নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

\"Thus let me live, unseen, unknown/ Thus unlamented let me die/ Steal from the world and not a stone/ Tell where I lye \"

মলাসইলমুইনা

Reading maketh a full man; conference a ready man; and writing an exact man. **** -Sir Francis Bacon

মলাসইলমুইনা › বিস্তারিত পোস্টঃ

হজরত ঈসার (আঃ) অলৌকিক জন্ম বা ‘ভার্জিন বার্থ’ কি বিজ্ঞান সমর্থন করে ? হ্যা, করে আসুন বিষয়টা আরো একটু আলোচনা করি ।

০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:২৪



হজরত ঈসার (আঃ) অলৌকিক জন্ম বা ‘ভার্জিন বার্থ’ কি বিজ্ঞান সমর্থন করে ? হ্যা, করে আসুন বিষয়টা আরো একটু আলোচনা করি । (বিশেষ করে ব্লগার নতুন, কলাবাগান১ আরো চাঁদগাজী সাহেব অংশ নিন আলোচনায় । অন্যান্য সবাইকেও আমন্ত্রণ । )

এই ডিসেম্বরের দুই তারিখেই পুরাতন ব্লগার নতুন একটি পোস্ট লিখেছেন যার শিরোনাম ছিল “অলৌকিক ভাবে জন্মগ্রহন,অতি প্রাচীন কাল থেকেই বিখ্যাত মানুষের ব্যাপারে অনেক অলৌকিক ঘটনার কাহিনি প্রচলিত হয়ে আসছে” ।এই লেখাটার গেট আপ,মেক আপ, রাইট আপ সবই সুন্দর। লেখার টাইটেল ফটো থেকে শুরু করে গ্রিক মিথলজির বাকি ফটোগুলো সবই মনোহর, চোখ জুড়ানো (বলে রাখি আমি গ্রিক মিথোলজির ভক্ত সেই ক্লাস ফাইভ থেকেই )। নতুনের লেখা ফটোগুলোর মতোই সুন্দর হবে মনে করে পড়া শুরু করলাম ।একটানে পড়ে যাবার মতো লেখা।কিন্তু পড়তে পড়তেই বিস্ময়ের সাথে লক্ষ্য করলাম যেই শিরোনাম দেখে পড়া শুরু করেছিলাম লেখাটা সে’রকম না।লেখার শিরোনামের সাথে ভেতরের কন্টেন্টের একটা বড় দ্বন্দ্ব প্রায় শুরু থেকেই স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে। সেটা হলো শিরোনামের "...অতি প্রাচীন কাল থেকেই বিখ্যাত মানুষের ব্যাপারে অনেক অলৌকিক ঘটনার কাহিনি প্রচলিত হয়ে আসছে..." কথাটার সাথে সাংঘর্ষিক ভাবে ব্লগার নতুন গ্রিক মিথিওলজির কাল্পনিক চরিত্রগুলোর অলৌকিক কাহিনীর সাথে মেরির ভার্জিন বার্থ বা হজরত ঈসার (আঃ) অলৌকিক জন্মের ব্যাপারটাকে একসাথে করে ফেলেছেন । গ্রিক দেবতা জিউস, তার স্ত্রী হেরা, মেয়ে আথেনিসহ আরো কিছু কাল্পনিক চরিত্রের অলৌকিক জন্মসংক্রান্ত পিওর মিথগুলোকে হজরত ঈসার (আঃ) জন্মকে মিলিয়ে ফেলার সমস্যা হলো বাস্তবের সাথে কল্পনা গুলিয়ে ফেলার মতো । নতুনের লেখার মূল কথাটার একটা চমৎকার সিনথেথিস হলো চাঁদগাজী সাহেবের মন্তব্য -- "স্ত্রী ও পুরুষের মিলনের ফলে বাচ্চা জন্মেছে, হোক সেইজন যীশু, কিংবা আলেকজান্ডার; জন্ম নিয়ে মিথ হয় না, ছিলো মিথ্যার আশ্রয়।" হজরত ঈসার (আঃ) জন্ম সম্পর্কে নতুন আর চাঁদগাজী সাহেবের মন্তব্য/বক্তব্য কুরআনের বক্তব্যের সাথে সরাসরি সাংঘর্ষিক ।

যাহোক, নতুনের লেখার এই প্রব্লেমটা মেনশন করে আমি একটা কমেন্ট করলাম । কুরআন বা ইসলামের যে বিষয় ও বক্তব্যগুলো পৃথিবীর সাথে সম্পর্কিত, যেমন হজরত ঈসার (আঃ) অস্তিত্ব, নিয়ে বিজ্ঞান ও ইতিহাসের মধ্যে দিয়েই দেখতে পছন্দ করি । এই সব বিষয়ে আমি যুক্তির বাইরে যাওয়াতে স্বছন্দ বোধ করি না । তাই হজরত ঈসা সম্পর্কে কুরআনের বা হাদিসের কোনো উদ্ধৃতি না দিয়েই আমি কিছু বিজ্ঞানের কথা বললাম তার ভার্জিন বার্থ সম্পর্কে । নতুনের লেখা নিয়ে আমার কমেন্টের মূল কথা ছিল :

১. গ্রিক মিথলজির দেবতারা কাল্পনিক (যদি তাদের সম্পর্কে সামগ্রিক তথ্যগুলো বিবেচনা করা হয়)
২. হজরত ঈসা (আঃ) বাস্তব চরিত্র । ইতিহাস তার উপস্থিতির সত্যায়ন করে ।
৩. ভার্জিন বার্থ বা হজরত ঈসার (আঃ ) অলৌকিক জন্ম অসম্ভব না । বিশেষ করে নতুনের লেখার সারমর্ম সমর্থন করে চাঁদগাজী সাহেবের মন্তব্য 'স্ত্রী ও পুরুষের মিলনের ফলে বাচ্চা জন্মেছে, হোক সেইজন যীশু..." কথাটা আসলে সত্যি না । জন্মের জন্য সব সময় মেল্ ফিমেল ইন্টারাকশনের প্রয়োজন নাও হতে পারে । আমি আমার সমর্থনে আধুনিক বিজ্ঞানের বিস্ময়কর আলোচনা Bdelloid Rotifer-এর কথা বললাম । পুরো প্যারাটা তুলে দিচ্ছি নিচে ।

“--প্রজননের জন্য একটা মেল্ আর ফিমেলের দরকার নাও হতে পারে । Bdelloid Rotifer হলো একধরণের লিচ (leech)। এরা প্রায় বিলিয়ন বছর ধরে বেঁচে আছে পৃথিবীতে ।এরা ফ্রেশ ওয়াটারেও বেঁচে থাকতে পারে । এদের কোনো মেল্ স্পিসিস নেই ।এদের ফিমেলরা বংশবৃদ্ধি করে পার্থেনোজেনেসিস (parthenogenesis) প্রক্রিয়ায় যাতে বংশ বৃদ্ধির জন্য কোনো ধরণের ফার্টিলাইজেশনের দরকার পরে না । আপনি বলতেই পারেন Bdelloid Rotifer মানুষ না । সত্যি। কিন্তু পৃথিবীর প্রাণী সম্পর্কে যেই ধাৰণাটা আছে যে ফার্টিলাইজেশনের জন্য একটা মেল্ ফিমেল ইন্টারএকশন লাগবে সেটা কিন্তু ধ্রুব সত্যি না । আমাদের জানার অতীত কখনো পন্থায় যে এভাবেই যীশুর জন্ম হয়নি সেটাতো বিজ্ঞান দিয়ে প্রমান করা যাবে না এখন তাই না ? তাই হাজার বছর ধরে পৃথিবীর একমাত্র যেই মানুষটার সম্পর্কে এই বাবা ছাড়া জন্মগ্রহণের যে কথাটা চলে আসছে, তার সাথে তার অন্যান্য অসাধারণ বৈশিষ্ঠ্যগুলো সাথে চিন্তা করলে, সেটাকে মিথ্যে বা কল্প কাহিনী বলে উড়িয়ে দেওয়াটা কিন্তু সহজ না বলেই আমি মনে করি।“

আমার মন্তব্যের যৌক্তিক রেস্পন্স করে নতুন যা বললেন তার মূল কথা হলো :

১. আপনি বলেছেন যীষূখৃস্ট বাস্তবে ছিলেন, কিন্তু মজার বিষয় হচ্ছে ততকালিন কোন ইতিহাসবিদের লেখায় যীষুখৃস্টের নাম নেই। তার নাম আছে তারপরের বাইবেলে এবং বিবলিক্যাল লেখকের লেখায়।
২. আপনি ঠিকই বলেছেন parthenogenesis এর মাধ্যমে ফিমেইল বংশবৃদ্ধি করতে পারে।
৩. মানুষের সেক্স ক্রমজম এক্স আর উয়াই (Y) তাই নারীর ডিম্বানু দিয়ে যদি সন্তান হয় তবে তা কখনোই ছেলে হতে পারেনা।
৪.মানুষের মাঝে নারী তার ডিম্বানু থেকে পুরুষ ভ্রুন সৃস্টি করতে অনেকগুলি অসম্ভব বিষয়কে সম্ভব হতে হবে। সেটা সম্ভব বলে মানুষ বিশ্বাস করে!!!

নতুনের মন্তব্যের পরেই তাকে সমর্থন করে কলাবাগান১ও বিজ্ঞান ভিত্তিক একটা মন্তব্য করেন ! তার সংযত মন্তব্যটা পুরো সত্যি না বললেও আমার পছন্দের ছিল সেটা বলতেই হবে । কিন্তু সেই সংযত বিজ্ঞানময় বক্ত্যবে এক ব্লগ পুরুত কিছু না বুঝেই মনে হয় চেঁচিয়ে উঠলেন কলার চোচায় কলাবাগান১ আমার মতো বিশ্বাসীদের কি যে আছাড়টাই না খাইয়ে দিলেন বলে, আশ্চর্য ! আমার মন্তব্যের উত্তরে নতুনের বক্তব্যটিই আসলে কলাবাগান১ আরো সফিস্টিকেট ভাষায় বললেন I কলাবাগান ১-র মন্তব্যটা নীচে কোট করলাম :

“যীশু যদি parthenogenesis এর মাধ্যমে জন্মগ্রহন করে থাকেন তাহলে তো মেয়ে থেকে মেয়েই হওয়ার কথা। আর Parthenogenesis in humans never produces viable embryos।
কোন প্রমান নাই যে মানুষ parthenogenesis এর মাধ্যমে জন্মগ্রহন করেছে
-আর একটা কথা , যীশু তো ছেলে ছিল তাহলে তার তো XY chromosome ছিল। আর তার মায়ের ছিল XX chromosome, তাহলে যীশু কোথা থেকে Y chromosome পেল???
XX chromosome থাকার পরও পৃথিবীতে খুবই খুবই অল্প সংখ্যক লোক পুরুষ হিসাবে আছে কিন্তু তাদের ও Y chromosome এর SRY gene তাদের XX chromosome পাওয়া যায়...তাহলে যীশু SRY gene কোথা থেকে পেল?????”

ধীরে বন্ধু ধীরে । Y ক্রোমোজোম পাওয়া যাবে । কিন্তু তার আগে বলি নতুন আর কলাবাগান১ -র মন্তব্যগুলো ঐতিহাসিক আর বিজ্ঞানভিত্তিক এই দুই ভাবে ভাগ করে দেখা যেতে পারে (যদিও কলাবাগানের মন্তব্য পুরোই সাইন্টিফিক)।নতুনের ইতিহাসকেন্দ্রিক প্রথম মন্তব্যটা মুটামুটি মারাত্মক । সেটা হলো "আপনি বলেছেন যীষূখৃস্ট বাস্তবে ছিলেন, কিন্তু মজার বিষয় হচ্ছে ততকালিন কোন ইতিহাসবিদের লেখায় যীষুখৃস্টের নাম নেই। তার নাম আছে তারপরের বাইবেলে এবং বিবলিক্যাল লেখকের লেখায় । " এ’ধরণের জোরজবস্তি মন্তব্য করে নিজের পজিশন জাস্টিফাই করাটা খুবই আশ্চর্যজনক লেগেছে আমার কাছে । আমি অনেক কন্সপাইরেসি থিয়োরির কথা শুনেছি হজরত ঈসা (আঃ) সম্পর্কে । কিন্তু তার সম্পর্কে এই কথা শুনিনি যে সমসাময়িক কোনোই রিলায়েবল সোর্স হজরত ঈসার (আঃ) কথা বলেনি ! বিবলিকাল লেখকরা ছাড়াও সমসাময়িক মেইনস্ট্রিম ইতিহাসবিদদের লেখাতেই হজরত ঈসার (আঃ) উল্লেখ আছে যা এখনকার স্কলাররা অনুমোদন করেন । আমার কথার সপক্ষে কিছু প্রমান দেই ।

কেম্ব্রিজ ইউনিভার্সিটি ফ্যাকাল্টি Dr. Simon Gathercole ২০১৭ সালের এপ্রিল মাসে বিখ্যাত ইংলিশ দৈনিক দ্যা গার্ডিয়ানের একটা আর্টিকেলে হজরত ঈসার (আঃ) সম্পর্কে লেখেন যে “ The historical evidence for Jesus of Nazareth is both long-established and widespread. Within a few decades of his supposed lifetime, he is mentioned by Jewish and Roman historians, as well as by dozens of Christian writings.“ স্কলাররা এব্যাপারে একমত যে জেসাস সম্পর্কে সবচেয়ে পুরোনো উলেলখ পাওয়া যায় এপোস্টল সেন্ট পলের চিঠিতে যেগুলোর সময় নির্ধারিত হয়েছে জেসাসের মৃত্যুর ২৫ বছরের মধ্যেই । নিউটেস্টামেন্টের গস্পেলগুলো আরেকটু পরে জেসাস সম্পর্কে বিস্তারিত জানায় যার শুরু হজরত ঈসার (আঃ)মৃত্যুর ৪০ বছরের মধ্যেই । Dr. Simon Gathercole এ'সম্পর্কে মন্তব্য করেছেন “These all appeared within the lifetimes of numerous eyewitnesses, and provide descriptions that comport with the culture and geography of first-century Palestine.” সমসাময়িক নির্ভরযোগ্য নন ক্রিশ্চান সোর্সগুলোতেও হজরত ঈসার (আঃ) উলেলখ আছে ।যেমন একজন প্রসিদ্ধ ইহুদি ইতিহাসবিদ হলেন ফ্লাভিয়াস জোসেফাস (Flavius Josephus)। জুডাইজমের ইতিহাস নিয়ে তার একটা কাজ খুব প্রসিদ্ধ । ৯৩ খ্রিস্টাব্দের দিকে তার প্রসিদ্ধ এই কাজটা তিনি করেন । এই ঐতিহাসিক কাজের দুই জায়গায় তিনি হজরত ঈসার (আঃ) উল্লেখ করেছেন। আশ্চর্যের ব্যাপার হলো তিনি এপস্টোল জেমস (গসপেলের অন্যতম লেখক ) সপর্কে লিখেছেন brother of “Jesus, the so-called Christ” ! হজরত ঈসা (আঃ) সম্পর্কে এই ঘৃণাটা এখনো ইহুদিদের মধ্যে আছে তাই না ? এ থেকেইতো প্রমান হয়ে যায় তার অস্তিত্ব সম্পর্কে । কেউ যদি কাল্পনিক অস্তিত্ব হয় তার সম্পর্কেতো "so called " কথাটা বলার বা জেমসকে তার ভাই বলার দরকার নেই।নতুনের ইতিহাসকেন্দ্রিক যুক্তিটা তাহলে ডিবাঙ্ক হলো তাই না ?

এখন আসুন তাদের মন্তব্যের বিজ্ঞান ভিত্তিক বক্তব্যটা একটু আলোচনা করি । আলোচনার শুরুতেই বলি নতুন আর কলাবাগান১ দুজনেই বলেছেন আমি বলেছি পার্থেনোজেনেসিস (parthenogenesis) প্রক্রিয়ায় হজরত ঈসা (আঃ) জন্ম নিয়েছেন ।এই কথাটা আমি কিন্তু আমার মন্তব্যে বলিনি আসলে (তখনো)। পার্থেনোজেনেসিসের কথা বলে আমি একটা ধাৰণা পুরোই খণ্ডন করতে চেয়েছি সেটা হলো ফার্টিলাইজেশনের বা ভার্জিন বার্থের জন্য মেল্ ফিমেল ইন্টারাকশনের দরকার আছে সেটা ধ্রুব সত্যি নয় । আমার এই বক্তব্য সত্যি । আর তাদের বক্তব্য পার্থেনোজেনেসিসের মধ্য দিয়ে শুধু মেয়েই হবে ছেলে হতে পারবে না এর উত্তরে আমি আমার দ্বিতীয় মন্তব্যে বলেছি তাদের বক্তব্য সত্যি না ।পার্থনোজেনেসিসের মধ্যে দিয়ে ছেলেও হতে পারে যেই প্রক্রিয়াকে Arrhenotoky বলে । কলাবাগান১ আমার উত্তরে ঠিক ভাবেই বলেছেন, "Arrhenotoky হল haploid (haplodiploidy) এখন আপনি ই বলেন এক সেট ক্রমোযোম নিয়ে কোন মানুষ বাচতে পারবে???" না,পারবে না ।কিন্তু আমিতো বলিনি যে হজরত ঈসার (আঃ) ক্ষেত্রে Arrhenotoky প্রক্রিয়াটাই ফলো করতে হয়েছে ! নতুন আর কলাবাগান১ দুজনেই আমার কথার উত্তরে উপসংহার টেনেছেন প্রায় একই ভাবে । নতুন বলেছেন, "মানুষের মাঝে নারী তার ডিম্বানু থেকে পুরুষ ভ্রুন সৃস্টি করতে অনেকগুলি অসম্ভব বিষয়কে সম্ভব হতে হবে। সেটা সম্ভব বলে মানুষ বিশ্বাস করে!!!" আর কলাবাগান১ বিজ্ঞানময়তার মতো স্পষ্ট করে বলেছেন 'তাই আমার কথা ছিল..মানুষের মাঝে parthenogenesis কোন ভাবেই সম্ভব না "! Arrhenotoky প্রক্রিয়াটা ফলো না করেও মানুষের ক্ষেত্রে পার্থনোজেনেসিস প্রক্রিয়া সফল হতে পারে । আসুন দেখি এক্সপার্টরা এ বিষয়টা কিভাবে ব্যাখ্যা করছেন I

এখানে একটা কথা একটু পরিষ্কার করে আবার বলে নেই যার কিছুটা নতুনের লেখার মন্তব্যে আমি বলেছিলাম।সেটা হলো বিজ্ঞান বলে ভার্জিন বার্থ সম্ভব। মানুষের ক্ষেত্রেও পার্থেনোজেনেসিস প্রক্রিয়া সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে ।Arrhenotoky প্রক্রিয়াটা/ ধাৰণাটা মানুষের ক্ষেত্রে ভ্যালিড না । সেটা ফলো না করেও মানুষের ক্ষেত্রে ভার্জিন বার্থ ফার্টিলাজেশন সম্ভব আর একজন মেয়ের ছেলে জন্ম দান করাও সম্ভব । কিন্তু এই বাস্তব প্রক্রিয়াটাই হজরত ঈসার (আঃ) ক্ষেত্রে ঘটে ছিল কিনা আমরা জানিনা । সেটা এখন প্রমান করারও কোনো সুযোগ নেই কোনো ভাবেই । কারণ হজরত ঈসা (আঃ) বা তার মা-র কোনো ফরেনসিক টেস্ট এখন করার সুযোগ নেই । কিন্তু সম্ভাব্য দুটো অবস্থায় ভার্জিন বার্থের ব্যাপারটা বাস্তবেই ঘটতে পারে । সেটা মাথায় রেখে আশাকরি নিজের অংশটুকু সবাই পড়বেন ।

ভার্জিন বার্থ সম্পর্কে বিজ্ঞান কি বলে ?
ভার্জিন বার্থখুবই রেয়ার কিন্তু একেবারেই কি অসম্ভব ধারণা এটা আধুনিক জেনেটিক্সের চোখে ?

স্যাম বেরি (Sam Berry) হলেন লন্ডন কলেজের একজন এমিরেট প্রফেসর । প্রফেসর বেরি বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে ভার্জিন বার্থ যা একসময় যা ছিল একটা "implausible possibilities" বা অকল্পনীয় ধারণা সেটার বাস্তবতা সম্পর্কে বলেছেন । তিনি ব্যাখ্যা করেছেন কিভাবে মেরি একজন সুস্থ্য ছেলের জন্ম দিতে পারেন ভার্জিন হয়েও ।

নতুন আর কলাবাগান১ -র আগে উল্লেখ করা মন্তব্য থেকে নিশ্চই সবার মনে আছে যে ভার্জিন বার্থের বিষয়ে দুটি বায়োলজিকাল রোডব্লক হলো হজরত ঈসার (আঃ)কোনো পিতা ছিলেন না আর হজরত ঈসা(আঃ) ছেলে ছিলেন।এখানে আপাতঃ দৃষ্টিতে মেরির ভার্জিন বার্থের মধ্য দিয়ে ছেলে জন্ম দেওয়া অসম্ভব ।

মেরির ভার্জিন বার্থ বলতে বোঝায় ফার্টিলাইজেশন প্রসেসটা কোনো স্পার্ম ছাড়াই হতে হবে । এতে সমস্যাটা হচ্ছে তাহলো লিঙ্গ নির্ধারণী ক্রোমোজোমের ক্ষেত্রে । ম্যামাল বা স্তন্যপায়ী প্রাণীর ফিমেল স্পেসিসের থাকে XX ক্রোমোজম আর ছেলেদের থেকে XY ক্রোমোজম । আর তাতেই সমস্যাটা হলো একজন মেয়ের পক্ষে কখনো একটি ছেলে জন্ম দেয়া হওয়া সম্ভব না y ক্রোমোজোম ছাড়া যা ভার্জিন বার্থের ধারণার সাথে সাংঘর্ষিক (নতুন আর কলাবাগান১ খুশি হবেন না বেশি এখনই ! ) আর একজন পিতার থেকেই শুধু Y ক্রোমোজোম পেতে পারে একজন সন্তান।

তাহলে পার্থিব এমন কি কোনো সুযোগ আছে যাতে মেরির পক্ষে ভার্জিন বার্থে হজরত ঈসাকে (সাঃ) দেওয়া সম্ভব ধর্মগ্রন্থগুলো যা বলছে ? ধর্মগ্রন্থগুলোর দাবি কি কোনো ভাবে বিজ্ঞানের দৃষিটতে সমর্থনযোগ্য ? মূল প্রশ্নটা হলো এটা কি আসলেই সম্ভব ? প্রফেসর বেরি বলেছেন মেরির পক্ষে ভার্জিন বার্থ সম্ভব যদি তার একটা ফিজিক্যাল কন্ডিশন থাকতে হবে যাকে বলে 'testicular feminisation' ( androgen insensitivity syndrome -ও বলা হয় )। এই সিনড্রোম বা ফিজিক্যাল কন্ডিশনে একজন মেয়ের যে কোনো একটি ছেলের মতোই XএবংY দুটো ক্রোমোজোম থাকে কিন্তু তাদের X ক্রমোজোমে মিউটেশনের কারণে তাদের বডি খুব ইনসেন্সিটিভ হয় টেসটসটেরোনের (testosterone ), যা পুরুষ হরমোন, ব্যাপারে । আর এই ইনসেন্সিটিভিটি তাদের মেয়ে হিসেবে গড়ে উঠতে সাহায্য করে । এর ফলে আপাত দৃষ্টিতে মেরি সন্তান ধৰণে অক্ষম মনে হলেও সে স্পন্টেনিয়াসলি সন্তান ধাৰণ করতে পারে আর তার সন্তান তার Y ক্রোমজম থেকেই ইন্ট্যাক্ট y ক্রোমোজোম পেতে পারে অর্থাৎ সে হতে পারে ছেলে I (এখানেই মানুষের পার্থেনোজেনেসিসের কথা চলে আসে । কলাবাগান১ যে প্রসেসটা অসম্ভব বলছেন সেটা আসলে অসম্ভব না ।হয়ত খুবই রেয়ার কিন্তু অসম্ভব বা অকল্পনীয় না ) । এই প্রক্রিয়ার ফলাফল হিসেবে সন্তান মেয়ে না হয়ে ছেলে হবার ক্ষেত্রে কারণ হিসেবে জেনেটিসিস্টরা আরো একটা শর্তের কথা বলেছেন যা হলো "back mutation" অর্থাৎ X ক্রমোজোমের খুবই রেয়ার একটা রিভার্স ম্যালফাংশন যেটা ফার্টিলাইজেশনের প্রথম থেকেই 'testicular feminisation' সিন্ড্রোম হবার কারণ বা কন্ডিশনগুলোকে থামিয়ে দেয় ।আর তাতে এম্ব্রায়োর মেয়ে হবার সুযোগ থাকেনা ।

প্রফেসর বেরী ভার্জিন বার্থের আরেকটা সম্ভাবনার কথা বলেছেন তা হলো মেরি সম্ভবত ছিলেন 'জেনেটিক মোজাইক' (genetic mosaic) বা ‘genetic chimera’ অর্থাৎ ছেলে ও মেয়ের পৃথক দুটো ভ্রূণ জেনেটিক মিউটেশনের কাৰণে (একটার ভেতর আরেকটি প্রবিষ্ট হয়ে) একটি ভ্রূণ হিসেবে বিকাশ লাভ করেছে গর্ভে I মেরির ক্ষেত্রে ভ্রূণটা ছিল ফিমেল । যার ফলে তার ফিমেল বডিতেই সে X এবং Y দুটো ক্রোমোজমই ধাৰণ করেছে।তাতেই তার সন্তান ছেলে হয়েছে পার্থেনোজেনেসিস প্রক্রিয়ায় । লন্ডন ইম্পেরিয়াল কলেজের ক্যান্সার জেনেটিক্সের রিসার্চার ডক্টর আরতি প্রাসাদ ২০১২ সালে প্রকাশিত তার Like A Virgin-বইয়ে এই ধাৰণাকে আরো বিস্তৃত করে ব্যাখ্যা করেন । তার তত্ব অনুযায়ী মেরি হতে পারেন এমন একজন genetic chimera যিনি জন্ম নিয়েছেন একটি ছেলে ও মেয়ের যৌথ এম্ব্রায়ো থেকে ovotestes -সহ যার অর্থ এমন একটা ফিজিক্যাল কন্ডিশনে যেই ফিজিক্যাল কন্ডিসনে একজন মেয়ে তার বাবার থেকে পেতে পারে X ক্রোমোজম যাতে থাকতে পারে 'sprinkle of Y' ক্রোমোজম যা একটি ' hybrid ovary-testes organ' সৃষিট করতে পারে । মেরির ওভারিতে যদি একটা সুষম ব্যালান্স থাকে তার মেল্ আর ফিমেল টিস্যু ও হরমোনে তথা মেইল ফিমেল মেটারিয়ালসে তাহলে তার গর্ভাশয় একইসাথে স্পার্ম আর ডিম্বাণু ক্রিয়েট করে ফার্টিলাইজেশন প্রক্রিয়া সক্রিয় করতে পারে আর তা থেকে সন্তান জন্মদানের বাকি প্রক্রিয়া সমাপ্ত করতে পারে (If Mary only manifested her male material in her gonads and, again, had a perfect balance of masculine and feminine tissues and hormones, her ovotestes could have produced sperm and eggs simultaneously, sending them down the fallopian tubes together, and resulting in fertilization and implantation within her functional uterus.)। হজরত ঈসার (আঃ) ভার্জিন বার্থ সম্পর্কে এই পার্থেনোজেনেসিস প্রসেসটার সম্ভাব্যতার কথাই আমি খানিকটা বলার চেষ্টা করেছিলাম নতুনের পোস্টে । নতুন আর কলাবাগান১ -এর মতে যেই প্রক্রিয়ায় মানুষের ছেলে সন্তান জন্ম দেওয়া সম্ভব নয় । কিন্তু জেনেটিক্সের বিশেষজ্ঞরা কিন্তু এর সম্ভাব্যতার কথা অস্বীকার করছেন না ! উল্টো কলাবাগান১-এর কনফিডান্ট এলিয়ানা সিম্পসন আমার মন্তব্য সম্পর্কে বলেছেন: 'মলাসইলমুইনা এরকম ফালতু কমেন্ট কিভাবে করল?' আমি মাইক্রো-বায়োলজিস্ট বা জেনেটিসিস্ট নই মানছি কিন্তু আমার অল্প খানিকটা পড়াশোনা আছে এই নিয়ে । আমি খুবই ডেভোটেড স্টুডেন্ট এই বিষয়ের এখনো ।এলিয়ানা সিম্পসনের (এটা যদি কলাবাগান১ -এর নিক না হয় I সে একটাই মাত্র কমেন্ট করেছে সেদিন ব্লগে আর সেটা এই লেখায় ! কি করে করলো আল্লাহই জানেন !) মন্তব্যটা আমাকে ভীষণ অবাক করেছে ।

এই 'জেনেটিকাল মোজাইক' মানুষের ধাৰণা কিন্তু শুধু থিওরিটিক্যাল না । ডাচ স্প্রিন্টার Foekje Dillema -কে ১৯৫০ সালে ন্যাশনাল টিম থেকে বহিস্কার করা হয়েছিল যখন সে বাধ্যতা মূলক সেক্স টেস্ট করতে অস্বীকার করে । পরে ইনভেস্টিগেশন থেকে জানা যায় তার শরীরে Y ক্রোমোজম আছে । তার ফিজিক্যাল এনালাইসিসে দেখা যায় সম্ভবত Foekje Dillema ছিল 46,XX/46,XY মোজাইক ফিমেল । আরেকটা উদাহরণ দেই এই জেনেটিকালি মোজাইক মানুষদের । ২০০২ আমেরিকার সালে ওয়াশিংটন স্টেটের লিডিয়া ফেয়ারচাইল্ড ডিভোর্সের পর চাইল্ড সাপোর্টের জন্য তার দুই বাচ্চার জন্য চাইল্ড সাপোর্টের আবেদন করলে ডিএনএ টেস্টের রেজাল্টের ভিতিত্তে তাকে তার বাচ্চার মা হিসেবে স্বীকার করতে অস্বীকার করে কর্তৃপক্ষ । কাৰণ ডিএনে টেস্টে দেখা যাচ্ছিলো লিডিয়া তার বাচ্চাদের মা নয় ! তাকে কর্তৃপক্ষ চাইল্ড সাপোর্ট ফ্রডের জন্য অভিযুক্ত করে । ডিভোর্সের সময় লিডিয়া প্রেগন্যান্ট থাকায় জাজ তার তৃতীয় বাচ্চা হবার সময় একজন অবজারভার রাখার নির্দেশ দেয় । আর ডেলিভারির পর পরই ব্লাড স্যাম্পল কালেক্ট কর হয় মা এবং নববর্ন বেবির ।কিন্তু সেই বাচ্চার ডিএনএ টেস্টেও দেখা যায় লিডিয়া তার বাচ্চার মা নন ! এই পাজল থেকে মুক্তি পাওয়া যায় যখন লিডিয়ার এটর্নি বোস্টনের 'জেনেটিক মোজাইক' Karen Keegan সম্পকে জানতে পারেন নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অফ মেডিকেল সাইন্স থেকে । তখন জানা যায় লিডিয়া দুই সেট ডিএনএ বহন করছে যা জেনেটিকালি মোজাইক মানুষের প্রধান চিহ্ন ! মানুষের মধ্যে এই 'জেনেটিক মোজাইক' কন্ডিশনটা খুবই রেয়ার । এখন পর্যন্ত নিশ্চিত তথ্যের ভিত্তিতে মাত্র ৩০-১০০ টি 'জেনেটিকাল মোজাইক' (বিভিন্ন প্রকৃতির) মানুষের খবর পাওয়া গেছে ।

আমার শেষ কথা

এই উপসংহারে একটা কথা বলা জরুরি। আমি কিন্তু বলছিনা যে প্রফেসর বেরী বা ডক্টর আরতি প্রাসাদের বলা এই পার্থেনোজেনেসিসের মাধ্যমেই হজরত ঈসার (আঃ) জন্ম হয়েছে ।সেটা হতে পারে নাও হতে পারে।মানুষের জানার সম্পূর্ণ বাইরে কোনো প্রক্রিয়াতেও সেটা হতে পারে। কোন প্রক্রিয়ায় সেটা হয়েছে সেটা আজ নিশ্চিত করে বলবার কোনো সুযোগ আর নেই।এখানে কোনো ডিএনএ টেস্ট করার সুযোগ নেই।আমি শুধু বলতে চাইছি যে ইসলামে বলা ভার্জিন বার্থের ব্যাপারটা কিছু মানুষ যেমন সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিতে চান ব্যাপারটা তেমন না।এটার সম্ভাব্যতার কথা খুব সম্প্রতিক গবেষণার কাৰণে এখনকার জেনেটিসিস্টরা স্বীকার করেন। কতগুলো শর্ত, যেগুলো খুব রেয়ার,অনেকটাই অকল্পনীয় কিন্তু অবশ্যই অসম্ভব না, পূরণ হলেই মানুষের ক্ষেত্রেও পার্থেনোজেনেসিসে ভার্জিন বার্থ-এর মধ্য দিয়ে ছেলের জন্মদান সম্ভব। লেখার শেষে আমি নতুন আর কলাবাগান১ দুজনকেই ধন্যবাদ দেই । ব্লগ লেখা থেকে তাদের বিশ্বাসগত অবস্থানটা সম্পর্কে আমি অনুমান করতে পারি। ধারণা করি,আমার বিশ্বাস তাদের বিশ্বাসের বিপরীত । তারাও সম্ভবত সেটা জানেন ।তবুও কঠিন ভাষার ব্যবহার ছাড়াই তারা একটা যৌক্তিক ও পরিশীলিত আলোচনা করেছেন নতুনের লেখায় আমার কমেন্টের উত্তরে একটা আপাতঃ অসম্ভব বিষয় নিয়ে ।

সবাইকেই এই আলোচনায় স্বাগতম ।


মন্তব্য ১১৮ টি রেটিং +১৯/-০

মন্তব্য (১১৮) মন্তব্য লিখুন

১| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:৫৭

তারেক ফাহিম বলেছেন: পোষ্টের লিংকটা যোগ করে দিলে সরাসরি দেখা যেত কে কি বললো।

নবী মোহাম্মদ এর সাথে দুরুদ (সঃ) পড়ে আসছি।

অন্যান্য নবীর ক্ষেত্রে (আঃ) পড়েছি।

আপনার লিখায় এ প্রথম নবীর নাম পড়ে দুরুদ (সাঃ) পড়লাম।

শেষ নবীর ক্ষেত্রে (সঃ) পড়লাম, শুনলাম।

০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:২৭

মলাসইলমুইনা বলেছেন: তারেক ফাহিম,
অনেক ধন্যবাদ ভুল ধরিয়ে দেবার জন্য । ঠিক করে দিয়েছি । আর নতুনের লেখার লিংক দিয়ে দিলাম আমার লেখার ভেতরেই ।
প্রথম প্যারাতেই তার লেখার টাইটেল উল্লেখ করেছি যেখানে সেই লিঙ্কটাই ।
তিনটে ধন্যবাদ =লেখাটা পরে মন্তব্যের জন্য আর ভুল ধরিয়ে দেবার জন্য আর লিংকের সাজেশনটা দেবার জন্য ।
ভালো থাকুন ।

২| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:১৫

নুরহোসেন নুর বলেছেন: ঈসা (সাঃ) না হয়ে ঈসা (আঃ) হবার কথা,
আপনি তথ্যপুর্ন লেখার যাদুকর!
চমৎকার লিখেছেন।

০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:৩০

মলাসইলমুইনা বলেছেন: নুরহোসেন নুর,

অনেক ধন্যবাদ ভুল ধরিয়ে দেবার জন্য । ঠিক করে দিয়েছি । লেখাটা পরে মন্তব্যের জন্য আবারো ধন্যবাদ ।

৩| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:১৯

বিএম বরকতউল্লাহ বলেছেন: সাংঘাতিক ভারী পোষ্ট!!

০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:৩৪

মলাসইলমুইনা বলেছেন: বিএম বরকতউল্লাহ,

কেমন আছেন আপনি ? অনেক ধন্যবাদ লেখাটা পড়ে মন্তব্যের জন্য ?
আসছে বই মেলায় কি কি বই বের হচ্ছে আপনার জানাবেন কিন্তু ।
বই মেলায় বইয়ের সাফল্যের আগাম শুভেচ্ছা জানিয়ে রাখলাম ।
ভালো থাকুন ।

৪| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:৪৭

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
ইসা নবি বা জেসাস ক্রাইষ্টের জন্ম প্রকৃয়া বোঝাতে এত XY YX কাহিনী বোঝানো দরকার পড়ে নাকি?
ধর্মিয় দৃষ্টিতে আল্লাহ 'হও' বললেই তো হয়ে যাওয়ার কথা। এক কথায় শেষ।

০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:১৩

মলাসইলমুইনা বলেছেন: হাসান কালবৈশাখী,
ঘটনা কি ?
কালবৈশাখীর গতিতে দেখেছেন মনে হয় লেখা কিন্তু ভালো করে পড়েননি !
এই জটিল XX YX -এগুলো বিলকুল আমার কাজ না। এগুলোর ব্লগে বলার মূল উচ্চকিত কণ্ঠ হলো ব্লগার নতুন আর কলাবাগান১ । তাড়াতাড়ি তাদের ব্লগে গিয়ে একটু কালবৈশাখীর কালো মেঘের মতো করে আসেনতো তাদের দুজনের মুখ ! এসে বলার পরে ধন্যবাদটা পুরো মিটিয়ে দেওয়া হবে । এখন আধা দিলাম ধন্য ----।ভালো থাকুন ।

৫| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:৪৯

আলমগীর সরকার লিটন বলেছেন: অর্দেক পড়ার পর বুঝতে সমস্যা হচ্ছিল তাই আর পড়েনি দুঃখিত

০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:৪৯

মলাসইলমুইনা বলেছেন: আলমগীর সরকার লিটন ,
কোনো অসুবিধে নেই ।আপনিতো আর মুজতবা আলীর উচ্চাঙ্গের রম্য পড়ছেন না !
আমার লেখা না পড়তে পারলে কোনো সমস্যা নেই ।
ভালো থাকুন ।

৬| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:৫৯

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: খারাপ না।

০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৮:৪৩

মলাসইলমুইনা বলেছেন: মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন,

আপনিও ভালো ।ধন্যবাদ । পড়ে মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ ।

৭| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:১৭

চাঁদগাজী বলেছেন:


মানুষের ক্ষেত্রে, নারী পুরুষের মিলনে সন্তান হয়; এর বাহিরে কিছু নেই; নবী ঈশার জন্ম নিয়ে মিথ্যার আশ্রয় নেয়া হয়েছিল; ততকালীন সময়ের মানুষের জ্ঞাযনের গভীরতা কম ছিলো; তারা রূপকথা রচনা করেছেন। আজকেও যাদের জ্ঞানের সীমা ২০০০ বছর আগের মতো আছে, তারা বিশ্বাস করবেন যে, ঈশা নবী এক মিরাকল; আলোচনা শেষ।

০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৮:৪৫

মলাসইলমুইনা বলেছেন: চাঁদগাজী সাহেব,
জ্বি, অনেক বলা হলো এখন শেষ করাই ভালো আলোচনা ।ধন্যবাদ ।

৮| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:২১

চাঁদগাজী বলেছেন:


নারী পুরুষের মিলনের পর, XY YX কাহিনী ইত্যাদি ঠিক আছে। নারী ও পুরুষ মিলিত না হলে, XY YX কোন পদক্ষেপ নেয় না।

০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:১২

মলাসইলমুইনা বলেছেন: চাঁদগাজী সাহেব,
জ্বি, সেটাইতো বইয়ে পড়েছি । কিন্তু প্রফেসর বেরী না কি সেই লাট সাহেব আবার কি সব যে বলে ! ভাগ্যিস আপনি আমেরিকায় এসেছেন দেশ ছেড়ে ইংল্যান্ডে যাননি আর প্রফেসর বেরীর কাছে হায়ার স্টাডিজে পড়েন নি ! আমাকে যা বললেন তা যদি প্রফেসর বেরীকে বলতেন তাহলে ধারণা করি আপনার জিপিএ -তো কমতোই তার ক্লাসে এডিশনালি উনি হয়তো কথা না শোনার জন্য লর্ড ক্লাইভের চেতনায় আপনার উপরে ঝাঁপিয়েও পড়তে পারতো ! অতঃপর ব্যাথা বেদনা আহত রক্তারক্তি ইত্যাদি কত কি যে ঘটতে পারতো --- ! এখানেই ঈশ্বরের প্রশ্ন চলে আসে ।দেখুন মার্সিফুল ঈশ্বর আপনাকে আমাদের প্রাচীন প্রতাপশালী রাজা সাহেবের কাছে না নিয়ে কেমন ট্রাম্প সাহেবের দেশ আমেরিকায় নিয়ে এসেছে আর আপনি কেমন রাগিও ব্লগীয় বিপ্লব করে চলেছেন ! বলুন শুকরিয়া ।
ধন্যবাদ ।

৯| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:২৩

চাঁদগাজী বলেছেন:


আপনি ২ বছর প্রবাসে থাকেন। আপনি প্রবাসে যাওয়ার দেড় বছর পর যদি আপনাদের সন্তান হয়, আপনি স্ত্রীকে রাখার কোন সম্ভাবনা নেই। বিজ্ঞা, খোদা ইত্যাদি নিমেষে বাতাসে মিলিয়ে যাবে।

০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:২১

মলাসইলমুইনা বলেছেন: চাঁদগাজী সাহেব,
দুর্ধর্ষ বলেছেন ----শুধু পার্থেনোজেনেসিস, প্রফেসর বেরী,ডক্টর আরতি প্রাসাদের থিওরী আর ভার্জিনবার্থের সাথে রিলেট করতে পারিনি এই দুর্ধর্ষ মন্তব্যের । বাট বি শিওর, চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি রিলেশনশিপ এস্টাব্লিশমেন্টের । সেটা এস্টাব্লিশ হয়ে গেলেই আপনার ঠিকানায় ধন্যবাদ পাঠিয়ে দেব যথা সময়ে। ধন্যবাদ ।

১০| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:২৪

চাঁদগাজী বলেছেন:



আরো ১৫/২০ বছর আগে, ব্লগে এগুলোর সমাধান হয়ে গেছে

০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:৩৭

মলাসইলমুইনা বলেছেন: চাঁদগাজী সাহেব,

মীমাংসা হয়েছে কোন ব্লগে ? একটু ঝেড়ে কাশুনতো সাহেব ।
সামুরতো বিশ বছর এখনো হয়ইনি !
আহ্নিক গতি, বার্ষিক গতির কারণেই পৃথিবী ঘুরছে । আর তাই ব্লগেও ঘুরে ঘুরে অনেক ইস্যু আসে । যেগুলোর আনডিসপিউটেডলি সমাধান হয়েছে সেগুলো এমনিতেই আসবে না । অন্য ইস্যু আসবেই ।মীমাংসিত ইস্যুতে আপনার বিজ্ঞ পার্টিসিপেশনের শুভেচ্ছা জানালাম ।

১১| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:২১

সুপারডুপার বলেছেন: হলি স্পিরিট (Holy Spirit) সম্ভবত মেরিকে জেনেটিক মোজাইক (genetic mosaic) বানিয়েছিলেন।

১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৭:০০

মলাসইলমুইনা বলেছেন: সুপারডুপার,

আপনিতো খুব ঝামেলাবাজ ব্লগার হয়ে যাচ্ছেন দিনে দিনে । আমার পুরো বিজ্ঞানভিত্তিক লেখার মধ্যে আবার হোলিভুতকে টেনে আনলেন ! এখন সুপারডুপার প্রচেষ্টা করে তার ডেসটিনি নাম্বার জেনে আসুন । তার নিউমেরোলজির কুষ্ঠি যাচাই করে দেখি তার ব্যাপারটা কেমন ছিল বিজ্ঞান ভিত্তিক বৈজ্ঞানিক না কবি/লেখক । নিউমেরোলজিতে কবি লেখকের বৈশিষ্ঠ্য থাকলে তার পক্ষে জেনেটিক মোজাইকে কারিগরি করা সম্ভব হবে না বলে রায় দিতেই পারবেন তখন

হলিভূতের আছর থেকে বেঁচে থাকুন আর ধন্যবাদের সাথে ভালো থাকুন ।

১২| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:৩২

রাজীব নুর বলেছেন: এই আধুনিক যুগে এসে আমি অলৌকিক কিছুতে বিশ্বাস করতে পারবো না।

১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৭:২৪

মলাসইলমুইনা বলেছেন: রাজীব নুর,
অলৌকিক কোথায় ? আমিতো লৌকিক একটা ব্যাখ্যার কথাই বললাম বিজ্ঞান আর বৈজ্ঞানিকদের তত্ত্ব আর তথ্য দিয়ে । এতো কিছু বলার পরেও আমাকে মৌলভী ঠাউরে দিলেন । এলাস !

১৩| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:২২

শের শায়রী বলেছেন: গ্যালারিতে বসলাম দেখি কে কি বলে। অন্তত আমাদের কিছু জ্ঞান আহরন তো হবে। তবে একটা কথা বলে নেই যীশুর প্রমান শুধু বাইবেল এ না অন্যান্য বিভিন্ন সুত্রেও উল্লেখ্য আছে যা লেখক বলেছেন।

দেখা যাক আলোচনা কি হয়।

১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৮:০৬

মলাসইলমুইনা বলেছেন: শের শায়রী,
গ্যালারিতে বসে থাকলেই চলবে শুধু ?
আপনার লেখার সাবজেক্টের আশেপাশেইতো ঘটেছে এই ঘটনা । গোয়েন্দা হিসেবে নেমে পড়ুন আপনার পরিচয়ের মতো । সেই সাথে জোগাড় করা জমজমাট কিছু এভিডেন্সে নিয়ে আলোচনায় সক্রিয় অংশগ্রহণও হোক ।

১৪| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:২৮

নতুন বলেছেন: ধন্যবাদ অনেক কস্ট করে এই ব্লগের জন্য্।

বিশ্বাস করলে তার পক্ষে যুক্তি খুজে পাবেন।

কিন্তু আপনার থিউরি অনুযায়ী ম্যারী ত্রুটি যুক্ত নারী ছিলেন তিনি হয়তো শারিরিক ভাবে পুরুষের জীন ধারী নারী ছিলেন। সেই ক্ষেত্রে তার ডিম্বানু পুরুষ ছাড়াই নিষিক্ত হয়ে হজরত ঈসার (আঃ) জন্ম হয়েছে । সেটা সম্ভব হতে পারে।

আসলে আমি অলৌকিকতায় বিশ্বাসী না, আমার কাছে দুনিয়ার নিয়মটা খুবই সাধারন ১+১=২ তার অথ` হলো দুনিয়াতে সব কিছুই যৌক্তিক ভাবেই হয়, হয়তো কিছু জিনিসের ব্যখ্যা আমাদের কাছে আপাতত সময়ে থাকেনা তাই মানুষ অলৌকিক মনে করে।

যীষূ কিন্তু খুব বড় মানের নেতা ছিলেন না যখন মারা যান তার ১০০ এর মতন অনুসারী ছিলেন, তার ১২ জন সাথের ১ জন তাকে প্রতারনা করেছিলেন। তাকে ক্রুসে দেরার সময় ও তার পক্ষে কেউ জোড়ালো প্রতিবাদ করেনাই। কিন্তু এখন ২.৫ বিলিওন মানুষ খৃস্টধম` অনুসারী এবং এই খৃস্টধম` কিন্তু ঈহুদী যীষু নিজে প্রচার করেনাই।

তার অথ` হলে খৃস্টান ধমের প্রসারের পেছনে কিন্তু রাজনিতিক উদ্দেশ্যটা অনেক বড় ভুমিকা পালন করেছে।

তাই যখন কোন কিছু এতো বড় উদ্দেশ্য নিয়ে সৃস্টি করা হয় তখন অনেক পক্ত ভাবেই তার তথ্য/কাহিনি সাজানো হয়।

যেমন উনার সাথী ১১ জনের লেখা গসপেলের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি থাকার কথা! কিন্তু তা আছে কি?

তাই রাজনীতিক প্রপাগান্ডয় ভরে এই বিষয়টিতে সত্য খুজে পাওয়া বড়ই কস্ট।

তাই আমি এখানে অলৌকিততা খুজিনা, খুজি যৌক্তিক ব্যাখ্যা।

১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:০৯

মলাসইলমুইনা বলেছেন: নতুন,
প্রথমেই আপনাকে একটা ধন্যবাদ দিয়ে নেই ।আপনার লেখায় আর আমার এই লেখাতেও খুব পরিশীলিত ভাষায় মন্তব্য প্রতিমন্তব্য করার জন্য । আমি নিজে খুব বিশ্বাসী মানুষ । আপনার সাথে আমার বিশ্বাসের পার্থক্য আছে । কিন্তু তার জন্যই আপনার সাথে যৌক্তিক আলোচনা করা যাবে বা আমার পক্ষে সেটা সম্ভব না সেটা ভাবিনি । আমার এই লেখায় ইচ্ছে করেই আমি তাই কোনো থিওলজিকাল ইস্যু টেনে আনিনি ।

আমার লেখার উদ্দেশ্যটা খুব পরিষ্ককার করেই বলেছি আমি । একটা সময় মনে করা হতো মেরির 'ভার্জিন বার্থ' একেবারেই অসম্ভব কোনো কল্প কাহিনী। কিন্তু রিসেন্ট জেনেটিক্সের ডেভলাপমেন্ট সেই অবস্থার পরিবর্তন করেছে । এখন জেনেটিসিস্টরা কিছু সম্ভাবনার কথা বলেছেন 'ভার্জিন বার্থ' নিয়ে ।আমি প্রফেসর বেরী আর ডক্টর আরতি প্রাসাদের সে'রকমই কিছু থিওরির কথা বলেছি ।আপনি যেমন বলেছেন জেনেটিক মোজাইকের ক্ষেত্রে ডিম্বানু পুরুষ ছাড়াই নিষিক্তনিষিক্ত হয়ে ভার্জিন বার্থের একটা সম্ভাবনা আছে ঠিক সেই কথা বলতেই আমার লেখা ।ধন্যবাদ আপনি এক্সপার্টদের আর্গুমেন্টটা বুঝেছেন আর সেটার সম্ভাবনা আছে সেটাও বলেছেন ।আমি জেনিটিসিস্ট না । তবুও তাদের ডিসকাশন থেকে আমারও সেটাই মনে হয়েছে ।এটা একটা প্লজেবল সম্ভাবনা সেটা নিয়ে আমার লেখা ।

১৯৮৮ সালের একটা মেডিকেল কেসের আলোচনা আছে ব্রিটিশ জার্নাল অফ মেডিসিনের সেই সময়েরই কোনো একটা সংখ্যায় (খুঁজে বের করতে ইচ্ছে করছে না ।আমার কাছে আছে কেসটা ।) সেখানে লেসোথোর একটা ১৫ বছরের একটা মেয়ের কথা আছে যার সন্তান হয়েছিল সি সেকশন করে । কিন্তু সেই বেবির জন্মে মেইল ফিমেল ইন্টিমেট কন্ট্যাক্ট হয়নি (মানে হওয়া অসম্ভব ছিল ) একটা মেডিকেল কন্ডিশনের কারণেই । ফিজিশিয়ানরা এখনো বাফল্ড যে একটা এক্সটার্নাল উন্ড থেকে (ছুরির আঘাতে মেয়েটা জখম হয়েছিল ) সেটা থেকেই তার ফার্টিলাইজেশন প্রসেসটা কেমন করে শুরু হয় আর তার সন্তান হয়েছিল । এটি প্রফেসর বেরীর জেনেটিক মোজাইক কনসেপ্টটা যখন আমি জানলাম তখন আমার মনে হলো এই প্রসেসে আপনি যেমন ধাৰণা করেছেন সেভাবে ভার্জিন বার্থ সম্ভব । একটা সম্ভাবনা আছেই --সেটা অযৌক্তিক ভাবে তুড়ি দিয়ে উড়িয়ে দেওয়া সম্ভব না আসলে । যাক এনিয়ে আর বলি না ।অনেকতো বলাই হলো লেখায় ।

আপনার মন্তব্য নিয়ে খুব বেশি বলবার মতো পড়াশোনা আমার নেই ।যীশুর নেতৃত্ব, তার পলিটিকাল এক্সিলেন্স, ক্রিশ্চিয়ানিজমের পলিটিসাইজেশন নিয়ে আমার পড়াশোনা খুবই কম । তাই আপনার মন্তব্য নিয়ে কিছু বলছি না । অন্য একটা কথা বলি ।আপনার লেখায় আর আমার লেখায় আপনার মন্তব্য ও প্রতিমন্তব্য ব্লগিংকে সবার কাছে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে বলেই আমি মনে করি ।ব্লগিং এরকমই হওয়া দরকার । যুক্তি প্রতিযুক্তি, অন্যের মতামত স্বীকার বা অস্বীকার সব কিছুতেই থাকবে পরিশীলিত ভাষার প্রয়োগ।আমিও তেমন পরিশীলত ও যৌক্তিক থাকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি আমার বক্তব্যে । জানিনা সেটা পেরেছি কিনা । যাহোক অনেক ধন্যবাদ পুরো ব্যাপারে আপনার যৌক্তিক পার্টিসিপেশনের জন্য ।সবার ব্যাপারে সেটা বলতে পারলে আমি আরো খুশি হতাম । ভালো থাকবেন ।

১৫| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:৫২

নীল আকাশ বলেছেন: নাইমুল ভাই,
লেখা খুব ভালো হয়েছে। কিন্তু সমস্যা হলো কেউ কেউ ধর্মীয় বিষয় দেখলেই বাজে মন্তব্য করে।
লেখাটা আরও কয়েকবার পড়তে হবে। লাইকড সহ প্রিয়তে নিয়ে রেখে দিলাম।
বিশ্বাস নিয়ে তর্ক হয় না। হযরত আলী (রাজিয়াল্লাহু আনহু) বলেছেনঃ মুর্খদের সাথে কখনও তর্ক করতে যেও না, কারণ তারা তোমাকে তাদের পর্যায়ে টেনে নামিয়ে দেবে।
ধন্যবাদ।

১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪৩

মলাসইলমুইনা বলেছেন: নীল আকাশ,
হযরত আলী (রাজিয়াল্লাহু আনহু)-র কথাটা বলার জন্য ধন্যবাদ।এই কথাটা শুধু ব্লগে না ব্লগের বাইরেও মনে রাখার চেষ্টা করি সব সময়। এমন কোনো সকাল পৃথিবীতে আসবে না যেদিন সবাই বিশ্বাসী হয়ে যাবে ।তাই কে আমার বিশ্বাস নিয়ে কি বললো সেটা আমাকে খুব একটা বদার করে না । অন্যের অবিশ্বাস নিয়েও তাই খুব বিচলিত হই না ।বিশ্বাস করি এটাই হবে ।বিশ্বাস অবিশ্বাসের দ্বন্দ্ব সব সময় থাকবেই । যাহোক, লেখাটা পরে মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আবারো ।

১৬| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:৫৮

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: ধর্মের কাহিনীর সাথে বিজ্ঞান কে আমরা জোর করে মেলাতে চেষ্টা করি ।
আসলে দুই টার পথ চলা ভিন্ন পথে। অথবা তাদের পথ সমান্তরাল।

তাই এই যুগে এই আলোচনা খুব একটা গুরুত্ব বহন করে না।

১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৩০

মলাসইলমুইনা বলেছেন: মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন,

ভাই আমার লেখায় ধর্ম পেলেন কোথায় রে ভাই ?
আমিতো পুরোই লৌকিক বৈজ্ঞানিক একটা ব্যাখ্যার কথা বলেছি লেখা যেটা ধর্মীয় ওই ব্যাপারটার কারণ হতে পারে ।এটাও বলেছি আমি যে যেই বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার কথা বলেছি ব্যাপারটা সেরকম নাও হতে পারে ।আমাদের জানার সম্পূর্ণ বাইরে কোনো একটা পদ্ধতিতে হতে পারে ভার্জিন বার্থ-এর ব্যাপারটা । কিন্তু যেটা বলতে চাইলাম --জোর দিয়ে সেটা হলো, এই ভার্জিন ব্যার্থটাকে কল্পকাহিনী বলে উড়িয়ে দেবার কিছু নেই ।আধুনিক জেনেটিসিস্টরা এমন একটা ব্যাপারের সম্ভাবনা এখন উড়িয়ে দিচ্ছেন না ।এই কথাটা বলার জন্যই এই লেখা ।আমার লেখা পড়ে কিছু বিশ্বাসী মানুষ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ শুরু করবে বা কিছু এথিইস্ট ঈশ্বর বিশ্বাসী হয়ে যাবে সেটা ভেবে এই লেখা লিখিনি।

আমার লেখাটা এই খুব সাম্প্রতিক সময়ের কিছু বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব নিয়েই ।এই বিষয় নিয়ে হাজার বছর আগেতো আলোচনার কিছু ছিলোনা । সেজন্য এটার কোনো গুরুত্ব থাকলে সাম্প্রতিক সময়েই আছে । হাজার বছর আগে এই ঘটনা বলা হয়েছে বলেই মানুষ কল্পকাহিনী বলেছে এটাকে । বাইবেল এখন লেখা হলে অন্তত এই ঘটনাকে কল্পকাহিনী বলে উড়িয়ে দেওযা সহজ হতো না কারণ কিছু আধুনিক বৈজ্ঞানিক থিয়োরি এই ভার্জিন বার্থের সম্ভাব্যতার কথা স্বীকার করছে ।যাহোক, অনেক ধন্যবাদ লেখাটা পড়ার জন্য।

১৭| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:০৯

মো:মাহবুব রেজা বলেছেন:

পৃথিবীতে দুই শ্রেণীর মানুষ বসবাস করে । তাদের একটি হলো আস্তিক যারা সৃষ্টি কর্তা বিশ্বাস করে। অপর দল হলো নাস্তিক যারা সৃষ্টি কর্তাকে বিশ্বাস করে না। আরেক দল আছে যারা একাধিক সৃষ্টি কর্তা কে বিশ্বাস করে ! মূল আলোচনা হলো যীশু খ্রীষ্ট কিভাবে পুরুষ ছাড়াই মায়ের গর্ভে এলেন !
উত্তর: সৃষ্টি কর্তার একটি মুখের কথায় কোনো কিছু সৃষ্টির জন্য যথেষ্ট ! উনি যখন যেভাবে বলবেন সেটা সেভাবেই হবে !যুক্তিবাদীদের বোধগম্যের বাহিরে সৃষ্টি কর্তার অস্তিত্ত্ব !এগুলো নিয়ে মারামারি, কাটাকাটি,হানাহানিতে উনার কোনকিছু আসে-যায় না।
নাস্তিক বাদীরা আমার মন্তব্যকে যেভাবে ইচ্ছা আক্রমণ করতে পারেন ,লাভ হবে না কারণ আমি একক সৃষ্টিকর্তা বিশ্বাস করি।

১১ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ২:৪৩

মলাসইলমুইনা বলেছেন: মো:মাহবুব রেজা,
জি, ঠিক বলেছেন ধর্মের ব্যাপারে বিশ্বাসটাই প্রধান ।
কারণ যুক্তি প্রমান দিয়ে ধর্মীয় কিছু কিছু বিষয় হয়তো প্রমান করা যেতে পারে আবার অনেক বিষয়ই আছে যেগুলো ঠিক বিজ্ঞান আর টেকনোলজি দিয়ে প্রমান করার বিষয় না । বিশ্বাস করতে হবে ধর্মের সেই সব বিষয়ে । সেটাতো ঠিক ।
অনেক ধন্যবাদ লেখাটা পড়ার জন্য ।

১৮| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০৫

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: জ্ঞানের মাত্রাভেদে প্রকাশ ভিন্ন হয় কিন্তু মৌলিক বিষয় খুব হেরফের হয় না।
কিন্তু দীর্ঘদিন দেখে আসছি কারো কারো মন্তব্যে মনে হয় গায়ের জোরে পাহাড় ঠেলে!
কোরআন কিছু না, মোহাম্মদ সা: কিছু না.. তারা বস্তুগত দু অক্ষর পড়ে যা বুঝেছে তাই চোখ বুঝে মানতে হবে!
হা হা হা

আর যাপিত জীবনে এটাই সত্য দেখেছি কোরআনে যা বলেছে-
"তোমরা তাদের যতই বোঝাও তারা বিশ্বাস করবে না। যদি তাদেরকে আকাশ থেকে সিড়ি নামিয়ে দেই
এবং তারা তাতে আরোহন করতে থাকে- তবুও বিশ্বাস করবে না বরং বলবে আমরাতো যাদুগ্রস্থ!"
এমন লোকের সংখ্যাও কম নয়।

আপনার আগের পোষ্ট এবং এ পোষ্ট দুটোই পড়েছি।
জ্ঞানের পুথিগত পাঠের সমস্যা হলো অন্তর্গত বিষয় তারা ধরতেই চায় না।
তাই কখনো কখনো তাত্ত্বিক আলোচনা কেবলই তাত্ত্বিকই রয়ে যায়।
সেই জ্ঞান পাপীদের দেখে বণী ইসরাইলিদের কথা মনে হয়। যারা প্রত্যক্ষ হাজারো প্রমাণ দেখার পরো বিশ্বাস করেনি।
এবং তাদের দীর্ঘদিনের বিশ্বাস যখন পূর্নতা পেল, এবং তাদের সমস্ত জ্ঞান, লক্ষন এবং যাচাই বাছাইয়েও যখন তা সত্য সন্দেহাতীত প্রমাণ হলো তারা বিশ্বাস করেনি। বরং সত্যকে গোপন করেছে। যাকে আরবীতে বলে কুফর।
তাইতো কোরআনে বারবার তাদের ডেকে বলা হচ্ছে উদাহরণ সহ, উপমা সহ এবং সত্য স্বাক্ষ্য সহ- যে তোমাদের কি হল? তোমরা বিশ্বাস করছো না। অথচ তোমরা এরই অপেক্ষায় ছিলে?

আর বস্তুবাদের বিষতো আপাদমস্তক গিলে ফেলেছে সভ্যতাকে। যে প্রাণ চলে গেলে বস্তুগত দেহ লাশ হয়ে যায়, সেই প্রাণকেই অস্বীকার করে যারা বস্তুগত সত্য অসত্যের প্রমাণে আকন্ঠ নিমজ্জিত, তারা তেমনই থাকবে যতক্ষনা প্রাণ ওষ্ঠাগত হয়।

১১ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৩:৪৬

মলাসইলমুইনা বলেছেন: বিদ্রোহী ভৃগু,

এক জন প্র্যাকটিসিং মুসলিম হিসেবে আপনার কথার সাথে আমি পুরোই একমত । এটাও ঠিক যারা এথিইস্ট তারা যেমন মানবে না কখনো তেমন নন প্র্যাকটিসিং অনেক মানুষ ধর্মের এই বিষয়গুলো, যেমন ভার্জিন বার্থ,সম্পর্কে মানতে চাইবে না ।সেটা আপনি যাই বলুন । আবার কিছু মানুষ আছে যারা বৈজ্ঞানিক প্রমান চাইবে । ধর্ম বা ধর্মের বিষয়গুলো নিয়ে সাধারণত বিতর্ক করতে চাই না । আমার ধর্ম সম্পর্কিত ফান্ডামেন্টাল বিশ্বাসগুলো আমার কাছে খুব ইম্পরট্যান্ট । সেগুলো আমার কাছে বিতর্কের বিষয় নয় কখনোই । সেটা যে যাই বলুক ।তাই আপনার কথাগুলো আমি বুঝেছি আর খুবই একমত ।

কিন্তু ধর্মের কিছু বিষয় আছে যেগুলো বিজ্ঞানের লেন্স দিয়ে দেখা যেতে পারে বিজ্ঞান আর টেকনোলোজির উন্নতির সাথে সাথে । রাসূল (সাঃ) নিজেও কেমন করে পুনুরুত্থান হবে সেই সব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন । আবার অনেক প্রশ্নের ব্যাপারে সাহাবীদের থেমে যেতে বলেছেন উত্তর না দিয়ে । এই ভার্জিন বার্থের ব্যাপারটাও তেমন বলে আমার মনে হয় । এটার আলোচনা হতেই পারে । এখন যেমন কিছু জেনিসিসিস্ট বলছেন ভার্জিন বার্থের সম্ভাব্যতার কথা ।তার মানে কুরআনে যা বলা হয়েছে বা বাইবেলে সেই ব্যাপারটা তুড়ি দিয়ে উড়িয়ে দেবার মতো না । সেজন্যই আমি ইদানিংকার কিছু তত্ত্ব দিয়ে ব্যাপারটার সম্ভাব্যতার কথা বলতে চেয়েছিলাম ।এই পদ্ধতিতে ভার্জিনবার্থ হতেই পারে আবার নাও হতে পারে । আমার বিশ্বাসের কোনো বিলিডং ব্লকনাতো এটা ।এই তত্ত্ব মিথ্যা হলেও কোনো অসুবিধাতো দেখি না । আমাদের জানার বাইরে (বা যা এখনো জানিনা ) এমন কোনো পদ্ধতিতেও এটা হতে পারে । যুক্তির ভেতর থেকেই তাই বললাম যা বলার । যাতে যারা প্রশ্ন তুলেছেন ভার্জিনবার্থ নিয়ে তারা থিয়োলোজিকাল এক্সপ্লানেশনের বাইরেও তারা যেন বিষয়টা নিয়ে ভাবতে পারেন । আরো অনেক রিসার্চ, অনেক এক্সপার্টের কথাই আমি বলতে পারতাম এই দুটো তথ্যের সম্ভাব্যতার পক্ষে প্রমান দেবার জন্য কিন্তু সেটা করিনি ।কারণ সেটা আমার ইচ্ছে ছিল না । কিন্তু আমি প্রফেসর বেরী আর ডক্টর আরতি প্রাসাদের তত্ত্ব দিয়ে সহজ করেই বলেছি ভার্জিন বার্থের সম্ভাব্যতার কথা ।তাতে কেউ কেউ বুঝেছেন যে এর একটা সম্ভাব্যতা আছে ।নতুন যেমন বলেছেন সেটা । এই এক্সচেঞ্জটাই আমি চেয়েছিলাম ।কখনোই আশা করিনি সবাই একদিনেই আমার কথা মেনে বিলিভার হয়ে যাবেন ।

অনেক ভালো লাগা আপনার মন্তব্যে । ভালো থাকবেন ।আর রসকষহীন লেখা পরে এতো বড় আর সুন্দর মন্তব্যের জন্য আমার দিক থেকেও বড় ধন্যবাদ নিন ।

১৯| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১৪

চাঁদগাজী বলেছেন:




@নীল আকাশ,
আপনি বলেছেন, " হযরত আলী (রাজিয়াল্লাহু আনহু) বলেছেনঃ মুর্খদের সাথে কখনও তর্ক করতে যেও না, কারণ তারা তোমাকে তাদের পর্যায়ে টেনে নামিয়ে দেবে। "

-হযরত আলী আজকের ৯ম শ্রেণীর বাচ্ছা থেকে অনেক কম জানতেন।

১১ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ভোর ৬:০৭

মলাসইলমুইনা বলেছেন: চাঁদগাজী সাহেব,
বিজ্ঞানমনস্ক ব্লগার হিসেবে আপনার খ্যাতি বা সুখ্যাতিতো সব পাংচার হয়ে গেলেও এই মন্তব্যে !
আপনার কথা থেকে আমরা জানি আমাদের দেশে একটা ডোডো টাইপ জিপিএ ফাইভ জেনারেশন গড়ে উঠছে নাহিদ ফাহিদের অদক্ষতার কারণে । এখন কোন বৈজ্ঞানিক স্কেলে আপনি এই ডোডো জেনারেশনকে হজরত আলীর (রাঃ) চেয়ে বেটার বললেন ? সেটা না বললেতো হবে না । হজরত ওমর (রাঃ) ও হজরত উসমান (রাঃ) -এর সময় যে বিশাল মুসলিম সাম্রাজ্য গড়ে উঠেছিল হজরত আলীর (রাঃ) শাসনকালে সেই সাম্রাজ্যের একটুও হাতছাড়া হয়নি মুসলিমদের ।তার মানে শাসক হিসেবে তিনি সফল ছিলেন । তাঁকে এই ডোডো জেনারেশনের ৯ম শ্রেণীর বাচ্ছা থেকে অনেক কম জানতেন বলা বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির বিশ্লেষণ অনুযায়ী পুরোই ভুল । কোনো স্কেলেই কিন্তু আপনি এই মন্তব্যটা জাস্টিফাই করতে পারবেন না ।তাই এই মন্তব্য কিন্তু আপনার উত্তেজনার বিস্ফোরণ মনে হবে অনেকের কাছে সাবস্টেনটিভ কোনো কমেন্ট না । যাহোক কুশলে থাকুন উত্তেজনা ছাড়াই ।

২০| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:০৬

নীল আকাশ বলেছেন: @ চাদগাজী, আপনার জ্ঞানের বহর দেখে আমি সহসাই টাসকি খেলাম। তবে অবাক হয় নি। এই ধরনের প্রচুর আজেবাজে
মন্তব্য আপনি আগেও করেছেন ধর্মীয় ব্যক্তিদের নিয়ে। নাস্তিক হওয়াটা খারাপ কিছু না তবে মুনাফেক হওয়াটা কুৎসিত মনোবৃত্তি।
মুনাফেক হচ্ছে তারাই যারা নিজেদের মুসলিম দাবী করে কিন্তু আদতে এরা সুবিধাবাদী নাস্তিক। সাহস থাকলে নিজেকে নাস্তিক ঘোষনা করুন আগে।

যাকে নিয়ে আপনি এই মন্তব্যটা করলেন, সেই হযরত আলী রাজিয়াল্লাহু আনহু সর্ম্পকে মহানবী সাল্লালাহু আলাহিস সালাম বলেছেনঃ
আমি যদি জ্ঞানের শহর হই তাহলে আলী হলো সেই শহরে ঢুকার সদর দরজা। আপনি অবশ্য এখন মহানবী সাল্লালাহু আলাহিস সালাম এর জ্ঞান নিয়েও প্রশ্ন তুলতে পারেন! আল্লাহ রাব্বুল আলামীন প্রতিটা মানুষ কে সৃষ্টির সময় বিবেক দিয়েছেন। কেউ এটা ব্যবহার করেন আর কেউ করেন না। আপনি যা ইচ্ছে বলতে পারেন তবে তাতে কারও কিছু যায় আসে না। এই প্রতিটা কথার জন্য একমাত্র আপনাকেই জবাবদিহী করতে হবে। হ্যাডম থাকলে, শেষ বিচারের দিন আল্লাহ কেও বইলেন, আমি চাদগাজী। সামুর হিট ব্লগার। আপনার জ্ঞান নিয়েও আমার সন্দেহ আছে!
ধন্যবাদ।

১১ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৭:৪৪

মলাসইলমুইনা বলেছেন: নীল আকাশ,
হাহাহা আপনি অরণ্যে রোদন করছেন বলে মনে হচ্ছে।মানুষকে মাপার স্কেল আপনাদের দুই রকম। আমি বা আমরা যতই আপনার স্কেল নির্ভুল বলি না কেন চাঁদগাজী সাহেবের কাছে সেটা ঠিক নেই।তাই আপনার মেজারমেন্ট উনি এক্সসেপ্ট করবেন না। উনার সাথে উনার নিয়মেই দাবা খেলতে হবে জিততে হলে ।

ভালো থাকুন ।

২১| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:৪৪

নূর আলম হিরণ বলেছেন: যীশু বাবা ছাড়া জন্মগ্রহণ করেছেন এটা একটি বিশ্বাস। এটার সাথে বিজ্ঞান মিলালে লেজেগোবরে হয়ে যায়। একজন মহিলার শরীরে যদি পার্থোজেনিসিস প্রক্রিয়া ঘটে তার শরীরে কি কি খারাপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিবে তার সম্পর্কে কি কিছু জানেন? মাতা মেরি ছাড়া বর্তমানে এমন কোন উদারন আছে?

১২ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ভোর ৫:২৯

মলাসইলমুইনা বলেছেন: নূর আলম হিরণ,
হ্যা, ঠিক । এটা ধর্মীয় বিশ্বাস । সেটা বিজ্ঞান দিয়ে প্রমানের কিছু নেই । আমি লেখাতে আসলে সেটা বলিও নি । আমি পুরোই একটা সাইন্টিফিক থিয়োরির কথা বলেছি, যা প্রপোজ করেছেন দুটো রেস্পেক্টেড এডুকেশনাল ইনস্টিটিউটের দুজন স্কলার, ঘটনাক্রমে সেই থিয়োরি দিয়ে পৃথিবীর প্রধান দুটো মনোথিস্ট ধর্মের খুবই উল্লেখযোগ্য একটা ঘটনাও ব্যাখ্যা করা যায় ।এই সম্পর্কটা এড়ানো কঠিন ছিল । তাই জেসাসের প্রশ্নটা এসেছে । আর পার্থনোজেনোসিসের ব্যাপারটা বেশ নতুন ---মানুষের ক্ষেত্রে ঘটার বাস্তব উধাহরণতো নেই । আমিও একটা সম্ভাবনা হিসেবেই বলেছি থিয়োরির কথা ।

পার্থনোজেনেসিসে কি রকম প্রতিক্রিয়া হবে শরীরে সে সম্পর্কে আসলে বলা খুব শক্ত । ১৯৯৫ সালের একটা ঘটনা উল্লেখ করেছে জার্নাল Nature Genetics । সেখানে একটা ছেলের (সম্ভবত আমেরিকার) জন্মের কথা বলা হয়েছে যেটাকে বলা হচ্ছে হাফ পার্থনোজেনেসিস ! সেখানে ছেলেটার রক্তে তার বাবার কোনো ডিএনএ নেই ! অন্যান্য অর্গানের টিস্যুতে আছে । এই ক্ষেত্রে মা-র বড় ধরণের কোনো অসুবিধের কথা বলা হয়নি । এটা অবশ্য ভার্জিন বার্থ না যদিও। এটাকে হাফ পার্থনোজেনেসিস বলা হচ্ছে ফার্টিলাইজেশন প্রসেসের ভিন্নতার কাৰণে । তাছাড়া X Y ক্রোমজোম দুটোই আছে এমন কিছু মেয়ে আছে যাদের ছেলে মেয়ে আছে । তাদের অসুবিধে আছে শারীরিক কিন্তু বড় শারীরিক কোনো অসুবিধার কথাতো তেমন করে রিসার্চে দেখিনি । পার্থোজেনেসিসের প্রতিক্রিয়া বিভিন্ন মানুষের বিভিন্ন ধরণের হবার কথা । তাই এটা নিয়ে ডিফিনেটিভ কিছু বলা মুশকিল ।

যাহোক, অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য ।

২২| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:২৫

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: যে কোনো মিরাকলের পক্ষে বিপক্ষে অনেক ধরণের ব্যাখ্যাই থাকতে পারে | তা সে ধর্মীয় হোক বা বিজ্ঞানের হোক বা কন্সপিরেসি থিওরিস্টদেরই হোক | ধর্মকে ধর্মের জায়গায় আর বিজ্ঞানকে তার জায়গায় থাকতে দেয়াই উত্তম | ধর্ম হচ্ছে কোনো প্রকার শর্তহীনভাবে সৃষ্টিকর্তাকে বিশ্বাস করা | এই বিশ্বাস ও বিজ্ঞানকে গুলিয়ে ফেলা ঠিক নয় | বর্তমানে বিজ্ঞানের যুগান্তকরী অগ্রগতির সাথে সাথে এর বাইপ্রোডাক্ট হিসাবে অনেক কিছুই হচ্ছে যা ধর্মের সাথে অনেক সময় সাংঘর্ষিক | মানুষের ক্লোনিং কোনো ধর্মেরই মূল্যবোধের সঙ্গে সহাবস্থান করতে পারে না |

বিজ্ঞান যদি পিতাহীন সন্তান জন্মদানের উপায় বের করে ফেলে তখন কি তাকেও ঈশা (আ: ) এর জন্যের সাথে সম্পৃক্ত করে ধর্ম ও বিজ্ঞানকে এক প্লাটফর্মে আনার চেষ্টা করবেন ? সে ক্ষেত্রে অদূর ভবিষ্যতে বিজ্ঞান হয়তো সমকামীদের সন্তান জন্মদানের উপায়ও বের করে ফেলতে পারে, তখন তাকে ধর্মীয় মানদন্ডে আপনি কিভাবে বিচার করবেন ?

১২ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ভোর ৬:১০

মলাসইলমুইনা বলেছেন: স্বামী বিশুদ্ধানন্দ,
জ্বি, ধর্ম ও বিজ্ঞানের সব কিছুই গুলিয়ে ফেলা উচিত না । ধর্মের সব কিছু এখনই বিজ্ঞান দিয়ে যাচাই করা যাবে না ।বিজ্ঞান ধীরে ধীরে জানছে ।এখন ধর্মের যে বিষয়গুলো বিজ্ঞানের সাথে সাংঘর্ষিক বা যেগুলোর কোনো প্রমান নেই বিজ্ঞানের হাতে ভবিষ্যতে সেগুলো হয়তো বিজ্ঞান জানতে পারবে প্রমানের ভিত্তিতেই । তখন আর ব্যাপারগুলো সাংঘর্ষিক মনে হবে না । আমি ইসলামিক স্কলার নই ।ক্লোনিংয়ের ব্যাপারে ইসলামের কি মতামত সেটা জানি না ।

আপনার মন্তব্যের দ্বিতীয় অংশ সম্পর্কে আমার দ্বিমত জানাচ্ছি । দেখুন নবুয়তের ব্যাপারটা আললাহর নির্ধারিত । সেটা মানুষ নির্ধারন করে না । আমাদের রাসূল (সাঃ) ছিলেন এতিম ।সাধাৰণ ভাবেই তাঁর জন্ম হয়েছিল । সে রকম বাচ্চা সে সময় আরো অনেক ছিল ।তাই বলেতো তারা সবাই রাসূল হয়ে যায়নি তাই না ? তাই ক্লোনিং করে বা পার্থনোজেনেসিসে আরেকটা ছেলে পৃথিবীতে হতেই পারে কখনো। আর ধর্ম বলেও না সেরকম হতে পারবে না । কিন্তু সেরকম হলেও সে হজরত ঈসার (আঃ) মতো রাসূল হবে না । আপনার মন্তব্যের সবচেয়ে শেষ অংশ সম্পর্কেও আমার কোনো মন্তব্য নেই ।সেটা স্কলাররাই বলবেন ।আমি বলার কেউ না ।

অনেক ধন্যবাদ লেখাটা পড়ে মন্তব্যের জন্য ।

২৩| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:০২

শায়মা বলেছেন: যাক বাবা এতদিন পরে বিজ্ঞানী বেরি এবং মাতা মেরির কিছু রহস্যের কিছুটা সন্ধান পেলাম!

জেনেটিক মোজাইক! বাপরে ভাবতেই আমার চোখে মানুষের শরীরের মাঝে মোজাইকের চিত্র বিচিত্র চিত্র ভেসে উঠছে!

ভাগ্যিস এসব রেয়ার! আর ইদানিং কালে জেনেটিক মোজাইক মেয়েরাও জন্মায় না!

নইলে কত মেয়েকে যে বাবা মায়ের হাতে মার খেতে হত!!!

পুরা দেশবাসীই তো মনে হয় দোররা বা ইট পাটকেল মেরে শেষ করতো! :(

১২ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ভোর ৬:৩১

মলাসইলমুইনা বলেছেন: হাহাহা --আমিও প্রথম যখন পড়েছি প্রফেসর বেরীর জেনেটিক মোজাইক থিয়োরি তখন ব্ল্যাক বেরির মতো মিষ্টি মনে হয়নি পড়তে বরং অবাকই হয়েছি বেশি । হ্যা জেনেটিক মোজাইক মেয়ে জন্মায় না খুব বেশি ---তাই কোনো মেয়ে বাবা মা'র বকুনি বা দোররা খায় না সেটা সত্যি । কিন্তু আমি কেন যেন একটা রূপকথা ভাবনা ভাবি এ'নিয়ে । পার্থনোজেনেসিসে যদি যীশুর মতো ক্ষমতা নিয়ে কোনো সুপার হিউম্যান জন্ম নিতো আমাদের দেশে তাহলে কি ভালোই না হতো ! দেশের এই অন্তহীন নৈরাজ্য, অরাজকতা, অশান্তি সব দূর হয়ে কেমন একটা সুশাসন আসতো না তাতে, সেই সুপার হিউমায়ানের নেতৃত্বে ? ভালো থাকুন ।

২৪| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:৪১

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: দারুন বিশ্লেষণ ধর্মী পোস্ট । কিভাবে মরিয়ম আ থেকে ঈসা আঃ জন্ম নিলেন। যাদের মাথায় আল্লাহর অস্তিত্ব আছে এটি তাদের জন্য খুব সহজ বিষয় । কারণ আল্লাহ কুন ফায়াকুন এর মালিক। তিনি আদম আঃ কে সৃষ্টি করেছেন পিতা মাতা ছাড়া। বিবি হাওয়া আঃ কেও। এটা নিয়ে ভেবে জ্ঞান বাড়ার সুযোগ নেই। মজার ব্যাপার হলো ঈসা আঃ এর মুজিজা ছিল তিনি মৃতকে জীবিত করতে পারতেন।তার কী কোন ব্যাখ্যা আছে? এসব নিয়ে ভাবা সময় নষ্ট করা। আরও কত ভাবনার বিষয় আছে। ঈমান হলো সবচেয়ে বড় নেয়ামত। আল্লাহ জাল্লা শানুহু আমাদের সবাইকে উত্তম ঈমান দান করুক।

১২ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৮:১২

মলাসইলমুইনা বলেছেন: সেলিম আনোয়ার,

খুব ভালো বলেছেন। হজরত ঈসার (সাঃ) জন্ম গল্পগাথা সেটা বলার দরকার আসলেই নেই । যারা বিশ্বাসী তাদের কাছে বিশ্বাসী যথেষ্ট । আপনার সাথে একমত তাকে যে মুজিজা দেওয়া হয়েছিল সেটা কোনো পার্থিব জন্মের সাথে সম্পর্কিত করে ব্যাখ্যা করা যাবে না। আমিও লেখায় ধর্মের ব্যাপারগুলো আলাদা রেখেই সে'রকম একটা জন্মের সম্ভাবনার (মুজিজার ব্যাপারগুলো না) ব্যাপারে জেনেটিসিস্টদের দুটো তত্ত্ব নিয়েই আমার লেখা । সেই সম্ভাবনাও খুব সহজ কোনো সম্ভাবনা না তা লেখাতেই বলেছি । কিন্তু তবুও সেই বৈজ্ঞানিক তত্ত্বের আলোচনাতেও কিছু ব্লগার এতো উত্তেজিত কেন আমি আসলেই বুঝতে পারছি না ।

আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ।

২৫| ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১২:১৭

কলাবাগান১ বলেছেন: এত কস্ট করার দরকার ছিল না। অলৌকিকতায় ই তো বিশ্বাস করছেন, তাহলে বৈজ্ঞানিক ভাবে যেটার প্রবাবিলিটি প্রায় জিরো সেটার উপর কেন ভর করছেন.. একটা উদাহরন দিন যে ৮ বিলিয়ন মানুষের মাঝে একজন, জাস্ট একজন, পার্থেনোজেনেসিস এর দ্বারা জন্ম গ্রহন করেছেন....। পারবেন না কেননা কোন মানবশিশু এখন পর্যন্ত্য পার্থেনোজেনেসিস এর দ্বারা জন্ম গ্রহন করে নাই...লিযার্ড/পিপড়া/হানি বিস তো আর মানুষের মত না..তারা করতে পারলে মানুষে হলেও হতে পারে বলে যে বিশ্বাস আপনি দেখিয়েছেন সেটা অনেক নাঈভ...(naive).

Androgen insensitivity syndrome এর কথা বলেছেন যেটা অনলাইন এর চার্চের লোকজন ভুল ভাবে ব্যবহার করে। আপনি ও সেখান থেকে উদাহরন নিয়েছেন। কিন্তু আপনাকে ভেবেছিলাম যে যখন বায়োলজি নিয়ে লিখছেন, তাহলে নিশ্চয়ই বুঝেই লিখছেন..Androgen insensitivity syndrome এর 'মহিলা' যার মাঝে XY chromosome আছে ..they do not have a uterus and therefore do not menstruate and are unable to conceive a child (infertile)....তাহলে জেসাস Androgen insensitivity syndrome এর মেরী থেকে জন্মগ্রহন করল কিভাবে.. সে সময় কি এখনকার মত uterus ভাড়া পাওয়া যেত???

Ovotestis কথা বলেছেন...একটা উদাহরন দেন যে আজ পর্যন্ত্য যে কয়টা মানুষ পাওয়া গিয়েছে যারা Ovotestis, তারা কোন বাচ্চার জন্ম দিতে পেরেছে স্পন্টেনিসিয়াসলি (gonadectomy ছাড়া???)। তাহলে মেরীর কি gonadectomy করা হয়েছিল..এত উন্নত ছিল মেডিক্যাল ব্যবস্হা???

আপনারা হলেন একজন ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের রিটায়ার্ড প্রফেসর (এমেরিটাস) এর কথা বিশ্বাস করবেন কেননা সেটা আপনার অলৌলিক বিশ্বাস সাথে মিলে যায়..কিন্তু হাজার হাজার হার্ভাড/এমআইটি/ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসরদের কথা কে ইগনোর করবেন...যারা বলছেন যে বৈজ্ঞানিক ভাবে কোনটা সম্ভব কোনটা সম্ভব না।
আশার কথা খুব অল্প লোকই বিশ্বাস করে যে চাদে সাঈদীকে আসলেই দেখা গিয়েছিল।

ভেবেছিলাম কোন উত্তর দিব না কিন্তু 'সেলিব্রেটি' ব্লগার যে কিনা chromosome এর বানান ও পারবে কিনা জানি না কিন্তু বিজ্ঞান নিয়ে আলোচনায় এসে আপনাকে কুফুর বানায়, জ্ঞানপাপী বলে ট্যাগ দেয়, তখন উ্ত্তর দিতে বাধ্য হলাম।

"সেই জ্ঞান পাপীদের দেখে বণী ইসরাইলিদের কথা মনে হয়। যারা প্রত্যক্ষ হাজারো প্রমাণ দেখার পরো বিশ্বাস করেনি।
এবং তাদের দীর্ঘদিনের বিশ্বাস যখন পূর্নতা পেল, এবং তাদের সমস্ত জ্ঞান, লক্ষন এবং যাচাই বাছাইয়েও যখন তা সত্য সন্দেহাতীত প্রমাণ হলো তারা বিশ্বাস করেনি। বরং সত্যকে গোপন করেছে। যাকে আরবীতে বলে কুফর। "

এখানে কোনখানে আমি বলেছি যে জেসাস নামে কেউ ছিল না?? ধর্মের কথা একবার ও কি এনেছি??

আবার সন্দেহ করছেন যে আমি আর এলিয়ানা সিম্পসন একই নিক????? চাদগাজী সাহেব বোধ হয় এলিয়ানা সিম্পসন কে ব্যক্তিগত ভাবে চিনেন...উনিই জানেন যে আমি কোন স্টেট এ থাকি আর এলিয়ানা সিম্পসন নিউইয়র্ক থাকে ... প্রমান ছাড়া এমন অভিযোগ করা ই কি আপনার স্বভাব???

এটাই আমার শেষ কমেন্ট..আপনার বিশ্বাস কে আমি শ্রদ্ধা রেখেই বলছি, বিজ্ঞান প্রমান ছাড়া কথা বলে না...যেদিন প্রমান পাব যে পার্থেনোজেনেসিস এর দ্বারা কোন মানব শিশু জন্মগ্রহন করেছে, সেদিন এসে আপনার কাছে ক্ষমা চেয়ে নিব ..তবে কথা হল সেটা কি এই দুনিয়াতে আদৌ হবে???

১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৮:০২

মলাসইলমুইনা বলেছেন: কলাবাগান১,
মাত্রই এই লেখার শেষে ধন্যবাদ বলেছিলাম আপনাকে আর নতুনকে কোনো কঠিন আর কঠিন শব্দ ভাষার ছাড়াই খুব পরিশীলিত ভাষায় একটা আপাত অসম্ভব বিষয় নিয়ে নতুনের লেখাটায় আমার কমেন্টের উত্তরে আলোচনা করেছিলেন বলে । তাই একটু অবাক হলাম আপনার মন্তব্যের শুরুতেই তীব্র শ্লেষাত্মক কথা দেখে ।

পার্থনোজেনেসিসে যদি মানুষ হয়েই যেত বা সেই উদাহরণটা যদি হাতের কাছেই থাকতো তাহলেতো ব্যাপারটার মীমাংসাই হয়ে যেত তখনতো আর এখন সাইন্টিসদের এটা নিয়ে থিয়োরি দিতে হতো না বা আপনিও আর তর্ক আর বিতর্ক করতেন না হজরত ঈসার (আঃ) জন্ম নিয়ে তাই না? সেটা হয়নি বলেইতো প্রফেসর বেরী আর ডক্টর আরতি প্রাসাদের তত্ত্ব একটা সম্ভাবনার সৃষ্টি করেছে হজরত ঈসার (আঃ) জন্মের একটি অসাধাৰণ ব্যাখ্যার তাই না ? আর সেই সম্ভাবনার কথাইতো আমি লেখায় বলার চেষ্টা করলাম । নতুন যেমন বলছেন একজন মহিলার X আর Y ক্রোমোজোম থাকলে ( যার উদাহরণ আছে বেশ কিছু একটু পরেই দিচ্ছি) পার্থনোজেনেসিসে ছেলের জন্ম দানের একটা সম্ভাবনা আছে তার সম্ভাবনা যতই ছোট হোক। ব্যাপারটা অসম্ভব না । সেটা নিয়ে এতো আক্রমণাত্মক হলেন কেন ? পিউ রিসার্চ সেন্টারের নামতো নিশ্চই শুনেছেন না ? তাদের একটা রিসার্চে দেখা যাচ্ছে ৫১% আমেরিকান সাইন্টিসট ঈশ্বরে বিশ্বাস করে ।তারা কি অলৌকিকতায় বিশ্বাস করে বলে তাদের সব কথাই ফেলে দিতে হবে ?

Androgen insensitivity syndrome এর কথা বলেছেন যেটা অনলাইন এর চার্চের লোকজন ভুল ভাবে ব্যবহার করে। আপনি ও সেখান থেকে উদাহরন নিয়েছেন " না জেনে আমি অন লাইন চার্চের থেকে এন্ডোজেন সেনসিটিভিটি সিনড্রোমের কথা লিখেছি সেটা বলা আপনার মতো বিজ্ঞানমনস্ক ব্লগারের উচিত হলো? আপনি যদি আরো একটু ভেবে আপনার মন্তব্যটা করতেন তাহলে আমি অনেক খুশি হতাম । আমি এই বিষয়টা লিখেছি প্রফেসর বেরীর থিউরিটা নিয়ে বিখ্যাত ইংলিশ ডেইলি গার্ডিয়ানের একটা আর্টিকেল থেকে যেখানে প্রফেসর বেরী পার্থনোজেনেসিসের শর্ত হিসেবে 'testicular feminisation' কথা বলেছেন যে সেটা থাকতে হবে (যাচাই করতে চাইলে বলবেন লিঙ্ক দিয়ে দেব)।আর এখনকার জেনেটিক্সে testicular feminisation' -কেইতো Androgen insensitivity syndrome বলে । ‘testicular feminisation' নিয়ে যেন কোনো ভুলবুঝাবুঝি না হয় সেজন্যই আমি ব্রাকেটে Androgen insensitivity syndrome কথা মেনশন করেছি । তার জন্য চার্চের পাদ্রীদের কাছেতো যেতে হয়নি ! আর ব্রাকেটবন্দি একটা কথা নিয়ে আপনি এতো কথা বলে দিলেন, আশ্চর্য। এখন আপনার কথার সূত্র ধরে তিন প্রশ্নবোধক চিহ্ন দিয়ে আমি কি বলতে পারবো যে "--- আপনার স্বভাব???" হাহাহা । সেলুকাস কি বিচিত্র আমাদের দেশের মানুষের মনোভাব !!

শরীরে ‘testicular feminisation' বা 'Androgen insensitivity syndrome'-এর প্রতিক্রিয়া ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে ভ্যারি করতে পারে তাই না ? তাছাড়া 'Androgen insensitivity syndrome'- এরতো ভ্যারাইটি আছে -কমপ্লিট, ইনকমপ্লিট আর পার্শিয়াল তাই না ? আর কমপ্লিট বা পার্শিয়াল Androgen insensitivity syndrome আছে এমন মহিলা হবে 46,XY karyotypes সেট জানেন নিশ্চই ? এই 46,XY karyotypes মহিলাদের কিন্তু বেবি থাকতেই পারে সম্ভাবনা যতই কম হোকনা কেন ? ২০০৮ সালের The Journal of clinical endocrinology and metabolism -এ একটা আর্টিকেল পাবলিশড হয়েছিল যার টাইটেল ছিল 'Report of Fertility in a Woman with a Predominantly 46,XY Karyotype in a Family with Multiple Disorders of Sexual Development' । সেই আর্টিকেলে টাইটেলের মহিলা সম্পর্কে বলা হচ্ছে "--- gave birth to a 46,XY daughter with complete gonadal dysgenesis" ! আশ্চর্য তাই না ? এগুলো অবশ্যই রেয়ার সেজন্যই সাইন্টিফিক আর্টিকেলের বিষয় হয় । কিন্তু এই উদাহরণগুলো দিয়েই কি প্রমান হয় না ‘testicular feminisation' বা 'Androgen insensitivity syndrome' থাকলেই যে রিপ্রোডাকটিভ সিস্টেম সব সময় সবার জন্যই অকার্যকর হয়ে যাবে সেটা সত্যি না । “তাহলে মেরীর কি gonadectomy করা হয়েছিল..এত উন্নত ছিল মেডিক্যাল ব্যবস্হা???” আপনার এই কথাটার কি আরো পরিষ্কার তথ্য তত্ত্ব দিয়ে উত্তর দিতে হবে ?

আপনার মন্তব্যের প্রথমাংশের বিজ্ঞানমনস্কতা কিন্তু শেষের দিকে নেই ।সেখানে আপনার অসহিষ্ণুতাই মনে হয় বেশি প্রকাশ পেয়েছে আমার মনে হলো । মানুষের ক্ষেত্রে পার্থনোজেনেসিস সম্ভব কিনা এই আলোচনাটাতো খুব সাম্প্রতিক তাই না ? আমি তাই দুটো খুবই সামপ্রতিক তত্ত্ব নিয়ে আলোচনা করেছি ব্যাপারটা । এখানে কোনো স্কুলের এমিরেটস প্রফেসরের প্রশ্ন আসলো কেন ? আপনি কি জানেন না এবারের (ইউএসএ টুডে-র) ওয়ার্ল্ড রাঙ্কিংয়ে লন্ডন কলেজ (লন্ডন ইউনিভার্সিটি) সারা পৃথিবীর অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ইউনিভার্সিটি (ওভার অল রাঙ্কিংয়ে #২৩ আর ব্রিটেনে #৪) হিসেবে রাংকড হয়েছে ? তার একজন প্রফেসর আর পার্থনোজেনেসিস বিষয়ে এক্সপার্ট কারো সাম্প্রতিক একটি প্রাসঙ্গিক তত্ত্ব কেন আলোচনার বিষয় হতে পারবে না ? হলে অসুবিধা কোথায় ? আপনি কি এই বিষয় নিয়ে আরো অনেক তত্ত্ব জানেন ? জানলে জানাবেন আমাদের। আমি বর্তমান পৃথিবীর পার্থনোজেনেসিসের অন্যতম লিডিং অথরিটি ইউনিভার্সিটি অফ টালসা, ওকলাহামার ডেডিড বুথের রেপ্টাইল নিয়ে পার্থনোজেনেসিসের রিসার্চের কথা জানি ।আমি ইউপেনের মলিকুলার জেনেটিসিস্ট মারিসা বার্তোলোমির এ’নিয়ে রিসার্চের কথা জানি যেখানে উনি বলেছেন "I just think it's too complex and you'd need too many things to happen accidentally" । তাদের সবার কথাই হলো মানুষের ক্ষেত্রে রান্ডম মিউটেশনের মধ্যে দিয়ে পার্থনোজেনেসিস সহজ কোনো বিষয় না খুবই কমপ্লিকেটেড একটা বিষয় । কিন্তু তাত্ত্বিকভাবে পুরোপুরি অসম্ভব বিষয় না । সেই কথাটাইতো বলছি আমি লেখায় ।হজরত ঈসার (আঃ) জন্মের ব্যাপারে আমি শুধু বলেছি বিজ্ঞান সমর্থন করে এ'রকম একটা ব্যাপার (এটাই সেক্ষেত্রে হয়েছে সেটাও বলিনি ।বলেছি শুধু সম্ভাবনার কথা ) । ইদানীংকার জেনেটিসিস্টরা এটা অসম্ভব মনে করেন না তা যত ছোটই হোক না কেন সম্ভাবনা ।ছোট মাত্রার সম্ভাবনা বলেই হাজার বছরে এর কোনো উদাহরণ নেই । কিন্তু আপনার মন্তব্যে খানিকটা শ্লেষ প্রকাশ পেয়েছে এ প্রসঙ্গে যেটা একটু অবাক করেছে আমাকে ।

এখানে কোনখানে আমি বলেছি যে জেসাস নামে কেউ ছিল না?? ধর্মের কথা একবার ও কি এনেছি?? এই প্রশ্নের কি উত্তর দেব তাইতো বুঝে উঠতে পারছি না ? আমি এই কথা আপনার প্রসঙ্গে কোথায় বললাম আমার লেখায় ? প্লিজ ভালো করে পরে দেখুনতো ।ওটাতো নতুনের প্রসঙ্গে বলেছি ।আপনার মন্তব্য পুরোটাই সাইন্টিফিক বিষয় নিয়ে সেটাতো প্যারেন্থিসিসেই বলেছি ওই কমেন্টের সাথেই !

আবার সন্দেহ করছেন যে আমি আর এলিয়ানা সিম্পসন একই নিক????? ... প্রমান ছাড়া এমন অভিযোগ করা ই কি আপনার স্বভাব??? হাহাহা ।আপনার এই কথা শুনেই আমার মনে হচ্ছে যত কমই হোক সম্ভাবনা পার্থনেজেনেসিস অবশ্যই সত্যি মানুষের ক্ষেত্রে । আমার পুরো লেখাটার মাত্র ৭ শব্দে এই নিরীহ সন্দেহটার কথা ব্রাকেটের মধ্যে বলেছি একটা সঙ্গত কারণেই । এই শব্দগুলো আমার লেখার মোট শব্দের শতকরা ০.০০০২ ভাগ ! সেই অল্প শব্দগুলোই আপনার চোখে পড়লো আর প্রথমেই যে বললাম উনি আপনার কনফিডান্ট (confidant)সেটা এড়িয়ে গেলেন ! কনফিডাণ্ট মানেতো ফ্রেন্ড/ বুজম ফ্রেন্ড তাই না?

আমি কিছু বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব নিয়েই আলোচনা করেছি আমার লেখায় । এটা যে খুব কম সম্ভাবনার একটা ব্যাপার কিন্তু একেবারেই যে অসম্ভব সেটাও না সেই কথাটাও উপসংহারে বলেছি ।বিজ্ঞান নিয়ে একটা লেখায়তো নিজের কথা বেশি বলিনি । আমি আরো অনেক রিসার্চ ফাইন্ডিংস দিয়েই আমার বলা তত্ত্বের পক্ষে সাপোর্ট দেখাতে পারতাম । কিন্তু আমি সেটা করিনি কারণ আমি প্রফেসর বেরী আর ডক্টর আরতি প্রাসাদের তত্ত্ব গুলোই শুধু আলোচনা করতে চেয়েছি আমার নিজস্ব খুব বেশি মন্তব্য ছাড়াই । নতুন সম্ভবত আমার কথাটা বুঝেছেন ।উনি একমত হয়েছেন একজন মেয়ের মধ্যে XY ক্রোমোজোম থাকতে পারলে পার্থনোজেনেসিস হয়তো সম্ভব (একটা উধাহরন দিলাম একটা সাইন্টিফিক জার্নালের রিসার্চ আর্টিকেল থেকে যে XY ক্রোমোজোম থাকলেও একজন মেয়ে সন্তান জন্ম দিতেপ পারে ) । বিজ্ঞান একটা সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করে । প্রমান অসম্ভব হলে সেটা বলে। যদি অসম্ভব না হয় কোনো ঘটনা তাহলে সেটার সম্ভাব্যতার কথাও বলে।এটাই বিজ্ঞানের আলোচনা। আমি সেটাই করতে চেয়েছি । কিন্তু আপনি সেই সম্ভাব্যতার কথাও স্বীকার করতে চাচ্ছেন না বরং খুবই অপ্রাসংগিক ভাবে সাঈদী টাইদি আরো কত কি বললেন সেটাই অবাক করার মতো । সম্ভাব্যতার আলোচনা ছাড়াতো বিজ্ঞানের আলোচনা হয় না !আমি আপনার কাছ থেকে আরো যৌক্তিক মন্তব্য আশা করেছিলাম । যাহোক, লেখাটা পরে মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ ।

২৬| ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১:৫৩

চাঁদগাজী বলেছেন:



@নীল আকাশ বলেছেন, " @ চাদগাজী, আপনার জ্ঞানের বহর দেখে আমি সহসাই টাসকি খেলাম। তবে অবাক হয় নি। এই ধরনের প্রচুর আজেবাজে মন্তব্য আপনি আগেও করেছেন ধর্মীয় ব্যক্তিদের নিয়ে। নাস্তিক হওয়াটা খারাপ কিছু না তবে মুনাফেক হওয়াটা কুৎসিত মনোবৃত্তি। "

১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৮:৫০

মলাসইলমুইনা বলেছেন: ব্লগিয় মিথস্ক্রিয়া ! আচ্ছা চলছে যখন চলুক ।
হাজার হোক বাক ব্যক্তি স্বাধীনতা নিয়ে কথা এই বিজয়ের মাসে !
আমি না হয় চোখ বন্ধ করে দর্শক ও কান বন্ধ করে শ্রোতা হয়েই থাকি - দেখি ও শুনি ।

২৭| ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১:৫৭

চাঁদগাজী বলেছেন:



@নীল আকাশ বলেছেন, " @ চাদগাজী, আপনার জ্ঞানের বহর দেখে আমি সহসাই টাসকি খেলাম। তবে অবাক হয় নি। এই ধরনের প্রচুর আজেবাজে মন্তব্য আপনি আগেও করেছেন ধর্মীয় ব্যক্তিদের নিয়ে। নাস্তিক হওয়াটা খারাপ কিছু না তবে মুনাফেক হওয়াটা কুৎসিত মনোবৃত্তি। "

-আমি কোন নাস্তিক, পাস্তিক নই; আমার কথা হলো, নারী ও পুরুষে জিং জিং না করলে বাচ্চা হবে না; পিরিয়ড; বিনা জিং জিং এ বাচ্চা হয় না, সোজা ব্যাপার।

১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৮:১১

মলাসইলমুইনা বলেছেন: আমিতো আগেই বলেছি প্রফেসর বেরীর কাছে হায়ার স্টাডিজে ছাত্র হলে আপনার জিপিএ বিপর্যয়কর ভাবে হ্রাস পেতে পারতো আর তাতে মানুষ আপনাকে ডোডোও বলতে পারতো--ঈশ্বর আমাদের বাঁচিয়েছেন।দেখেন সেসব না হয়ে আপনি কেমন ব্লগখ্যাত ব্লগারের পরিচয়ে সমাসীন ! অথচ আপনি কেমন ঈশ্বরে অবিশ্বাস করছেন !

২৮| ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ২:০৫

বিষাদ সময় বলেছেন: এত জটিল বিষয় বোঝা আমার মত অজ্ঞের পক্ষে খুব কঠিন। কিন্তু একটা বিষয়ে খটকা লাগে যখন হজরত ঈসা (আঃ) আর যীশু খ্রিস্টের ক্যারেক্টারিস্টিক গুলিয়ে ফেলা হয়। যদিও দুজনকে একই ব্যাক্তি হিসাবে গন্য করা হয় কিন্তু দু জনের ক্যারেক্টারিস্টিক কিন্তু অনেকখানিই আলাদা।
ঈসা (আঃ) এর কোন পিতা নাই, কিন্তু যীশুর খ্রিস্টের পিতা স্বয়ং ঈশ্বর (ভুল বললে আশা করি শুধরে দিবেন) ।
ঈসা (আঃ) পিতা বিহীনভাবে জন্ম নিয়েছেন তাই তার ক্ষেত্রে এ আলোচনা প্রাসঙ্গিক হলেও যীশু খ্রিস্টের ক্ষেত্রে এ আলোচনা প্রাসঙ্গিক নয় বলে আমার মনে হয়।

১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৮:৪৫

মলাসইলমুইনা বলেছেন: বিষাদ সময়,
আপনার পয়েন্ট ওয়েল টেকেন । আমার কাছে মনে হয় জেনেটিক মিউটেশনের মতোই এখানে নামের মিউটেশন হয়েছে আর তার জন্মের ঘটনাও মিউটেশনের কবলে পরে দুভাবে বলা হয়েছে । হজরত ঈসা আর জেসাস নাম দুই হলেও দুজনই কিন্তু ক্রিশ্চান ধর্মেরই মূল প্রচারক তাই মনে হয় দুজন আসলে একজনই । এটাই আমার কাছে বেশি সত্যি বলে মনে হয় । যদিও সেটা নিয়ে কিছু ভিন্ন থিয়োরি আছে আমি জানি । যাহোক, লেখাটা পরে মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ ।

২৯| ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:১৪

রুমী ইয়াসমীন বলেছেন: মহান আল্লাহ বা সৃষ্টিকর্তা চাইলে সবই সম্ভব একমুহূর্তের মধ্যেই।
যাদের ঈমানের দুর্বলতা আছে ও যারা সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাসী নয় তারাই এটা বিজ্ঞান দিয়ে গবেষণা করতে চাইবে।
তাই যাদের মাঝে ধর্মীয় বিশ্বাস ও ঈমানের দৃঢ়তা আছে তারা এইসব বিভিন্ন যুক্তিতর্কে না জড়ানোই ভালো মনে করি।
মহান আল্লাহ সবাইকে সঠিক বুঝ দান করুন। আমীন।

১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:২৭

মলাসইলমুইনা বলেছেন: রুমী ইয়াসমীন,
গিয়াসুদ্দিন লিটনের কোনো একটা মন্তব্যে দেখেছিলাম 'আমাদের পিচ্চি রুমি' কথাটা (আগে পরে অন্য কথাও ছিল অবশ্য মনে করতে পারছি না এখন ) দেখে আমিতো আপনাকে স্কুলের ছোট মেয়ে ভেবেছিলাম ।কিন্তু এই মন্তব্যতো খুবই সমঝদারের মতো কোনো বয়স্ক মহিলার মনে হচ্ছে !ব্যাপার কি, আপনি কে ?

যাক, একটা জরুরি কথা বলি, আমি কিন্তু আমার লেখায় কোথাও বলিনি যে পার্থনোজেনেসিসের মধ্যে দিয়েই হজরত ঈসার (আঃ) জন্ম হয়েছে । বরং খুব পরিষ্কার করেই বলেছি এই পদ্ধতিতেও হতে পারে আবার মানুষের জানার সম্পূর্ণ বাইরের কোনো পদ্ধতিতেও হতে পারে । আল্লাহ তার ইচ্ছেতে যে কোনো ভাবেই তাঁকে জন্ম দিতে পারেন । সেটা নিয়ে আমি যুক্তি তর্ক করতে চাইনা বা যাইও না ।ওটা আমার বিশ্বাসের ব্যাপার ।

এই লেখাটা ব্লগার নতুনের একটা লেখার পরিপ্রেক্ষিতে লেখা ।সাধারণতো আমি এই ধরণের ব্লগ আলোচনায় কমেন্ট করি না । কিন্তু নতুন একজন পুরোনো ব্লগার আর খুব লজিকাল মানুষ । তার লেখায় আমি একটা কমেন্ট করেছিলাম (কেন যে করেছিলাম এখন উত্তর দিতে দিতে আঙ্গুল হাত মাথা সব ব্যাথা হয়ে যাচ্ছে) সেই লেখাটাতে নতুন বলেছিলেন হজরত ঈসার (আঃ) জন্মের ব্যাপারটা একটা মিথ বা অলৌকিক কাহিনীর মতোই । আমি সেখানে মন্তব্যটা করেছিলাম এটা বলতে যে হজরত ঈসার (আঃ) ব্যাপারে কুরআনের বর্ণনা আর যাই হল অলীক কোনো বিষয় নয় । বিজ্ঞান এর সম্ভাব্যতার কথা স্বীকার করে । জেনেটিসিস্টদের থিয়োরিও আছে এই সম্ভাব্যতার ব্যাপারে । যেই বিষয় নিয়ে আমি কোথাও লেখা দেখিনি ।তাই ভাবলাম সেটা বলে রাখা ভালো ।কিন্তু আমার মন্তব্যের উত্তরে নতুন, কলাবাগান, এলিয়ানা সিম্পসন যে উত্তরে দিলেন কুরআনের বক্তব্যের বিরুদ্ধে আর আমার মন্তব্যের আনাড়িপনা নিয়ে সেটা থেকেই এই লেখা । আমি শুধু কুরআনের বক্তব্য অসম্ভব নয় সেটাই বলার চেষ্টা করেছি ।আর কিছু না । প্রমান করার চেষ্টা করিনি ।

এটা আমার বিশ্বাসের কোনো বিল্ডিং ব্লক নয় । এই তত্ত্ব কালকে ডিবাঙ্ক হলেও আমার বিশ্বাসের কোনো নড়চড় হবে না । যারা বিশ্বাস করেন না ব্যাপারটা তারাও আমার লেখা পরে বিশ্বাসী হয়ে যাবেন সেটাও আমি ভাবিনা । আল্লাহ বিজ্ঞানময় সেটা কুরআনে বলেছেন । আশেপাশে দেখতে বলেছেন তার অসামান্যতা বুঝতে কুরআনেই । এমন কি নন ইসলামিক স্কলারদেরও জিগগেস করতে বলেছেন প্রয়োজনে । রাসূল (সাঃ) সাহাবী, সে সময়কার মদিনার জু, ক্রিশ্চানদের এমন অনেক প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন ।আবার অনেক প্রশ্নের উত্তরে, যেমন আল্লাহকে সৃষ্টি করলো (নাউযুবিল্লাহ), তাদের চুপ করে যেতে বলেছেন । আল্লাহর ক্ষমতার অসামান্যতা বুঝতে হজরত ঈসার (আঃ) জন্মের অসাধারণত্ব নিয়ে আলোচনা হতেই পারে ।আমি এভাবেই হজরত ঈসার (আঃ)জন্মের ব্যাপারটা দেখি । মন্তব্যের জন্য ।তাই এই লেখা ।অনেক ধন্যবাদ লেখাটা পড়ে মন্তব্যের জন্য ।

৩০| ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:১৭

রাজীব নুর বলেছেন: সবার মন্তব্য গুলো পড়লাম।

১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:৪৩

মলাসইলমুইনা বলেছেন: রাজীব নুর,
গুড। জ্ঞান অর্জনের জন্য পড়া ভালো ।
বিজ্ঞান ধর্ম সব ধরণের জ্ঞানীজ্ঞানী কথা বলা হচ্ছে কমেন্টিতো করা হচ্ছে দেখছি!আপনি নিশ্চই বিবিধ বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করছেন?

৩১| ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:০৪

ঝিগাতলা বলেছেন:




@ চাদগাজী, আপনি তো দুমুখো ধার ওয়ালা ব্লেড। দুই দিকেই কাটেন। আপনাকে মুনাফিক ফুনাফিক বললে ভুল হবে। মুনাফিকের আলামত চারটি: ওয়াদা করলে ভঙ্গ করা, আমানতের খেয়ানত করা, কথা বললে মিথ্যা বলা, ঝগড়া করলে গালী দেয়া। আবার আপনি নিজেকে মুসলমানও দাবী করেন। মুসলমান হতে হলে কোরআন বিশ্বাস করা অন্যতম শর্ত। কিন্তু আপনার মনে কোরআনের কথাগুলোর ব্যাপারে সন্দেহ আছে। এখন আপনাকে মুনাফিক কিংবা মুসলিম কোনটাই বলতে পারছি না। তাহলে আপনার ধর্মীয় পরিচয় কি আমাদের একটু বুঝিয়ে বলবেন প্লীজ।

আরেকটা কথা, একজন মানুষ হয় পুরুষ হবে, না হয় নারী হবে। নারী পুরুষ কোনটাই না হলে তাকে কি বলা হয় জানেন তো?

১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:৫৫

মলাসইলমুইনা বলেছেন: ঝিগাতলা ,
হাহাহা ----সবাই উত্তেজিত কেন ? এভরিবডি, কাম ডাউন প্লিজ ।

৩২| ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:১৫

সুপারডুপার বলেছেন: কি সাংঘাতিক মিঃ নীল আকাশ/ জুনায়েদ ! , সব জায়গায় দেখি আগ বাড়িয়ে ব্যক্তিগত আক্রমণ শুরু করেন। চাঁদগাজী সাহেব বলেছেন হজরত আলী (রাঃ ) কে। আপনি হজরত আলী (রাঃ) বাদ দিয়ে প্রথমে শুরু করলেন চাঁদগাজী সাহেবকে নিয়ে।

১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:০১

মলাসইলমুইনা বলেছেন: সুপারডুপার,
বৈজ্ঞানিক আলোচনায় উত্তেজিত হলেতো হবে না । এভরিবডি কাম ডাউন ।

৩৩| ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:০৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


@নীল আকাশ,

হযরত আলীর সময়ে আরবে যেসব জ্ঞানী ছিকেন, ২০১৯ সালে, ঢাকার ৯ম শ্রেণীর বাচ্ছা থেকে অনেক কম জানতেন উনারা, এটা আমার পর্যবেক্ষণ। পুরো মক্কা মদিনায় হয়তো ১০ জন নাম লিখতে জানতেন। উনারা আপনার থেকে বেশী বুঝতেন, হয়তো

১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:১৬

মলাসইলমুইনা বলেছেন: চাঁদগাজী সাহেব,
আপনার ইতিহাস সম্পর্কে আপনার জ্ঞান দেখে আমি সত্যি চমৎকৃত !
কিন্তু ঐতিহাসিক জ্ঞানের এসিমিলেশনের সাথে, এনালাইসিস আর ডিসিমিলেশনটাও নাইসলি কোয়ার্ডিনেটেড হতে হবে কিন্তু !!

৩৪| ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:৫৪

রেযা খান বলেছেন: @নতুন সাহেব আপনি বলেছেন “আসলে আমি অলৌকিকতায় বিশ্বাসী না, আমার কাছে দুনিয়ার নিয়মটা খুবই সাধারন ১+১=২”
বাইনারী সংখ্যায় ১্ + ১=১০ হয় জানেন তো? কাজেই আমাদের জানা বা বুঝার বাহিরেও অনেক কিছু থাকতে পারে।

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:৩৬

মলাসইলমুইনা বলেছেন: রেজা খান,
আপনি খুব মজার একটা কথা বলেছেন । বাইনারি সংখ্যায় ১+১= ১০ !
আসলেই আমাদের জানা বা বুঝার বাহিরেও অনেক কিছু থাকতে পারে।
এই বাইনারি সংখ্যার মজার ব্যাপার নিয়ে কিছু লিখুন না আমাদের জন্য ব্লগে ।
অনেক ধন্যবাদ লেখাটি পড়ে একটা মজার মন্তব্যের জন্য ।

৩৫| ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১৭

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: দুই হাজার বছর আগে কী হয়েছিল, তা' নিয়ে দুই হাজার পরের মানুষরা কথা কাটাকাটি করছে। মজাই লাগছে।

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:৪৫

মলাসইলমুইনা বলেছেন: আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম,

দুই হাজার বছর আগে কী হয়েছিল, তা' নিয়ে দুই হাজার পরের মানুষরা কথা কাটাকাটি করছে। মজাই লাগছে।

না না, হাজার বছর আগের একটা ব্যাপার নিয়ে ঝগড়া একেবারেই না ।এই ব্যাপারটা নিয়ে ঝগড়ার কিছু নেই ।কারণ হজরত ঈসার (আঃ) জন্ম পার্থনোজেনেসিসের মধ্যে দিয়ে হয়েছিল কিনা সেটাতো আমরা জানি না ।হতেও পারে নাও হতে পারে সেটা লেখাতেই বলেছি । কিন্তু বিজ্ঞান পার্থনোজেনেসিসের সম্ভাবনাটা অস্বীকার করে না সেটাই লেখায় বলার চেষ্টা করেছিলাম । কেউ কেউ সেই সম্ভাব্যতার ব্যাপারে একমত হয়েছেন কেউ কেউ না, এই যা ।---এই দ্বিমতকে অবশ্যই ঝগড়া বলছিনা আমি । ভালো থাকুন ।

৩৬| ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩৭

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: আপনার বিশ্লেষণ দুর্দান্ত। যতগুলো সম্ভাব্যতার কথা বলা হয়েছে, তাতে 'জেনেটিক মোজাইক' ধারণাটাই আমার কাছে সর্বোচ্চ সম্ভাব্য মনে হচ্ছে। 'যমজ'দের জন্মগ্রহণের ব্যাপারে খুব আগে কিছু আর্টিকেল পড়তে যেয়ে আমি কিছু পেয়েছিলাম, যার সাথে মোজাইক জেনেটিক ধারণার মিল পাওয়া যায়। তবে, আপনার শেষ প্যারাগ্রাফটা গুরুত্বপূর্ণ। ভার্জিন মেরি কোন প্রক্রিয়ায় হযরত ঈসা (আঃ )-এর জন্মদান করেছিলেন, তা খুঁজে বের করার জন্যই গবেষণার অন্ত নেই এবং ঠিক যেই প্রক্রিয়ায় এটা সম্ভব হয়েছিল, তা হয়ত এখনো অনাবিষ্কৃত রয়ে গেছে। যদি আমি আস্তিক হয়ে থাকি, তাহলে বিশ্বাস হবে এই যে, এটা এমন এক প্রক্রিয়ায় সম্ভব হয়েছিল, যা মহাবিশ্বে এক এবং অদ্বিতীয় প্রক্রিয়া, এবং সেটাই হয়ত 'জেনেটিক মোজাইক' কনসেপ্ট, যা বিগত বিলিয়ন বছরে হয় নি, ভবিষ্যতেও হবে না।


গঠনমূলক, তথ্য ও উপাত্তনির্ভর কমেন্টে আমার মতো সাধারণ পাঠকও লাভবান হবে।

শুভেচ্ছা।

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:৫৮

মলাসইলমুইনা বলেছেন: সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই,

হাহাহা ----।
আপনার মন্তব্যের প্রথম লাইন পড়েই দুর্দান্ত লজ্জা পেয়ে গেলাম ।
ভালো লাগছে আপনি খুব ওপেন একটা মাইন্ড নিয়ে লেখাটা পড়েছেন আর ভেবেছেনও । পার্থনোজেনেসিস নিয়ে পড়তে গিয়ে বিশেষ করে প্রফেসর বেরী, ডক্টর আরতি প্রাসাদ আর আরো কয়েকজন জেনেটিসিস্টের রিসার্চ নিয়ে পড়তে গিয়ে আমারও সেটাই মনে হয়েছিল 'জেনেটিক মোজাইক' ধারণাটা একটা খুবই নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি হতে পারে এই বিষয়টা ব্যাখ্যা করার জন্য যদিও এখন পুরো শিয়রিটি দিয়ে সেটা বলবার কোনো উপায় নেইযে এটাই হয়েছিল। আরো অনেক কিছুই হতে পারে যা আমরা এখনো জানিনা বা কখনোই জানতে পারবো না। কিন্তু বিষয়টা যে সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে উড়িয়ে দেবারও ব্যাপার না সেটা বলতেই এই লেখা আর কিছু না ।সবাই বিশ্বাস করবে সেটা ভাবিনি । কিন্তু সবাই একটু ভাববে সেটা চেয়েছিলাম ।

অনেক ধন্যবাদ লেখাটা পড়ে সত্যিই ভেবেছেন বলে । এটাই পাবার ছিল লেখাটা নিয়ে ।অনেক ধন্যবাদ আবারো ।

৩৭| ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১৮

একজন অশিক্ষিত মানুষ বলেছেন: ভালো লিখেছেন ।

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:০০

মলাসইলমুইনা বলেছেন: একজন অশিক্ষিত মানুষ,
অনেক ধন্যবাদ ভাই লেখাটা পড়ে মন্তব্যের জন্য ----

৩৮| ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪২

নতুন বলেছেন: রেযা খান বলেছেন: @নতুন সাহেব আপনি বলেছেন “আসলে আমি অলৌকিকতায় বিশ্বাসী না, আমার কাছে দুনিয়ার নিয়মটা খুবই সাধারন ১+১=২”
বাইনারী সংখ্যায় ১্ + ১=১০ হয় জানেন তো? কাজেই আমাদের জানা বা বুঝার বাহিরেও অনেক কিছু থাকতে পারে।


@রেযা খান ভাই<<< আমি কি অথ` নিয়ে বোঝাতে উদাহরটি দিয়েছি সেটা আপনি বুঝতে পেরেছেন।

দুনিয়া চলে খুবই সাধারন নিয়মে, ধান্দাবাজেরা জটিল বানায়। জনগন ধম`ভীরু তারা বিশ্বাস করে।

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:২৭

মলাসইলমুইনা বলেছেন: নতুন আর রেযা খান,
আপনারা দু'জন মিলে বাইনারি সংখ্যা নিয়ে একটা লেখা লিখুন আমাদের জন্য।মনে হচ্ছে মজার একটা লেখা হতে পারে এটা
নিয়ে । দুজনকেই ধন্যবাদ । অমতকে সুস্থ্য মতামতের ভিত্তি দিয়ে আলোচনা এগিয়ে নেবার জন্য । ব্লগে এটার দরকার খুব, খুবই বেশি ।

৩৯| ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১:১৪

নতুন বলেছেন: জ্ঞানী মানুষের আচরনে ভদ্রতা প্রকাশ পাবে এটাই সবাই আশা করে।

কিন্তু কোন মতের জবাবে ব্যক্তিগত আক্রমন করার কোন অবকাশ নেই বলেই আমার বিশ্বাস। যদি সমালোচনা হজম করতে না পারেন তবে এই রকমের বিষয়ে আলোচনা এড়িয়ে যাওয়াই উচিত।

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:৩০

মলাসইলমুইনা বলেছেন: নতুন,
আমাকে বললেন ?
আমাকে বললে স্যরি বলছি , আমার কোনো মন্তব্য আপনাকে বা অন্য কাউকে আহত করলে ।
ইচ্ছে করে সেটা করিনি জানবেন ।

৪০| ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:৩৫

নতুন বলেছেন: ১৯৮৮ সালের একটা মেডিকেল কেসের আলোচনা আছে ব্রিটিশ জার্নাল অফ মেডিসিনের সেই সময়েরই কোনো একটা সংখ্যায় (খুঁজে বের করতে ইচ্ছে করছে না ।আমার কাছে আছে কেসটা ।) সেখানে লেসোথোর একটা ১৫ বছরের একটা মেয়ের কথা আছে যার সন্তান হয়েছিল সি সেকশন করে । কিন্তু সেই বেবির জন্মে মেইল ফিমেল ইন্টিমেট কন্ট্যাক্ট হয়নি (মানে হওয়া অসম্ভব ছিল ) একটা মেডিকেল কন্ডিশনের কারণেই । ফিজিশিয়ানরা এখনো বাফল্ড যে একটা এক্সটার্নাল উন্ড থেকে (ছুরির আঘাতে মেয়েটা জখম হয়েছিল ) সেটা থেকেই তার ফার্টিলাইজেশন প্রসেসটা কেমন করে শুরু হয় আর তার সন্তান হয়েছিল ।

কোথায় যেন পড়েছিলাম যে ঐ বছর প্রায় ২০০ জনের বেশি মেয়ে ইউএসএ তে বলেছে তারা ভাজি`ন এবং গভ`বতী হয়েছে।

A girl can be pregnant if a sperm can come to contact to her EGG by any way .

সেই ক্ষত্রে ঐ নারী সরাসরি পুরুষের অবদান অস্বীকার করতেই পারে এবং সেটা সত্যি।

কিন্তু ম্যারীর ক্ষেত্রে বিষয়টা একটু অন্য রকমের বলেই বিত`ক টা আছে।

আপনি বিশ্বাসী বলেই ম্যারীর ক্ষেত্র যুক্তি খুজছেন এবং যদি ভিক্তিক যুক্তি ব্যবহার করছেন।

যদি ম্যারী জিনেটিক্যালী মজাইক হয় তবে সেটা ম্যারীর জন্মের সময়েই হয়েছিলো, এবং সেটা একটা ঘটনা, তারপরে তার অনিষিক্ত ডিম থেকে ভ্রুন সেটা আরেকটা ঘটনা এই রকমের ঘটনা মনে হয় ইউনিভাসের প্রথমই বলতে হবে। কারন এই ঘটনা স্ম্ভব হতে হলে যে কতগুলি অসম্ভব বিষয় সম্ভব হতে হয় সেটা হিসাব করলে মনে হয় পসিবিলিটি কয়েক বিলিওন বা ট্রিলিওন ভাগের ১ ভাগে দাড়াবে.... :)

যাই হোক বিশ্বাস বিষয়টাই এমন।

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:১৫

মলাসইলমুইনা বলেছেন: নতুন,

হাহাহা --ওই বছরের (১৯৮৮) কথা জানি না তবে এটা জানি বিখ্যাত নিউজ কোম্পানি সিবিএস (CBS) ২০১৩ -র একটা জরিপে দেখিয়েছে যে ১% ইউএস মম ভার্জিন বার্থের দাবি করেছেন।পুরো রিপোর্টটা আর পড়তে ইচ্ছে করেনি ।তাই বেশি কিছ বলতে পারছিনা ।

আপনি ঠিক বলেছেন প্রেগনেন্সির জন্য স্পার্ম আর ডিম্বাণু এক সাথে হলেই হবে সেজন্য কোনো ইন্টিমেট রিলেশনশিপের দরকার নেই । রিপ্রোডাকশনের প্রসেসটা বেশ জটিল । আর এই পয়েন্টটাই আমি বলতে চেয়েছিলাম লেসোথোর ১৫ বছরের মেয়ের কেসটার কথা বলে যেটা British Journal of Obstetrics and Gynecologyতে এসেছিলো (ব্রিটিশ জার্নাল অফ মেডিসিনে নয় , স্যরি )। মেয়েটার কেসটা কলার কারণ হলো আপনি যে বলেছেন " যদি ম্যারী জিনেটিক্যালী মজাইক হয় তবে সেটা ম্যারীর জন্মের সময়েই হয়েছিলো, এবং সেটা একটা ঘটনা, তারপরে তার অনিষিক্ত ডিম থেকে ভ্রুন সেটা আরেকটা ঘটনা এই রকমের ঘটনা মনে হয় ইউনিভাসের প্রথমই বলতে হবে। কারন এই ঘটনা স্ম্ভব হতে হলে যে কতগুলি অসম্ভব বিষয় সম্ভব হতে হয় সেটা হিসাব করলে মনে হয় পসিবিলিটি কয়েক বিলিওন বা ট্রিলিওন ভাগের ১ ভাগে দাড়াবে.... " সেই কথার পরিপ্রেক্ষিতেই । এভাবে রিপ্রোডাকশনের সম্ভাবনা কত কম সেটা আমি জানি না । লেসোথোর মেয়েটার একটা শারীরিক কন্ডিশন ছিল যাকে বলা হয় Müllerian agenesis syndrome । এর মানে কি সেটা আমি আর বললাম না, আপনি হয়ত জানেন । তার তলপেটে স্ট্যাব করার থেকে যে ক্ষত হয়েছিল সেখান দিয়েই কোনো ভাবে স্পার্ম তার এম্পটি এবডোমেনে গিয়ে লিক করে তার ড্যামেজড গ্যাস্ট্রোইন্টেস্টিনিয়াল ট্রাক্ট পর্যন্ত পৌঁছে আর সে থেকেই রিপ্রোডাকটিভ প্রসেসটা শুরু করে । এই স্পার্মটার উৎসও ছিলো খুব নিউজুয়াল সেটা ওই কেসে আলোচনা করা আছে । আপনি জানেন যে অনেক অনেক কিন্তু আছে ব্যাপারটায় । কিন্তু ডাক্তাররা এটাই বলেছেন জার্নালের কেস এনালাইসিসে । সেটাই আমি মেরির ক্ষেত্রে বলতে চেয়েছিলাম অনেক অড অবশ্যই আছে আছে ।কিন্তু পার্থনোজেনেসিসে মেরির X আর Y ক্রমোজম এক হয়ে সেরকম অনেক অডের মধ্যেও একটা রিপ্রোডাকটিভ প্রসেস (যেভাবে প্রফেসর বেরী বা ডক্টর আরতি প্রাসাদ বলেছেন ) হয়ত একটিভ হয়েছিল (জেনেটিক মোজাইক হলে ব্যারটা অন্য ভাবেও হতে পারে কারণ X ,Y ক্রোমোজোম থাকা মেয়েদের নরমাল বার্থের উদাহরণ আছে )। তাই একজন বায়োলজিকাল ফাদার ছাড়াও "স্পন্টেনিয়াসলি" (কথাটা আমার না, প্রফেসর বেরী এই প্রসেসটা ব্যাখ্যা করতে যেয়ে বলেছেন ) প্রসেসটা ঘটতে পারে মেরির ক্ষেত্রে ।

এখানে একটা ব্যাপার বলি ইউনিভার্সিটি অফ টালসা, ওকলাহোমার মলিকিউলার ইকোলোজিস্ট আর পৃথিবীর পার্থনোজেনেসিসের অন্যতম প্রধান অথরিটি Warren Booth-এর । রেপ্টাইলের ওপর তার পার্থনোজেনেসিসের রিসার্চ ওয়ার্ক সারা পৃথিবীতেই খুব পরিচিত । ছয়টি বোয়া কনস্ট্রিক্টরের ওপর রিসার্চে তার টিম কয়েকবারই লক্ষ্য করলো যে এদের ভার্জিন বার্থের ব্যাপারে কিছু এক্সিডেন্টাল ঘটনার উদ্ভব হচ্ছে ! ডক্টর বুথ আর তার টিম এখন দেখছেন যে এই সব ভার্জিন বার্থের পেছনে জেনেটিক্স, ভাইরাস, টিউমার বা ব্যাকটেরিয়ার কোনো ভূমিকা আছে কিনা ! মেরির ভার্জিন বারহাটের পেছনেও যে এ'রকম কোনো এক্সটার্নাল ইন্টারফিয়ারেন্স (জেনেটিক্স, ভাইরাস, টিউমার বা ব্যাকটেরিয়ার কোনো ভূমিকা) ছিল না সেটা কিন্তু আমরা জানি না, তাই না ? এগুলোর প্রভাব একটা নির্দিষ্ট সময়ে মেরির রিপ্রোডাকটিভ প্রসেস সক্রিয় করতেই পারে ডক্টর বুথের অবজারভেশন অনুযায়ী । একেবারেই অসম্ভব কিন্তু না । ভাইরাসের কারণে শরীরে অনেক পরিবর্তনেরই সূচনা হতেই পারে সেটাতো আমরা এখন নিশ্চিত ভাবেই জানি । এই সব সম্ভাবনার কথা ছাড়া কিন্তু আমার আর কোনো বক্তব্য নেই ভার্জিন বার্থের ব্যাপারে । এখানে আমার বিশ্বাসের ব্যাপারটা বেশি না।একটা বৈজ্ঞানিক সম্ভাব্যতার কথাই বেশি যৌক্তিক মনে হয় । আমার বিশ্বাসের জন্য এতো প্রয়োজন হবার দরকারতো নেই, তাই না ।

আবারো ধন্যবাদ । চরম যুক্তির সাথে বিশ্বাস আর বৈজ্ঞানিক বিষয়ে পরিশীলিত আলোচনা কিভাবে করতে হয় আর বিশ্বাসের বিষয়গুলোতে যুক্তির ওপর ভর করে দ্বিমত করতে গিয়ে যে কঠিন বা নোংরা ভাষার ব্যাবহারের কোনোই দরকার নেই সেটা আপনার মন্তব্য থেকে ব্লগে অনেকেই শিখতে পারবেন বলেই আমি মনে করি ।

৪১| ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১৪

সুপারডুপার বলেছেন: লেখক বলেছেন: হলিভূতের আছর থেকে বেঁচে থাকুন।
--------------------------------------------------
এটা আমাকে না বলে আফাদের বলুন। হলিভূতের আছর থেকে আফারা না বাঁচলে, হলিভূত (Holy Ghost/ Holy Spirit ) গড (Father /God) থেকে Y ক্রোমোজম এনে আফাদের শরীরে স্থাপন করে আফাদেরকে জেনেটিক মোজাইক (genetic mosaic) বানিয়ে ফেলবে। আর তখন কিন্তু হলিভূতের আছরে আফাদের অবস্থা হবে শায়মা আপুর মন্তব্যর মত :
"
নইলে কত মেয়েকে যে বাবা মায়ের হাতে মার খেতে হত!!!
পুরা দেশবাসীই তো মনে হয় দোররা বা ইট পাটকেল মেরে শেষ করতো!
"
আর কিছু আফারা নিজেদের এলিয়েন বলে পরিচয় দিয়ে আপনার নামের মত সব উল্টা করে কথা বলা শুরু করবে।

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৭:২৫

মলাসইলমুইনা বলেছেন: সুপারডুপার,
আপনার হলো কি যে হলি ভূতকে নিয়ে যে এতো টানাটানি করছেন? সেই হাজার বছর আগে সে এসে একবার জেনেসিস্টের কোনো রোল যদি পালন করেও থাকে এখনতো মনে হয় আরামে ঘুমাচ্ছে । দুই হাজার বছর কোনো খোঁজ খবর নেই । আপনার এই খুচাখুচিতে তার ঘুম ভেঙে গেলেইতো মুশকিল । তখন দেশে দোররা মারার যে আঞ্জামগুলো হবে আর তা থেকে যে গ্যাঞ্জাম সেটা থামাতে পারবেনতো? তাই কান্ডারি হুশিয়ার!

৪২| ১১ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১:৪২

সুপারডুপার বলেছেন: প্রিয় মলা ভাই,

বিজ্ঞানভিত্তিক লেখা না, অনেকটা সায়েন্স ফিকশনের আইডিয়া হয়েছে । লেখাটি ও মন্তব্যগুলোকে কেন্দ্রকরে / আইডিয়া নিয়ে আপনি ও কলা ভাই মিলে আগামী বই মেলায় দেশের বেস্ট সেলার সায়েন্স ফিকশন বই ছাপাতে পারবেন। চাইলে নতুন ভাই ও শায়মা আপার কাছে থেকে টিপসও নিতে পারবেন।

সায়েন্স ফিকশন বইটা এমন হতে পারে " যীশুর অলৌকিক জন্মের রহস্য ও মেরি'স জেনেটিক মোজাইক " by মলা & কলা । উৎসর্গ চাঁদগাজী সাহেবকে।

আর যদি তারপরেও বিজ্ঞানভিত্তিক লেখা মনে করেন, তাহলে লিখতে পারেন : "প্যারাডক্সিক্যাল মলা" by নাইমুল ইসলাম

ভালো থাকবেন মলা ভাই। অনেক শুভ কামনা।

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৭:৩০

মলাসইলমুইনা বলেছেন: সুপারডুপার,

মশাই, কি সব বলেন সায়েন্সফিকশন ধরণের লেখা হয়েছে ! জীবনে সায়েন্সফিকশন লিখবো সেটাই ভাবিনি আর আপনি আমাকে জুলভার্ন, স্টিফেন কিং, মাইকেল ক্রিচটন টাইপ বানাতে আন্দোলন করছেন ? আর একটু আদবের সাথে কথা বলেন বিশিষ্ট ব্লগার কলাবাগান১ সম্পর্কে । উনি একজন ইউনিভার্সিটি শিক্ষক আমেরিকায় থাকেন ! কি সব কলা ভাই কলা ভাই বলছেন তার সম্পর্কে !ডক্টর কলা বললেওতো একটু ভদ্র শোনা যেত !

আপনার আইডিয়াটা যদিও মন্দ না বই লেখার কিন্তু আগে প্রফেসর বেরী আর ডক্টর আরতি প্রাসাদের সাথে যোগাযোগ দিন ।তাদের রিকোয়েস্ট করে দেখেন তারা প্যারাডক্সিক্যাল বইটা লেখা সম্পর্কে কি বলেন ? তাদের থিওরি নিয়ে তাদের আগেই লেখাতো ঘোড়া ডিঙিয়ে ঘাস খাবার মতো । এতো বড় বেয়াদবি করা কি উচিত হবে এই দুই বিখ্যাত মানুষের সাথে ? আপনাকে নিরাশ করার জন্য খারাপ লাগছে কিন্তু কিছু করার নেই আপাতত ।

সুপার ভালো থাকুন ।অনেক শুভ কামনা ।

৪৩| ১১ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ভোর ৪:৩৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
খুবই গুরুত্বপুর্ণ তথ্য সম্বলিত পোষ্ট। তথ্যগুলি কাজে দিবে বলে প্রিয়তে তুলে রাখলাম ।
আমার কথা সহজ । বিশাল বিজ্ঞান জগতের একটি ছোট কনা পরিমানও মানুষ এখনো করায়ত্ব করতে পারেনি ।
এই কিছুদিন আগেও মানুষ জানত না পৃথিবী গোল । গ্যলিলিও পৃথিবীকে গোল বলায় মানুষে তাকে বলল পাগল ।
পরে প্রমান হলো পৃথিবী গোল । সে রকম বিজ্ঞানের অনেক বিষয় নিয়েই হয়েছে সোরগোল , এখনো চলছে
সে সব আলোচনা করে শেষ করা যাবেনা । আল্লাহ কোন ফা-য়া কুন বললেই সব হয়ে গেলেও তার পরেও দেখা যায় সমস্ত সৃষ্টির পিছনে রয়েছে বৈজ্ঞনিক কার্যকারন যার মাত্র গুটি কয়েক এযাবত কাল পর্যন্ত মানুষের সীমিত বৈজ্ঞানিক
গবেষনায় প্রমানিত হয়েছে, ধীরে ধীরে আরো অনেক বিষয় প্রমানিত হচ্ছে । তাই এখন্ই আল্লার সৃস্টি নিয়ে শেষ কথা বলার
কোন সুযোগ বা ক্ষমতা কোন বৈজ্ঞানিকরই নাই, সাধারণ মানুষতো দুরের কথা ।

যাহোক, ধর্মে বিশ্বাসী আমাদের কাছে কোরানের বাণী এখনো অকাট্য । কোরান যার কাছ হতে নাযিল হয়েছে বিজ্ঞানের সমস্ত
বিষয় তাঁর হাতেই রয়েছে , আমাদের বুঝার জন্য সামান্যই তিনি কোরানে দিয়েছেন । আল্লার গুনের কথা ,ক্ষমতার কথা সারা পৃথিবীর সকল সাগরের পানিকে কালী বানিয়ে লিখেও নাকি শেষ করা যাবেনা, আর কোরান তো মাত্র ৬৬৬৬ শব্দের একটি আসমানী গ্রন্থ । তাই সে গ্রন্থেই আল্লাহ বলেছেন কেও যদি জানতে ও বুঝতে চেষ্টা করে তবে তাকে তিনি সাহায্য করেন সে বিষয়ে। এখানে বিশেষ কোন ধর্মের মানুষের কথা বলা হয়নি ,বলা হয়েছে সকলের কথা । তাই কোন বিষয়ে নীজের সবটুকু দিয়ে কেও যদি কিছু জানতে বা বুঝতে চেষ্টা করে তবে তাকে নিয়ম মেনেই চেষ্টা করতে হবে, সে বিজ্ঞানই হোক আর অন্য বিষয়ই হোক । সেরকম ক্ষেত্রে আল্লাহ তাকে সাহায্য করেন তা অর্জন করতে , তার সাধনার পথে তাকে সহযোগীতা করেন প্রয়োজনীয় জ্ঞান অর্জনে , উপকরণ তৈরী ও তা প্রয়োগে ,এটা আল্লার প্রতিশ্রুত কোরানিক কথাটিরই একটি । কোরান এখানে এভাবেই মানুষকে শিখিয়েছে তার প্রতি অবিচল আস্থা রেখে জ্ঞান বিজ্ঞান সাধনায় ব্রতী হতে ।

যাহোক, কোরানের অমোঘ বাণি বিশ্বাস করে পরে মরে গিয়ে যদি দেখি এগুলি ঠিক ছিল না , তাতে ক্ষতি কি ? পরকাল বলে যদি কিছু নাই থাকে তবে তো লেঠা চুকেই গেল, মরে গেলে হারগোর মাটিতে মিশে যাবে । তবে সেখানে গিয়ে যদি দেখি পরকাল বলে কিছু একটা আছে তাহলে অবিশ্বাসের জন্য গুর্জু ঠেকাবে কে ? সেখানে আর কোন বিকল্প থাকবেনা । তাই ধর্ম গ্রন্থে যেকথা বলা আছে তার সবগুলিই মানুষের মঙ্গলের দিকে আহ্বান করেই বলা হয়েছে। এটা বিশ্বাস করলে কোন ক্ষতি নাই,জীবন হবে মঙ্গলের পথে নিয়ন্ত্রিত ও সকলের জন্য কল্যানকর । আর অবিশ্বাসী হলে লাভের থেকে ক্ষতির পরিমানই বেশী । তাই কোন ব্যক্তি্রই চাওয়া উচিত নয় ধর্মের অমোঘ বাণীর প্রতি অবিশ্বাসী হয়ে সেখানে যাওয়া । রিক্সটা একটু বোশী হয়ে যায় না কি ?
তাই কোরানের প্রথমেই আল্লাহ বলেছেন এটা বিশ্বাসীদের জন্য পথ প্রদর্শক ফি হুদাল্লিল মুত্তাকীন ( সুরা বাকারা আয়াত ২ ) ।


শুভেচ্ছা রইল



১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:০৯

মলাসইলমুইনা বলেছেন: আলী ভাই,
চমৎকার ! এতো সুন্দর করে বললেন কথাগুলো । পুরো একমত আপনার মন্তব্যের সাথে । আমি নিজে খুব বিশ্বাসী মানুষ । কিন্তু একটা ব্যাপার আমি জানি যে, যে মানুষ বিশ্বাস করে না তাকে বিশ্বাস করানো সহজ না । রাসূলের (সাঃ) সময়েও অনেক মানুষ হিদায়েতের ডাক শুনেনি পৃথিবীর সেরা মানুষটাকে তাদের মধ্যে পেয়েও ।তাই এখনো শুনবে না সেটা আমি জানি ।তাই ধর্মীয় বিষয়গুলো আমি সহজে ব্লগ লেখায় আনার পক্ষপাতি না।এই লেখাটাও লিখবার কথা ভাবিনি ।ভাবলে আরো আগেই লিখতাম। কিন্তু ব্লগে একটা লেখা আর তাতে কমেন্ট করার মধ্যে দিয়ে হঠাৎ করেই এই লেখাটা লিখে কেমন করে যেন পোস্ট করা হয়ে গেলো । কিন্তু এখনো বলি আমি ধর্মীয় ব্যাপারগুলো নিয়ে ব্লগে বেশি কথা বলতে চাই না ।

আল্লাহ আমাদের সবার জন্য জটিল বিষয়গুলো বোঝা সহজ করে দিন। অনেক ভালো লাগলো আপনার মন্তব্যে। আমার মতো লে ম্যানের এই লেখা আপনি পড়েছেন জেনে আর এই চমৎকার মন্তব্যে অনেক খুশি হলাম ।

৪৪| ১১ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:৫৫

নতুন বলেছেন: আরেকটি বিষয় আপনি এড়িয়ে গেছেন সেটা হলো যেই সব কারনে নারী Y Chromosome পেতে পারে তারা কি একজন সাধারন নারীর মতন হয় কিনা?

https://en.wikipedia.org/wiki/Foekje_Dillema << তিনি নারীর মতন ছিলেন না তাই তিনি টেস্ট নিতে অস্বীকার করেছিলেন।

CAIS কন্ডিসনে নারীরা XY সেট ক্রমোজম পায়<<
https://www.sciencedaily.com/releases/2014/11/141105165209.htm <<
Women with CAIS are born with an XY chromosome pair. Because of the Y chromosome, the women have testes that remain hidden within their groins but they lack neural receptors for androgens so they cannot respond to the androgens that their testes produce. They can, however, respond to the estrogens that their testes produce so they develop physically as women and undergo a feminizing puberty. Since they do not have ovaries or a uterus and do not menstruate they cannot have children.

https://en.wikipedia.org/wiki/45,X/46,XY_mosaicism << যারা এই রকমের সমস্যায় আক্রান্ত তাদের বিভিন্ন সমস্যা থাকে...
The clinical manifestations are highly variable, ranging from partial virilisation and ambiguous genitalia at birth, to patients with completely male or female gonads. Most individuals with this karyotype have apparently normal male genitalia, and a minority with female genitalia, with a significant number of individuals showing genital abnormalities or intersex characteristics.[2] A significantly higher than normal number of other developmental abnormalities are also found in individuals with X0/XY mosaicism.[2] Psychomotor development is normal.

https://ghr.nlm.nih.gov/condition/swyer-syndrome << নারীর মতন দেখতে হলোও ওভারী ডেভলোপ করেনা।
People with Swyer syndrome are typically raised as girls and have a female gender identity. Because they do not have functional ovaries, affected individuals usually begin hormone replacement therapy during adolescence to induce menstruation and development of female secondary sex characteristics such as breast enlargement and uterine growth

এই রকমের সমস্যার ফলে পূনাঙ্গ নারীর মতন তারা হতে পারেনা। তাই আপনি যত রকমের সম্ভবনা খুজবেন তত ই পূনাঙ্গ নারী থেকে দুরে যাবে কারন।

তাই সত্যিকারে যদি ভাবেন তবে দেখবেন যতই মিলিওনে বা বিলিওনে ১ জন নারী কুমারী এবং ছেলে হয়েছে সেটা এক হিসেবে অসম্ভব ই।


১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১:৪৯

মলাসইলমুইনা বলেছেন: নতুন,
আমার লেখার ছোট একটা উদাহরণ Foekje Dillema নিয়েও আপনি খোঁজ খবর করেছেন আমার লেখা রেস্পন্ড করার আগে সেটা দেখেই আপনার উত্তর খুব ভালো লেগেছে । উইকিপিডিয়ার সোর্সটা সম্পর্কে আমি জানিনা স্বীকার করছি । আমি আসলে জেনেটিক মোজাইকের উদাহরণ হিসেবেই তার কথা বলেছিলাম । এমন একটা মেয়ে সুস্থ্যভাবে বাঁচতে পারে সেটাই ছিল আমার পয়েন্ট । আপনি যেটা বললেন Foekje Dillema 'তিনি নারীর মতন ছিলেন না তাই তিনি টেস্ট নিতে অস্বীকার করেছিলেন।' এই -ব্যাপারটা আমি শিওর না কিন্তু । 'British Journal of Sports Medicine ২০১২ সালে Foekje Dillema নিয়ে একটা রিসার্চ আর্টিকল পাবলিশড করেছিল । তার সেক্স ডিটারমিনেশন নিয়ে খুব কম্প্রিহেন্সিভ একটা গবেষণার ভিতিত্তে করা সেই আর্টিকালে বলা হয়েছিল Foekje Dillema-র জন্ম রেজিস্ট্রেশন হয়েছিল মেয়ে হিসেবে আর তাকে বড় করাও হয়েছিল মেয়ে হিসেবেই । পিউবার্টির সময় তার ফিমেইল অর্গানগুলোও ডেভলপ করেছিল সে সময় ন্যাচারালই । এই আর্টিকেলের লেখকরা কনক্লিউশনে বলেছেন "...Foekje Dillema was a 46,XX/46,XY mosaic, with equal numbers of both genetic cell types at least in her skin...."। তাদের এই কনক্লিউশন The International Association of Athletics Federations (IAAF) -এর কনক্লিউশনের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ ।

আপনার মন্তব্যের দ্বিতীয় অংশের ব্যাপারে বলি আপনার দেওয়া সোর্সগুলো আমি যদিও দেখিনি কিন্তু আমার পড়া থেকে আমি জানি যে CAIS-এর ক্ষেত্রে সাধারণত বা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আপনার তথ্যগুলোই সত্যি । কিন্তু কিছু ব্যতিক্রম থাকতে পারে কারণ AIS-এর ভিন্নতাও আছে কমপ্লিট, ইনকমপ্লিট আর পার্শিয়াল । তাছাড়া এর প্রতিক্রিয়া ব্যক্তিতে ব্যক্তিতে নানা কারণে ভিন্ন হয়। এখানে একটা উদাহরণ দেই । ২০০৮ সালের The Journal of clinical endocrinology and metabolism -এ একটা আর্টিকেল পাবলিশড হয়েছিল যার টাইটেল ছিল 'Report of Fertility in a Woman with a Predominantly 46,XY Karyotype in a Family with Multiple Disorders of Sexual Development' । সেই আর্টিকেলে টাইটেলের মহিলা কিন্তু 46,XY Karyotype হয়েও সাধাৰণ জীবন যাপন করেন ।তার তিনটে বাচ্চা হয়েছিল নরমাল ডেলিভারিতে । একটা মিসক্যারেজ হয়েছিল । নরমাল একটা জীবনই তার ছিল । আমার লেখাতেও আমেরিকার ওয়াশিংটন স্টেটের লিডিয়া নামে যে জিনেটিক মোজাইক মহিলার কথা বলেছি তারও সাধারণ জীবন ছিল তিনটে বাচ্চা ছিল । তাদের AIS ছিল ।তাই AIS থাকলেই একজন মহিলা পূনাঙ্গ নারীর মতন তারা হতে পারেনা কথাটা মনে হয় সব সময় সত্যি না । আর মেরির AIS থাকলে কি ধরণের ছিল বা আদৌ সেটা ছিল কিনা সেটাতো আমরা জানিনা । আর ওপরের উদহারণ থেকেতো জানাই গেলে AIS থাকলেও একজন মেয়ের সাধারণ মেয়ের মতো জীবনযাপন করতে, প্রেগ্নেন্সিতে বাধা নেই । আমি আমার লেখাতেই বলেছি পার্থনোজেনেসিসের ব্যাপারটা সম্ভাবনার দিক থেকে কমই । ধর্মগুলোও এরকম আর জন্মের কথা অন্য কোনো নবী সম্পর্কে বলে না । তাই ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও ব্যাপারটা রেয়ার খুবই ।আমি ধর্মীয় ব্যাপারগুলো আসলে বলতে চাইনি । কিন্তু যে উদাহরণটা দিলাম XY -ক্রোমোজম ক্যারি করা মহিলার তার প্রেগনেন্সির ঘটনা সাম্প্রতিকই ।সেই মহিলার জীবনও স্বাভাবিকই ছিল । জানা মতে এ'রকম উদাহরণ খুব বেশি নেই। কিন্তু এই একটা উদাহরণ থেকেই বলা যায় এমন XY ক্রোমোজোম থাকা মহিলাদের স্বাভাবিক হতে বাধা নেই। এর বাইরে এ নিয়ে আমার কোনো বক্তব্য নেই ।

অনেক ধন্যবাদ আবারো পরিশীলিত ও যৌক্তিক মন্তব্যের জন্য ।

৪৫| ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:২৪

কলাবাগান১ বলেছেন: ৪-৫ দিন লাগল খুজে পেতে এই সিম্পল উত্তর..ভাল করে বোধহয় পেপার টা বোধ হয় পড়েও দেখেন নাই....পড়লেই দেখতেন যে উদ্দেশ্য ৪ দিন ধরে 'রিসার্চ' করে উত্তর এনেছেন সেটা আপনার পুরা বিষয় টা কে ম্লান করে দিয়েছে....

যে মেয়ে জন্ম নিয়েছে সে তার Y Chromosome পেয়েছে বাবার থেকে, তার মানে বাবা একজন লেগেছে তার জন্ম হওয়ার জন্য...কুমারী জন্ম হলে মেনে নিতাম....

মেয়ের ছবি তো দেখেছেন পেপারে (gonadal dysgenesis)...একটাই একজাম্পল তাও বাবা মা দুজন ই লাগল বাচ্চার জন্ম দিতে আর বাচচা টা হল উইথ gonadal dysgenesis...

সায়োনারা...

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ২:০৩

মলাসইলমুইনা বলেছেন: কলাবাগান১,
হাহাহা ---। মজা পেলাম আপনার মন্তব্যের ইন্টারেস্টিং শুরুতে ।আপনার কি নিউমেরোলজি চর্চার অভ্যেস আছে নাকি ? কি দেখে বললেন এতো কথা ?

আপনি যখন আপনার মন্তব্যে অপ্রাসঙ্গিক বিষয় জুড়ে দেন তখন আপনার মন্তব্যে যুক্তিটা পালিয়ে যায় আর বিজ্ঞানটাও হারিয়ে যায় । এই মন্তব্যের ব্যাপারে যা হলো । আমি কয়দিন পরে উত্তর দিলাম সেটা কি খুব জরুরি হলো আপনার বিজ্ঞান ভিত্তিক (সবটুকু নয় ) মন্তব্যের/প্রশ্নের উত্তরে নাকি উত্তরটাই জরুরি? সারাক্ষনতো ব্লগ নিয়ে থাকলে চলেনা ।তাই তিন চারটে বা পাঁচটার বেশি উত্তর দেওয়াও হচ্ছে না। গোছানো মন্তব্যের উত্তরতো গুছিয়েই দিতে হবে তাই না । তাছাড়া এর মধ্যেই মনে হয় আমার লেখার চেয়ে আমার প্রতিমন্তব্যের আকার বড় হয়ে গেছে । সময়তো লাগবেই নাকি? আপনি কি ভাবে অনুমান করলেন আমি ওই সময়টুকু আপনার উত্তর খুঁজে বেড়িয়েছি ? অল্প সম্ভাবনার ওপর ভিত্তিতে করেই যে মন্তব্য করলেন সেটা কি আপনার বিজ্ঞানমনস্ক মনের কোনো পরিচয় হলো ?

একটু খেয়াল করুন আপনার প্রথম মন্তব্যে আপনি কি বলেছিলেন :
Androgen insensitivity syndrome এর কথা বলেছেন যেটা অনলাইন এর চার্চের লোকজন ভুল ভাবে ব্যবহার করে। আপনি ও সেখান থেকে উদাহরন নিয়েছেন। কিন্তু আপনাকে ভেবেছিলাম যে যখন বায়োলজি নিয়ে লিখছেন, তাহলে নিশ্চয়ই বুঝেই লিখছেন..Androgen insensitivity syndrome এর 'মহিলা' যার মাঝে XY chromosome আছে ..they do not have a uterus and therefore do not menstruate and are unable to conceive a child (infertile)....তাহলে জেসাস Androgen insensitivity syndrome এর মেরী থেকে জন্মগ্রহন করল কিভাবে.. সে সময় কি এখনকার মত uterus ভাড়া পাওয়া যেত??? ---

Ovotestis কথা বলেছেন...একটা উদাহরন দেন যে আজ পর্যন্ত্য যে কয়টা মানুষ পাওয়া গিয়েছে যারা Ovotestis, তারা কোন বাচ্চার জন্ম দিতে পেরেছে স্পন্টেনিসিয়াসলি (gonadectomy ছাড়া???)। তাহলে মেরীর কি gonadectomy করা হয়েছিল..এত উন্নত ছিল মেডিক্যাল ব্যবস্হা???

এগুলোই বলেছিলেন তাই না ? আর্টিকেলের উদাহরণটা সেই জন্যই দেওয়া যে কোনো মহিলার XY ক্রোমোজম থাকলেই যে তারা সন্তান ধারন করতে পারবে না সেটা ঠিক না । এ’রকম মহিলাও নরমাল ডেলিভারিতে বেবির জন্ম দিতে পারে। একটা রিসার্চ আর্টিকেলের উদাহরণ দিয়েই কথাটা বললাম সেজন্যই । কেন আর্টিকেলটার কথা বলেছি সেটা যদি আসলেই না ভেবে থাকেন তাহলেতো আপনার চিন্তাভাবনার গভীরতা নিয়েই প্রশ্ন উঠে যাবে সবার !

আমাদের আলোচনাটা পার্থনোজেনেসিস নিয়ে । একজন মেয়ের রিপ্রোডাকটিভ সিস্টেম ত্রুটিমুক্ত হলে পার্থোনোজেনেসিসে সন্তানধারন সম্ভব মেইল ফিমেইল ইন্টারএকশন ছাড়াই । পার্থনোজেনেসিসের প্রধান শর্ত একজন মেয়ের X -এর সাথে Y ক্রোমোজমও থাকতে হবে I আর AIS -এ অনেক ক্ষেত্রেই মেয়েদের রিপ্রোডাকটিভ সিস্টেমের ডিফিসিয়েন্সির কারণে (uterus না থাকা যেমন আপনি বলেছেন ইত্যাদি) মেয়েরা সন্তান জন্ম দিতে পারবে না সেটাও সত্যি।কিন্তু AIS আছে এমন সব মেয়ের ব্যাপারেই এই ফিজিক্যাল ডিফেসিয়েন্সি নাও হতে পারে । এই ফিজিক্যাল ডিফেসিয়েন্সি না হলে পার্থনোজেনেসিসে (যার থিওরি প্রফেসর বেড়ি আর ডক্টর আরতি প্রাসাদ দিয়েছেন ) একজন XY ক্রোমোজোম থাকা মহিলা স্বাভাবিক ভাবেও সন্তান জন্ম দিতে পারেন সেটা বলার জন্যই উদাহরণটা দিয়েছি । এখানে তার হ্যাজবেন্ড আছে কি বা নেই সেটাতো সবচেয়ে ক্রিটিকাল ইস্যু না । সেটা কি ইচ্ছে করেই বুঝতে চাইলেন না যে বাবা মা লাগলো জন্মে এমন কথা বললেন ? মেরি যদি এই মহিলার মতো XY ক্রোমোজোম সম্পন্ন কোনো নারী হয়ে থাকেন তাহলে পার্থনোজেনেসিসে তার সন্তান জন্ম দেবার জন্য একজন হাজবেন্ড বা 'uterus ভাড়া' নেবার দরকার ছিল না, তাই না? সেটা কি এই উদাহরণ থেকে ক্লিয়ার হলো নাকি বলবেন !

কি বলেন 'স্পন্টেনিসিয়াসলি' সন্তানের জন্ম দেবার জন্য মেরির কি এখনো ‘gonadectomy’ করতে হবে? XY ক্রোমোজোম পাওয়া একজন মহিলা 'স্পন্টেনিয়াসলি’ একটা বাচ্চার জন্ম দিতেই পারে এই কথাটাও প্রফেসর বেরীর । আমি নিজের থেকে আসলে তেমন কিছু বলিনি তাদের থিওরি বলতে গিয়ে । কিন্তু এই আর্টিকেলের মহিলার প্রেগনেন্সি আর নরমাল ডেলিভারিতে বাচ্চা দেবার উদাহরণ থেকেতো মনে হচ্ছে প্রফেসর বেরী খুব ভুল বলেনি কিন্তু আপনি আর্টিকেলটা পড়েও এর সাথে পার্থনোজেনেসিস আর প্রফেসর বেরীর থিওরির রিলেশনশিপটা বুঝতে পারছেন না সেটা ভাবতেই আমার অবাক লাগছে ! আপনার মন্তব্যের একটা মূল ইস্যুতো এই উদাহরণ থেকে ভুল প্রমাণিত হলো যেটা আপনি বলছিলেন XY ক্রমোজম থাকা একটা মেয়ের uterus থাকেনা বলে তারা স্বাভাবিক ভাবেই কনসিভ করতে ও সন্তানের জন্ম দিতে পারে না I এই উদাহরণ থেকে প্রমাণিত হলো 'uterus ভাড়া' না নিয়ে বা gonadectomy না করেই XY ক্রমোজোমের একটা মেয়ে স্বাভাবিক ভাবেই সন্তানের জন্ম দিতে পারে তাই না ? তাহলে পার্থনোজেনেসিসে সেরকম সন্তান জন্মদানের বাধা থাকার কথা না তাই না ? আপনার কেস ডিসমিস করে দিলাম তাহলে ?

বিজ্ঞানের সম্ভাব্যতার থাকুন, যুক্তিতে থাকুন আর ভালো থাকুন । শুভ বিজয় দিবস ।

৪৬| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:২৪

সোহানী বলেছেন: ধন্যবাদ মইনুল ভাই আলোচিত বিষয় আবার আলোচনার টেবিলে আনার জন্য।

আপনার এ বিষয়টি ষহ আরো অনেক ব্যাাখ্যাই পড়েছি। যাহোক, বিশ্বাস অব্শ্বিাস যার যার ব্যাপার।

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৮:১৯

মলাসইলমুইনা বলেছেন: সোহানী,
ঠিক ।একেবারেই ঠিক বলেছেন বিশ্বাস অব্শ্বিাস যার যার ব্যাপার। তাছাড়া, এই লেখাটাও ভার্জিন বার্থ সম্পর্কে কিছু সম্ভাব্য থিয়োরি নিয়েই লেখা ।এই লেখায় আমি কিন্তু দাবি করছিনা এগুলোরই কোনো একটা ঘটেছিলো ভার্জিন বার্থে।

৪৭| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:০৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: মলাসইলমুইনা,



মানুষ এখন পর্যন্ত সবজান্তা হয়ে ওঠেনি। জ্ঞানের ও পরীক্ষার সর্বশেষ স্তরে , যার আর কোনও পর নেই, এমন জায়গাটিতে পৌঁছুতে পারেনি মানুষ এখনও। এক কথায় - জ্ঞানের কোনও এ্যাবসোল্যিউট শেষ নেই। তাই অনেক বিষয় রয়েছে যা প্রতিনিয়ত নতুন নতুন তথ্যে ও প্রমানে বিশ্লেষিত হচ্ছে এবং হবে আগামীতেও। আমরা অনেকেই এসব মনে রাখিনে বা আমাদের চিন্তাতেও তা আসেনা। নিজের সীমিত জ্ঞানের জোরে তাকে উদ্ভট বলে উড়িয়ে দিতে চাই।

বেশ খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে লেখা ও মন্তব্য-প্রতিমন্তব্য পড়েছি।
সুন্দর লেখা, জেনে রাখার মতো, জ্ঞানের পরিধি বাড়ানোর মতো। যে বিষয়ে বলেছেন তা অসম্ভব নয় মোটেও । জেনেটিক্স বা জীন সম্পর্কে যাদের মোটামুটি জ্ঞানও নেই তাদের পক্ষে “ভার্জিন বার্থ” বুঝে ওঠা কষ্টকর। মোটামুটিও যারা জানেন তারাও কতোখানি বুঝে উঠতে পারবেন, সন্দেহ হয়। জেনেটিক্স এর জটিল বিষয়গুলো সাধারণ লোকদের বোঝানো তো আরও কঠিন।

তবে ভালো লেগেছে, যাদের জেনেটিক্স বা কাছাকাছি বিষয়ে ধারনা আছে এমন ব্লগারদের মন্তব্য আর আপনার প্রতিমন্তব্য। আপনি কোথাও ফাইনাল কোনও কনক্লুশান টানেন নি। আলোচনাকে উন্মুক্ত রেখেছেন। এটাই ব্লগীয় সুন্দরতা এবং পাশাপাশি ব্লগ যে জানা, বোঝা ও শেখার একটি প্লাটফর্ম তা আবারও দেখতে পেলুম।

পৃথিবীর কোনও একজনও বলতে পারবেন না, এমন কিছু নেই যা তিনি জানেন না। স্বয়ং আইনষ্টাইন বা হকিন্স মহাশয়েরা কবিতা কি, বুঝবেন না। তেমনি রবীন্দ্রনাথও আপনার এই বিষয়ে অজ্ঞই ছিলেন মনে হয়। কার্ল মার্কসকে দিলে তিনিও মনে হয় এই জেনেটিক বৈষম্যটির আগামাথা নির্ণয় করতে পারবেন না।
আমি আপনি তো কোন ছার!

লাইকড+++++++++

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ভোর ৪:০১

মলাসইলমুইনা বলেছেন: আহমেদ জি এস ভাই,

খুবই সুন্দর ভাবে বলেছেন আমার অনেক কথা । বিশেষ করে " আপনি কোথাও ফাইনাল কোনও কনক্লুশান টানেন নি। আলোচনাকে উন্মুক্ত রেখেছেন। এটাই ব্লগীয় সুন্দরতা এবং পাশাপাশি ব্লগ যে জানা, বোঝা ও শেখার একটি প্লাটফর্ম তা আবারও দেখতে পেলুম।" আসলে আমিতো কয়েকটা থিউরি নিয়ে বলেছি যেগুলো পার্থনোজেনেসিসে ভার্জিন বার্থের সম্ভাবনাকেই উন্মুক্ত করেছে সে সম্পর্কে। এই থিউরিগুলো একটা সম্ভাবনার সৃষিট করেছে মানুষের ভার্জিন বার্থের ব্যাখ্যায় সেটা জোর দিয়েই বলাই যায় । আমি মূল থিউরিগুলোই শুধুই বললাম। মূল থিউরির বাইরে খুব বেশি কিছু বলিনি ইচ্ছে করেই। ধর্মীয় ব্যাখ্যাগুলোর কোনো কিছুই বলিনি ইচ্ছে করেই। মেরির ভার্জিন বার্থ নিয়ে আধুনিক জেনেসিস্টদের থিউরির পরে আর এ'নিয়ে সাম্প্রতিক রিসার্চগুলোর রেজাল্ট দেখে আমার মনে হয়েছে ভার্জিন বার্থের একটা সম্ভাবনা যতই ছোট হোক আছে -সেটা চাইলেই বাতিল করে দেওয়া যায়না আসলে । ব্যাপারটা আসলে অসম্ভব না । জাস্ট রেয়ার । ধর্ম আর বিজ্ঞান এই ইস্যুতে মনে হয় সাংঘর্ষিক কোনো কথা বলছে না সেটাই বলতে চেয়েছিলাম ।

অনেক ধন্যবাদ আমার বক্তব্য আরো পরিষ্কার করে বলে দেওয়ায় । আমার লেখার শেষে সবারই ভালো লাগবে আপনার এই মন্তব্য ।

৪৮| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:১৭

ভুয়া মফিজ বলেছেন: চমৎকার একটা তথ্য এবং যুক্তিপূর্ণ, একই সঙ্গে টু দ্য পয়েন্ট আলোচনাকে অনেকেই ভিন্নদিকে প্রবাহিত করার চেষ্টা করেছে। আপনি অত্যন্ত সফলভাবে সেগুলো সামলেছেন। আপনাকে অভিনন্দন।

বিজ্ঞান এখনও বহুকিছুই জানে না। ভবিষ্যতে আজকের অনেক নিশ্চিত তত্ত্বই অনিশ্চিত হয়ে যাবে, এটা নিশ্চিত। বিজ্ঞান নিয়ে যারা প্রকৃত চর্চা করে, তারা এটা জানে। জানেনা শুধু কিছু অতি-উৎসাহী মানুষ, যারা বিজ্ঞান সবকিছুর উত্তর দিতে পারে ভেবেই একধরনের আত্মতুষ্টি লাভ করতে চায়।

যাই হোক, আপনার লেখায় ‘সম্ভাব্যতা‘ সম্পর্কে জানলাম। তবে, আমি ভাই এত্তো এত্তো জটিলতায় না গিয়ে এটাই মানি, আল্লাহ চাইলে এমন অনেক কিছুই করতে পারে যা মানুষ কখনওই বিজ্ঞান দিয়ে প্রমান করতে পারবে না। কারন, তাদেরকে সেই ক্ষমতা দেয়া হয়নি। ব্যস, মামলা ডিসমিস!! B-)

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৭:০২

মলাসইলমুইনা বলেছেন: ভুয়া মফিজ,

যাই হোক, আপনার লেখায় ‘সম্ভাব্যতা‘ সম্পর্কে জানলাম। তবে, আমি ভাই এত্তো এত্তো জটিলতায় না গিয়ে এটাই মানি, আল্লাহ চাইলে এমন অনেক কিছুই করতে পারে যা মানুষ কখনওই বিজ্ঞান দিয়ে প্রমান করতে পারবে না। কারন, তাদেরকে সেই ক্ষমতা দেয়া হয়নি। ব্যস, মামলা ডিসমিস!! হাহাহা আমিতো ডিসমিস মামলার রায়ের সাথেও একমত পুরোপুরি । কিন্তু কিছু মানুষ এর পেছনে বৈজ্ঞানিক যুক্তি খোঁজে । তাই কিছু বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব দিয়েই উত্তরটা দেবার চেষ্টা করলাম যে ভার্জিন বার্থ ব্যাপারটা এখনকার জেনেটিসিস্টরা পুরো আজগুবি বলে উড়িয়ে দিচ্ছেন না। পার্থনোজেনেসিসের মধ্যে দিয়ে এ'রকম ভার্জিন বার্থের একটা সম্ভাবনা আছে ।কারণ এই অসাধারণ প্রক্রিয়াটা অনেক প্রাণীর মধ্যেই আছে আমরা জানি । কিছু শর্ত পূরণ হলে মানুষের ক্ষেত্রেও এই প্রক্রিয়াটা সক্রিয় হতে পারে । অন্তত একটা বৈজ্ঞানিক সম্ভাবনা আছে সেটা বলতেই এই থিউরিগুলো নিয়ে আলোচনা।এই পদ্ধতিতেই মেরির ভার্জিন বার্থ হয়েছে সেটা বলিনি।শুধু বৈজ্ঞানিক সম্ভাব্যতার কথাই বলেছি।

বিজ্ঞান এখনও বহুকিছুই জানে না। ভবিষ্যতে আজকের অনেক নিশ্চিত তত্ত্বই অনিশ্চিত হয়ে যাবে, এটা নিশ্চিত। বিজ্ঞান নিয়ে যারা প্রকৃত চর্চা করে, তারা এটা জানে। জানেনা শুধু কিছু অতি-উৎসাহী মানুষ, যারা বিজ্ঞান সবকিছুর উত্তর দিতে পারে ভেবেই একধরনের আত্মতুষ্টি লাভ করতে চায়।
আপনার এই কথাগুলোর সাথেও পুরো একমত ।

অনেক ধন্যবাদ চমৎকার মন্তব্যে ।

৪৯| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:৫৭

সোহানী বলেছেন: বাই দা ওয়ে কলাবাগান আর এলিয়েনা এক কিনা জানি না তবে উনারা উনাদের পরিপূরক। আর হাঁ, কালাবাগান ভাই আমার এক লিখায় দাবী করেছেন উনার আন্ডারে কয়েক ডজন ছেলে-পেলে পিএইচডি করে । তাই উনাকে নিয়ে কথা বলার সময় বিশেষ সর্তকতা অবলম্বন জরুরী ;) নাইমুল ব্রাদার।

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:০১

মলাসইলমুইনা বলেছেন: সোহানী,
হাহাহা ---সাবধান পূর্বাভাস দেওয়ায় অনেক ধন্যবাদ । অবশ্যই কাজে লাগবে আপনার এই পূর্বাভাস ।

৫০| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৭:৫৩

রূপম রিজওয়ান বলেছেন: B:-) B:-) B:-)
পোস্টে দেখি সংসদ বসেছিল! কী উচ্চমার্গীয় পোস্ট করেছেন! দেখি,একটু বুঝবার চেষ্টা করি।

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১৩

মলাসইলমুইনা বলেছেন: রূপম রিজওয়ান,

কী উচ্চমার্গীয় পোস্ট করেছেন !
আরে বাবা সাংসদরা আসবেন পয়েন্ট অফ অর্ডারে আলোচনা হবে, বিল উত্থাপিত হবে, আইন হবে, আইন অমান্য হবে --কত কি হবে আর আমার পোস্ট উচ্চমার্গীয় হতে পারবে না ! দেখুন সাংসদরা রাগ বিরাগে, জ্ঞানে বিজ্ঞানে, বিশ্বাসে অবিশ্বাসে কেমন নিপুন আলোচন করছেন ! গ্যালারিতে গাঁট হয়ে বসুন এন্ড ইনজয় ! ভালো থাকুন ।

৫১| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:৪৭

কলাবাগান১ বলেছেন: কুটনামি করতে কানাডা থেকে আগমন...শুভেচ্ছা স্বাগতম

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ ভোর ৫:২৪

মলাসইলমুইনা বলেছেন: কলাবাগান১,
এই মন্তব্যটা না করলেও পারতেন। আপনার পজিশনের সাথে মিললো না একেবারেই রেস্পন্সটা ।
ভালো থাকুন ।

৫২| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:২৭

নতুন বলেছেন: আবারো ধন্যবাদ । চরম যুক্তির সাথে বিশ্বাস আর বৈজ্ঞানিক বিষয়ে পরিশীলিত আলোচনা কিভাবে করতে হয় আর বিশ্বাসের বিষয়গুলোতে যুক্তির ওপর ভর করে দ্বিমত করতে গিয়ে যে কঠিন বা নোংরা ভাষার ব্যাবহারের কোনোই দরকার নেই সেটা আপনার মন্তব্য থেকে ব্লগে অনেকেই শিখতে পারবেন বলেই আমি মনে করি ।

নোংরা ভাষা ব্যবহার করার ক্ষেত্র একটা বিষয় আমি বলি সবাইকে।

আপনার জ্ঞানই লেভেলই আপনার সচেতনতা তৌরি করে এবং আপনি কি বলবেন এটা ঐ খান থেকেই আসে। আমি নোংরা শব্দ ব্যবহরার করিনা গালি দেইনা তার মানে এই না যে ঐ সব শব্দ আমার ডিকসনারিতে নাই।

আমি ব্যবহার করি না কারন নিজেকে মানুষ হিসেবে দাবি করলে ভালো মানুষের মতন আচরন করতে হয় এবং ঐসব ভাষা ভালো মানুষ ব্যবহার করতে পারেনা ।

আরেকটা জিনিস বলি যেহেতু ছোট বেলা থেকেই বই পড়ার অভ্যাস তাই অন্য যে কোন দশ জনের থেকে চটিসাহিত্য/বাজে শব্দ সম্বলিত লেখা অবশ্যই বেশি পড়েছি এবং তাদের থেকে আমার ডিকসনারিতে কোন মতেই ঐ শব্দ কম জানা নাই। =p~ =p~ =p~

আমি যখন কাউকে গালাগালি/নোংরা ভাষা ব্যবহার করতে দেখি তখন তার সাটিফিকেট আমার কাছে মুল্যহীন মনে হয়, কারন তার যদি জ্ঞান হতো তবে তার মুখ দিয়ে নোংরা ভাষা বের হতো না।

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:০৭

মলাসইলমুইনা বলেছেন: নতুন,
অনেক ধন্যবাদ চমৎকার মন্তব্যে । আপনার সময় থাকলে ব্লগে বেশি লিখবেন । বিতর্কিত লেখাগুলোতেও বেশি মন্তব্য করবেন । এখন ব্লগে অনেক নতুন, ইয়াং ব্লগার লেখেন ।আমি নিঃসন্দেহ যে আপনার যৌক্তিক কমেন্ট থেকে নতুন ব্লগাররা সবাই অনেক শিখতে পারবে । আবারো ধন্যবাদ ।

৫৩| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০৯

ওমেরা বলেছেন: সোহানী আপু, আমার ভাপুও কিন্ত কম না । আমার ভাপু জাহির করে না , আকাশে চাঁদ উঠলে সবাই দেখে ।

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:৩৪

মলাসইলমুইনা বলেছেন: প্রিয় ওমেরা,

আরে আরে কি সব আকাশ, চাঁদ তারার কথা বলছেন !
পাঁচ ইঞ্চি স্নোর নিচে ডুবে আছি চারদিকে মাইনাস টেন টেম্পাচার নিয়ে । দিনের ধূসর আকাশে সূর্য নেই ।রাতের আকাশেও কোনো চাঁদ বা তারা নেই । চাদ তারার সৌন্দর্য সব যেন চুরি হয়ে গেছে আমাদের এখানকার র্পৃথিবী থেকে। ডুবে আছি শুভ্র স্নোর নিচে ।তাই আপনার চাঁদ তারার কথাতো বুঝতেই পারলাম না কিছু । ওগুলোনা ।অন্য কিছু বলুন । বিড়াট লেখাটা পরে মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ নেবেন ।

৫৪| ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১২:৪৫

নতুন বলেছেন: লেখক বলেছেন: নতুন,
আমাকে বললেন ?
আমাকে বললে স্যরি বলছি , আমার কোনো মন্তব্য আপনাকে বা অন্য কাউকে আহত করলে ।
ইচ্ছে করে সেটা করিনি জানবেন ।


না আপনাকে বলিনি। উপরে শুরু হয়েছে তাই বলেছি।

২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ ভোর ৫:৫৭

মলাসইলমুইনা বলেছেন: নতুন,
অনেক ধন্যবাদ কষ্ট করে এসে মন্তব্যে ক্লারিফাই করার জন্য । ভালো থাকুন ।

৫৫| ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:৪৮

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
বিশ্বাস এমনই এক জিনিষ যে করে কোন প্রমাণ ছাড়াই করে । যে করে না শত প্রমাণ পেলেও করে না।

মন্তব্যে কিছু মানুষের ভিতরের চরিত্র প্রকাশ পেল।

+++++++

২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:০২

মলাসইলমুইনা বলেছেন: মোঃ মাইদুল সরকার,
খুবই সত্যি কথা বলেছেন। আমিও এই চেষ্টা করিনি । কতগুলো সাইন্টিফিক থিউরির কথা বললাম লেখায় যা দিয়ে ভার্জিন বার্থের ব্যাপারটা ব্যাখ্যা করা যায়। কোনো কিছুরই কনক্লুশন করিনি । সব আলোচনা, সব সম্ভাবনাই এখনো উন্মুক্ত । তবুও মনে হয় কিছু কিছু মানুষ নিজেদের ধারণা/ সিদ্ধান্ত কখনো চেঞ্জ করবে না ভার্জিন বার্থের বিষয়ে যতই বিজ্ঞান দিয়ে ব্যাপারটা ব্যাখ্যা করা হোক না কেন । অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

৫৬| ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ২:২০

কলাবাগান১ বলেছেন: কেস ডিসমিস না আরো জটিল করলেন...গল্পের গরুকে গাছে তুলছেন...পেপারে লিখা আছে যে বাবাকে লেগেছে বাচ্চা হতে সেটা কেন এড়িয়ে যাচ্ছেন....

যেখানে বাবা ছাড়া বাচ্চা হল না সেখানে কিভাবে বলেন যে

"XY ক্রমোজোমের একটা মেয়ে স্বাভাবিক ভাবেই সন্তানের জন্ম দিতে পারে তাই না ? তাহলে পার্থনোজেনেসিসে সেরকম সন্তান জন্মদানের বাধা থাকার কথা না তাই না ?

" বাচ্চা হল বাবা মায়ের দুজনে মিলে সেখান থেকে এক লাফে বলে দিলেন তাহলে বাবা ছাড়াও জন্ম সম্ভব??

আর পেপার টা ভাল করে পড়ে দেখুন....অথার রা নিজেরাই বলছে এই মহিলার ওভারীতে mosaicism ছিল কিনা সেটা তারা সিউর না..
"Although the demonstration of 5.9% 45,X cells in the ovary is difficult to interpret, most cytogeneticists agree that 5% does not indicate mosaicism"
"the small percentage of X (5.9%) out of 1000 cells counted in the gonad might be due to artifact or technical error."

২১ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৩:২২

মলাসইলমুইনা বলেছেন: কলাবাগান১,
ভেবেছিলাম আপনার মন্তব্যের গড়বড় বুঝেই মনে হয় গরুগুলো গাছে উঠেছে ! এখনতো দেখি আপনিও গাছের মগডালে উঠে বসে রয়েছেন ! আপনার এই মন্তব্যের কি উত্তর দেব সেটাইতো বুঝে উঠতে পারছি না ! আপনার মন্তব্যের উত্তরে আমার আগের প্রতিউত্তরের থেকে যে আপনি এই অবজারভেশনগুলো করতে পারেন সেটা আমার ধারণার বাইরে ছিল স্বীকার করছি । যে জেগে জেগে ঘুমায় তাকে জাগানো দায় । সেই সম্বাবনা খুব কম জেনেও কয়েকটা কথা বলতেই হচ্ছে I আপনার গরু গাছ থেকে নামিয়ে গদাম করে দুই বাড়ি দিয়ে বেঁধে রাখলাম ।আবার ওটা নিয়ে টানাটানি করবেন না প্লিজ ! ঠিক আছে কেসটা আবার ওপেন করলাম। আপনিও আর শুনুন কি বলি : The Journal of clinical endocrinology and metabolism আর্টিকেল শিরোনামটা কিন্তু 'Report of Fertility in a Woman with a Predominantly 46,XY Karyotype in a Family with Multiple Disorders of Sexual Development' -তাই না ? মানে মহিলার XY দুই ধরণের ক্রোমোজোম ছিল ঠিক কি না ?
" বাচ্চা হল বাবা মায়ের দুজনে মিলে সেখান থেকে এক লাফে বলে দিলেন তাহলে বাবা ছাড়াও জন্ম সম্ভব?? না বুঝে শুধু বিজ্ঞানমনস্কতা দেখতে হবে বলেই এই মন্তব্যটা করেছেন কিনা সেটা নিয়ে প্রচুর সময় ব্যয় করতে হলো । আপনি এই প্রশ্নটা করলেন দেখি খুবই আশ্চর্য হয়েছি । আমি কোথায় বললাম (আর্টিকেলের (পেশেন্ট ২) এই মহিলার প্রেগ্নেন্সি হাজবেন্ড ছাড়াই হয়েছিল ? আর্টিকেল জুড়েইতো বলা আছে এই মহিলার কিভাবে বাচ্চা হলো ।সেটা আমি অস্বীকার করবো কেন ? আমিতো এই আর্টিকেলের সে সংক্রান্ত একটা কথাও বলিনি । সেটার দরকারও ছিল না আমার বলবার । সেটা নিয়ে এলেন কেন ? আমার লেখার বা মন্তব্যে যে বিষয়টা আমি কোথাও বলিনি সেটাই আমি বলেছি বলে দিলেন ! আশ্চর্যতো ! আপনার ইন্টেলেকচুয়াল ক্যাপাসিটি সম্পর্কে অনেকেই কিন্তু সন্দিহান হয়ে উঠবে এই কথা দেখার পর ।

আমি সব সময়ই পার্থোনোজেনেসিস আর ভার্জিন বার্থ নিয়ে কথা বলছিলাম I বাই ডেফিনিশন পার্থনোজেনেসিসে মেইল ছাড়াই রিপ্রোডাকশোন হতে হবে তাই না ? তাহলে এখানে মেইল ফিমেল ইন্টারাকশনে রিপ্রোডাকশন হওয়াতো আলোচনার মূল ইস্যু হবার কথা না । আমার মন্তব্যেও সেটা ছিল না । বরং আমার ফোকাসটা ছিল XY ক্রোমোজোম থাকা একটা মেয়ের রিপ্রোডাকটিভ সিস্টেম ত্রুটিমুক্ত হতে পারে কিনা সে বিষয়ে ।পার্থোনোজেনেসিসে ছেলে সন্তান হবার প্রধান শর্ত আপনারা বলেছিলেন মেরির Y ক্রোমোজোম থাকতে হবে যা সাধারণত বাবার থেকে পেয়ে থাকে সন্তান । যখন বললাম Y ক্রোমোজোম একটা মেয়ে পেতে পারে জেনেটিক মোজাইক বা genetic chimera হলে (যার কথা প্রফেসর বেরী আর ডক্টর আরতি প্রাসাদ বলেছেন) তখন আপনি বললেন:
কিন্তু আপনাকে ভেবেছিলাম যে যখন বায়োলজি নিয়ে লিখছেন, তাহলে নিশ্চয়ই বুঝেই লিখছেন..Androgen insensitivity syndrome এর 'মহিলা' যার মাঝে XY chromosome আছে ..they do not have a uterus and therefore do not menstruate and are unable to conceive a child (infertile)....তাহলে জেসাস Androgen insensitivity syndrome এর মেরী থেকে জন্মগ্রহন করল কিভাবে.. সে সময় কি এখনকার মত uterus ভাড়া পাওয়া যেত??? ---
XY থাকা মেয়েদের uterus থাকেনা ! আপনার সেই আশ্চর্য রকমের ভুল কথাটার উত্তর দিতে এই আর্টিকেলের মা-র কথা বললাম প্রমান করতে যে আপনার কথা সব সময়ই সত্যি না | XY থাকা মেয়েদের uterus থাকতে পারে আর তাদের স্বাভাবিক ভাবে সন্তান জন্ম হতে পারে (সিসেকশন,বা gonadectomy না করেও) | ধারণা করি আপনার বাবা, মা আছেন আর আপনার জন্ম হয়েছে সিসেকশন,বা gonadectomy না করেই । আপনার জন্মকে কি স্বাভাবিক জন্ম বলা যাবে ? যদি যায় তাহলে এই মহিলার ক্ষেত্রে আপনার জন্মের মতো সেই নরমাল/ ননএসিস্টেড ডেলিভারিকে নিখাদ বাংলায় ‘স্বাভাবিক’ (সিসেকশন বা gonadectomy না করেও) সন্তান জন্মদান বলা যায় নিশ্চই তাই না ? তার মানে ‘XY ক্রমোজোমের একটা মেয়ের ক্ষেত্রে পার্থনোজেনেসিস হলে (যার সম্ভাবনার কথা থিউরীতে বলেছেন এক্সপার্টরা) স্বাভাবিক ভাবেই (কথা হচ্ছে স্পার্ম ইনজেকটেড হবার ব্যাপারে নয় রিপ্রোডাকটিভ চ্যানেল/ অর্গান সংক্রান্ত বিষয় মনে রাখতে হবে) সন্তানের জন্ম দিতে পারে তাই না’ ? আমিও "স্বাভাবিক" বলতে সেটাই বুঝিয়েছি ।মহিলার হাজবেন্ড নিয়েতো কোনো কথা বলিনি এই ব্যাপারে I তাছাড়া হাসবেন্ড থাকার পরেও কোনো মেয়েরতো সি সেকশন করে সন্তান জন্ম দিতে হতে পারে । তখনতো নরমাল বা স্বাভাবিক প্রসেসে সন্তান হয়েছে সেটা বলা যাবে না । নাকি যাবে ?ক্রিস্টাল আমার মন্তব্যের শানে নুযুল? আর্টিকেলের মহিলার (পেশেন্ট ২) সন্তান জন্ম দান সম্পর্কে আমার মন্তব্য ঠিক আছে তাহলে ?

আরেকটা কথা, আপনি যে বললেন, আর পেপার টা ভাল করে পড়ে দেখুন....অথার রা নিজেরাই বলছে এই মহিলার ওভারীতে mosaicism ছিল কিনা সেটা তারা সিউর না.. পড়লামতো ! আর্টিকেলের মহিলা (পেশেন্ট ২) মোজাইক কি না সেটা ডাক্তাররা শিওর না ! তাতে কি প্রফেসর বেরী আর ডক্টর আরতি প্রসাদের পার্থনোজেনেসিসের থিওরিটা ইনভ্যালিড হয়ে গেলো ? আমারতো ধারণা আরো শক্ত হলো ।কারণ এই আর্টিকেলের মহিলার উদাহরণ থেকে তাহলে আমরা জানলাম :
1. XY ক্রোমোজোম থাকা একজন মহিলার রিপ্রোডাকটিভ সিস্টেম ত্রুটিমুক্ত (সব সময় uterus থাকবে না সেটা সত্যি নয় )হতে পারে,
2. স্বাভাবিক ভাবে সন্তান জন্ম হতে পারে (সিসেকশন,বা gonadectomy) না করেও!
3. ভার্জিন বার্থের জন্য XY ক্রোমোজোম থাকা মেয়ের যে ধরণের ফিজিক্যাল কন্ডিশন থাকা শর্ত বলেছিলেন সেটা বাস্তবে থাকতেই পারে
4. ভার্জিন বার্থের জন্য XY ক্রোমোজোম থাকা একজন মেয়ে এই আর্টিকেলের মহিলার মতো জেনাটিক মোজাইক হতে পারে আবার নাও হতে পারে (আপনার কথা অনুযায়ী এই আর্টিকেলের কনক্লিউশন সত্যি ধরলে ) তাই না?

এই উল্লেখযোগ্য ব্যাপারগুলোর জন্যই আর্টিকেলের অথর্রা কেষ্টাকে ইউনিক বলেছেন তাই না ?এই মহিলার কেসটা আমাদের জানা সাম্প্রতিক উদাহরণ থেকেই পার্থনোজেনেসিসের একটা পারফেক্ট কন্ডিশন ক্রিয়েট করলো I যেখানে একজন XY ক্রোমোজোমের মেয়ে সন্তান জন্ম দানের জন্য কোনো শারীরিক প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই প্রস্তুত। এটা বলতেই এই আর্টিকেলটার মহিলার কথা বলা । মেরি এই মহিলার মতো হলে থিয়োরিটিকালি তার পার্থনোজেনেসিসে ভার্জিন বার্থে কি কোনো অসুবিধা হবার কথা ?মশাই, এটাই আপনার কমেন্টের উত্তরে বলতে চেয়েছি - তাহলে পার্থনোজেনেসিসে সেরকম সন্তান জন্মদানের বাধা থাকার কথা না তাই না মন্তব্যে, আর কিছু না ! কখনোই বলিনি এই আর্টিকেলের মহিলার পার্থনোজেনেসিসে সন্তান হয়েছে !এখনো মনে হচ্ছে জগৎ সংসার, বিজ্ঞান সব ধ্বংস হয়ে গেছে আমার বক্তব্যে ? আপনি পেরিফেরাল ইস্যু নিয়ে টানাটানি করতে করতে আপনার র্যুক্তির গরুটাকে গাছে উঠিয়ে ছাড়লেন !

মেরির যদি আর্টকেলের মহিলার মতো XY দুটো ক্রোমোজোম থাকে এবং রিপ্রোডাকসনের ক্ষেত্রে ফিজিক্যাল সমস্যাহীন কোনো মেয়ে হয়ে থাকেন তবে এই অবস্থায় ডক্টর বেরী বা ডক্টর আরতি প্রাসাদের বলা থিয়োরি অনুযায়ী পার্থনোজেনেসিস যদি ঘটে তবে সেই থেকে ভার্জিন বার্থ হতে পারে । তাত্বিক ভাবে সেটা অসম্ভব নয় । আমি এই প্রসঙ্গে নতুনের মন্তব্যে ডক্টর ওয়ারেন বুনের রিসার্চের কিছু ঘটনা থেকেও উদাহরণও দিয়েছি তার হাইপোথিসিসের কথা বলে যে কিছু এক্সটার্নাল ফ্যাক্টর (জেনেটিক, ভাইরাস, টিউমার বা ব্যাকটেরিয়া) পার্থনোজেনেসিস প্রক্রিয়াকে ইনফ্লুয়েন্স করে মেরির ক্ষেত্রে কিক অফ করতে পারে ভার্জিন বার্থের রিপ্রোডাকটিভ প্রসেস। এই জায়গায় নতুনের প্রশ্ন আপনার মন্তব্যের চেয়ে অনেক বেশি যৌক্তিক I আমিও তার প্রশ্নের উত্তরে বলেছি হ্যা এটার সম্ভাবনা কম হলেও কিন্তু সম্ভাবনা আছে, সেটা শূন্য সম্ভাবনা নয় । আমি যে বৈজ্ঞানিক থিয়োরির কথা বলেছি সেগুলো কম সম্ভাব্যতার মধ্যেও পার্থনোজেনেসিসে ভার্জিন বার্থ সম্ভব সেটার কথা বলে, পুরোপুরি অস্বীকার করে না । ডক্টর বেরী বা ডক্টর আরতি প্রাসাদের থিয়োরির মধ্যে আমার নিজের থেকে কিছু যোগ করার নেই । ক্লিয়ার হলো আমার আগের মন্তব্যের কথা ?

মন্তব্যের শেষে একটি কথা বলি ইতিহাস থেকে । পন্ডিত জগানন্দ দাস ছিলেন বিশ্বভারতীর প্রিন্সিপাল বা উঁচু কর্মকর্তা । তো একবার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বড় ভাই জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর (ইনার সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর স্বয়ং বলেছেন তার দাদার মতো গুণী মানুষ তিনি খুব বেশি দেখেননি !)ঘরের জানালা দিয়ে দেখলেন জগানন্দ দাস লাঠি দিয়ে শাসন করছেন এক ছেলেকে । জ্যোতিরিন্দ্রনাথ তখনই একটা চিরকুটে জগানন্দ দাসকে লিখে পাঠালেন :
“শোনো হে জগানন্দ দাদা
গাধা পিটলে ঘোড়া হয়না
ঘোড়া পিটলে গাধা !”

আশাকরি এই চিরকুটের শানে নজুল বুঝিয়ে বলতে হবে না । জেগে জেগে ঘুমালে জাগানো দায় একবারতো বললামই । কথাটা সত্যিতো তাই না ?

আপনার কেস কিন্তু আবার ডিসমিস। নো মোর হেয়ারিং । ভালো থাকুন ।

৫৭| ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:২১

নতুন বলেছেন: Results: Evaluation of the Y chromosome in the daughter and both parents revealed that the daughter inherited her Y chromosome from her father. Molecular analysis of the genes SOX9, SF1, DMRT1, DMRT3, TSPYL, BPESC1, DHH, WNT4, SRY, and DAX1 revealed normal male coding sequences in both the mother and daughter. An extensive family pedigree across four generations revealed multiple other family members with ambiguous genitalia and infertility in both phenotypic males and females, and the mode of inheritance of the phenotype was strongly suggestive of X-linkage.

https://www.ncbi.nlm.nih.gov/pmc/articles/PMC2190741/

যেহেতু আপনি বিশ্বাসী তাই খুব ক্ষীন সম্ভবনাকেও সম্ভব বলে মনে করবেন সাভাবিক।

জেনিটেক্যালী মোজায়িক বা অন্য টাইপের নারী হবার সম্ভবনা কত % ? তার মাঝে কত % বাবা হতে Y chromosome পাবে? তার মাঝে % সন্তান জন্ম দেবার মতন ওভারী বা অন্য সব ঠিক পাবে? তার মাঝে কত % এর ডিম্বানু থেকে ভ্রুন তৌরি হবে? তার মাঝে কত % ছেলে হবে?

এই সম্ভবনা হিসাব করতে গেলে সেটা অসম্ভব পযায়েই পড়বে।

আরেকটা বিষয় হলো কোন সমাজই কিন্তু কুমারী মাতার কাহিনি শুনেই বিশ্বাস করে নেবে না।

এই কাহিনি গুলি পরে বিখ্যাত মানুষের জীবনীতে যুক্ত করে তার অনুসারীরা।

এখন দেখুন যাদুবিদ্যার কোন উতসাস নেই, কারন মানুষ বোঝে যাদুকর এইগুলি তৌরি করে এতে কোন অলৌকিক ক্ষমতা নেই, মন্ত্র নেই। ইউটিউবে প্রায় সব যাদুরই রহস্য ফাস করে ভিডিও আছে....

তেমনি ভবিশ্যতে আরো অলৌকিক জিনিসের রহস্য ফাস হবে এবং মানুষ আরো যৌক্তিক ভাবে প্রচলিত বিশ্বাসগুলিকে প্রশ্ন করা শুরু করবে। যদিও সেটা অনেক নতুন সমস্যার সৃস্টি করবে, কিন্তু সেটা সময়ই বলে দেবে দুনিয়া কোন দিকে যাবে।

ভালো থাকবেন।

২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:০০

মলাসইলমুইনা বলেছেন: নতুন,

আপনার মন্তব্যের কোনো অংশের সাথেই কিন্তু আমি দ্বিমত পোষণ করছি না । আর্টিকেলের উদাহরণটা দেবার কারণ কলাবাগান১-এর ওপরে শেষ মন্তব্যের প্রতিউত্তরেই বলেছি । আমি আসলে একটা জিনিসই বলতে চেয়েছিলাম এই উদাহরণ দিয়ে সেট হলো XY ক্রোমোজোম সম্পন্ন একটা মেয়ে স্বাভাবিক ভাবেই (সি সেকশন বা এ'ধরণের এসিস্টেড বার্থ ছাড়াও ) সন্তান জন্ম দিতে পারে । যেটা AIS থাকলে নাকি সম্ভব না বলে আপনারা কেউ কেউ বলে ছিলেন (এই মহিলার হাজবেন্ডের ব্যাপারে কিছু বলিনি ইচ্ছে করেই আর সেটার দরকার ছিল না লেখার জন্য )। এই উধাহরনে মনে হয় সেই ধারণাটা যে সব সময় সত্যি না সেটা বলা গেলো । প্রফেসর বেরীর তত্ত্ব অনুযায়ী পার্থেনোজেনেসিসের জন্য সেটা একটা মেন্ডেটরি ব্যাপার ছিল ।

তাছাড়া যে খুবই কম একটা সম্ভাবনার কথা আপনি বললেন সেটাও সত্যি । আপনি মনে হয় আমেরিকায় থাকেন । তাহলে অবশ্যই ম্যাগমিলিয়ন লটারির কথা জানেন । এই মেগা মিলিয়ন লটারি জেতার অসম্ভাবনা একজন মানুষের ২৫৮ মিলিয়নে একবার । আর ম্যাগমিলিয়নে জ্যাকপট পাবার সম্ভাবনা ১: ৩০২,৫৭৫,৩৫০ অর্থাৎ তিনশো দুই মিলিয়ন পাঁচ লক্ষ পঁচাত্তর হাজার তিনশত পঞ্চাশ বারের চেষ্টায় কেউ একবার মাত্র সেটা জিততে পারে । কিন্তু এতো ছোট সম্ভাবনার ঘটনাও কিন্তু ঘটছে প্রায় প্রতি সপ্তাহেই তাই না ?
এই পার্থেনোজেনসিসের ব্যাপারটা রেয়ারই হবার কথা । বিজ্ঞানের ভাষ্য অনুযায়ী শুধু না এটা ধর্মেও খুব ঐশ্বরিক বলেই চিহ্নিত ।তাই জেসাস ছাড়া অনন্য কোনো নবী বা রাসূলের ক্ষেত্রে এমন হয়নি । আমরা দুই হাজার বছরেও তাই এটার আরেকটা উদাহরণ জানি না । কিন্তু এই লেখায় আমি কিন্তু আমার বিশ্বাসের কিছু বলিনি ।আমি বৈজ্ঞানিক সম্ভাব্যতার কথা মাথায় রেখেই আসলে লেখাটা লিখেলছিলাম । আমিও এটাকে খুব কম সম্ভাবনার একটা ঘটনা, যেটা হয়তো এই একবারই ঘটেছে আর হয়তো ঘটবে না, তেমনি একটি ঘটনাই মনে করি । আমি এই ভার্জিন বার্থের ব্যাপারে আসলে একটা সম্ভাবনার কথাই বলেছি । হবেই এমন অনিবার্য কিছু বলিনি কখনোই ।স্ট্যাটিক্সের ছাত্র হিসেবে আমি জানি সম্ভাবনা শূন্য না হলে কোনো একটা ঘটনা ঘটা সম্ভব, তা সম্ভাবনা যতই ছোট হোক না কেন । শার্লক হোমসের কথাটাই আমিও বলছি, কোনো ঘটনার সম্ভাব্য অল্টারনেটিভগুলোর মধ্যে থেকে যেটা অসম্ভব সেটা বাদ দিলে যেগুলো থাকবে সেগুলো যতই অকল্পনীয় হোক তার থেকেই একটা অল্টারনেটিভ সত্যি হবে । আমার বক্তব্য এটুকুই আর কিছু নয় ।

অনেক ধন্যবাদ চমৎকার সব মন্তব্য করে আমার লেখাটাকে আরো প্রাণবন্ত করে তোলার জন্য । আমি এই জিনিসটাই চেয়েছিলাম ।হ্যাপি হলিডে ।

৫৮| ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:৩৩

আমি তুমি আমরা বলেছেন: আপনার এবং ব্লগার নতুন-দুজনেরই পোস্ট পড়েছিলাম বেশ কয়েকদিন আগে। ওইসময় নতুনের পোস্টে আপনার, নতুন ও কলাবাগান১ এর মন্তব্য-প্রতিমন্তব্যও অনেকখানি পড়েছিলাম।

হযরত ঈসা(আঃ) এর সাথে একই পোস্টে গ্রীক মিথোলজির কয়েকটি চরিত্রের উল্লেখ করে নতুন এমনিওতেই তার পোস্টটাকে হালকা করে ফেলছেন। তারওপর নতুন এবং কলাবাগান১ বারবার প্রতিষ্ঠিত করতে চাইছিল আপনি হযরত ঈসা(আঃ) এর জন্ম পার্থেনোজেনেসিসের মাধ্যমে হয়েছে বলে দাবী করেছেন-এই বিষয়টাও আমার ভাল লাগেনি। এই পোস্টের পুরোটাই পড়লাম।বোঝাই যাচ্ছে যথেষ্ট পরিমান পরিশ্রম করে লিখেছেন। সেজন্য একটা বড়সড় ধন্যবাদ দিতে চাই আপনাকে।

২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:৫৩

মলাসইলমুইনা বলেছেন: আমি তুমি আমরা,

অনেক ধন্যবাদ বড় একটা লেখা পড়ে মন্তব্যের জন্য ।
নতুনের লেখার ব্যাপারে আপনার কথার সাথে একমত । মিথোলজিকাল ক্যারেক্টার আর বাস্তবের চরিত্র জেনারেলাইজড না করে এক সাথে না বললেই হয়তো ভালো হতো । আমি অবশ্য নতুন, কলাবাগান১ -এর মন্তব্যগুলো খুবই ইনজয় করলাম । তারা খুব যুক্তির সাথেই তাদের বকদ্বয় বলেছেন লেখায় । এই লেখাটা নিয়ে নানা ধরণের কমেন্ট হতে পারে আমি ভেবেছিলাম ।কিন্তু আমি সত্যিকার ভাবেই আশা করেছিলাম যে যাই বলুক যুক্তির ভেতর থেকেই বলবেন । নতুন আর কলাবাগান১ সেই কাজটা করেছেন । ব্লগ ইন্টারএকশন থেকে এটুকুই চাওয়ার ছিল । আপনার শেষ লেখাটা পড়া হয়েছে । ফটোটা দেখে ভেবেছিলাম বিদেশের পটভূমিকায় কোনো গল্প ।গতকালকেই মাত্র ক্রিসমাসের ভিড়ে পেছন থেকে এসে আমার গাড়ির প্যাসেঞ্জার সাইডের রিয়ার ভিউ মিরর ভাঙলো এক ডেঞ্জারাস ড্রাইভার ! যাহোক সময় করে আপনার লেখায় কমেন্ট করবো ।
আবারো ধন্যবাদ ।

৫৯| ২১ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ ভোর ৫:২০

কলাবাগান১ বলেছেন: পুরুষ যখন মেয়েদের থেকে ডোনেটেড অর্গান কে গ্রহন করে তখন সেই অর্গানের ডিএনএ তো আর চেন্জ হয় না।..আবার মহিলা যখন পুরুষ এর অর্গান গ্রহন করে তখনও সেই একই ব্যাপার হয়.. XX with XY chromosomes; পশ্চিমা বিশ্বে সেক্স চেন্জ অপারেশন এখন অনেক কমন...যে মেয়ে হিসাবে জন্ম গ্রহন করেছে কিন্তু পরে সেক্স চেন্জ অপারেশন করে ছেলে হয়ে গেল...কিন্তু তার কোষে তো ক্রোমজমে মেয়েই থাকবে যদিও তার আকৃতি এখন ছেলের মত...

মাইল্ড Androgen insensitivity syndrome নিয়ে হয়ত বা হাজার হাজার 'মহিলা' আছে কিন্তু স্বাভাবিক ভাবে বিবাহ করে পুরুষের সাথে মিলনের পরে বাচ্চা জন্ম ও দিচ্ছে...যেহেতু কোন প্রবলেম হচ্ছে না তাই এ সমস্ত মাইল্ড Androgen insensitivity syndrome 'মহিলা' দের কেরিওটাইপ ও করা হয় না বিধায় জানা যায় না যে তারা মাইল্ড Androgen insensitivity syndrome ....কিন্তু একজন Androgen insensitivity syndrome কে উধাহরন হিসাবে আনেন যারা পার্থোনোজেনেসিস এর মাধ্যমে বাচ্চা জন্ম দিয়েছে...।পারবেন না কেননা এই বর্তমান আট বিলিয়ন লোকের মাঝে একজন ও নাই যে ছেলে আর মেয়ের মিলন ছাড়া জন্ম নিয়েছে (ল্যাবে হলেও এগ আর স্পারম লেগেছে)..মৃতদের কথা আর নাই বললাম...

তাই আপনার "পার্থেনোজেনেসিসের মাধ্যমে হয়েছে হলেও হতে পারে যে দাবী করেছেন, সেটা হালে পানি পাবে না কিন্তু কংক্রিট উদাহরন ছাড়া"

লক্ষাধিক জেনেটিসিস্ট আছে যারা বলছে পার্থেনোজেনেসিসের মাধ্যমে মানুষ জন্ম হওয়ার কোন সম্ভাবনা নাই...তাদের কথার দাম নাই কিন্তু খালি দুইজন বলেছে এখন তাদের কথার দাম আপনার কাছে খুব বেশী..তাতেই বুঝা যায় আপনারা কোন দলে


এত কথার কি দরকার...উপরে অনেকেই বলেছে.আল্লাহ তাওলা চেয়েছেন, তাতেই হয়েছে....এবং আমি নিজেও তা মনে করি

এর এত বৈজ্ঞানিক ব্যাখা লাগবে কেন?????

কেস ডিসমিস।

০১ লা জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১১:৫৪

মলাসইলমুইনা বলেছেন: কলাবাগান১,

বছর কেটে গেলো উত্তর দিতে দিতে । আপনি বলতেই পারেন এই সামান্য উত্তর যাতে এতো কিছু ঘাটতে হলো ! হাহাহা । খেয়াল করেছেন নিশ্চই আমার স্বভাব বিরুদ্ধ খুব দ্রুত আরো তিনটে পোস্ট করে ফেলেছিলাম খুব অল্প সময়েই ।সেগুলোর রেস্পন্স করতে করতেই হাত ব্যাথা ! তাই আপনার মন্তব্যে এতো দেরি । সাধারণত এতো দেরি করাটা আমার পছন্দ না মন্তব্যের রেসপন্স করার ব্যাপারে । তাই সত্যি স্যরি বলছি এই দেরির জন্য ।

আমি যতটুকু বুঝেছি তাতে মনে হলো আপনার মন্তব্যের প্রথম অংশটা একজন মেয়ের ব্যাপারে প্রযোজ্য হবে না সে যদি genetic mosaic বা ‘genetic chimera’ হয় । কাৰণ এখানেতো ডোনেটেড অর্গান গ্রহণের প্রশ্ন নেই ।এখানে Y ক্রোমোজোমটা পাবার ব্যাপার আসছে ইনফুশন থেকে । X এবং Y দুটো ক্রোমোজমেরে ক্ষেত্রে X ক্রমোজম যদি কোনো কারণে Y ক্রমোজমকে এবজর্ব করে তাহলে একটা মেয়ের Y ক্রোমোজোম পাবার সুযোগ বা সম্ভাবনার কথাই এই দুটো প্রসেসে (genetic mosaic ও ‘genetic chimera&rsquo;)বলা হচ্ছে ।

মাইল্ড Androgen insensitivity syndrome 'মহিলা' দের কেরিওটাইপ ও করা হয় না বিধায় জানা যায় না যে তারা মাইল্ড Androgen insensitivity syndrome ....কিন্তু একজন Androgen insensitivity syndrome কে উধাহরন হিসাবে আনেন যারা পার্থোনোজেনেসিস এর মাধ্যমে বাচ্চা জন্ম দিয়েছে...।পারবেন না কেননা এই বর্তমান আট বিলিয়ন লোকের মাঝে একজন ও নাই যে ছেলে আর মেয়ের মিলন ছাড়া জন্ম নিয়েছে (ল্যাবে হলেও এগ আর স্পারম লেগেছে)..মৃতদের কথা আর নাই বললাম... । তাই আপনার "পার্থেনোজেনেসিসের মাধ্যমে হয়েছে হলেও হতে পারে যে দাবী করেছেন, সেটা হালে পানি পাবে না কিন্তু কংক্রিট উদাহরন ছাড়া" আপনার এই কথার সাথেতো কখনোই অমত করিনি । উদাহরণ নেই দেখেইতো এটা সম্ভাবনা । সে'জন্যইতো একটা থিওরির কথা বলা হচ্ছে । এখানে আপনাকে একটা কথা বলি ডক্টর আরতি প্রাসাদ যেই রকম ‘genetic chimera’-র কথা বলেছেন যার XY ক্রমোজোম আছে আর যার ওভারিতে একটা balance থাকতে হবে একটা স্পটেনিয়াস প্রেগনেন্সির জন্য, তেমন একটা মেয়ের খোঁজ সাইন্টিস্টরা কিন্তু পেয়েছেন মেক্সিকোতে কয়েক বছর আগে। সেই মেয়েটার বয়স কয়েক বছর। তাকে অব্জার্ভেশনে রেখেছেন সাইন্টিস্টরা। ডক্টর আরতি প্রাসাদ এই মেয়ের কথা বলেছেন তার ২০১২ সালের বইয়ে। তাই পুরো ব্যাপারটা একদম অলীক সেটা ভাববার কোনো কারণ নেই । এটা সত্যি যে এই ছোট মেয়েটা বড় হয়ে স্পন্টেনিয়াসলি ভার্জিন বার্থে সন্তান জন্ম দিতে পারে, আবার নাও দিতে পারে । সেটা জানা যাবে যাবে সামনের দিনেই । কিন্তু পয়েন্টটা হলো ‘genetic chimera’-র একটা মেয়ে এরকম স্পন্টেনিয়াস রিপ্রোডাকশনের জন্য ফিজিক্যালি ফিট হতেই পারে সেটা সত্যি একটা বিশ্বাসযোগ্য ধারণা।

আমি আগেই বলেছি যে আমি একটা সম্ভাবনার কথা বলছি মানুষের পার্থোজেনেসিসের ব্যাপারে কিছু জেনেটিসিস্টের হাইপোথিসিসের ভিত্তিতেই । সেটা সহজ কোনো বিষয় না সেটা বলেছি । অনেক অড আছে ভার্জিন বার্থের ব্যাপারে যা কাটাতে হবে সেটাও বলেছি । কিন্তু এতো কিছুর পরেও একটা সম্ভাবনাও আছে সেটাও জোর দিয়ে বলেছি । কাছাকাছি উদাহরণগুলো থেকে সেটা বলা যেতে পারে । এই জোর দেবার ব্যাপারে এখন একটা ছোট ছেলের উদাহরণ দেই হিউম্যান পার্শিয়াল পার্থনোজেনেসিসের । ১৯৯৫ সালে বিখ্যাত জার্নাল Nature Genetics-এ কেসটা পাবলিশড হয়েছিলো । ডিএনএ টেস্টে এই ছেলেটার হোয়াইট ব্লাড সেলে কোনো Y ক্রোমোজোম পাওয়া যায় নি । একটা ছেলের কথা বলছি ! মেলনেসের জন্য Y ক্রোমোজোম দরকার বুঝতেই পারছেন খুবই একটা আনইউজুয়াল ঘটনা এটা। তার ব্লাড সেলে ছিল দুটো XX ক্রোমোজোম । মেয়েদের ক্ষেত্রে তাদের দুটো XX ক্রোমোজোমের একটা আসে বাবার থেকে অন্যটা মায়ের থেকে । কিন্তু এই ছেলের ব্লাড সেলের X ক্রোমোজমের কোনোটাই বাবার থেকে আসেনি !! কিন্তু তার স্কিনের সেলে আবার XY দু'ধরণের ক্রোমোজোমই ছিল একটা সাধাৰণ ছেলের যেমন থাকে । ডিএনএ সিকোয়েন্সিং করে রিসার্চাররা দেখলেন তার রক্তের ২২ পেয়ার ক্রমোজোমের সমস্ত X ক্রোমোজোম আইডেন্টিকাল আর সেগুলো এসেছে তার মায়ের দিক থেকে ।কোনোটাই বাবার থেকে না ! কিভাবে এটা সম্ভবপর হলো ? এই আশ্চর্য প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন রিসার্চাররা এভাবে -

“The researchers believe that FD’s (ছেলেটার নাম )development started when an unfertilised egg self-activated and began to divide. A sperm cell then fertilised one of the cells, and the mixture of cells began to develop as a normal embryo. This fusion with a sperm must have occurred very early on, because self-activated eggs quickly lose the ability to be fertilised. At some point, the unfertilised cells must have duplicated their DNA, boosting their chromosome number back up to 46. Where the unfertilised cells hit a developmental block, the researchers believe, the fertilised cells compensated and filled in that tissue.

The researchers say that FD’s case demonstrates that whatever blocks there are to successful human parthenogenesis, unfertilised cells are clearly not always disabled. For example, these cells were able to create a seemingly normal blood system for FD.”

এই কেসটাকে বলা হচ্ছে মানুষের ভার্জিন বার্থ বা পার্থনোজেনেসিসের ক্লোজেস্ট উদাহরণ। এখানে পার্শিয়াল পার্থেনোজেনেসিস হয়েছে বলছেন রিসার্চাররা --বাকিটাও তাহলে অসম্ভব না হবারই কথা তাই না ? unfertilised egg self-activated হয়ে বিভক্ত হতেই পারে ! সেটাইতো এই FD-র উদাহরণে দেখা যাচ্ছে !

পার্থনোজেনেসিসে মেরির ভার্জিন বার্থ নিয়ে ডিসাইসিভ কিছুই আমি লেখায় বলতে চাইনি বা এখনো বলছি না ।কিন্তু একটা সম্ভাবনা হিসেবেই এই আলোচনাটা আমি করতে চেয়েছিলাম । হাতের কাছে থাকা সামপ্রতিক কেসগুলোর থেকে আমার মনে হয় সেটা পুরো অবিশ্বাস করার কোনো কারণও থাকা উচিত না । সেটাই ছিল আমার আলোচনার গোল । যাহোক, আপনার আর্গুমেন্ট আমি সব সময়ই বোঝার চেষ্টা করেছি আর গুরুত্বের সাথেই দেখেছি ।সেগুলোর বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নিয়ে আমার কোনো সংশয় নেই । আপনি নিজের বিশ্বাসের ব্যাপারে যত যৌক্তিক অন্যদের বিশ্বাসের সত্যসত্যির সম্ভাবনা স্বীকারে ততটাই আল্ট্রা ডিফেন্সিভ বলে আমার মনে হয়েছে । আপনার বিশ্বাসের লজিকাল আর্গুমেন্ট করতে করতে তাই -লক্ষাধিক জেনেটিসিস্ট আছে যারা বলছে পার্থেনোজেনেসিসের মাধ্যমে মানুষ জন্ম হওয়ার কোন সম্ভাবনা নাই...তাদের কথার দাম নাই কিন্তু খালি দুইজন বলেছে এখন তাদের কথার দাম আপনার কাছে খুব বেশী..তাতেই বুঝা যায় আপনারা কোন দলে -এ'রকম আবেগপ্রবণ মন্তব্যের প্রয়োজন ছিল না ! এই মন্তব্য আপনার সাইন্টিস্ট বা বিজ্ঞানের প্রাক্টিশনার হিসেবে আপনার পরিচয় নিখুঁত করতে পারেনি । আর এত কথার কি দরকার...উপরে অনেকেই বলেছে.আল্লাহ তাওলা চেয়েছেন, তাতেই হয়েছে....এবং আমি নিজেও তা মনে করি ---এর এত বৈজ্ঞানিক ব্যাখা লাগবে কেন????? [/sb]কথাটাও খুবই অপ্রাসঙ্গিক মনে হয়েছে আর আমার লেখাতেতো আমি ধর্মগ্রন্থের কিছু বলিনি ইউনিভার্সিটি অফ লন্ডন আর কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটর দুজন জেনেটিস্টের হাইপোথিসিস নিয়ে কথা বলছিলাম ! যেচে পরে করা নোংরামির মতো হয়ে গেছে আপনার মন্তব্যবের শেষ অংশটা । আমি অবাক হয়েছি আপনি এমন মন্তব্য করেছেন দেখে । আপনার থেকে সেটা আমি আশা করিনি একেবারেই ।তাই খারাপ লেগেছে এই মন্তব্যে ।

যাক ভালো থাকুন । হ্যাপি নিউ ইয়ার ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.