| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ভালবাসা007
প্রত্যক মানুষের জীবনে কাউকে না কাউকে ভালবাসা প্রয়োজন। এম ডি আরিফ
আমাদের মনে রাখতে হবে, অযত্নে-অবহেলায় ও নির্যাতনে বেড়ে ওঠা শিশু অদূরভবিষ্যতে শিশু নির্যাতক এমনকি সন্ত্রাসীও হতে পারে। হজরত মুহাম্মদ (স.) বলেছেন, প্রত্যেক শিশু তার স্বভাব (ইসলাম গ্রহণের যোগ্যতা) নিয়ে জন্মগ্রহণ করে। অতঃপর তার মা-বাবা তাকে ইহুদি ধর্মে দীক্ষিত করে বা খ্রিস্টান বানায় বা নক্ষত্রপূজারি করে গড়ে তোলে। ছহিহ ইবনে হিব্বান।
অর্থাৎ প্রতিটি শিশুই তার ফিতরাত অনুযায়ী মুসলিম হিসেবে জন্ম নেয়। পরবর্তীতে পিতা-মাতার লালন-পালন ও পরিবেশ তাকে ইহুদি, নাছারা, নক্ষত্রপূজারি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। অনুরূপ ভালো পরিবেশ শিশুকে ভালো মানুষ হতে শেখায় আর খারাপ পরিবেশ শিশুকে বিকৃত মানসিকতায় গড়ে তোলে।
শিশুদের নির্যাতনের অন্যতম একটি দিক হলো যৌন নির্যাতন। ভাবলে সত্যিই অবাক হতে হয় কত নীচ, হীন ও ঘৃণ্য মানসিকতার অধিকারী হলে শিশুদের যৌন নির্যাতনে বাধ্য করতে পারে।
শিশুরা বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষ কর্তৃক যৌন নির্যাতনের শিকার হয়। যেমন_ পরিবারের সদস্য, নিকট আত্মীয়-স্বজন, গৃহশিক্ষক, সহপাঠী, শ্রেণী শিক্ষক, এলাকার বখাটে ছেলে ও বিকৃত চরিত্রের বন্ধু-বান্ধব কর্তৃক যৌন নির্যাতনের শিকার হতে দেখা যায়। এসব নির্যাতনের বিষয় শিশুরা কারও কাছে ব্যক্ত করতে পারে না। আবার অনেকে সহ্য করতে পারে না বিধায় এ পাপের গ্লানি থেকে নিজেকে রক্ষা করতে আত্মহননের পথকে যুক্তিযুক্ত মনে করে। এভাবে অকালে ঝরে যায় অসংখ্য কিশোরীর প্রাণ। হয়ে যায় অসংখ্য স্বপ্নের সমাধি। আর এ নির্যাতনের হোতারা বীরদর্পে সমাজে ঘুরে বেড়ায় যেন তাদের শাস্তি প্রদান তো দূরের কথা তাদের প্রতি চোখ তুলে তাকানোর সৎ সাহস কারও নেই।
জিনা, ব্যভিচার ও যৌনাচার ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে যেমন বড় পাপ তদ্রুপ সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকেও মারাত্মক অন্যায়। যাকে সমাজের পরিভাষায় সাধারণত অসামাজিক কাজ বলে ব্যক্ত করা হয়। প্রাপ্তবয়স্ক লোকদের ব্যভিচার যেমন বর্জনীয় তেমনিই অপ্রাপ্ত বয়স্ক তথা শিশুদের সঙ্গে ব্যভিচার ও যৌন নির্যাতন কঠিনভাবে দমন করতে হবে। যৌনাচার একটি ইসলাম নিষিদ্ধ কাজ। এ ব্যাপারে আল্লাহ্তাআলা পবিত্র কোরআনে এরশাদ করেন, 'তোমরা ব্যভিচারের কাছেও যেও না। নিশ্চয়ই এটি অশ্লীল কাজ এবং মন্দ পথ।' সূরা বনি ইসরাইল-৩২
অত্র আয়াতের মাধ্যমে ব্যভিচারের সুযোগ ও সূত্রপাত ঘটানোর সব পথকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এ আয়াতে পরোক্ষভাবে যৌন উদ্দীপক বাক্যালাপ, অশ্লীল ভিডিও ফিল্ম দর্শন, যৌন উস্কানিমূলক পোশাক পরিধান, অশ্লীল উপন্যাস পাঠ ও ইসলামে যাদের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ নিষিদ্ধ তাদের সঙ্গে খোশালাপে রত হওয়াকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আমরা যদি একটু গভীরভাবে চিন্তা করি তাহলে দেখতে পাই ব্যভিচার ও যৌন নির্যাতনের ক্ষেত্রে এর কোনো একটি অবশ্যই দায়ী। তাই আমাদেরকে যৌন নির্যাতন বন্ধ করতে হলে উপরোক্ত বিষয়গুলোকে সুপরিকল্পিতভাবে কৌশলে বন্ধ করতে হবে। এ হীন কর্মের কুফলগুলো সমাজের সব শ্রেণীর মানুষের সামনে স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে হবে। তাহলে আশা করা যায় যৌন নির্যাতন ধীরে ধীরে লোপ পাবে।
২|
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১২:০১
বিপ্লব কান্তি বলেছেন: আপনার পোষ্টের প্রথমদিকের লাইন গুলো শুক্রবারের জামায়েতের সময় এক হুজুরের কাছ থেকে শুনেছিলাম , দ্বিন ইসলামের অনেককেই এসব সমাজ দ্রোহী কথা নিয়ে আস্ক করলে উনারা বলেন এগুলো মোল্লাদের কাজ, এসব কথা এভাবেই নয় , ইত্যাদি বলে বলে মোল্লাদের উপর দোষ চাপিয়ে মানবতার ধর্মের রং লাগানোর চেষ্টা করেন ।
আসলে এমনই সব , কথাগুলো এমনই, ওরা বাটপার যারা মোল্লাদের উপর দোষ চাপায় । মোল্লারা সত্য কথা বলে ইসলাম বিষয়ে , ধাপ্পাবাজি করে যারা মানবতার লাইনে ধর্মটাকে নিয়ে আসতে চায় ।
মুহাম্মদকে রাজনীতিবিদ বা কুটিল কূটনীতিবিদ হিসেবে মান্য করি । উনি কোন ধর্মের প্রচারক নন , ধর্ম প্রচারকরা সারা মানবজাতিকে অবিশ্বাস করতে পারে না । উনি এমন একটি এলাকায় রাজনীতি করেছিলেন যেখানে হানাহানি-অন্ধকারই ছিলো সব । উনাকে অনেক কিছুই করতে হয়েছে , এসব দমন করা জন্য , অনেক চতুরতার আশ্রয় নিতে হয়েছে । অসভ্য নেংটা আরবদের একটি সমাজে উনি নিয়ে এসেছিলেন , কিন্তু উনি সফল নয় , কারন এই অসভ্যরা সারা বিশ্বৃ পরে আবার অরাজকতা সৃষ্টি করেছে এখন ও করছে , আত্নঘাতী হামলাকারী মানেই মুহাম্মদের মতের লোক ।
খেয়াল করুন , আমাদের দৃষ্টি আকর্যন করা মুহাম্মদকে কত বড় অসত্য ও বর্বর কথা বলতে হয়েছে, উনাকে বলতে হয়েছে, প্রত্যেকেই জন্মের সময় মুসলমান থাকে, পরে সে তার পিতা মাতার খারাপ ধর্মের দিকে চলে যায়, দোষ পুরোটাই পিতামাতার ।
দোষ মুহাম্মদের নয় , আরবদের উপর নিজের আধিপত্য বিস্তারের জন্য উনাকে এমন কিছু করতে হয়েছে যার জন্য পরে পুরো মানবজাতিকে ধ্বংস হতে হচ্ছে । পৃথিবীর ধ্বংসের জন্য দায়ী হতে পারে উনার এসব কথা , পৃথীবিতে ৩য় বিশ্বযুদ্ধ হতে পারে উনার এসব কথার জন্য ।
আর আপনি এসব কথা ব্লগে লিখলেন কিভাবে , প্রত্যেকেরই একটা লজ্জাস্হান থাকে , লজ্ঝাস্হান পশুরা ঢেকে রাখে না, মানুষ কাপড় করে ঢেকে রাখে । এখানেই মানুষ ও পশুর একটি পার্থক্য ।
অশ্লিল বা ধ্বংসাত্নক যা অন্যের উপরে আঘাত করতে পারে , তা কি অনেক লোকের সামনে বলা উচিত !!!!
৩|
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১২:১২
একটু বর্ষা... বলেছেন: @ বিপ্লব কান্তি , শুক্রবারের জামায়েতে গেছিলা , মানে তুমি মালু শ্রেনীর না , তুমি হলা মুনাফিক .
৪|
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১২:২০
বিপ্লব কান্তি বলেছেন: @ একটু বর্ষা .... মাইকে শোনা যায় । আপনি না জানতে পারেন , কারন আপনি অন্ধকারের পথিক ।
কোন যুক্তি থাকলে আপনি বলতে পারেন , আপনি যতই ধর্মীয় গালি (মালাউন, কাফের, মুনাফিক) আমার প্রতি বলবেন ততই আপনার বিশ্বাসের অন্ধকারের আবহ ফুটে উঠবে । এটা বুঝতে কতদিন লাগবে বলতে পারেন ? একদিকে আমরা সন্ত্রাসী নয় বলবেন অন্যদিকে সন্ত্রাস করবেন , ধর্মিয় গালি দিবেন তা কি হয় ?
মালাউন - কাফের - মুনাফিক দ্বারা আপনি কি বুঝেন ? আপনি যদি এদেরকে অস্বীকার করেন এবং গালি (মালাউন - কাফের - মুনাফিক)দেন তাহলে তাদের অবিস্কার গুলোকে স্কিপ করছেন না কেনো ?
আপনি কি মনে করে যে এখন বিশ্বটা এক পাড়ার বা গোত্রের অন্যকে অস্বীকার করে চলতে পারবেন এক ঘন্টা !!
৫|
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১২:২২
এক্স বলেছেন: দোষ মুহাম্মদের নয় , আরবদের উপর নিজের আধিপত্য বিস্তারের জন্য উনাকে এমন কিছু করতে হয়েছে যার জন্য পরে পুরো মানবজাতিকে ধ্বংস হতে হচ্ছে । পৃথিবীর ধ্বংসের জন্য দায়ী হতে পারে উনার এসব কথা , পৃথীবিতে ৩য় বিশ্বযুদ্ধ হতে পারে উনার এসব কথার জন্য ।
...জ্বী ভাইয়া, প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ করল খেরেস্টান আর ইয়াহুদীরা, নিউক্লিয়ার বোমা মেরে ২টি শহর ধ্বংস করল গনতান্ত্রিক আমেরিকা, লক্ষ লক্ষ লোককে হত্যা করল হিটলার, লক্ষ লক্ষ লোককে না খাইয়ে মারল স্টালিন আর এখন আপনার কাছ থেকে শুনতে হচ্ছে ইসলামের বাণী নাকী বিশ্বে ৩য় বিশ্বযুদ্ধ তৈরি করে লক্ষ লক্ষ লোককে হত্যা করবে. তা আগের বিশ্বযুদ্ধ গুলি যারা করসে তাদের উদ্দেশ্যে কোন বাণী খয়রাত করলেন না? পৃথিবীর ইতিহাসের ২০০ বছর আগে যান দেখুন কারা নিজেদের মধ্যে ফিতনা করে বিশ্বকে ধ্বংস করতে চাইছে... দেখুন কারা নিউক্লিয়ার ওয়ারফেয়ার করে সমগ্র বিশ্বকে ১০০ বার ধ্বংসের ক্ষমতা রাখে তারপর বলবেন এইসব কথা.
প্রতিটা কথার পেছনেই যুক্তি থাকতে হয়, আপনার কথায় কোন ভাবেই যুক্তি খুঁজে পেলাম না.
৬|
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১২:৩৪
রোবট ভিশন বলেছেন: @লেখক, আপনার লেখার টাইটেল এর সাথে প্রথম প্যারা অপ্রাসঙ্গিক, পরের প্যারা গুলো ঠিক আছে, যেকোন অবস্থায় এইটা প্রযোজ্য।
@বিপ্লব কান্তি, লেখক একটু নিজের লেখাটিকে উন্নত করতে যেয়ে বিভিন্ন যায়গা থেকে আহোরিত জ্ঞান সন্নেবেশিত করতে যেয়ে একটু সামান্য অপ্রাস্নগিক হয়ে গেছে। তাই বলে, আপনি যে ঝান্ডা হাতে জিহাদী জোশে ঝাপিয়ে পড়লেন তার কি হবে? আপ্নিও আপনার আলোচনায় খুব বেশি অপ্রাংগিক বিষয় নিয়ে আরো অপ্রাসঙ্গিক ঝড় তুলে গেলেন। এইসব ঝড় তুলা তুলি বাদ দিয়ে আসেন আমরা সবাই ভালো মানুষ হয়। কোন ধর্ম নিয়ে বা কোন ব্যক্তি কে নিয়ে সরাসরি কটাক্ষ করা সুরুচির পরিচয় নয়। ধন্যবাদ।
৭|
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১২:৪৮
রোবট ভিশন বলেছেন: আমাদের সকলেরি উচিত অন্য ধর্ম, মত কে শ্রদ্ধার দৃষ্টিতে দেখা... নিচের ভিডিও টা দেখতে পারেনঃ
Click This Link
৮|
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১২:৪৯
বিপ্লব কান্তি বলেছেন: @ এক্স .. ধন্যবাদ আপনার সুন্দর কথার জন্য , কারন যারা ইসলামের এসব কথাকে প্রটেক্ট করতে বা বিতর্ক করতে আসেন তারা প্রথমেই নিজের সন্ত্রাসী পরিচয় দিয়ে শুরু করেন
আপনার কমেন্ট তেমন নয় ।
ধর্মের এসব কথার জন্য ক্ষতি তো হয়েছেই অনেক , পুরো মধ্যযুগ চলে গেছে এসব নিয়ে যুদ্ধ করতে করতে , ইন্ডিয়ান সাবে ও হয়েছে ।
তবে চিন্তা করুন পোষ্টে বলে আলোচ্য সত্য কথাগুলো যেগুলো মুহাম্মদ বলেছেন ।
ধরলাম ... আপনি মুসলিম ... তাহলে আপনাকে বিশ্বাস করতে হচ্ছে আমি হিন্দু বা অমুক খ্রিষ্টান তাই সে মানুষই না , আমি দোজখে যাবো, বা আপনার মতের ছাড়া অন্যরা দোজখে যাবে , ধ্বংস হবে
এখন চিন্তা করুন .... এই দোজখ যাত্রী অমানুষ আমি বা খ্রীষ্টানরা , যাদের সাথে আপনার লেনদেন চলছে , আপনি তার সেবা ও আবিস্কার গ্রহন করছেন , আপনার কোন কিছু সে ।
ধর্ম বিশ্বাস থাকে হৃদয়ে , উপরোক্ত জাতীয় কথা যখন আপনার হৃদয়ে তখন সে নেগেটিভ মার্ক'ড । আপনি হৃদয় দিয়ে একজন লাইন (হিন্দু বা খ্ড়িষ্টান) ছাড়া'র কোন কিছু গ্রহন করা কি সম্ভব ?
ঘটনা বিশেষ গুড ফিলিং হচ্ছে না কিন্তু শুধু এই জাতীয় কথার দ্বারা ,
যারা আরেকটু আগ্রাসী তারা বোমা হামলা করছে , এই জাতীয় কথার দ্বারা ইমপ্রেসড হয়ে , আমাদের পাকিস্হান যেতে হবে না , বাংলাদেশের ২০০৪ এর আশেপাশের সময়কার কয়েকটি দলের কথা চিন্তা করুন , যারা ৪০০ স্পটে একসাথে হামলা করেছিলো ।
আর বিশ্বযুদ্ধ , ২০০১ থেকে কি কোন যুদ্ধে চলছে না !!!!! এর জন্য কি বাংলাদেশের মত গরীব দেশের লোকজনের বিদেশ যাওয়া কমে নি ? ইরাকে হচ্ছে না , আফগানে হচ্ছে না , পাকিস্হানে হচ্ছে না !!!!! বাকি কোথায় থাকলো ।
আমি তো বিশ্বাস করি ২০০১ সালের আমেরিকার ঘটনা না ঘটলে বাংলাদেশের অনেক ছেলে ইউরোপে যেতে পারতো , এর পরেই তো সব কড়াকাড়ি শুরু হলো ।
চলছে কিন্তু
৯|
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৯:১০
বিপ্লব কান্তি বলেছেন: @ রোবট .... আপনার শেষের কথাটি বেশ সুন্দর .... মানবিকতা ----- ভালো মানুষ হওয়া ইত্যাদি , ইত্যবসরে অনেকেই আলোচনার কথাটির মত অনেক কথা বিশ্বাস করেন , আমি মনে করি তাদের আপনার বলা লাইনে আসতে হলে বিশ্বাসকে ত্যাগ করে আসতে হবে , না হলে পারবেন না ।
-----------------------
আরেকটি কথা , এই লেখাটি কিন্তু এই ব্লগ লেখকের নয় , বাংলাদেশে প্রতিদিন নামক একটি পত্রিকায় আজকের সংখ্যায় ধানমন্ডির একটি মসজিদের খতিব ২ য় পৃষ্টায় এই লেখাটি লিখেছেন , এই ব্লগ লেখক সেই লেখাটির কপি পেষ্ট করেছেন মাত্র ,
©somewhere in net ltd.
১|
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ১১:২৩
পাঠ পক্রিয়া বলেছেন: আগ্রাসনে কে বেশি শক্তিশালী
Click This Link