| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মহিউদ্দীন তালুকদার
আমি খুব সাধারন একজন মানুষ। স্বপ্ন বড় কিছু হওয়ার।মানুষকে খুব সহজে কাছে টানি।কেউ এক কদম আগালে আমি দু-কদম এগিয়ে যাই।একিইভাবে কেউ দূরে সরেগেলে আমিও দূরে সরে যায়।
বিলবোর্ডে যেভাবে বিবস্ত্র নারীর উত্তেজক ভঙ্গিমা চিত্রায়িত থাকে, তা দেখে
তাদেরকে মনস্তাত্ত্বিকভাবে ভোগ করে প্রতিটি সাধারণ মানুষ। এ মনস্তাত্ত্বিক
ভোগবাদী প্রবণতা অবশেষে তাকে পরিণত করে পশুবৎ লম্পটে। আর তা না পারলেও
নিদেনপক্ষে নারী টিজিংয়ে।
বলাবাহুল্য, বিবস্ত্রপ্রায় ও অশ্লীল ভঙ্গিমার নারী চিত্র প্রদর্শনকারী এসব
বিলবোর্ডগুলো নারী অধিকারও চরমভাবে ব্যাহত করছে। কারণ মনস্তাত্ত্বিকভাবে
বিলবোর্ডে চিত্রায়িত নারীদেহকে ভোগকারী পুরুষের মানসে থাকে ওইসব কথিত সুন্দরী।
কিন্তু বাস্তবে অপেক্ষাকৃত কম সুন্দরী স্ত্রীকে কাছে পেয়ে তখন অতৃপ্ত হয় পুরুষ
মন। তৈরি হয় অপছন্দ, তৈরি হয় অনাগ্রহ। সবসময় উন্মুখ প্রবণতা তৈরি হয় বিলবোর্ডে
দর্শিত অনুরূপ কোনো সুন্দরী নারীর সান্নিধ্য লাভের।
সবমিলিয়ে তৈরি হয় অবৈধ প্রবণতা তথা চরিত্রহীনতা। পরিণামে ঘরের স্ত্রী হয়
লাঞ্ছিত, পদদলিত এবং বঞ্চিত। ![]()
০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:১০
মহিউদ্দীন তালুকদার বলেছেন: ধন্যবাদ #হোয়াইট_টাইগার
২|
০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:৩১
গুলশান কিবরীয়া বলেছেন: আমি তো বলবো যে পুরুষের বিলবোর্ডে সুন্দরি নারী দেখে নিজের স্ত্রীকে অবহেলা করে তাদের মনের সুচিকিৎসা প্রয়োজন । এবং তাদের মধ্যে সুশিক্ষারও যথেষ্ট অভাব রয়েছে বলে আমি মনে করি ।
০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:৪৪
মহিউদ্দীন তালুকদার বলেছেন: হ্যাঁ তাতো অবশ্যই
৩|
০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৫:২৪
নীল সঞ্চিতা বলেছেন: দৃষ্টিকটূ বিলবোর্ড গুলোর উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা উচিত। কিছু কিছু বিলবোর্ড মানুষ এত হা করে গিলে খায় যে দেখে লজ্জা লাগে। কখনো কখনো পরিবারের পুরুষ সদস্যদের নিয়ে রাস্তায় বের হলে নিজের কাছেই অস্বঃস্তি লাগে।
০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:২০
মহিউদ্দীন তালুকদার বলেছেন: সকলের সচেতনাতাই পারে এ সমস্যা থেকে পরিত্রাণ দিতে।
৪|
০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৫:৩২
সুলতানা রহমান বলেছেন: এসব বিজ্ঞাপন গুলো ও তৈরি হয় পুরুষদের হাতে। মানসিক ভাবে উন্নত চরিত্রের না হলে বিলবোর্ড এইসব পুরুষদের ক্ষতি করতে পারে
০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:২১
মহিউদ্দীন তালুকদার বলেছেন: ঠিক বলেছেন।
৫|
০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৫:৩৭
নীলসাধু বলেছেন: পোষ্টের বক্তব্যে সহমত জানাই তবে আমাদের অধঃপতন শুধু এখানেই সীমাবদ্ধ নয়। আমরা জাতিগতভাবেই নীচে নামছি।
০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:২২
মহিউদ্দীন তালুকদার বলেছেন: ধন্যবাদ, ঠিক বলেছেন।
৬|
০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৫:৫৭
নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন: একই যাত্রায় ২ ফল কেন? অর্থের লোভে যে সব নারী বিলবোর্ডে উত্তেজক ভঙ্গিমায় চিত্রায়িত হয়ে থাকে তাদের কি
সাধুবাদ দেওয়া যাবে? তারাও কি সমা্ন দোষী নন!! যদি তারা অর্থের লোভ পরিহার করে দৃষ্টিকটূ বিলবোরর্ডের মডেল
হতে অস্বীকার করতো তা হলে হ্রাস পেত এই ধরণের বিজ্ঞাপন। সম্প্রতি একটি মোবাইল অপারেটরের টিভিসিতে দেখা যায়
কিছু কিশোরী ললনাদের অশালীন অঙ্গ ভঙ্গী যা কোনমতেই কাম্য হতে পারেন। তারা এই সকল দৃশ্যে অভিনয়ে অস্বীকৃতি জানালেই শুধু পুরুষদের দূর্ণাম মাথায় নিতে হতোনা। এই সকল চিত্রায়ন ও অশালীন বিলবোর্ড গুলোর উপর যেমন নিষেধাজ্ঞা জারি করা উচিত তেমনি সংশ্লিষ্টদের এতে মডেল হতে নিরুৎসাহিত করা উচিত। শুধু পুরুষের ঘাড়ে দ্বায় চাপানো যুক্তিযুক্ত নয়।
আমরা প্রতিনিয়ত ঠক প্রতারক, কোচিং, কবিরাজি, জ্যোতিষদের বিরুদ্ধে কলম ধরি, পত্রিকার পাতায় বিষোদ্গার করি অথচ তাদের বিজ্ঞাপনগুলি যখন পত্রিকাতে ফলাও করা ছাপা হয় তখন আমাদের নৈতিকতা কোথায় নিদ্রা যায়? পরকে উপদেশ দেবার আগে নিজেদের শোধরাতে হবে, তা হলেই কেবল এসকল অশ্লিলতা রোধ করা সম্ভব অন্যথায় নয়। প্রশ্ন বিড়ালের গলায় ঘণ্টাটি বাঁধবে কে?
০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:২৬
মহিউদ্দীন তালুকদার বলেছেন: আপনার গুরুত্বপূর্ণ মতামতের জন্য ধন্যবাদ, আমাদের সকলকে এই অপসংস্কৃতি রোধে এগিয়ে আসতে হবে।
৭|
০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:১২
গেম চেঞ্জার বলেছেন: আম্রা যে পচ্চিমা হই যাইতাসি সেইটা বুগাইতে হইবো না?
০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:২৭
মহিউদ্দীন তালুকদার বলেছেন: দুঃখডা দাদা এইহানে
©somewhere in net ltd.
১|
০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:৫৫
হোয়াইট টাইগার বলেছেন: সমর্থন