| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ড্রেস
কোডের বৈধতা ও বহিষ্কারের
বিষয়ে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট,
বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কৃত
ইংরেজি বিভাগের স্নাতকের (সম্মান) ৭ম
সেমিস্টারের ছাত্রী হাফসা ইসলাম হাইকোর্টের
এনেক্স ভবনের ১৩ নম্বর কোর্টে ওই রিট করেছেন।
রিটে বিবাদী করা হয়েছে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের
ভিসি ড. আইনুন নিশাত, রেজিস্ট্রার ইসফাক
ইলাহী চৌধুরী, ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান
অধ্যাপক ফেরদৌসী আজিম, শিক্ষা মন্ত্রণালয়
(সচিব), বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের
চেয়ারম্যান সহ (ইউজিসি) আরেকজন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন
হাফসা ইসলামের আইনজীবী ব্যারিস্টার মাসুদ
বেগ। সমপ্রতি ওই রিটটি করা হয়। গত রোববার
আদালতে শুনানি হওয়ার কথা থাকলেও হয়নি।
গতকাল ওই রিটটি আদালতে আনা হলে আদালত কিছু
মতামত জানতে চায়। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের
ড্রেসকোড শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা ইউজিসির
অনুমোদিত নয়।
হাফসা ইসলাম হিজাব
পরে ক্লাসে আসায় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের
ড্রেসকোড অনুযায়ী পোশাক না পরায় ১২ই
সেপ্টেম্বর তাকে বহিষ্কার করা হয়।
বিষয়টি জানিয়ে ইউজিসিকে চিঠি দেয়া হলেও
কোন ব্যবস্থা নেয়নি কর্তৃপক্ষ।
উল্লেখ্য,
বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা কোন ধরনের
পোশাক পরবেন তা নিয়ে সরকারের কোন আইন
বা নীতিমালা নেই। কোন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ
নীতিমালা তৈরি করলে তা একান্তই নিজস্ব। হাফছার আইডি নম্বর ১১৩০৩০০১। বিশ্ববিদ্যালয়
কর্তৃপক্ষ ড্রেসকোডের দোহাই দিলেও গত
২২শে জানুয়ারি একটি নোটিশ
জারি করে ড্রেসকোড ও নিরাপত্তার
অজুহাতে ক্যাম্পাসে ছাত্রীদের বোরকা, নেকাব ও
হিজাব পরা নিষিদ্ধ করে বিশ্ববিদ্যালয়টি।
বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জারি করা ড্রেসকোড
সংক্রান্ত নোটিশেও হিজাব, বোরকা ও নেকাব
পরা যাবে না- এমন কিছু বলা হয়নি। এরপরও যেসব
ছাত্রী বোরকা, হিজাব ও নেকাব পরতেন তাদের
২৮শে মে শোকজ করা হয়। হাফসাকেও একই
দিনে শোকজ করা হয়। ৩রা জুনের মধ্যে হাফসার
কাছ থেকে জবাব চাওয়া হয়। হাফসা জবাব দিলেও
তা বিশ্ববিদ্যালয়ের পছন্দমতো হয়নি।
৩রা সেপ্টেম্বর হাফসাকে ফের শোকজ ও গত ১২ই
সেপ্টেম্বর হাফসাকে বহিষ্কার করা হয়। শনাক্তকরণ
সমস্যা ও নিরাপত্তা ঝুঁকিকে হিজাব নিষিদ্ধের
পক্ষে যুক্তি হিসেবে দেখিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টি।
হাফসার আইনজীবী ব্যারিস্টার মাসুদ বেগ বলেন,
বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্তটি সংবিধানের
আর্টিকেলে ৪১-এর সঙ্গে সাংঘর্ষিক। সংবিধানের
আর্টিকেল ৪১ এ ধর্মীয় স্বাধীনতা দেয়া হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ ধরনের সিদ্ধান্ত
নিতে পারে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের
বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আমরা ইউজিসিকে চিঠি দিয়েছিলাম।
কিন্তু তারা কোন ব্যবস্থা নেননি। তাই রিট
করা হয়েছে। ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক
একে আজাদ চৌধুরী বলেন, ড্রেসকোডের
বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব বিষয়।
আমরা এটা জানি না। তিনি বলেন,
ইউজিসিকে বিবাদী করা হয়ে থাকলে আমরা কোর্টের
কাছ থেকে সময় প্রার্থনা করবো। হাফসা ইসলামের
বহিষ্কারের বিষয়টি সংবাদপত্রে প্রকাশিত
হলে সমঝোতার চেষ্টা করে কর্তৃপক্ষ।
হাফসাকে ছাড় দিতে রাজি হলেও ড্রেসকোড
পরিবর্তনে অনীহা প্রকাশ করে ব্র্যাক
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু হাফসা ইসলাম
ব্র্যাকের সমঝোতায় রাজি হননি।
বিশ্ববিদ্যালয়
ভিসি ড. আইনুন নিশাত বলেন, তিনি রিটের
বিষয়টি জানেন না। মানব জমিন,
কওমী নারী এক্টিভিস্ট = Qawmee Women Activist
©somewhere in net ltd.