নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ধর্মে বিগ্যান, পাবলিক অজ্ঞান

মিলন মেলা

ধর্মপ্রান ব্যক্তিগন, মেলায় আসুন, বাঁশ খান।

মিলন মেলা › বিস্তারিত পোস্টঃ

ধর্মে বিগ্যান, ফলাফল বিনোদন

৩১ শে অক্টোবর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:১৭

ধর্ম যখন বিজ্ঞানময়, ধর্মের অবস্থা যে তখন কি হয়, তা অন্ধ ব্যতিতত সবারই দৃষ্ট হয়। চোখ থাকিতে অন্ধ মানুষের কথা ভিন্ন। ড. জাকির নায়েকের লেকচার শুনে ইদানিং ছোটবেলারর সেই শিক্ষকের একটা কথা খুবই মনে পরছে। উনি ছাত্রদের বেত্রাঘাত করতেন আর বলতেন, "জীবনে কত গাধাকে যে মানুষ করেছি, কিন্তু তোকে মানুষ বানাতে পারলাম না।" কথাটার অর্থ তখন বুঝতাম না, কিন্তু এখন বুঝি। গাধাকে পিটিয়ে হয়তো মানুষ করা যায়, কিন্তু চোখ থাকিতেও অন্ধ মানুষকে কোনদিনই মানুষ করা যায় না।

ড. জাকির নায়েক ধর্মকে বিজ্ঞানের সাথে কতই না সুন্দর ভাবে মিল করে যাচ্ছে। মজার বিষয় হল, বিজ্ঞান আর ধর্মের মূল ভিত্তিটা কি? খুবই সিম্পল উত্তর। ধর্ম দাঁড়িয়ে আছে আত্মা, পরমাত্মা, চরমাত্মা, সরমাত্মা, পরজগত, জান্নাত, জাহান্নাম, সুন্দরী সেক্সি হুরী আর লালপানির স্রোতসিনী নদী। যা পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের অতীত।
অপরপক্ষে বিজ্ঞানের মূল ভিত্তি এই ইদ্রিয় কর্তৃক অনুভূত জগত, জগতের নিয়ম শৃংখলা ব্যাখ্যা করন এবং প্রকৃতিকে করায়ত্ব করে নিজের কাজে ব্যবহার করা।

যেখানে বিজ্ঞান আর ধর্মের মূল ভিত্তিই একে অপরের বিপরীত, সেখানে বিজ্ঞান দিয়ে ধর্মের ধর্মের ব্যাখ্যা চলে কিরুপে? বিজ্ঞান কি পরকাল, আত্মা, পরমাত্মা এসবে বিশ্বাসী? কতিপর কিছু বিজ্ঞানী প্রচলিত লোভ ও ভয় দেখানো ধর্মে বিশ্বাসী হতে পারে, কিন্তু এতে কি ধর্মের সত্যতা প্রকাশ পায়?

কিন্তু জাকির নায়েক এথেকে কি প্রমান করতে চায়?
হা হা হা বিনুদুন কারে কয়, যদি পিচ টিভি সামনে রয়।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.