নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সরল বাংলায় লেখি

সকল ক্ষমতার উৎস একমাত্র মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ রব্বুল আ’লামীন

অনন্ত মহাকালযাত্রী

অনন্ত মহাকালযাত্রী › বিস্তারিত পোস্টঃ

আকাশ ভরা আলোর তারা

০৮ ই নভেম্বর, ২০১৩ বিকাল ৪:০৩

##############

(ইসলাম যুক্তিহীন ও দ্ব্যর্থহীনভাবে সত্য ধর্ম। তবু যারা নাস্তিকতায় বিশ্বাসী তাদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য, ইসলামের সত্যতা প্রমাণে একটি যুক্তি তুলে ধরছি।)

আর কোন ধর্ম নাই, আর কোন মতবাদ নাই, যাকে শেকড়সহ, স্বকীয়তাসহ, ইতিহাসসহ, ঐতিহ্যসহ, আসলরুপে টিকিয়ে রাখার জন্য এতজন মহামনীষী জন্ম নিয়েছেন এবং জীবন দিয়ে-যোগ্যতা দিয়ে তাকে স্বঅবস্থায় টিকিয়ে রেখেছেন।

একমাত্র ইসলাম ধর্মই এমন, যার জন্য যুগে-যুগে, শতাব্দীর মোড়ে-মোড়ে এমন এমন, এতএত মহামনীষী জন্ম নিয়েছেন যে, শুধু তাদের অতি সংক্ষিপ্ত জীবনীও যদি একসাথে গ্রন্থবদ্ধ করা হয়, তা শত ভলিওম ছাড়িয়ে যাবে ! বিশ্বের সবচেয়ে বিশাল বিশ্বকোষও এর তুলনায় অত্যান্ত খাটো মনে হবে।

এটা শুধুই দাবী নয় বরং বাস্তবতা !



হিজরী অষ্টম শতাব্দীতে জন্ম নেয়া হাফেয যাহাবী রহ. শুরু থেকে তার সময় পর্যন্ত যত মনীষী বিগত হয়েছেন, তাদের যারা অন্যতম শুধু তাদের সংক্ষিপ্ত জীবনী সংকলন করেছেন আরবী ভাষায়। যার নাম 'সিয়ারু আ'লা'মিন নুবালা'। ভাব অর্থ হল মহামনীষীদের জীবনচরিত।



এই গ্রন্থটি বর্তমানে মিশরের 'দারুল হাদীস' লাইব্রেরী থেকে ১৮ ভলিওমে ছেপে বের হয়েছে ! বলাবাহুল্য, আরবী ভাষা অত্যান্ত মর্মসমৃদ্ধ, অল্প শব্দে লুকিয়ে থাকে অনেক মর্ম ! তাই যুক্তি বলে, বাংলায় অনূদিত হলে এই গ্রন্থ ২৫ ভলিওম ছাড়িয়ে যাবে ! উল্লেখ্য যে, বাঙলাভাষার ইসলামী বিশ্বকোষ ২৫ ভলিওম এবং বাংলাদেশের ইতিহাস সমৃদ্ধ বাংলাপিডিয়া মাত্র ১০-১৫ ভলিওমে সীমাবদ্ধ।



এ অবস্থায় যদি বর্তমান শতাব্দী তথা হিজরী ১৫ শতাব্দী পর্যন্ত আগত মুসলিম মনীষীদের জীবন চরিত অতি সংক্ষিপ্ত আকারেও এতে জুড়ে দেয়া হয়, তাহলে কি তা ৪০-৫০ ভলিওম অতিক্রম করবে না !



এতো শুধু 'সিয়ারু আ'লা'মিন নুবালা' ! 'তাবাক্বাত', 'তারাজিম' 'তারীখ' ইত্যাদি শিরোনামের গ্রন্থগুলো, মু'জামুল বুলদান ইত্যাদি গ্রন্থ থেকে আরো অসংখ্য মনীষীর জীবনী পাওয়া যাবে, যা 'সিয়ারু আ'লা'মিন নুবালা' এ নাই। সেগুলোও যদি একত্র করা হয়, তাহলে তা কত ভলিওমে পৌছতে পারে !!



আর সবচেয়ে বড় চমক হল, মহানবী স. চৌদ্দশ বছর আগেই এই ভবিষ্যৎবাণী করে গিয়েছিলেন যে, এভাবে প্রতিযুগে অসংখ্য মহানায়কের জন্ম হতে থাকবে, যারা জীবন দিয়ে, যোগ্যতা দিয়ে ইসলামের উপকার করে যাবে ! অথচ,

আর কোন ব্যক্তি নাই, আর কোন নেতা নাই, যিনি এমন ভবিষ্যৎবাণী করার সাহস পেয়েছেন যে, তার পরে তার মতবাদকে টিকিয়ে রাখার জন্য আর কারো জন্ম হবে কিনা ! এবং বাস্তবেও এমন হয়নি !!



ইসলামের সত্যতা বোঝার জন্য এই ব্যক্তিদের দিকে তাকানোই যথেষ্ট !

তাই এদিকে আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করলাম। অন্তত ইমাম আবু হানিফা, আহমদ, বুখারী, মুসলিম, গাযালী, ইবনে তাইমিয়া, যাহাবী, আসকালানী, শাহ ওলীউল্লাহ, আশরাফ আলী থানভী এবং আনোয়ার শাহ কাশ্মিরী এদের কারো জীবন ও কর্ম অধ্যয়ন করে দেখুন ! আর মিলিয়ে দেখুন অনৈসলামী ঐসব ব্যক্তিদের জীবনের সাথে যাদেরকে আপনারা বড় মনে করেন !

আপনার বিবেকই বিবেচনা করবে কারা কতটুকু অগ্রসর !!

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.