নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

\"Thus let me live, unseen, unknown/ Thus unlamented let me die/ Steal from the world and not a stone/ Tell where I lye \"

মলাসইলমুইনা

Reading maketh a full man; conference a ready man; and writing an exact man. **** -Sir Francis Bacon

মলাসইলমুইনা › বিস্তারিত পোস্টঃ

বিজয়ের এই প্রহরে ----

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:০৫



আমাদের দেশি টিভি চ্যানেলগুলোতে
দিনরাত চলা বিদেশী সংস্কৃতির অনুকরণে
নাটক, সিনেমা, নায়ক নায়িকাদের
ভিনদেশি স্টাইলে কথাবার্তা, সাজ পোশাক দেখে,
হোটেলে বা বাসে উচ্চ স্বরে বাজা
হিন্দি গান শুনতে শুনতে,
ভীষণ অভ্যস্থ হয়েছিলাম এক সময় ।
রাজনৈতিক ভাবে দেউলিয়া,
সাংস্কৃতিক ভাবে পর্যুদস্ত দেশের
সাধারণ জনগণের একজন হিসেবে
তা নিয়ে কোনো প্রশ্ন বা অভিযোগ করিনি।
দেশের অসংখ্য বেকারের পরিসংখ্যানভুক্ত
কারো কথার কিইবা দাম আছে ?
তাছাড়া, বেকার জনগণের কথা শোনার
সময়ই বা কই ক্ষমতাসীন নেতৃবৃন্দের ?

বেকারত্বের অমোচনীয় লাঞ্ছনা তিলক পরা
আশাহত আমি এক সময় পাড়ি জমিয়েছি
প্রবাসে-দূর পশ্চিমে I
এখানে নানা দেশের হাজার মানুষ,
অনেকেরই পূর্বপুরুষ ইউরোপ থেকে এসেছিল
দুইশ’ বছর আগে সোনালী ভবিষ্যতের আশায় ।
যেমন এসেছিলো,
বন্ধু লরেন্স ড্রামগুলের আইরিশ পূর্বপুরুষ I
আমি দেখে অবাক হই ,
দুইশত বছর পরেও আইরিশ জনগোষ্ঠী
এ'দেশে পালন করে সেন্ট প্যাট্রিক্স ডে !
মার্চের ঝিরিঝিরি তুষার পরা সকালে,
সবুজ ড্রেস আর শ্যামরক ড্রিঙ্কের সাথে
গভীর মমতায় তারা পালন করে
সেন্ট প্যাট্রিক্স ডে –
ফেলে আসা দূর মাতৃভূমির প্রধান সাংস্কৃতিক উৎসব !

দুশো বছর আগে মাতৃভূমি ছেড়ে আসা আইরিশদের
সেন্ট প্যাট্রিক্স ডে পালন দেখে আমার খুব হিংসে হয় I
দেশে ঘটা সাম্প্রতিক কিছু ঘটনা
মনে হয়ে ঝিলিক দিয়ে উঠে মনের
দগ দগে ক্ষতের লুকোনো বেদনা !
দেশে একুশে ফেব্রুয়ারির শোকাতপ্ত দিনেও
হোটেলে, অভিজাত পাবে উচ্চ স্বরে হিন্দি গান বাজে !
বিজয়ের মাসেও প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে,
জাতীয় অনুষ্ঠানের উদ্বোধনীতে চলে
বিজাতীয় গানের তালে স্বল্প বসনা
ভিনদেশী নারীদের চটুল নৃত্য !
দ্বিপাক্ষিক সফরে ভিনদেশী ভাষায়
প্রধানমন্ত্রী গর্বিত ভাষণ দেন !
শুদ্ধ বাংলা চর্চার প্ল্যাটফর্মগুলো নিষিদ্ধ হয় !
তবুও মুক্তিযুদ্ধ চেতনার বিশাল বটের ছায়ার আড়ালে
আমরা লুকাই সাংস্কৃতিক মৃত্যুর সজল শোক সংবাদ !

আইরিশদের সেন্ট প্যাট্রিক্স ডে উৎসব পালন দেখে
আমার খুব হিংসে হয় !
আমার ইচ্ছে করে,
এই উন্নত দেশের সমস্ত নাগরিক আইন কানুন ভেঙে
ডাউন টাউনে ব্যস্ত ফিফ্থ স্ট্রিটের মাঝখানে দাঁড়িয়ে
বিজয়ের এই প্রহরে উঁচু গলায় গেয়ে উঠি বাংলায় দেশের গান ---
‘মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি' I
আমার ইচ্ছে করে,
সাংস্কৃতিক আগ্রাসনে বিপর্যস্থ বাংলাদেশে
নতজানু সরকারি নীতির প্রতিবাদে
প্রতিবাদী হোক কিছু যুবক উদ্ধত তারুণ্যে I
বাঁধ ভাঙার আওয়াজ তুলে
তারা নেমে আসুক রাজপথে,
সাংস্কৃতিক আত্মহননের সরকারি নীতিতে বিপন্ন
দেশীয় সংস্কৃতি বাঁচাতে,
বিজয়ের এই প্রহরে !


ফটো : ইন্টারনেট

মন্তব্য ২৬ টি রেটিং +৬/-০

মন্তব্য (২৬) মন্তব্য লিখুন

১| ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:২২

চাঁদগাজী বলেছেন:


আইরিশরা আইরিশ, বাংগালীরা বাংগালী; যুদ্ধে বিজয়ের জন্য যুদ্ধ করতে হয়।

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৭:১৬

মলাসইলমুইনা বলেছেন: চাঁদগাজী সাহেব,
আপনার প্রথম মন্তব্যটা পড়েই মনটা ভালো হয়ে গেলো ।
সত্যিই বলেছেন '--যুদ্ধ বিজয়ের জন্য যুদ্ধ করতে হয়' ।এটাই মনে হয় আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় পরিহাস যে যারা স্বাধীনতার পর থেকে আমাদের দেশ চালিয়েছে তাদের বেশির ভাগেরই স্বাধীনতা যুদ্ধের মাঠে থেকে যুদ্ধ করার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা ছিল না । স্বাধীন দেশের এক টুকরো মাটি পেতে যে কি পরিমান যাতনার মধ্যে দিয়ে যারা যুদ্ধ করেছেন তাদের যেতে হয়েছিল সেটা আমাদের অধিকাংশ নেতা কখনোই বুঝতে পারেন নি । তাই আমাদের সরকারি নীতিগুলোও সব সময় হয়েছে স্বার্থপরতার, এককেন্দ্রিক --অল্প মানুষকেই সেগুলো সুফল দিয়েছে আর এখনো দিচ্ছে ।মধ্যে থেকে যে অর্জনগুলো ছিল সে সবই হারাচ্ছি এক এক করে । দেশের বাইরে থেকে ছোট ছোট জিনিসগুলো না পাবার কষ্টই বেশি লাগে । সেই ছোট ছোট কষ্টের কথাই একটু বলার চেষ্টা করলাম-সেটা বলতে গিয়ে কবিতা হলো কিনা বা হওয়া দরকারি কিনা সেটা খুব ভালো করে ভেবে লিখিনি । কিন্তু আপনার মন্তব্যে কবির সন্তুষ্টি অনুভব করছি । বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা নিন ।ভালো থাকুন ।

২| ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:১৯

রূপম রিজওয়ান বলেছেন: য়প্রি মলাসইলমুইনা য়াইভা,
বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা নিবেন।
আপনি উচ্চমার্গীয় বিষয়বস্তু ছেড়ে কবিতা লিখছেন-এটা চমকের ব্যাপার বটে! যা হোক,খাসা হয়েছে কিন্তু!++
আপনার আক্ষেপ এবং বক্তব্যের সাথে পুরোপুরি একমত। ভালো থাকুন।

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৮:৪৮

মলাসইলমুইনা বলেছেন: রূপম রিজওয়ান,
বলেন কি ! আমিতো ভাবলাম এটাই একটা উচ্চমার্গীয় কবিতা হয়ে গেলো নাকি আবার ?
যাক বুকের ভেতর চেপে থাকা হিমালয় সমান ভারটা নেমে গেলো আপনার মন্তব্যের টনিকসম ট্যাবলেট খেয়ে!
বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা নিতেই হবে এখন । শুভ বিজয় দিবস।
দেশের বাইরে থাকলে অনেক সময় ছোট ছোট কষ্টগুলোই অনেক সময় অন্তহীন যাতনার হয়ে যায় ।সেই রকম কিছু কষ্টের কথাই কবিতায় বলার চেষ্টা করেছিলাম ।সেটা আপনার সাথে মিলেছে বলে ভালো লাগছে । ভালো থাকুন । শুভ পরীক্ষা ।

৩| ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:৩১

শরীফ ভূঁইয়া বলেছেন: sad for us

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১৩

মলাসইলমুইনা বলেছেন: শরীফ ভূঁইয়া
হ্যা, এটাই আমাদের জন্য সবচেয়ে পরিহাস যে আমরা বিজয় দিবস উদযাপন নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ি কিন্তু আমাদের বিজয়টা অর্থহীন করে দিতে, আমাদের পরিচয়টা ভুলে যেতে যা যা করা দরকার ঠিক তাই করি সরকারি উদ্যোগে । অনেক ধন্যবাদ কবিতা পড়ে মন্তব্যের জন্য ।

৪| ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:৪৭

রাজীব নুর বলেছেন: অত্যন্ত মনোমুগ্ধকর একটি কবিতা পাঠ করলাম।

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪৫

মলাসইলমুইনা বলেছেন: রাজীব নূর,

আপনি সামুর সেরা ব্লগ পাঠকদের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় একজন। সেটা জানেন ?
আমার সাধারণ কবিতায় (কবিতা হয়েছে কিনা সেটাইতো জানিনা !) অত্যন্ত মনোমুগ্ধকর মন্তব্যে অনেক ধন্যবাদ ।

৫| ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫০

নীল আকাশ বলেছেন: নাইমুল ভাই,
এই আক্ষেপ শুধু আপনার একার নয়! নিরবতা মানে কখনই মেনে নেয়া নয়!
একদিকে স্বাধীনতাকে আর মুক্তিযুদ্ধকে ব্যবসা বানিয়ে টুপাইস কামাচ্ছে আর অন্যদিকে
সামান্য কিছু হলেই যাকে তাকে দেয়া হয় রাজাকার খেতাব!
ভাবলেও অবাক লাগে! জিয়াউর রহমান, কাদের সিদ্দিকীর মতো লোকজন আজ রাজাকার। এখন এরা জীবিত থাকলে হয়তো এন আর সি করে এদের দেশ থেকেই বের করে দিত।

যেই দেশে রাষ্ট্রীয়ভাবে বিদেশি সংস্কৃতির লালন পালন করা হয়, দেশের প্রধান মন্ত্রী অন্যদেশের নায়ক নায়কাদের সাথে ছবি ভিডিও তুলে চিত্ত বিনোদন করেন, ধন ধান্যে পুষ্প ভরা গান গাইবার জন্য ভারত থেকে সনু নিগামকে ভাড়া করে নিয়ে আসে সেখানে আপনি খুজেন দেশ প্রেম? সেদিন সনু নিগমের এই গানের পর দেশের সব গায়ক গায়িকার কলাগাছে দড়ি দিতে ঝুলে পড়া উচিৎ ছিল।

দেশপ্রেম ঠিক আছে তবে কোন দেশের সেটা নিয়ে এখন ঘোততর সন্দেহ হয়!

বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা রইল।

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৩:২১

মলাসইলমুইনা বলেছেন: নীল আকাশ,

ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য ।দেশের বাইরে থাকলে দেশ নিয়ে অনেক ছোট ছোট ব্যাপারও অনেক বড় কষ্টের হয়ে যায় ।এবার এই মাসে শুরুতেই বিপিএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেই কিছু ফটো আর ভিডিও দেখে মনটা খুবই খারাপ হয়েছে । সরকার আর রাষ্ট্র তার নিজের মানুষদের পৃঠপোষকতা না করলে কেমন করে আশা করবে যে সবাই সরকারের বা রাষ্ট্রের জন্য নিঃস্বার্থভাবে কাজ করবে ? এই ভুলগুলো কিসের আশায় কেন যে আমাদের সরকার বারবারই করে যাচ্ছে সেটা আশ্চর্য ! এই ছোট ছোট কষ্টগুলো নিয়েই কবিতা ।

কবিতা পড়েছেন বলে আবারো ধন্যবাদ ।

৬| ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৫

নীল আকাশ বলেছেন: আপনি কবিতা লিখেছেন এটাও শেষ পর্যন্ত দেখতে হলো?
এই কবিতায় কতটা কাব্যভাব আছে আর কতটা দ্রোহের বহিঃপ্রকাশ সেটা সহজেই অনুমেয়!

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ভোর ৬:৩৬

মলাসইলমুইনা বলেছেন: হাহাহা ----। হলে কবিতা হয়েছে বলছেন !
কবিতার কাব্যভাব বা দ্রোহের কথা ভাবিনি আসলেই ।নিজের কিছু কষ্টের কথা লাইনগুলোতে জড়িয়ে দিয়েছি ।আপনারা কবিতা মনে করে পড়েছেন জেনেই ভালো লাগছে । ধন্যবাদ নিন মন্তব্যের জন্য ।

৭| ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:১৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


@নীল আকাশ,
আপনি বলেছেন: নাইমুল ভাই,এই আক্ষেপ শুধু আপনার একার নয়! নিরবতা মানে কখনই মেনে নেয়া নয়!
একদিকে স্বাধীনতাকে আর মুক্তিযুদ্ধকে ব্যবসা বানিয়ে টুপাইস কামাচ্ছে আর অন্যদিকে
সামান্য কিছু হলেই যাকে তাকে দেয়া হয় রাজাকার খেতাব!
ভাবলেও অবাক লাগে! জিয়াউর রহমান, কাদের সিদ্দিকীর মতো লোকজন আজ রাজাকার। এখন এরা জীবিত থাকলে হয়তো এন আর সি করে এদের দেশ থেকেই বের করে দিত। "

-জেনারেল জিয়া ও কাদের সিদ্দিকী কখনো রাজাকার ছিলো না, রাজাকার হয়নি; উনারা ২ জন রাজাকারদের "হিরো"তে পরিণত হয়েছেন; রাজাকারেরা উনাদেরকে নিজেদের "বীর" হিসেবে ঘোষণা করছে সব যায়গায়! রাজাকরদের নিজস্ব বীর আবদুল কাদের মোল্লা, নিজামী, মুজাহিদকে নিয়ে তারা কবিতা লিখুক।

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:২৬

মলাসইলমুইনা বলেছেন: চাঁদগাজী সাহেব,

জেনারেল জিয়া ও কাদের সিদ্দিকী কখনো রাজাকার ছিলো না, রাজাকার হয়নি; উনারা ২ জন রাজাকারদের "হিরো"তে পরিণত হয়েছেন; রাজাকারেরা উনাদেরকে নিজেদের "বীর" হিসেবে ঘোষণা করছে সব যায়গায়!

যারা এ'কথাগুলো বলে তারা আপনার এই কথাটা যদি এটুকুই বলতো তাহলেই কিন্তু সমস্যা থাকতো না । কিন্তু সমস্যাটা হয়ে যায় যখন 'রাজাকার' আর 'রাজাকারদের হিরো' এই দুটো সম্পূর্ণ ভিন্ন ব্যাপার এক সাথে মিলিয়ে মিশিয়ে দেওয়া হয় আমাদের দেশে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে । আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বা তার কাজিন এই ধরণের কিছু প্রশ্নবোধক মানুষের সাথে ঘনিষ্ঠ আত্মীয়তার কারণে কিন্তু তারা রাজাকার হয়ে যাচ্ছেন না । সেটা এ'কথাগুলো যারা বলে তারা খেয়াল করেন না ।

আপনি স্বাধীনতার সময় মাঠে প্রত্যক্ষ যুদ্ধ করেছেন বলেই হয়তো কোনো মুক্তিযোদ্ধাকেই রাজাকার হিসেবে অভিযুক্ত করবেন না কারণ এই দুই শ্রেণীর পার্থক্যের বিশালতা আপনি সত্যিকার ভাবেই জীবন হাতে নিয়ে যুদ্ধ করার অভিজ্ঞতা থেকেই
জানেন । কিন্তু আমাদের দেশে ক্ষমতা যারাই পায় তারাই সেটাকে ধরে রাখতে কেতাবে লেখা সব ধরণের চালবাজিতো করেই উপরন্তু এমন আরো কিছু করে যা এখনো কোনো কিতাবে লেখা হয়নি ।আর সে থেকেই সমস্যাগুলো তৈরী হয় ।যাহোক, স্বাধীনতা যুদ্ধ, মুক্তিযোদ্ধাদের ভূমিকা এগুলোও যখন বিতর্কিত করে ফেলি আমরা তখন খুবই খারাপ লাগে । আরো খারাপ লাগে এসব নিয়ে অভিযোগ করার মতো জায়গাও দেশে আর নেই । সে অভিযোগ শুনে সেটা ঠিক করার মতো মানুষও আর নেই । আমরা সবাই দলীয় রাজনীতিতে মিলে মিশে একাকার হয়ে গেছি । ভালো থাকুন ।

৮| ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:০১

ওমেরা বলেছেন: প্রতিবাদী হোক কিছু যুবক উদ্ধত তারুণ্যে
বাঁধ ভাঙার আওয়াজ তুলে
তারা নেমে আসুক রাজপথে


এমন যুবক এখন আর নেই, তারুণ্য আসার আগেই সাংস্কৃতিক আগ্রাসনে এরাই এ্যাফেকটেড হচ্ছে।
তবু তরুনদের জ্বলে উঠতে সময় লাগবে না, কিন্ত তার জন্য প্রয়েজন একজন সঠিক পথপ্রদর্শক।

দুঃখ - ক্ষোব নিয়ে লিখা কবিতায় ভালোলাগা।

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১৬

মলাসইলমুইনা বলেছেন: প্রিয় ওমেরা,

আপনারতো একটা বকুনি পাওনা হয়েছে ।
অকবির কবিতা এতো মনোযোগ দিয়ে পড়তে আছে নাকি ?এমন যুবক এখন আর নেই, তারুণ্য আসার আগেই সাংস্কৃতিক আগ্রাসনে এরাই এ্যাফেকটেড হচ্ছে।এই কথা বলে কবিতার বিরাট ভুল ধরেতো হাটে হাড়ি ভেঙে দিলেন ! তাইতো সাংস্কৃতিক পরাধীনতার মধ্যে দেশের সংস্কৃতি ভালোবেসে প্রতিবাদী তারুণ্য কোথা থেকে আসবে ! এই জিপিএ ফাইভ জেনারেশনতো আরেকটা একুশে ফেব্রুয়ারির মতো কোনো ইতিহাস গড়তে করতে পারবে না বা দেশের সাংস্কৃতিক পরাধীনতায়ও বুক চিতিয়ে দাঁড়াতে পারবে না প্রতিরোধ গড়ে । ভুল হয়ে গেছে মস্ত ! এই লেখা তাড়াতাড়ি ড্রাফটে নিতে হবে দেখছি । ভালো থাকুন আর কম কম মনোযোগ দিয়ে অকবির কবিতা পড়ুন ।

৯| ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৩:১৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
ভাল লেখেছেন ।
চলুন প্রতিবাদী হই এক সাথে।
বিজাতীয় সংস্কৃতিকে জাতীয়
দিবসে ও জাতীর প্রতিনিধি্ত্বকারী
সকল কর্মকান্ড হতে বিতারিত করি
সমাজের উচু নীচু সর্বস্তরে।

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ ভোর ৫:৩৪

মলাসইলমুইনা বলেছেন: আলী ভাই,

চলুন প্রতিবাদী হই এক সাথে।
বিজাতীয় সংস্কৃতিকে জাতীয়
দিবসে ও জাতীর প্রতিনিধি্ত্বকারী
সকল কর্মকান্ড হতে বিতারিত করি
সমাজের উচু নীচু সর্বস্তরে।


কবিতায় যা বলা হয়ে উঠেনি বা বুঝাতে পারিনি আমার সেই কথাগুলো এখন আপনার মন্তব্যেই লেখার শেষে মুক্তোর মতো জ্বলজ্বোল করবে । হ্যা, এটাই চাওয়া একটা স্বাধীন দেশ হিসেবে আমাদের নিজেদের সাংস্কৃতিক পরিচয়টা যেন অন্য কারো ছায়ায় ঢাকা না পরে যায় । অনেক ধন্যবাদ সুন্দর প্রাসঙ্গিক মন্তব্যে । ভালো থাকবেন ।

১০| ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:৫৯

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
আমাদের সংস্কৃতি আমাদের লালন করতে হবে যেখানে যাই , যত দূরে।

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:১১

মলাসইলমুইনা বলেছেন: মোঃ মাইদুল সরকার,
আমাদের সংস্কৃতি আমাদের লালন করতে হবে যেখানে যাই , যত দূরে।
আমার কবিতার সার্মর্মটাই বলে দিয়েছেন মন্তব্যে । অনেক ধন্যবাদ ।

১১| ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:০৪

রাজীব নুর বলেছেন: আমি যে কেন কবিতা লিখতে পারি না।

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:৩৭

মলাসইলমুইনা বলেছেন: রাজীব নূর,
আমি যে কেন কবিতা লিখতে পারি না।
মানে ? আপনার কবিতাতো আমরা আগ্রহ করেই পড়ি ।আপনিতো সব্যসাচী ব্লগার !
মন্তব্যে অনেক ধন্যবাদ ।

১২| ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:২২

শের শায়রী বলেছেন: আপনার লেখার ভিন্নতা আমাকে মুগ্ধ করে। অভিনন্দন নিন।।

২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ ভোর ৫:০৫

মলাসইলমুইনা বলেছেন: শের শায়রী,
কি আর লিখি ? মাঝে মাঝেই মনে হয় যা লিখি তার সবই বুঝি হাবিজাবি ।
আমার সেই হাবিজাবি টাইপ লেখা নিয়ে আপনার মতো পুরোনো ব্লগারের এই মন্তব্যে খুবই আপ্লুত হলাম । ভালো থাকবেন ।

১৩| ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৩:৩৩

ওমেরা বলেছেন: এই ভাপু আমাকে বকুনি দিবেন কেন !!! আমি তো আপনার কবিতার কোন ভুল ধরি নাই। কবিতায় তো মানুষ কতকিছুই আশা করে, স্বপ্ন দেখে , আপনিও তেমনি লিখেছেন কবিতা ।
আমি তো শুধু আপনার স্বপ্ন পূরন হবার একটা টিপস বলেছি ভাপু।

২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:১৭

মলাসইলমুইনা বলেছেন: প্রিয় ওমেরা,

হাহাহা ---
আরে নাহ বকুনি দেব কেন ? মোটেই না ।
আপনার মন্তব্যে কাব্য ফুলে (আদৌ যদি কাব্য হয়ে থাকে ) কিছু হয়েছে কি না জানিনা কিন্তু কাব্য ভুল হয়েছে সেটা বুঝেছি । আপনি মনোযোগ দিয়ে কবিতাটা পড়েছেন সেজন্যই আপনার চোখে পড়েছে অসামঞ্জস্যটা। সেটা জেনে খুব খুশি হয়েছি কিন্তু । আমারও কবিতা ! সেটা যে কেউ এতো মনোযোগ দিয়ে পড়বে সেটাইতো ভাবিনি ।যাক আপনার মন্তব্য পরে বুঝলাম ভবিষ্যতে যদি কবিতা লেখার এই অকর্ম করার আবার ইচ্ছে হয় তাহলে আরো অনেক ভেবে চিন্তে লিখতে হবে । অনেক খুশির সাথে দেওয়া ধন্যবাদ নিন ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.