নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

\"Thus let me live, unseen, unknown/ Thus unlamented let me die/ Steal from the world and not a stone/ Tell where I lye \"

মলাসইলমুইনা

Reading maketh a full man; conference a ready man; and writing an exact man. **** -Sir Francis Bacon

মলাসইলমুইনা › বিস্তারিত পোস্টঃ

ডলফিন ও মানুষের সিমবায়োসিস (symbiosis) : ডলফিনের সাথে মানুষের মাছ ধরার সত্যিকার এক রূপকথা কাহিনী

০১ লা মার্চ, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫০


ফটো : লেগুনা, ব্রাজিল

সিমবায়োসিস (symbiosis) কথাটার সুনির্দিষ্ট অর্থ হলো দু’টো বায়োলজিকাল অর্গানিজমের মধ্যে দীর্ঘ মেয়াদি একটা নিবিড় সম্পর্ক যেখানে দুটি অর্গানিজম একটি আরেকটিকে সাহায্য করে আর এই সাহায্য দু'পক্ষের জন্যই ইতিবাচক বা সুবিধাজনক । সাধারণত আমাদের প্রাণিজগতে এই সিমবায়োসিস খুব একটা চোখে পরে না । ডারউইনের 'সারভাইভাল অফ দ্যা ফিটেস্ট' ধারণাটাই আসলে এই সিমবায়োসিসের বিপরীত ।কারণ এই ধারণা অনুসারে প্রতিযোগিতাময় বিশ্বে দুটো অর্গানিজমের মধ্যে যেটা টিকে থাকার জন্য সবচেয়ে বেশি দক্ষতা দেখতে পারবে সেটাই প্রাকৃতিক নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে টিকে থাকবে অন্যটি বিলুপ্ত হয়ে যাবে ।এখানে কোঅপারেশন বা সহযোগিতার কোনো বিষয় নেই । সাধারণ অর্থে এটাই সত্যি । যেমন বনে সিংহ হরিণ ধরে খেয়ে ফেলে নিজে বাঁচতে । বড় মাছ ছোট মাছকে খেয়ে ফেলে । বা ওই যে সুকান্তের মোরগটা ! রাজপ্রাসাদে ঢুকতে চাইতো একটু সুখের জন্য ।একদিন সে সত্যিই যেতে পারলো রাজপ্রাসাদে কিন্তু অতিথি হয়ে নয় রাজার খাদ্য সুস্বাদু রোস্ট হিসেবে। এগুলোর মধ্যে কোনো সিমবায়োসিসের ব্যাপার নেই ।এতে দুই পক্ষ সুবিধা পাচ্ছে না বরং একপক্ষের কারণে অন্য পক্ষ বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে । মানুষের সাথে অন্য প্রাণীর মধ্যেও এই ধরণের সিমবায়োসিসের উদাহরণ খুব বেশি দেওয়া যাবে না।ও আচ্ছা, দুই প্রজাতির মানুষের মধ্যে এই সিম্বায়োসিসের একটা উদাহরণ আমার হঠাৎ মনে হলো ।সেটা হলো আমাদের গত সরকার আর তার সরকারি বিরোধীদল ! অদ্ভুত একটা সংসদে সরকার আর তার সরকারি বিরোধী দল মিলে মিশে কি সুন্দর পাঁচ বছর শাসন কাজ চালালো !জানিনা এটা সিমবায়োসিসের কোনো উদাহরণ হলো কিনা কিন্তু এর চেয়ে চমকপ্রদ কোনো সিমবায়োসিসের কোনো উদাহরণ আপাতত এই হিংসা বিদ্বেষে পূর্ণ ধরাধামে আর মনে আসছে না । যাহোক, এই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ পৃথিবীতে আমাদের সময়ই ঘটে চলা রূপকথার এক সিমবায়োসিসের ঘটনা নিয়েই আজকের লেখা ।


ফটো: ভোর সকালে ডলফিনের জন্য প্রতীক্ষা

ব্রাজিল মানেই অনেকের কাছে শুধু রূপকথার মতো অবিশ্বাস্য সুন্দর সাম্বা নাচের মতো ছান্দসিক ফুটবল । পেলে থেকে শুরু করে জিকো, রোমারিও, রোনালদো থেকে হালের্ নেইমার - তাদের রূপকথা ফুটবলের সাম্বা ছন্দে পৃথিবী জুড়েই লাখো ভক্ত। সেই ব্রাজিলেরই দক্ষিণ উপকুল ছুঁয়ে যাওয়া আটলান্টিক তীরের ছোট শহর লেগুনা-র (Laguna) সাগরে এই দু’হাজার উনিশ সালেও বুঝি তাই সেই রূপকথার ছোয়া ! সাদার্ন ব্রাজিলের সান্তা ক্যাটরিনা (Santa Catarina) প্রদেশের ছোট শহর লেগুনা। এখনকার লেগুনা বলতে আসলে বোঝায় দুটো শহর। উজ্জ্বল রং ও আজুলিজো (azulejo) টাইল দিয়ে তৈরী ঘরবাড়ি দিয়ে সাজানো শহরের পুরোনো কলোনিয়াল অংশটুকু লেগুনের নামেই পরিচিত হয়েছিল।আটলান্টিকের তীর ঘেঁষে আধুনিক স্থাপত্যে গড়ে ওঠা শহরের আরেক অংশেরই দক্ষিণে ছোট বিচ টেসৌরা (Tesoura) ।আর এই ছোট টেসৌরা বিচেই ডলফিন ও মানুষের এক অসাধারণ সিমবায়োসিসের জন্ম হয়েছে। লেগুনার সাগর পারে এই টেসৌরা বিচেই একদল ডলফিন ঝাঁকে ঝাঁকে মাছ প্রায় তাড়িয়ে নিয়ে আসে সাগর থেকে ।


ফটো :তীরে ডলফিন এসেছে । দুই জেলে তাকিয়ে আছে জাল ফেলবার ইশারা পাবার অপেক্ষায়

তীরের কাছে হাটু জলে অপেক্ষমান জেলেরা সেই মাছের জন্য অপেক্ষা করে থাকে নির্দিষ্ট সময়ে। ডলফিনদের ইশারা পাবার সাথে সাথে জেলেরা জাল ফেলে I কয়েক ভাবে জেলেরা ডলফিনের এই ইশারা বুঝতে পারে। যেমন, তীরের মতো পিঠ বাকিয়ে (arched back) ডুব দেওয়া, পানীয়ে লেজ দিয়ে আঘাত করা, (পানি থেকে শূন্যে লাফিয়ে উঠে) মুখ নিচে পানীর দিকে দিয়ে ডুব দেওয়া, দ্রুত চলাচল করে পানিতে ঘূর্ণি সৃষ্টি করা ইত্যাদি। তীরের অস্বচ্ছ পানিতে কোথায় মাছের ঝাঁক সেটা বোঝা জেলেদের জন্য সম্ভব হয় না তাই ডলফিনের এই ইশারা খুব গুরুত্বপূর্ণ মাছ ধরার ব্যাপারে। এই ইশারা পাবার পরেই শুধু জেলেরা সাগর জলে জাল ফেলে । সেই জালে উঠে আসে ঝাঁকে ঝাঁকে রূপালী মুলেটসহ (Mullet) আরো অনেক মাছ। জাল থেকে ছুটে যাওয়া মাছগুলোকে ডলফিনরা আটকে রাখে যাতে তারা পালিয়ে না যেতে পারে বা মুখ দিয়ে ধাক্কা দিয়ে জালের দিকে ঠেলে দেয়।নির্দিষ্ট সময় ধরে ডলফিনরা এভাবেই মুলেটগুলোকে ঘিরে রাখে। তারপর তারা সাগরে ফিরে যায়। দেখা গেছে এই অঞ্চলের দেড়শো ডলফিনের মধ্যে প্রায় পঞ্চাশটা ডলফিন জেলেদের মাছ ধরতে সাহায্য করে। এই ডলফিনগুলো স্থানীয় জেলেদের কাছে পরিচিত ।এমনকি জেলেদের দেওয়া অনেক ডলফিনের নামও আছে যেমন 'এস্কুবি' (Scooby Doo -র পর্তুগিজ নাম), ফ্লিপি (ফ্লিপারের ব্রাজিলিয়ান নাম। ছোট বেলায় 'ফ্লিপার' নামের একটা ডলফিনকে নিয়ে তৈরী এই টিভি সিরিজটা আমরা খুব দেখতাম)!


ফটো : ডলফিন ঝাঁকে ঝাঁকে মূলেট নিয়ে এসেছে জেলেদের জন্য

ডলফিনের এই ব্যবহার আশ্চর্যজনক নানা কারণেই।কারণ সারা পৃথিবীরই কোস্ট লাইনজুড়ে অনেক জায়গাতেই ডলফিনের সাথে মানুষের সম্পর্ক প্রতিযোগিতার। কিছুদিন আগেইতো বাংলাদেশেইতো মনে হয় আটকে পড়া একটা নিরীহ ডলফিনকে মেরে ফেলেছিলো কিছু মানুষ (ব্লগে কেউ মনে হয় একটা পোস্টও দিয়েছিলো এই নিয়ে)। আমেরিকার মতো দেশেরও নানা জায়গাতেই নানা কারণেই ডলফিন হত্যা করা হয়। কিন্তু লেগুনার এই বিচে প্রায় একশো বছর ধরেই জেলেদের মাছ ধরতে এই ডলফিনরা সাহায্য করে আসছে নির্ভয়ে। কেউ অবশ্য সঠিক বলতে পারেনি ঠিক কবে থেকে বা ঠিক কেমন করে প্রথম ডলফিন আর মানুষের মাছ ধরার এই সহোযোগিতাটা শুরু হয়েছে । স্থানীয় জেলেদের মাছ ধরায় প্রায় একশো বছর ধরে ডলফিনদের এই সাহায্য করার মধ্যে আশ্চর্যজনক ব্যাপারটা হলো সব ডলফিন কিন্তু এই কাজে পার্টিসিপেট করে না ।একটা গ্রূপ এই কাজ করে । কিভাবে এই ডলফিনেরা তাদের শিশুদের এই কাজে ট্রেনিং দেয়, কেনই বা দেয় এই ব্যাপারটা এখনো মেরিন বায়োলোজিস্টরা ব্যাখ্যা করতে পারেননি।


ফটো: মাছ ধরা শেষে এবার ঘর ফেরার পালা -সাগরে ফিরে যাচ্ছে ডলফিনের ঝাঁক

এই চমকপ্রদ ঘটনাটা ব্রিটেনের বিখ্যাত দ্যা টাইমস, ডেইলি মেল, টেলিগ্রাফের মতো পেপার নিউজ করেছে। বিবিসি জেলেদের সাথে লেগুনার ডলফিনদের সিমবায়োসিসের এই অপার্থিব ঘটনা তাদের ল্যান্ডমার্ক ডকুমেন্টারি সিরিজ "Human Planet" -র এপিসোড করেছে । ডকুমেন্টারি টিমের সদস্য টম হিউ জোন্স (Tom Hugh-Jones) এই ব্যাপারটা সম্পর্কে বলেছেন, " "These relationships are particularly unusual as it often appears to be the animals that are initiating the behaviour and giving the humans instructions." অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় বিভিন্ন প্রাণী মানুষকে অনেক ভাবে সাহায্য করে। যেমন আফ্রিকার কেনিয়ার মাসাই উপজাতির সদস্যরা বনের মধু অনুসন্ধানী (honey guide ) নামে পরিচিত এক ধরণের পাখি কে পোষে মধুর চাকের সন্ধান পাবার জন্য ।মাসাই-রা এই পাখিগুলোকে খুব ছোট বেলাতেই সংগ্রহ করে। মাসাই সদস্যরা তাদের পোষা প্রাণীগুলোকে নিয়ে নানা জায়গায় ঘুরে বেড়ায় ঘাস খাওয়ানোর জন্য।তারা খুব কম খাবার সাথে নেয় । খাবারের দরকার হলে তারা এই পাখিগুলোকে ব্যবহার করে মধু খোঁজার জন্য। চাক থেকে মধু নেবার পর মৌমাছির ডিম পাখির খাবারের জন্য রেখে দেওয়া হয়। মঙ্গোলিয়ার কাজাখ শিকারীরাও গোল্ডেন ঈগল ব্যবহার করে অন্য পাখি শিকার করা অর্থাৎ খাবার সংগ্রহের জন্য। এরকম আরো উদাহরণ আছে। কিন্তু সব ক্ষেত্রেই মানুষ প্রাণীদের কোনো একটা নির্দিষ্ট কাজ করতে প্রশিক্ষণ দেয় বা বিনিময়ে কিছু দেয়। কিন্তু ডলফিনদের ব্যাপারটা এ’জন্য আশ্চর্যজনক, অনেকটা ব্যাখ্যাতীত কারণ এখানে মানুষ প্রাণীদের কোনো ভাবে প্রশিক্ষণ দেয়নি । এই ডলফিনগুলো পোষা কোনো প্রাণীও না । এরা সাগর জলের মুক্ত বাসিন্দা । আরো আশ্চর্য ব্যাপার হলো ডলফিনরা জেলেদের থেকে সরাসরি কোনো উপকারও পায় না । তাই এই সম্পর্ক, ডলফিনদের ব্যবহার এখনো মেরিন বায়োলোজিস্টদের কাছে ব্যাখ্যার অতীত হয়েই আছে । আমি নীচে কতগুলো ভিডিও লিংক দিলাম ।যাদের আগ্রহ আছে তারা এই ডলফিনের সাথে মাছ ধরার ভিডিওগুলোতে দেখতে পারেন । ভিডিও কাজ না করলে লিংকগুলো কাট পেস্ট করে ভিডিও দেখা যাবে আশাকরি ।

ডলফিন আর জেলেদের লেগুনার এই সিমবায়োসিস নিয়ে মেরিন জুলোজিস্টদের ভারী ভারী অনেক কথা আছে । কিভাবে আদিম মানুষ প্রথম প্রাণীকে পোষ মানালো এই জাতীয় ...।এই অপার্থিব সুন্দর ব্যাপারটা নিয়ে সে সব আর বলতে ইচ্ছে করছে না । হিংসা বিদ্বেষ ভরা আমাদের এই পৃথিবীতে রহস্যজনক কিন্তু চাওয়া পাওয়ার কলুষমুক্ত একটা নিষ্পাপ ঘটনা হিসেবেই কেন জানি এটাকে দেখতে ইচ্ছে করে । কোনো বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার মধ্য দিয়ে এই সুন্দর অপার্থিব ব্যাপারটার গায়ে একটা সাধারণ ঘটনার তকমা কেন জানি দিতে ইচ্ছে করে না । তাই সে সব থাক। আমি বরং একটা ব্যক্তিগত কথা বলে শেষ করি লেখাটার ।

আমি সাধারণত আমার লেখা কাউকে উৎসর্গ করিনা (নিজের হাবিজাবি লেখার মান নিয়ে এতো শংকিত থাকি যে যাকে লেখা উৎসর্গ করবো তার না আবার মান হানি করে ফেলি মানহীন লেখায় সেই ভয়ে)। কিন্তু এই লেখাটা আমি উৎসর্গ করতে চাই আমাদের মাননীয় মন্ত্রী জব্বার সাহেবকে। আমাকে সব্যসাচী লেখক হিসেবে আপনার দেওয়া ঘোষণা (একটু আধটু গল্প কবিতা ফিচার লিখতাম ব্লগে, দুটো ফটো ব্লগও মনে হয় আছে।এই সামান্যই ছিল ব্লগ লেখকের সঞ্চয়ে। কিন্তু এখন পর্ণ লেখকের দুর্ভাগ্যজনক তকমাও আছে গলায়!সব্যসাঁচিত্ত্বের আর বাকি থাকলো কি তাহলে?) খুবই ব্যাথা ভরা মনে শুনতে হয়েছে, মাননীয় মন্ত্রী। সেই ব্যাথা কমাতেই আপনার কাছে এই আরজ গুজার। প্রতিষ্ঠার পর থেকে এই দেড় দশকে প্রায় তিন কোটি পোস্ট হয়েছে সামু ব্লগে । এর বেশির ভাগই হয়েছে শিল্প সাহিত্যের নানান বিষয়ে। দেশে বিদেশে থাকা ব্লগাররা এই সব ব্লগ লিখেছেন। এই ব্লগারদের অনেকেই নিজের নাম দেশে বিদেশে পরিচিত, খ্যাতিমান। ব্লগে তাদের লেখা দিয়ে দেশের উপকার বেশি হয়েছে অপকারের চেয়ে। রাজনৈতিক পোস্টগুলোর মধ্যেও সরকারের সমালোচনার চেয়ে গঠনমূলক আলোচনাই বেশি। এই এখনো কালবৈশাখীর গতিতে সরকার বিরোধিতাকে রাত দিন কলার খোসা খোলার মতো মসৃন করে ফেরে ফেলছেন কত ব্লগার! যে কোনো বিচারেই ব্লগে আপত্তিকর পোস্টের সংখ্যা খুবই কম। আপত্তিকর পোস্টের ব্যাপারে প্রতিবাদে ও প্রতিরোধে ব্লগাররা সব সময়ই সচেতন আর ব্লগ কর্তৃপক্ষও আপত্তিকর পোস্টের বিষয়ে দ্রুত কঠিন সিদ্ধান্ত নেন সেটাই আমরা দেখে আসছি ।একটু আসুন ব্লগে, পোস্টগুলো পড়ুন তাহলেই আপনার ধারণা চেঞ্জ হবে বলে বিশ্বাস করি । ব্লাগরদের সাথে সরকারের সিমবায়োসিসের জন্য একটু এগিয়ে আসুন মাননীয় মন্ত্রী । ব্লাগররা ডলফিনের মতোই ঝাঁকে ঝাঁকে এনে দেবে আপনাদের জালে নতুন নতুন চিন্তা ভাবনা।যা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ায় সহায়কও বৈকি। সেই আইডিয়ার সুফলতো কখনো চায়নি ব্লগাররা।এবারও না হয় আপনাদের জালে নতুন নতুন চিন্তা ভাবনার সব সুফল তুলে সাগরে ভেসে বেড়ানো লেগুনার ডলফিনদের মতোই ভেসে যাবো আমরা । তবুও আপনি ও সরকার একটু সদয় হন এই ব্লগের প্রতি । ফেব্রুয়ারির এই বিদায় বেলায় আমরা না হয় আবার সমস্বরে গাই আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানোর গান আর বাংলা ভাষা চর্চাকে আরো শুদ্ধ, আরো প্রসারিত করি মুক্ত, স্বাধীন, অর্থপূর্ণ ব্লগ লেখার মধ্য দিয়ে। ব্লগ বন্ধ করার কঠিন সিদ্ধান্তের বদলে সিমবায়োসিসের নরম কোমল হাতটা প্রসারিত করুন সারা বিশ্বেরই সবচেয়ে বড় বাংলা এই ব্লগটার দিকে,মাননীয় মন্ত্রী। আপনাকে ধন্যবাদ, মাননীয় মন্ত্রী। আপনার কল্যাণ হোক ।

ফটো ও সূত্র : ইন্টারনেট  

১। লেগুনায় ডলফিনের সাথে মাছ ধরা
https://www.youtube.com/watch?v=lRwWfYLKFw0
২। লেগুনার বিচে ডলফিন ও জেলেদের মাছ ধরা
৩। সিমবাওসিস: ডলফিন ও জেলেদের মাছ ধরা


মন্তব্য ৫৪ টি রেটিং +১৪/-০

মন্তব্য (৫৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০১ লা মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:০৭

রাজীব নুর বলেছেন: ডলফিন মানুষের বন্ধু!

০১ লা মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:১০

মলাসইলমুইনা বলেছেন: প্রিয় রাজীব নূর, ঠিক বলেছেন । লেখায় প্রথম মন্তব্যে ধন্যবাদ ।

২| ০১ লা মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:১৩

হাবিব স্যার বলেছেন: বাহ, দারুণ লাগলো

০১ লা মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:২৪

মলাসইলমুইনা বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ লেখাটা পড়া আর মন্তব্যের জন্য ।

৩| ০১ লা মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:৩৪

জুন বলেছেন: আমাদের দেশটি পলি গঠিত হলেও কিছু কিছু মানুষের মন গ্রানাইটের চেয়েও বেশি কঠিন মলাসইলমুনা। আপনার এত সুন্দর আহবান সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের কান পর্যন্ত পৌছালেই হয়।

ব্রাজিলের লেগুনার মানবদরদী ডলফিন মনে হয় আলেক্সান্ডার বেলায়েভের সৃষ্ট ইখথিয়ান্ডারের সমুফ্রের নীচের প্রিয় সাথী ডলফিনের বংশধর মনে হয়। নাহলে মানুষ আর প্রানীর মাঝে এত গভীর সম্পর্ক থাকে কি করে!
অপুর্ব একটি লেখাতে আপনাকে প্লাস দিয়ে গেলুম। ভালো থাকবেন আর এমনি লেখায় সামুকে সমৃদ্ধ করবেন সেই প্রত্যাশায়।

০২ রা মার্চ, ২০১৯ সকাল ৭:৫০

মলাসইলমুইনা বলেছেন: প্রিয় ব্লগার জুন,
হাহাহা । জানি যে জেগে জেগে ঘুমায় তাকে জাগানো দায় ।তবুও চেষ্টা করলাম আর কি । নিজে ব্লগে লেখি ।খানিকটা দায়বদ্ধতা থেকেই করলাম । সেটা করতেও উদ্বুদ্ধ কিন্তু আপনিই করলেন আপনার লেখাটা দিয়ে । আলেক্সান্ডার বেলায়েভের ডলফিনের গল্পটাতো পড়িনি। কিন্তু জেলেরা যে একটা ডলফিনকে ডাকে 'ফ্লিপি; বলে সেই ফ্লিপারের টিভি সিরিজটা ছোটবেলায় আমাদের খুব প্রিয় ছিল । আমরা খুব দেখতাম ।সেটাই মনে হয়েছে আমার। আপনার মতো একটা ডলফিনের কথা ভাবতে পেরেছি আমিও লেগুনা নিয়ে লেখাটা লিখতে গিয়ে সেটাই আপনার ভাবনার সাথে মিল ।ভালো থাকবেন ।

৪| ০১ লা মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:৩৭

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: দারুন অজানা বিষয় শেয়ারে কৃতজ্ঞতা!

সত্যি ! কি বিস্ময়কর!
ভিডিও দেখে অভিভুত!

হায়! মানুষের মাঝে যদি ইঞ্জেক্ট করা যেত সিমবায়োসিস ;) :P

+++

০২ রা মার্চ, ২০১৯ সকাল ৭:৫৫

মলাসইলমুইনা বলেছেন: প্রিয় কবি বিদ্রোহী ভৃগু,
হাহাহা । এই সিমবায়োসিস থাকলে কি আর আপনাকে এতো বড় একটা লেখা লিখে এতো আক্ষেপ করতে হয় ! আমাদের সবার সেই লেখায় এতো মন্তব্য করতে হয় ? লাইক দিতে হয় ? ম্যান প্রোপোজেস, গড ডিস্পজেস ।একথাটাই বারবার মনে হচ্ছে পুরো ঘটনাতা ভেবে । আপনার লেখার আহ্বানে সারা দিলাম কিন্তু নিজের স্বল্প সামর্থে অল্প কিছু লিখে । অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য ।

৫| ০১ লা মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:৩৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: মলাসইলমুইনা,



সিমবায়োসিসের রূপকথা বলতে গিয়ে কি যে সুন্দর করেই না, ব্লগার ও সরকারের সিমবায়োটিক হওয়ার প্রত্যাশাটি করে গেলেন, অভিনব।

হায়রে, নীতি নির্ধারকরা যদি একবারও সামু ব্লগটি খুলে দেখতেন কি আছে ওখানে! নদীর যে জলে তার দু্ই তীর সুজলা সুফলা হয়ে ওঠে সেই জলে দু'একটা কচুরীপানা ভেসে গেলে, দু্ই তীর সুজলা সুফলা হয়ে ওঠা কতোটুকু আটকে থাকে তাতে !!!!!!!!

০২ রা মার্চ, ২০১৯ সকাল ১০:১৮

মলাসইলমুইনা বলেছেন: দ্বার বন্ধ করে দিয়ে ভ্রমটারে রুখি
সত্য বলে, 'আমি তবে কথা দিয়ে ঢুকি' ?


আহমেদ জি এস ভাই,
আমার লেখাটি মূল বিষয়টাই আপনি প্রথমে বলে দিয়েছেন ।এই উপসংহারের জন্যই এই লেখা । গত কয়েকদিন ধরে ব্লগ নিয়ে যা হচ্ছে তাতে এই ব্লগের সামান্য একজন ব্লগার হিসেবে নিজের কষ্ট আর ক্ষোভটা একটু বলার চেষ্টা করলাম লেগুনার ডলফিন আর জেলেদের একসাথে হয়ে মাছ ধরার ঘটনা বলার মধ্যে দিয়ে । আপনার মন্তব্যের দ্বিতীয় অংশ সম্পর্কে কি আর বলবো ? রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতাটাই সবচেয়ে বেশি এপ্রোপ্রিয়েট মনে হচ্ছে । ও আমার একটাই কথা, আল্লাহ আমাদের রক্ষা করুন এই সব কর্তা ব্যক্তিদের কাজ কর্ম থেকে ।খুব সুন্দর একটা মন্তব্যে মনটা ভালো হয়ে গেলেও নিমেষেই । অনেক ধন্যবাদ নেবেন মন্তব্যের জন্য ।

৬| ০১ লা মার্চ, ২০১৯ রাত ৯:১১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: অত্যন্ত সুন্দর লাগলো লেগুন উপকূলে ডলফিন এর সঙ্গে জেলেদের সিমবায়োসিস পর্বটি। শিক্ষনীয় পোষ্ট ; প্রকৃতির সঙ্গে মানবের বন্ধন। পোস্টে ভালোলাগা।

একেবারে শেষে উৎসর্গে শ্রদ্ধা। যদিও মাননীয় এরকম একটি নিকৃষ্ট পর্নো সাইটে এসে নৈবদ্য নেবেন বা নিজের ওজন খোয়াবেন বলে মনে হয় না।

০২ রা মার্চ, ২০১৯ সকাল ১০:৩০

মলাসইলমুইনা বলেছেন: পদাতিক চৌধুরী,
খুব সদয় মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ । উৎসর্গ সম্পর্কে আপনার সন্দেহটা সত্যি হবার সমূহ সম্ভাবনা আছে ।কিন্তু কি আর করা ! আমিতো মাননীয় মন্ত্রী ঘোষিত সব্যসাচী ব্লগার হওয়ার সুবাদে অচ্ছুৎ এখন। আমার উৎসর্গিত এ'লেখায়তো ঘেটোর কাঁদা থাকবেই ।তবুও দেবতা মানুষ তারা সেই ভরসাতেই উৎসর্গ !! ভালো থাকবেন ।

৭| ০১ লা মার্চ, ২০১৯ রাত ৯:৪৭

পাঠকের প্রতিক্রিয়া ! বলেছেন: আমি একটা চটি লিখে জব্বার কাকুর নামে জবাই(উৎসর্গ) দেব..X(

০২ রা মার্চ, ২০১৯ সকাল ১০:৩৩

মলাসইলমুইনা বলেছেন: কোনো অসুবিধা নেই মুক্ত চিন্তার আলোকে লিখুন তাহলে ।

৮| ০১ লা মার্চ, ২০১৯ রাত ১১:৪১

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: ওয়াও!

০৩ রা মার্চ, ২০১৯ সকাল ৮:০৯

মলাসইলমুইনা বলেছেন: মাহমুদুর রহমান,

লেখাটা পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ।

৯| ০২ রা মার্চ, ২০১৯ রাত ১২:৪৫

হাসাস হোসেন বলেছেন: একেবারে অসাধারন। অনেক পাঠ পাইলাম। অনেক অজানাকে জানলাম। ধন্যবাদ মালাসইলমুইনা।

০৩ রা মার্চ, ২০১৯ সকাল ৮:১২

মলাসইলমুইনা বলেছেন: হাসাস হোসেন,

আপনার আন্তরিক মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ নেবেন ।

১০| ০২ রা মার্চ, ২০১৯ রাত ১:১৩

সোহানী বলেছেন: আরে এতো চমকপ্রদ কাহিনীতো জানা ছিল না। ডলফিন সবসময়ই মানুষের বন্ধু তালিকায় কিন্তু এভাবে সাহায্য মনে হয় আর শুনিনি। অসাধারন পোস্টে ভালোলাগা প্রিয় ব্লগার।

তবে আমাদের কথা ভিন্ন, আমরা মানুষকেই গোণাই ধরি না আর ডলফিন?? কেটে কুটে খাওয়াই অঅসল কাজ মনে করি।

চোরে না শুনে ধর্মের কাহিনী। জাব্বার সাহেবের কানে কোনভাবেই পৈাছাবে না। ক্ষমতা, অর্থ, জোস সব কিছুর দম্ভে অন্ধ/বধির হয়ে গেছে। তা না হলে হঠাৎ করেই সে এরকম নির্লজ্জ বিহেব কেনই বা করছে। প্রতিশোধ নেবার সুযোগ খুঁজছিল সে।

০৩ রা মার্চ, ২০১৯ সকাল ৯:২৪

মলাসইলমুইনা বলেছেন: প্রিয় ব্লগার সোহানী,

আপনার মন্তব্যের কোনো কথার সাথে দ্বিমত করার সুযোগতো আর রাখেন নি তাই সব কথার সাথেই একমত । লংকায় গেলে সবাই রাবনই হয় ।সেই প্রবাদটা ভুল প্রমান করে কেউ একজন আমাদের দেশে একদিন বীর বেশে দাঁড়াবে বুক চিতিয়ে সেই আশাটা কেন যেন আমার মন থেকে কখনো যায় না । সেই আশা নিয়েই মন্ত্রী মহোদযের করম কমলে এই নৈবদ্য।আমাদের গুণী মন্ত্রী মহোদয় ও তার গুণী কর্মকর্তা কর্মচারীদের সম্মিলিত বিষমকর্মকান্ডে বিমোহিত না হয়ে সন্মোহিত হয়েছি বলাই বাহুল্য । আল্লাহর কাছে দেশ যাতে ধ্বংস না হয়ে যায় সেই পানাও চাইলাম।এই রকম লোকেরাও আমাদের দেশ চালায় ! কি যে অবস্থা আমাদের ! কি আর করা যাবে ।আরো দোয়া দরূদ পড়তে হবে আরকি ।ভালো থাকবেন আর নিশ্চিত থাকবেন দেশের সুন্দর থাকার দোয়া দরূদ পড়া অব্যাহত থাকবে । অনেক ধন্যবাদ নেবেন এই বিষমকান্ড চিন্তা করে লেখা আমার এই পোস্টে এসে মন্তব্য করার জন্য ।

১১| ০২ রা মার্চ, ২০১৯ রাত ১:২৩

মা.হাসান বলেছেন: পোস্টে মুগ্ধতা। ডলফিনের কাজ পড়া ছিল, দেখা ছিল, কিন্তু একজন সব্যসাচীর পক্ষেই সম্ভব বর্তমান পরিস্থিতির সাথে বিষয়টি ব্লেন্ড করা।
সিমবায়োসিসের উদাহরন হিসেবে গরুর গায়ে পাখি বসে উকুন খাওয়া বা মানুষের পেটের ব্যাকটেরিয়ার কথা ছোটবেলায় বইতে পড়েছি, তবে সরকার ও বিরোধীদল মিলে গত ছয় বছর ধরে যে সিমবায়োসিস দেখাচ্ছে তা আপনি বলার আগে ভাবিই নি।

০৩ রা মার্চ, ২০১৯ সকাল ৯:৩৬

মলাসইলমুইনা বলেছেন: মা. হাসান,
আমার সিমবায়োসিস চিন্তা খুব অসাধারণ সে দাবি করা যাবে না কোনো ভাবেই । আমাদের দেশের আমাদের রাজনীতিবিদদেড় কর্মকান্ড বুঝতে হলে আপনাকে আউট অফ দ্যা বক্স চিন্তা করতেই হবে । অনেক ধন্যবাদ সদয় ও সুন্দর মন্তব্যে ।

১২| ০২ রা মার্চ, ২০১৯ রাত ২:৩২

রিম সাবরিনা জাহান সরকার বলেছেন: শুশুকেরা সাঁতরে বেড়াক স্বাধীন মিথোজীবিতায়...

০৩ রা মার্চ, ২০১৯ সকাল ৯:৪৮

মলাসইলমুইনা বলেছেন: ডক্টর সরকার (সম্বোধনটা কি ঠিক হলো ?)
অনেক ধন্যবাদ লেখাটা পেয়েছেন সেজন্য আর অবশ্যই মন্তব্যের জন্য । আর একটা কথা, আপনার হঠাৎ স্বর্ণকেশী লেখাটাতে আমার পড়ার ব্যাকলগ হয়ে গেছে । ওটা একটু কষ্ট করে আগামী বই মেলায় বই হিসেবে বের করুন ।বাকি অংশটুকু আমি না হয় বই থেকেই পড়বো । পেন্ডিং একটা শুভেচ্ছা নিন এবারের বই মেলার গ্রন্থ সংকলনে আপনার গল্প বের হবার জন্য ।

১৩| ০২ রা মার্চ, ২০১৯ সকাল ৮:৪০

জুন বলেছেন: আপনি আমাকে হতাশ করবেন মলাসইলমুনা এটা আমি ভাবতেই পারি না। আপনার মত একজন পড়ুয়া আলেক্সান্ডার বেলায়েভের লেখা উভচর মানুষ যার ইংরাজী নাম দ্যা এম্ফিভিয়ান ম্যান বইটা পড়েন নি এটা হতেই পারে না। আমিতো ভাবলাম এটুকু শুনেই আপনি হয়তো গুত্তিয়েরের কথা মনে করবেন সাথে সাথে কি করুন বিদায় দুজনার। তারপর তার প্রিয় খেলার সাথী ডলফিনটাকে নিয়ে
বুয়েনোস এয়ারিসের জেল থেকে বাবার নির্দেশে বসবাসের জন্য খুজতে গেল প্রশান্ত মহাসাগরের এক নির্জন দ্বীপ। এটা নিয়েতো ম্যুভিও হয়েছে মলাসইলমুনা! না দেখলে দেখবেন অবশ্যই আমাদের কৈশর ও তারুন্যে আলোড়ন তোলা গল্পটি।
অপ্রাসঙ্গিক আলাপের জন্য আন্তরিক দুঃখিত আমি :(

০৪ ঠা মার্চ, ২০১৯ ভোর ৫:৫৬

মলাসইলমুইনা বলেছেন: "আড়ালে আড়ালে থাকি
নীরবে আপনা ঢাকি,
সম্মুখে চরণ নাহি চলে
পাছে লোকে কিছু বলে।"
'বিদ্যার দৌড় ধরে ফেলে' !
(পঞ্চম লাইনটা কামিনী রায়ের বিখ্যাত অংশের সাথে জুড়ে দিলাম আমার অবস্থা বোঝাতে ।)

প্রিয় ব্লগার জুন,
দিলেনতো হাটে হাড়িটা ভেঙে ! ব্লগে কম কম আসি কারণ এতো কম জানাশোনা দিয়ে কি আর এতো ভালো ভালো ব্লগারদের সাহচর্য আশা করা যায় না সেটা উচিত বলেন ? সেই ভয় ঢাকতেই আড়াল টানা সব সময় ।ব্লগে লেখা স্বপ্নবাজ সৌরভের 'আমার সোভিয়েত শৈশব' -সিরিজের এর মতো আমারও সোভিয়েত শৈশবের শুরুটা ঠিকই ছিল 'চলো সোভিয়েত দেশ বেরিয়ে আসি, 'দিতে হবে অকর্মার হাতে', রুশদেশের উপকথা এগুলো নিয়ে ।তারপরে হাই স্কুলের দিনগুলোতে 'গ্রহান্তরের আগুন্তক' আহ কি দিন কেটেছে আমার! কিন্তু ভেবে দেখলাম তারপরেই সোভিয়েত বইগুলো আর তেমন পড়া হয়নি তেমন ।অনেকগুলো কারণ আছে তার ।একটা কারণ মনে হচ্ছে ।আমার হাই স্কুলের ওই সময়টাতে আমার বড় ভাই বোনের বই পড়ার অভ্যেসটা আমার বই পড়াকে অনেক ইনফ্লুয়েন্সটা করেছে ।সেই সময় থেকেই আমার ক্লাসিকাল সাহিত্য পড়াশুরু ওদের দেখাদেখি। রবীন্দ্রনাথ, বঙ্কিম থেকে শুরু করে মার্ক টোয়েন, বালজাক, মোপাসাঁ, রাশান লেখকদের মধ্যে তলস্তয়,গোর্কি, দস্তয়ভস্কি,চেখভ এদের বেশিরভাগের লেখা আমার কিন্তু পড়া হাইস্কুলে আর কলেজের সময় । সেজন্যই মিডিল স্কুলে যদিও জুলভার্ন পড়া হয়েছে কিন্তু পরে আর তেমন করে সায়েন্সফিকশন খুব পড়া হয়নি ক্লাসিকাল সাহিত্যের দিকে ঝুকে যাবার জন্য । যাহোক, বেলায়েভের উপন্যাসের মতো একটা লেখা আমি পড়েছিলাম ওই একই সময় আর সেটা হলো "ম্যান ফ্রম অ্যাটলান্টিস" ।একজন উভচর মানুষকে নিয়ে । এই নামে আর এই কাহিনীর ওপর করা একটা টিভি সিরিজ বাংলাদেশে এক সময় বিটিভি দেখিয়েছে । ইদানিং গল্প উপন্যাস আর তেমন পড়া হয় না সাইন্স,কম্পারেটিভ রিলিজিয়ন,ইসলাম, সোশিও ইকোনোমিক ইস্যুগুলো নিয়ে পড়াশোনার আগ্রহের কারণে। কিন্তু দেখি বেলায়েভের উপন্যাসটার কোনো ইংলিশ ভার্সন পাওয়া যায় কিনা লাইব্রেরিতে । পড়ে আপনাকে জানাবো । অনেক ধন্যবাদ নেবেন উপন্যাসটা সম্পর্কে জানাবার জন্য।

১৪| ০২ রা মার্চ, ২০১৯ সকাল ৯:২৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ডলফিনেরা কতভাবেই না মানুষকে বিশেষ করে সাগরে নিমজ্জিত মানুষকে সহযোগীতা করে আসছে বলেই জানতাম, এখানে এদের একটি ব্যতিক্রমি বিষয় দেখে অভিভুত হলাম । তবে ডলফিনেরা সেখানকার জেলেদেরকে কয়েক জেনারেশন ধরে মাছ ধরায় সহযোগীতা করে আসার বিষয়টি একদিকে যেমন সুখের কথা অন্যদিকে তেমনি একটি আতঙ্ক জনক পরিস্থিতিও বটে । মানুষ আর ডলফিনের সহযোগীতায় ব্রাজিলের লেগুনা উপকুলের মুলেট প্রজাতির মৎসকুল এক বিপন্ন অবস্থায় নিপতিত বলে মনে হচ্ছে । এই গ্রহের দুটি বুদ্ধিদিপ্ত প্রাণীকুল তথা মানুষ ও ডলফিন যৌথভাবে যুগ যুগ ধরে মুলেট হত্যাযজ্ঞে মত্য বলেই দেখা যাচ্ছে । ডলফিনের যে নীজের কোন স্বার্থ নেই তা বোধ হয় না, কারণ তারা মুলেট ঝাককে উপকুলের দিকে তারিয়ে নিয়ে এসে তাদের ছত্রভংগ করে দিয়ে দলছুট মূলেটকে হয়তবা সহজে নীজের শিকাড়ে পরিনত করছে ।

যাহোক, জেলেদেরকে ডলফিনদের এই সহযোগীতার বৈজ্ঞানিক মুল কারণ জানা যায় নাই তবে যে কোন কারণেই হোক সেখানকার সাগর উপকুলের ডলফিনদের একাংশ স্থানীয় জেলেদের সাথে খুব শক্তভাবে একটি Fission-fusion-society গঠন করেছে , তারা মুলত একটি একই গ্রুপভুক্ত হয়েছে । শতাব্দিপুর্ব হান্টার-গেদার সোসাইটির সাথে তাদের ভালই মিল দেখা যায় । যাহোক, সেখানকার ডলফিন ও মানবদের এই সামাজিক বন্ধন এর আবহটিকে আমাদের এখনকার সময়ের রাজনৈতিক পরিবেশের সাথে সুন্দর করে মিল দিয়েছেন দেখে অভিভুত হলাম । তবে ব্রাজিলে ডলফিনেরা মুক্ত পরিবেশে থেকে স্বাধিনভাবে নীজের কলাকৌশল খাটাতে পারলেও আমাদের পোষা বিরোধী দল তাওতো পারছেনা । এদের অবস্থাকে বরং আমাদের দেশের ভোদর দিয়ে জেলেদের মাছ ধরার সাথে তুলনা করা বেশী সংগত হবে ,জেলেরা ভোদরদেরকে পোষে ও গলায় রসি বেঁধে পানিতে ছেড়ে দিয়ে মাছ তারিয়ে জালে নিয়া আসে । ভোদরদের বিষয়ে সামুতে আমার একটি পোষ্ট আছে সেখানে কিছু ছবি দেখা যেতে পারে ।

চমৎকার তথ্যসমৃদ্ধ ও সময়োপযোগী পোষ্টটির জন্য ধন্যবাদ। উৎসর্গ যুতসই হয়েছে । লোকটি পি এম এর একটি রং সিলেকশন। যার যেটুকু প্রাপ্য সে ততটুকু কিংবা ক্ষেত্র বিশেষে কিছুটা বেশীই পাবে , যার আলামত দুনিয়াব্যপি নিন্দার ঝড় দিয়ে শুরু হয়েছে । সামুতে বিচরণ কষ্টকর হলেও লেখালেখির প্লাটফরমের অভাব হবেনা এটা ডিজিটাল জ্ঞানের অধিকারী যে কারোরই বুঝার কথা । কামনা করি তাদের শুভ বুদ্ধির উদয় হোক ।

লিংকে থাকা ভিডিওগুলি দেখলাম ভাল লাগল ।

শুভেচ্ছা রইল ।




০৪ ঠা মার্চ, ২০১৯ ভোর ৬:৪৭

মলাসইলমুইনা বলেছেন: আলী ভাই,

সালাম নেবেন । ভালো আছেন আশাকরি । অসম্ভব সুন্দর মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ । আপনার অন্য সব মন্তব্যের মতোই এই মন্তব্যটাও আমার পোস্টের ব্যাপারে কমপ্লিমেন্টারি হয়ে গেলো নতুন ইনফরমেশনের জন্য ।আমি ভাবিনি যে জেনারেশন ধরে মুলেট ধরার কারণে এটার কোনো ইফেক্ট ওই অঞ্চলে হতে পারে কি না ।তবে পরে এনসাক্লোপেডিয়া ব্রিটানিকায় এই নিয়ে দেখলাম লিখেছে সারা পৃথিবীর কোস্টাল এরিয়াতেই প্রচুর মুলেট পাওয়া যায় । ওয়ার্ল্ড ফিশিংয়ে উল্লেখযোগ্য একটা অংশ হলো এই মূলত ।এর প্রায় ১০০ প্রজাতি আছে । এর ফার্টিলাইজিং রেট অনেক ।এগুলো খুব দ্রুত বড় হয় । তাই সহজেই হারিয়ে যাবে না ।

আপনার মন্তব্যের দ্বিতীয় আর তৃতীয় অংশ সম্পর্কে কি বলবো তাই ভাবছি ।আমাদের রাজনীতি আর রাজনৈতিক সম্পর্ক কি পরিমান নোংরা হয়েছে সেটা আজ মাননীয় মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের অসুস্থ্যতা নিয়ে দেখানো প্রতিক্রিয়াতেই বোঝা যাচ্ছে । ব্লগেওতো এনিয়ে এরই মধ্যে বেশ কয়েকটা লেখা মনে হয় পোস্ট করা হয়ে গেছে । এগুলো দেখে খুব খারাপ লাগছে ।প্রতিদিন যেন আমাদের দেশ একবছর করে পিছিয়ে যাচ্ছে ।এই ব্লগ নিয়ে যা হলো সেটা ভেবেও মন করা ছাড়াতো আর কিছু করার নেই ।সেই খারাপ লাগা থেকেই এই লেখা, আর কিছু না । ও, আপনার ভোঁদড় নিয়ে লেখাটা আমি আপনা রমন্তব্যের পরেই পড়েছি ।কমেন্টটা এখনো করিনি ।পড়ে নিজের ওপরেই রাগ লাগছে ।এতো কম জানি !মন খারাপ করা লেখায় অসাধারণ মন্তব্যের জন্য আবার ধন্যবাদ নিন ।

১৫| ০২ রা মার্চ, ২০১৯ সকাল ১০:১৭

ম্যাড ফর সামু বলেছেন: সৃষ্টিজগতের অনেক প্রাণীই মানুষের বিভিন্ন কাজে সহযোগিতা করে থাকে। শুধুমাত্র মানুষই মানুষের সবচেয়ে বড় শত্রু। কেউ ভালো থাকলে তা অন্য কারো সহ্য হয় না।

ধন্যবাদ সুন্দর একটি শিক্ষণীয় উদাহরণ দিয়ে পোষ্টের অবতারণা করার জন্য। কিন্তু এতে কি আমাদের শিক্ষা হবে আদৌ।

০৪ ঠা মার্চ, ২০১৯ ভোর ৬:৫২

মলাসইলমুইনা বলেছেন: সামুপাগলা০৭ ,
হ্যা, সত্যিই মানুষই মানুষের শত্রূ হয় অন্য প্রাণীর ব্যাপারে এটা মনে হয় দেখা যায় না । প্রকৃতিতে এসব দেখেও মনে হয় আমাদের কোনো শিক্ষাও হবে না । অনেক ধন্যবাদ নিন মন্তব্যের জন্য ।

১৬| ০২ রা মার্চ, ২০১৯ দুপুর ২:০৮

করুণাধারা বলেছেন: এত সুন্দরভাবে সিমবায়োসিস বোঝালেন, খুবই ভালো লাগলো পড়ে। মানুষের সাথে ডলফিনের বন্ধুত্ব নিয়ে আমার পড়া এটা দ্বিতীয় সবচেয়ে ভালো গল্প। সবচেয়ে ভালো গল্প কোনটা? অবশ‍্যই ইকথিয়ন্ডরের গল্প, উভচর মানব। আপনি এটা পড়েননি শুনে আমিও জুনের মত খুবই অবাক হলাম। আমার দুই আমেরিকা প্রবাসী প্রৌঢ়া আত্মীয়া এবার বই মেলায় গিয়ে কিছুটা হতাশ হয়ে ফিরে এসেছেন মনের মত বই পাননি বলে। কিন্তু দুজনেই একটি করে "উভচর মানব" কিনে এনেছেন; এই বই নাকি তাদের ছেলেবেলার সুন্দর দিনে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে..........

দুঃখিত, অপ্রাসঙ্গিক কথা অনেক বলে ফেললাম! আসলে ব্লগের এই কঠিন সময়ে এমন চমৎকার এক পোস্ট নিয়ে আপনার ফিরে আসায় খুবই খুশি হয়েছি মলা.........., জানিনা, আপনার আহ্বানে তিনি সাড়া দেবেন কিনা; কিন্তু আপনি আপনার মত করে চেষ্টা করেছেন, সেজন্য অনেক ধন্যবাদ।

০৪ ঠা মার্চ, ২০১৯ সকাল ৭:২০

মলাসইলমুইনা বলেছেন: প্রিয় ব্লগার করুনাধারা,

অনেক ধন্যবাদ ভালো লাগা মন্তব্যে ।
চেষ্টা করলাম আমার মতো করে ব্লগ নিয়ে এই ঝামেলার সময় কিছু লিখতে । নিজে যেহেতু এই ব্লগে লিখি সেই ভালো লাগার জায়গাটা বন্ধ হয়ে যেতে পারে সেই আশংকার থেকেই এই লেখা । ব্লগ নিয়ে মন্ত্রী সাহেবের সিদ্ধান্তের ব্যাপারে আমার আমার ক্ষোভ নয়, অনুরোধটাই যেন বড় হয়ে থাকে লেখায় সেটাই চেষ্টা করেছি । সামান্য ব্লগারের সামান্য লেখায় আপনার ভালোলাগা মন্তব্যে সত্যি খুশি হলাম অনেক ।

এমফিবিয়ান ম্যান বইটা লাইব্রেরিতে আছে ।কাল পরশু চেষ্টা করবো ইস্যু করতে।আপনার আর জুনের ভালোলাগা বই নিশ্চই খুবই ভালো লাগবে পড়তে । পড়া শেষ করে জানাবো ।ভালো থাকুন ।

১৭| ০২ রা মার্চ, ২০১৯ দুপুর ২:৫৭

নতুন-আলো বলেছেন: অনেক সুন্দর পোস্ট

০৪ ঠা মার্চ, ২০১৯ সকাল ৭:৩৬

মলাসইলমুইনা বলেছেন: নতুন-আলো ,
অনেক ধন্যবাদ লেখাটি পড়া আর মন্তব্য করার জন্য ।

১৮| ০২ রা মার্চ, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০১

মনিরা সুলতানা বলেছেন: বাহ চমৎকার! সিমবায়োসিস এর সংজ্ঞা প্রকারভেদ এবং উদহারন সহ লিখলেন।
উৎসর্গে ভালোলাগা।

০৫ ই মার্চ, ২০১৯ ভোর ৪:১২

মলাসইলমুইনা বলেছেন: প্রিয় ব্লগার মনিরা সুলতানা,
হাহাহা যা বলেছেন !এই সংজ্ঞা প্রকারভেদ এবং উদহারন সবই কিন্তু দেবলোকের নেতৃবৃন্দ মানে মাননীয় মন্ত্রী সাহেবদের করম কমলে উৎসর্গিত। প্রশ্ন হচ্ছে মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের মনে করুনার আলো জ্বলবে কি ? তার মন গলবে কি এই সামান্য নৈবদ্যে ? ব্লগটা নিরাপদে চলবে কি ? এতো সব প্রশ্ন, আশংকা থেকেই একটু লিখলাম ।অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যে ।ভালো থাকবেন ।

১৯| ০২ রা মার্চ, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩০

ঢাবিয়ান বলেছেন: অসাধারন একটি পোস্ট। মানুষ ও ডলফিনের চমৎকার বন্ধুত্ব দেখেছি ''ডলফিন শোতে'' কিন্ত সেই বন্ধুত্ব তৈরী হয় অনেক ট্রেনিং দেয়ার মধ্য দিয়েে। কিন্তু ডলফিন ও মানুষের এই প্রাকৃতিক সিমবায়োসিস (symbiosis) তো রুপকথাকেও হার মানায়!

যাই হোক এমন অসাধারন গল্প আমাদের মন্ত্রীদের শোনানোর চেষ্টা করা আর উলবনে মুক্তো ছড়ানো একই কথা।

০৫ ই মার্চ, ২০১৯ ভোর ৪:৪৬

মলাসইলমুইনা বলেছেন: প্রিয় ঢাবিয়ান,
অনেক ধন্যবাদ সদয় মন্তব্যে। উলুবনে মুক্ত ছড়িয়ে লাভ নেই জানি তবুও মাননীয় মন্ত্রী বলে কথা । একটু নৈবদ্য না দিলে কি চলে ? যদি দেবতার হৃদয় গলে ।একটু বর দেন এই হতভাগা ব্লগ ও ব্লগারদের তাই এই লেখা ।ভালো থাকবেন ।

২০| ০২ রা মার্চ, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩১

মোঃ নুরেআলম সিদ্দিকী বলেছেন: চমতকার একটি লেখা পড়লাম। আমার কাছে ভীষণ ভালো লেগেছে।।

০৫ ই মার্চ, ২০১৯ ভোর ৪:৪৯

মলাসইলমুইনা বলেছেন: প্রিয় মোঃ নুরেআলম সিদ্দিকী ,

আপনার মন্তব্যে মনটা ভালো লাগার নুরালোকে ভরে উঠলো । অনেক ধন্যবাদ ।ভালো থাকুন সব সময় সেই আশা করছি ।

২১| ০২ রা মার্চ, ২০১৯ রাত ১১:০৬

ওমেরা বলেছেন: ভাপু আমি কিন্ত একটু না অনেক বেশী রাগ হয়েছি আপনি আমাকে না জানিয়েই পোষ্ট দিয়েছেন । এত সুন্দর একটা পোষ্টে আমার কমেন্ট সবার নীচে কেমন যে লাগতেছে ————- বলবার পারতেছি না !!!

ভাপু তাড়াতাড়ি আরেকটা পোষ্ট দিবেন সেটাতে প্রথম পাঁচটা কমেন্ট হবে আমার !! যতদিন পোষ্ট না দিবেন ততদিন আপনার সাথে আমার কোন কথা নাই- নাই - নাই।

০৫ ই মার্চ, ২০১৯ ভোর ৪:৫৭

মলাসইলমুইনা বলেছেন: প্রিয় ওমেরা,
"ধরো না, ধরো না দোষ ,
কোরনা কোরনা রোষ
দোষেগুণে মাটির মানুষ "

বিলকুল মন খারাপ করবেন না । এটা মাননীয় মন্ত্রীর করম কমলে উৎসর্গিত নৈবদ্য লেখা। এই লেখা নিয়ে আমার মতো অভাজনের সাথে রাগারাগি করলে মন্ত্রীমহোদয়ের অবমাননা ।সেটা মোটেই করবেন না।মাননীয় মন্ত্রীর প্রতি উৎসর্গ দেখে বানান বিষয়ে একটু বেশি সাবধানতা দেখিয়েছি তাই হয়তো অন্য লেখার মতো পড়তে হোঁচট খেতে হয়নি । নইল আমার লেখাতো হাবিজাবি সব সময়ের মতোই । নেক্সটে জানিয়ে রাখবো কি হাবিজাবি লিখছি । এবার বলুন রাগটা কমেছে কি না ? ভালো থাকবেন ।

২৩ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:৪৪

মলাসইলমুইনা বলেছেন: প্রিয় ওমেরা,
আমার নতুন লেখায় সবার আগে পাঁচটা মন্তব্য করবেন বলে কোথায় লুকোলেন? আমার লেখাতো পুরোনো হতে হতে প্রাচীন হয়ে গেলো ! কষ্ট করে পাঁচটা কমেন্ট করতে হবে না ।একটা করলেই হবে ।আবার আসুন ব্লগে তাহলেই খুশি হই ।

২২| ০৪ ঠা মার্চ, ২০১৯ সকাল ৭:৫৮

জুন বলেছেন: প্রিয় ব্লগার মলাসইলমুনা,
ভেবেছিলাম আমার দ্বিতীয় মন্তব্যের উত্তরে হয়তো ছোট একটি পটকা ফুটাবেন, এখন দেখি আস্ত একটি পারমানবিক বোমা ছুরে মেরেছেন :(
আপনার মত আমিও বুক একজন বুক ওয়ার্ম ছিলাম এবং আছিও। রবীন্দ্রনাথ বংকিমের সাথে শরত রচনাবলী ছাড়াও অসংখ্য লেখক সমৃদ্ধ বাংলা সাহিত্যের পাঠক আমি। এই যেমন এখন পড়ছি শতবার পড়া প্রমথ নাথ বিশীর "কেরী সাহেবের মুন্সী " যা একটি ক্লাসিকাল সাথে ঐতিহাসিক সাহিত্য। আর রাশান যেসব লেখকের কথা বলেছেন তাও বাদ পরেনি। মার্ক টোয়েন ও হেনরী তো ছিলই। এর কারন হয়তো তখন ইন্টারনেট না থাকা। তাই সে সময় বেশিরভাগ কিশোর তরুন তরুণী বইকেই প্রচন্ড ভালোবাসতো আমার আপনার মত।
তারপর ও আমি আপনার সাথে বিন্দুমাত্র প্রতিযোগিতার দুঃসাহস করি না। তবে এই সব অগনিত বই এ এর সাথে উভচর মানুষ বইটি আমি বহুবার পড়েছি :``>>
আশংকা হচ্ছে এতবার এসে এসে একটি বই নিয়ে বারংবার আলাপ করার জন্য আপনি না আমার উপর অসন্তুষ্ট হোন! আসলে একটা ভালোলাগার বই সবাই পড়ুক এটাই কারন।
অপ্রাসঙ্গিক আলাপের জন্য আন্তরিক দুঃখিত আমি। আশাকরি কিছু মনে করবেন না।
অনেক ভালো থাকুন সেই প্রত্যাশা রইলো :)

১৬ ই মার্চ, ২০১৯ দুপুর ১২:২৮

মলাসইলমুইনা বলেছেন: প্রিয় ব্লগার জুন,
খুবই লজ্জা পেলাম কিন্তু আপনার মন্তব্যে । আপনার বই পড়ার ব্যাপারটা কিন্তু আপনার লেখার থেকেই বোঝা যায় ।আপনার ভ্রমণগুলোতে এতো কিছু থাকে ।সেটা গুছিয়ে বলার জন্য অনকে পড়াও থাকা দরকার একজন ব্লগারের আমার নিজের লেখার লিমিটেশন থেকেই আমি সেটা জানি ।আমার বই পড়ার ভলিউম আপনার মতো নয়, অনেক কম সেটা আমি খুবই জানি । আর ইদানিং গল্প উপন্যাস বেশি পড়াও হয় না ।ইউনিভার্সিটিতে ওঠার পর থেকেই যে আমার গল্প উপন্যাস পড়ার অভ্যেসটা কমে গেলো সেটারও বড় ইতিহাস আছে ।অন্য ধরণের বই-ই বেশি পড়া হয় এখন ।

আরেকটা কথা অতো অকরুন হবেন না প্লিজ আমার ওপর । বই নিয়ে কথা বলার জন্য আমি আপনার ওপর অসন্তুষ্ট হবো এটা ভেবেছেন বলেই কিন্তু নিজেরই খারাপ লাগছে ।কেন অসন্তুষ্ট হবো বইয়ের কথা বলেছেন দেখে ? আমারতো ভালো লাগলো খুব কারণ আপনার মন্তব্য থেকেইতো একটা ভালো বইয়ের কথা জানলাম ।বইটা লাইব্রেরিতে আছে চেক করেছি । এই মুহূর্তে দুটো বই পড়ছি।এ' দুটো বই পড়া শেষ হলেই এম্ফিবিয়ান ম্যান বইটা পড়বো নিশ্চই । ব্লগে মন্তব্যের এই এক্সচেঞ্জটা আমি খুবই ইনজয় করি ।খুব বেশি ব্লগারের সাথেতো এই রকম এক্সচেঞ্জ আমি করতে পারি না ।যেই অল্প কজনের সাথে ভালো লাগা এক্সচেঞ্জগুলো হয় আপনিঅবশ্যই তাদের একজন ।খুব খুশি হয়েছি আপনার এই মন্তব্যগুলো করার জন্য ।ভালো থাকবেন ।

২৩| ০৬ ই মার্চ, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১৬

নীল-দর্পণ বলেছেন: এতদিন জেনে এসেছি ডলফিনেরা সমুদ্রে মানুষের বন্ধু, আজ আপনার পোস্টের মাধ্যমে জানলাম সমুদ্রতীরেও বন্ধু!

খুবই সুন্দর পোস্ট।

১৬ ই মার্চ, ২০১৯ দুপুর ১:০৭

মলাসইলমুইনা বলেছেন: আরে বন্ধু, আপনি এলেন কমেন্ট করলেন আমার লেখায় আর আমি জানতে দেখলাম এতো দিন পরে ! কি যে অবস্থা আমার !! একটা মাফ চাওয়া থাকলো আপনার মন্তব্যের উত্তর এই অনিচ্ছাকৃত দেরি করে দেবার জন্য ।আশাকরি এপোলোজিটা এক্সসেপ্ট করবেন । ব্যস্ততার জন্য নিশ্চই ব্লগে আর নিয়মিত আসা হয় না আপনার ? একটা বিরতি হয়ে গেলেও ঠিক এসে লেখা পড়েন ।বন্ধু, আপনার এই গুনটা যদি আমারও থাকতো !সব সময়ের মতো খুবই সদয় কমেন্টের জন্য থ্যাংকস অনেক অনেক । ভালো থাকবেন ।

২৪| ২৬ শে মে, ২০১৯ দুপুর ১২:০২

খায়রুল আহসান বলেছেন: ডলফিন এবং মানুষের সিমবায়োসিস এর কথা বলতে গিয়ে সংসদের সরকারী দল আর বিরোধীদলের সিমবায়োসিস এর তুলনাটা বেশ চমকপ্রদ হয়েছে।
তবে তার চেয়ে চমকপ্রদ হয়েছে ব্লগার এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মাঝে সিমবায়োসিস গড়ে তোলার আবেদনটা। ব্লগারগণ সরকারের সিমবায়োটিক ডলফিন, তারা ঝাঁকে ঝাঁকে সুচিন্তিত ভাবনা সরকারের দিকে এগিয়ে দেবেন, সরকার সেগুলো থেকে উপকৃত হবেন। দিনশেষে ব্লগারগণ ক্লান্ত ডলফিনদের মতই আবার সাগরে ফিরে যাবেন- এ ভাবনাটাও বেশ চমকপ্রদ।
ডলফিন-মানবের মাঝের এ সিমবায়োসিস এর রহস্য আজও অজানা, এ তথ্যটাও মনে বেশ কৌতুহল জাগিয়ে গেল!!!!

০২ রা নভেম্বর, ২০১৯ ভোর ৬:৪৬

মলাসইলমুইনা বলেছেন: খায়রুল ভাই,
অনেক অনেক দিন পরে ব্লগে আসা হলো । এই বিরাট সময় পরে যে উত্তর দিতে হচ্ছে তার জন্য খুবই লজ্জা করছে । এই লেখার কনটেক্সটটা ঠিক থাকলেও এখন লেখার ফলাফলটাও হাতে ! মাননীয় মন্ত্রী, সরকারের সাথে আমাদের ব্লগ ও ব্লগারদের সিম্বায়োসিসের নরম কোমল হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন দেখে ভালো লাগছে । ব্লগের ফিনিক্স হয়ে উড়ার এই বেলায় কিছু কৃতিত্ব আমিও দাবি করবো নাকি এই লেখার জন্য ভাবছি (জাস্ট কিডিং) ।আমার এই আনাড়ি লেখার জন্যই মনে হয় ব্লগ মুক্তির এই অনিঃশেষ প্রতীক্ষা করতে হলো । বেশি ভেবে এই লেখাটা লিখলে লেখাটা হয়তো আরো ভালো হতো আর মন্ত্রী মহোদয় হয়তো আরেকটু আগে ব্লগ মুক্তির সিম্বায়োসিসটা ঘটিয়ে দিতে পারতেন ভেবে এই লেখাটার জন্য নিজের ওপর এখন খুব রাগ লাগছে । ভালো থাকবেন ।

২৫| ২৬ শে মে, ২০১৯ দুপুর ১২:৪৮

খায়রুল আহসান বলেছেন: জুন, বিদ্রোহী ভৃগু, আহমেদ জী এস, পদাতিক চৌধুর সোহানী, মা.হাসান, রিম সাবরিনা জাহান সরকার, ডঃ এম এ আলী, ম্যাড ফর সামু, করুণাধারা, নীল-দর্পণ প্রমুখের মন্তব্যগুলো ভাল লেগেছে। সেই সাথে আপনার দেয়া উত্তরগুলোও। + +
জুন এর ১৩ নং মন্তব্যটা পড়ে আমারও লজ্জা হচ্ছে, কারণ আমার শৈশব কৈশোরে কেন জানি আমার বয়সী অন্যান্যদের মত কোন রাশিয়ান গল্পের বই পড়া হয়নি। এর একটা কারণ হতে পারে রূপকথা টাইপের কোন গল্প আমাকে টানতো না। তবে এখন ভাবছি, এর পরে যখন আমার নাতনি আমার বাসায় বেড়াতে আসবে, তখন ওকে নিয়ে কিছু মজার মজার রাশিয়ান গল্প পড়বো এবং পড়ে শোনাবো।

০২ রা নভেম্বর, ২০১৯ ভোর ৬:৫১

মলাসইলমুইনা বলেছেন: মলাসইলমুইনা বলেছেন: খায়রুল ভাই,
খায়রুল আহসান বলেছেন: জুন, বিদ্রোহী ভৃগু, আহমেদ জী এস, পদাতিক চৌধুর সোহানী, মা.হাসান, রিম সাবরিনা জাহান সরকার, ডঃ এম এ আলী, ম্যাড ফর সামু, করুণাধারা, নীল-দর্পণ প্রমুখের মন্তব্যগুলো ভাল লেগেছে।

এরা সবাই -ই ব্লগে নিজেদের পরিচয়ে খ্যাতিমান । এদের কমেন্টগুলোতেও তাই এদের চমৎকার লেখনী আর চিন্তাভাবনার সক্ষমতার ছাপ ফুটে থাকে সব সময় । আপনার অবজার্ভেশনের সাথে সম্পূর্ণ একমত হলাম । আমার লেখায় এদের মন্তব্য পেয়ে সব সময়ই আমি খুব গর্বিত ।

২৬| ০২ রা নভেম্বর, ২০১৯ ভোর ৬:৫০

মলাসইলমুইনা বলেছেন: খায়রুল ভাই,
খায়রুল আহসান বলেছেন: জুন, বিদ্রোহী ভৃগু, আহমেদ জী এস, পদাতিক চৌধুর সোহানী, মা.হাসান, রিম সাবরিনা জাহান সরকার, ডঃ এম এ আলী, ম্যাড ফর সামু, করুণাধারা, নীল-দর্পণ প্রমুখের মন্তব্যগুলো ভাল লেগেছে।

এরা সবাই -ই ব্লগে নিজেদের পরিচয়ে খ্যাতিমান । এদের কমেন্টগুলোতেও তাই এদের চমৎকার লেখনী আর চিন্তাভাবনার সক্ষমতার ছাপ ফুটে থাকে সব সময় । আপনার অবজার্ভেশনের সাথে সম্পূর্ণ একমত হলাম । আমার লেখায় এদের মন্তব্য পেয়ে সব সময়ই আমি খুব গর্বিত ।

২৭| ১০ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:৩০

নীল-দর্পণ বলেছেন: কেমন আছেন বন্ধু, ভালো নিশ্চই? ব্লগকে আসলে পুরোপুরি ভুলতে পারিনি তাই মাঝে সাঝে আসা হয়, আসতেই হয় :)

১০ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:১৯

মলাসইলমুইনা বলেছেন: আরে বন্ধু আপনি কোথা থেকে এলেন এতদিন পর? আমিও অবশ্য ব্লগ ফেরার প্রায় গত চার পাঁচ মাস । বাইরে থেকে ব্লগ একসেসে কোনো অসুবিধা না থাকলেও নানা ঝামেলায় নিয়মিত হওয়াতো আর হয় না । কিন্তু এখনতো ব্লগ মুক্ত । আপনি অনিয়মিত কেন ? ব্লগ শুরুর প্রথম থেকেতো আপনারাই ব্লগকে এতোটা পথ টেনে আনলেন । আপনাদেরইতো বেশি বেশি ব্লগে আসতে হবে । আপনি ব্লগে নিয়মিত হলে অনেকের মতো আমারও ভালো লাগবে । ভালো থাকবেন ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.