| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
তোমাদের পানে চাহিয়া বন্ধু আর আমি জাগিবনা কোলাহল করি সারা দিনমান, কারো ধ্যান ভাঙ্গিবনা।
১
আব্বুর কাছে আব্দারটা কি দুরাগ্রহের মত শোনাবে ? চিন্তাটা আমাকে কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে , কিন্তু চিরাচরিত স্বভাব বদলে শখের কথাটা আব্বুকে বলা হল না । বলা হলো না আমার মানিব্যাগের শখের কথা , যেটা পেলে আমার জীবনের রংটাই বদলে যেত ।
বয়সটা তখন বড়জোর ৭ । মানিব্যাগের শখ মাথাচাড়া দিলেও , মানিব্যাগ ভরার মত মাল-মসল্লার যথেষ্ট অভাব ছিল। আব্বু নিজে থেকে মাঝে মাঝে যে টাকা দিত , মানিব্যাগে ঢুকার অবকাশ পাবার আগেই চুইংগাম বা ললিপপের ফরমায়েশ দিতে গিয়ে, সে টাকার জীবনাবসান হয়ে যাবার কথা হলফ করে বলতে পারি । তাই বলে টাকার শ্রাদ্ধ কখনো করিনি , নিজে থেকে টাকা চাওয়ার সেই ইতস্তত ভাবটাও পরবর্তীতে আর কখনোই কাটেনি ।
২
মাঝে অনেকগুলো দিন গড়িয়ে গেছে , বুকে চেপে থাকা মানিব্যাগ শখের শেলটা তখনও বোল হয়ে ফোটেনি । ৯৫ সালের কোন একদিন আমার চাচা সিংগাপুর থেকে ফিরলেন । অন্যের লাগেজ তন্ন তন্ন করে দেখার আগ্রহ পাইনি কখনো , কিন্তু লাগেজের ফাঁক গলে মানিব্যাগটা যখন মেঝেতে পড়ে গেল , চোখ আমার না এড়িয়ে পারলো না।
এমন আহামরি কিছু না , রেক্সিনের তৈরি সাধাসিধে একটা মানিব্যাগ । কিন্তু প্রেমিকের চোখে সাধারণ অসাধারণ হয়ে ধরা দেয় , এক দেখাতেই প্রেমে পড়ে গেলাম ।১২ বছরের মুখচোরা স্বভাবটা মিনিট খানেকের জন্য সমাহিত করলাম ,ভালো লাগার কথাটা গোলায় ভরে মুখের ট্রিগার চাপলাম । মিসফায়ারটা আমায় যেন দু'হাত ভরে দিলো
হাসিমুখে চাচা মানিব্যাগটা আমায় দিয়ে দিলেন ।
৩
মানিব্যাগ পেলেও মানিব্যাগ আবাদ করার মত পর্যাপ্ত নোট আর কয়েন আমার ছিলনা । তারপরও আড়ালে আবডালে মানিব্যাগ ব্যবহারের কসরত চলছিল পুরোদমে।আমার দৈনিক মজুরি তখন ২০ টাকা , রামপুরা টু মতিঝিল স্কুলে যাওয়া আসায় যার একটি টাকাও অবশিষ্ট থাকে না । ভোরবেলায় ২০ টাকায় বুনে দেয়া মানিব্যাগ , সূর্য পশ্চিমদিকে হেলে পড়ার আগেই শুন্যতায় খাঁ খাঁ করত।
একে তো শূন্য মানিব্যাগের হাহাকার , তার উপর এই বয়সে মানিব্যাগ ব্যবহার পাকনামো কিনা , এমন সাত পাঁচ ভেবে মানিব্যাগ ব্যবহার বন্ধ করে দিলাম । সেই থেকে বছর খানেক মানিব্যাগের অস্থায়ী আবাস হলো আমার বুকশেলফের উপরের তাকে ।
৪
বছরখানেক পরের ঘটনা , একদিন সন্ধ্যায় টেবিলে খুব সুন্দর একটা ভিজিটিং কার্ডের দেখা পেলাম । শখ জন্ম হতে কতক্ষণ , আমারও শখ হল ভিজিটিং কার্ডের । সে রাতেই উপায়ও বের করে ফেললাম ।
মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভদের দেয়া ওষুধের গুণাগুণ সম্বলিত প্রসপেক্টাসের শক্ত কাগজ থেকে ব্লেড দিয়ে মাপমত কেটে নিলাম ।ছাপার অক্ষরে নিজের নাম দেখার সুযোগ সময় খুব বেশি মিলতো না।আগের বছর বৃত্তি পরীক্ষায় ভালো করায় কোথায় যেন আমার নামসহ ছবি ছাপা হয়েছিল ।দুই কপির মাঝে একটি সংগোপনে সরিয়ে নিয়ে , সাবধানে আমার ছবি আর নাম কেটে নিলাম । ছোট কার্ডের উপর গাম দিয়ে সেটা সেঁটে নিলাম । তারপর মানিব্যাগের ট্রান্সপারেন্ট চেম্বারে সেটা ঢুকিয়ে রাখলাম । সেই আমার প্রথম ছাপার
হরফে লেখা ভিজিটিং কার্ড , দুর্লভ পেনি ব্ল্যাক স্ট্যাম্পের মতই যার একটা মাত্র কপিই ধরাধামে ছিল।
৫
৯৭ সালে চিটাগাং বেড়াতে যাবার প্রাক্কালে অবশেষে মানিব্যাগটা কাজে আসলো । দু'মাস ধরে রিক্সা ভাড়া থেকে প্রতিদিন ২/১ টাকা জমিয়ে মানিব্যাগে রাখতাম । একসময় ৭২ টাকার বিরাট সম্বলসহ মানিব্যাগটা আমার সাইড পকেটে করে চিটাগাংয়ের উদ্দেশ্যে যাত্রা করলো । ঢাকায় পকেট থেকে মানিব্যাগ বের করতে সবসময় মন খুঁতখুঁত করত , সেটা কাটলো চিটাগাং গিয়ে । আমার ছোটভাই আর তার সমবয়সী কাজিনকে,আগ্রাবাদে খালার বাসার পেছনের হোটেলে পরোটা স্পন্সর শেষে বীরদর্পে মানিব্যাগ খুলে বিল শোধ করলাম ।এসএসসির আগে পর্যন্ত আর্থিক অবস্থার বিশেষ উন্নতি হয়নি বিধায় "চিটাগাং মিশন" এর পর মানিব্যাগটা আবার শেলফ নির্বাসনে ফিরে গেল ।
৬
তারও ৩/৪ বছর পরের কথা ,আমি তখন কলেজ স্টুডেন্ট । শেলফে যত্নে রাখা মানিব্যাগটা তখনও ঝকঝকে রয়ে গেছে ।কলেজজীবনে নরমাল কাপড়ের প্যান্ট পড়তে শুরু করলাম , মানিব্যাগ ঢুকালে কেমন যেন টিউমার টিউমার একটা ভাব চলে আসে , এই অজুহাতে মানিব্যাগটা শেলফ থেকে নেমেও আবার স্বস্থানে ফিরে গেল ।
৭
ভার্সিটিতে উঠার পর আবার পুরোদমে জিন্সের প্যান্ট পড়া শুরু করলাম । জিন্সের প্যান্টের পকেটে হাঁসফাঁস করা মানিব্যাগের চাপে আমার নিজেরই ভীষণ অস্বস্তি লাগতো । মানিব্যাগ ব্যবহার করা এক সময় বাদ দিলাম ।
আমার টাকা রাখার কায়দাটা সে সময় থেকেই বেশ অদ্ভূত । মানিব্যাগ ব্যবহার করি না বলেই হয়তো , কখনও আমার কাছে থাকা টাকার সঠিক পরিমাণ বলার সাধ্য আমার নেই , কেউ জানতে চাইলে কাছাকাছি একটা ধারণা দিতে পারি ।
জিন্সের প্যান্টের আঁটসাঁট পকেট থেকে টাকা বের করতে আমাকে বেশ কসরত করতে হয় । যখন বেশি টাকা দরকার হয় , মাইকেল মধুসুদনীয় কায়দায় পকেটে খাবলা দিয়ে এক মুঠো টাকা বের করি , দশ-পঞ্চাশ-একশ টাকার নোটগুলো দলা পাকিয়ে একসাথে বের হয়ে আসে । অল্প টাকা দরকার হলে পকেটে হাত ঢুকিয়ে স্পর্শানুভূতি কাজে লাগিয়ে টাকা সনাক্ত করার চেষ্টা করি । এমন করতে গিয়ে মলিন পাতলা অনেক দু'টাকার নোট বেঘোরে প্রাণ হারায় , কখনো বা দু'টাকা বের করতে গিয়ে বাই-প্রোডাক্ট হিসেবে ১০০ টাকার নোট অনাহুত হয়ে হাতের সাথে সেঁটে গিয়ে বের হয়ে পড়ে ।১০০ টাকার নোটটা যখন হাতের তালুতে লেগে বের হয় , তখন সেটা হয় বিব্রতকর , আর হাতের উল্টো পিঠে লেগে বের হলে সেটা হয় বিপর্যয় । আম্মুর বারংবার মনে করিয়ে দেয়া সত্ত্বেও টাকা হারিয়ে ফেলার বিপর্যয় এড়াতে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি ।
৮
চাকরিতে ঢুকার অফিস থেকে আমাকে কয়েকটি বক্স ভরে ভিজিটিং কার্ড দেয়া হল , কিন্তু মানিব্যাগ সাথে থাকে না বলে সে কার্ডের আর হাত বদল হয় না ।৭ মাস পর চাকরিটা ছেড়ে দিই , আমার দু'শতাধিক বিজনেস কার্ড আকস্মিকভাবে পিতৃহারা হয়ে পড়ে ।চাকরি করে পকেটে কিঞ্চিত মুদ্রাস্ফীতিও অনুভব করি । পকেট মাঝের টাকার দলায় ১০/৫০ টাকার সাথে ইদানিং ৫০০ টাকাও এসে যোগ দেয় । হাতে খানিক বড় আর আর পায়ে একধরণের মচমচে অনুভূতি, ৫০০ টাকা সনাক্ত করার প্রয়োজনে নিজেই সূত্র বানিয়ে নিই ।
৯
ট্র্যাফিক জ্যাম এড়াতে অফিস শেষে ইদানিং বাসায় খানিক দেরী করে ফিরি । পরশুদিনও তার ব্যতিক্রম হয়নি । ৮:৩০ এ অফিস থেকে বের হওয়ার পর গুলশান-১ এ এক দেখা এক বন্ধুর সাথে ,দু'মাস আগেও এরিকসনে যার সাথে একসাথে কাজ করে এসেছি । পায়ে মচমচে অনুভূতির জোরে তাকে একরকম জোর করেই রেস্টুরেন্টে টেনে নিয়ে যাই । খাওয়া দাওয়া শেষে বিলটা বেশ স্বাস্থ্যবান হয়ে উঠে । পকেটে হাত দিতেই মাথাটা চক্কর দিয়ে উঠে ,৫০০ মচমচে অনুভূতির বদলে বিশাল শূন্যতায় ০০০০ অনুভূতি হয়। দরদর করে ঘামি ,বন্ধুর ফেরার তাড়া বলে ,তাড়াহুড়া করে তোতলামো মেশানো ফর্মালিটি করে বন্ধুকে একরকম জোর করেই বিদায় করি ।
সময় কম ,গুলশানের অফিসপাড়া খালি হয়ে গেছে । কুইক ব্রেনস্টর্মিং করি ।খালি হাতে অফিসে এসেছি,ডেবিট কার্ড ব্যাগে।অফিস থেকে বের হয়ে আসার সময় আমার বন্ধুকে একা দেখে এসেছি । রাত ৯ টায় তাকে পাবো না জেনেও ফোন দিই , ফোন যায় না । ব্যালেন্স চেক করে ২ পয়সার সন্ধান মেলে । হুড়োহুড়ি করে ফ্লেক্সিলোডের খোঁজ করি , দোকানের লোকেরা জানায় আশপাশে ফ্লেক্সিলোড করার কোন সুযোগ নেই ।ল্যান্ডফোন ব্যবহার করার সুযোগ দিয়ে একটা উপায় অবশ্য তারা করে দেন । অবিশ্বাস্যভাবে বন্ধুকে অফিসে পেয়ে যাই , মাত্র নাকি সে বেরিয়েছে । টাকাসহ বন্ধুকে নাভানা টাওয়ারের সামনে আসতে বলি ।
টাকা আনতে দোকান থেকে বের হবো , ক্যাশে বসা নিরীহদর্শন লোকটি ষন্ডামার্কা মুখভঙ্গি করে মোবাইল সেটটা জমা দিয়ে যেতে বলেন । সামান্য কটা টাকার জন্যও তারা আমাকে বিশ্বাস করতে রাজি না , তাদের দোষ দেই না , প্রতিদিনের অভিজ্ঞতায় দশবার প্রতারণার শিকার তারাও হয়তো হয়েছেন ।
প্রায় ১৫ মিনিট পর ঘামে জবজবে হয়ে ক্যাশ কাউন্টারে টাকা শোধ করে মোবাইল ফেরত নিই । ষন্ডামার্কা লোকটা টাকা পেয়ে নিজের নিরীহদর্শন ফিরিয়ে আনেন , আমাকে অবাক করে দিয়ে হঠাৎ ইংরেজিতে বলে উঠেন ...
"হ্যাভ অ্যা মানিব্যাগ , হ্যাভ ইউর মানি ব্যাক "
যত্নে ঘুমিয়ে থাকা শেলফের মানিব্যাগটা বোধহয় এবার সত্যিই জাগবে
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:৫৬
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: আর কিছু না হোক , আপনার দোয়ার বলেই যেন এটার দিকে কারও নজর না পড়ে ।
চমৎকার কমেন্টটার জন্য মানবী আপুকে ধন্যবাদ
২|
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:১৬
রোবোট বলেছেন: হুমম মানিব্যাগ থাকলে সেটা শুদ্ধ যেত। আমার গেছে জনাব। আমি পরবাসে আসার পর মানিব্যাগ ইউজ করা শিখেছি। এখানে বলে ওয়ালেট।
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৪
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: ছিনতাই কারী ধরলে আমার টাকা পয়সার এমন ছন্নছাড়া অবস্থা দেখে সত্যি অবাক হত ।
মানিব্যাগে ওদের সুবিধে হয়
ওয়ালেট , হমমমম
৩|
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:১৯
বিডি আইডল বলেছেন: হ্যাভ অ্যা মানিব্যাগ , হ্যাভ ইউর মানি ব্যাক
ভিজিটিং কার্ডের গল্পটা পড়ে ছেলেবেলার কথা মনে পড়ে গেল..পত্রিকায় আ্যড দেখে এক কোম্পানীর কাছে চিঠি লিখেছিলাম কার্ড ছাপানোর খরচ জানতে..বেশ কয়েকদিন পর বড় একটা খাম এলো আমার কাছে..খুব খুশী হয়ে খুলে দেখি রির্টান মেল..প্রাপক পাওয়া যায় নি ![]()
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৬
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: হমমম , মুরোদ ছিল
৪|
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:২২
দূরন্ত বলেছেন: ঘটনাগুলো খুব মজার তো।
ভালো লাগলো।
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৮
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: ধন্যবাদ , দুরন্ত
৫|
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:৪৪
মুক্ত মানব বলেছেন: মানিব্যাগ সাথে থাকলে অনেক সুবিধা, না থাকলেও।
কোনটা যে আসল ভালো আল্লা মালুম। বিদেশে , পশ্চিম মুলুকে চাবীর রিংয়ের মধ্যে ঢুকিরে রাখার মাপের ছোট্ট ক্রেডিক কার্ড- ডেবিট কার্ড এসব আছে। আইডিয়াটা হলো, হয় কেউ বাসার বাইরে যাবার সময় মানিব্যাগ নিতে ভুলে যাবে , নয়তো চাবীর রিং নিতে। দুটেোর একটাও না নিয়ে বেরুবে এমন মানুষের সংখ্যা কম। এটাতো গ্যালো টাকা-পয়সার ব্যাকাপ। কিন্তু চাবীর ব্যাক-আপ। তারও উপায় আছে।
বেসিক দু'তিনটি চাবী'র কপি (ঘরের, গাড়ীর, অফিসের ডেস্ক ড্রয়ারের)
মানিব্যাগে রেখে দিলেই হলো। সূত্র সেই আদি এবং অক্বত্রিম: একটা নিতে মানষ ভুলে যেতে পারে, দুটোই নিতে ভুলে যাবার সম্ভাবনা (আশন্কা) সত্যিই খুব কম।
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৫
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: খুবই সত্যি কথা , সম্ভাবনার সূত্রও তাই বলে ।
আপনার কমেন্টগুলো সবসময় এত চমৎকার হয় , আপনার কমেন্টের একটা সংকলন করে ফেলতাম সুযোগ থাকলে ![]()
৬|
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১০:০৬
সাইফুর বলেছেন: আগ্রাবাদ..আমার এলাকা
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:৪০
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: চৌমুহনী হাড্ডি কোম্পানী চেনেন ? যে সময়টার কথা বলছি তখন ওখানে ছিল
পরে নাসিরাবাদ
এখন হালিশহর এ ব্লক(??) এ পার্মানেন্ট
৭|
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১০:২১
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন: এত্ত দারুণ একটা লেখা..........
খুব খুব ভালো হয়েছে মেহরাব।
মানিব্যাগ যে খুব প্রত্যাশিত একটা ব্যাপার...আমার বড় ছেলেকে দেখে বুঝতে পারছি...........
তাকে একটা মানিব্যাগ দিয়েছি ২ বছর আগে.......।স্কুল এ নিতো না কিন্তু হেলথ কার্ড,সোশ্যাল ইনশিওরেন্স কার্ড এবং ডেট চলে যাওয়া কিছু পরিত্যক্ত ক্রেডিট কার্ড রেখে দিতো......।
আর মাঝে মাঝে নাড়তো চাড়তো।
এবার হাইস্কুলে যাচ্ছে সে।
এখন তার পকেট মানি রাখে।বাস পাস রাখে।
মাঝে মাঝে টাকার দরকার হলে জানতে চায় আমাদের টাকা লাগবে কি না। মজাই লাগে।
অনেক ভালো লাগলো মেহরাব লেখাটা।
অনেক শুভকামনা।
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৯
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: মুগ্ধ হয়ে আপনার কমেন্টটা পড়লাম।
সেই বয়সের অনুভূতিটা এত সুন্দর করে এঁকে দিলেন , ছোঁয়া পেলাম সেই দিনগুলোর ।
শুভকামনা আপনার জন্য , আর নতুন মানিব্যাগধারী সবার জন্য ![]()
৮|
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১০:৩৯
েজবীন বলেছেন: মানিব্যাগ উপাখ্যান পড়লাম এই প্রথম..........
পোষ্টের আইডিয়াটা মজার, আর ভিজিটিং কার্ডেরটা বুদ্ধিটা দারুন লেগেছে
লেখাটা ভাল লাগল
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:০০
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ।
ভিজিটিং কার্ডের সেই প্যাশন কিন্তু চলে গেছে , তাই না ? আগে ম্যাগাজিন থেকে অ্যালফাবেট কেটে কেটে নিজের নাম বানাতো অনেকেই ।
এখন প্রিন্ট করা ডাল ভাত হয়ে গেছে
৯|
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১০:৫৩
মাইনাস এইটিন_পন্ডিত বলেছেন: চমৎকার।
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:৪৮
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ
১০|
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:০৩
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন: ভাই, আপনি বুয়েটে কোন ব্যাচ?
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:৪৬
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: ০২ , তুমি ?
কোন হল ?
১১|
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:৩৯
নুশেরা বলেছেন: চমৎকার! চকবাজারের সেই ইফতারির এতদিন পর আরেকটা দারুণ লেখা পড়ার সুযোগ করে দেয়ার জন্য মেহরাবকে ধন্যবাদ।
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:৪৪
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: অনেকগুলো ধন্যবাদ নুশেরা আপুর পাওনা থাকবে ।
সেদিন যখন বললেন , কোন লেখা পাচ্ছি না অ-নে-ক-দি-ন
তারপর থেকে কিছুমিছু একটা লেখার তাগাদা তৈরি হল । কি লিখি , কি লিখি , কত প্লট হারিয়ে যে গেল ।
শেষের ট্রাজিক প্যারাটা শুধু মাথায় ছিল , বাকিটা স্মৃতি খুঁড়ে বের করলাম
১২|
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:৪১
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন: আমি ০৫, শেরে বাংলা হল.......
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৭
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: তুহিন কে চেনো ? ব্লগে লিখে ।
সীমান্ত অথবা রাজী ...... আমার রুমমেট
১৩|
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৭
তেপান্তের মাঠ পেরিয়ে বলেছেন: মেহরাব কেমনে এত সুন্দর করে লিখিস?
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:১৬
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: হঠাৎ লিখসি , একদম হঠাৎ করে ব্ল্যাংক মাথায় । আমার মনে হল কি সব আব-জাব লিখলাম । যাক স্বস্তি
১৪|
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:০৩
মাহবুব সুমন বলেছেন:
আমার ওয়ালেটে শুধুই কার্ড, একটা টাকাও নাই ![]()
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:০৬
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: বুঝতে পারছি যে আপনি পাত্তিওয়ালা মানুষ , সবখানেই আপনার টাকা ![]()
অফ: পিচ্চির নাম রেখেছেন ?
১৫|
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:০৮
রাখাল ছেলে বলেছেন: রশিদ হলে কি থাকতেন নাকি?
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:১৭
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: হ্যাঁ , বেশ অনেকদিন থেকেছি । সাউথ ব্লক , সেকেন্ড ফ্লোর ।
আপনি ?
১৬|
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:১০
চিকনমিয়া বলেছেন: আমি মানি বেগে টাকা রাকিনা![]()
খেক খেক খেক![]()
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:১৫
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: তো , কুনহানে রাখেন বইল্যা দেন
চিকন মিয়া , বাজারের বেল্ট ব্যবহার করে আপনি প্যান্ট পড়তে পারেন তো?
টাকা না রাখাই ভালো , আপনার ঢিলেঢালা প্যান্টের পকেট থেকে শিওর মানিব্যাগ পইড়া যাইতো ![]()
১৭|
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:১৩
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
আহারে ! বেচারা মানিব্যাগ ! বেচারা মেহরাব ![]()
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:২৯
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: শিপন ভাই , ১ টাকা নিয়ে আরেকটা কাহিনী হয়েছিল ৫ বছর আগে । ওটা শুনলে হাসির বদলে সবার কান্না আসতো ![]()
১৮|
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:১৯
রাখাল ছেলে বলেছেন: আমি ত ৩০১২ তে আছি
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:২৮
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: বল কি ? একদম আমার রুম ঘেঁষে । ৩০১১ তে আমি । সেলিম আছে এখন ?
তুহিনের বিদায়ের সময় আসবো
১৯|
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:৪০
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন: সে কোন ব্যাচ?? আমি ২০৯এ থাকি.......
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:১৭
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: তুহিন ট্রিপল ই ,রাজী সিএসই .... ০৫ ব্যাচ
২০|
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:২২
নির্ঝরিনী বলেছেন: চমৎকার লেখা! ভালো লাগলো।
মানিব্যাগটা বোধহয় এবার সত্যিই জাগবে- জেগে উঠুক মানিব্যাগটা।
শুভেচ্ছা থাকলো।
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:১৮
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: জেগে উঠুক ......
শুভেচ্ছা আপনাকেও ।
২১|
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:৪৮
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: মানিব্যাগ মনে হয় সব ছেলের জীবনেই কিছু কাহিনী করে পয়দা হয়...কিছুটা আড়ষ্টতা দিয়ে শুরু হয়...বিরক্তি নিয়ে চলতে থাকে...শেষ কেমনে হয় জানি না, শেষ হলে বলে যাব।
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:৩০
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: কথাগুলো খুবই সত্য , বরং বলা যায় আমার কাহিনীটা নিতান্ত মামুলি ।
মানিব্যাগ ছিনতাই নিয়ে যেমন কাহিনী আছে , তেমনি আছে মানিব্যাগে কারও ছবি রাখা নিয়ে টানাপোড়েনের গল্প , কিংবা মানিব্যাগের টাকা নিয়ে সংগ্রামের গল্প।
ধন্যবাদ
২২|
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৫
ফারহান দাউদ বলেছেন: জীবনেও মানিব্যাগ ব্যবহার করি নাই,করার শখ হইসে এমনও না,টাকা রাখি পকেট স্কুলব্যাগ সব মিলায়া,কারণ খালি ভয় লাগে যে পকেট থেকে পড়ে যাবে। তবে কাজের কাজ হয় মানিব্যাগ না থাকায় টাকা শেষ না হইলে কখনো বুঝি না যে টাকা নাই,কতবার যে পোলাপানের কাছ থেকে ধার নেয়া লাগসে![]()
ভিজিটিং কার্ড? এই এক দুঃখ মনে করায়া দিলা,আমারে কোথাও ভিজিটিং কার্ড দেয় নাই,পোলাপান যখন ভাব নিয়া কার্ড দেয় আমি খালি চায়া চায়া দেখি![]()
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:১৫
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: আমার অবস্থাও আলাদা না , এর সুফলও পাই হঠাৎ । যেমন ব্যাগের পকেটে আগে মাঝে মাঝেই ৫০/৬০ টাকা আবিষ্কার হত (তার মানে আমার খেয়ালই থাকতো না)। কিন্তু টাকা শেষ হয়ে যাচ্ছে কিনা সে ব্যাপারে আমি সবসময় চোখ কান খোলা রাখি । শেষ মুহূর্তগুলোতে এক পকেটে সার্চ করে হয় না , এক যোগে পাঁচ পকেটে সার্চ চালাতে হয় ।
কার্ড না থাকা খারাপ না , আমরা এখনও পিচ্চি পোলাপাইন । আমাদের কার্ড কেউ চায় ও না , নিজে থেকে দিলেও ফেলে দেয় ![]()
যেমন তুমিও চাও নাই আমারটা । গতকাল অনেকগুলো নিয়ে গেলাম , কিন্তু কাউকে দেয়া হল না । মনে হচ্ছে চাকরি আসবে , যাবে , কিন্তু সব কার্ড রবে অক্ষয়
২৩|
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:০৪
এম্নিতেই বলেছেন: ভাল হৈসে টো লেখাটা!!! ![]()
আহারে!!! @ ফারহান ![]()
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:২৩
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: থ্যাংকস রকি ভাই ![]()
২৪|
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৪
মদন বলেছেন: এত্তো সুন্দর লেখেন কেমনে?
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৫২
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: লজ্জা দিলেন ।
অনেক ধন্যবাদ
২৫|
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৭
শিট সুজি বলেছেন: বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র পকেটে নিয়ে কাকরাইল গেলাম কয়েক বন্ধু মিলে আই ইউ টি'র ফর্ম জমা দিতে । ফর্ম জমা দিয়ে প্রবেশপত্র সমেত ফাইল টা সেখানে রেখে আসি । বাসায় এসে ও টের পাই নি। অনেক রাতে দেখি এই অবস্থা । তখন আমার অবস্থা ....
পরের দিন কাকরাইল যাব । জনশক্তি অফিসের সামনে রিকশা থেকে নেমে দেখি পকেট ফাকা । আমার সাধের মানি ব্যাগ নাই। মানিব্যগ এ কিছু টাকার সাথে আমার ক্যাডের কলেজের সৃতিময় আই ডি কার্ড টাও ছিল।
তারপর শাহবাগ পর্যন্ত হেটে আসা লাগলো । বাসের হেল্পার সাহেব কে বিনম্র বদনে মানিব্যাগের ঘটনা বলায় সে আমার ৮ টাকা ভাড়া মাফ করে দিল।
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৫৮
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: প্রবেশপত্র উদ্ধার হল কি করে ?
একটু আগেই কমেন্টে লিখলাম , মানিব্যাগ হারিয়ে যাওয়া অনেকের হৃদয়ে গভীর ক্ষত রেখে যায় , তোমার আইডি কার্ড হারানোর কথা শুনে সেটাই মনে পড়ে গেল
লোকাল বাসের ভাড়া কালেক্টররা এই একটি বেলায় অনেক উদার এখনো । কেউ বিপদে পড়লে তারা নিরাশ করেন না । ![]()
২৬|
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৮
শিট সুজি বলেছেন: ক্যাডের = ক্যাডেট
২৭|
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:৫১
অপ্সরা বলেছেন: ম্যানিব্যাগ ভালোবাসা ও স্মতি।+
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:০২
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: স্মৃতি হোক অমলিন , ভালোবাসা চিরদিন
কৃতজ্ঞতা
২৮|
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৭
কালপুরুষ বলেছেন: আগে পড়া হয়নি। এখন পড়লাম। চমৎকার হয়েছে লেখাটা। মনের অনুভূতিগুলোর এমন সহজ ও সাবলীল প্রকাশ ভাল লেখক ছাড়া এমন করে কেউ ফোটাতে পারেনা। আপনি আসলেই খুব ভাল লিখেন। মুগ্ধতা রেখে গেলাম আর লেখাটা প্রিয়তে নিয়ে গেলাম।
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:৫২
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ কালপুরুষদা
২৯|
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৭
সুরভিছায়া বলেছেন: এক নিঃশ্বাসে পড়ার মত লিখেছেন । ধন্যবাদ।
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:৪৯
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: কৃতজ্ঞতা আপনার কাছে
৩০|
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩০
ওয়ার হিরো বলেছেন: জয় গুরু
২৬ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৪৬
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন:
, চিনতে পারছি মনে হয়
৩১|
২৬ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:০২
একরামুল হক শামীম বলেছেন: "হ্যাভ অ্যা মানিব্যাগ , হ্যাভ ইউর মানি ব্যাক "
হা হা হা
মজার ব্যাপার হচ্ছে জীবনের অনেকটা বছর পর্যন্ত মানিব্যাগ ব্যবহার করিনি। চাকরীতে ঢুকে প্রথম মানিব্যাগ ব্যবহার শুরু করছি। ![]()
২৬ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১০:৪২
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: চাকরিতে ঢুকার পর পকেটে হীরা-জহরত রাখার জায়গা হচ্ছে না শামীম ভাইয়ের
![]()
৩২|
২৬ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১০:৪৭
বিহঙ্গ বলেছেন: মুক্ত মানবের সাথে আজকেই আপনার সুন্দর মননের তারিফ করছিলাম। এতো সুন্দর লিখার স্টাইল।
বাবা ,এখন কেমন আছেন?উনাকে সালাম জানাবেন।
২৬ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৭
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: মুক্তমানব এবং বিহংগদার মত পরিশীলিত মননের দু'জন ব্লগারের কাছে প্রশংসা পাওয়া নিঃসন্দেহে অনেক বড় পাওয়া , সে জন্য অনেক কৃতজ্ঞতা ।
আমার বাবার সুস্থতা কামনায় পাশে এসে দাঁড়ানোর জন্য ঋণী হয়ে থাকবো
আপনার সালাম পৌছে দেব
অনেক ভালো থাকবেন
৩৩|
২৬ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:১৭
বিবেক সত্যি বলেছেন: পকেটে থাকে পেনড্রাইভ, আইডিকার্ড, পয়সা আর টাকা
মানিব্যাগ অনেক বোঝা মনে হয় । একবার মনে হয় চেষ্টা করছিলাম বেশ কিছুদিন আগে । মানিয়ে নিতেপারিনি । নামাজের সময় যখন পকেট থেকে সম্পত্তিগুলো পড়ে যায় হঠাৎ করে,তখন একটু আফসোস লাগে.. ;-) এমনিতে ভালৈ আছি মানিব্যাগ ছাড়া ...
২৬ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:৪৮
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: আমিও সম্ভবত আরেকটি ব্যর্থতার ভবিষ্যৎ দেখতে পারছি । আরেকটা বড়সড় ধাক্কা মনে হয় দরকার আমার ।
পকেটে মানিব্যাগ না দেখে অনেকে তাদের বিস্ময় ঢেকে রাখতে পারেন না , সেটার জন্য হলেও ব্যবহার শুরু করলাম আজ থেকে , খুব কষ্ট হয়েছে ![]()
৩৪|
২৬ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৩
সাংবাদিক বলেছেন: 'সাংবাদিক' - মুক্ত মনের প্রতিচ্ছবি![]()
হাটি হাটি পা করে পথ চলতে শুরু করেছে নতুন গ্রুপ 'সাংবাদিক' এর। সুচিন্তিত মতামত প্রকাশকারী ব্লগারদের এই গ্রুপে স্বাগতম জানাই। আমাদের ডাকে সাড়া দিয়ে যরা ঐকবদ্ধ্য হয়েছে, তাদের জানাই অভিনন্দন ও ধন্যবাদ আমাদের সাথে থাকার জন্য। সত্যের পক্ষে অন্যায়ের বিরুদ্ধে কলম চালাতে আমরা দ্বিধাবোধ করি না। আমরা যা দেখি তাই লেখি কারণ আমাদের চোখ সবসময় প্রস্তুত সত্য উদঘাটনে আর আমাদের হাত সব সময় প্রস্তুত সত্য প্রকাশে। তো আর দেরী কেন? যদি হোন সাহসী সাংবাদিক, লেখক কিংবা সমমনা ব্যক্তি, তবে এক্ষুণিই ঐক্যবদ্ধ হোন আমাদের সাথে। সদস্যপদ গ্রহণ করুন আমরা তো আছিই আপনার সাথে। আর হ্যাঁ, আরেকটি শুভ সংবাদ হচ্ছে শীঘ্রই আত্মপ্রকাশ পাচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের নিউজ পোভাইডার সার্ভিস ইউকে বিডি নিউজ। ইতিমধ্যে এই কার্যক্রমে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বাংলাদেশী সাংবাদিকরা। এ ব্যাপারে আপনার মূল্যবান মন্তব্য ও পরামশ আমাদের কাম্য। আমাদের কাছে মেইল করুন : [email protected]
শুভ হোক আপনাদের প্রতিটি ক্ষণ।
সাংবাদিক গ্রুপের জন্য ক্লিক করুন : http://www.somewhereinblog.net/group/Sangbadik
৩৫|
২৬ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:৩৬
পুষ্প বলেছেন: লেখক বলেছেন: শিপন ভাই , ১ টাকা নিয়ে আরেকটা কাহিনী হয়েছিল ৫ বছর আগে । ওটা শুনলে হাসির বদলে সবার কান্না আসতো "
এই কাহিনীটা হোক নেক্সট পোষ্ট।
আপনিতো আবার একটা পোষ্ট দিয়ে ভুলে যান আরেকটা পোষ্ট দেবার কথা।
আর ২৪ তারিখের রাতের পার্টি নিয়েও একটা পোষ্ট হতে পারে।
আর এ লেখাটা যথারীতি অনবদ্য।পড়ে খুব ভাল লাগল।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:৪২
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: কথাটা খুবই সত্যি , আমি এত দেরী করি যে নিজেরই বিরক্ত লাগে , তারপর একসময় আর লিখতেই ইচ্ছা করে না ।
এই যেমন ,ঠিক এখন বৃষ্টি নিয়ে লেখা যেত , কিন্তু আলসেমি লাগছে । কাল সকালে বৃষ্টি ছেড়ে গিয়ে যখন ঝকঝকে রোদ উঠে যাবে , তখন চাইলেও বৃষ্টিবেলার গল্প বলতে পারবো না ।
অনেক ধন্যবাদ পুষ্প , পরের পোস্টটা দেয়ার সময় আপনাদের/তোমাদের কমেন্টটা মাথায় থাকবে ![]()
৩৬|
২৬ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৩৭
সীমান্ত আহমেদ বলেছেন: লেখাটা পড়ে আমার কিছু কথা বলার লোভ সামলাতে পারলাম না।
মানিব্যাগ প্রসঙ্গে বলি।আমি কস্মিৎকালেও মানিব্যাগ ব্যভার করি না।রিকসা ভাড়া দিতে গেলে পকেট হাতড়এ টাকা বের করা আর গোনার দৃশ্য অনেক রিকশাওয়ালাদের কাছে বিরাট হাসির খোরাক হয়েছে বহুবার।আর চাকরিতে থাকতে মাঝে মাঝেই বাইরে থেকে আসার পর যখন আইডি পকেট থেকে বের করেছি আমার পকেটের জীর্ন দুই টাকা পড়ে গেছে অনেকবার।অনেক কসরত করে কেউ দেখে না এমনভাবে পজিশন নিয়ে কুড়িয়ে নিয়েছি টাকাটা।
আর ভিসিটিং কার্ড ,আমার আগের চাকরির সব ভিজিটিং কার্ডই এখনো আমার আস্ত।জি আরই পরীক্ষার্থীরা কেউ ফ্ল্যাশ কার্ড বানাতে আলসেমি বোধ করলে আমার থেকে ওগুলো নিতে পারে।এই ব্যভার নেহত মন্দ হবে না।কী বল?
২৮ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:৪৬
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: আমি কিন্তু উল্টা , রিক্সাভাড়ার দলাটা বেশ ভাব নিয়ে পকেট থেকে বের করি । তারপর সুতা বাছার মত করে নোটগুলো বের করে আনতে থাকি ।
দিয়ে যেও , দুইবছর ধরেই তো ফ্ল্যাশকার্ড বানাই , বানাই করে দুনিয়া মাথায় তুললাম । জীবনেও বানাবো কিনা সন্দেহ
৩৭|
২৬ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:৫৬
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: অন্যরকম লেখা। ভালো লাগল আপনার স্মৃতিচারণ।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৫৮
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: ভালো লাগাটা আমার বড় পাওয়া
৩৮|
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:৪৭
কুম্ভকর্ণ বলেছেন: পিলাস। ভাল লেখা।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:১৭
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: থ্যাংকস মাহফুজ ভাই
আপনাকেও পিলাস
৩৯|
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ২:০৬
মুনিয়া বলেছেন: হুমম...
ভালো লাগল।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:১৬
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: হুমম ,
থ্যাংকস
কেমন আছেন ?
৪০|
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ২:২৭
রাহা বলেছেন: +......
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:১৪
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: ধন্যবাদ
৪১|
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:১৮
শিবলী বলেছেন: আহা, মানিব্যাগ আমিও ব্যাভার করি না। অহেতুক বোঝা মনে হয়।
মোবাইলটাও নিতে খুব কস্ট হয়,
আর হারানোর ভয়টা তো সবসময় তাড়া করে বেড়ায় ![]()
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:৩৪
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: ভয়টা এখন আমাকেও তাড়া করবে ।
মানিব্যাগের প্রথম দিনটি ভালো কাটেনি , টাকা বের করতে দেরি হওয়ায় বাস ফেল করতে বসেছিলাম
৪২|
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৪:১৮
রাশেদ বলেছেন: লেখাটা খুব ভালো লাগছে। মানিব্যাগ সেই মনে হয় ক্লাস সিক্স সেভেন থেকে ইউজ করতেছি। ঐটা ছাড়া বের হতে কেমন জানি অস্বস্তি লাগে। দরকার থাকুক আর নাই থাকুক, সাথেই থাকে। ![]()
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:২৬
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: ওয়ালেটের জন্য শুভকামনা ,
ভরে উঠুক টাকায় আর ছবিতে ![]()
থ্যাংকস
৪৩|
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১১
শিট সুজি বলেছেন: সীমান্ত আহমেদ ভাই মানিব্যাগ ব্যাবহার করুন আর নাই করুন তিনি একটা জিনিস নিয়মিত ভাবে ব্যাভার করেন । সেইটা হইল উনার স্কুল ব্যাগ । ক্লাশ করতে গেলে কিংবা ফুটবল মাঠে..। নিঃসন্দেহে আরো অনেক জায়গায়। অফিস করতে ও মনে হয় যায় ।
২৮ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৩৭
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: হেহেহেহেহ
![]()
নাহ , অফিসে ও খালি হাতে আসে । ও তো বেশির ভাগ সময় খালি হাতেই থাকে । বুয়েট ক্যাম্পাসে ওর হাত খালি থাকত !!!
৪৪|
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৬
বহুরূপী মহাজন বলেছেন: আমার ও মানিব্যাগটা অনেক পুরাতন। তবু মায়া কাটাতে পারি না। অনেকদিন আমার সাথে আছে- তাই নতুন মানিব্যাগ কিনতে মাঝে মাঝে ইচ্ছা করলেও এখনো সেই মায়াতেই পড়ে আছি।
২৮ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৩৯
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: অনেকের পকেটেই ছেঁড়া মানিব্যাগ দেখি , এটার মায়া কাটানো মনে হয় আসলেই কঠিন
৪৫|
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৬
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: গতকালই পড়ছি।ব্যাপক আইডিয়া।
চাকুরিজীবি হওয়ার পর থেকে মানিব্যাগ ইউজ করি।এর আগে ২/১ বার যে ছিলোনা, তা না কিন্তু কেমনে কেমনে গায়েব হয়ে যেতো।অবশ্য গায়েব হলেই বা কি! ভিতরটা থাকতো ফকফকা।
তয় সকাল বেলা অফিসে যাওয়ার সময় মানিব্যাগটা নিজ থেকেই কোথায় জানি ডুব মারে,,,,খুজতে খুজতে মেজাজ বয়েলিং টেম্পারেচারে পৌছানোর আগেই আবার ঠিক ভদ্রলোকের সাক্ষাৎ মেলে।
২৮ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৪২
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: ইশশ আপনার কমেন্ট পড়ে অপ্রাসঙ্গিক সেই অ্যাড টার কথা মনে পড়ে গেল ।
গ্রামীন ফোনের সেই অ্যাড । শাহেদকে তার বউ মানিব্যাগ খুঁজে দেয় প্রতিদিন । সে আশা অবশ্য নাই (দীর্ঘশ্বাস) ![]()
, আমি ব্যাগের পকেটে আজ মানিব্যাগ নিয়ে গিয়েছিলাম
৪৬|
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪২
মনির হাসান বলেছেন: মনটা ভাল কইরা দিলেন ... থ্যাংক্যু ...
২৮ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৩১
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: থ্যাংকস ,
আপনার গল্প পড়ে আসলাম , আমারও মনটা ভাল হয়ে গেল
৪৭|
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:০৭
মুনিয়া বলেছেন: এইতো আছি আরকি। আপনার বাবা কেমন আছেন এখন?
২৮ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৫০
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: ভালো আছে এখন ![]()
৪৮|
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:৫৪
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন: +।
একটি সাধারন অনুভূতিকে অসাধারন করার মত লেখক।
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২২
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ
অনেক দিন পর আপনাকে দেখলাম
৪৯|
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ২:২৪
শিট সুজি বলেছেন: "বুয়েট ক্যাম্পাসে ওর হাত খালি থাকত" - ভুল কথা ।
তার হাতে খাকী কালারের একটা খাতা থাকতো । সেই খাতা ভর্তি তার প্রিয় শিক্ষক ডঃ আমিনুল হক এর ক্লাশ নোট থাকত ।
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২২
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: আমিনুল হক !!!!
সেটা নিয়ে সীমান্তের ব্লগ লেখা উচিৎ
৫০|
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:৫০
মাহবুব সুমন বলেছেন: পাত্তির কোনো ব্যপার না।
ব্যপারটা হচ্ছে প্লাস্টিক মানি। সব জায়গাতে কার্ড ব্যবহার করা যায় বলে আর নিরাপদ ও সহজ হওয়াতে ক্যাশ রাখার দরকার হয় না। সামান্য কিছু অবশ্য রাখতে হয় কারন কিছু জায়গাতে কার্ড ব্যবহার করা যায় না। আমি এটাই বলতে চেয়েছিলাম।
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২১
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: হু , মাহবুব ভাই । আমি জাস্ট ফান করেছি আরকি , আপনি যেটা বুঝাতে চেয়েছেন ঠিক সেটাই বুঝেছি । বাইরে ক্যাশ টাকা মনে হয় খুব কম লোকই বহন করে , বাংলাদেশে এমন হলে পাত্তিওয়ালা বলা যেত , বাইরে না ![]()
৫১|
৩০ শে অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৫:৩২
ফারজানা মাহবুবা বলেছেন:
দারুন মানিব্যাগ কাহিনী!
৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৬:৩৫
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ
৫২|
৩০ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:০৬
পারভেজ বলেছেন: চমৎকার লেখনী মেহরাব।
মানিব্যাগ খুব একটা ভোগায়নি কখনো। একবার পিক পকেট হয়েছিল বাসে সেই স্কুলে থাকতে। ৮৮/৯০ দিকে ১৫ টাকায় ফুটপাথে খুব চমৎকার চামড়ার মানিব্যাগ পাওয়া যেত গ্রামের ছবি খোদাই করে। আমার খুব পছন্দের ছিল। ![]()
৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৬:৩৮
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: এখনকার চাইতে পুরনো সেই মানিব্যাগটাই বেশি টানে না ? অনেক পুরনো দিনের মানিব্যাগ-প্রেমী আপনি ।
ভালো থাকবেন
৫৩|
৩০ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:২১
ইলা বলেছেন: হায়রে ভালবাসা। মানিব্যাগ তুমি এতো মহিমান্বিত, সম্মানিত আগে বুঝিনি। আব্বা যখন ব্যবসা করতেন তখন টাকা রাখতেন কাপড়ের একটা থলেতে। আমি ওখান থেকে প্রায়ই টাকা চুরি করতাম, সর্বচ্চো ৫ টাকা। আর জমা করতাম বইয়ের পাতার চিপা চাপায়।
সাধারন ব্যাপারটি এমন অসম্ভব সুন্দর সাবলীলভাবে উপস্থাপন করেছেন। চমৎকার!
সোজা গোলায় তুলে রাখলাম।
৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৬:৩৭
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: চিপস কিনতে একবার চুরি করেছিলাম বেশ কিছু টাকা , ধরা খেয়ে মার ও খেতে হয়েছিল ")
কৃতজ্ঞ আমি , আপনার কাছে
৫৪|
৩০ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:০৮
কোলাহল বলেছেন: অনেক তুচ্ছ জিনিষও অনেক সময় মানুষের মুল্যবান মনোযোগ আকর্ষন করে নেয়। কেন এমন হয় তার কারন অবশ্য জানা নেই।পড়তে পড়তে পুরাতন অনেক কথা মনে পড়ে গেল।
ভাবছি একটা কাউন্টার পোস্ট দেয়া যায় কিনা !!
৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৬:৩৬
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: অধীর আগ্রহে গল্পের কোলাহল অংশটা শুনবার জন্য অপেক্ষা করছি ।
শুভেচ্ছা নেবেন
৫৫|
৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৬:৫৫
অ্যামাটার বলেছেন: হুমম...পড়িলাম...একখানা মানিব্যাগের খায়েশ আছে বৈকি, কিন্তু আভিভি বাবার হোটেলের বোর্ডার বিধায় ইহা কিঞ্চিৎ 'ঘোড়া রোগ' বলিয়া গণ্য হইতেছে, কেননা উহা থাকিলেই কি আর না থাকিলেই বা কি, তাহার অভ্যন্তরটা 'গড়ের মাঠ'-ই থাকিবে। পড়িয়া আনন্দিত হইলাম এবং একখানা ধণাত্বক রেটিং প্রদান করিলাম।
০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৫০
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: আজ যেটা শুন্য মাঠ ,কাল সেথায় টাকার পাল চড়ে বেড়াক ![]()
৫৬|
৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:০৮
চাঙ্কু বলেছেন: হ্যাভ অ্যা মানিব্যাগ , হ্যাভ ইউর মানি ব্যাক ।
চমৎকার লিখছেন ।
০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৪১
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: থ্যাংকস ![]()
৫৭|
৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:২২
নাজনীন খলিল বলেছেন:
সুন্দর লেখা। ভাল লাগল খুব। লেখকের জন্য শুভকামনা।
০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৩৯
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: আপনার ভাল লাগার কথা জেনে খুব খুশি হলাম
শুভেচ্ছা নেবেন
৫৮|
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৮
আকাশনীল বলেছেন: লেখাটা খুব ভাল লাগলো ![]()
ভাইয়া আপনি বুয়েটে কোন ডিপার্টমেন্ট ছিলেন?
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:১৭
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ ।
সিএসই তে ছিলাম , ০২ ব্যাচ
৫৯|
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:৩৬
রাশেদ বলেছেন: আর লেখা কই?
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:৪৮
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: লিখব রাশেদ ভাই ।
ব্লগে না আসা+ আলসেমি + ব্যস্ততা = লেখালেখি থেমে যাওয়া ।
তবে দুই একটা গুঁতা খাইলে হাবিজাবি কিছু একটা দিয়ে দেই হঠাৎ করে
৬০|
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:৫১
রাশেদ বলেছেন: হা হা! দিয়া দাও তাইলে। ![]()
৬১|
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:৫৭
কঁাকন বলেছেন: আরে জটিল
এই বিষয় নিয়ে এভাবে লিখা যায়!!!!!!!!!!!
ভালো থাকুন
১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৭
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: থ্যাংকস
৬২|
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:০৭
নিহন বলেছেন: খাইছে ............
১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৬
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: হাহা ,
হু , খাইসে
৬৩|
১৫ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৩১
ঊশৃংখল ঝড়কন্যা বলেছেন: অদ্ভুত সুন্দর উপস্থাপন !!! অসাধারন লেখেন ভাইয়া!
১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৬
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ , খুশি হলাম
৬৪|
০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৯
শিট সুজি বলেছেন: আ্পনার মানিব্যাগ তো অনীক্ষায় প্রকাশিত হইল।
০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৬
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: গতকাল মাত্র হাতে পেলাম ![]()
৬৫|
২০ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৩:৫৮
জনৈক আরাফাত বলেছেন:
বুঝছি, আপনার লেখা একদিন সময় করে পড়তে হবে! এখনও কী রামপুরা নিবাসী?
০৮ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১১:৪৬
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: হু এখনও , এত দেরীতে কমেন্টটা চোখে পড়লো আমার !!
৬৬|
০৪ ঠা জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৩১
হীরণ্ময় বলেছেন: ভাল বেশ ভাল লেগেছে ! +
০৪ ঠা জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:০৫
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ
৬৭|
০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:০৫
রিমি (স. ম.) বলেছেন: আবার পড়লাম। আমি তোমার শব্দচয়ন আর ভাষাব্যবহারের ভক্ত। সুখ দুঃখ মেশানো খুব সুন্দর বর্ণনা এই লেখাটা।
০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৩
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: ভীষণ অবাক করলে .....
গতকাল ঠিক এই লেখাটা নিয়ে একটা গল্প জন্ম নিল । আজ এখানে কমেন্ট করবে কেউ , দেখে আরেকবার অবাক হলাম ।
এই লেখাটা যখন লিখলাম , তার কিছুদিন আগে জুনিয়র ব্যাচের একজন বুয়েটের সিএসই ডে এর স্যুভেনিরে ছাপার জন্য একটা লেখা চাইল । কথা দিলাম , লেখা দেব । কিন্তু আমার লেখা কি সহজ কথা ? ২০ বার ভাবলে , একবার লিখি , কিছুতেই মন বসাতে পারি না । ডেডলাইনও পার হয়ে গেল , তার গুলশানের ঘটনাটা ঘটল । হঠাৎ লিখে ফেললাম হাবি জাবি কিছু , মেইল করে পাঠিয়েও দিলাম । তারপর জানলাম , লেখাটা সিএসই ডে'র স্যুভেনিরে ছাপা হয়েছে ।
কিছুদিন আগে যখন আত্মসমালোচনা লিখলাম , এক জুনিয়র এসে বলল , এতই খারাপ লেখেন যখন , ম্যাগাজিনে আপনার লেখা ছাপানো তো ভুল হল তাহলে । রিপ্লাইয়ে জানালাম যে , এই প্রথম কোথাও এত বড় পরিসরে লেখাটা ছাপল , কিন্তু আমি ম্যাগাজিনের মুখটাই দেখলাম না ।
পরশুর বুয়েট আড্ডায় , অবাক করে দিয়ে আমার দিকে ম্যাগাজিনটা এগিয়ে দিল ব্লগার মুক্ত বয়ান । বাসায় এনে ম্যাগাজিনটা খাটের উপর রেখেছি । কোন এক ফাঁকে মসজিদ থেকে নামাজ পড়ে আসার পর আম্মু ডাকল । পাশে বসিয়ে এটা সেটা বলে তারপর ম্যাগাজিনটা দেখিয়ে বলছে ..."এটা কি সিএসই ডে এর ম্যাগাজিন?"
আমি যে লিখি , এটা তো ঘূর্নাক্ষরেও কাউকে জানাই না । এবার ধরা খেয়ে কি যে লজ্জা লাগে । আম্মু বলল যে , আমার মনের এত কষ্ট কেন এতদিন বলিনি , আমি তখন কি করে যে বোঝাই , ভেবে পাই না । বারবার বললাম .... কোন কষ্ট নেই , লেখার জন্য লিখেছি । মায়েরা মায়েদের মতই , ১৫ বছর আগের দুঃখেই এত কাতর হয়ে গেছে
, কিছুতেই আম্মুকে বুঝাতে পারি না ।
শেষে জিজ্ঞেস করছে , আমি তাহলে মিথ্যে লিখেছি ? বললাম ..... না পুরোটাই সত্য , কিন্তু আম্মু তুমি তো জানো , আমি খানিক মুখ চোরা । তোমাদের একটা ফোটা দোষও নেই .......... তোমরা তো আমাকে টিফিনের পয়সা দিতে চাইতে জোর করে , আমিই তো বলতাম ....... লাগবে না , লাগবে না । আর আমার মাঝে সবকিছু গোপন রাখার একটা প্রবণতা ত আছেই , দেখ না এইসব লেখাও লুকিয়ে রেখেছি ??
মায়ের দুঃখ তাতেও কমে না , আব্বুকেও নাকি লেখাটা পড়াবে ।
![]()
আর গত একমাস সবসময় জোরাজুরি করছে ঈদের জন্য জামাকাপড় জুতো কিনে দেবে , গতকাল থেকে আরও বেড়ে গেছে (আমি যে চাকরি করি দেড় বছর , এটা বুঝানোরও মনে হয় কেউ নেই)
০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৫
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: এই লেখার কমেন্টগুলো আম্মুকে পড়াতে পারলে মনে হয় ভাল হত , কিন্তু তখন হয়ত আম্মু বলতে পারে , সারাদিন এইসব কর ?
থাক , গোপনই থাক ![]()
তোমাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ
৬৮|
০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:২২
রিমি (স. ম.) বলেছেন: তোমার লেখাগুলো গল্প গল্প।
তোমার তো লজ্জা বেশি। উনাকে পড়তে দিলে তুমি লজ্জায় কাদা হয়ে যেতে পার। ![]()
০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৬
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: সেটা খারাপ বলো নি (লজ্জার ইমোটিকন)
লজ্জার কারণ কত বিপদে যে পড়ি , কেউ কিছু বললে না করতে কষ্ট হয় । এরিকসনে একটা কোর্সের অনেকটা অংশে ছিল "কি করে না বলতে হয়" । সেখান থেকে যা একটু শিখেছি ।
লেখাগুলো গল্প , গল্প ? হতে পারে , লিখার সময় মাথায় থাকে না , নিজে থেকেই হয়ত একরকম হয়ে যায় । তবে এ জায়গাটায় কিন্তু একচ্ছত্র আধিপত্য তোমার । তোমার লেখাগুলো আগাগোড়া একটা সুরে বাঁধা থাকে । আমি মনে হয় এমন লেখাগুলো পছন্দ করি অনেক ।
ভাল লাগল আবার
৬৯|
০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৩৮
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন: আমি আজকে আবার পড়লাম ভাইয়া !
কেমন যেন "আহারে , আহারে..." টাইপ লাগলো, এটা নতুন !!!
আপনার লাস্ট কমেন্ট টাই একটা অসাধারন গল্প !
০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৩
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: হু , আমার মনে যে এত দুঃখ
, তাইনা ?
শেষ কমেন্টটা করব না করব না করেও বলেই ফেললাম ![]()
শুভেচ্ছা রইল
৭০|
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:২৭
রুদমী বলেছেন: তোমার ভিজিটিং কার্ড বানানোটা আমার সবচেয়ে বেশী ভালো লেগেছে। আছে নাকি কার্ডটা এখনো? বাকি ঘটনা গুলিও বেশ মজার। অনেক আগে একবার পড়েছিলাম।আবারো পড়ে বেশ ভালো লাগলো।
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৫৩
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: না কার্ডটা নেই । তবে এখন অনেক সত্যিকার ভিজিটিং কার্ড আছে , যেগুলো বক্সেই পড়ে থাকে , আমার সাথে থাকে না । কেন যেন এখন মনে হয় , আমার ভিজিটিং কার্ড গুলো এখনও অনেক গুরুত্বহীন ।
ধন্যবাদ আপনাকে
৭১|
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:০২
জাতি জানতে চায় বলেছেন: জটিললল লিখছেনতো!! আমার মানিব্যাগ যদি এইটা জানে তাইলে অখনি আপনের শেলফে গিয়া হাজির হবে!!!
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৫৬
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: কত টাকা আছে আপনার মানিব্যাগে ? ![]()
৭২|
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:০৫
রিমি (স. ম.) বলেছেন: তোমার ভাষ্য জানলাম, তোমার মানিব্যাগ প্রেমিকার জবান শুনতে ইচ্ছা হচ্ছে ।![]()
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৫৩
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: মানিব্যাগ বুঝি প্রেমিকার মত অতটা কমনীয় হবে না । পকেটে টাকা থাকলে কমনীয়তা হারিয়ে যায় ![]()
তবে , টাকাটা যেহেতু আমার , হয়ত আমার হয়েই কথা বলবে
৭৩|
২৮ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:০২
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন: অসাধারণ একটা লেখা, ডট গুলা কানেক্ট করার এত অসাধারণ এবং ঈর্ষণীয় দক্ষতা !
আর সুন্দর বর্ণনা তো বটেই...
অনেক অনেক প্লাস ভাইয়া ![]()
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:৫১
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ বাপ্পী ...
৭৪|
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:০৫
সুবিদ্ বলেছেন: এত আগের লেখা কিভাবে জানি চোখে পড়লো.......
বিশ্বাস করবেন কিনা জানিনা, আমি কিন্তু এ জীবনে কখনোই মানিব্যাগ ব্যবহার করিনাই আর কখনো জিন্সের প্যান্ট-ও পরিনাই.......
আমিও ভাবলে অবাক হয়ে যাই, নরমাল প্যান্ট পরেই হুটহাট বহু জায়গায় যাওয়া তো বটেই এমনকি কেউকারাডংয়েও চড়ে ফেলসি.......
০৩ রা মে, ২০১০ বিকাল ৫:০৯
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: আমার ইদানিংকালের প্যান্টগুলোর বেশিরভাগই জিন্স , কিন্তু নরমাল প্যান্ট পড়ে যে স্বস্তি পাওয়া যায় , তার একভাগও জিন্স পড়ে পাওয়া যাবে না (আজ অনেকদিন পর নরমাল প্যান্টে অফিস করছি) ।
মানিব্যাগের কথা আর না বলি , পেইন লাগে , এখনও ঠিকমত ইউজড টু হতে পারলাম না![]()
৭৫|
২৭ শে মে, ২০১২ দুপুর ১২:৩৫
কালা মনের ধলা মানুষ বলেছেন: হুম
©somewhere in net ltd.
১|
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:১৪
মানবী বলেছেন: 'মানিব্যাগে'র প্রতি এমন ভালোবাসা জড়ানো লেখা কেউ লিখতে পারে জানলে, স্বয়ং মানিব্যাগটিও পকেটমারের হাতে যেতে আপত্তি জানাবে!
:-)
পোস্টটি পড়ে ভালো লেগেছে, ধন্যবাদ মেহরাব শাহরিয়ার।