| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মাসুদ রানা মামুন
Facebook ID : MD Masud Rana Mamun
যুদ্ধাপরাধের বিচার হোক সেটা আমরা সবাই চাই। সাকা চৌধুরী ও মুজাহিদ দুজনেই রাজাকার ছিলেন এটা প্রমানিত।তাদের ফাঁসিও হল কিন্ত একটা প্রশ্ন এখনো আছে তারা কি মার্সি পিটিশন করেছিল?উত্তরে অনেকেই অনেক কিছু বলবে কিন্ত আমি সেটার বিষয়ে কিছু বলতে চাচ্ছি না।তারা মার্সি পিটিশন করেছিল কিনা সেটা তারা ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ভালো জানেন।
মানছি যে তারা রাষ্ট্রপতির কাছে প্রান ভিক্ষা চেয়েছিল কিন্ত রাষ্ট্রপতি তাদের দন্ড মওকুফ করলেন না।আর মওকুফ করবেনই বা কেন কারন তিনি তো কোন ক্ষমতাই প্রয়োগ করতে পারেন না।
রাষ্ট্রপতি পদমর্যাদার সবার উপরে থাকলেও তিনি নামমাত্র রাষ্ট প্রধান, তার কাছে কোন নির্বাহী ক্ষমতাই নেই।রাষ্টপতি কর্তৃক প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হলেও প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ছাড়া তিনি কিছু করতে পারেন না। নিশ্চয় সাকা ও মুজাহিদ এর দন্ড মওকুফ করার বিষয়েও তিনি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ করেছিলেন আর প্রধান মন্ত্রী সেটা নাকোচ করে দিতে বললেন তিনি মওকুফ করে দিতে বললেন না আর বলবেনই বা কেন কেননা প্রধানমন্ত্রী নিজেই তো তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছিল আর যাদেরকে মারার জন্য খাবারে বিষ মেশানো আবার খেতে ধরলে বলবে যে তোমরা খেও না এতে বিষ আছে। তাই যা হবার তাই হলো...
০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:৩৪
মাসুদ রানা মামুন বলেছেন: সবই প্রধানমন্ত্রীর কাজ।আর বাকি সবাই তাকে হেল্পিং করে
২|
০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:৩৪
কাল্পনিক সত্ত্বা বলেছেন: ফাঁসি হওয়ায় খুব লেগেছে বুঝি ,দাদা?
০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:৪২
মাসুদ রানা মামুন বলেছেন: আপনি কোন ভুল করবেন না কারন আপনার ভুলটা যদি সরকারের বিরোধী হয় আর সরকার যদি মামলা করে তাহলে প্রান ভিক্ষা চেয়েও কোন লাভ হবে না কারন সরকারই তো কেস করেছে!
৩|
০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:৩৮
এসব চলবে না..... বলেছেন: পোড়া গন্ধটা বেশ লাগছে।
ছাগু কোথাকার। ![]()
০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:৪৫
মাসুদ রানা মামুন বলেছেন: একবার ঐ যায়গায় যান ,বুঝবেন ঠ্যালা
৪|
০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:৪২
রানার ব্লগ বলেছেন: আমাকে পোড়াতে যদি এতো লাগে ভালো, জ্বালো আগুন আরো জ্বালো ঢালো আরো ব্যথা ঢালো ।
০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:৪৭
মাসুদ রানা মামুন বলেছেন: একবার পুড়ে গেল তো ছাই,আর কাকে পুড়বে?
৫|
০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:৪৮
কমরেড ফারুক ১ বলেছেন: রানার ব্লগ বলেছেন:
আমাকে পোড়াতে যদি
এতো লাগে ভালো,
জ্বালো আগুন আরো
জ্বালো ঢালো আরো
ব্যথা ঢালো ।
ভালল লাগছে।।
৬|
০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৫:০০
ফারুক১ বলেছেন: হা হা হা...
ভাইজান কি ছাগু ছিলেন না সাজলেন?
মার্সি পিটিশন করা হলে ফাঁসির কার্যক্রম প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির হাতে ন্যাস্ত হয়। মানে এখানে প্রধানমন্ত্রীর সুপারিশই রাষ্ট্রপতি বাস্তবায়ন করে থাকেন। রাষ্ট্রপরি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ডিনাই করতে পারেননা। এ ব্যাপারে ফাঁসির পর দিনই বিবিসিতে সাবেক আইনমন্ত্রীর স্বাক্ষাতকার এসেছিলো।
কথা হল মার্সি পিটিশন করা হয়েছে, এ ব্যাপারে শক্ত কোন এভিডেন্স নাই। দন্ডপ্রাপ্ত নিজেরাই মৃত্যুর আগে অস্বীকার করেছে। অন্যদিকে ৪৯ অনুচ্ছেদের আলোকে মার্সি পিটিশন হলে রাত দশটার দিকে রাষ্ট্রপতির খারিজের আগেই ফাঁসির আয়োজন শুরু হতনা। দন্ড প্রাপ্তের আত্মীয়দের দেখা করা, দেখার করার সময় জানিয়ে চিঠি লেখা- এইসব কাজ শুরু হতে পারত না। প্রধানমন্ত্রী বা রাষ্ট্রপতির আদেশ হবার পর এসব ব্যবস্থাপনা শুরু হত বা প্রাণভিক্ষা গৃহীত হত।
যেহেতু প্রাণভিক্ষা চাওয়া হয়নি তাই ফাঁসি কার্যকরের কাজগুলোও স্বাভাবিক নিয়মে জেলারের নির্দেশনায় হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশের অপেক্ষা করা হয়নি। এ ব্যাপারে সুন্দর একটি ব্যাখ্যা এসেছে মুজাহিদের পরিবার থেকে। কথা হল যে মার্সি পিটিশন দায়ের হয়নি সেটা কীকরে সরকার প্রদর্শন করবে? এটা কোন ভাবেই রাষ্ট্রীয় গোপন দলিল নয়। নিছক ৪৯ অনুচ্ছেদের অধীনে আর দশটা ফাঁসির আদেশ প্রাপ্ত লোকের প্রাণভিক্ষার চিঠি মাত্র। ৪৯ অনিচ্ছেদ বা এই চিঠির সাথে যুদ্ধাপরাধ ব্যাপারের কোন সম্পর্কই নাই।
৭|
০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:৩৪
এ কে এম রেজাউল করিম বলেছেন:
এসব চলবে না..... বলেছেন: পোড়া গন্ধটা বেশ লাগছে।
ছাগু কোথাকার।
দুস্কৃতিকারি রাজাকারের ফাঁসি হয়েছে। এ-ই!!!
৮|
০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:৫৮
মুদ্দাকির বলেছেন:
প্রধানমন্ত্রী জিন্দাবাদ
©somewhere in net ltd.
১|
০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:২৪
নিমগ্ন বলেছেন: প্রধানমন্ত্রীর কাজ না কোনটি??