাংলাদেশ থেকে ভারতে জঙ্গিরা অনুপ্রবেশ করবে। তিনবিঘা সংগ্রাম কমিটির সম্পাদক ও ফরওর্য়াড ব্লকে বিধায়ক পরেশচন্দ্র অধিকারী বাংলানিউজকে টেলিফোনে বলেছেন, ‘তিনবিঘা নিয়ে ভারত সরকারের দেশ ও জনস্বার্থ বিরোধী উদ্যোগ সর্বশক্তি দিয়ে প্রতিরোধ করা হবে।’ অন্যদিকে তিনবিঘা করিডোর ২৪ ঘণ্টা খোলা রেখে বাংলাদেশিদের যাতায়াতের অনুমতি দিলে ভারতের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবে, বাংলাদেশের মূল ভূখ- থেকে সন্ত্রাসীরা এই সুযোগে দহগ্রাম ছিটমহল দিয়ে ভারতে প্রবেশ করবে, এই কথা জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিকে ফ্যাক্স বার্তা পাঠিয়েছেন তৃণমূলের বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। সিপিএমের নেতা ও কুচবিহারের সাংসদ তারিনী রায় বৃহস্পতিবার কলকাতায় বলেন, ‘আমরা এর বিরোধীতা করছি। ভারতীয়দের যাতায়াতে জন্য উড়ালপুল নির্মানের যে প্রস্তাব ভারত সরকার দিয়েছে তা মানছিনা। বামফ্রন্টের পক্ষ থেকে আমরা প্রতিরোধ আন্দোলন গড়ে তুলব।’ বিজেপির কুচবিহারের জেলা সভাপতি নিখিলকুমার দে বলেছেন,‘ এই পদক্ষেপ জনগণের স্বার্থ বিরোধী। এটা ২৪ ঘণ্টা খুলে রেখে ভারতীয় ভূখণ্ডে বাংলাদেশে আধিপত্য কায়েম হবে।’ ভারতের সাধারণ মানুষও বাংলাদেশের সাথে এই প্রস্তাবের তীব্র বিরোধী।









এই হল মাত্র ১৭৫ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ৮৫ মিটার প্রস্থের ‘তিনবিঘা করিডোর’ নিয়ে ভারত, তার জনগণ এবং রাজনৈতিক দলের অবস্থান। আর আমাদের আওয়ামীলীগ-বিএনপি পুরা দেশ বিক্রি হয়ে গেলেও আশা করি এক হতে পারবেনা। ধিক শতধিক আমাদের পলিটিসিয়ানদের। দাবী জানাই অবিলম্বে করিডোর ২৪ ঘণ্টা খুলে দিয়েদহগ্রাম-আঙ্গরপোতা ছিটমহলবাসীর দীর্ঘদিনের এই বন্দিধশা থেকে মুক্ত করার।



*লেখাটি প্রস্তুত করতে বাংলানিউজ২৪, আমারদেশ, প্রথমআলো, সকালের খবর এবং বিভিন্ন পুস্তক ও ওয়েবসাইটের সাহায্য নেয়া হয়েছে।

মন্তব্য ৮১ টি রেটিং +৩১/-০

মন্তব্য (৮১) মন্তব্য লিখুন

১| ২১ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ১১:২৪

ক্রস ফায়ার০০৭ বলেছেন: মাসুদ ভাই আপনাকে কি বলে ধন্যবাদ দিব ভাষা খুজে পাচ্ছিনা। মন জরুরী একটা বিষয়ে চমৎকার তথ্যবহুল লেখাটা পড়ে অনেক বিষয় জানতে পারলাম। জানতে পারলাম ভারতের চুক্তি ভঙ্গের অতীত ইতিহাস। ধন্যবাদ বস।

২১ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ১১:২৯

বেঙ্গল মাসুদ বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।

আসুন মনমোহনের সফরের সময় আমরা এ নিয়ে তরুনরা সরকারকে চাপে রাখি ব্লগ ফেসবুক এবং রাজপথে।

২| ২১ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ১১:২৫

ক্রস ফায়ার০০৭ বলেছেন: মনমোহন আসা পর্যন্ত পোস্ট স্টিকির দাবী জানাচ্ছি। X( X( X(

২১ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ১১:২৯

বেঙ্গল মাসুদ বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।

আসুন মনমোহনের সফরের সময় আমরা এ নিয়ে তরুনরা সরকারকে চাপে রাখি ব্লগ ফেসবুক এবং রাজপথে।

৩| ২১ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ১১:২৬

ShusthoChinta বলেছেন: আহা, আমরা সবকিছু উজার করে দিয়েও মাত্র তিন বিঘাও পাইলাম না! বেরুবাড়ি,জরিপের নামে কয়েক হাজার একর ভূমি আরো কত কি! এরপরও যে সব বাংলাদেশীর ভারত প্রেম উথলায়া পড়ে তারা কি মানুষ হতে পারে?

২১ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ১১:৩০

বেঙ্গল মাসুদ বলেছেন: বারবার এমন উপেক্ষা আর চুক্তি ভঙ্গের বেদনাময় ইতিহাস আমরা আর কত দীর্ঘায়িত করবো??

৪| ২১ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ১১:৩৬

পথভোলা বলেছেন: ানকির বাচ্চাদের চুক্তিভঙ্গের ইতিহাস মনে করাইয়া দিলেন তো মেজাজ টা গরম বানাইয়া...........!! X(( X((


....................চমৎকার লিখেছেন আপনি......ধন্যবাদ আপনাকে!! ব্লগে কিছু ভারতীয় কুত্তা আছে...........আশা করছি কুত্তাগুলো এই পোষ্টে তাদের মতামত দিয়ে যাবে!! X(( X((

২২ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ১২:০২

বেঙ্গল মাসুদ বলেছেন: মিশরের রাজধানী কায়রোয় আজ বিক্ষুব্ধ জনগণ ইহুদিবাদী ইসরাইলি দূতাবাসের পতাকা ছিঁড়ে ফেলেছে এবং সেখানে মিশরের পতাকা উড়িয়ে দিয়েছে। গত বৃহস্পতিবার ইসরাইলি সেনাদের হামলায় পাঁচ মিশরীয় সীমান্তরক্ষী নিহত হওয়ার প্রতিবাদে তারা এ কাজ করেছে। প্রতিবাদ কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ হাজার হাজার বিক্ষোভকারী কায়রোয় ইসরাইল দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ শুরু করে। এ সময় এক তরুণ দূতাবাস ভবনে উঠে ইসরাইলি পতাকা ছিঁড়ে ফেলে এবং সেখানে মিশরের পতাকা উড়িয়ে দেয়। এ সময় পুলিশ তাকে আটক করতে চাইলেও জনতার বাধার মুখে সফল হয়নি।



একেই বলে প্রতিবাদ। তাৎক্ষনিক প্রতিবাদে যাওয়া উচিত দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের ব্যাপারে।

সুত্র- Egyptian protesters burn an Israeli flag during anti-Israel protest in front of Israeli embassy in Cairo, Egypt, on Saturday.

৫| ২১ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ১১:৩৮

tomato2tawhid বলেছেন: ShusthoChinta >>> ""আহা, আমরা সবকিছু উজার করে দিয়েও
মাত্র তিন বিঘাও পাইলাম না"" <<<< সহমত

২২ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ১২:০৭

বেঙ্গল মাসুদ বলেছেন: কেবল হতাশা আর বেদনা।

৬| ২১ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ১১:৪৩

ক্রস ফায়ার০০৭ বলেছেন: এই হল মাত্র ১৭৫ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ৮৫ মিটার প্রস্থের ‘তিনবিঘা করিডোর’ নিয়ে ভারত, তার জনগণ এবং রাজনৈতিক দলের অবস্থান। আর আমাদের আওয়ামীলীগ-বিএনপি পুরা দেশ বিক্রি হয়ে গেলেও আশা করি এক হতে পারবেনা। ধিক শতধিক আমাদের পলিটিসিয়ানদের।

সুম্পুর্ন একমত

২২ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ১২:১২

বেঙ্গল মাসুদ বলেছেন: আরেকবার ধন্যবাদ

৭| ২১ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ১১:৪৬

ইবনে 'উমার বলেছেন: এক কথায় অসাধারণ লেখা। গ্রেট জব।

২২ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ১২:৩৬

বেঙ্গল মাসুদ বলেছেন: থ্যাংকস এ লট ব্রাদার। প্লিজ ডু সামথিং।

৮| ২১ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ১১:৪৭

ইবনে 'উমার বলেছেন: ভারতের মন্ত্রী ও আমলারা তাদের জাতীয় স্বার্থ সর্বোচ্চ করতে চাইবে সেটাই স্বাভাবিক- তা তাদের দেশপ্রেম। আমি সেটাকে স্যালুট করি। তবে প্রতিবেশিদের উপর জুলুম করে নয়। কিন্তু আমরা নিজেরাই যদি............!! সর্বোপরি প্রণব মুখার্জি ও কৃষ্ণাদের কাছে আমাদের আপামনিরা একেবারেই খুকুমনি! আমলাদের পেশাদারিত্বের অবস্থা যাচ্ছেতাই।

২২ শে আগস্ট, ২০১১ বিকাল ৫:৪৪

বেঙ্গল মাসুদ বলেছেন: আমাদের এখন কোন পররাষ্ট্রনীতি বা মন্ত্রণালয় আছে বলে মনে হয়না।

৯| ২১ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ১১:৫০

এরিয়া-৫১ বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ !

এই বিষয়ে সরকার এবং বিরোধীদল একসাথে জনগন সহ না দাঁড়ালে কোন কাজ হবে বলে মনে হচ্ছে না !

আর,
পোস্ট স্টিকির দাবী জানাচ্ছি।

২২ শে আগস্ট, ২০১১ বিকাল ৫:৪৫

বেঙ্গল মাসুদ বলেছেন: আপনার আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ।

১০| ২১ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ১১:৫২

মিঠাপুর বলেছেন: আশা করছি এইবার এই সমস্যার সমাধান হবে--


















শালা হারামীর পুতরা এখনো নাকি ঠিক করতে পারে নাই কি কি সমস্যা নিয়ে আলোচনা হবে-----দেশে কি কোন সমস্যা নাই নাকি ওরা চাচ্ছে না কোন সমস্যার সমাধান হোক--

২২ শে আগস্ট, ২০১১ বিকাল ৫:৫৭

বেঙ্গল মাসুদ বলেছেন: একমত

১১| ২১ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ১১:৫৩

নির্মল হাওয়া বলেছেন: সাহসী লেখায় অভিননন্দন

২২ শে আগস্ট, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:৩১

বেঙ্গল মাসুদ বলেছেন: আপনাকেও অভিনন্দন সেদিনের প্রতিবাদের জন্য।

১২| ২২ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ১২:০৬

নির্মল হাওয়া বলেছেন: পোস্ট স্টিকির দাবী জানাচ্ছি।

২২ শে আগস্ট, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:৩৬

বেঙ্গল মাসুদ বলেছেন: কৃতজ্ঞ

১৩| ২২ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ১২:০৯

কালমেঘ বলেছেন: পোস্ট স্টিকির দাবী জানাচ্ছি।

১৪| ২২ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ১২:১৬

ভুদাই বলেছেন: ঐ হারামী বাচ্চারা যদি "তিন বিঘা করিডোর" না দিবি তাইলে আমাগো "বেরুবাড়ী" ফেরত দে........তোদেরকে মুজিব "বেরুবাড়ী' দিছিলো এই শর্তে যে তোরা তিনবিঘা করিডোর আমাগো দিবি। তা যখন দিলিনা ঐ বেইমানের দল ফেরত দে আমাদের বেরুবাড়ী। X( X( X(

১৫| ২২ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ১২:২৩

ভুদাই বলেছেন: পোস্ট স্টিকির দাবী জানাচ্ছি।

১৬| ২২ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ১২:২৪

আমি নবীন বলেছেন: চমৎকার।

১৭| ২২ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ১২:২৫

সুপ্রকাশ ভৌমিক বলেছেন: আসলে বাংলাদেশের কথা ভাবতে গিয়েই খারাপ লাগে। আমি জানিনা আমি কি বলেছিলাম আর আমার নিক হটাত করে ব্যান করা হয়েছিল। আর কোন এক ব্লগার নাকি আমার নিক নিয়ে পোস্ট করেছিল। জানিনা সে একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের কেউ হতে পারে যে চায়না কোন ভারতে পড়ুয়া ছাত্র এই ব্লগে মন্তব্য করুক।

তবে এটুকুই বলবো জনাব মাসুদ আপনি কিভাবে এসব জানলেন ।
আপনি কি ভারতে গেছেন। এখন ভারত বাংলাদেশ সম্পর্ক তুঙ্গে উঠেছে। আপনি কি চান এই সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক নষ্ট হোক। আর একটা বিষয় মনে রাখবেন জলে নেমে কুমিরের সাথে লড়ার চেষ্টা বোকামি। আর আপনাদের মতো গাধারা এটাই করে যায়।

জানিনা এই মন্তব্য করেছি বলে আমাকে নিয়ে কোন ছাগু ব্লগার আবার পোস্ট দেব তার রিভার্স নিক থেকে। আর সামুও আমাকে ব্যান করে মজা পাবে। তবে সমস্যা নাই। আমি পি এইচডির কাজে এতটা ব্যস্ত ব্লগে লগ ইন করি কালে ভদ্রে। তাও শুধু মন্তব্য করি। পোস্ট পার্তো পক্ষে দেই না।

২২ শে আগস্ট, ২০১১ বিকাল ৫:৫১

বেঙ্গল মাসুদ বলেছেন: প্রতিবেশী দাদাকে

এই যে দাদা, শুনছেন-
ধুতির কোচাটা কী একটু সামলাবেন!
বাতাসটা আজ বড্ডো বেশী বেগতিক-
বলাতো যায়না, ধূতির কোচা থাকবেতো ঠিক!

দেখলেনতো- সামান্য খোঁচাতেই সব বিচ্ছুরা,
কেমন আপনার পেছনে করলো তাড়া!
লন্ড্রী থেকে সদ্য কাঁচা ফিনফিনে ধূতি,
ভাঁজটা তরতাজা, মনে তাই এতো ফূর্তি!
ছিটেফোটা অভ্রের জ্বলজ্বলে শুভ্রতা,
সবই যে মিথ্যে হলো, বুঝলেন কী দাদা!
মাখালেন কড়কড়ে ধূতি গোবর-কাদায়,
এমন নাজেহাল অবস্থা! কে আর আপনাকে বাঁচায়!
কেতাদূরস্ত ধূতির অহংকারে,
বেশতো ছিলেন স্বর্গের দ্বারে!
ভাঁজে ভাঁজে ছিল অহংকারের টান,
বুঝলেননা কাকে বলে মান-অপমান!
একদা বাঁশ আর কঞ্চির বুঝেও তফাৎ,
যারা বেছে নিয়েছিল বাঙালীর পদপশ্চাৎ;
ধোপে টেকেনি তাদের কোন ইচ্ছা,
লাখো শহীদের রক্তে ভেসে গেছে তাদের শোষনের কেচ্ছা।
রক্তের নেশায় উন্মাদ হয়েছিল যারা একদা- বর্বর হায়েনা,
আত্মঘাতী বোমা হামলায় আজ তারা নিজেদের অস্তিত্ব খুঁজে পায়না।
একাত্তরের সেই বিশ্বস্ত বন্ধুর হাত,
কেউ কি মেনে নেবে? শত্রু হয়ে যদি করে আঘাত!
নির্লজ্জের মতো কেউ যদি দাবী করে,
আমরা যেন আছি তাদেরই ঘরে;
তবে আপনিও বুঝবেন বাঁশ আর কঞ্চির কিঞ্চিত তফাৎ,
যদি পারেনতো এখনই সামলে রাখেন নিজের পদপশ্চাৎ।
ধূতির ভাঁজ হাতে চেপে ধরলেও কুঁচকাবে,
রাস্তা-ঘাটে চলতে সঙ্গত কারণেই ভাঁজ খাবে।
তার চেয়ে বরং বাতাসে উড়ুক ধূতির কোচা,
দুর্বল ভেবে অপরকে কেনইবা দেবেন খোঁচা?
ফুরফুরে মেজাজে নিজ পথে চলুন,
বন্ধুত্বের কথা গর্বের সাথেই বলুন।
রাস্তার যতো সব ধূলি-কাদা,
ধূতির শুভ্রতায় হোকনা বাঁধা;
গায়ে না মেখে এড়িয়ে চলুন,
হঠাৎ ধাক্কা খেলে বুঝিয়ে বলুন।

কারো আঙিনায় অযথা পা মারাবেন না,
শিকার ভেবে উল্লাসে গুলি ছুঁড়বেন না।
ঝড়-জলোচ্ছাস আর সিডোরে,
যে জাতি প্রাণ দিতে পারে অকাতরে,
প্রয়োজনে তারাই অস্ত্র ধরতে জানে,
বাঁচার লড়াইয়ে তারা মরতেও জানে।

@কালপুরুষ

১৮| ২২ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ১২:২৮

ভুদাই বলেছেন: সুপ্রকাশ ভৌমিক ুয়োরের বাচ্চা থাবড়াইয়া তোর পি এইচডি ছুটাইয়া পেলব আরেকটা বাজে কথা বললে। ভাগ এখান থেকে হারামজাদা।

২২ শে আগস্ট, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:৪৬

বেঙ্গল মাসুদ বলেছেন: আমরা সচেতন হলে ওরা এমনিতেই পালাবে।

১৯| ২২ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ১২:৫৩

স্বাধীকার বলেছেন:
পোস্ট ভাল হয়েছে।

কিন্তু আমরা যখন বাংলাদেশের বিষয় নিয়ে ভারতের সমালোচনা করি, আমাদের অধিকার নিয়ে কথা বলি তখন আমাদের দেশেরই কতিপয় দালাল কষ্ট পায়, তাদের জ্বলে। তারা আমাদের পাকপ্রেমী বলে ট্যাগিং করার দৃষ্টতা দেখায়। কিন্তু যারা নিজ দেশের অধিকার নিয়ে কথা বলেনা, যারা বলে তাদেরকে কৌশলে নিবৃত্ত করতে চায়-তারা এদেশীয় জারজ। যাদের বাংলাদেশে থাকার কোনো নৈতিক অধিকার থাকতে পারেনা।

৥ ‍সুপ্রকাশ ভৌমিক ঃ ভারতকে আপনি কুমির ভাবতেই পারেন-সেটা আপনার ভাবনার স্বাধীনতা। কিন্তু আমাদের অভিজ্ঞতায় আমরা দেখেছি-ভারতের মতো প্রতিবেশী প্রতিটি রাষ্ট্রের জন্যই অভিশাপ। এই অঞ্চলে ভারতের সাথে ভালো সম্পর্ক আছে এরকম একটি রাষ্ট্রের কথা বলেন? ভারতের মতো স্বার্থপর আর ছোটমনের রাষ্ট্র পৃথিবীতে একটিও নেই। প্রতিটি রাষ্ট্রের চরিত্র ফুটে উঠে সেই রাষ্ট্রের গনমানুষের চরিত্রের ভিতর দিয়েই। আপনাদের মানসিকতাই হলো বেনিয়াগিরি-তা নিজের বাপ-মা দিয়ে হলেও লাভ হলে আপনারা সেখানে আছেন। কিন্তু ভারত আজ বড় রাষ্ট্র হলেও তাদের হৃদয় অনেক ছোট, রাষ্ট্রটিও একটি ছোট হয়েই যাবে-সময়ের ব্যাপার মাত্র। ভারত স্বাধীনতা লাভ করেছে চুক্তির মাধ্যমে, আমরা স্বাধীনতা লাভ করেছি যুদ্ধ করে-আমাদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করবেন না প্লিজ।

২০| ২২ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ১২:৫৬

সুপ্রকাশ ভৌমিক বলেছেন: আমি কি এমন বলেছি যার জন্য আমাকে গালিগালাজ করতে হবে। আপনারা কি জানেন যে আপনারা এক একটা ছোটলোক। আগে মানুষকে সম্মান দিতে শিখুন তারপর দেশ নিয়ে ভাবুন। যতোসব রাস্তার পোলাপাইন ভারি দেশপ্রেমিক হয়ে গেছে। ছাগল পাগল যে কোত্তেকে সব আসে ??

২১| ২২ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ১২:৫৭

চ্যালেন্জার বলেছেন:
ভারত শুধু তাদের দালাল আম্লীগের বন্ধু, ভারত বাংলাদেশের বন্ধু কোন দিনই হতে পারে না|

২৭ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ১:৫৫

বেঙ্গল মাসুদ বলেছেন: কি জানি ভাই। সবকিছু উল্টাপাল্টা লাগছে

২২| ২২ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ১২:৫৮

চ্যালেন্জার বলেছেন:

ভাদা থুক্কু দাদা সুপ্রকাশ:


দাদা কি বাংলাদেশী না ভারতীয়, প্লিজ বলো না :)

২২ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ১:০২

বেঙ্গল মাসুদ বলেছেন: মনে হয় শংকর বা আটকেপড়া ইন্ডিয়ান ;) ;)

২৩| ২২ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ১:০০

বেঙ্গল মাসুদ বলেছেন: জগড়া না করে সচেতন হয় সবাই। না হলে ব্রিটিশ আমাদের চুষেছে, পাকিরা চুষেছে এখন ইন্ডিয়া চুষবে। চোষা আর শেষ হবেনা।

২৪| ২২ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ১:১২

শিবলী নোমান বলেছেন: সুপ্রকাশ ভাদাটারে ুন্দানির উপ্রে রাখেন X(( X(( X((

২২ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ৮:১০

বেঙ্গল মাসুদ বলেছেন: :P

২৫| ২২ শে আগস্ট, ২০১১ ভোর ৪:০৮

েপচাইললা বলেছেন: সুপ্রকাশের মুখে লাথ্থি মারার আশা রাখি।

ভারত কোনদিন বাংলাদেশের বন্ধু হতে পারে না। জল-কুমিরের গল্পে কাকে ভয় দেখাস রে ভৌমিক..!! তোদের টাপানোর টাইম আছে রে...!! এখন বলবি, আমরা সবকিছু ভারত থেকে নিয়ে আসি, তাই তো..! কিনে খাই রে হারামজাদা।

কুত্তার জন্মা, বাপ-চাচারা রক্ত দিসে পাকি শুয়োরের দলকে তাড়াতে। তোদের হাত থেকে জন্মভূমি বাঁচাতে আমরা জীবন দেব না, এটা ভাবিস কি করে রে জংলি কুত্তার জাত..!!

এটা পারসনাল এটাক না, এটা প্রত্যেক উদ্ধত ভারতীয়ের বিরুদ্ধে জন্য একজন বাঙালি/বাংলাদেশীর জবাব...!!

২২ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ৮:২৬

বেঙ্গল মাসুদ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ

২৬| ২২ শে আগস্ট, ২০১১ ভোর ৪:২০

পথভোলা বলেছেন: সুপ্রকাশ ভৌমিক বলেছেন: আসলে বাংলাদেশের কথা ভাবতে গিয়েই খারাপ লাগে। আমি জানিনা আমি কি বলেছিলাম আর আমার নিক হটাত করে ব্যান করা হয়েছিল। আর কোন এক ব্লগার নাকি আমার নিক নিয়ে পোস্ট করেছিল। জানিনা সে একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের কেউ হতে পারে যে চায়না কোন ভারতে পড়ুয়া ছাত্র এই ব্লগে মন্তব্য করুক।

তবে এটুকুই বলবো জনাব মাসুদ আপনি কিভাবে এসব জানলেন ।
আপনি কি ভারতে গেছেন। এখন ভারত বাংলাদেশ সম্পর্ক তুঙ্গে উঠেছে। আপনি কি চান এই সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক নষ্ট হোক। আর একটা বিষয় মনে রাখবেন জলে নেমে কুমিরের সাথে লড়ার চেষ্টা বোকামি। আর আপনাদের মতো গাধারা এটাই করে যায়।

জানিনা এই মন্তব্য করেছি বলে আমাকে নিয়ে কোন ছাগু ব্লগার আবার পোস্ট দেব তার রিভার্স নিক থেকে। আর সামুও আমাকে ব্যান করে মজা পাবে। তবে সমস্যা নাই। আমি পি এইচডির কাজে এতটা ব্যস্ত ব্লগে লগ ইন করি কালে ভদ্রে। তাও শুধু মন্তব্য করি। পোস্ট পার্তো পক্ষে দেই না।
--------------------------------------------------------------------
--------------------------------------------------------------------

.................ওরে জাত শুয়োর, তুমি দেশপ্রেমিকদের ছাগু ট্যাগিং দিয়া তোমার মতের সপক্ষে কতিপয় ভাদা আর ভাকুকে টাইনা নিয়ে আনার প্লানিং করতেছ!!?? জাইনা রাখরে রে বেজন্মা, এই পোষ্টে বা ব্লগে যে ভাদা-ভাকুই আসুক না কেন ুন্দনী দিয়া সীমান্তের ঐ পাশে দাদাদের কাছে পাঠায়া দেওয়া হবে!! তুই নাকি পিএইচডির এর কাজে ব্যস্ত, কিন্তু তোর মন্তব্য দেখে তো মনে হয় তুই দাদাদের গুপ্তকেশ নিধনে ব্যস্ত। :D

.........জলে নেমে কুমিরের সাথে বাস করা বলতে কি বুজাচ্ছিস রে ানকির পোলা??!! বাংলাদেশের ৫২ আর ৭১ এর ইতিহাস কি জানিস?? জানলে এতদিনে লেংটু হয়ে ব্লগ ছেড়ে ভয়ে পালাতি!! যা রে ভারতীয় কুত্তা, ঐডা আগে পড়!! তারপর ব্লগে ঘেউ ঘেউ করতে আসিস!!

......আমি নিজেই চাই তোরে যেন ব্যান না করে!! কারন তোর মত কুত্তারে লাথথাইয়া ব্লগ ছাড়া করতে আমার মজাই লাগবে!! যাক বেশী কিছু বলিনা, শুধু বলি, এই নিকটা চিনে রাখিস......নেক্সট টাইমে ভাদাগিরি করতে এসে এই নিকের সামনে যেন পড়িসনা!! তাইলে তুই সহকারে সব কয়টা ভাদা-ভাকুকে লাথথাইয়া ধুতি খুলে দেবার ব্যবস্থা করা হবে!!

২৭| ২২ শে আগস্ট, ২০১১ ভোর ৪:৩২

দিগন্ত বলেছেন: আলোচনা গালাগালিতে পরিণত হয়েছে দেখে ভাল লাগছে না, কিন্তু এই ইস্যু অনেক আগেই সমাধান হওয়া উচিত ছিল। তবে আমি আশাবাদী যে ফ্লাই-ওভার বানিয়ে আগামী বছর পাঁচের মধ্যে ইস্যুর মীমাংসা হবে। ট্রানজিট চুক্তি এক-তরফা করার মানে নেই, ট্রানজিট চুক্তি তিনবিঘার করিডর না হওয়া অবধি ফেলে রাখা যেতেই পারে।

২৮| ২২ শে আগস্ট, ২০১১ ভোর ৪:৩২

চিকন আলি বলেছেন: সু(জুতা)প্রকাশ ভৌতিক: তোমাকে এখানে কে কথা বলতে বলেছে..........?সালা মালাউন কি জাত.........।

২৯| ২২ শে আগস্ট, ২০১১ সকাল ৭:৪২

মোবারক বলেছেন: পোস্ট স্টিকির দাবী জানাচ্ছি।

৩০| ২২ শে আগস্ট, ২০১১ দুপুর ১২:০৩

কামাল_কক্সবাজার বলেছেন: আশা করি মনমোহন এসব কিছু উপেক্ষা করে ২৪ ঘণ্টা করিডোর খুলে দেয়ার চুক্তি করবে। আর তা যদি করতে গড়িমসি করে তাহলে আমাদের উচিত হবে এদেরকে দেয়া ট্রানজিট প্রত্যাহার করে নেয়া।

৩১| ২২ শে আগস্ট, ২০১১ বিকাল ৪:৫২

অন্য হাওয়া বলেছেন: স্বাধীকার বলেছেন:
পোস্ট ভাল হয়েছে।

কিন্তু আমরা যখন বাংলাদেশের বিষয় নিয়ে ভারতের সমালোচনা করি, আমাদের অধিকার নিয়ে কথা বলি তখন আমাদের দেশেরই কতিপয় দালাল কষ্ট পায়, তাদের জ্বলে। তারা আমাদের পাকপ্রেমী বলে ট্যাগিং করার দৃষ্টতা দেখায়। কিন্তু যারা নিজ দেশের অধিকার নিয়ে কথা বলেনা, যারা বলে তাদেরকে কৌশলে নিবৃত্ত করতে চায়-তারা এদেশীয় জারজ। যাদের বাংলাদেশে থাকার কোনো নৈতিক অধিকার থাকতে পারেনা।

৩২| ২২ শে আগস্ট, ২০১১ বিকাল ৫:০৯

শিবলী নোমান বলেছেন: পোস্ট স্টিকির জোর দাবী জানাচ্ছি

৩৩| ২২ শে আগস্ট, ২০১১ বিকাল ৫:১০

এস এইচ খান বলেছেন:

চমৎকার তুলে ধরেছেন।

গান্ডুশ্তান নিপাত যাক,
গান্ডুশ্তানী ভাদা ভাকুররা নিপাত যাক,
বাংলাদেশ মুক্তি পাক।

৩৪| ২২ শে আগস্ট, ২০১১ বিকাল ৫:১২

জন রাসেল বলেছেন: দারুন চালিয়ে যান।

৩৫| ২২ শে আগস্ট, ২০১১ বিকাল ৫:১৬

আশার রাজ্যে নিরাশার মেঘ বলেছেন: পাকিদের মত ভারতও বেইমান। এরা আমাদের সাথে কোন চুকতি করার পর ঠিকমত পালন করেনি।

পোস্ট স্টিকির জোর দাবী জানাচ্ছি ।

৩৬| ২২ শে আগস্ট, ২০১১ বিকাল ৫:২২

জাহাংগীর ৮৭ বলেছেন: পোস্ট স্টিকির দাবী জানাচ্ছি।

৩৭| ২২ শে আগস্ট, ২০১১ বিকাল ৫:২৪

সুমন এম রহমান বলেছেন: ভারতের দালালেরা হুশিয়ার সাবধান।

৩৮| ২২ শে আগস্ট, ২০১১ বিকাল ৫:২৬

ভুদাই বলেছেন: ইন্ডিয়া হলো একটা ছোটলোক বেজন্মার জাত। X(X(X(

৩৯| ২২ শে আগস্ট, ২০১১ বিকাল ৫:২৯

মোসাব্বির বলেছেন:
ভারতের মেন্টালিটি যে কতটা নীচুমানের তা এ পোষ্টে এক ভারতীয় কুলাঙ্গারের মন্তব্য থেকেই আঁচ করা যায়। আমার মনে হয় আধিকাংশ ভারতীয়ই তার মত ছোট মনের অধিকারী।
একটা কথা আমাদের মনে রাখা দরকার তা হলো মনমোহন বাংলাদেশে কোন কিছু দিতে আসবেনা, শুধুই নিতে আসবে। যদি কিছু দেওয়ার চুক্তিও করে কবে তা হবে সম্পূর্ণই আইওয়াশ।
পোষ্টটি ষ্টিকি করার জোড় দাবী জানাচ্ছি। যদিও এ ধরনের পোষ্ট ষ্টিকি করার ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের আন্তরিকতার যথেষ্ট অভাব রয়েছে।

৪০| ২২ শে আগস্ট, ২০১১ বিকাল ৫:৩১

ব্লগার ইমরান বলেছেন: হালারা তো এক একটা বেঈমান। X(( X(( X(( X((

৪১| ২২ শে আগস্ট, ২০১১ বিকাল ৫:৩২

টুনা বলেছেন: @ সুপ্রকাশ ভৌমিক - ১৯৭১ সালের সাহায্যের কথা মনে রেখেই বলতে চাই,তখন এটা ছিল সময়ের দাবী।আমাদের যেমন উপকার হয়েছে বাবুদেরও উপকার হয়েছে।বাংলাদেশ স্বাধীন নাহলে পাকিস্তানের আই এস আই পূর্ব পাকিস্তানে বসে আপনাদের সেভেন সিস্টার স্টেটকেই বিচ্ছিন্ন করে দিত।বর্তমান আপনাদের যেই মানচিত্রটা আছে তা হয়তো খুজে পাওয়া যেতনা।বাংলাদেশের সঙ্গে যেই বিশাল সীমান্ত তার প্রহরায় হাজার বিলিয়ন ডলার খরচ হতো।আপনাদের ত্রিপুরায় বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের জন্যে ট্রান্জিট পাবার আশাও করতে পারতেন না।কারন এখানে পূর্ব-পাকিস্তানের ক্ষমতায় হয়তো নিজামী - সাইদীরা গভর্ণর /চিপ মিনিস্টার থাকতো।আমাদের সততায় আপনারা অনেক অনিস্ট থেকে রেহাই পেয়েছেন।কাশ্মীরের মতো পূর্ব ভারতেও বিলিয়ন ডলার খরচ হতো।আমাদের ছোট করে দেখার কোন সুযোগ নেই।নিজে বড় হতে চাইলে অপরকে সম্মান করতে শিখুন। পি এইচ ডি করলেই মানুষ বড় হয়ে যায়না । আপনি নিজেই অন্যদের গালি দেবার জন্য উস্কে দিয়েছেন ।
আর কুমির আর জলের গল্প বলে কোন লাভ নেই। কারন এ ভুখন্ডের মানুষ সংগ্রাম করেই বেঁচে আছে ।

৪২| ২২ শে আগস্ট, ২০১১ বিকাল ৫:৩৪

এমদেশ বলেছেন: ১৯৭৪ সালে শেখ মুজিব সংবিধান সংশোধন করে বাংলাদেশের ভূখণ্ড বেরুবাড়ী ইন্দিরার হাতে তুলে দিলেও ইন্দিরা সামান্য ৩ বিঘা করিডোরটুকু বাংলাদেশকে আজও দেয়নি।
এই যখন অবস্থা তখন বর্তমান সরকার একেবারে ভারতকে ট্রানজিটের নামে করিডোর দিতে উদগ্রীব হয়ে গেছে।
ভারতকে বেরুবাড়ী দেওয়ার জন্য শেখ মুজিব সংবিধানের উপর হাত দিয়েছিল। সংবিধান সংশোধন নিয়ে আওয়ামী লীগাররা কত কথা বলে অথচ সংবিধানের এই সংশোধনী নিয়ে তাদের মুখে কোন রা নেই।
ভারতের অপকর্মের কথা বললেই কিছু ভারতের পদলেহী কুকুর চিৎকার শুরু করে। তারা কোনো যুক্তিতর্কে ধারে কাছে না গিয়ে গালাগালি শুরু করে।

৪৩| ২২ শে আগস্ট, ২০১১ বিকাল ৫:৩৪

এমদেশ বলেছেন: ১৯৭৪ সালে শেখ মুজিব সংবিধান সংশোধন করে বাংলাদেশের ভূখণ্ড বেরুবাড়ী ইন্দিরার হাতে তুলে দিলেও ইন্দিরা সামান্য ৩ বিঘা করিডোরটুকু বাংলাদেশকে আজও দেয়নি।
এই যখন অবস্থা তখন বর্তমান সরকার একেবারে ভারতকে ট্রানজিটের নামে করিডোর দিতে উদগ্রীব হয়ে গেছে।
ভারতকে বেরুবাড়ী দেওয়ার জন্য শেখ মুজিব সংবিধানের উপর হাত দিয়েছিল। সংবিধান সংশোধন নিয়ে আওয়ামী লীগাররা কত কথা বলে অথচ সংবিধানের এই সংশোধনী নিয়ে তাদের মুখে কোন রা নেই।
ভারতের অপকর্মের কথা বললেই কিছু ভারতের পদলেহী কুকুর চিৎকার শুরু করে। তারা কোনো যুক্তিতর্কে ধারে কাছে না গিয়ে গালাগালি শুরু করে।

৪৪| ২২ শে আগস্ট, ২০১১ বিকাল ৫:৩৫

নষ্ট কবি বলেছেন: ইন্ডিয়া কখনো কথা রাখবে বলে মনে ও হয়না।

জাতি হিসেবে তারা সবসময় হিসেবি এবং স্বার্থপর

যেখানে লাভ- সেখানেই দৌড়াবে।

মুক্তিযুদ্ধের সময় যে উপকার টুকু করেছিল সেই শেষ- তার পর থেকে মনে হয়না তারা আর কোন উপকার করেছে।

সীমান্তে প্রতিদিন মানুষ মরে। ইন্ডীয়াতে বেশ কয়েকবার যেতে হয়েছে- যখন ই যেতাম- তারা শুধু সন্দেহ করত।

অবশ্য বাংলাদেশীরা যদি একটু এই মানসিকতার হত তাহলেই শান্তি।

৪৫| ২২ শে আগস্ট, ২০১১ বিকাল ৫:৩৭

ভয়েস অব বিডি বলেছেন: পোস্ট স্টিকির দাবী জানাচ্ছি।

৪৬| ২২ শে আগস্ট, ২০১১ বিকাল ৫:৪০

বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: হাসিনা মূচলেকা দিয়ে ক্ষমতায় আসছে। যদি হাসিনা করিডোর মুফতে না দেয় ভারতীয়রা তার গলায় গামছা দিয়ে তা আদায় করবে।

৪৭| ২২ শে আগস্ট, ২০১১ বিকাল ৫:৪৩

এমদেশ বলেছেন: বেঙ্গল মাসুদ এই লেখাটি পরিশ্রম করে খুব সুন্দর করে গুছিয়ে লিখেছেন। এজন্য বেঙ্গল মাসুদকে আন্তরিক অভিনন্দন।

পোস্টটি স্টিকি করার মতো। স্টিকি করার জন্য দাবী জানাচ্ছি।

৪৮| ২২ শে আগস্ট, ২০১১ বিকাল ৫:৪৬

হৃদয়হীনবালক বলেছেন: এই ভৌমিক দাদা কি আমাদেরকে হুমকি দিচ্ছেন ভারতের হয়ে। জলে নেমে কুমিরের সাথে লড়াই বলে উনি হয়ত তাই বোঝাতে চাচ্ছেন।

৪৯| ২২ শে আগস্ট, ২০১১ বিকাল ৫:৫০

জয়কৃষ্ণ বলেছেন:
সুপ্রকাশ ভৌমিক একজন বাংলাদেশ বিরোধী। তাকে চিনে রাখুন। 'বেঙ্গল মাসুদের'ই অন্য একটি পোষ্টে সে এর আগেও দেশবিরোধী মন্তব্য করেছে। পড়ুন>>>>>>>>>

একজন সুপ্রকাশ ভৌমিক ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার দায়

৫০| ২২ শে আগস্ট, ২০১১ বিকাল ৫:৫৬

মেহদী১০ বলেছেন: অনেক ভাল পোস্ট । স্টিকি করা হোক । এটা আজ দল মত নির্বিসেষে সকল বাংগালির দাবি । ভারতের শোষন আর মানি না আমাদের প্রাপ্প আমরা চাই ।

৫১| ২২ শে আগস্ট, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:০১

বাউন্ডুলে রুবেল বলেছেন: পোস্ট স্টিকি করা হোক।

৫২| ২২ শে আগস্ট, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:০৫

কান্টি টুটুল বলেছেন: চুক্তির সাইত্রিশ বছর পার হলেও ভারত আজও আমাদেরকে তিনবিঘা করিডোর দেয় না,
কিন্তু ট্রানজিটের নামে এই সরকার আমার দেশের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত করিডোর করে দিতে এক পায়ে দাড়ায়া আছে,আবার দেশের সবচাইতে বড় দেশপ্রেমিক হিসাবেও নিজকে দাবী করেন।
এই দেশে মীরজাফররাই সবচেয়ে বড় দেশপ্রেমিক।
পোস্টটি স্টিকি করা হোক।

৫৩| ২২ শে আগস্ট, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:১২

নাহিয়ান বিন হোসেন বলেছেন: পোস্ট স্টিকি করা হোক।

৫৪| ২২ শে আগস্ট, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:১৬

শিপন মোল্লা বলেছেন: সুপ্রকাশ ভৌমিক ভারতের পচা পানিতে পয়দা হছে,ঃনকির পু্লা এই দেশে তর থাকার অধিকার নাই ভাগ। তা নাহলে তরে লাইততাইয়া ভাগামু।
তুই বালের পিএসডি করছ তুইতো তর দাদাগো অণ্ডকোস নিয়ে নারা চারা করছ।আর খালি পাচা দিস.

৫৫| ২২ শে আগস্ট, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:০৫

এ হেলাল খান বলেছেন:
আমাদের চরিত্রহীন রাজনীতিবিদদের কারনেই আমরা আমাদের হিস্যা আদায় করতে পারিনা। দলীয় রাজনীতিতে আমাদের ভিন্ন মত থাকতে পারে কিন্তু জাতীয় স্বার্থে কেন আমরা একমত হতে পারি না? যতদিন না একমত হতে পারব তত দিন আমরা শুধু দিয়েই যাবো।

৫৬| ২২ শে আগস্ট, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৩১

ইন্জিনিয়ার রুমান বলেছেন: মনমোহন আসা পর্যন্ত পোস্ট স্টিকির দাবী জানাচ্ছি।

৫৭| ২২ শে আগস্ট, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৫৬

মাহিরাহি বলেছেন: পোস্ট স্টিকির দাবী জানাচ্ছি।

২২ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ৮:৪৪

বেঙ্গল মাসুদ বলেছেন: ধন্যবাদ

৫৮| ২২ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ৮:১৪

নীলপদ্দ বলেছেন: আরে ভাই কি সব উল্টা পাল্টা লিখেছেন ? ভারতে আমাদের দেশের ছিটমহলবাসীরা মহা সুখে আছে। কষ্টে তো আছে আমাদের দেশে ভারতের ছিট মহলবাসীরা। এখানে পড়েন, http://www.prothom-alo.com/sitmohol মতির আলু পত্রিকায় ছিটমহল নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন সব। সব পড়ে ওপরের কথাই মনে হলো।

২২ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ৮:২৮

বেঙ্গল মাসুদ বলেছেন: মতির আলুর এই বিশেষ সংখ্যা নিয়ে ভাবছিলাম লিখব। তবে লেখার রুচি হয়নি। কারন দেশের একটি প্রভাবশালী একটি পত্রিকা কিভাবে এমন নির্লজ্জ ভারতপ্রিতি দেখায় ভাবতেই মেজাজ চরম খারাপ হইয়ে গিয়েছিল।

৫৯| ২৩ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ৩:২৪

সেতু আশরাফুল হক বলেছেন:
ভারত বিদ্বেষটা শক্তিতে রূপান্তরিত করুন। দেশের কথা ভেবে এক হই এবং নিজের অধিকার আদায় করে নেবার শপথ নেই। মনে রাখা দরকার যে, ভারত তাদের নিজ দেশ নিয়ে ও নিজ দেশের স্বার্থ নিয়ে চলছে। আপনি যদি আপনার স্বার্থকে আদায় না করতে পারেন তবে তা তো কূটনৈতিক পরাজয়। আমরা কি করে আশা করবো ভারত আমাদের এম্নি এম্নি সব কিছু দান করে দেবে?

আপনি নিজেই ভাবুন আপনি কি করছেন?

>>আপনি কি এই ঈদে আপনার পরিবারের জন্য ভারতীয় বস্ত্র কিনেছেন? আপনি কি ভারতীয় বস্ত্র ত্যাগ করেছেন?

>>আপনি কি ভারতীয় পণ্য ব্যবহারে উৎসাহিত নন? এর বদলে কি দেশি পণ্য ব্যবহার করছেন?

>>আপনি কি ভারতীয় চলচ্চিত্র দেখতে অভ্যস্ত নন? আপনি কি তা ত্যাগ করেছেন?

>>আপনি কি ভারতীয় পত্র-পত্রিকা পড়ছেন না? সে গুলি পড়া কি ত্যাগ করেছেন?

>>আপনি কি এমন কোন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে ভারতীয় যে কোন পণ্য বা সেবা আপনি ত্যাগ করবেন?

>>আপনি যদি এসব ক্ষেত্রে নিজের দেশকে প্রাধান্য না দেন, তবে আপনি কেন নিজেকে দেশপ্রেমিক হিসেবে দাবি করবেন?

>>আপনি কি ভাবছেন বিদেশী ( বিশেষত ভারতীয়) পণ্য ভোগ করি বলেই কি আমি দেশপ্রেমিক নই? ( যদিও ঐ সকল পণ্যের বিপরীতে দেশীয় পণ্য রয়েছে )

আমি বলবো হ্যাঁ। যদি সুপ্রকাশ ভৌমিক বাংলাদেশী হয়ে থাকে তবে তার সাথে আপনিও সত্যিই দেশপ্রেমিক নন।

নেতা-নেত্রীর দোষ কি বলুন, তারা তো আপনাদেরই নির্বাচিত। যে দেশের জনতা যেমন চায় তাদের নেতৃত্বও তেমনিই হয়। যদি আমাদের মতো এহেন নপুংশক দেশপ্রেমিক জনগণ অন্য কোন দেশের থাকে তবে সে দেশও বড় প্রতিবেশীর কাছে নতজানু হয়েই থাকবে।

দেশকে ভালবাসতে হলে অন্যদেশের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ না করে নিজে দেশের সঠিক কাজ করুন। তবেই দেশের ভাল হবে। ভারত বিদ্বেষ ভারতীয় আগ্রাসন এবং সম্প্রসারণবাদকে কোন অবস্থাতেই ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না। যদি না আমরা আমার দেশকে এগিয়ে না নিতে পারি।

সবাইকে ধন্যবাদ।

৬০| ২৩ শে আগস্ট, ২০১১ বিকাল ৪:৫১

সিনবাদ বলেছেন: স্টিকি করা হোক।

৬১| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ২:০৮

আহমদ শরীফ বলেছেন: স্টিকি করা হোক।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.