নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

\"Thus let me live, unseen, unknown/ Thus unlamented let me die/ Steal from the world and not a stone/ Tell where I lye \"

মলাসইলমুইনা

Reading maketh a full man; conference a ready man; and writing an exact man. **** -Sir Francis Bacon

মলাসইলমুইনা › বিস্তারিত পোস্টঃ

সেন্ট্রালিয়া : জ্বলন্ত,পরিত্যক্ত এক আমেরিকান শহরের কাহিনী আর কিছু স্বদেশ ভাবনা

১৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:৫৭



আমেরিকার ইস্ট কোষ্টের অন্যতম জনবহুল, শিল্প শহর ফিলাডেলফিয়া থেকে পঁচাশি মাইল উত্তর পশ্চিমে পেনসিলভানিয়ার কলম্বিয়া কাউন্টির এক ছোট শহর সেন্ট্রালিয়া (Centralia) I খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ সেন্ট্রালিয়া ১৮৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত হবার পর থেকে গত শতকের ষাট দশক পর্যন্ত ছিল খুব সম্ভাবনাময় শহর I হাজার অধিবাসীর কোলাহলে মুখর সেন্ট্রালিয়ার ছিল সমৃদ্ধ ব্যবসা বাণিজ্য, প্রশস্থ রাস্তাঘাট,ব্যস্ত দোকানপাট,অভিজাত নেইবারহুড।মাইনিং ব্যবসার প্রসার বিশেষ করে খনি থেকে উত্তোলিত কয়লার ব্যবহার এই শহরের সমৃদ্ধিকে দিনে দিনে বাড়িয়েই তুলেছিল।গত শতকের মধ্য পর্যন্ত কয়লাই ছিল বিদ্যুৎ উৎপাদন, নির্মাণ শিল্পের অন্যতম প্রধান চালিকা শক্তি। আর সেন্ট্রালিয়ার মাটির নিচে ছিল উন্নত মানের এনথ্রাসাইট কয়লার (anthracite coal) বিশাল মজুত।এই উন্নত মানের এনথ্রাসাইট কয়লা সাধারণ কয়লার থেকে বেশি শক্ত যার জন্য এই কয়লা পুড়িয়ে সাধারণ কয়লা থেকে বেশি শক্তি উৎপাদন করা সম্ভব। গত শতাব্দীর শুরু থেকেই তাই সেন্ট্রালিয়ার উন্নতি হয়েছিল খুবই দ্রুত গতিতে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রায় একশত বছর পর্যন্ত সেন্ট্রালিয়া ছিল ইস্ট কোষ্টে আমেরিকান কয়লা উৎপাদনের অন্যতম কেন্দ্র ।১৮৯০ সালের মধ্যেই এই শহরের জনসংখ্যা দ্বিগুনেরও বেশি হয়ে দাঁড়ায় প্রায় ৩০০০। অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির কারণে গত শতাব্দীর প্রথমার্ধে আমেরিকার স্টক মার্কেটে ধ্বস ও গ্রেট ডিপ্রেশনের অর্থনৈতিক ধাক্কাও সেন্ট্রালিয়া সামলে নিয়েছিল সহজেই।

এক সময়ের সমৃদ্ধ ও কোলাহলমুখর পাহাড় ঢাকা অপর্ব সুন্দর শহর সেন্ট্রালিয়া গ্রেট ডিপ্রেশনের তীব্র অর্থনৈতিক চাপ সামলে নিতে পারলেও প্রকৃতির প্রতিশোধ থেকে বাঁচতে পারেনি।সমৃদ্ধির আলোঝলমল সময়গুলোর এক বিষন্ন প্রহরে সেন্ট্রালিয়ার মৃত্যু ঘন্টা বেজে ওঠে মানুষের নির্বিচার পরিবেশ সংহারী কাজকর্মের ফল হিসেবে। ১৯৬২ সালের এক অশুভ সকালে এর শুরু । সেন্ট্রালিয়ার এক শিশু বেড়াতে যেয়ে দাদির বাড়ির পেছনের বুনো গাছ গাছালির আড়ালে মাটির নিচ থেকে ধোয়া উঠতে দেখে অন্যদের জানায় । প্রথম প্রথম সবাই এটাকে পাহাড়ের আড়ালে পচা ডোবার গ্যাস হিসেবে ভুল করে । তাছাড়া খনিতে এ'রকম অগ্নিকান্ড যেহেতু খুব অপরিচিত না তাই শুরুতে এনিয়ে খুব দুশ্চিন্তা হয়নি কারুরই । কিন্তু ধীরে ধীরে নানান জায়গা থেকেই মাটির নিচ থেকে শুধু ধোয়া বের হবার সাথে সেন্ট্রালিয়া উত্তপ্তও হয়ে উঠতে থাকে।শুরু হয় আগুন নেভানোর উদ্যোগ । কিন্তু এক সময় স্পষ্ট হয়ে উঠে যে সেন্ট্রালিয়ার মাটির নিচে মজুত সোনার মতো দামি এনথ্রাসাইট কয়লাতে লাগা আগুন ছড়িয়ে গেছে মাটির নীচে সারা সেন্ট্রালিয়াতেই । এতদিন যে কয়লা সেন্ট্রালিয়ার আনন্দ, আয়ের প্রধান উৎস হয়ে বিরাজ করছিলো সেটাই শহরের সাক্ষাৎ মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ।


ফটো : সেন্টালিয়ার আবাসিক এলাকা ও পাহাড়ে আগুনের উত্তাপ আর ধোয়া

কিভাবে মাটির নিচে মজুত কয়লাতে আগুন লাগলো সেটা কখনোই নিশ্চিত হওয়া যায় নি। সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য থিয়োরিটি হলো সেন্ট্রালিয়ার একটি পরিত্যক্ত কয়লা খনি, যাকে শহরের বর্জ্য ফেলার ডাম্পিং গ্রাউন্ড করা হয়েছিল,পরিস্কার করার কাজ থেকেই এই আগুনের সূচনা ঘটে ।১৯৬২ সালের মে মাসে আমেরিকার মেমোরিয়াল ডে উদযাপনের আগে সেন্ট্রালিয়ার সিটি কাউন্সিল শহরের ডাম্পিং গ্রাউন্ডগুলো পরিষ্কার করার কাজ শুরু করে।সে সময় শহরের পরিত্যক্ত অনেক খনিতে অনেক ডাম্পিং গ্রাউন্ড গড়ে উঠে । শহরবাসীর অভিযোগ ছিল এগুলো থেকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে যাচ্ছে আশে পাশের এলাকায় আর তাছাড়া এই ডাম্পিং গ্রাউন্ডগুলো কাৰণে ইঁদুরের উৎপাত বেড়ে যায় শহরে।সেই অভিযোগে সারা দিয়ে সিটি কাউন্সিল ডাম্পিং গ্রাউন্ডগুলি পরিষ্কার করার উদ্যোগ নেয়। ডেভিড ডিকক(David Dekok)তার ‘ফায়ার আন্ডারগ্রাউন্ড’ বইয়ে লিখেছেন সেন্ট্রালিয়ার সিটি কাউন্সিলের ডাম্পিং গ্রাউন্ড পরিষ্কারের পদ্ধতির কাৰণেই একটি ডাম্পে (যা ছিল একটি পরিত্যক্ত কয়লা খনি) আগুনের সূচনা হয় আর মাটির নিচে মজুত কয়লাতে আগুন ধরার ক্ষেত্রে তা স্পার্কের কাজ করে । একটি ডাম্পে লাগা আগুন মাটির নিচে কয়লার সংস্পর্শে আসা থেকেই মাটির নিচে বিশাল কয়লার মজুত থেকে সেন্ট্রালিয়ার রাস্তার নিচে পরিত্যক্ত খনির টানেলগুলো দিয়ে ধীরে ধীরে ছড়িয়ে যায়।লোকাল মাইনগুলো অতিরিক্ত কার্বন মনোক্সাইড নিঃসরণে স্বাস্থ্য হুমকির কাৰণে বন্ধ করে দেওয়া হয়। বিভিন্ন জায়গায় মাটি খুঁড়ে আগুন নেভাবার উদ্যোগ নেয়া হলেও কোনো উদ্যোগই সাফল্য পায়নি।এই ব্যর্থতার ক্ষেত্রে পরিহাসটা হলো, যে মাইনিং সেন্ট্রালিয়ার উজ্জ্বল পরিচিতির কেন্দ্র হয়ে ছিল প্রায় একশ' বছর সেটাই এই আগুন নেভানোর ব্যর্থতার প্রধান কাৰণ হিসেবে দেখা দেয় । শহর জুড়ে পরিত্যক্ত কয়লা খনির এতো অসংখ্য টানেল ছিল যে এর যে কোনো একটা বা অনেকগুলো পরিত্যক্ত টানেলই মূল অগ্নিকাণ্ডের পেছনে দায়ী হতে পারে। পরিত্যক্ত সব খনির বন্ধ টানেলগুলো পুনঃ উন্মুক্ত করে এই আগুনের উৎস নিৰ্ধাৰণ করা ছিল খুবই ব্যয়বহুল। যা সেন্ট্রালিয়ার মতো ছোট শহরের পক্ষে সম্ভব ছিল না ।

ফটো : তীব্র উত্তাপে ফেটে গেছে হাইওয়ে, ফেটে যাওয়া রাস্তার নীচ থেকে বের হচ্ছে ধোয়া, একসময়ের ব্যস্ত রাস্তাগুলো এখন নির্জন, পরিত্যক্ত

ফটো: পাথুরে রাস্তার নিচে আগুন, উত্তপ্ত পাথরের কাছে ম্যাচ রাখলেই আগুন ধরে যাচ্ছে, সিঙ্ক হোলের উত্তাপে ডিম্ ভেজে দেখাচ্ছে জনৈক অধিবাসী

সময়ের সাথে শহর জুড়ে ভূমি ধ্বস আর তা থেকে নান জায়গার সিঙ্কহোল সৃষ্টি হয় । ধীরে ধীরে উত্তাপ বাড়তে তাকে শহরের ।শহরের কিছু কিছু জায়গায় তাপমাত্রা ৯০০ ডিগ্রি ফারেনহাইট (প্রায় পাঁচশো ডিগ্রি সেলসিয়াস) রেকর্ড করা হয়। শহরের রাস্তাগুলো প্রচন্ড উত্তাপে ফেটে যেতে থাকে আর তার নিচ থেকে বের হয়ে আসতে শুরু করে গরম ধোয়া আর লক লকে লাল আগুন। অধিবাসিদের স্বাস্থ্য সমস্যা বাড়তে থাকে আর ঘরবাড়ি,বাণিজ্যিক বিলডিঙেও বিপদজনক স্ট্রাকচারাল সমস্যা দেখা দিতে থাকে বিপদজনক গ্যাস নিঃসরণ, তীব্র উত্তাপ আর ভূমি ধ্বসের কারণে।এ'প্রসঙ্গে ১৯৮১ সালে গ্রেগ ওয়াল্টার বিখ্যাত পিপল ম্যাগাজিনে আবেগঘন একটা লেখা লেখেন:,জ্বলন্ত শহরের আগুনে এমন কি মৃত ব্যক্তিরাও কবরে শান্তিতে ঘুমাতে পারছে না। শহরের দুটো সেমিটারির ভূমিধ্বস হয়েছে।আর কবরে শায়িত লাশ হয়েছে লক লকে আগুনের গ্রাস ! সে বছরেরই শুরুতে বারো বছরের ছোট এক বাচ্চা উত্তপ্ত সিঙ্কহোলে পরে মারাত্মক ভাবে দগ্ধ হয় ।

ফটো: সেন্ট্রালিয়ার ব্যস্ত লোকাস্ট স্ট্রিট (Locust st.): তখন আর এখন

আগুন শুরু হবার পর থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত ৭ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ের পরেও শহরের আগুন নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি । তাই ১৯৮৩ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে ৪১.৬ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করে সরকার শহরের সব সম্পত্তি কিনে বাসিন্দাদের শহর থেকে রিলোকেট করার সিদ্ধান্ত নেয়।পেনসিলভানিয়া সরকার শহরের সব বাড়িঘর ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয় এই সময়ে । ১৯৯২ সালে শহরের পোস্টাল কোড বাতিল করা হয় । শহরের মাত্র সাতজন লোক কোর্ট অর্ডারের কারণে শহরে থাকার অধিকার পায় ।কিন্তু তাদের নিজেদের বাড়ি ও সম্পত্তি বিক্রি বা হস্তান্তরের সব অধিকার লুপ্ত করা হয় ।

ফটো: বরফ ছাওয়া সেন্ট্রালিয়া কিন্তু কমেনি প্রকৃতির ক্রূদ্ধ আগুনে প্রতিশোধের পালা

পেন্সিলভেনিয়ার পাহাড়ে এখনো শীত আসে।তখন সেন্ট্রালিয়ার পাহাড়ে,সমতলে ঝরে পরে অবিশ্রাম শুভ্র সাদা স্নো।এক সময় সারা সেন্ট্রালিয়া ঢাকা পরে যায় ঝরে পরা অবিরাম স্নোর নিচে । কিন্তু তবুও প্রকৃতির প্রতিশোধ নেওয়া শেষ হয় না ।প্রকৃতি উদার হাতেই আমাদের সুখ স্বাচ্ছন্দের জন্য দিয়েছে অনেক ।কিন্তু প্রকৃতির দানগুলো ব্যবহারের ব্যাপারে আমরা অসচেতন হয়ে উঠলে প্রকৃতি কিন্তু ক্রূদ্ধও হয়ে উঠে কখনো কখনো।এখনো সেন্ট্রালিয়া জ্বলছে কয়লা খনির আগুনে।এই আগুন আরো একশো বছর জ্বলবে পেনসিলভ্যানিয়ার এনভায়রনমেন্টাল প্রটেকশন এজেন্সির হিসেবে । আমি টিভিতে একটা ডকুমেন্টারি দেখেছিলাম সেন্ট্রালিয়ার ওপর সেখানে জিওলজিক্যাল এক্সপার্ট বলেছেন এই আগুন আরো পাঁচশো বছরও জ্বলতে পারে!এক সময়ের সমৃদ্ধ সেন্ট্রালিয়া এখন জ্বলন্ত আগুনের শহর !

ফটো: গ্রাফিটি হাইওয়ে (রুট -৬১) :মাইল জুড়ে পরিত্যক্ত স্টেট্ হাইওয়েতে হারিয়ে যাওয়া শহর স্বরণে অধিবাসী,ট্যুরিস্টদের আঁকা/লেখা

সেন্ট্রালিয়ার নিচের ফটোটা আমি যখনই দেখি তখনি আমার নানা কথা মনে হয় ।অনেক দিন আগে জানুয়ারির এক স্নো ঝরা সকালে আমি পেনসিলভেনিয়াতেই এসেছিলাম বাংলাদেশ থেকে ছাত্র হিসেবে । এখনো গ্রেট লেকসের পার থেকে নিউইয়র্ক বা ওয়াশিংটন ডিসির দিকে ড্রাইভ করে যেতে হলে পেন্সিলভেনিয়ার পাহারের মধ্যে দিয়েই যেতে হয় । এই পথে যাবার সময় মনে হয় 'সাইলেন্ট হিলের' নীরব শহর সেন্ট্রালিয়ার কথাIগত মাসের শেষেই পেন্সিলভেনিয়ার পাহাড়ের মধ্যে দিয়ে নিউইয়র্ক যেতে যেতে মনে হলো সেন্ট্রালিয়ায় প্রকৃতির তান্ডব নিজে চোখে একবার দেখে যাই। কিন্তু নির্বিচারে প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণের মধ্যে দিয়ে পরিবেশ ধ্বংসের হুমকি সৃষ্টি করা মানব সমাজের একজন হয়ে সেই বীভৎস দায়ের মুখোমুখি হতে ইচ্ছে করলো না কেন জানি।তাই আমার আর যাওয়া হলো না সেন্ট্রালিয়া। সেন্ট্রালিয়ার ওপর প্রকৃতির প্রতিশোধ নেবার বীভৎসতা না দেখে পালিয়ে বাঁচতে পারলেও কেন জানি হাজার মাইল দূরে ফেলে আসা বাংলাদেশের পরিবেশ ধ্বংস ও তার পরিনাম সম্পর্কে ভাবনা থেকে পালিয়ে থাকতে পারি না।


কদিন আগেই 'বুল্বুল' দক্ষিণের কিছু অংশের অনেক ক্ষতি করলো। আরেকটা ঘূর্ণিঝড়ও নাকি সামনেই আঘাত করতে পারে । গত কয়েক বছরে বেশ কিছু বড় ধরণের ক্ষতিকর সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড় এসে আঘাত করেছিল দক্ষিণের দ্বীপ আর মেইনল্যান্ডে।এতো ঘন ঘন সামুদ্রিক ঝড় কিন্তু আমাদের ছোট বেলায় দেশে হতো না। ছেলেবেলার চিটাগাঙের সবুজ পাহাড়গুলো নির্বিচারে কাটার খবরে মন অন্তহীন ভারীই হয় শুধু প্রতিদিন। ঢাকা শহরে যেই মাঠগুলোতে আমরা সব পেয়েছির আনন্দ নিয়ে খেলতাম, শুনেছি সেগুলোর কোনোটাই আর এখন নেই। বাণিজ্যিক আর আবাসিক বহুতল বিল্ডিঙের সগৌরবে উপস্থিতিতে সেগুলো লুপ্ত।দেশের সব খানেই সবুজ জমি হারিয়ে যাচ্ছে কংক্রিটের আড়ালে। বিশ্বে ঢাকা পরিচিত হয়ে উঠেছে ধুলাবালিময় আর স্বাস্থ্য হুমকির অন্যতম প্রধান শহর হিসেবে গত এক দশকের মধ্যেই !মাটির নীচ থেকে অনবরত পানি উঠাবার ফলে পানির স্তর অনেক নীচ নেমে গেছে দেশের অনেক জায়গাতে।এতে মাটিতে বাড়ছে লবনাক্ততা যা চাষাবাদের পক্ষে ক্ষতিকর,বাড়ছে ভূমি ধ্বসের আশংকা।দেশে বনাঞ্চলের পরিমান আশংকাজনক ভাবে কমে গেছে।এর মধ্যে আবার সরকার কয়লা চালিত পাওয়ার ল্যান্ট বসানোর সব আয়োজন সম্পন্ন করে ফেলেছেন সুন্দর বনের ধ্বংসের ঝুঁকি নিয়েও।গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ দেশের আশংকায় থাকা একটা দেশ আমাদেরIদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের আভাষ স্পষ্ট হতে শুরু করেছে। সেন্ট্রালিয়ার পাহাড় সারির পাশ দিয়ে ড্রাইভ করতে করতে আমার সব সময়ই মনে হয় দেশের পরিবেশ ধ্বংসের বিষয় নিয়ে কি আমরা ভাবছি আসলেই?দেশের পরিবেশ বাঁচাতে প্রয়োজনীয় কাজগুলো
কি আমরা করছি ? পরিবেশ বাঁচাতে না পারলে আমাদের দেশেরও যে সেন্ট্রালিয়ার মতো একটা করুন ভাগ্য বরণ করতে হতে পারে সেটা কি ভাবেন আমাদের দেশের কান্ডারীরা ? বা আমরা নিজেরাই কি খুব একটা ভাবি?

ফটো: সেন্ট্রালিয়ার কাছেই পেনসিলভ্যানিয়ার পাহাড়ে I-80 দিয়ে পথ চলা (সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে তোলা)

-------
** পেন্সিলভ্যানিয়ার পাহাড় সারি দিয়ে I-80তে প্রায় তিনশ' মাইল ড্রাইভিং নিয়ে এই লেখা একটা ছবিময় ভ্রমণ কাহিনী হতেই পারতো । কিন্তু ক’দিন আগেই পৃথিবীর পরিবেশ আন্দোলনের কিশোরী নেত্রী গ্রেটা থোনবেরীকে নিয়ে ব্লগে খুবই সুন্দর একটা লেখা লিখেছে ওমেরা।কয়েক মাস আগে পরিবেশ নিয়ে আহমেদ জি এস ভাইয়ের লেখা 'পশুরের জলে শেষ জলকর' কবিতাটাও ছিল অনেক ভালোলাগার Iসেন্ট্রালিয়ার অল্প দূর দিয়ে ড্রাইভ করতে করতে দেশের পরিবেশ নিয়ে মনে উঠে আসা কিছু আশংকা আর ওমেরা ও আহমেদ জি এস ভাইয়ের কবিতা মিলেই আমার ভ্রমণ কাহিনীটা কেমন করে যেন পরিবেশ ভাবনার এই লেখায় বদলে গেলো Iতাই প্রিয় দুই ব্লগারকেই মনে করছি এই লেখায় I

***লেখার উৎস : সেন্ট্রালিয়ার ওপর লিখিত সরকারি বেসরকারি অনলাইন রিসোর্সেস। ফটো উৎস : ইন্টারনেট ও আমি (I-80 ফটোটা)

মন্তব্য ৪২ টি রেটিং +১৩/-০

মন্তব্য (৪২) মন্তব্য লিখুন

১| ১৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:২১

শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: প্রকৃতি মানুষের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নিচ্ছ।

১৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:৫১

মলাসইলমুইনা বলেছেন: হ্যা, প্রকৃতির সাথে ব্যবহারটা ঠিক ভাবে না করলে সে প্রতিশোধ নেয় --সব সময়ই । ভালো থাকুন । মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ।

২| ১৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:২১

জুন বলেছেন: মনে পড়ে গেলো বহু পুরনো এক সিনেমা how green was my valley র কথা।
আমাদের ভবিষ্যত ভাবার কেউ নেইমলাসইলমু। তাইতো খইয়ামের মত সব রাজনীতিবিদদের একই কথা
"নগদ যা পাও হাত পেতে নাও,
বাকীর খাতা শুন্য থাক "।

+

১৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:০০

মলাসইলমুইনা বলেছেন: আপনার সত্যি কথাটা শুনে মনের কষ্টটুয়া আরো একটু বাড়লো । হ্যা, আমাদের পরিবেশ নিয়ে ভাববার কেউ নেই করতে ব্যক্তিদের মধ্যে । এই পরিবেশটা ঠিকঠাক সংরক্ষণ করতে না পারলে যে দেশের উন্নয়ন সব মাটি সেটাও মনে হয় বোঝার মতো কেউ নেই আমারদের কর্তাদের মধ্যে। শুধু আফসোস করা ছাড়া মনে হয় আর কিছু করার নেই । ভালো থাকুন । মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ।

৩| ১৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:৫৫

রূপম রিজওয়ান বলেছেন: "শহরের কিছু কিছু জায়গায় তাপমাত্রা ৯০০ ডিগ্রি ফারেনহাইট (প্রায় পাঁচশো ডিগ্রি সেলসিয়াস) রেকর্ড করা হয়।"
!?!?
রঞ্জনবাদী বিশ্বমোড়লদের টনক তবু নড়বে না। আসন্ন মহাবিপর্যয় তো ওঁদের কাছে এখনো নেহাতই কল্পকাহিনী।

++

১৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:১২

মলাসইলমুইনা বলেছেন: রূপম রিজওয়ান
অনেক ধন্যবাদ লেখাটা পরে মন্তব্য করার জন্য ।
একটি এপর্যায়ে সেন্ট্রালিয়ার কিছু অংশে টেম্পারেচার ৯০০ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা ৪৮২.২২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয় । আমি সহজ করে বলতে গিয়ে ৫০০ সেলসিয়াস ডিগ্রি বলেছি । হ্যা এটাই আশ্চর্যের যে টেকনোলজির এতো উন্নতির পরেও কয়লা ব্যবহারের চেষ্টা অনেকেই করেছে । আমেরিকায় কয়লা ব্যবহার থেকে সরে সোলারের ওপর যে জোর দেওয়া হয়েছিল ওবামার সময় সেটা বদলে ভোট ঠিক রাখতে ট্রাম্প এডমিনিস্ট্রেশনও কয়লা ব্যবহারে অনেক ছাড় দিয়েছে । রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত এব্যাপারে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ।

৪| ১৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:০৪

ওমেরা বলেছেন: প্রকৃতি, পরিবেশ মানুষের জন্য । কিন্ত আমরা মানুষেরা ভবিষ্যতের চিন্তা না করে নিজেদের সাময়িক স্বার্থের জন্য
এর অপব্যাবহার করেই যাচ্ছি, তো প্রকৃতিও তো প্রতিশোধ নেবেই।

আপনাদের ট্রাম্পবাবু আমাদের গ্রটাকে থামানোর অপচেষ্টা করছে !! সে হচ্ছে পৃথিবীর সব চেয়ে দুষ্টলোক সে হচ্ছে পরিবেশ, প্রকৃতির সব চেয়ে বড় শত্রু। তার দেশেই এর প্রতিক্রিয় বেশী হবে কিন্ত অনেক বড়দেশ তাই হয়ত বুঝা যাচ্ছে না , বাংলাদেশ ছোট দেশ সমস্যাটা বেশী দেখা যায় ।
গ্রেটার আন্দলনে শুধু সমর্থন নয় সক্রিয় ভাবে ঝাপিয়ে পরতে হবে সবাইকে ।

অনেক ধন্যবাদ ভাপু চমৎকার লিখায় জন্য আর আমাকে লিখায় স্বরন রাখার আরো আরে একটা মানে ডবল ধন্যবাদ ।

১৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:২২

মলাসইলমুইনা বলেছেন: প্রিয় ওমেরা,
লেখাটা পরে একটা বড় আর সুন্দর মন্তব্য আর ডবল ধন্যবাদের জন্য কোয়াড্রপল ধন্যবাদ দিলাম ।
হ্যা, আপনার কথাটাই সত্যি -যখনি আমরা প্রকৃতির সাথে ঠিক থাকে ব্যবহার করিনা তখনি প্রকৃতি প্রতিশোধ পরায়ণ হয়ে ওঠে । আগের মন্তব্যেই ট্রাম্প সাহেবের কাউন্টারপ্রোডাক্টিভ এনভায়রনমেন্ট পলিসির কথা বললাম । হ্যা আমেরিকার জন্য বড় ধরণের একটা ডিজাস্টার এই লোক । গ্রেটার ব্যাপারে ট্রাম্পের চেয়ে কিন্তু পুতিনের সমালোচনা আরো বেশি তীক্ষ্ণ । গ্রেটার সাথে দ্যাখা হলে বলবেন আমরা সাধাৰণ আমেরিকাবাসীরা স্যরি বলেছি ট্রাম্পের আচরণের জন্য । ভালো থাকুন ।

৫| ১৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:২০

মা.হাসান বলেছেন: পশুর নদীর সাথে যে পাশবিক আচরন করা হচ্ছে, সুন্দরবন অচিরেই ইতিহাস হবে। ঢাকায় লোকে টিকেট কেটে বোটানিকাল গার্ডেনে যেয়ে গাছ দেকগে আসে, খুলনাতেও হয়তো বোটামিকাল গার্ডেন করতে হবে। লোভ এবং অন্ধ জেদের কাছে শুভ বুদ্ধি পরাস্ত।

১৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:৫২

মলাসইলমুইনা বলেছেন: মা.হাসান,
জ্বি ভাই, ঠিক বলেছেন
তার সাথে নিজেদের অসচেতনতাও মনে হয় এই সর্বধ্বংসী পরিণতি ডেকে আনার জন্য দায়ী ।
আপনার লেখার ডিমভাজির সাথে কি আমার লেখার ডিম ভাজা ফটোটার কোনো মিল আছে ?
মন্তব্য করার ইচ্ছে রইলো আপনার লেখায় । আজকে রাতে দেখি যদি করা যায় মন্তব্য ।
লেখাটা পড়ার আর মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ ।

৬| ১৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:৪০

রাজীব নুর বলেছেন: প্রকিতি মানূষকে ক্ষমা করে না। সে কঠিন শাস্তি দেয়। কাজেই প্রকিতিকে ভালোবাসতে হবে, সেবা করতে হবে।

১৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:৫৬

মলাসইলমুইনা বলেছেন: রাজীব নুর,
একদম সার সত্যটা বলেছেন লেখার --প্রকিতিকে ভালোবাসতে হবে, সেবা করতে হবে।
লেখাটা পড়ার আর মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ ।

৭| ১৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:৩৩

হাবিব স্যার বলেছেন: আপনার ব্লগ সবসময় অসাধারণ হয়। এটাও তার ব্যতিক্রম নয়। প্রকৃতির ভয়ংকর প্রতিশোধ।

১৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:১৬

মলাসইলমুইনা বলেছেন: হাবিব স্যার,
হ্যা, প্রকৃতি প্রতিশোধ নেয় । কঠিন করেই নেয় মাঝে মাঝে ।
আমার সাধারণ লেখায় এমন আন্তরিক মন্তব্যে অনেক ধন্যবাদ ।

৮| ১৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৩৪

আহমেদ জী এস বলেছেন: মলাসইলমুইনা,




সেন্ট্রালিয়ার কাহিনী নিয়ে লেখার যে সেন্ট্রাল পয়েন্ট- পরিবেশ নিয়ে স্বদেশ ভাবনা; তা পড়তে গিয়ে মনে হলো, পরিবেশ নিয়ে আমরা অনেকেই তো অনেক হা-হুতাশ করি লিখে লিখে। কিন্তু যাদের আসলে করার তারা একান্তই নির্বিকার। মনে পড়লো, আমি নিজেও কিছু কিছু লিখেছি, যেমন পশুরের জলে শেষ জলকর ........... । প্রকারন্তরে সুন্দরবনের কথা আসতেই মনে হলো এই কবিতাটির কথা আপনাকে বলি। কিন্তু শেষের দিকে এসে দেখি, আপনি নিজেই তা উল্লেখ করে আমাকে মনে করেছেন। কৃতজ্ঞ

কিশোরী গ্রেটা থোনবেরী সোচ্চার, ধেয়ে আসা এক অশনি সংকেতের শব্দ নিয়ে। আর তাকে অনুভবের উঠোনে এনে ব্লগের পাতায় জোরালো করে তুলেছেন আর এক ওমেরা

হ্যা...প্রকৃতি ছেড়ে কথা কয়না। অসংখ্য ঝড় ঠেকিয়ে রেখে যে বনখানি আমাদের ত্রাতার ভূমিকায় বারেবারে বুক পেতে দিয়েছে তাকে আমরা ঝেঁটিয়ে বিদায় করতে উঠে পড়ে লেগেছি। অদূর ভবিষ্যতে ঘূর্ণিঝড়ের উতল হাওয়া যখন বয়ে যাবে নিঃস্পন্দ জনপদে বাধাহীন তখন হে বাঙালি; বুঝবে তুমি বুঝবে।

আসলে আমরা, যতো অসুন্দরের সেবক এক জাতি! প্রকৃতিই হোক বা মনুষ্য সৃষ্টিই হোক, সুন্দরতাকে কতোখানি গিলে খেলে লাভের বখরা কতোটুকু হবে এই নেশায় বিভোর অদ্ভুত এক অমানুষ প্রজাতি। জল জংগলের করুন আর্তনাদে আমাদের বিচলিত হলে চলেনা। সুন্দরের রূপে বিস্ময়াভিভূত হইনে আমরা , বিস্ময়াভিভূত হই লাভের অংকে!

পেনসিভেনিয়ার সবুজ আরণ্যক পাহাড়ী পথে যেতে যেতেও ভ্রমনের যে আনন্দ তা বাদ দিয়ে আপনার মনে ফেলে আসা স্বদেশকে নিয়ে যে আশংকা ভর করেছে করুণ আর্তনাদ হয়ে, তাতে এক দেশপ্রেমিকের ছবিই শুধু দেখছি।

সবুজ স্যালিউট.................

১৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:৩০

মলাসইলমুইনা বলেছেন: আহমেদ জী এস ভাই,

আমার সাধারণ লেখাও বুঝি অসাধারণ হয়ে উঠলো আপনার এই অসামান্য মন্তব্যে ।
অনেক ধন্যবাদ, মাথায় হঠাৎ হঠাৎ আসা দেশ নিয়ে সাধারণ ভাবনার সাধারণ লেখায় এই চমৎকার কমেন্টের জন্য ।
এই লেখায় প্রাসঙ্গিক ভাবেই আবার দাবি জানিয়ে রাখলাম 'ঋদ্ধ'-র সম্পাদককে --এবারের সংকলনে আপনার 'পশুরের জলে শেষ জলকর ' কবিতাটা যেন তারা নির্বাচিত করেন সেজন্য। আর আমার লেখায় ভুল করা আপনার কবিতার শিরোনামটাও শুদ্ধ করে দিলাম । আর ভুলের জন্য চাওয়া থাকলো বিড়াট একটা স্যরি। ভালো থাকবেন ।

৯| ১৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:০৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: চমৎকার লিখেছেন।
সেন্ট্রালিয়ার একাল-সেকাল পড়ে কবিগুরুর সেই কথাই মনে পড়লো,
দাও ফিরে সে অরণ্য লও এ নগর।
শুধু রাষ্ট্রীয় আইন নয়, দরকার জন সচেতনতা। আমাদের মধ্যে সেই চেতনার প্রসার ঘটুক। আমরা প্রত্যেককেই যেন কিছু না কিছু পরিবেশবান্ধব হয়ে উঠি।
শুভকামনা জানবেন।

১৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:২৮

মলাসইলমুইনা বলেছেন: পদাতিক চৌধুরী,
শুধু রাষ্ট্রীয় আইন নয়, দরকার জন সচেতনতা। আমাদের মধ্যে সেই চেতনার প্রসার ঘটুক। আমরা প্রত্যেককেই যেন কিছু না কিছু পরিবেশবান্ধব হয়ে উঠি। আমার লেখার মূল কথাটাই এটা আপনি যা বললেন ।সরকারের উদ্যোগ দরকার আছেই কিন্তু আমাদের নিজেদের সচেতনতা না বাড়লে পরিবেশ ধ্বংসের হাত থেকে নিজেদের বেঁচে থাকে খুব কঠিন হয়ে যাবে । অনেক ধন্যবাদ লেখাটা পরে সুন্দর মন্তব্যের জন্য ।

১০| ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৩:২৬

বলেছেন: তথ্য সমৃদ্ধ পোস্ট থেকে অনেক কিছু জানতে পারলাম।।।।

প্রকৃতি নিজ হাতে প্রতিশোধ নেয় - আজ অথবা কাল
না জানি কবে বঙ্গ দেশে লাগে সে তাপ।।।।

১৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:৫২

মলাসইলমুইনা বলেছেন: ব্লগার ল,
জ্বি --প্রকৃতি মাঝে মাঝে মমতাময়ী রূপ ছেড়ে কঠিন প্রতিশোধ পরায়ণ হয়ে উঠে । সেটা আমরা যদি একটু উপলব্ধি করতে পারি আর সচেতন হতে পারি পরিবেশ সংরক্ষণের ব্যাপারে তাহলেই ভালো । অনেক ধন্যবাদ লেখাটা পড়া আর মন্তব্যের জন্য ।

১১| ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:০৮

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
বাংলাদেশেও বড়পুকুরিয়ার পর আর কোন কয়লাখনি খোড়ার অনুমতি দেয়া হয় নি।
পুর্ববর্তি সরকার এশিয়া এনার্জিকে খুড়তে ঠিকা সিদ্ধান্ত দিয়েছিল ৯৭:০৩ কয়লা অনুপাতে। কিন্তু জনবিক্ষোভে কাজ সুরু হয় নি।
তত্তাবধায়ক সরকারও এশিয়া এনার্জিকে অগ্রসর হতে বলেছিল। হাসিনা সরকারও ইতিবাচকই ছিল। কিন্তু পরে যানা যায় কয়লা উত্তলন করা হলে শত শত বর্গমাইল এলাকার ভূগর্ভস্থ পানি ড্রেইন হয়ে এলাকা পানিশূন্য হয়ে মরুভূমিতে পরিনত হবে। এরপর কয়লা উত্তলন সিদ্ধান্ত চিরতরে বাতিল হয়।

১৯ শে নভেম্বর, ২০১৯ ভোর ৬:৩৭

মলাসইলমুইনা বলেছেন: হাসান কালবৈশাখী,
অনেক ধন্যবাদ অনেকগুলো তথ্য জানাবার জন্য।আমাদের প্রতিটি সরকারই সময় সময় অনেক বিষয়েই প্রশংসনীয় পলিসি প্রণয়ন করেছে জাতীয় স্বার্থে । অনেক ক্ষেত্রে আবার পারেওনি । কিন্তু নানা কারণে ব্যর্থতার সব ক্ষেত্রেই কড়া সমালোচনা করার দরকার আছে সেটাও আমি মনে করি না । কিন্তু তবুও আমার মনে হয় পরিবেশ নিয়ে যতটুকু সক্রিয়তা আর সচেতনতা দেখাবার দরকার ছিল আমাদের সরকারগুলোর সেগুলো তারা দেখতে পারে নি । এর একটা সমস্যা হলো তাতে দেশে ব্যক্তি পর্যায়ে পরিবেশ সংরক্ষণের ব্যাপারে যে সচেতনতা সৃষ্টি করা দরকার সেটা সফল ভাবে সৃষিট করা যায়নি । সেই কথাটাই আসলে লেখায় বলতে চেয়েছি কোনো একটি সরকারের সফলতা বা ব্যর্থতার কথা না বলেই । লেখাটি পরে মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ নেবেন ।

১২| ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:৩৭

রাজীব নুর বলেছেন: এখন শহরটি ভূতুড়ে হয়ে গেছে।

১৯ শে নভেম্বর, ২০১৯ ভোর ৬:৫৭

মলাসইলমুইনা বলেছেন: রাজীব নুর,

জ্বি, পুরোই ভুতুড়ে ---এখন মাত্র ছয়জন বাসিন্দা কোর্ট অর্ডারের কারণে পরিত্যক্ত শহরটিতে থাকাতে পারছে (লেখায় বলা সাত জনের একজন মারা গেছেন খুব সম্ভবত ২০১০/১২ সালে )। অনেক ধন্যবাদ লেখাটা পড়া আর মন্তব্যের জন্য।

১৩| ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৫১

ফয়সাল রকি বলেছেন: তথ্যবহুল পোষ্ট। +++

১৯ শে নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৭:২৬

মলাসইলমুইনা বলেছেন: ফয়সাল রকি,
অনেক ধন্যবাদ পোস্ট পড়া আর মন্তব্যের জন্য ।

১৪| ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৫৮

পদ্ম পুকুর বলেছেন: 'তোরা যে যা বলিস ভাই, আমার সোনার হরিণ চাই'

যে কোনো লেখার সাথে পারিপার্শ্বিকতার সংযোগ ঘটাতে পারলেই সে লেখা প্রাসঙ্গিক হয়, একজন ভালো লেখকের শক্তিটা এখানেই। সেন্ট্রালিয়ার পরিণতির সাথে আমাদেরও যে কিছু যোগসূত্র রয়েছে, আমাদেরও যে ওরকম কিছু হতে পারে, সেই সতর্কবাণীই আপনার লেখাকে আলাদা মাত্রা দিয়েছে। কিন্তু লংকায় গিয়ে সবারই রাবন হওয়ার সাধ জাগে, কে শোনে কার কথা।

দূর পরবাসে ভালো থাকবেন।

২০ শে নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৭:১৮

মলাসইলমুইনা বলেছেন: পদ্ম পুকুর,

প্রথমেই চমৎকার মন্তব্যের অন্য ধন্যবাদ ।
'তোরা যে যা বলিস ভাই, আমার সোনার হরিণ চাই' হয়তো আপনার কথাটা সত্যি আমাদের পরিবেশ সংরক্ষনে আমাদের ব্যর্থতা সম্পর্কে । কিন্তু আমার এটাও মনে হয় পরিবেশ ও প্রাকৃতিক খনিজ আহরণ আর ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটা সোনার ডিম পারা হাঁস চাই সেই রূপকথার মতো । কিন্তু অপরিকল্পিত ও স্বেচ্ছাচারী ব্যাবহারে পরিবেশ হাঁসটাকে আবার জবাইও করে ফেলি বেশি সোনার ডিমের আশায় । আর ফলাফল আম ছালা দুটোই হারাই। প্রাকৃতিক ও খনিজ সম্পদ ব্যবহার করতে হয়ত হবেই কিন্তু সেই সাথে পরিবেশ সংরক্ষণ করতে হবে । সোনার ডিম পারে বলেই নিজেদের পরিবেশ যেমন ইচ্ছে তেমন ব্যবহার করি বলেই আমাদের পরিবেশরুপী সোনার ডিম পাড়া হাঁসটার মতো মরেও যায় । এখন আরেকটা কথা আমার লেখা সম্পর্কে পদ্মপুকুরের মতো উদার করে বলা কথাগুলোয় আপ্লুত হলাম । আবারো ধন্যবাদ ।

১৫| ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:৪৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
ঘটনাচক্রে সম্প্রতি সেন্ট্রালিয়াতে যাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল , সেখানকার গ্রাফেটি হাইওয়ে এবং এলাকার দুর্দশাগ্রস্থ দৃশ্যগুলি কিছুটা দেখেছি, সাথে ছিল ইউএস এ তে শিক্ষা সফরে যাওয়া আমার একজন বাল্যবন্ধু, যিনি বাংলাদেশ জিউলজিকেল সার্ভের একজন উর্ধতন কর্মকর্তা। তার সাথে কয়লা খনি হতে কয়লা আহরন ,এর বিপর্যয় এবং এ প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের বড় পুকুরিয়া কয়লাখনি হতে কয়লা আহরন ও পরিবেশ বিপর্যয়কারী বিষয় সমুহ নিয়ে কথা হতো । যাহোক, আমরা প্রচুর পর্বতারোহণ এবং অন্যান্য অনেক মজাদার জিনিসও দেখেছি, সত্যিই একটি বিস্ময়কর জায়গা এবং আমি এটি সারা জীবন মনে রাখব । আমিরিকার জলন্ত পরিত্যক্ত শহড়টি নিয়ে দুর্দান্ত তথ্যের জন্য ধন্যবাদ - আপনার দুর্দান্ত মন আছে, আমি মনে করি বিষয়টির সাথে স্বদেশের কথামালার অবতারনা করে আপনি সমাজে একটি গুরুত্বপুর্ণ সংযোজন ঘটাতে চলেছেন যাতে আমাদের পাকৃতিক সম্পদ আহরনে , ব্যবহারে কিংবা রক্ষনাবেক্ষনে নিয়োজিত সংস্লিষ্ট কতৃপক্ষ যত্নশীল হতে পারে এবং আমাদের দেশের সাধারণ জনতা এসকল বিষয়ে সচেতন হতে পারেন।

মুল্যবান কথামালা ও দুর্লভ ছবি সমৃদ্ধ পোষ্টটি প্রিয়তে তুলে রাখলাম ।

অনেক অনেক শভেচ্ছা রইল

২০ শে নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৮:৫৫

মলাসইলমুইনা বলেছেন: প্রিয় আলী ভাই,

অনেক ভালো লাগলো আপনার মন্তব্য ।
সেন্ট্রালিয়া দেখতে গিয়েছিলেন আপনি জেনে আরো ভালো লাগলো।সেটা জেনেই মনে হলো লেখার বিষয়বস্তু নির্বাচনটা তাহলে একেবারেই খারাপ হয়নি। আপনি এই বছরের শুরুতে মনে হয় একটা সেমিনারে এসেছিলেন ফিলাডেলফিয়া। তখন গিয়েছিলেন সেন্ট্রালিয়া দেখতে ? মন্তব্যের "---যাতে আমাদের পাকৃতিক সম্পদ আহরনে, ব্যবহারে কিংবা রক্ষনাবেক্ষনে নিয়োজিত সংস্লিষ্ট কতৃপক্ষ যত্নশীল হতে পারে এবং আমাদের দেশের সাধারণ জনতা এসকল বিষয়ে সচেতন হতে পারেন" কথাগুলোতে আমার লেখাটার উদ্দেশ্যটা আপনি খুব সুন্দর করে বলেছেন । আমাদের দেশ দ্রুতই আমেরিকা বা পশ্চিমের উন্নত দেশগুলোর মতো হয়ে যাবে সেটা আশা করি না । কিন্তু দেশের অস্তিত্ব বিনাশী পরিবেশ ধ্বংসের ব্যাপারে একটু সচেতন হবো কখনো আমরা সেই আশাটা কখনো ছাড়তে পারি না । এই ব্যাপারে আমাদের সরকারের ভূমিকা আরো প্রতক্ষ ও জোরালো হবে সেটাও আশা করি ।এই ভাবনার থেকেই লেখা।

সামনে কখনো কয়েকটা গল্প পোস্ট করার ইচ্ছে আছে ব্লগে ।ভাবছি আমার সবেধন নীলমনি একটা ব্লগ গল্পে আপনি যেই মন্তব্য করেছিলেন সেটার সাথে এই লেখার আপনার দুর্দান্ত মন আছে মন্তব্যের এই অংশটুকু জুড়ে দেব গল্পের শেষে ।তাতে যদি আমার গল্প নিয়ে ব্লাগরদের সমালোচনা কম হয় । নইলে যা হাবিজাবি লেখা আমার ব্লগাররা হয়তো আমাকে ব্লগ ছাড়া করতে উঠে পরে লাগবে । এখন আপনি অনুমতি দেবেন কিনা সেটাই হলো প্রশ্ন ! বেশ বড় লেখাটা পড়া আর চমৎকার একটা মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ নেবেন । ভালো থাকবেন ।

১৬| ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:২১

করুণাধারা বলেছেন: সেন্ট্রালিয়া সম্পর্কে আমার কোন ধারণা ছিল না, তাই আপনার পোস্ট পড়ে খুব অবাক হলাম। প্রকৃতির প্রতিশোধ এমন হতে পারে!!

এই পোস্ট পড়ার পর থেকেই একটা কথা মনে হচ্ছে- গতকাল আমি মানিকগঞ্জের দিকে যাচ্ছিলাম ঢাকা থেকে। দুপাশে নিচু জমি, যেগুলো ফ্লাড ফ্লো জোন হবার কথা ছিল, তার অধিকাংশই ভরাট হয়ে গেছে। আমি আনমনে ভাবছিলাম, পুকুরওয়ালা বাড়ি একটাও দেখতে পাচ্ছি না! হঠাৎ দেখি একটা বড় পুকুর, তার চারপাশে অনেকগুলো বাড়ি। একটু পরেই বুঝতে পারলাম, এটা পুকুর নয়, জলাভূমি ভরাট করে এইটুকু চিহ্ন রেখেছে...

এই যে নির্বিচারে জলাভূমি ভরাট করা হচ্ছে, এর ফল পেতে রাজধানীবাসীর খুব দেরী হবে না মনে হয়।

চমৎকার পোস্টে লাইক।

২০ শে নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:২৮

মলাসইলমুইনা বলেছেন: প্রিয় ব্লগার করুণাধারা,
অনেক ভালো লাগা মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ।
ঢাকাসহ দেশের বড় শহরগুলোতে নিচু জমি ভরাট করার জন্য জলাবদ্ধতার সমস্যা অনেক দিনের পুরোনো । আপনার মন্তব্য থেকে বোঝা যাচ্ছে এখন এই সমস্যাগুলো বড় শহর ছেড়ে বাইরের দিকেও ছড়িয়ে যাচ্ছে । আমার লেখার সাথে খুবই প্রাসঙ্গিক একটা উদাহরণ দিয়েছেন । আমার অনেকগুলো লেখায় আপনার মন্তব্য নেই । আমার লেখাগুলোতে সময় করে একটু মন্তব্য করবেনতো । আপনার এতো প্রাসঙ্গিক আর সুন্দর মন্তব্যে আমার হাবিজাবি লেখাগুলোও সবার পড়তে অনেক ভালো লাগবে ।তাতে হাবিজাবি লেখার লজ্জ্বা থেকে একটু বাঁচবার পথ হবে আমার। আবারো অনেক ধন্যবাদ চমৎকার মন্তব্যে।ভালো থাকবেন ।

১৭| ১৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:৪৫

নীল-দর্পণ বলেছেন: পড়া শুরু করতে করতে ভাবছিলাম ওয়েস্টার্ন কোন বইয়ের দৃশ্য দেখছি, সেরকমই কিছু পড়বো কিন্তু অনেকটা সেরকমই। মন খারাপ হয়ে গেল সেই শহরেরবাসিন্দাদের কথা ভেবে। তবে নিজেদের কথা ভেবে তেমন বিচলিত নই। এত সময় আছে নাকি আমাদের!

২০ শে নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:১০

মলাসইলমুইনা বলেছেন: বন্ধু,
হাহাহা --না ওয়েস্টার্ন গল্পের কোনো ট্রাজেডি নয়, এটা দুঃখজনকভাবে এই সময়েরই একটা ট্রাজিডি । হ্যা, সত্যিই বলেছেন আমাদের এতো ভাববার সময় কোথায় পরিবেশ নিয়ে ? নুন আনতে আমাদের পান্তা ফুরোয়, কে অতো ভাববে পরিবেশ বাঁচানোর ব্যাপার নিয়ে । চমৎকার মন্তব্যে ভালো লাগা । আরেকটা কথা, ব্লগতো ঠিক হয়ে গেছে ।দেশ থেকে বিশেষ করে ঢাকা থেকেতো আর ব্লগে ঢুকতে কোনো বাধা নেই । আপনাকে তবে নিয়মিত দেখি না কেন এখন ? তাড়াতাড়ি একটা গল্প লিখুন । অনেকদিন আপনার লেখা গল্প পড়ি না । ব্লগে আমার অনেক প্রিয় অপেক্ষার মধ্যে একটা হলো এই যেমন এখন আপনার গল্প পড়ার অপেক্ষা করছি সেটা । ভালো আছেন আশাকরি । সব সময় ভালো থাকুন সেই কামনা সব সময়ই ।

১৮| ১৯ শে নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৮:০৩

বলেছেন: আমিও পোস্টটিকে প্রিয়তবে রাখলুম...
বলা যায় না যেতেও পারি...

২০ শে নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:৪৭

মলাসইলমুইনা বলেছেন: ব্লগার ল,
অনেক ধন্যবাদ লেখা প্রিয়তে নেওয়াতে।
আর সেন্ট্রালিয়া ভ্রমণে ওয়েলকাম । জায়গাটা খুব সুন্দর । ভালো লাগতে পারে আপনার ।

১৯| ২০ শে নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:০০

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
হতাহতের কোন ঘটনা ঘটেছিল কি ?

২০ শে নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫২

মলাসইলমুইনা বলেছেন: মোঃ মাইদুল সরকার,
না, এই শহরের মাটির নিচের প্রচন্ড উত্তাপ বৃদ্ধির জন্য যদিও শহরটা পরিত্যাক্ত হয়েছে কিন্তু সৌভাগ্যের ব্যাপারটা হলো এতে কোনো মানুষ মারা যায় নি।লেখায় যেটা বলেছি বারো বছরের একটা বাচ্চা একটা সিঙ্ক হোলে পরে গিয়েছিলো ঘটনার প্রথম দিকে গত শতাব্দীর ষাটের দশকে । তাতে প্রচন্ড গরমে ঝলসে গিয়েছিলো তার শরীর ।সেটা ছাড়া বড় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায় নি।আর তাছাড়া ঘটনাটা ঘটেছে অনেক বছর ধরে।অগ্নুৎপাতের মতো দ্রুত ঘটলে হতাহত সংখ্যা নিশ্চিত ভাবেই অনেক বেশি
হতো । অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যে জন্য ।

২০| ২০ শে নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:৫৬

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: লেখাটি ভাল লাগল। বিষয়টি জানা ছিল না

২১ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১:৫৯

মলাসইলমুইনা বলেছেন: রেজওয়ান তানিম,
সেন্ট্রালিয়া একটা ছোট শহর। এটা নিয়ে লেখা লেখি আমেরিকার লিডিং হয়েছে নিউজ পেপারে সেটা ঠিক কিন্তু তা অনেক বেশি তা মনে হয় বলা যাবেনা । আমি নিজেও কিন্তু খুব বেশি মানুষকে জানিনা যারা সেন্ট্রালিয়া সম্পর্কে জানেন। যাহোক, অনেক ধন্যবাদ লেখাটা পড়া আর মন্তব্যের জন্য ।

২১| ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:২০

মিরোরডডল বলেছেন: তথ্যপূর্ণ পোস্ট । lots to know.
Sad story and scary as well.
ভালো লেগেছে ।

০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:২৭

মলাসইলমুইনা বলেছেন: মিরোরডডল,
Thanks a lot.
হ্যা অনেক স্যাড পুরো ব্যাপারটাই।আমাদের জন্য অনেক শেখার আছে ব্যাপারটার থেকে সেটা ভেবেই এই লেখা ।
লেখাটা পড়েছেন জেনে খুশি হলাম আর মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.