নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

\"Thus let me live, unseen, unknown/ Thus unlamented let me die/ Steal from the world and not a stone/ Tell where I lye \"

মলাসইলমুইনা

Reading maketh a full man; conference a ready man; and writing an exact man. **** -Sir Francis Bacon

মলাসইলমুইনা › বিস্তারিত পোস্টঃ

নিউমেরোলজি

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:২৯



হ্যারিপটারের গল্পগুলো যারা পড়েছেন বা মুভিগুলো যারা দেখেছেন তারা সবাই জানেন যে গল্পের অন্যতম চরিত্র হারমাইনির (মুভিতে এমা ওয়াটসনের চরিত্রে) প্রিয় সাবজেক্ট ছিল এরাথমেনসি (arithmancy) মানে সংখ্যার জাদুকরী ! এরাথমেনসির জটিল চার্টগুলো ব্যবহার করে ভবিষ্যৎ বলার ক্ষমতা ছিল হারমাইনির সবচেয়ে পছন্দের সাবজেক্ট । বাস্তবে সংখ্যা ব্যবহার করে জীবনের বৈশিষ্ঠ্য নিৰ্ধাৰণের এই অনুশীলনকেই বলে নিউমেরোলজি । নিউমেরোলজি বা সংখ্যা তত্ত্বের ব্যবহারিক ইতিহাস অনেক পুরোনো ।ব্যাবিলনীয় ও মিশরীয় সভ্যতায় সংখ্যাতত্ব ব্যবহারের প্রমান পাওয়া যায় । প্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে চীনের ইতিহাসেও সংখ্যাতত্বের অনুশীলনের প্রমান আছে।কিন্তু গ্রহণযোগ্যতার বিচারে নিউমেরোলজির আলোচিত হয়ে উঠার ভিত্তি পায় বিখ্যাত গ্রিক ম্যাথমেটিশিয়ান আর জিওমেট্রিশিয়ান পিথাগোরাসের কাজের মধ্যে দিয়েই । আন্ডারউড ডাডলি (Underwood Dudley) তার বই “Numerology: Or, What Pythagoras Wrought (Spectrum)” -এ লিখেছেন যে পিথাগোরাস একবার হঠাৎ আবিষ্কার করলেন যে কিছু সিরিজ অড বা বেজোড় নম্বরের যোগ ফলের সাথে এক যোগ করলে ফলাফল সব সময়ই স্কয়ার রুট দিয়ে প্রকাশ করা যায় !একটা ফটো দিয়ে পিথাগোরাসের গুরু তত্বটা সহজ করে বলি:


ফটো : all is number
কি চমৎকার ১ -এর সাথে সিরিজ বেজোড় সংখ্যা যোগ করে কেমন ২স্কয়ার (৪), ৩ স্কয়ার (৯), ৪স্কয়ার (১৬), ৫ (২৫)স্কয়ার, ৬ স্কয়ার(৩৬) মানগুলো পাওয়া যাচ্ছে (দুই হাজার বছরের পুরোনো মাথায় কেমন করে এই চিন্তা আসলো তা আমি এই দুই হাজার বছর পরের মাথা নিয়েও ভেবে পাইনা | আরো চিন্তা করুন এসএসসি-র জ্যামিতি। ত্রিভুজের দুই বাহুর দৈর্ঘ্য তৃতীয় বাহুর দৈর্ঘ্যের চেয়ে বড়।এই নিরস গদ্যময় চিন্তাটাও এই প্রাচীন মাথা থেকেই বের হয়েছিল) ! সংখ্যার এই আচরণে তিনি বিরাট রহস্যময়তার দেখা পেলেন । সে থেকেই তিনি একটা সিদ্ধান্তে আসলেন যে সব কিছুই আসলে নাম্বারের খেলা (all is number)! এই সিদ্ধান্তের একটা ব্যাখ্যা হলো যে পৃথিবীর সব কিছুকেই সম্পর্কিত নাম্বার ও অনুপাত দিয়ে মাপা ও বর্ণনা করা যেতে পারে। এই ধারণা যে অযৌক্তিক তা কিন্তু না । এটা একটা খুব যৌক্তিক ধারণা। আধুনিক বিজ্ঞান ও ম্যাথমেটিক্সে এই ধারণার প্রভাব বিপুল । পিথাগোরাসের এই ‘all is number’ মন্তব্যের আরো একটা ব্যাখ্যা হলো পৃথিবীর সবকিছুই নম্বর দিয়ে তৈরী আর তাই সবকিছুকেই সংখ্যাত্মক মানে প্রকাশ করা যেতে পারে । এই ধাৰণাটাও কিন্তু শুনতে খুব অবাক করার মতো হলেও এর কিছু দৃঢ় ভিত্তি আছে । যেমন H2O এই সংখ্যাত্মক অর্থ দিয়ে কিন্তু আমরা শুধু পানি-ই বুঝি । বলা যায় সংখ্যা সম্পর্কে পিথাগোরাসের মন্তব্যের শেষের ইন্টারপ্রিটেশনটাই আধুনিক নিউমেরোলজির ভিত্তি। ডক্টর জুলিয়া স্টান্টন (Dr.Julia Stenton) বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে নাম্বারের এই স্টাডির নামকরণ করেন 'নিউমেরলজি' । কিন্তু নিউমেরলজি সবার মধ্যে পরিচিত হয়ে উঠে ১৯১১-১৯১৭ সালের মধ্যে এল ডি বালিয়েটের (L. Dow Balliett) লেখা নিউমেরোলজি নিয়ে প্রকাশিত কিছু বইয়ের মধ্যে দিয়ে।

নিউমেরলজি-র বেশ কয়েকটা পদ্ধতি আছে যেমন ক্যালডিয়েন (Chaldean), কাবালাহ (Kabbalah), পিথাগোরিয়ান (Western) I এই পদ্ধতিগুলো বিভিন্নভাবে সংখ্যাকে ব্যাখ্যা করে । এখন পাশ্চাত্যে ব্যবহৃত নিউমেরোলজি সিস্টেমগুলোর মধ্যে পিথাগোরিয়ান নিউমেরোলজিই সবচেয়ে জনপ্রিয়। আমাদের আজকের পোস্টের আলোচনাও তাই পিথাগোরিয়ান নিউমেরোলজি নিয়ে ।

পিথাগোরিয়ান নিউমেরলজি পদ্ধতিতে একজন মানুষের সাথে জড়িত গুরুত্বপূর্ণ নাম্বারগুলোকে,যেমন জন্ম তারিখ, নামের অন্তর্ভুক্ত অক্ষরগুলোর জন্য নির্ধারিত সংখ্যা ইত্যাদিকে সিঙ্গেল ডিজিটে প্রকাশ করা হয় । পিথাগোরিয়ান সিস্টেম ব্যবহার করে নিউমেরোলজিস্টরা এই নাম্বারের ভিত্তিতেই একজন মানুষের জীবনের বিভিন্ন দিক ও বৈশিষ্ঠ্য সম্পর্কে বিশ্লেষণ করেন । সংখ্যা বিশ্লেষণের এই পদ্ধতিতে পাঁচটি শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত করে মানুষের বিভিন্ন বৈশিষ্ঠ্য সম্পর্কে ধারণা দেবার চেষ্টা করা হয় Iএই পাঁচটি শ্রেণী হলো : ১. লাইফ পাথ নাম্বার (Life Path Number),২. (ব্যক্তি) প্রকাশ সম্পর্কিত নাম্বার (Expression/Destiny number), ৩. দর্শনাভূতি সম্পর্কিত নাম্বার (First impression number) ৪. আত্মিক নাম্বার (Inner Soul Number), ৫. চারিত্রিক বৈশিষ্ঠ্য সম্পর্কিত নাম্বার ( Character/Consonant Number) ।

ফটো : পিথাগোরাস

পিথাগোরিয়ান নিউমেরোলজি অনুসারে সব মানুষেরই একটা নাম্বার আছে Iওপরে বলা নিউমেরোলজির পাঁচটি ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত মানুষের ব্যক্তি বৈশিষ্ঠ্যগুলোকে নাম্বারের ভিত্তিতে বিশ্লেষণ করা যায়। এই নাম্বারগুলোর মান হবে সিঙ্গেল ডিজিটে ১-৯ -এর ভেতর । এই নাম্বারগুলো আমাদের ব্যক্তিত্বকে প্রকাশ করে বা আমাদের ব্যক্তিত্বের বৈশিষ্ট্যের প্রতিনিধিত্ব করে । অর্থাৎ এই নাম্বার বিশ্লেষণ করে বলা যায় একজন মানুষের ব্যক্তিত্বের বৈশিষ্ট্যগুলোর প্রকাশ কেমন হবে।যেমন ‘লাইফ পাথ নাম্বার’ পিথাগোরিয়ান নিউমেরলজির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নাম্বার I লাইফ পাথ নাম্বার মানুষের জীবনের সব বৈশিষ্ট্যকে একসাথে করে একজন ব্যক্তির জীবন সম্পর্কে একটা পূর্ণাঙ্গ ধারণা দেয়। ‘লাইফ পাথ নাম্বার’ -এর ভিত্তিতে নিউমেরলজি জীবনের সাধারণ অর্জন ও চ্যালেঞ্জ, প্রাপ্ত প্রধান সুযোগ, সুন্দর একটা জীবনের সুখ সুবিধা নিশ্চিত করার পন্থা বা ক্যারিয়ার চয়েজ সম্পর্কে বিশ্লেষণ করে I এখন সমস্যা হলো আমাদের ‘Life Path Number’টা কেমন করে আমরা জানবো ? লাইফ পথ নাম্বারটা জানার ভিত্তি হলো জন্ম তারিখ । কারো জন্ম দিন, মাস বছর জানলে এই নাম্বারটা জানা সহজ ।

লাইফ পথ নাম্বার দিয়ে নিউমরোলজি এনালাইসিস করা অনেক সময় ঝামেলার হতেই পারে । কলেজের করিডোরে কাউকে দেখে উদাস হয়েছেন ? ক্লান্ত দুপুরে বাসায় ঢোকার মুহূর্তে পাশের বাড়ির বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকা এলোকেশী কোনো মুখ হৃদয় হরণ করেছে ? তাহলেও তাকে সরাসরি জন্ম দিনের কোষ্ঠী জিজ্ঞেস করতে যাবেন না যেন নিউরোলজি দিয়ে তার ব্যক্তি বৈশিষ্ঠের জ্ঞাতিকুষ্ঠি জানতে। কারো কারো লাইফ পথ নাম্বার জানতে জন্ম দিনক্ষণ জিজ্ঞেস করা কিন্তু বিপদজনক হতে পারে আইনগত ও সাংস্কৃতিক ভাবে। তাছাড়া আমাদের দেশে একটা কালচার আছে দুটো জন্মদিনের-একটা সত্যি, আরেকটা সার্টিফিকেট । এই কাৰণে ভুল জন্ম দিনক্ষণ দিয়ে ব্যক্তি বৈশিষ্ঠ্য বিশ্লেষণ করে আপনি বনলতা সেনের মতো মনে করা কারো কাছে দস্যু রানী ফুলন দেবীর মতো কঠিন আচরণ প্রতিদান পেতে পারেন । বা ফুলের মতো চরিত্রের কোনো মানুষ সহসাই হয়ে যেতে পারে ক্যাসিনো কাণ্ডে মুখোশ খসে পড়া গণ্যমান্য জঘন্য রাজনীতিবিদের মতো নোংরা চরিত্রের কেউ !

প্রিয় মানুষের জন্মদিনের গুপ্ত নাম্বার জানেন না বলে কিন্তু হতাশ হবেন না এখনই । নিউমেরোলজিতে আপনার হৃদয়হরণকারী বা কারিনির ব্যক্তি বৈশিষ্ঠ্য জানবার আরো একটি পথ আছে যেই পদ্ধতিটাকে বলে ডেসটিনি নাম্বার বা এক্সপ্রেশন নাম্বার এনালাইসিস ।এই এনালাইসিস করতে আপনার জন্মদিনের গুপ্ত তথ্য জানার জীবনসংশয়করি কোনোই চেষ্টা করতে হবে না । আপনার উনির পুরো নাম দিয়েই তার ব্যক্তি বৈশিষ্ঠ্য এনালাইসিস করতে পারবেন। সেটা নিয়েই নিচের আলোচনা । ডেসটিনি নাম্বার অনুযায়ী মানুষের চরিত্রের বৈশিষ্ঠ্যগুলো কেমন হতে পারে সে সম্পর্কে নিউমেরোলজির ধারনা নিচে শেয়ার করছি । পিথাগোরিয়ান নিউমেরলজিতে সব আলফাবেটের (ইংরেজি) জন্যই একটি করে নাম্বার নির্দিষ্ট আছে। প্রতিটা এলফাবেটের জন্য নির্দিষ্ট নাম্বারগুলো আমরা নিচের চার্ট থেকেই জানতে পারবো ।

ফটো - নিউমেরোলজি নাম্বার চার্ট
এখন আসুন দেখা যাক নিউমেরোলজিতে কিভাবে ব্যক্তির ডেসটিনি নাম্বার বা এক্সপ্রেশন নাম্বারটা বের করা হয় । একটা উদাহরণ দেই – ধরুন কারো নাম আকাশ আলী । তার নামটা ইংরেজিতে লিখুন Akash Ali I এখন ওপরের চার্ট থেকে আকাশ আলী নামের দুটি অংশেরই প্রতিটা আলফাবেটের জন্য নির্ধারিত সংখ্যাগুলো পাশাপাশি লিখে যোগ করুন । নামের দুই অংশেরই নাম্বারের যোগফল দুই ডিজিটের হলে সেই দুটো ডিজিট যোগ করে এক ডিজিটে আনুন I আকাশ আলীর ক্ষত্রে দুই অংশের সংখ্যাগুলোর মান নাম্বারগুলো হবে –
আকাশ আলী
(১+২+১+১+৮) + (১+ ৩+৯)
=(১৩) + (১৩)
=৪ +৪( ১৩-র দুটো ডিজিট ১,৩ যোগ করে পাওয়া যাবে ৪)
=৮
তাহলে সব শেষের এই ৮-ই হলো আকাশ আলীর ডেসটিনি নাম্বার বা এক্সপ্রেশন নাম্বার ।এভাবে সবার নামের জন্য নির্ধারিত সংখ্যাই ১-৯ ভেতর কোনো একটা সংখ্যা হবে । নিউমেরোলজি ডেসটিনি নাম্বার বা এক্সপ্রেশন নাম্বার বিশ্লেষণ করে কোনো মানুষের ব্যক্তিত্ব বৈশিষ্ঠ্য কেমন সেই সম্পর্কে সম্পর্কে ধারণা দেবার চেষ্টা করে । এখানে বলে রাখি যদিও নিউমেরোলজির নাম্বারগুলোকে ১-৯ -র মধ্যে সিঙ্গেল ডিজিটে করার বাধ্যবাধকতা আছে কিন্তু ১১,২২,৩৩ তিনটে নাম্বারকে বলে মাস্টার নাম্বার । এই নাম্বার গুলোকে সিঙ্গেল ডিজিটে প্রকাশ করা যায় না এগুলোর বিশেষ বৈশিষ্ট্যের জন্য।এখন দেখা যাক পিথাগোরিয়ান নিউমেরোলজি ১-৯ নাম্বারের সাথে জড়িত ব্যক্তি বৈশিষ্ঠ্য সম্পর্কে কি বিশ্লেষণ করে ।

ডেসটিনি নাম্বার ১ : জন্মগত নেতৃত্বগুণ, স্বাধীনচেতা (independent)- ডেসটিনি নাম্বার এক সংখ্যাধারীরা জন্মগতভাবেই নেতৃত্ব, উদ্ভাবনী আর ব্যবস্থাপনা গুন্ সম্পন্ন। এরা খুব উদ্যোগী স্বভাবের । সহকর্মী ও অন্যদের উদ্দীপ্ত করতে পারে সহজেই । উচ্চাকাঙ্খী ও পজিটিভ স্বভাবের । সৃষ্টিশীল যে কোনো কাজে এরা সাধারণত সফল । নেতৃত্বগুনের বৈশিষ্ট্যধারী ডেসটিনি নাম্বার ১ -এর বিখ্যাত ব্যক্তি হলেন মহাত্মা গান্ধী ! আমেরিকার কৃষ্ণাজ্ঞ জনগণের স্বাধিকার আন্দোলনের মহান নেতা শান্তিতে নোবেল বিজয়ী মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র।

ডেসটিনি নাম্বার ২ : সহযোগিতা ও দলগত মনোভাবসম্পন্ন (টীম প্লেয়ার) - এদের সম্পর্কে বলা হয় এরা ‘born peacemaker’I যে কোনো পরিস্থিতিতে এরা ভারসাম্যরক্ষার চেষ্টা করে, এরা নির্ভরযোগ্য মধ্যস্থতাকারী। এদের আছে সবার সাথে সহযোগিতার মনোভাব, উদ্ভাবনী শক্তি, অন্যদের সুবিধা অসুবিধা আর চাহিদার প্রতি প্রখর দৃষিট, অংশীদারমূলক মনোভাব, অধ্যাত্বিকতাবোধ সম্পন্ন, কৌশলী ডেসটিনি নাম্বার ২ ধারীদের পেশা হতে পারে আইন, কূটনীতি (ডিপলোম্যাট), আর্কিটেক্ট I ডেসটিনি নাম্বার ২ -এর একজন বিখ্যাত ব্যক্তি হলেন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা । প্রেসিডেন্ট হিসেবে ইতিহাস তাকে কেমন করে মূল্যায়ন করবে আমি জানিনা । কিন্তু প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার সহযোগিতা, অংশীদারমূলক মনোভাব এই সব দক্ষতায় তার সাথে কারো তুলনা সহজ হবে না । আমেরিকান প্রেসিডেন্সির ইতিহাস আলোচনায় এই বিস্ময়টা সব সময়ই থাকবে যে এক টার্ম বয়সী একজন সিনেটর, হিলারি ক্লিনটনের মতো ডেমোক্রেটিক পার্টির সবচেয়ে জনপ্রিয় একজন নেত্রীকে হারিয়ে কিভাবে প্রেসিডেন্ট পদে নমিনেশন পেয়েছিলেন আর সারা পৃথিবীর কোটি মানুষের মন জয় করতে পেরেছিলেন । এসবই কিন্তু অসম্ভব হয়েছিল তার অসাধারণ সহযোগিতার মনোভাবের ফলে সব বয়সী, সব পেশা, সব এথনিক গ্রূপের মন জয় করে গড়ে তোলা এক মহাকোয়ালিশনের কারণে I

এখন নিজের ব্যক্তিগত একটা অভিজ্ঞতার কথা বলি । আমার পিএইচডি প্রোগ্রামের একটা কোর কোর্স ছিল লিডারশীপের ওপর । আমাদের প্রোগ্রাম ডাইরেক্টর, ডক্টর লিগেট পড়াতেন এই কোর্সটা । সেখানে সবাইকেই একাডেমিক জার্নালে পাব্লিশেবল স্ট্যান্ডার্ডের একটা পেপার লিখতে হতো নেতা হিসেবে তাদের পছন্দের কোনো মানুষের ওপর মেইন সেমিস্টার পেপার হিসেবে । ডক্টর লিগেটের ক্লাসে ১৯৯৯ সালে একজন পিএইচডি ছাত্র বারাক ওবামার কমিউনিটি লিডারশিপ ক্ষমতা নিয়ে লিখেছিলো । বারাক ওবামা তখনও সিনেটর হননি, শিকাগোর সাউথ সাইডে পিছিয়ে পড়া আফ্রিকান আমেরিকানদের জীবন মান উন্নয়নের কাজ করেন । সেই পেপারে সেই ছাত্র এটাও লিখেছিলো আগামী পনেরো বছরের মধ্যে এই লোক আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হবে ! সেই লেখার পনেরো বছর না, নয় বছর পরে বারাক ওবামা প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন ! এই কাহিনী ডক্টর লিগেট আমাদের ক্লাসে বলেছিলেন ।

ডেসটিনি নাম্বার ৩ : আশাবাদী,অনুপ্রেরণাদায়ী/নী, বহির্মুখী, এক্সপ্রেসিভ এবং স্বভাবগত ভাবেই সফল গণসংযোগ ক্ষমতার অধিকারী I এরা আদর্শ বক্তা এবং লেখক হিসেবে খুব ভালো হন সাধারণত । কাজের ক্ষেত্রে নিজস্বতা প্রকাশ এদের কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ I এরা উষ্ণ, বন্ধুত্বপূর্ণ, কেরিসমেটিক এবং সামাজিক । যাদের ডেসটিনি নাম্বার ৩ তারা চিত্রশিল্পী, সংগীতজ্ঞ, চিকিৎসা, আইন, অভিনয় ইত্যাদি পেশার ক্ষেত্রে সাধারণত সফল। হিলারি ক্লিনটন, চার্লস ডিকেন্স, আলফ্রেড হিচককের মতো বরণ্য ডেসটিনি নাম্বার তিনের যৌক্তিকতা প্রমান করেছেন তাদের নিজেদের কাজের মধ্যে দিয়েই |

ডেসটিনি নাম্বার ৪ : নিয়ম শৃংখলাপরায়ণ - এরা বর্ন প্ল্যানার। অসাধারণ 'প্রাগমেটিক' স্বভাবের। লক্ষ্য অর্জনের উপায় নির্ধারণের একটা সহজাত ক্ষমতাধারী,লক্ষ্য অর্জনে স্থিরপ্রতিজ্ঞ । উদ্যোক্তা ও ব্যবস্থাপনা জাতীয় পদের জন্য এই বৈশিষ্ঠ্যধারীরা বিশেভাবে উপযুক্ত ।সংগঠক হিসেবে এরা অসাধারণ । এই বৈশিষ্ঠ্যধারীরা স্ট্রাকচার্ড, ও রুটিন কাজে বিশেষভাবে সফল ।এরা সব সময়ই সংগঠনে সর্বোচ্চ মাত্রার কাজের উপযোগী একটা নিখুঁত পরিবেশ তৈরি করতে চায় । এই সংখ্যাত্মক বৈশিষ্ঠ্যের অধিকারীরা একাউন্টেন্ট, নির্বাহী, সফট ওয়ার ডিজাইনার, ব্যাংকিংয়ে র পেশায় সাধারণত ভালো করেন । ডেসটিনি নাম্বার ৪ -এর একজন বিখ্যাত ব্যক্তি হলেন বিল গেটস I হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটিতে মতো একাডেমিক প্রতিষ্ঠানের থেকে স্বেচ্ছায় ড্রপ আউট হবার ঝুঁকি নিয়েছিলেন পল এলেন-এর সাথে মাইক্রোসফট কোম্পানি গড়ার প্ল্যান নিয়ে I মাইক্রোসফট গঠনের নানান উত্থান পতনের একপর্যায়ে পল এলেন চলে গেলেও বিল গেটস মাইক্রো সফটকে পৃথিবীর শীর্ষ স্থানীয় কোম্পানিতে পরিণত করেন অনেকটা একাই এই সবই সম্ভব হয়েছে বিল গেটসের অসাধারণ সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে । আর তার সফ্টওয়ার ডিজাইন সম্পর্কিত গুণাবলী নিয়ে কিছু কি আর বলতে হবে ?

ডেসটিনি নাম্বার ৫: জন্মগতভাবেই এরা পাওনিয়ার বা পথ প্রদর্শক শ্রেণীর । এডভেঞ্চারার, সহজাত, প্রোগ্রেসিভ, নন কনফর্মিস্ট (প্রচলিত মতাদর্শ সম্পর্কে সন্দিহান) স্বভাবের । বহুমুখী বৈশিষ্ট্যধরি এই ব্যক্তিরা সাধারণত আইন, প্রকাশনা, রাজনীতিবিদ, আইনপ্রণেতা, রাজনৈতিক চিন্তাবিদ (পলিটিকাল কমেন্টেটর) হিসেবে সফল । ডেসটিনি নাম্বার ৫ বৈশিষ্ঠ্যধারী একজন বিখ্যাত মানুষ হলেন আমেরিকায় ইসলামের অগ্রযাত্রার অন্যতম পথ পদর্শক ধর্মীয় এবং রাজনৈতিক চিন্তাবিদ ম্যালকম এক্স !

ডেসটিনি নাম্বার ৬ : অনুভূতিপ্রবণ । ট্রেডিশনালিষ্ট Iএই বৈশিষ্ঠ্যধারী ব্যক্তিরা অন্যদের প্রতি সব সময়ই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয় ।এরা খুব ঘরোয়া আর নিজেদের পরিবারিক ব্যাপারের প্রতি সব সময় খুব যত্নশীল । ডেসটিনি নাম্বার ৬- এর মানুষেদের জন্য সবচেয়ে উপযোগী পেশা হলো গৃহ নির্মাণ, শিল্পী, সংগীত শিল্পী, বিউটিসিয়ান, ফ্যাশন ফিল্ড, সংগীতজ্ঞ ইত্যাদি । বিটলের জন লেনন, মাইকেল জ্যাকসন, স্টিভিওয়ান্ডারের মতো সংগীত শিল্পী কিন্তু এই ডেসটিনি নাম্বারধারী !

ডেসটিনি নাম্বার ৭- অন্তস্থ জ্ঞান । এই বৈশিষ্ঠ্যধারীরা বিশ্লেষণধর্মী (এন্যালেটিক) কাজে দক্ষ, জ্ঞান অন্বেষী, ইনভেন্টিভ, বন্ধুবৎসল ব্যক্তিত্ব, পারফেকশনিস্ট । ডেসটিনি নাম্বার ৭-এর মানুষেরা শিক্ষকতা, শিল্পকলা, লেখক/লেখিকা, ফটোগ্রাফার ও গবেষক হিসেবে সফল হন সাধারণত । একটা ধাঁধা ধরি আপনাদের বলেনতো আমাদের ব্লগে এই সব বৈশিষ্ঠ্য ক্যাটাগরির প্রায় সব কটাতে বেস্ট ফিট করে এমন গুণিজনটা কে ?

ডেসটিনি নাম্বার ৮ : ডেসটিনি নাম্বার ৮ বৈশিষ্ঠ্যধারীরা খুবই গোল ওরিয়েন্টেড আর উচ্চাকাঙ্খী। এরা ওয়ার্কহোলিক I কোনো কিছু শুরু করলে এদের সেই কাজ করে ফেলবার ক্ষমতা অসাধারণ । বিচার বুদ্ধি, আর অর্গানাইজেশনে খুব ভালা I এরা নিজের কাজ আর সামাজিক জীবনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখে সব সময় । ডেসটিনি নাম্বার আট বৈশিষ্ঠ্যধারীরা ভালো ওয়ার্ক এথিকের অধিকারী এবং ধীরস্থির।

ডেসটিনি নাম্বার ৯ : মানবিক অনুভূতিশীল । আদর্শবাদী ও সহানুভূতিশীল । এই বৈশিষ্ঠ্যধিকারিরা সাধারণত বিজ্ঞানী,আধ্যাত্মিক নেতা,চিকিৎসক,শিক্ষক,ক্ল্যার্জি হিসেবে সফল । ডেসটিনি নাম্বার নয় -এর একজন বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব হলো মাদার তেরেসা I কি মনে হচ্ছে আচার্য পিথাগোরাস কঠিন মানুষ ছিলেন ! কঠিন অংকের বাঁধন দিয়ে তার তৈরী ব্যক্তির বৈশিষ্ঠ্য বলার পদ্ধতি খুব একটা খারাপ না !

নিউমেরোলজির ব্যাখ্যা নিয়ে বিজ্ঞানীদের মধ্যে মতভেদ আছে কিন্তু এটার একটা বিজ্ঞান ভিত্তিক ব্যখ্যাও থাকা সম্ভব সেই সম্ভাবনা কেউ উড়িয়ে দেননি I এটা নিয়ে চর্চা ও গবেষণা এখনো চলছে।ইতিহাসের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন বিজ্ঞানী,দার্শনিক সংখ্যা বিশ্লেষণের ভিত্তিতে বিভিন্ন বিষয় ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছেন I আধুনিক পাশ্চাত্যের দর্শন যার কাছে অনেক ঋণী সেই সেন্ট অগাস্টিন সংখ্যাতত্বের কার্যকরিতা নিয়ে লিখেছেন I বিখ্যাত মুসলিম গণিতবিদ জাবির ইবনে হাইয়ান তার কিছু গবেষণার কাঠামোতে সংখ্যার ভিত্তিতে তৈরী বস্তুর শ্রেণী বিভাগ ব্যবহার করেন বলে জানা যায়। সংখ্যার এই রহস্যময়তা নিয়ে শুধু সেই প্রাচীন যুগে কেন আমাদের এই সময়েও চর্চা চলছে । হুমায়ুন আহমেদের ফিবোনাচ্চি রাশিমালা নিয়ে লেখা উপন্যাসটা (এই যাহ নামটা ভুলে গেলাম) যারা পড়েছেন তারা জানেন আধুনিক সময়েও পৃথিবীর বিভিন্ন বিষয়ের সাথে সংখ্যার সম্পর্ক নির্নয়ে বিজ্ঞানীরা কেমন অনুসন্ধিতসু। সুতরাং সংখ্যা নিয়ে আমার এই লেখাও তাই দেরি না করে তাড়াতড়ি (লাইক দেওয়া ও কমেন্ট করাটা ফরজ মনে করে) পড়ে ফেলুন !

***এই লেখাটা লিখতে ও ফটো আহরণে একগাদা ইন্টারনেট আর্টিকেলের থেকে জ্ঞানার্জন করতে হয়েছে সেটা বলাই বাহুল্য। সেগুলোর সংখ্যা ও পরিমান এই লেখার অর্ধেক হবে বলে মনে হয় ।তাই আর রেফারেন্স দিলাম না লেখার লেন্থ বিরক্তির ব্যারোমিটারে নিচের দিকে রাখতে ।

মন্তব্য ৪২ টি রেটিং +১২/-০

মন্তব্য (৪২) মন্তব্য লিখুন

১| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:৫০

রাজীব নুর বলেছেন: এই আধুনিক যুগে নিউমেরোলজি কেউ বিশ্বাস করে না। তবে অনেকের আগ্রহও আছে বেশ।

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:৫৭

মলাসইলমুইনা বলেছেন: রাজীব নূর,
নিউমেরোলজি বিশ্বাস না করলেও যে কমেন্ট করা ফরজ মনে করে কমেন্ট করেছেন সেটাই ভালো (লাইকটা অবশ্য ফরজ মনে করেন নাই !)।
ধন্যবাদ রাজীব নূর ।

২| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:২৯

করুণাধারা বলেছেন: আমার প্রিয় বিষয়ের উপর পোস্ট দিয়েছেন! খুবই ভালো লাগলো। লগইন করাই হয় না আজকাল, এখন শুধু লাইক দিতে লগইন করলাম। পুরোপুরি পড়িনি, সময় নিয়ে পড়বো।

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১৭

মলাসইলমুইনা বলেছেন: করুণাধারা,
খুবই খুশি হলাম এই লেখার শুরুতেই আপনার মন্তব্য দেখে।এই লেখা লিখতে লিখতে সব সময়ই আপনার সোনালী অনুপাত আর ফিবোনাচ্চি রাশিমালা নিয়ে লেখাটার কথা মনে হয়েছে।আপনার লেখাটা সিরিয়াস ধরণের ছিল কিন্তু আমার এই লেখাটা সেরকম কিছু না। একটু মজা করার চেষ্টা করলাম এই লেখাটাতে যাতে সবাই পড়ে মজা পায় । লেখাটা পরে মন্তব্য আর লাইকের জন্য অনেক ধন্যবাদ । ভালো থাকবেন ।

৩| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:২০

সুপারডুপার বলেছেন: ভুল লিখেছেন :''আরো চিন্তা করুন এসএসসি-র জ্যামিতি । সমকোণী ত্রিভুজের দুই বাহুর দৈর্ঘ্য তৃতীয় বাহুর দৈর্ঘ্যের সমান ।''
তাই আপনিও ও আরো চিন্তা করুন।

কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের সংখ্যা -সৌভাগ্যের চাবিকাঠি - মহাজাতক বইটাও ডাউনলোড করে পড়তে পারেন (লিংক :https://publication.quantummethod.org.bd/) । কিন্তু সব শেষে রেজাল্ট এগুলো কাজ করে না। কাকতলীয় ভাবে শুধু মাত্র কিছু সময় মিলে যায়। তাই জ্যোতির্বিদ্যা ও জ্যোতিষবিদ্যা একসময় অভিন্ন থাকলেও, পরে আলাদা হয়েছে।

০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৯ ভোর ৬:১০

মলাসইলমুইনা বলেছেন: সুপারডুপার,
আপনিতো দেখি সুপার পাঠক ! এতো মনোযোগ দিয়ে ব্লগ পড়েন ! আমি আর কি চিন্তা করবো ? আপনিতো জলবৎ তরলং ধরিয়ে দিলেন ভুলটা। আর তাতেই ভুলটা শুদ্ধতায় বিবর্তিত এখন ! ধন্যবাদ । আর করুণাধারার মন্তব্যের উত্তরে বলেছি নিছক মজা করে লেখাটা এটা । এর সাথে আমার ব্যক্তিগত বিশ্বাসের কোনো সম্পর্ক নেই । আর কোয়ান্টাম ফিজিক্স নিয়ে আমার অনেক আগ্রহ থাকলেও এই মহাজাতকের ব্যাপারে বা এই জাতীয় মহাজাগতিক কোনো মনুষ্য বা প্রাণীর ব্যাপারে কেন আগ্রহ নেই । ইহ জন্মে তাদের কোনো লিটারেচার আমার পড়া হয়নি হবার সম্ভাবনাও কোনোভাবেই শূন্য ভাগের বেশি দেখি না । অনেক আগে ইত্তেফাকে বিশাল মোচ আর বাবরি চুলের এই মাহাজাতক সাহেব হাত দেখাবার বিজ্ঞাপন দিতেন ।তখন কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন বলতে ইনার কোনো কিছুর মালিকানা ছিল না । নিউমার্কেট বা নয়াপল্টন এলাকায় সম্ভবত তিনি হাত দেখার কাজ করতেন । আর এখনতো শুনি বিবর্তনবাদ সত্যি করে হাত দেখা জ্যোতিষী থেকে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন না কি আরো হাবিজাবি করে তিনি প্রায় আধ্যাত্মিক গুরু গোছের কিছুতে বিবর্তিত হয়েছেন ! আমাদের দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা যে পচে গলে গেছে সেটার একটা জ্বলজ্যান্ত প্রমান মনে হয় মহাজাতক সাহেব আর তার কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন ! মানুষ কি পরিমান অশিক্ষা কুশিক্ষায় হাবুডুবু খেলে যে এদের কাছে যায় আত্মিক উন্নতি সাধন করতে আল্লাহই জানেন !যাহোক লিংক দেবার কষ্ট করার জন্য ধন্যবাদ যদিও আপনার পন্ডশ্রম হলো বলে খারাপ লাগছে । কিন্তু সব শেষে রেজাল্ট এগুলো কাজ করে না। কাকতলীয় ভাবে শুধু মাত্র কিছু সময় মিলে যায়। আপনার এই কথার সাথে একমত হয়ে বলি এটা বোঝার জন্য মহাজাতকের কাছে যাবার আসলে কোনোই দরকার নেই। এই লেখা শুধুই চলমান কিছু মানুষের বিশ্বাসগত একটা পদ্ধতি নিয়ে লেখা আর ব্লগে মজা করার জন্যই লেখা । এর আর কোনো উদ্দেশ্য নেই । পোস্ট পড়া আর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ নেবেন ।

৪| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৩৭

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: জটিল গণনা। আমার আগ্রহ আছে।

০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৯ ভোর ৬:৫৪

মলাসইলমুইনা বলেছেন: বলেন কি সাহেব !
স্বপ্নবাজ, ছেলেবেলায় হারানো সোভিয়েত শৈশবের সৌরভ নিয়েই সুর্যোদয়াস্ত ব্যস্ত থাকুন সমস্ত কাজ বাদ দিয়ে ---আর আমাদের সোভিয়েত ভিসাগুলো এই বেলায় জোগাড় করে দিন দিনের পর দিন ।নিউমেরোলজি নিয়ে অন্যেরা মাথা ঘামাক । অনেক ধন্যবাদ লেখাটা পড়ে মন্তব্য করার জন্য ।

৫| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৪৬

রমিত বলেছেন: আমি একসময় নিউমেরোলজি নিয়ে লেখাপড়া করেছি।
এর দ্বারা ভীষণ প্রভাবিতও হয়েছিলাম।
এখনো তার কিছুটা রেশ রয়েছে।

০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:০৪

মলাসইলমুইনা বলেছেন: রমিত,
হ্যা ---বেশ ইন্টারেস্টিং ব্যাপারটা ।আমার মনে আছে খুব ছোট বেলায় নববর্ষ সংখ্যা বিচিত্রায় একবছরের রাশি গণনা নিয়ে একটা লেখা থাকতো ।আমরা মহা উৎসাহে সেটা পড়তাম। এই ব্যাপারগুলো সেই তখন জানলে আমি আরো ইনজয় করতাম । এতো বড় লেখাটা পরয়েছেন আর কষ্ট করে মন্তব্যও করেছেন দেখে খুবই কৃতজ্ঞ । ভালো থাকুন।

৬| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


পীথাগোরাস উনার জ্যামিতিক অবদানের জন্য বিশ্ববিখ্যাত; নামের থেকে নম্বর বের করে যদি মানুষের ব্যক্তিত্ব ইত্যাদি সম্পর্কে ধারণা করার চেষ্টা করা হয়, উহা রাশি গণনার স্তরে চলে যাবে, ভুল হবে।

০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:৫২

মলাসইলমুইনা বলেছেন: চাঁদগাজী সাহেব,
পিথাগোরাস, একটা সম্ভাবনা ভেবেই মনে হয় ব্যাপারটাতে আগ্রহী হয়েছিলেন । সেই সম্ভাবনাটা দুই হাজার বছর পরেও সম্ভাবনাই রয়ে গেছে ।প্রমান করা যায়নি । বিজ্ঞানীরা করুক সেই চেষ্টা । আর কিছু মানুষ না হয় পিথাগোরিয়ান বিদ্যা বেঁচে একবেলা পেট পুড়েই খাক এই দুরমূল্য বাজারে খুব কি আর এসে যাবে ? আপনাকে ব্লগে দেখে সবার মতো আমারও ভালো লাগছে । আশাকরি এখন শরীর ভালো আছে । নিউইয়র্কের শীতে একটু সাবধানে থাকুন । লেখাটা পড়ে মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ।

৭| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১২

হাবিব স্যার বলেছেন: এইসব উদ্ভুত জটিল জিনিস বুঝতে শিখতে আমার ভাল লাগে

০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:০৮

মলাসইলমুইনা বলেছেন: এটাতো জটিল কিছু না। এটা সম্পর্কে যখন জানবেন তখন খুব ইন্টারেষ্টিং লাগবেই তার কোনো গ্যারান্টি মনে হয় না দেওয়া যাবে ! ভালো থাকুন ।

৮| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:০৭

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: দারুন !

একসময় বেশ ঘাটাঘাটি করেছি।
ট্যারট কার্ড, পিরামিড ... আহা সব অংকের খেলা!

নামের মৌলিক সংখ্যা সূত্রে ৯ এর সারথী ;)
মিল মানে পুরাই মিল B-)

++++

০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৭:৫৫

মলাসইলমুইনা বলেছেন: বিদ্রোহী ভৃগু,

হাহাহা ---। আচার্য পিথাগোরাসতো দেখি দুই হাজার বছর আগেই ঠিক ঠিক নয় নাম্বারের জাদুতে আপনার কথাই বলেছেন ! মানবিক অনুভূতিশীল । আদর্শবাদী ও সহানুভূতিশীল ! ব্লগ ডে ২০১৯ : আমি আসছি। আপনি?; সড়ক আইন, বাস্তবতা ও শুভকংরের ফাঁক; হেনী নদীর ‘কিউসেক কিউসেক’ হানি ও বুদ্ধিজীবীদের দালান্ধ দেশপ্রেম! বনাম করণীয়; মানবিক দানবিক -এই সব ব্লগপোস্ট রচয়িতাতো অবশ্যই মানবিক অনুভূতিশীল । আদর্শবাদী ও সহানুভূতিশীল ডেসটিনি নাম্বার নয়ের (৯) এই সব বৈশিষ্ঠের অধিকারই হবেন ! অতএব চাঁদগাজী সাহেবকেতো বলতেই হচ্ছে দেখি যে আচার্য পিথাগোরাসের দুই হাজার বছরের পুরোনো তত্ত্ব, আধুনিক জামানার আমাদের ব্লগ তথ্য দিয়েই প্রমাণিত !!

ও ভালো কথা, আপনার লেখায় কমেন্ট করতে গিয়ে মনভার দেখেই ট্যাগরের স্বরণাপন্ন হতে হলো । ব্লগ ডে সফল হোক দূর থেকে নীরবে সরবে সেটাই চাইছি ।ভালো থাকবেন ।

৯| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১২:৪৯

শের শায়রী বলেছেন: এই সব ব্যাপারে সব সময়ই আগ্রহ আছে। যদিও নিউমরোলজি নিয়ে জ্ঞান প্রায় শুন্যের কোঠায়। তবুও পড়তে ভালো লেগেছে।

০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:৩২

মলাসইলমুইনা বলেছেন: শের শায়রী ,
অনেক ধন্যবাদ পোস্টে মন্তব্যের জন্য । ভালো থাকুন ।

১০| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ২:০৫

শাহিন বিন রফিক বলেছেন:



প্রিয়তে নিয়ে রাখলাম সময় করে মন দিয়ে পড়তে হবে।

০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৯ ভোর ৪:৫৩

মলাসইলমুইনা বলেছেন: শাহিন বিন রফিক ,
অনেক ধন্যবাদ আমার পোস্টটা প্রিয়তে নেবার জন্য । পোস্টটা পড়া শেষ করেও প্রিয় লাগলে জানাবেন ।আচার্য পিথাগোরাসকেও ধন্যবাদ জানিয়ে দেওয়াটাও তখন দরকার হবে আফটার অল লেখাটার কৃতিত্ব তারই ।তার চিন্তা ভাবনার কথাই লেখা পোস্টে । আমার নিজের থেকে কিছু নয় । আবারো ধন্যবাদ নিন ।

১১| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৮:২৭

সুপারডুপার বলেছেন:

ছবি : ২০১৮ শিক্ষাবর্ষের নবম ও দশম শ্রেণির গণিত বই থেকে স্ক্রিনসট

আংশিক সংশোধনের জন্য ধন্যবাদ। সঠিক সংশোধনের জন্য উপরের ছবি গুলো দেখুন। মজা করার জন্য হলেও গণিত / বিজ্ঞানের প্রমাণিত বিষয় নিয়ে লিখলে ভুল থাকা উচিত না। কুসংস্কার / অন্ধকারে ভুল থাকতে পারে , আলোতে না

অনেক অনেক শুভ কামনা। ভালো থাকবেন।

০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:৩৮

মলাসইলমুইনা বলেছেন: সুপারডুপার,
আপনি কি মশাই গণিতের মাস্টার নাকি ?
আমার এই লেখা কেন কম ব্লগার পড়ছে বুঝতে পারছি এখন । আপনার এই জ্যাতিমিক ফটো দেখে সবাই নিশ্চই মনে করছে অংকের টিউটোরিয়াল গোছের কোনো লেখা মনে হয় এটা ! লেখায় যে মাস্টার নাম্বার ১১ -এ কথা বলেছি তার ১ রিপ্রেজেন্ট করে গড জিয়ুসকে ।সে হচ্ছে দ্যা ওয়ান । যার কোনো ভুল ভ্রান্তি হয় না । আমি কি দ্যা ওয়ান নাকি ? আমার লেখায়তো থাকতেই ভুল পারে একটু আধটু । তবুও আপনার আলোকিত কথা 'কুসংস্কার / অন্ধকারে ভুল থাকতে পারে , আলোতে না' পড়ে এখন ঠিক করে দিলাম । ফর মাই ডিফেন্স আপনাকে বলি রবীন্দ্রনাথের 'ভোলানাথ লিখেছিলো' ছড়াটা পড়তে । আমার লেখায়তো ছোট ভুল আর ছড়ার নায়ক ভোলানাথ লিখেছিলো তিন চারে হয় নব্বুই ! লেখায় একটু ভুলভাল থাকলে ভালো । সেই ভুল ধরতে পারলে পাঠকের ভালো লাগে আর তাতে তারা উৎসাহী হয় লেখা পড়তে । এই কথাটা কোন ফেমাস সাহিত্যিকের বলেনতো ? যাহোক, অনেক ধন্যবাদ কমেন্টের জন্য ।ভালো থাকুন গণিত চর্চায় ।

১২| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:০৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
লেখাটি পাঠের জন্য সময় নিয়ে বসতে হবে।
এখনকার মত প্রিয়তে তুলে রাখলাম।
শুভেচ্ছা রইল।

০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:০১

মলাসইলমুইনা বলেছেন: আলী ভাই,
সব সময়ের মতই একরাশ সালাম, শ্রদ্ধা আর ধন্যবাদ লেখা প্রিয়তে নেবার জন্য ।
ভালো আছেন আশাকরি ।

১৩| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:৫৭

রাজীব নুর বলেছেন: আমার মন্তব্যের উত্তর দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।

০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪৯

মলাসইলমুইনা বলেছেন: রাজীব নূর,
পুনঃ আগমনে পুনঃ ধন্যবাদ ---।

১৪| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:৫৭

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: অনেকটা পড়েছি। কিন্তু পরের দিকে আর মাথায় ঢুকছে না। তবে আদ্যোপান্ত আপনি বিষয়টি বোঝানোর চেষ্টা করেছেন। বিজ্ঞানের ছাত্রদের খুব সুবিধা হবে। নিঃসন্দেহে পরিশ্রমী পোস্ট। কোন ধন্যবাদ যথেষ্ট নয়।

শুভকামনা জানবেন।

০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:২৪

মলাসইলমুইনা বলেছেন: পদাতিক চৌধুরি,
হাহাহা ----
অনেক ধন্যবাদ লেখাটা পড়েছেন আর ভালো লেগেছে জেনে ।
আমি নই, এই লেখা ভালো লাগলে ধন্যবাদটা পাবার যোগ্য আচার্য পিথাগোরাস ।
আমি তার তত্ত্বের তথ্যগুলোই শুধু বলেছি ।
আপনার মন্তব্য সামনের একটা লেখার জন্য রেখে দিলাম । আশাকরি আপনার আপত্তি নেই ।
ভালো থাকুন ।

১৫| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:৫২

রূপম রিজওয়ান বলেছেন: বিষয়টা খুব কৌতুহলোদ্দীপক বটে। কিন্তু এগুলো সিউডোসাইন্সের কাতারেই বোধহয় পড়ে।
যাহোক,পোস্টটা থেকে জানতে পারলাম অনেক কিছু এ ব্যাপারে। ++
আপনার পোস্টগুলো বেশ ভালো লাগে।

০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪৯

মলাসইলমুইনা বলেছেন: রূপম রিজওয়ান,
আপনার না কয়েক দিন পরে ফিজিক্স পরীক্ষা !
বিজ্ঞান পরীক্ষার আগে দু'হাজার বছর বয়সী বিশিষ্ট বিজ্ঞানী আচার্য পিথাগোরাস সম্পর্কে এতো অসম্মানজনক কথা ! জাস্ট কিডিং ।
উপরেই করুণাধারার মন্তব্যে বলেছি নিছক মজা করতেই এই লেখা ।এটার সত্য মিথ্যা যাচাই করার ব্যাপারে আগ্রহ হয়নি কখনো ।
যাক ভালো থাকুন । পরীক্ষা ভালো হোক ।শুভকামনা সব সময় ।

১৬| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৮:০৬

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: << <ও ভালো কথা, আপনার লেখায় কমেন্ট করতে গিয়ে মনভার দেখেই ট্যাগরের স্বরণাপন্ন হতে হলো ;)
হা হা হা
ওটাতও মজার ছলে বলা। তিনিতো আমাদের সকলেরই পছন্দের। স্মরনেই থাকেন!
আপনার মনভার হালকা হোক
ফুরফুরে মনে
দেখা হবে
সকলের সনে
রবে চিরদিন স্মরনে। ;)

০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:২৩

মলাসইলমুইনা বলেছেন: বিদ্রোহী ভৃগু,
হাহাহা --- ডেসটিনি নাম্বার ৯ -এর মানুষেরা মানবিক অনুভূতিশীল, আদর্শবাদী ও সহানুভূতিশীল !
আচার্য পিথাগোরাসের নিউমেরোলোজিকাল এজাম্পশনতো দুই হাজার বছর সত্যি প্রমান করে দিলেন আবার ! আপনার প্রতিমন্তব্যের সহানুভূতিশীল সুরটা ঠিকই বুঝেছি আমি ।কোনো প্রশ্ন ছিল না, অহেতুক কোনো শঙ্কাও ছিল না । বরং মনে হয়েছিল আমার অধিক শোকে পাথর ভাবটা মন্তব্যে ভালো করে সবাই বুঝবে না ছড়ার সুর ছন্দে (আফটার অল রবিঠাকুরের অসহযোগিতায় করা মন্তব্যতো !) ।সেটারই একটা সাংবিধানিক সংশোধন ছিল আমার মন্তব্যের অংশে ----। আবারো অনেক ধন্যবাদ ।

১৭| ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১২:২৯

দি ফ্লাইং ডাচম্যান বলেছেন: টাইম লইয়া পড়তে হপে! আইতাসি পরে! B-)

০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১:৫১

মলাসইলমুইনা বলেছেন: দি ফ্লাইং ডাচম্যান,
স্বাগতম, স্বাগতম ! অনেক দিন পরে দেখছি আপনাকে । 'দি ফ্লাইং ডাচম্যান হয়েও সময় পাচ্ছেন না যে !
'ফ্লাইং ডাচম্যান'তো প্লেনের নাম জানতাম । ইদানিং কি এটা কোনো নতুন স্পেস শাটলের নাম নাকি ? আর আপনিও কি তাতে চড়ে এই মাটির পৃথিবী ছেড়ে ইন্টার গ্যালাকটিক ভ্রমণে ব্যস্ত যে ব্লগে তেমন দেখা যাচ্ছে না ? ব্লগে একটা গল্প লিখুন তাড়াতাড়ি ।অনেক ধন্যবাদ পোস্টে আসায় । ভালো থাকবেন ।

১৮| ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:০২

মনিরা সুলতানা বলেছেন: শুরুর মাস্টারি ও পড়ছি, কিন্তু কিচ্ছু বুঝি নাই ;)
তবে এই বিষয়ে হালকা আগ্রহ আছে, ঐ যে গুনে গুনে বুঝে নেয়া কাউকে।

০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:১৬

মলাসইলমুইনা বলেছেন: হাহাহা ---
আমিওতো বুঝি নাই শুরুতে যা বললেন !আর শেষের কথার সাথে প্রবল দ্বিমত করলাম ।সেটা করা যাবে না ।শানে নুযুল নিচে বললাম ।

ব্লগ কাব্য উদ্যান
তপ্ত রৌদ্রে বিরান !
লুপ্ত গৌরব ফেরাতে তাহার
চায় আপনা কবিতা বাহার !

যত হতচ্ছড়াই হোক না কেন ওপরের চার লাইন,সারমর্মতো ক্লিয়ার নাকি?
এবার তবে স্তব্ধ ব্লগ কবিতা অঙ্গন আবার বর্ষার উত্তাল তরঙ্গে ভাসুক ।

১৯| ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০৯

মনিরা সুলতানা বলেছেন: একদম ক্লিয়ার মশাই !
তবে অমন দু চার লাইন কিন্তু আমরাও লিখতে পারি বলে দিলুম। সুতরাং ব্লগে থেকে দূরে থাকার চিন্তা ও করবেন না ;)

ধন্যবাদ ধন্যবাদ উপরের চার লাইনে মুগ্ধতা :)

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ভোর ৬:৪৭

মলাসইলমুইনা বলেছেন: মনিরা সুলতানা,
হাহাহা -- 'আড়ালে আড়ালে থাকি নীরবে আপনা ঢাকি/সম্মুখে চরণ নাহি চলে ----'
মাঝে একটা দুটা লিখবো ।মাঝে মাঝে ব্লগ নিরুদ্দেশ হবো। আপনাদের লেখা পড়তে ফিরে ফিরে আসব ।
এভাবেই হয়ত চলে যাবে ব্লগ জীবন । অনেক ধন্যবাদ ।

২০| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:৫৫

শায়মা বলেছেন: ওহ এই সেই নিউমেরোলজী পোস্ট!!!!!!!!

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:০৩

মলাসইলমুইনা বলেছেন: হাহাহা ---জ্বি এটা...লজি সিরিজের আরেকটা লেখা ।এবং আপাতত শেষ লেখা । থাঙ্কস এ লট পড়ার জন্য ।

২১| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:১৩

জুন বলেছেন: নিউমেরোলজি নিয়ে এক সময় খুবই আগ্রহ ছিল। বিশেষ করে নাম্বারের সাহায্যে মানুষের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য নির্নয় করা। এই বিষয়ে প্রথম বই কি কাজী আনোয়ার হোসেন নাকি মহাজাতক লিখেছিলেন মনে করতে পারছি না মলাসইলমুনা। প্লাস দিয়ে গেলাম প্রিয় বিষয় নিয়ে লেখাটিতে।

০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:৪২

মলাসইলমুইনা বলেছেন: জুন,
অনেক ধন্যবাদ । কাঠখোট্টা লেখাটায় চোখ ভোলাবার জন্য । আপনি যেহেতু ব্যাপারটা জানেন তাই আর না পড়লেও চলবে । এটা যারা ব্যাপারটা জানেনা তারা পড়লে কিছুটা মজা পেতেই পারে। যারা বিষয়টা জানে তারা পড়ে কোনোই মজা পাবে না ।আপনি বরং এই লেখার পরের নিউমেরোভুলজি লেখাটাপড়ুন । ওটা একটা রম্য ।অনেকদিন গল্প লেখা হয়না দেখে সাহস করে লিখে ফেললাম আশাকরি ভালো আছেন ফ্যামিলিসহ । শুভেচ্ছা সবার জন্য ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.