নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

দুর্গমগুরু কান্তারমোরো দুস্তর পারাবার ...

হ্যারিয়ার-৩

নাই

হ্যারিয়ার-৩ › বিস্তারিত পোস্টঃ

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ ভারত ও শার্কভুক্ত দেশগুলো সম্মনিত ভাবে কাজ করা উচিত

১৪ ই অক্টোবর, ২০১৩ সকাল ১০:৪৮

ডিজাষ্টার ম্যনেজমেন্টে বাংলাদেশ পৃথিবির অন্যতম সফল দেশ। তবে ভারতও এবার ব্যপক সফলতা দেখিয়েছে। ১৯৯৯ সালের ‘সুপার সাইক্লোন’-এ প্রায় ১০ হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটেছিল। এবারের ফাইলিন ঘূর্ণিঝড়টিও ওই সুপার সাইক্লোনের চেয়ে কোনো অংশে কম ছিল না। তবে সে রকম প্রাণহানির ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না ঘটে, সে জন্য সচেষ্ট ছিল ভারতের জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ। এবারে মাত্র ২৩ জন মারা যায়।

জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ, ভারত ও শার্কভুক্ত দেশগুলো সম্মনিত ভাবে কাজ করা উচিত।



ঘূর্ণিঝড় ফাইলিনের প্রভাবে বাতাসের গতিবেগ এবং ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা ব্যাপক হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছিলেন বিদেশি আবহাওয়াবিদেরা। তবে ভারতের আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাসে তার চেয়ে অপেক্ষাকৃত কম বাতাসের গতিবেগ ও ক্ষয়ক্ষতির কথা বলা হয়। শেষ পর্যন্ত ভারতীয় বিশেষজ্ঞদের কথাই ঠিক হয়েছে।

ভারতের জাতীয় আবহাওয়া দপ্তরের মহাপরিচালক এল এস রাঠোর গতকাল রোববার বলেন, ‘তাঁরা (বিদেশিরা) অতিরঞ্জিত সতর্কবাণী জারি করছিলেন। তবে আমরা এর বিরোধিতা করে আসছিলাম।’

মার্কিন নৌবাহিনীর যৌথ ঘূর্ণিঝড় সতর্ক কেন্দ্র (JTWC), যুক্তরাজ্যের আবহাওয়া অফিস এবং লন্ডনভিত্তিক ট্রপিক্যাল স্টর্ম রিস্ক-এর মতো অনেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ‘ফাইলিনকে’ ‘সুপার সাইক্লোন’ হিসেবে মূল্যায়ন করে। JTWC পূর্বাভাস দেয়, ঘণ্টায় বাতাসের গতিবেগ ৩১৫ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

তবে ভারতের আবহাওয়া দপ্তর শুরু থেকেই বলে আসছিল, এর গতিবেগ ঘণ্টায় কমবেশি ২২০ কিলোমিটার হতে পারে, যা সুপার সাইক্লোনের মাত্রার একধাপ নিচে।

শেষ পর্যন্ত দেখা গেছে, ঝড়টির বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ২০০ থেকে ২১০ কিলোমিটার।

ভারতীয় আবহাওয়া দপ্তর পূর্বাভাসে তিন মিটার উঁচু সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাস হতে পারে বলে জানালেও কিছুসংখ্যক বিদেশি বিশেষজ্ঞ বলেছিলেন, এটা ছয় মিটার উঁচু হতে পারে। ফাইলিন উপকূলে দৃশ্যত তিন থেকে সাড়ে তিন মিটার উঁচু সামুদ্রিক ঢেউয়ের সৃষ্টি করে।



১৪ বছরের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘ফাইলিন’ ওডিশা ও অন্ধ্র প্রদেশ রাজ্যে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে। যদিও যথাযথ পূর্বপ্রস্তুতি থাকায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে একেবারে সীমিত সংখ্যায়। এতে নিহতের সংখ্যা ২৩ বলে দেশটির গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে।তিন থেকে সাড়ে তিন মিটার উঁচু সামুদ্রিক ঢেউ নিয়ে শনিবার ভারতের বঙ্গোপসাগরের উপকূলবর্তী এলাকায় আছড়ে পড়ে ফাইলিন। এর কিছু আগে থেকেই ঝোড়ো বাতাসের প্রভাবে গাছপালা উপড়ে পড়ে ওই অঞ্চলে। গাছচাপা পড়ে ও দেয়াল ধসে ওডিশায় সাতজনের মৃত্যু হয়।

এর আগে ১৯৯৯ সালের ‘সুপার সাইক্লোন’-এ প্রায় ১০ হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটেছিল। এবারের ফাইলিন ঘূর্ণিঝড়টিও ওই সুপার সাইক্লোনের চেয়ে কোনো অংশে কম ছিল না। তবে সে রকম প্রাণহানির ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না ঘটে, সে জন্য সচেষ্ট ছিল ভারতের জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ। ফাইলিন আঘাত হানার আগেই উপকূলীয় অঞ্চল থেকে আট লাখের বেশি লোককে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়। সংখ্যার বিচারে এটা ভারতে দুর্যোগের সময় মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার সবচেয়ে বড় ঘটনা।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.