নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

\"Thus let me live, unseen, unknown/ Thus unlamented let me die/ Steal from the world and not a stone/ Tell where I lye \"

মলাসইলমুইনা

Reading maketh a full man; conference a ready man; and writing an exact man. **** -Sir Francis Bacon

মলাসইলমুইনা › বিস্তারিত পোস্টঃ

আল্লাহকে কেন আমরা দেখি না? আল কুরআনের ভাষ্য এবং "জু" (Zoo) হাইপোথিসিস - আসুন এ\'নিয়ে একটু বিজ্ঞান ভিত্তিক আলোচনা করি

২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:৪৪



আপনারা যারা গ্রীক মিথলজির কাহিনীগুলো পড়েছেন তারা জানেন পুরাকালে গ্রিক দেবতারা থাকতেন অলিম্পাসের পাহাড়ে । সেখান থেকে তারা নেমে আসতেন মানুষের মাঝে । মানুষের সাথে দেবতাদের এই সম্পর্কের কারণেই কেমন করে গ্রীক আর ট্রয়বাসীদের মধ্যে যুদ্ধের সূচনা হয়েছিল যাতে ট্রয় নগরী ধ্বংস হয়ে গিয়েছিলো সেই ঘটনা নিয়ে মহাকবি হোমারের রচনা মহাকাব্য ইলিয়াডও আপনারা অনেকেই পড়েছেন। গ্রীকদের আরো আগে আসিরীয় সভ্যতার সময়ে লেখা গিলগামেশের কাহিনীতেও দেবতাদের সাথে মানুষের সাক্ষাতের কথা জানা যায়। প্রাচীন মিশরীয়,চীনা, রোমান সভ্যতার এবং দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন ধর্ম গ্রন্থেও দেবতাদের সাথে মানুষের দেখা সাক্ষাৎ হবার ঘটনা বর্ণনা করা হয়েছে । আপনারা যারা ভারতীয় টিভির মেগা সিরিয়াল 'মহাভারত' দেখেছেন তারা নিশ্চই কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধে স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনের রথের সারথি হিসেবে যুদ্ধে অংশ গ্রহণের কথা এবং তার ভূমিকার কথা জানেন । এছাড়াও দক্ষিণ আমেরিকার আজটেক, মায়া বা ইনকা সভ্যতাতেওঁ দেবতাদের মানুষের মাঝে নেমে আসার বর্ণনা পাওয়া যায় । ইনকাদের রাজধানী প্রাচীন কুজকোর অদূরে শহর নির্মিত পুমাপুংকুর প্রবেশ দ্বারে ইনকা দেবতা ভিরাকোচার মুখ পাথর কেটে খোদাই করা আছে ।

কিন্তু দেবতাদের সাথে মানুষের দেখা সাক্ষাতের অধিকাংশ প্রাচীন ধর্মের বর্ণনার বিপরীতে ইসলাম মানুষের পক্ষে আল্লাহকে দেখা সম্পূর্ণ অসম্ভব এমন একটি ধারণা দেয় । আপনাদের কখনো কি মনে হয়েছে, সব সময় সব জায়গায় যিনি অবস্থান করেন তেমন একজন আল্লাহ সম্পর্কে এমন ধারণার কথা কেন বলছে ইসলাম ? আসুন এই নিয়ে একটু বিজ্ঞান ভিত্তিক আলোচনা করি । কিন্তু তার আগে আসুন আল্লাহ সম্পর্কে ইসলাম কি বলছে সেটা জেনে নেই ।

পবিত্র কুরআনের সূরা আন-আমে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা নিজের অদৃশ্যময়তা সম্পর্কে বলেছেন, “কোনো দৃষ্টি তাঁকে প্রত্যক্ষ করতে পারেনা, তিনি দৃষ্টিকে আয়ত্ত করতে পারেন, তিনি সুক্ষদর্শী, জ্ঞানময়” (৬:১০৩) (এই আয়াতটা মনে রাখুন প্লিজ এই লেখার টপিক সম্পর্কে এটা কুরআনের খুবই জরুরি একটা ভাষ্য)। আল্লাহকে আমরা দেখতে পাই না। কোনো মানুষই কখনো আল্লাহকে দেখেনি । সৃষ্টির পর থেকেই কত নবী, রাসুল এসেছিলেন কেউই আল্লাহকে দেখার সৌভাগ্য অর্জন করেনি। কেন আল্লাহকে আমরা দেখতে পাই না ? ধর্মবেত্তারা এই সুক্ষ প্রশ্নের নানান ধরনের উত্তর এবং ব্যাখ্যা দিয়েছেন। ইসলামিক শাস্রবিদরা কুরআন এবং হাদিসের ধর্মীয় সুত্র থেকে আল্লাহকে না দেখার বিষয়টি ব্যাখ্যা করেছেন। ইসলামের মূল পাঁচটা ভিত্তির অন্যতম হলো বিশ্বাস। এই বিশ্বাসটা হলো গায়েবের প্রতি যার অন্তর্ভুক্ত হলো আল্লাহ, ফেরেস্তা, কিয়ামত, বেহেস্ত এবং দোজখসহ সংশ্লিষ্ট আরো কিছু বিষয় যা পবিত্র কুরানে এবং সহিহ হাদিসে বর্ণিত হয়েছে । এই বিষয়গুলো না দেখে বিশ্বাস করা ঈমানের অংশ ।একজন মুমিনের জন্য পবিত্র কুরআন শরীফে যা বলা হয়েছে তাই যথেষ্ঠ। কেন আমরা আল্লাহকে দেখতে পাই না বা দেখতে পারবনা । তার জন্য অতিরিক্ত কোনো ব্যাখ্যা খোঁজার দরকার নেই । কিন্তু শুনতে আশ্চর্য শোনা গেলেও এটাই সত্যি যে শুধু থিওলজিকাল ব্যাখ্যা ছাড়াও বৈজ্ঞানিকভাবেও আল্লাহর এই অদৃশ্যময়তা সম্পর্কে নানা ভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে !

আল্লাহকে আমারা কেন দেখতে পাই না ইসলামে বিশ্বাসী নন এমন অনেকের কাছে এটা খুব যুতসই একটি প্রশ্ন একজন বিশ্বাসীর কাছে । এই লেখাটা তাদের উদ্দেশ্যই । যেহেতু এই ধরণের মানুষরা ইসলাম বা অন্য কোনো ধর্মীয় মতবাদের প্রতি বিশ্বাসী নয় তাই এরা আল্লাহকে না দেখা সম্পর্কিত প্রশ্নের বৈজ্ঞানিক একটি ব্যাখ্যার বিষয়েই বেশি আগ্রহী । সে কারণেই ধর্মীয় ব্যাখ্যার বাইরেও আল্লাহকে কেন দেখিনা সে সম্পর্কে একটা বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা নিয়েই এই লেখা । আল্লাহর অদৃশ্যমানতা বা না দেখা সম্পর্কিত এ’রকমই একটি তত্ত্ব হলো “জু” (zoo) হাইপোথিসিস । আমেরিকার ম্যাসাচুসেটস স্টেটের বোস্টন শহরের বিশ্ব বিখ্যাত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ম্যাসাচুসেটস ইনসটিটিউট অব টেকনোলজি বা এম আই টি-র (MIT) প্রফেসর জন এ.বল এই হাইপোথিসিসের মূল প্রস্তাবক । ১৯৭৩ সালে সাইন্টিফিক জার্নাল ইকারুসে (Icarus) প্রকাশিত একটি প্রবন্ধে প্রফেসর বল “জু” (zoo) হাইপোথিসিস বিষয়ে তার মতামত ব্যাখ্যা করেন । “জু” হাইপোথিসিস ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করে কেন আমরা উন্নত ভিনগ্রহবাসীদের (অন্য ভাষায় মানুষের সৃষ্টিকর্তা) দেখতে পাইনা ।

“জু” হাইপোথিসিস নিয়ে কিছু বলার আগে একটি ছোটো ভূমিকার প্রয়োজন আছে বলে মনে করছি যাতে ভিনগ্রহবাসী এবং সৃষ্টিকর্তার মধ্যেকার সম্পর্কে আমাদের একটি সুস্পষ্ট ধারণা হতে পারে । এখানে একটি কথা মনে রাখা দরকার, তা হলো এলিয়েন বা ভিনগ্রহবাসী ধারনাটা আভিধানিক অর্থের বাইরেও আরো ব্যাপক অর্থে বিজ্ঞানীরা ব্যবহার করে থাকেন । একটি সংজ্ঞা হিসেবে এলিয়েন বলতে বোঝায় এমন ভিনগ্রহবাসী যারা মানুষের সৃষ্টিকারী বা ঈশ্বর । এরা আমাদের বা অন্য গ্যালাক্সীর কোনো গ্রহের অধিবাসী হতে পারে (অথবা নাও হতে পারে)। ১৯৬৮ সালে সুইডিশ লেখক এরিক ভন দানিকেনের প্রথম বই Chariots of the Gods? Unsolved Mysteries of the Past (বইটির শিরোনামের বাংলা অনুবাদ হতে পারে -দেবতাদের রথ? অতীতের অমীমাংসিত রহস্য) এই ধারণাটিকে প্রথম বিস্তৃত ভিত্তি দেয় । সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা প্রত্নতাত্ত্বিক উপকরণ, ধংসাবশেষ এবং এ'সম্পর্কিত প্রত্নতাত্ত্বিক উপকরণ, ধংসাবশেষ এবং এ'সম্পর্কিত ঐতিহাসিক তথ্য বিশ্লেষণ করে দানিকেন এই সিদ্ধান্তে পৌছান যে পৃথিবীর মানুষ গডের যে ধারণা তা কোনো ডিভাইন বা স্বর্গীয় বিষয় নয়। অতি প্রাচীন কালে ভিন্গ্রহহের অধিবাসীরা এই পৃথিবীতে এসেছিল তাদের মহাশূন্য থেকে পৃথিবীতে অবতরণ করতে দেখেই মানুষের মধ্যে ঈশ্বর,স্বর্গ প্রভৃতি ধারণা গড়ে উঠে (এখানে একটা আশ্চর্যের বিষয় হলো পবিত্র কুরআনেও কিন্তু বাবেল নগরীর কথা আছে যেখানে ফেরেস্তারা মানুষের আকৃতিতে আসতেন পৃথিবীর মানুষকে নানা বিষয় শিক্ষা দিতে (১:১০২)! প্রথা বিরোধী বিজ্ঞানীরা কি এমন কিছুই আধুনিক তত্ত্বের আদলে বলতে চাইছেন?)।

দানিকেনের বই প্রকাশিত হবার পর থেকেই তার কিছু অনুসারী দানিকেনের এই ধারনাকে আরো সম্প্রসারিত করে তোলেন । এই প্রথাবিরোধী দলটি “এনসিয়েন্ট এস্ট্রনট থিউরী” (প্রাচীন নভোচর তত্ত্ব বলা যেতে পারে বাংলায় ) নামের একটি বৈজ্ঞানিক ধারনার অবতারণা করেন যে পৃথিবীতে মানুষের মত বুদ্ধিমান প্রানের সৃষ্টি ভিনগ্রহের অধিবাসীদের দিয়েই (কুরআনের বক্তব্যের সাথে সাধারণভাবে কিন্তু এই তথ্যের অমিল নেই। কারণ একেশ্বরবাদী ধর্মগুলো প্রথম মানৰ ও মানবীকে পৃথিবীর বাইরে সৃষ্টি করে এখানে পাঠানো হয়েছে সেই কথাই বলে । আল্লাহওতো আমাদের গ্রহবাসী বা গ্যালাক্সির বা এই ইউনিভার্সেরই কেউ না । এলিয়েন ধারনাটা ব্যাপক অর্থে আল্লাহর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য বলেই আমি মনে করি)। যাহোক, প্রফেসর বলের “জু” হাইপোথিসিস “আভিধানিক অর্থে এবং “প্রাচীন নভোচর তত্ত্ব” দুটো অর্থেই ভিনগ্রহবাসী থাকলে কেন আমরা তাদের দেখতে পাইনা তার একটা বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যা দেবার চেষ্টা করে।

বর্তমানে মানুষে ভিনগ্রহের উন্নত প্রাণীর (‘প্রাচীন নভোচর তত্ত্ব’ অনুযায়ী মানুষের সৃষ্টিকারী ঈশ্বর) সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করছে নানা ভাবে । অনেকে বিজ্ঞানী ধারণা করেন যে ভিনগ্রহবাসীদের এই যোগাযোগ মানুষ ধরতে পারছেনা যথেষ্ঠ প্রযুক্তিগত উন্নতি না করতে পারার কারণে । এখানে এটা উল্লেখ করা হয়তো অপ্রাসংগিক হবে না যে এরকমই একটা চেষ্টা হিসেবে ১৯৭৭ সালে মহাশুন্যে প্রেরিত নাসার রকেট ভয়েজারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল “গোল্ডেন রেকর্ড” । এতে পৃথিবীকে প্রতিনিধিত্বকারী ১১৫টা ইমেজ এবং পৃথিবীর নানা ধরনের শব্দ যেমন বাতাসের, বজ্রপাতের,বিভিন্ন প্রাণীর ডাক, পাখির ডাক, তিমির ডাক অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল । বিভিন্ন কালচারের এবং বিভিন্ন সময়ের গান এবং ৫৯ ভাষায় বলা স্বাগতম বাক্যটি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল । এছাড়া এতে আমেরিকার তত্কালীন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার এবং জাতি সংঘের সেক্রেটারি জেনারেলের প্রিন্টেড ম্যাসেজও অন্তর্ভুক্ত ছিল ভিনগ্রহবাসীদের সাথে জেগাগোগ স্থাপনের লক্ষ্যে । কর্নেল ইউনিভার্সিটির বিখ্যাত গণিতের প্রফেসর কার্ল সেগানের নেতৃত্বাধীন একটি কমিটির মাধ্যমে নাসার জন্য এই সমস্ত আইটেম নির্বাচন করা হয়েছিল । গোল্ডেন রেকর্ডের মূল উদ্দেশ্য ছিল ভিন্গ্রবাসী কখনো এই তথ্যগুলো পেলে পৃথিবীর অবস্থান জানবে আর মানুষের সাথে যোগাযোগও করতে পারবে।

কিছুদিন আগে (কয়েক বছর পড়ুন । এই লেখাটা কয়েক বছর আগে লেখা) আমেরিকান টেলিভিশনের ‘হিস্ট্রি’ চ্যানেলের একটি ডকুমেন্টারিতে আমি প্রথম “জু” হাইপোথিসিসের কথা সম্পর্কে জানতে পারি। ইউনিভারসিটির ইন্টার লাইব্রেরী লোনে প্রফেসর বেলের ১৯৭৩-এ “ইকারুসে” প্রকাশিত প্রবন্ধটার একটা ইলেকট্রনিক ভার্শন পেয়ে খুবই আগ্রহ নিয়ে পড়লাম। বলাই বাহুল্য পড়া শেষ করে আমি খুবই আশ্চর্য হলাম । আমার আশ্চর্য হবার কারনটা হলো প্রফেসর বলের ব্যাখ্যার সাথে আল্লাহকে কেন কোনো মানুষ দেখতে পাবে না এ ব্যাপারে ইসলামের ধারণার আশ্চর্য রকমের মিল দেখে। পবিত্র কুরআন আল্লাহকে কেন কোনো মানুষ দেখতে পাবে না এ ব্যাপারে যা বলছে তার সাথে প্রফেসর বলের বর্তমান ব্যাখ্যা বিস্ময়কর ভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ!

এলিয়েন বা মানুষের সৃষ্টিকর্তার (কিছু বৈজ্ঞানিকের মতানুযায়ী ভিনগ্রহবাসী) সাথে যোগাযোগ প্রচেষ্টার এই ধারণার বিপরীতে প্রফেসর বল এন্টিথিসিস হিসেবে তার “জু” হাইপোথিসিসের ধারণা প্রস্তাব করেন । এই হাইপোথিসিসে প্রফেসর বল বলেছেন যে কোনো সভ্যতার প্রযুক্তিগত উন্নতি মাপার একটি নির্ভরযোগ্য পরিমাপ হলো তার পরিবেশকে প্রভাবিত করতে পারার সক্ষমতা। প্রফেসর বলের মতে আমাদের প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের বর্তমান পর্যায়ে আমরা মুটামুটি পৃথিবীর সব প্রাণী যেমন অতিকায় হাতি থেকে অতি ক্ষুদ্র ভাইরাস পর্যন্ত সব কিছুকেই প্রভাবিত করতে পারি। কিন্তু আমরা বেশিরভাগ সময়ই আমাদের সক্ষমতার সবটুকুই পরিবেশকে প্রভাবিত করতে ব্যবহার করিনা। বেশিরভাগ সময়ই আমরা আমরা প্রাকৃতিক পরিবেশ, যেমন "জু" বা চিড়িয়াখানা অথবা এর মতই "সাফারি" ধরনের স্থানগুলো যা বন্য প্রাণীর প্রাকৃতিক আবাসস্থল, তা অক্ষত রাখার চেষ্টা করি । একটি আদর্শ “জু” বা চিড়িয়াখানা হলো সে জায়গা যেখানে বন্যপ্রাণী তার চিড়িয়াখানার রক্ষকদের সংস্পর্শে আসতে পারেনা (তাদের স্বাভাবিক বা প্রকৃতিগত বৃদ্ধির অন্তরায় বলে)।

প্রফেসর বলের হাইপোথিসিসের মতই একই ভাবে আল্লাহকে (প্রফেসর বলের ভাষায় যেমন এলিয়েন বা প্রাচীন নভোচর তত্ত্ব সমর্থকদের কাছে মানুষের সৃষ্টিকর্তা ঈশ্বর) আমরা যে দেখতে পাইনা তা এই ভাবেই ব্যাখ্যা করা যায় । কারণ আল্লাহ আমাদের সাক্ষাত দেন না কারণ তিনি ইচ্ছা করেই আমাদের সংস্পর্শ এড়িয়ে যাচ্ছেন আমাদের জন্য নির্মিত "জু" বা চিড়িয়া খানায় আমাদর স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে দেবার উদ্দেশ্যে। “জু” হাইপোথিসিস অনুযায়ী আমরা কখনই ঈশ্বর বা আল্লাহকে দেখতে পাবো না কারণ তিনি আমাদের দেখা দিতে চান না। এ প্রসংগে প্রফেসর বলের যুক্তি হলো বর্তমানে আমাদের হাতে থাকা তথ্য থেকে এটা ধারণা করা যায় যে আমাদের গ্যালাক্সি বা আশেপাশের যে গ্যালাক্সিগুলোতে পৃথিবীর মত উন্নত সভ্যতার উপস্থিতির সম্ভাবনা নেই। এগুলোতে দুই ধরনের প্রাণ পওয়ার সম্ভাবনা আছে। প্রথমত: এমন প্রাথমিক প্রানের উপস্থিতি যা মিলিয়ন বছর আগের পৃথিবীতে বর্তমান ছিল অথবা এমন অতি উন্নত প্রানের সম্ভাবনাও আছে যা আমাদের পৃথিবীতে সম্ভবত মিলিয়ন বছর পরে দেখা যাবে । দ্বিতীয় ক্ষেত্রে পৃথিবীর থেকে মিলিয়ন বছর আগে সৃষ্টির কারণে সেই সৃষ্টিকর্তা বা সেই সব সভ্যতা এতই উন্নত বা ভিন্ন ধরনের হবে যে মানুষের বর্তমানের প্রযুক্তি দিয়ে তাদের সম্পর্কে কোনো সুস্পষ্ট বোধগম্য ধারণা করা আমাদের জন্য সম্ভব হবে না । আমি প্রফেসর বলের মানুষের সৃষ্টি কর্তা হিসেবে "ভিনগ্রহবাসী" এই ধারণার সাথে দ্বিমত পোষণ করলেও কেন আমরা আল্লাহকে দেখিনা সে সম্পর্কে প্রফেসর বলের (এলিয়েনদের না দেখার) এই ব্যাখ্যাটা অপরিবর্তিত ভাবেই বর্ণনা করলাম। কারণ এই ব্যাখ্যাটাই আজকের লেখার মূল বিষয় ।

পবিত্র কুরানের অনেক আয়াতে আল্লাহ মানুষ সৃষ্টির উদ্দেশ্য কি সেটা বলেছেন। সুরা আল জারিয়াতে আল্লাহ খুব সুস্পষ্ট করেই বলেছেন " আমি সৃষ্টি করেছি জ্বীন ও মানুষকে এজন্য যে,তারা আমারই ইবাদত করবে "(৫১:৫৬)।আল্লাহ মানুষকে সৃষ্টি করেপৃথিবীতে পাঠিয়েছেন একটি সুনির্দিষ্ট সময়ের জন্য । পৃথিবীকে মানুষের অবস্থান প্রসংগে আল্লাহ বলেছেন, “…তোমরা নীচে (পৃথিবীতে) নেমে যাও। … এবং পৃথিবীতেই তোমাদের জন্য এক নির্দিষ্টকালের অবস্থিতি ও ভোগ-সম্পদ রয়েছে” (২:৩৬)। পৃথিবীতে মানুষের এই বসবাসের সময়কালও আল্লাহর ইচ্ছা নিয়ন্ত্রিত। যেমন মানুষের অবস্থানকাল সম্পর্কে সুরা আল আন-আমে আল্লাহ বলেছেন "অথচ তিনিই তোমাদেরকে মাটি হতে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর তোমাদের জীবনের জন্য একটি নির্দিষ্ট মেয়াদ নির্ধারণ করেছেন..." (৬:২)। পৃথিবীর এই নির্দিষ্ট সময়টুকু মানুষের জন্য একটি পরীক্ষা। আল্লাহ নানা ভাবে মানুষকে পরীক্ষা করবেন যে কোন মানুষের খোদা ভীতি বেশি অথবা কে তার ইবাদত করছে আর কে করছে না। সুরা আনকাবুতে এ'প্রসংগে বলা হয়েছে- মানুষ কি মনে করে যে, আমরা ঈমান এনেছি, একথা বললেই তাদের পরীক্ষা না করে অব্যাহতি দেওয়া হবে" (২৯:২)? কুরআন শরীফে এই প্রসংগে আরো বলা হয়েছে, "পৃথিবীর উপর যা কিছু আছে আমি সেগুলিকে ওর শোভা করেছি, তাদেরকে (মানুষকে) এই পরীক্ষা করবার জন্য যে, তাদের মধ্যে কর্মে কে শ্রেষ্ঠ " (১৮:৭)।এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবার জন্য মানুষের জন্য কোন বিষয়গুলো কল্যানকর আর কোন বিষয়গুলো ক্ষতিকারক সেগুলোও আল্লাহ বলে দিয়েছেন যুগে যুগে নবী ও রাসুল প্রেরণ করে আর ঐশী কিতাবের নির্দেশনার মধ্যে দিয়ে। যেমন পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেছেন"... অনন্তর আমার পক্ষ হতে তোমাদের নিকট হে হেদায়েত উপস্থিত হবে পরে যে আমার সেই হেদায়েতের অনুসরণ করবে বস্তুত: তাদের কোনোই ভয় নেই এবং তারা চিন্তিত হবে না"( ২:৩৮)।

কুরআন শরীফের আরো অনেক জায়গাতেই আল্লাহ বলেছেন মানুষকে তাঁর ইবাদতের জন্যই শুধু সৃষ্টি করেছেন এবং নির্দিষ্ট সময়ে সব কাজকর্মের বিচার করা হবে এবং তার উপর ভিত্তি করে মানুষকে পুরস্কার বা শাস্তি দেয়া হবে। প্রফেসর বলের “চিড়িয়াখানার” প্রেক্ষাপট বা এনালজিটার সাথে পবিত্র কুরআনের পৃথিবীকে মানুষের একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত আবাসস্থল করার বর্ণনার মিল অনেকখানি। আপনারা অনেকেই নিশ্চই বাবা মার্ সাথে ছোট বেলায় বা নিজেদের পরিবার কোনো না কোনো সময়ে মিরপুর চিড়িয়াখানায় গিয়েছেন । চিড়িয়াখানার নানা জাতের পশু পাখি দেখে ঢাকার ব্যস্ত জীবনে নিশ্চই খানিকটা বৈচিত্রও খুঁজে পেয়েছেন । শিশুরাও নিশ্চই অনেক খুশিতে উচ্ছল হয়েছে । হ্যা, চিড়িয়াখানা সারা বিশ্বব্যাপীই নাগরিক জীবনের বিনোদনের অন্যতম একটি মাধ্যম । উন্নত দেশগুলোতে শিশুদের তাদের স্কুল থেকেও চিড়িয়া খানায় নেওয়া হয় চাক্ষুসভাবে আঞ্চলিকভাবে দুষ্প্রাপ্য পশুপাখির সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে। এটা শিক্ষাদানের একটি খুবই প্রয়োজনীয় সরাসরি পন্থা হিসেবে বিবেচিত । শিক্ষা ও বিনোদনের পাশাপাশি প্রাণী গবেষণাও এখন চিড়িয়াখানার একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত ।

একটা ‘জু’, সাফারি বা চিড়িয়াখানাতে বন্য প্রানীকে একটি নির্দিষ্ট এলাকার মধ্যে আবদ্ধ রাখা হয় দর্শকদের সামনে প্রদর্শন, সংরক্ষণ, উন্নততর প্রজাতি সৃষ্টি বা অন্য কোনো উদ্দেশ্যে। চিড়িয়াখানার কিউরেটর তার সহযোগীদের নিয়ে এই সব প্রানীর দৃষ্টির সীমায় রাখেন তাদের ভালো মন্দ দেখাশুনা করতে। মানুষকেও তেমন আল্লাহ পরীক্ষা করার জন্যই সৃষ্টি করেছেন এবং তাকে দৃষ্টির সীমায় রেখেছেন। রাসুল এবং ঐশী বাণীর মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের মধ্য দিয়ে ভালো মন্দ এবং উন্নততর জীবন নিশ্চিত করতে সাহায্য করছেন। আল্লাহ তাকে ভালোভাবে বুঝতে ও অনুধাবন করতে মানুষকে এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সীমানায় চলাচলের ক্ষমতা দিয়ে প্রেরণ করেছেন। মানুষ ধীরে ধীরে তার চলাচলের সীমানা বর্ধিত করতে পরেছে প্রযুক্তিগত উন্নতির মধ্যে দিয়ে। কিন্তু এই সীমানাও সীমিত বিগ ব্যাঙের মাধ্যমে সৃষ্টি হওয়া বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের মধ্যেই। এর বাইরে যাবার ক্ষমতা মানুষের নেই।

আল্লাহর সৃষ্ট প্রাণী হিসেবে তার সৃষ্টির সীমানার বাইরে যাবার কোনো ক্ষমতা মানুষের নেই। তার মানে চিড়িয়া খানার প্রাণীর মতই একটা নির্দিষ্ট গন্ডির মধ্যেই মানুষ যাতায়াত করতে পারে তার বাইরে নয়। এই পৃথিবীকেই আমরা প্রফেসর বলের হাইপোথিসিস অনুসারে মানুষের জন্য আল্লাহর চিড়িয়াখানা বা পরীক্ষাগার হিসেবে চিন্তা করতে পারি ।

এখন আমরা দেখি আল্লাহ বর্ণিত এই পরীক্ষাগারের সাথে মানুষের আল্লাহকে না দেখার সম্পর্কটি কোথায় । প্রফেসর বলের মতানুযায়ী চিড়িয়াখানার প্রাণী যেমন চিড়িয়াখানার কিউরেটরকে দেখতে পায়না এখানেও সম্পর্কটা ঠিক তেমনি । আল্লাহ মানুষের জন্য এই মহাবিশ্বকে পরীক্ষাগার বানিয়েছেন। কয়েকটি কারণেই মানুষ আল্লাহকে দেখতে পাচ্ছে না আর জাগতিক ভাবে কোনদিন পাবেও না। এর একটি কারণ হলো আল্লাহর ভুমিকাকে চিড়িয়াখানার সেই কিউরেটরের মত করে ভাবা যেত পারে এক্ষেত্রে। যিনি প্রাণীগুলোকে একটি জায়গায় সংরক্ষণ করছেন বিশেষ উদ্দেশ্যে কিন্তু নিজে অবস্থান করছেন চিড়িয়াখানার বাইরে তাঁর নিজস্ব জায়গায় যেখানে কোনো প্রাণীর (মানুষের) যাবার অধিকার নেই। অবস্থানগত এবং স্থানগত পার্থক্যের কারণেই মানুষের পক্ষে আল্লাহকে দেখা সম্ভব হচ্ছে না ।

দ্বিতীয় আরেকটি কারণ হলো প্রাণী হিসেবে মানুষ উন্নত হলেও আল্লাহর অস্তিত্ব এতই অসাধারণ যে আমরা তা অনুধাবন করতে পারিনা। যেমন চিড়িয়াখানার একটি ছোটো প্রাণীর তুলনায় মানুষ খুবই উন্নত প্রাণী। তাদের পক্ষে মানুষকে বোঝা দুঃসাধ্য। মানুষের তুলনায় আল্লাহর অস্তিত্ব তার চেয়েও অনেক বেশি অসাধারণ, আল্লাহর অস্তিত্ব এতোই ভিন্ন যে তার সম্পর্কে সুস্পষ্ট কোনো ধারণা করাও মানুষের পক্ষে অসম্ভব। এই কথাটিই আল্লাহতায়ালা পবিত্র কুরানে নিজের সম্পর্কে বলেছেন...কোনো কিছুই তাঁহার সদৃশ নহে..." (৪২:১১) অর্থাৎ, তার আকৃতি কোনো সৃষ্টির মত নয় । সূরা আন-আমে আল্লাহ বলেছেন “তাঁকেতো কারও দৃষ্টি পরিবেষ্টন করতে পারে না, আর তিনি সকল দৃষ্টি পরিবেষ্টনকারী এবং তিনি অতীব সুক্ষদর্শী এবং সব বিষয়ে ওয়াকিফহাল " (৬:১০৩)

আল্লাহর অস্তিত্ব নিঃসন্দেহে সত্যি। কিন্তু স্বল্প জ্ঞানের (বিজ্ঞানের সীমাবদ্ধতা একটু মনে রাখুন প্লিজ !) কারণে এই বর্ণনাগুলো থেকে আমরা ধারনাও করতে পারিনা আল্লাহর অস্তিত্ব কেমন। কেন আমরা কেন আল্লাহকে দেখিনা বা দেখেত পারি না তার এটাই একটা কারণ । ত্রিমাত্রিক বিশ্বের প্রাণী হিসেবে আমরা শুধু ত্রিমাত্রিক অস্তিত্বগুলোই দেখতে বা অনুভব করতে পারি এর বেশি অন্য কোনো মাত্র আমরা অনুভব করতে পারিনা। আর আল্লাহতো মাত্রার বাইরের অস্তিত্ব তাঁকে আমরা কখনই ত্রিমাত্রিক পৃথিবীর অনুভুতি দিয়ে দেখতে,বুঝতে বা ধারণা করতে পারব না।

এই বিষয়টাই প্রফেসর বল, এলিয়েন সম্পর্কে বলেছেন মিলিয়ন বছর বেশি উন্নত কোনো অস্তিত্বকে মিলিয়ন বছর পরের প্রযুক্তি দিয়ে দ্যাখা বা বোঝা অসম্ভব। আল্লাহ সুবহানাতায়ালা সম্পর্কেও এই কথাটাই সত্যি। এ’জন্য আমরা আল্লাহকে কখনো দেখতে পাইনা এবং পাবোও না ।

সূরা আল আন-আমের ১০৩ নং আয়াতটি পড়ে আমি সব সময়ই অভিভূত হই। এই আয়াতে আল্লাহযে যে শুধু নিজের অসাধারণত্বই প্রকাশ করেছেন তা নয় এই আয়াতের বিজ্ঞানময়তাও আমাকে অভিভূত করে। বিগব্যাং হয়েছে ধারণা করা হয় ১৪ বিলিয়ন বছর আগে। সেখানে প্রত্নতাত্ত্বিক জীবাশ্মর উপর ভিত্তি করে আধুনিক মানুষ বা হোমোসেপিয়ান্সের আবির্ভাবের সময় নির্ধারিত হয়েছে পঞ্চাশ হাজার থেকে এক লক্ষ বছর। আর আল্লাহতো বিগ ব্যাঙের অনেক আগে থেকেই আছেন মাত্রা সৃষ্টিরও আগে থেকেই। তাঁর অস্তিত্ব আমাদের তুলনায় এতই উন্নত যে ত্রিমাত্রিক বিশ্বের প্রাণী হিসেবে তাকে চোখ দিয়ে দেখা বা তার সম্পর্কে পরিস্কার ধারণা পাওয়া কোনো মানুষের বা প্রাণীর পক্ষেই সম্ভব নয় যতক্ষণ আল্লাহ সেটা না চান । এজন্যই আমরা তাঁকে দেখতে পারিনা । আল্লাহর অস্তিত্ব নিঃসন্দেহে সত্যি। আল্লাহকে আমরা দেখতে পাইনা সেটা তাঁর কোনো অস্তিত্ব নেই সেজন্য নয়। সঙ্গত একটি বৈজ্ঞানিক কারণই আমরা আল্লাহকে দেখতে পারিনা। আল্লাহ সুরা আল আন-আমে সেটাই সহজ ভাষায় আমাদের স্বরণ করিয়ে দিয়েছেন তাঁকে না দেখার বিষয়ে। কি মনে হচ্ছে চৌদ্দশ বছর আগে আরবের মরুভূমিতে নাজিল হওয়া ইসলামের ঐশী গ্রন্থে আল্লাহ মানুষের পক্ষে তাঁকে দেখতে পাবার সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে যা বলেছেন আধুনিক বিজ্ঞানের নানা ধারনাই সেই বক্তব্যকেই আজ সমর্থন করছে ?

-------
এই লেখাটার একটু সংক্ষিপ্ত আকারে বেশ কয়েক বছর আগে আমি একটা ব্লগে লিখেছিলাম । আর আজকের ব্লগের জন্য অল্প কিছু ভাষাগত এক্সপ্রেশন চেঞ্জ করলাম । লেখার মূল কাঠামো অপরিবর্তিতই আছে । এই লেখাসহ মোট দশটি প্রবন্ধ নিয়ে 'অলৌকিক কুরআন, বিস্ময়কর হাদিস: আধুনিক বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব ও আবিষ্কারের আলোকে কুরআন, হাদিসের কিছু গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্যের বিশ্লেষণ ও সত্যায়ন' নামে আমার একটি বই ২০২০ বইমেলায় প্রকাশের কাজ হচ্ছে । যদি প্রকাশিত হয় আপনাদের জানিয়ে দেব,ইনশাল্লাহ।

লেখা নিয়ে বা লেখা ব্লগে পোস্ট করা নিয়ে আমার আশ্চর্যের রকমের একটা আলসেমি আছে । শের শায়েরির সুন্দর লেখাগুলো পরেও তাই নানা কারণে কমেন্ট করা হয়ে উঠেনা (গত দুই সপ্তাহ নতুন আর কোলাবাগান১ -এর মন্তব্য নিয়ে যে দৌড়ের ওপর রয়েছি সেটা বা নাই বললাম ! )। তার আজকের লেখাটা পরে ভাবছিলাম জু হাইপোসিস নিয়ে তার লেখার খুব সংক্ষিপ্ত আলোচনাটা নিয়েই কিছু মন্তব্য করি । তারপর ভাবলাম আচ্ছা আমার এই লেখাটাই পোস্ট করে দেই । শের শায়েরির লেখা সম্পর্কে এটাই আমার মন্তব্য ।

ফটো : European Southern Observatory-র মালিকানার ওপরের ফটো হাবল স্পেস টেলিস্কোপ থেকে তোলা । নিচের ফটোর মালিকানা NASA-র । দু'টো ফটোতেই আমি শুধু কুরআনের আয়াতগুলো পেস্ট করেছি শুধু ।


মন্তব্য ৬৪ টি রেটিং +১১/-০

মন্তব্য (৬৪) মন্তব্য লিখুন

১| ২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:১৫

রূপম রিজওয়ান বলেছেন: পড়া শেষ। এখন গ্যালারিতে এসে বসলাম!
সাথে কয়েকটা লিংক দিয়ে দিলে বসে বসে পড়তে পারতাম :(

২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:২৭

মলাসইলমুইনা বলেছেন: রূপম রেজোয়ান,
হাহাহা । এই তীব্র শীতে ফাঁকা গ্যালারিতে বসে কেমন লাগছে ?

২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৭:৩৬

মলাসইলমুইনা বলেছেন: রূপম রিজওয়ান,
স্যরি, লিংক দেবারতো আসলে তেমন নেই। বেশিরভাগইতো কুরআন শরীফের কথা।ওর বাংলাতো আপনি সব জায়গাতেই পাবেন। আর প্রফেসর বলের Zoo Hypothesis আর্টিকেলটার খুব সম্ভব ইন্টারনেট লিংক নেই। ওটা ইনটারনেটে না পেয়েই ইন্টারলাইব্রেরি লোনে কালেক্ট করতে হয়েছিল। বড় একটা লেখা ধৈর্য্য ধরে পড়বার জন্য ধন্যবাদ ।

২| ২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:২৬

প্রকৌশলী মোঃ সাদ্দাম হোসেন বলেছেন: লেখাটা পরলাম, কিছু জানলাম। এ বিষয়ে মন্তব্য বা বিতর্ক করার মতো পড়াশুনা আমার নাই।
ধন্যবাদ।

২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৭:৪১

মলাসইলমুইনা বলেছেন: প্রকৌশলী মোঃ সাদ্দাম হোসেন,
আরে ভাই কি বললেনা এটা ?
খুব কঠিন কথাতো নেই লেখায় । খুব সহজ একটা বিষয় নিয়েইতো লিখলাম ।
অনেক ধন্যবাদ লেখাটা পড়বার জন্য ।

৩| ২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:৪৩

নীল আকাশ বলেছেন: দারুন লিখেছেন।
মানুষ যদি তার সীমাবদ্ধতার কারণে আল্লাহকে না দেখতে পায় তার জন্য আল্লাহ নেই
সেটার কনক্লুশন টানা আসলেও অযৌক্তিক।
ভিনদেশি এলিয়েন আছে কি নেই, সেটা নিয়ে তর্ক করার মানে হয় না।
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন মালাইকা, জ্বীন এবং ইনসান সৃষ্টির কথাই বলেছেন। এর বাইরে কিছু থাকলে অবশ্যই সেটা কুরআন শরীফে দেয়া থাকতো।
একিয়েনের ব্যাসিক সংংগা ধরলে মানুষ কি এই গ্রহের এলিয়েন নয়?
আদম আলাহিস সালাম কে তো সোজা এখানে নামিয়ে দেয়া হয়েছে।
এই লেখার সাথে সূরা আর রাহমানের কিছু আয়াতো সংংশ্লীট। তোমরা আমার কোন কোন নিয়ামত কে অস্বীকার করবে এই লাইনের সাথে সাথে জ্বীন এবং মানুষ এর সীমা এবং ক্ষমতা নিয়ে অনেক কিছুই বলে দেয়া হয়েছে।

বইমেলায় আপনার বইটা কেনার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করছি।
ইনশা আল্লাহ বই মেলাতে দেখা হবে।
শুভ রাত্রী।

২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৭:৫৯

মলাসইলমুইনা বলেছেন: মানুষ যদি তার সীমাবদ্ধতার কারণে আল্লাহকে না দেখতে পায় তার জন্য আল্লাহ নেই
সেটার কনক্লুশন টানা আসলেও অযৌক্তিক।----

এই লেখার সাথে সূরা আর রাহমানের কিছু আয়াতো সংংশ্লীট। তোমরা আমার কোন কোন নিয়ামত কে অস্বীকার করবে এই লাইনের সাথে সাথে জ্বীন এবং মানুষ এর সীমা এবং ক্ষমতা নিয়ে অনেক কিছুই বলে দেয়া হয়েছে।


নীল আকাশ,

খুব সুন্দর মন্তব্য করেছেন । হ্যা, সত্যি মানুষ তার সীমাবদ্ধতার জন্য আল্লাহকে না দেখতে পেলেই আল্লাহ নেই সেই উপসংহারে চলে যাওয়া ঠিক না । ব্ল্যাক ম্যাটার দিয়েইতো ইউনিভার্সের বেশিরভাগ গঠিত । আমরা সেই পদার্থগুলোঅটো দেখতে পাইনা । কিন্ত সেগুলো বিজ্ঞান অস্বীকার ওরে না আর আমরাও অবিশ্বাস করি না । তাই আমার মনে হয় আলালহকে দেখা না গেলেই তার অস্তিত্ব নেই সে আলোচনায় অর্থহীন ।

অনেক ধন্যবাদ এতো বোরো লেখা ধৈর্য্য ধরে পড়ে মন্তব্যের জন্য ।

৪| ২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:৪৮

শের শায়রী বলেছেন: মলাসইলমুইনা ভাই প্রথমেই সালাম। সন্মানিত বোধ করছি আপনি আজকে আমার একটা পোষ্টের একটা টার্ম উল্লেখ্য করে পুরো একটা পোষ্ট দিয়ে ফেলায়। ইকারুশে প্রফেসর বলের লিঙ্কটা যদি আপনার কাছে থাকে দিলে কৃতজ্ঞ থাকব, আপনার পোষ্ট দেখে পড়ার লোভ লাগছে এই আর কি।

এইবার আসি কিছু আলোচনায়, ধর্মীয় বিষয়ে আমার জ্ঞান প্রায় যিরো, তাই পবিত্র কোরান সুন্নাহ দিয়ে উদ্ধৃতি দিয়ে আপনার সাথে আলোচনায় যাবার মত যোগ্যতা আমার নেই। “জু হাইপোথিসিসের” মুল বক্তব্য আমি ও জানি (বিভিন্ন জার্নাল পড়ে জেনেছি)।

প্রথমতঃ এটা একটা হাইপোথিসিস, হাইপোথিসিস কখনো প্রমান্য হতে পারে না। তারপরো আপনার লেখা অনুযায়ী যদি ধরি জু হাইপোথিসিস সত্যি (অথবা প্রমানিত)। সেক্ষেত্রে এটা ব্যাবহৃত হয়েছে ভিনগ্রহ বাসীদের অস্তিত্ব আছে কি নেই তার ব্যাখ্যা দেবার জন্য। আপনি আপনার লেখার স্বীকার করে নিয়েছেন আল্লাহ বা ভিনগ্রহ বাসী এক হতে পারে! আপনার কথা অনুযায়ী আমি যদি ভিন গ্রহবাসীকে আমার সৃষ্টিকর্তা ধরে নেই তবে তা কিন্তু মারাত্মক এক কন্ট্রাডিকশান সৃষ্টি করে। কি রকম?

১। সেই ভিন গ্রহ বাসীকে কে সৃষ্টি করল?

২। সেই ভিনগ্রহ বাসী কি এই মহাবিশ্বের সৃষ্টিকর্তা? যদি না হয় তবে সে কোন মতেই আমার ধারনা মত সর্ব শক্তিমান আল্লাহ হতে পারে না।

আপনি কোরানে একটা মাত্র আয়াত উদ্ধৃতি করে “জু হাইপোথিসিস” এর মাধ্যমে কেন আল্লাহ কে দেখা যায় না সেটা দেখাতে যেয়ে কোন এক ভিনগ্রহ বাসীকে আল্লাহ হিসাবে অনুমান করেছেন, আমি এটা কোন ভাবেই সমর্থন করতে পারিনা কারন " তিনি নভোমণ্ডল ও ভূমণ্ডলকে অনস্তিত্ব থেকে অস্তিত্বে আনয়নকারী; তিনি যখন কিছু করতে চান তখন সেটিকে বলেন: ’হও’, অমনি তা হয়ে যায়। (আলে ইমরান:১১৭)। সেই ভিনগ্রহ বাসীর কি এই ক্ষমতা আছে? থাকার কথা না কারন সেও আমাদের মত কারো সৃষ্ট জীব।

এখানে প্রসঙ্গতঃ উল্লেখ্য করি ধর্মের ব্যাপারে আমার জ্ঞান যিরো অনেক সময় পাচ ওয়াক্ত নামায ও ঠিক ভাবে পড়া হয় না। হয়ত আমার জ্ঞানের ভুল, কিন্তু একটু ব্যাখ্যা দিলে খুশী হব, কিভাবে আপনি ভিন গ্রহবাসীকে আমাদের সৃষ্টিকর্তা হিসাবে অনুমান করলেন। আবার আল্লাহ এক ও অদ্বিতীয় এটা মানলে কোন ভিন গ্রহবাসী বা বাসীরা এখানে চিন্তার মাঝেও আসে না।

ধন্যবাদ আপনাকে। হয়ত আমার সীমিত জ্ঞানের জন্য অনেক কিছুই বুজি না একটু বুজিয়ে দিলে খুশী হব।

২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:০৬

মলাসইলমুইনা বলেছেন: শের শায়েরী,
আপনার কমেন্ট পড়ে মনে হচ্ছে আমার লেখায় কিছু অস্পষ্টতা ছিল । সেটার জন্য স্যরি বলছি এখন ।
আমি পরে আপনার মন্তব্যের উত্তর দেব ।ভালো থাকুন ।

২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:১২

মলাসইলমুইনা বলেছেন: শের শায়েরী,

আমার কমেন্ট পরে আমি বেশ অবাক হয়েছি । করনগুলো বলছি :

আল্লাহকে কেন আমরা দেখতে পাইনা সে সম্পর্কে আমি কিন্তু জু হাইপোথিসিসকে একটা ব্যাখ্যা হিসেবেই এখানে বলেছি ।
সেটার প্রমান নিয়েতো কিছু বলিনি । আল্লাহ্কেতো দেখায় যাবে না তাই সেটা প্রমান কোরাকোরা যাবে না কখনো । এই লেখায় আমি পবিত্র কুরআন শরীফে আল্লাহ নিজের অদৃশ্যময়তা সম্পর্কে যা বলেছেন সেই বক্তব্যটার কোনো সাইন্টিফিক বেসিস আছে কিনা সেটাই আলোচনা করেতে চেয়েছি (এটা বিশ্বাসের ব্যাপার।এর প্রমানের কোনো দরকার আসলে নেই বিশ্বাসীদের জন্য।) আল্লাহ বিজ্ঞানময় । তিনি নিজের সম্পর্কে যা বলেছেন সেটা বোঝার চেষ্টা করতেতো হবে। রাসূল (সাঃ) তার সাহাবীদের এমন অনেক প্রশ্নের উত্তর দিতেন। আমাদের ইসলামিক স্কলাররাও এই সব প্রশ্নের উত্তর দেবার চেষ্টা করেছেন। প্রফেসর বলের এই জু হাইপোথিসিসের আলোচনা করে আমি তেমন একটা ইসলামিক ইস্যুই ক্লারিফাই করার চেষ্টা করলাম এই ধরণের লেখা আসলে আমার চোখে কখনো পড়েনি বলে । এই লেখার মূল উদ্দেশ্যতাই ছিল সেটা । সাইন্টিফিকালি আল্লাহ্কে মানুষের পক্ষে না দেখতে পাবার যদি কোনো কারণ থাকে তবে সেটা সম্পর্কে একটা আলোচনা করাই ছিল আমার উদ্দেশ্য ।

আমার লেখা সম্পর্কে আপনার সবচেয়ে মারাত্মক বিভ্রান্তিতা হলো আমি আল্লাহকে দানিকেনের এলিয়েন বলে ভেবেছি ! আমি সেটা কোথায় বললাম ?আমি শুধু এটা বলেছি যে ব্যাপক অর্থে আল্লাহকে এলিয়েন বলা যেতে পারে কাৰণ আল্লাহ আমাদের পৃথিবীর বা গ্যালাক্সির কেউ না বরং ইউনিভার্সের বাইরের কেউ । জু হাইপোথিসিসটাতো আসলে এলিয়েনদের (সেই সাথে এনসিয়েন্ট এস্ট্রোনট থিউরির ঈশ্বর বা ভিনগ্রহবাসীদের ) নিয়ে যাদের কেন দেখাযাচ্ছে না সেটা নিয়েই । সেজন্যই আমি আল্লাহ প্রসঙ্গে কথাটা ওভাবে সেভাবে বলেছি ।কিন্তু আল্লাহই দানিকেনের এলিয়েন সেটাতো আসলে কোথাও বলিনি । তাই এ প্রসঙ্গে আপনার অন্য প্রশ্নগুলোর উত্তর দেবার কোনো দরকার আছে বলে মনে করছি না ।

আপনি কোরানে একটা মাত্র আয়াত উদ্ধৃতি করে “জু হাইপোথিসিস” এর মাধ্যমে কেন আল্লাহ কে দেখা যায় না সেটা দেখাতে যেয়ে কোন এক ভিনগ্রহ বাসীকে আল্লাহ হিসাবে অনুমান করেছেন, আমি এটা কোন ভাবেই সমর্থন করতে পারিনা কারন " তিনি নভোমণ্ডল ও ভূমণ্ডলকে অনস্তিত্ব থেকে অস্তিত্বে আনয়নকারী; তিনি যখন কিছু করতে চান তখন সেটিকে বলেন: ’হও’, অমনি তা হয়ে যায়। (আলে ইমরান:১১৭)। সেই ভিনগ্রহ বাসীর কি এই ক্ষমতা আছে? থাকার কথা না কারন সেও আমাদের মত কারো সৃষ্ট জীব।

আপনার ওপরের মন্তব্যটা সম্পর্কে একটা কথা বলা জরুরি । আগেই বলেছি আল্লাহকে আমি এনসিয়েন্ট এস্ট্রোনট থিউরির ঈশ্বর বলিনি কোথাও । বরং আল্লাহ মাত্রার বাইরে সেটাই বলেছি পুরো লেখায়।আমাদের ইউনিভার্সের বাইরের অস্তিত্ব সেটা লেখাতেই বলেছি অনেকবার ।আর একটা মাত্র আয়াতের যেই কথাটা বলেলন সেটা নিয়ে আমার একটা বক্তব্য আছে । আপনার কথা ঠিক আমি অনেক আয়াতের উল্লেখ করতে পারতাম আমি যেমন আপনি বলেছেন সূরা আল ইমরানের আয়াতের কথা । কিন্তু সেটা নিয়ে অন্য একটা বড় আলোচনাই হতে পারে । কিন্তু আমার লেখাতো আল্লাহকে না দেখার বিষয় নিয়ে ।সেজন্য আমি আমার লেখার ফোকাসটা ঠিক রাখতেই অন্য কোনো দিকে লেখাটা নিতে চাইনি । একটা আয়াতের ভিত্তিতে আমার লেখা আপনাকে অবাক করেছে জেনে আমিও খানিকটা বিস্মিত । পবিত্র কুরআনের কোনো আয়াতই সামান্য না। আর আল্লাহ তাঁর অদৃশ্যময়তা নিয়ে সূরা আন আমের ১১ নাম্বার আয়াতে খুব পরিস্কার করেই বলেছেন । হজরত আয়িশার (রাঃ) হাদিস আছে সহিহ বুখারীতে এই আয়াতকে কেন্দ্র করে আল্লাহকে দেখতে পাবার প্রশ্ন কেন্দ্র করে । এই আয়াত পবিত্র কুরআনের খুব আলোচিত একটি আয়াত। তাই এই আয়াতের ভিত্তিতেই আমি লেখাটা লিখেছি। সেজন্যই আল্লাহর অসামান্যতা আলোচনা করতে অন্য বিষয়ের দিকে লেখার ফোকাসটা সরিয়ে নিতে চাইনি ।

আশাকরি আপনার প্রশ্নের উত্তর গুলো দিতে পেরেছি আর আমার বক্তব্যটাও বোঝাতে পারলাম ।আপনার মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ ।

২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:০৫

মলাসইলমুইনা বলেছেন: শের শায়েরী,

আপনার আগের মন্তব্যে বলতে ভুলে গেছি যে , আপনার কথা শুনেই দুই তিনটে জায়গায় একটু ভাষাগত চেঞ্জ করেছি আমার কথা যেন আরো একটু ক্লিয়ার হয় সেজন্য ।মূল বক্তব্য আগের মতোই আছে ।আর একটা কথা, প্রফেসর বলের লেখাটা আমার কাছে আছে । কিন্তু আমাকে যখন লেখাটা ইন্টার লাইব্রেরি লোনে দিয়েছিলো তখন কপি রাইট ইস্যুর ব্যাপার (Title ১৭, US Code) তারা খুব খুব বড় করেই মেনশন করেছে ফর্মে। সেটা ভায়োলেশন হবে বলে লেখাটা পানাকে এই মূহুর্তে দিতে পারছিনা বলে স্যরি ।

৫| ২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:৫৩

রাজীব নুর বলেছেন: মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকলাম।
মন্তব্য করলে সমস্যা। কেউ কেউ রেগে যাবেন।

২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১:৩১

মলাসইলমুইনা বলেছেন: রাজীব নূর,
কি বললেন এই বিজয়ের মাসে ? 'ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিবার চায়---' গানের মতোতো হয়ে যাচ্ছে প্রায় এই ফেব্রুয়ারীর আগমনী ক্ষনে । সবার পছন্দের হতে চাইলে (নিজেরমতো মন্তব্য না করে ) কারো পছন্দের না হতে পারার সম্ভাবনাও কিন্তু সৃষ্টি হতে পারে । তাই আপনা গুরুর মতো মন খুলে মন্তব্য করুন আর ব্লগীয় বাক,ব্যক্তি স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র সমুন্নত রাখুন !
ভালো থাকুন এই ব্যস্ত বিজয়ের মাসের শীতে স্বপরিবারে ।

৬| ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১:১১

নতুন বলেছেন: ধমের কাহিনি গুলিতে কিছু ঘাপলা থাকে, আগের দিনের গুলিতে ঘাপলা বেশি থাকতো, ইসলাম সবচেয়ে আপডেটেড তাই এতে অনেক কিছুই যৌক্তিক ভাবে বলা হয়েছে।

কিন্তু সৃস্টিকতার আইডিয়া টা কনফিউসিং, বিশ্বাস ছাড়া কিছুই করার নাই।

সৃস্টিকতা নেই প্রমান করা যেমন সম্ভব না তেমনই সৃস্টিকতা আছে সেটার প্রমানও সম্ভব হবেনা।

সৃস্টিকতা আইডিয়াটাই আমাদের চেনা জ্ঞানের থেকে সম্পূন` আলাদা, তাই মৃত্যুর পরে যদি সৃস্টিকতা থাকে তখন তাকে দেখেই আসল উত্তর পাওয়া যেতে পারে।

২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ ভোর ৫:০৬

মলাসইলমুইনা বলেছেন: নতুন,

আপনার মন্তব্যের কিছু অংশের সাথে একমত আর কিছু অংশের সাথে দ্বিমত করলাম ।
হ্যা, এটা আপনি ঠিক বলেছেন আল্লাহর বিষয়টা বিশ্বাসের।এটা ইসলামসহ একেশ্বরবাদী সব ধর্মেই বলা হয়েছে। এটা কনফিউসিং বিষয় কিনা সেটা অবশ্য তর্ক সাপেক্ষ কারণ বিশ্বাসী মানুষের কাছে এটা হয়তো তর্কের কোনো বিষয় না।

সৃষ্টিকর্তাকে পৃথিবী থেকে বা পৃথিবীর টেকনোলজি দিয়ে দেখা যাবে না সেটা সত্যি । সেজন্য তার অস্তিত্ব ট্রেডিশনাল বিজ্ঞানের তথ্য প্রমানের মতো প্রমানও করা যাবে না। কিন্তু ধর্মগ্রন্থগুলো তার অস্তিত্বের যে সব প্রমানের কথা বলে সেগুলোর ওপর বিশ্বাস করলে কিন্তু অনেকেই আপনার কথার সাথে দ্বিমত করবেন। সৃস্টিকতা আইডিয়াটাই আমাদের চেনা জ্ঞানের থেকে সম্পূন` আলাদা ।আপনার এই কথাটা কিন্তু সত্যি।সেজন্যই আপনি আমাদের পার্থিব বিজ্ঞানের নিয়মে বা টুলসগুলো ব্যবহার করে তার উপস্থিতির প্রমান করতে পারবেননা কখনো । আপনি কোথা থেকে এই কথা বললেন আমি জানি না কিন্তু এমআইটি (MIT)-র থিওরিটিকাল ফিজিক্সের প্রফেসর, বিখ্যাত লেখক,ফিলোসফার ডক্টর এলান লাইটমেন কিন্তু এই কথাটা সব সময়ই বলেন (পরে কখনো ডক্টর লাইটম্যান কে নিয়ে লেখার ইচ্ছে আছে আমার) ।

এখন আসি আপনার মন্তব্যের প্রথম অংশে। ধর্মের কাহিনি গুলিতে কিছু ঘাপলা থাকে, আগের দিনের গুলিতে ঘাপলা বেশি থাকতো, ইসলাম সবচেয়ে আপডেটেড তাই এতে অনেক কিছুই যৌক্তিক ভাবে বলা হয়েছে। আপনার পজিশনের সাথে এই কথাগুলো কিন্তু সাংঘর্ষিক মনে হলো।আমার কথাগুলো এই লেখাটার টপিকের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখি আপনার কথার উত্তরে। এই যে কথাটা কুরআন বলেছে যে আল্লাহকে কখনো কোনো মানুষ চোখে দেখতে পারবে না এই কথাটার পরিপ্রেক্ষিতে যদি আপনি আপনার মন্তব্য করে থাকেন তাহলে কিন্তু এটাও বলতে হবে যে আরবের মরুভুমিতে একজন প্রফেসর জন বল (বা তার মতো বিজ্ঞান জানা) ছিল। তারাই ইসলামে এই আপডেটগুলো করেছে গ্রিক,ইজিপশিয়ান বা অন্যান্য প্রচীন ধর্মের ভুলগুলো যাতে ইসলামে না থাকে সেজন্য কুরআন নাজিলের সময় তাই না(কারণ কুরাআনতো পরিবর্তিত হয়নি বা রিভাইজ করা হয়নি নাজিলের পরে) ? ওহো, আপনার কথামতো তথ্যের আপডেট করার কথা বলার সাথে সাথেই তখন কিন্তু আরেকটা সমস্যা দেখা দেবে ।সেটা হলো আরবের মরুভূমিতে তাহলে আপনার এমআইটি-র মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও প্রতিষ্ঠা করতে হবে এমন প্রিসাইস বিজ্ঞান শিক্ষা দিতে সেই সাথে অবজারভেটোরি এবং এই জাতীয় আরো প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধার নিশ্চিত করার কথা কথা আর নাইবা বললাম । এই সব শর্ত পূরণ না হলে কিন্তু প্রায় পনেরশ বছর আগে নাজিল হওয়া একটা মহাগ্রন্থ এমন আধুনিক তথ্যে আপডেট করা যাবে না । কি এবার যদি আমার আগের লেখায় আপনার কমেন্টের মতোই বলি - যেহেতু আপনি(অ) বিশ্বাসী তাই খুব ক্ষীন সম্ভবনাকেও সম্ভব বলে মনে করবেন সাভাবিক।---এই সম্ভবনা হিসাব করতে গেলে সেটা অসম্ভব পযায়েই পড়বে' তাহলে কি ঠিক বলা হবে (ব্র্যাকেটের 'অ' আমি যোগ করেছি আমার কথার ভারসাম্য রাখতে !) ? হাহাহা ।কঠিন যুক্তি দিলাম কিন্তু !

আপনার পরিশীলিত যুক্তির প্রশংসা আমি আবারো করছি ।অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যে ।

৭| ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ২:৫১

রিফাত হোসেন বলেছেন: নতুন বলেছেন "সৃস্টিকতা নেই প্রমান করা যেমন সম্ভব না তেমনই সৃস্টিকতা আছে সেটার প্রমানও সম্ভব হবেনা।"
-------
ভুল ।

এমন কিছু এ পর্যন্ত নাই যেখানে নিয়ন্ত্রণকারী নাই। কাজ বলুন, বস্তু বা প্রাণি বলুন। সর্বত্র। নেতা, কাপ্তান, ভার-কেন্দ্র, প্রকৃতি যে নাম দিয়ে থাকুন না কেন।
সুতরাং এই ব্রহ্মান্ডেরও মূলেও কেউ বা কিছু আছ।

এখন যার যেরকম আস্থায় God, আল্লাহ ডাকছে। কিন্তু সম্পূর্ণভাবে অগ্রাহ্য করা ভুল। আমি যুক্তি দিয়ে চিন্তা করেছি মাত্র।

তবে আপনার মতামতকেও সম্মান করি।

২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৭:১১

মলাসইলমুইনা বলেছেন: রিফাত হোসেন,
অনেক ধন্যবাদ লেখাটা পড়বার জন্য । আপনার কথাগুলো অনেকেই মানবে আবার অনেকেই মানতে চাইবে না । কিন্তু আপনার মন্তব্যের ব্যাপারে সবাই বলবে যে আপনি খুবই সুন্দর করেই যুক্তির সাথে কথা বলেছেন । অনেক ধন্যবাদ আবারো ।

৮| ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ ভোর ৪:৪২

ওমেরা বলেছেন: সৃষ্টি জগতের মাঝে মানুষ বুদ্ধিবৃত্তিক জীব হ’লেও মানুষের অনেক সীমাবদ্ধতা আছে। বিশাল আকারের তারকাকে আমরা ছোট জোনাকীর মত মিট মিট করতে দেখি। শুধুমাত্র ইন্দ্রিয় বা নিরীক্ষণ নির্ভর জ্ঞান এজন্য অপূর্ণ। মানুষ যে ইমপারফেক্ট সত্ত্বা, তার প্রমাণ এখানেই। মানুষের জীবনে ক্ষয় আছে, উত্থান-পতন আছে, আছে মৃত্যু। কিন্তু এ বিশ্ব জাহানের যিনি স্রষ্টা, তিনি চিরঞ্জীব-চিরস্থায়ী ও সর্বজ্ঞানী। অতীত বর্তমান ভবিষ্যত সবই তিনি জানেন। কাজেই তিনি সব দিক দিয়েই পারফেক্ট সত্ত্বা (Perfect Being)। একজন ইমপারফেক্ট সত্ত্বা পারফেক্ট সত্ত্বাকে দেখতে পারে না-এটাই স্বাভাবিক। (A perfect Being cannot be seen by an imperfect being)।

আল্লাহর অস্তিত্ব যে রয়েছে, তার পক্ষে হাজার হাজার প্রমাণ মহাবিশ্বে ছড়িয়ে আছে। তাঁর অস্তিত্বের পক্ষে সবচেয়ে বড় প্রমাণ হলো এই সৃষ্টিজগত। আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাস না করা মানে হলো এটাই বিশ্বাস করা যে, এই পুরো সৃষ্টিজগত এসেছে শূন্য থেকে, কোনো কারণ বা ঘটক ছাড়া—এটাই একটি অবৈজ্ঞানিক দাবি।

ধন্যবাদ ভাপু ।

২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৭:৫৯

মলাসইলমুইনা বলেছেন: প্রিয় ওমেরা,

বাব্বাহ এতো কোনো বিজ্ঞানের টেক্সটবুক ভাষ্য ! অস্বীকার করারতো কোনো উপায় নেই ।

"একজন ইমপারফেক্ট সত্ত্বা পারফেক্ট সত্ত্বাকে দেখতে পারে না-এটাই স্বাভাবিক। (A perfect Being cannot be seen by an imperfect being)"। আপনার এই কথাটাই মনে হয় জু হাইপোথিসিসের মূল বক্তব্য যদিও এটা টেকনোলজিক্যাল ডেভলাপমেন্ট দিয়ে বলা হয়েছে । আর ওই যে বললেন "তাঁর অস্তিত্বের পক্ষে সবচেয়ে বড় প্রমাণ হলো এই সৃষ্টিজগত। আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাস না করা মানে হলো এটাই বিশ্বাস করা যে, এই পুরো সৃষ্টিজগত এসেছে শূন্য থেকে, কোনো কারণ বা ঘটক ছাড়া—এটাই একটি অবৈজ্ঞানিক দাবি।" সেটাও আসলে সত্যি । থার্মোডাইনামিক্সের ইকুইলিব্রিয়াম কনসেপ্টটাই মিথ্যে হয়ে যায় যদি প্লাঙ্ক টাইমের ঠিক আগে কোনো এক্সটার্নাল ইন্টারফেয়ারেন্সের কথা আমরা স্বীকার না করি । অনেক ভালো লাগা মন্তব্যে ।

ও ভালো কথা, আপনি গেলেন কোথায় ? হ্যাপি হলিডে ।

৯| ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:২৯

(লাইলাবানু) বলেছেন: আল্লাহু চিরঞ্জীব চিরস্থায়ী এবং সর্বজ্ঞানী। তিনিই সর্ব শক্তিমান।

২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:১০

মলাসইলমুইনা বলেছেন: (লাইলাবানু),

আল্লাহু চিরঞ্জীব চিরস্থায়ী এবং সর্বজ্ঞানী। তিনিই সর্ব শক্তিমান।
জ্বি । আপনার কথার সাথে একমত ।
ধন্যবাদ লেখাটা পড়ে মন্তব্য করার জন্য ।

১০| ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:৫৩

প্রকৌশলী মোঃ সাদ্দাম হোসেন বলেছেন: কথাগুলো সহজ, কিন্তু এ ব্যাপারে আমার পড়াশুনা নাই।

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৩:১৮

মলাসইলমুইনা বলেছেন: প্রকৌশলী মোঃ সাদ্দাম হোসেন,
আপনার অনেস্ট ওপিনিয়ন ভালো লাগলো ।
কখনো যদি এ'নিয়ে পড়াশোনা করতে ইচ্ছে করে তখন দেখবেন কুরআন সহজ করে খুব বিস্ময়কর কথা ৱলেছে আল্লাহকে কেন আমরা দেখতে পাইনা সে সম্পর্কে । আশ্চর্যের বিষয় হলো এই কথাগুলো কিন্তু খুব সাইন্টিফিক । একজন সাইন্টিস্ট তার হাইপোথিসিসে সেটাই বলেছেন টেকনোলজি রিলেটেড উদাহরণ-এর ভিতিত্তে । সেটা নিয়েই আমার লেখাটা ।

মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ ।ভালো থাকুন ।

১১| ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:০৭

নয়ন বিন বাহার বলেছেন: ন্যূনতম বোধ থাকলেও কেউ নাস্তিক হতে পারে না।

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ ভোর ৫:৩২

মলাসইলমুইনা বলেছেন: নয়ন বিন বাহার,
আপনার মন্তব্যটা অনেকেই সত্যি বলবে আবার অনেকেই হয়তো সত্যি বলবে না । কিন্তু বিশ্বাস অবিশ্বাসের এই দ্বন্দ্বটা মেটানো মুশকিল । যাহোক, অনেক ধন্যবাদ লেখাটা পড়ে মন্তব্যের জন্য ।

১২| ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:৩৩

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
দারুণ পোস্ট। আসলেই চর্ম চক্ষে আল্লাহকে দেখা সম্ভব নয়। তিনি এক ও অদ্বিতীয় এই বিশ্বাই রাখতে হবে অন্তরে।

জান্নাতে আল্লাহ তাআলা দেখা দিবেন, তাকে দেখে কোটি কোটি বছর কেটে যাবে কেউ টের পাবে না।

সুন্দর আলোচনাময় পোস্টে+++++++++++++++++

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:৪৬

মলাসইলমুইনা বলেছেন: মোঃ মাইদুল সরকার,
আপনার মন্তব্যটা ভালো লাগলো ।
অনেক ধন্যবাদ লেখাটা কষ্ট করে পড়ার জন্য আর সুন্দর মন্তব্যের জন্য ।

১৩| ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:২১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: শ্রদ্ধেয় নাইমুল ভাই,

প্রথমে কুর্নিশ আপনাকে এরকম একটি সুন্দর বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যা উপস্থাপন করার জন্য। ধন্যবাদ জানাই আল কুরআনের ভাষ্য এবং প্রফেসর জন এ বলের জু হাইপোথিসিস মতবাদের মধ্যে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গিতে মানুষ্যকুলের পক্ষে কেন আল্লাহপাককে সরাসরি দেখা সম্ভব নয় বা তিনি মনুষ্যকুলকে সাক্ষাৎ না দিয়ে এড়িয়ে চলার এক সুন্দর বিশ্লেষণের জন্য।
পাশাপাশি পোস্ট দাতা হিসেবে প্রফেসর জন বলের মানুষের সৃষ্টি কর্তা হিসেবে ভিনগ্রহের ধারণার সাথে দ্বিমত পোষণ করলেও আল্লাহপাককে দেখা না যাওয়ার প্রসঙ্গে আপনার নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি ও চমৎকারভাবে পোস্টে উঠে এসেছে।

ভালো লেগেছে ব্যাখ্যায় যেভাবে উপস্থাপিত হয়েছে যে জু বা চিড়িয়াখানায় বন্যপ্রাণীকে একটি নির্দিষ্ট এলাকার মধ্যে আবদ্ধ রাখা হয় মানুষকেও তেমন আল্লাহপাক পরীক্ষা করার জন্য সৃষ্টি করেছেন এবং দৃষ্টিসীমার মধ্যে আবদ্ধ রেখেছেন। বর্তমানে প্রযুক্তিগত উন্নয়নের ফলে সেই সীমানা বর্ধিত হয়ে বিগব্যাং পর্যন্ত উন্নত হলেও মানুষ কখনোই আল্লাহপাক নির্দিষ্ট সীমানা অতিক্রম করতে পারে না তার সুন্দর ব্যাখ্যাও। ++

শুভকামনা জানবেন।



২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:০৮

মলাসইলমুইনা বলেছেন: পদাতিক চৌধুরি,

খুব মনোযোগ দিয়ে পড়েছেন লেখাটা বোঝা যাচ্ছে । সেজন্য কৃতজ্ঞতা ।
বেশ কয়েক বছর আগে আমি যখন প্রফেসর জন বলের জু হাইপোথিসিস নিয়ে লেখাটা প্রথম পড়লাম তখন সাথে সাথেই আমার মনে হয়েছিল সূরা আনা আনামের আয়াতটার কথা । ইসলামের অনেক আকিদার ভিত্তিই বিশ্বাস । কিন্তু কিছু ব্যাপার আছে যেগুলো মনে হয় ব্যাখ্যাও করা যায় মানুষের শিক্ষা ও জ্ঞান দিয়ে । আমার মনে হয় এটি সেরকমই একটা বিষয় । তাই এই লেখাটা লিখতে ইচ্ছে হয়েছিল প্রফেসর বেলার লেখাটা পড়ার পরেই ।সাধারণত আমি ব্লগে পোস্ট করি না এ'ধরণের লেখা । এগুলো আমি বইয়ের জন্যই ভেবেছিলাম শুরু থেকেই ।তবুও কেমন করে যেন আমার শেষ দুটো লেখা ব্লগে অন্যদের লেখার সূত্র ধরে পোস্ট করা হয়ে গেলো । লেখাগুলো আপনার মতো কিছু ব্লগার আগ্রহ করে পড়েছেন জেনে ভালোও লাগলো খুব ।

ভালো থাকুন । আপনার আর ফ্যামিলির সবার জন্য নিউ ইয়ারের শুভেচ্ছা ।

১৪| ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:৪৪

চাঁদগাজী বলেছেন:



আপনার পোষ্টের শিরোনামে আছে "সায়েন্টিফিক আলোচনা", এরপর কয়েকবার বলেন "বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার" কথা; তারপর শুরু করেছেন ১০৩ আয়াত দিয়ে! ১০৩ আয়াত ও সায়েন্টিক ব্যাখ্যা একসাথে যায়?

আমাদের গ্যালাক্সী ও অন্যান্য গ্যালাক্সীর কোন কোন গ্রহে প্রানী থাকার সম্ভাবনা আছে; তবে উহারা মানুষ তেকে বুদ্ধিমান বলে, ধারণা করার উপায় নেই। মানুষ থেকে কোটীগুণ বুদ্ধমান হলেও ওরা কি আমাদের সাথে আজ অবধি কোনভাবে যোগাযোগ করতে পেরেছে? আমাদের জীবনের কোন কিছু নিয়নত্রণ করছে? মিরিয়ামের পেটে সন্তানের ভ্রূণ স্হাপান করেছে?

আমার ধারণা, আপনি বিজ্ঞানের ছাত্র নন, লজিক বুঝেন না; "সায়েন্টিফিক আলোচনা"র স্হানে হাউকাউ, লিলিপুটিয়ান আলোচনা করেছেন।

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:৫৩

মলাসইলমুইনা বলেছেন: চাঁদগাজী সাহেব,
আপনার চোখের অবস্থাতো ভালো না বেশি মনে হচ্ছে । আমার শিরোনাম নিয়ে গুবলেট পাকিয়ে ফেলেন যে ! তাতে লেখার সবচেয়ে সোজা লিংকেজটাও আপনার চোখ এড়িয়ে গেলো ! কোনো কারণে মনে হচ্ছে খুবই উত্তেজিতও ছিলেন মন্তব্য করার সময় (রেফারেন্স,কমেন্ট ১৫)। আপনার খুচা খুচিতে 'সাইন্টিফিক' কথাটাকে বঙ্গানুবাদে 'বিজ্ঞান ভিত্তিক' করে দিয়েছি কিন্তু মর্মার্থ একই আছে --বদলায়নি ।

বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাটাতো আমার না ওটা মক্তবের মৌলিভী প্রফেসর জন বলের (বাংলাদেশ সরকারি দল বিএএল বলেননি যে তাই রক্ষা) ! আর ব্যাখ্যাটাও তো আয়াত নিয়ে না ! প্রাসঙ্গিক আরেকটা বিষয়ে । সেটা নিয়ে আমার আলোচনা । আমি শুধু আলোচনায় দেখিয়েছি যে কুরআনের আয়াত আল্লাহর অদৃশ্যময়তা সম্পর্কে যা বলেছে সেটার সাথে জু হাইপোথিসিসের ব্যাখ্যাটাকে সম্পর্কিত করে দেখা যায় I একটা লেখার এতো গুরুত্বপূর্ণ জিনিস আপনার চোঁখ এড়ালো দেখে দুশ্চিন্তা হচ্ছে, মাইরি!লেখাতে কুরআনের আয়াত ও ব্যাখ্যার মধ্যের যে জিনিষটা লেখায় খুব ইম্পরট্যান্ট হিসেবে বললাম সেটা কি বলেনতো?এটা একটা হাইপোথিসিস যে মানুষের চেয়ে উন্নতপ্রাণী থাকতে পারে।সেই প্রাণের উদ্ভব কত আগে সেটার ওপর নির্ভর করবে তারা কত উন্নত ।কি বললেন আপনারকোনো আত্মীয় মিরিয়াম?তার পেটে ভ্রূণ স্থাপন করেছে এক্সট্রাটেরেস্ট্রিয়াল কেউ? আপনাদের মাউন্ট সিনাই হসপিটালে নিয়ে যান মিরিয়ামকে।আপনিও যান । চিকিৎসা হয়ে যাবে ভালো ।আমাকে কিছু আর বলার দরকার নেই !!

শতাব্দী রায়ের ব্যাপার থেকেই জানি আপনাদের এলাকায় পড়াশুনার ঐতিহাসিক বেহাল অবস্থার কথা । কিন্তু ধাৰণা করিনি সেটা প্রায় অর্ধশতাব্দী আগেও একই রকম হতচ্ছাড়া অবস্থায় বা আরো খারাপ ছিল । আপনার সাথে শতাব্দী রায়ের মিল এখন ক্লিয়ার হলো, (আবার) মাইরি ! যাহোক, রাখাল বালক থেকে জমিদার সেরেস্তাদার হবার ঘটনা আছে আমাদের দেশের ইতিহাসে কিন্তু বৈজ্ঞানিক হবার উদাহরণ মনে হয় একটাও নেই । তাই রাখালিয়া বাঁশির সুর বাজিয়েই কেউ বিজ্ঞানের সব বুঝবে সেটা আমি আশা করিনি কখনোই । এতো উত্তেজিত অবস্থায় রাখালিয়া বাঁশির সুরে সুরে আমার স্টুডেন্ট ব্যাকগ্রাউন্ড নিয়ে রিসার্চ করে কি আর কিছু বোঝা যাবে বলেন ? কিশোর বেলায় সুকুমার রায়ের আবোল তাবোল পড়ে বড় হওয়া আমি, তাই নিশ্চিত থাকুন তেমন মন্তব্যে কিছু মনে করিনি । টেক কেয়ার ।

১৫| ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:৫১

চাঁদগাজী বলেছেন:




"Drake Euation" L= কত?
কত বছর লিখেছেন?

১৬| ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:৫৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


১৫ নং মন্তব্য অন্য পোষ্টে জন্য, ভুলে এখানে এসেছে।

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:১৯

মলাসইলমুইনা বলেছেন: ভুল নেই একচুল
বুঝে গেছি বিলকুল !!
তবু থাক মন্তব্য
পেয়ে ভুল গন্তব্য ।।

১৭| ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:৫৭

চাঁদগাজী বলেছেন:


মাইথোলোজী মানে রূপকথা, অলীক, বানোয়াট, মিথ্যা, কল্পনা প্রসুত।

গ্রীক মাইথোলোজী, হিন্দু মাইথোলোজী ও ইসলামিক মাইথোলোজী কি সত্য ঘটনা, নাকি রুপকথা?

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:১৩

মলাসইলমুইনা বলেছেন: চাঁদগাজী সাহেব,
একবাক্যে তিনবার আপনার মাইথোলোজি শুনেতো আপনার সাইকোলোজি বা নিউরোলজি ঠিক আছে কিনা সেই চিন্তাতেই আমার এখন ঘুম আসছে না । বাংলা একাডেমির আধুনিক বাংলা অভিধানে কথাটা লেখা আছে মিথ বা মিথ্ । তাই পুরো কথাটা হবে মিথোলজি বা মিথলজি । গতবছর যে আপনাকে বয়সজনিত সমস্যা থাকলে ডাক্তারের সাথে কনসাল্ট করতে বলেছিলাম আপনি নিশ্চই সেটা করেননি ? প্লিজ করুন ।আমি কিন্তু সিরিয়াসলি সাজেশনটা দিয়েছিলাম । আবারো একই সাজেশন দিচ্ছি আপনার 'মাইথোলোজি' কথাটা শুনেই ---হারি আপ । ভিজিটের রেজাল্ট অবশ্যই পোস্ট আকারে ব্লগে দিয়ে আমাদের জানাবেন । ব্লগের সবাইকে আশ্বস্থ করার একটা ব্যাপার আছে এখানে ! হ্যাপি নিউ ইয়ার ।

১৮| ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৩৫

রাজীব নুর বলেছেন: সবার মন্তব্য গুলো পড়তে এলাম। পড়লাম।

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:০১

মলাসইলমুইনা বলেছেন: রাজীব নুর,
পড়ুন ---আমার লেখার চেয়েও চাঁদগাজী সাহেবের মন্তব্য বেশি ইন্টারেস্টিং লাগার কথা । লেখায় ফিরে আসার জন্য ধন্যবাদ নিন ।

১৯| ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩১

চাঁদগাজী বলেছেন:


আপনি ব্লগার নীলাকশের মন্তব্যের বিপতে বলেছেন, "নীল আকাশ,

খুব সুন্দর মন্তব্য করেছেন । হ্যা, সত্যি মানুষ তার সীমাবদ্ধতার জন্য আল্লাহকে না দেখতে পেলেই আল্লাহ নেই সেই উপসংহারে চলে যাওয়া ঠিক না । ব্ল্যাক ম্যাটার দিয়েইতো ইউনিভার্সের বেশিরভাগ গঠিত । আমরা সেই পদার্থগুলোঅটো দেখতে পাইনা । কিন্ত সেগুলো বিজ্ঞান অস্বীকার ওরে না আর আমরাও অবিশ্বাস করি না । তাই আমার মনে হয় আলালহকে দেখা না গেলেই তার অস্তিত্ব নেই সে আলোচনায় অর্থহীন ।

অনেক ধন্যবাদ এতো বোরো লেখা ধৈর্য্য ধরে পড়ে মন্তব্যের জন্য । "



-নীলাকশ তার মন্তব্যে "জ্বীনের" কথা বলেছে; জ্বীন এটা মাইথোলোজী, নাকি সায়েন্স? আপনি কোন সায়েন্স নিয়ে আলোচনা করছেন, মক্তবের সায়েন্স?

২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ ভোর ৬:৩১

মলাসইলমুইনা বলেছেন: চাঁদগাজী সাহেব,
প্রথমেই স্বীকার করি আপনার মন্তব্য বা প্রতিমন্তব্যের মাথা ও মুন্ডু এবং প্রাসঙ্গিকতা বোঝা আমার জন্য অনেক সময়ই সমস্যার হয়ে যায় । এই মন্তব্যের ক্ষেত্রেও ইতিহাসের পুনারাবৃত্তি !

যাহোক, মনে হলো আপনিতো সাহেব বিজ্ঞান নিয়ে খুব বেশি খোঁজ খবর রাখেন না ! অদৃশ্য জ্বীন থাকতে পারবে না কেন বলছেন ? কেভিন বেকনের ২০০ সালের বিখ্যাত হলিউড মুভি "Hollow Man" দেখেন নি ? সেই সিনেমায় অদৃশ্য মানবের একটা ব্যাপার বলা হয়েছে সাইন্সের আদলেই ! হাহাহা । জ্বীনের অস্তিত্ব থাকতেই পারে । নীল আকাশের মন্তব্য মাথা মুন্ডুহীন কিছু সেটা ভাবছেন কেন ? আপনিতো আবার মুক্তিযোদ্ধা I তাহলে আরেকটা উদাহরন দেই যুদ্ধাস্র বিষয়ক । আপনি হয়তো তাহলে ভালো বুঝবেন । ২০১১ সালে বিখ্যাত ইংলিশ ডেইলি The Telegraph -এ তাদের মিলিটারি করসপন্ডেন্ট শন রেইমন একটা আর্টিকেলে (Invisible tanks could be on battlefield within five years) বলেছিলেন ইনভিজিবল ট্যাংক আগামী পাচঁ বছরের মধ্যেই হয়তো যুদ্ধ ব্যবহারের উপযোগী হয়ে যাবে ! যুদ্ধ, যুদ্ধাস্র আমার প্রিয় বিষয় না । তাই এই আর্টিকেলের ফলো আপ করতে ইচ্ছে করেনি ।কিন্তু এই ব্যাপারটা যে ঘটার খুব কাছাকাছি (হয়তো হয়েই গেছে এই ক'বছরে ) সেটা আমি জানি ইউনিভার্সিটি অফ নর্থ ক্যারোলিনার একজন প্রফেসরের গ্রাউন্ডব্ৰেকিং কাজ থেকেই (আমি তার নামটা ভুলে গেলাম । চাইলেই জানাবেন, জোগাড় করা যাবে)। উনি প্রথম এক ধরণের কাপড় নিয়ে কাজ করছিলেন যেটা পড়লে বা যার আবরণে অদৃশ্য করে দেওয়া যেতে পারে কোনো জিনিস। না দেখলেই কিছু থাকবে না সেটা বিশ্বাস করে আপনি ব্লগীয় আরজ আলী মাতুব্বর হতে চাইলে হতেই পারেন কোনো সমস্যা নেই কিন্তু এই কথাগুলো মনের ভেতর থাকলেই ভালো ।সেগুলোর সারগাম বাজিয়ে অন্যদের সম্পর্কে সুকুমার রায়ের কবিতা বলার দরকারতো দেখিনা ।'দেয়ার আর মেনি থিংস বিটুইন হেভেন এন্ড আর্থ,,,' কথাটাও কিন্তু মনে রাখতে হবে ।

নীল আকাশের জ্বীন কথার সংক্রান্ত উত্তরে আমি যে সাইন্সের বলেছি সে সবের ভিত্তি হলো এই সব বৈজ্ঞানিক তথ্য । আর আমার লেখায় যেটুকু বিজ্ঞান বা সাইন্সের কথা আছে সেটা যে মৌলভী বলেছেন তার নাম প্রফেসর জন এ বল । 'মক্তব ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি' (এমআইটি ! আপনি যদি সেটাই বলতে চান ! )-র প্রফেসর ।

আমি ইসলামের একটা বক্তব্য নিয়ে সাইন্স কি বলে সেটাই আলোচনা করতে চেয়েছিলাম । খুব বেশি ধর্মকে ব্যবহার করিনি আমার লেখাকে বা পজিশন জাস্টিফাই করতে । প্রাসঙ্গিক মন্তব্যগুলোর উত্তরও সেভাবেই দিচ্ছি । কিন্তু আপনার মন্তব্যগুলোর উত্তর ঠিকঠাক দেওয়া খুব সমস্যার সেটা কবুল করতে দ্বিধা নেই । কি আর করা ! যাই বলুন ব্লগিং করা আপনার রাইট আর আমিতো সেটা অস্বীকার করতে পারি না । ওটা জাদিদ সাহেবের এখতিয়ারের মধ্যে পরে। যাহোক, ভালো থাকুন । হ্যাপি নিউ ইয়ার ।

২০| ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:০৮

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: ভাল লাগলো।

জ্ঞান বিকাশে ভাবনার দুয়ার মুক্ত রাখতেই হবে।
আমাদের জন্য নির্দেশ ইব্রাহিমের ধর্মকে অনুসরনের। আমাদের সালাতেও দরুদেও
ইব্রাহিম আ: এর জন্য হামদ যুক্ত করা আছে।
ইব্রাহিম আ: এর মৌলিক ধারা কি? কোরআনের বর্ণনা মতেই পাই - প্রশ্ন এবং উত্তর।
অনুসন্ধানী মানস। জিগিষা এবং তার জন্য নিরন্তর চর্চা।

সমস্যা হলো এ সমুদয় বিষয়গুলো থেকে যোজন যোজন দূরে নামধারী চলমান মুসলিমরা।
ফলে সমা সাময়িকতার সাথে খাপ খাওয়াতে হিমশিম খাচ্ছে। আর জ্ঞানে বিজ্ঞানেও পিছিয়ে পড়ছে।

ধর্মকে ইয়াজিদের সময় থেকে যখন কেবলই সওয়ার আর হরফে হরফে নেকি তত্ত্বে আটকে দিল তখন থেকেই পিছিয়ে পড়ার শুরু। ধর্ম অনুভব, গবেষনা, উপলদ্ধির বদলে হয়ে গেল আচার স্বর্বস্ব! বাহ্যিক পোষাকি লেবাস আর অন্ধ অনুসরনের।
যুগে যুগে ব্যাতিক্রম যারা এসেছেন আল্লাহর অপর রহম হয়ে তারা ব্যাতিত আম মুসলিম সমাজ ভীরুতায় আটকে গেল
অনুকরন আর অনুসরন আর তা নিয়ে পারষ্পারিক কুতর্কের অন্ধচাক্রজালে।

আপনার আলোচনা মুক্ত ভাবনার পথে মাইলস্টোন হয়ে থাকুক। :)


+++

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:৫৮

মলাসইলমুইনা বলেছেন: বিদ্রোহী ভৃগু,
আপনার মন্তব্যটা পরে মনে হলো আমি যে ভাবনার থেকে লেখাটা লিখেছিলাম তার একটা খুব চমৎকার সিন্থিসিস করলেন যেন মন্তব্যে । ইসলামের মূল বিল্ডিং ব্লকগুলো যুক্তির বা গবেষণার বিষয় নয় । ওটা বিশ্বাসের বিষয় । কুরআন আর হাদিসে সেটা পরিষ্কার করেই বলা আছে । একজন প্র্যাকটিসিং মুসলিম হিসেবে আমিও সেই ভাবেই দেখি বিষয়গুলো । কিন্তু কুরআন এমন অনেক বিষয় নিয়েই বলেছে যেগুলো সম্পর্কে কুরআন পৃথিবী, আকাশের দিকেও তাকাতে বলেছে মানে খানিকটা চিন্তা আর গবেষণার কথাও বলেছে। আল্লাহর মহাত্ম বুঝতে নন ইসলামিক স্কলারদের কাছে যেতেও কিন্তু কুরআন নিষেধ করেনি। সেই রকম ভাবনার থেকেই আমার এই লেখাটা । আল্লাহকে আমরা কখনো দেখতে পাবোনা এটা ইসলাম বলেছে । আমার কাছে সাইন্টিফিকালি এই জিনিসটার একটা ব্যাখ্যা মনে হয়েছে জু হাইপোথিসিস । এটা নিয়ে কেউ কখনো লিখেনি মনে হয় ।দেশে বিদেশের কারো লেখায় ব্যাপারটা আমি দেখিনি । তাই আমার চিন্তাগুলো শেয়ার করার ভাবনা থেকেই ব্লগে এই লেখা। আমার এই লেখার সত্যি মিথ্যা থেকেতো ইসলামের কথার কোনো নড়চড় হবে না । লেখাটা শুধু বিষয়টা সম্পর্কে মানুষের ভাবনাই একটি বাড়াবে ।সবাই আরো একটু চিন্তা করবে ।ইসলামের বক্তব্যটা ভাবার চেষ্টা করবে সেটাই আশা ।

অনেক ধন্যবাদ লেখাটা পরে খুবই সুন্দর একটা মন্তব্যে ।জানবেন, ব্লগ ডে-তে আপনাদের হাস্যোজ্জ্বল ফটোগুলো দেখে আমরাও খুশি ও সুখী ।

২১| ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:১৫

সোহানী বলেছেন: প্রথমেই কনগ্রেচুলেশান জানাই নতুন বই প্রকাশের খবরের জন্য।

আপনার লিখা, শের, নীল আকাশ, নুতন ও ভৃগু ভাইয়ের মন্তব্যে ভালোলাগা। এ ধরনের আলোচনা অবশ্যই ভালোলাগে, নিজে যেমন কিছু জানতে পারি তেমনি নিজ মত প্রকাশও করতে পারি।

অনেকের মতোই আমার ও ব্যাখ্যা, পুরো বিষয়টি নির্ভর করে আপন বিশ্বাসের উপর। কারন তথ্য উপাত্ত্ব দিতে পারেন কিন্তু প্রমান আমাদের কারো হাতেই নেই। অদূর ভবিষ্যতে প্রমান পেলেও পেতে পারি তবে সেটা নিকট ভবিষ্যতেতো কোনই সম্ভাবনা নেই। তবে আমার সামান্য ব্যাক্তিগত প্রশ্ন, যা কিছু ঘটেছিল বা আমরা জানতে পারি তা সবই অতীতে যখন বিজ্ঞান ছিল লিমিটেড। কিন্তু এখন কেন কিছুই ঘটে না যেখানে বিজ্ঞান কিছু হলে ও ব্যাখ্যা দিতে সক্ষম?

৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৭:২৫

মলাসইলমুইনা বলেছেন: সোহানী,

আপনার মন্তব্যটা ভালো লাগলো খুব । ইসলাম আল্লাহ সম্পর্কে যে ধারণা দেয় তার মধ্যে খুব উল্লেখযোগ্য একটা ধারণা হলো তাকে কোনো মানুষ কখনো দেখবে না । সাধারণ ভাবে এই কথাটাকে হয়তো খুব সংকীর্ণ ভাবে দেখা যায় । যে রকম অনেক প্রচন ধর্মেৱ মিথলজিতে বলা হয়েছে ঈশ্বর থাকেন সাইরাস গ্রহপুঞ্জে । যেহেতু তিনি অতো দূরে থাকেন তাই তাকে দেখতে পাওয়া যায় না । কিন্তু ইসলামের আল্লাহকে দেখা সম্পর্কে দেয়া ধারণাটা আরো গভীর । এখানে ভাববারও আছে অনেক কিছু । কারণ কুরআনের ভাষ্য অনুযায়ী হজরত মুসা (আঃ) আল্লাহকে দেখতে চেয়েছিলেন কিন্তু তখন বলা হয়েছিল আল্লাহ্কে কেউ কখনো দেখতে পাবে না । এই না দেখতে পাবার বিষয়ে 'কেন' বা কেমন করে এটা সম্ভব সে নিয়ে থিয়োলোজিস্টরা (কোনো ধর্মেরই) বিষয়টাকে খুব বেশি ব্যাখ্যা করেননি । ব্যক্তিগতভাবে আমিও জেনে এতেই সন্তুষ্ট যেভাবে কুরআন বলেছে যে আল্লাহকে মানুষ কখনো দেখতে পাবে না ।

কিন্তু প্রফেসর বলের জু হাইপোথিসিস সম্পর্কে যখন পড়লাম তখন মনে হলো এটাই আল্লাহ্কে না দেখবার একটা সহজ বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা হতে পারে ।হতেই হবে সেটা বলছিনা কিন্তু এই হাইপোথিসিসটার পেছনে কিছু জোরালো কারণ আছে । আরো কয়েক হাজার বছর মানুষ যদি টিকে থাকে তবে আজকের টেকনোলজি কোথায় যাবে সেটা চিন্তা করাইতো এখন মানুষের পক্ষে সম্ভব না । তেমন মানুষের সভ্যতা শুরু হবার কয়েক মিলিয়ন বছর আগে যদি অন্য কোনো গ্রহে মানুষের মতো সভ্যতার শুরু হয় আর তার উন্নতি পৃথিবীর মতো একই রেশিওতে হয় আহলে তাদের দেখে বোঝা আমাদের জন্য অসম্ভব হবারই কথা । আর সেখানে আল্লাহতো জানা শোনার সম্পূর্ণ বাইরের কোনো অস্তিত্ব যিনি বিলিয়ন বছর আগে থেকেই আছেন । তাহলে তাকেও আমাদের সমকালীন সামর্থে দেখতে না পাবারই কথা । জু হাইপোথিস পড়ে এই ব্যাখ্যাটা আমার একটা সম্ভাব্য ও বাস্তবধর্মী ব্যাখ্যাই মনে হয়েছে কুরআনের ভাষ্যের ।

আপনার শেষ প্রশ্নটার উত্তর আমি জানি না । কিন্তু তবুও মনে হয় অলৌকিক ব্যাপার এখনো ঘটে । এই যেমন এতো জ্ঞান, এতো টেকনোলজি তবুও আমরা সেই আরবদের মত এখনো আল্লাহর অস্তিত্ব নিয়ে কিন্তু সেই হাজার বছর আগের মতোই দ্বিধা দ্বন্দে আছি ! কেউ বিশ্বাস করছি, কেউ বিশ্বাস করছি না আল্লাহ সম্পর্কে । এই দ্বন্দ্বটাই আমার কাছে অলৌকিক মনে হয় । আরো একটা জিনিস আমার খুব আশ্চর্য মনে হয় । সেটা হলো প্রায় পনেরোশ' বছর আগে ইসলাম বলেছে আর কোনো নবী আসবেন না মানুষের এই দ্বন্দ্ব মেটাতে । তাহলে তখনই কি কেউ জানতো যে আসছে পৃথিবীতে কমিউনিকেশন টেকনোলজি এমন হবে যে সারা পৃথিবীতে সহজেই আল্লাহর মেসেজটা পৌঁছে দেওয়া যাবে কোনো পরিবর্তন না করেই কোনো নবীকে পাঠানো ছাড়াই ? নইলে কেন কোনো নবী আসবেন না যখনই আল্লাহ বলছেন যে নবী বা মেসেঞ্জার না পাঠিয়ে তিনি কাউকে অপরাধী ঘোষণা করবেন না ? সেই ভাবনাটা মাথায় আসে তখন আমি যে খুব আশ্চর্য হই সেটা না বললে সত্যি বলা হয় না ।

২২| ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ২:৪৬

নতুন বলেছেন: রিফাত হোসেন বলেছেন: নতুন বলেছেন "সৃস্টিকতা নেই প্রমান করা যেমন সম্ভব না তেমনই সৃস্টিকতা আছে সেটার প্রমানও সম্ভব হবেনা।" ------ ভুল ।
এমন কিছু এ পর্যন্ত নাই যেখানে নিয়ন্ত্রণকারী নাই। কাজ বলুন, বস্তু বা প্রাণি বলুন। সর্বত্র। নেতা, কাপ্তান, ভার-কেন্দ্র, প্রকৃতি যে নাম দিয়ে থাকুন না কেন।
সুতরাং এই ব্রহ্মান্ডেরও মূলেও কেউ বা কিছু আছ।


প্রমান অথ` বুঝতে পেরেছেন? আপনি যেহেতু মনে করেন সৃস্টিকতা আছে প্রমান আছে , তবে কয়েকটা প্রমানের কথা বলুন সবাই জানুক।

দুনিয়ার সব চেয়ে বড় প্রশ্ন গুলির একটা হলো সৃস্টিকতা আছে কি নাই।

৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৩

মলাসইলমুইনা বলেছেন: নতুন,
যদি 'পয়েন্ট অফ ভিউ' ব্যাপারটা মনে রাখেন তাহলে আপনারা দুজনই কিন্তু ঠিক ।
রিফাত হোসেনের কাছে যেগুলো প্রমান সেগুলো আপিনার কাছে প্রমান মনে না হতেই পারে । ধর্ম গ্রন্থ, রাসূলের হাদিস এগুলোতে আল্লাহ সম্পর্কে, তার অস্তিত্ব সম্পর্কে যা বলা হয়েছে একজন বিশ্বাসীর জন্য প্রমান হিসেবে সেটাই যথেষ্ট। এটা সাইন্টিফিক আর্গুমেন্ট দিয়েতো চেঞ্জ করা যাবে না কাৰণ বিজ্ঞানতো আসলে এই বিষয়গুলো কখনো প্রমান করতে পারবে না বা অপ্রমাণও। আবার কেউ যদি থিওলজিকাল আর্গুমেন্টগুলো অবিশ্বাস করে তাহলে তাদের সামনেও বিজ্ঞানের চাহিদা অনুযায়ী সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব সম্পর্কে বিশ্বাসযোগ্য কোনো মেজারেবল প্রমান হাজির করা যাবে না । এই ডিলিমাই কিন্তু হাজার বছর ধরে চলছে আসছে সৃষ্টিকর্তা আছেন কি নেই সেটা নিয়ে । তাই হাজার বছর আগে থেকে বিজ্ঞানের এতো উন্নতির পরেও এই সময় পর্যন্ত এখনো এই দুনিয়ার সব চেয়ে বড় প্রশ্ন গুলির একটা হলো সৃস্টিকতা আছে কি নাই । আপনার এই মন্তব্যের সাথে সাধারণভাবে আমিও একমত । এই প্রশ্নটা বিশ্বাসী অবিশ্বাসীদের কাছে একই সাথে সহজ আবার জটিল । পার্থক্য শুধু পয়েন্ট অফ ভিউয়ের ।

২৩| ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ২:৫৩

নতুন বলেছেন: সৃস্টিকতা কিন্তু অনেক বার মানুষের সাথে যোগাযোগ করেছে বলে মানুষ বিশ্বাস করে,

কোরানে ২৫ জন নবী রাসুলের কথা বলা আছে, বিশ্বাস হলো প্রায় ১ বা ২ লক্ষ ২৪ হাজার নবীদের সাথে সৃস্টিকতার যোগাযোগ হয়েছে।

রাসুলদের সাথে কথা হয়েছে, দেখা করতে নিয়ে গিয়েছে, ধনুকের দুই পাশের দুরত্বের মতন পাশা পাশি পদা`র দুই পাশে সৃস্টিকাত এবং মানুষের কথা হয়েছে।

ভিন্ন ধমেও অবতার হিসেবে সৃস্টিকতা পৃথিবিতে এসেছে।

তাই জু ফিলোসফি তেমন জমেনা সৃস্টিকতা এবং মানুষের মাঝে।

৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:৪০

মলাসইলমুইনা বলেছেন: নতুন,

নবী রাসূলদের সাথেতো আল্লাহর যোগাযোগ থাকারই কথা । নইলে তারা ডিভাইন রেভুলেশনগুলো পাবেন কোথা থেকে ?
আর তাই সেটাতো বারবার বলাই হচ্ছে সব ধর্মে । অনেক নবীর কাছেই মেসেজ এসেছে ডিভাইন বুকের মধ্যে দিয়ে । অনেকের কাছে মেসেঞ্জার পাঠানো হয়েছে ডিভাইন রেভুলেশন না দিয়েও। কিন্তু আমি আসলেআল্লাহকে না দেখতে পাবার ব্যাপারটা সীমাবদ্ধ রেখেছিলাম ইসলামের বক্তব্যের মধ্যেই। আর সেটা নিয়েই আমার লেখা। যোগাযোগ বা অন্য ধর্মের ইস্যু নিয়ে নয় ।

আমি একটা জিনিস ভাবি মাঝে মাঝে । ছোট সেলফোন বা ল্যাপটপ থেকে যখন দেশে বা অন্য কন্টিনেন্টে কারো সাথে কথা বলি তখন সবাইকেই কিন্তু খুব কাছেই মনে হয় । অনেক সময় ফোনে সহজেই শুনতে পারি পড়ার টেবিল থেকে কাগজ সরিয়ে রাখার খসখস শব্দ । কিন্তু তবুও আমাদের মধ্যে দূরত্ব কিন্তু হাজার মাইল ! নতুন আপনার কি তেমন মনে হয়েছে "রাসুলদের সাথে কথা হয়েছে, দেখা করতে নিয়ে গিয়েছে, ধনুকের দুই পাশের দুরত্বের মতন পাশা পাশি পদা`র দুই পাশে সৃস্টিকাত এবং মানুষের কথা হয়েছে" --এই বর্ণনা পড়ে কখনো ?

আল্লাহকে না দেখার সম্পর্কে কুরআনের ভাষ্যটা নিয়ে তাই জু হাইপোথিসিসের ব্যাখ্যাটা আমার বাস্তবধর্মী মনে হয়েছে । কিন্তু প্রচলিত অর্থে যদি কথা বলা বা যোগাযোগের প্রশ্ন উঠে তাহলে সেটা হয়তো প্রাসঙ্গিক মনে নাও হতে পারে ।

২৪| ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:৩৫

আলামিন১০৪ বলেছেন: @ Chand Gazi, How are you sure that Jins don't exist? Are you aware of unexplained incidents?
Have a look

৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:৩৫

মলাসইলমুইনা বলেছেন: আলামিন১০৪,
কেউ যদি বিশ্বাস না করতে চায় তাহলে আপনি তাকে বিশ্বাস করাতে পারবেননা কিন্তু ! অনেক ধন্যবাদ লেখাটা পড়েছেন বলে আর মন্তব্যের জন্য ।

২৫| ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:২৫

নীল আকাশ বলেছেন: একটা প্রশ্ন রেখে গেলাম ব্লগে! একজন নিজেকে মুসলিম মনে করে, কিন্তু-
১। আল কুরআনের বাণীগুলি কে ১৪০০ বছরের আগের গার্বেজ মনে করে-
২। আল্লাহ নিজে যেটা কুরআন শরীফে ঘোষনা করেছেন সেটা অবিশ্বাস এবং অস্বীকার করে-
৩। সাহাবীদের অমর্যাদা করে মূর্খ অশিক্ষিত বলে সম্মোধন করে-

তাকে কি বলে?
১। মুসলিম?
২। নাস্তিক?
৩। মুনাফিক?

৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:০৬

মলাসইলমুইনা বলেছেন: নীল আকাশ
হাহাহা ---
এই কোশ্চেনগুলোর উত্তর কি সত্যি খোঁজার দরকার আছে আপনার ? এগুলোতো আমি ভেবেছিলাম এগুলো অলরেডি এনসার্ড!

২৬| ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:২০

শের শায়রী বলেছেন: অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা, আসলে আমি যখন পড়লাম আপনি বই বের করতে যাবেন তখন আমি এক জন পাঠকের দৃষ্টিতেই লেখাটা বিচার করছি এবং স্বভাবতঃ কিছু ভাষা গত ত্রুটির কারনে লেখাটায় কিছুটা দ্বৈততা প্রকাশ পেয়েছিল। এগুলো ঠিক করে প্রকাশ করুন। হ্যা বিতর্ক থাকবেই। অন্তত আমার ক্ষেত্রে আমি এটা ভীষন ভাবে এ্যাপ্রিশিয়েট করি কেউ যদি আমাকে আমার যৌক্তিক ভুল ধরিয়ে দেয় অথবা তর্কে আসে।

আমি আবার একবার পড়ব আপনার লেখাটা, যদি আমার কাছে ভাষাগত আপত্তি থাকে আপনাকে জানাব। যদি বলেন না জানানোর প্রয়োজন নেই তবে জানাব না। এই ব্লগে মাঝে কিছু দিন অনুপস্থিত ছিলাম কিন্তু সাত বছরের ওপর ব্লগের টাচে। এই ব্লগ যে কি সমৃদ্ধ ছিল মানে যারা পড়ত তারা যেমন জানত, তেমনি লেখককে খুব ক্লিয়ার হয়েই লিখতে হত কি লিখছে না হলে বুদ্ধিদীপ্ত প্রশ্ন বানে জর্জরিত হতে হত। সবাই সেটা উপভোগ ও করতাম। সে রাম ও নেও সে অযোধ্যাও নেই। আফসোস কি জানেন এখন যারা লেখে তাদের প্রায় সবাই সস্তা কিছু ফেসবুক মার্কা লেখা লেখে আর যে সমালোচনা করবে তার এইটুকু সেন্সই নাই যে সে যে ব্যাপারে প্রশ্ন করছে সে ব্যাপারে প্রশ্ন করার যোগ্যতা আছে কিনা এই বোধ টুকু। দু একজন তো জ্যাক অভ অল ট্রেড! ;)

যাই হোক বলের পেপার কপি রাইট প্রবলেম ও না দেয়ায় সমস্যা নেই।

ভালো থাকুন।

৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:৪১

মলাসইলমুইনা বলেছেন: শের শায়রী,
অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যে ।
আপনার মন্তব্য পড়েই কয়েকটা শব্দ চেঞ্জ করেছিলাম । আসলে লেখায় ভাষাগত ভুলের চেয়েও মনে হয় অস্পষ্টতাই মনে হয় বেশি ছিল। যখন লিখেছিলাম তখন হয়তো কিছু ভেবেই ওভাবে লিখেছিলাম ।আপনার মন্তব্য পরে ভাষাগত এক্সপ্রেশন কিছুটা চেঞ্জ করলাম কিন্তু আবার কখনো পড়লে এবারের চেঞ্জটাও হয়তো মনে হবে ঠিক এপ্রোপ্রিয়েট হলো না । আমার এ'রকম খুব হয় । আমি লেখা পোস্ট করার পরে --সপ্তাহ খানেক পরেও চেঞ্জ করি যদি কোনো জায়গায় ল্যাঙ্গুয়েজ ভালো না লাগে । নটিলাসের ক্যাপ্টেন নিমোর 'mobilis in mobile' মটোটা খুব ছোট বেলা থেকেই মনে হয় আমাকে খুব ইনফ্লুয়েন্স করেছে । হাহাহা ----।
যাহোক ভালো থাকবেন ।

২৭| ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:২৩

শের শায়রী বলেছেন: আরো মজার একটা ব্যাপার বলি আপনার পোষ্টে যে দু চারজন যৌক্তিক আলোচনা করছে খেয়াল করে দেখুন তারা ব্লগে এসেছে ৭ বছরের ওপরে, তবে ব্যাতিক্রম অবশ্যই আছে। আপনার মঙ্গল কামনায়।।

০১ লা জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ৯:৩৪

মলাসইলমুইনা বলেছেন: শের শায়রী,
হ্যা, আপনার কথা খুবই ঠিক ।
আসলে আগেতো সবাই ব্লগেই লিখতো । কবি, সাহিত্যিক, নামি নাট্যকার থেকে শুরু করে রাজনীতিবিদ যারা লেখালেখির সাথে জড়িত তারা প্রায় সবাই সবাই ব্লগে কখনো না কখনো লিখেছেন আগে । সামু যখন শুরু হলো তখনতো ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রাম ছিল না । ই যারা লিখার সাথে জড়িত ছিলেন তাদের সবাই হয়তো ব্লগেও লিখতেন ।এখনতো ফেসবুক ইনস্টাগ্রাম ছাড়াও নিজস্ব ব্লগ পেজ আরো কত অনলাইন মাধ্যম লেখার । তাই হয়তো আগের মতো সবাই লিখেন না আর তাতেই হয়তো লেখার মান কিছুটা খারাপ হতে পারে । কিন্তু আগের ব্লগারদের সবাই বা বেশির ভাগই ব্লগারই এই সময়ের বেশির ভাগ ব্লগারের চেয়ে ভালো ব্লগিং করেছেন সেটা বলা যায় কিনা আমি কিন্তু আসলে শিওর না । আমি আরো একটা ব্যাপার কিন্তু ভাবি আগের সময়ের ব্লগারদের নিয়ে । অনেক আগে এতো ভালো ভালো ব্লগার থাকার পরেও এমন কিছু কিছু ভালো ব্লগারও কিন্তু সে সময়কার ব্লগীয় ঝামেলাগুলো তৈরীর জন্য খানিকটা দায়ী । এদের অনেকেই পরমতসহিষ্ণু ছিলেন না বলেই মনে হয়েছে আমার । আগের সাথে তুলনা করলে এই সময়ে ব্লগ ও ব্লগারদের নিয়ে নানান কথাই হয় যেমন এখন সত্যিকারের ব্লগারের অভাব, এখনকার ব্লগারদের লেখার গুনগত মানের অভাব এমন আরো অনেক কথা । কিন্তু এর মধ্যেও আলী ভাই (ডঃ এম এ আলী), খায়রুল ভাই (খায়রুল আহসান ) -এর মতো ব্লগার কিন্তু এই সময়েই ব্লগে লেখা শুরু করেছেন । আসলে আপনার কথাটাই সব শেষ কথা - ব্যতিক্রম অবশ্যই আছে ।আগেও ছিল, এখনো আছে । এসব কথা থাক এখন ।
নতুন বছরের শুভেচ্ছা নিন । মন্তব্যের জন্য নিন ধন্যবাদ ।

২৮| ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:১৬

আমি তুমি আমরা বলেছেন: লেখাটা পড়েছি, তবে ধর্ম সম্পর্কে খুব কম জানি বিধায় কিছু বললাম না।

০১ লা জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:১৭

মলাসইলমুইনা বলেছেন: আমি তুমি আমরা,
লেখাটা পড়েছি, তবে ধর্ম সম্পর্কে খুব কম জানি বিধায় কিছু বললাম না। আপনি ধর্ম সম্পর্কে কিছু জানেন না দেখে কিছু বলেলন না সেটা না হয় ভালো বুঝলাম, কিন্তু আপনার মন্তব্য দেখেতো অনেকে ভাববে আমি না জানি ধর্ম সম্পর্কে কত বিরাট পন্ডিত ব্যক্তি ! নারে ভাই, আমিও ধর্ম সম্পর্কে খুব বেশি জানি সেটা দাবি করি না । প্রফেসর বলের জু হাইপোথিসিসটাও ধর্মের কিছু ব্যাখ্যা করা যায় সেটা জেনে পড়িনি । পড়তে পড়তে সেটাই মনে হচ্ছিলো।তারপর আবার যখন কুরআন শরীফের আয়াতগুলো পড়লাম তখন মনে হলো আল্লাহকে না দেখা সম্পর্কে কুরআন যা বলছে তার একটা বাস্তবধর্মী ব্যাখ্যা হতেই পারে এই হাইপোথিসিসটা। এটা নিতান্তই আমার নিজস্ব ভাবনা । সেই ভাবনা থেকেই লেখাটি লিখেছি আর ব্লগে শেয়ার করা । যাহোক, লেখাটা পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ।

২৯| ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ ভোর ৬:৫১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



পোষ্টটি প্রকাশের সাথে সাথেই দেখেছি , কিন্তু এটা পাঠের সময় অনেক বিষয় চোখ বুঝে স্মৃতির মনিকোঠা হাতরিয়ে বুঝার সময় ঘুমিয়ে পড়েছিলাম । পরে ব্যস্ততার কারণে আর আসা হয়ে উঠেনি । আজ গো ধরেছি একে পাঠ করতেই হবে ।
পাঠে গুরুত্বপুর্ণ অনেক তত্বকথা জানা গেল ।

জানা গেল তথাকথিত চিড়িয়াখানা হাইপোথিসিস নিয়ে অজানা বিষয়গুলি ।

বিজ্ঞানীরা অতি বুদ্ধিমান এলিয়েনদের কেন খুঁজে বের করতে ব্যর্থ হয়েছেন এর জবাবে বলা হত যে মানুষ উপযুক্ত নয়। আমরা ত্রুটিযুক্ত মানুষ। আমরা নিয়মিতভাবে একে অপরকে হুমকি দিয়ে থাকি, অন্য প্রজাতি এবং পরিবেশের কথা চিন্তা করিনা । যদিও এটি খুব সভ্য বলে মনে হয় না তবে এটি ভিনগ্রহের এলিয়েনদের যোগাযোগের অভাবের জন্য একটি ব্যাখ্যাও দেয়। সম্ভবত ভিনগ্রহের বুদ্ধিমান এলিয়েনরা জানে যে আমরা এখানে আছি তবে যোগাযোগ করে বা ভিজিট করে আমাদের সাথে আর যোগাযোগ তারা রাখতে চায়না ।

এ প্রসঙ্গে এখন জানা গেল আমরা অযোগ্য হওয়ার কারণে নয়, বরং আমরা যোগ্য হলেও এলিয়েনদের সাথে যোগাযোগ করতে অক্ষম । জানা গেল আমরা একটি মহাজাগতিক রূপক চিড়িয়াখানা আছি । গ্যালাক্সির এলিয়েনরা কোনও না কোনওভাবে এমনভাবে চিড়িয়াখানি সাজিয়েছে যাতে আমাদের গ্রহকে তাদের একতরফা কোন প্রতিবন্ধকের মাধ্যমে রক্ষা করা হয়েছে যাতে তারা আমাদেরকে পর্যবেক্ষণ করতে পারবে আর আমরা তাদেরকে পর্যবেক্ষণ করতে পারবনা ।

এখানে উল্লেখ্য যে চিড়িয়াখানার হাইপোথিসিসটি সম্প্রতি সংবাদ শিরোনাম হিসাবে এসেছে কারণ এমইটিআই তথা Messaging Extraterrestrial Intelligence প্র্যাকটিশনাররা কিছু রেডিও সংকেত মহাকাশে স্থানান্তরিত করে দেখতে চেয়েছিল যে কোনও এলিয়েন তাদের গ্রহণ করতে পারে কিনা । এ প্রসঙ্গে সান ফ্রান্সিসকো ভিত্তিক সংস্থা এমইটিআই ইন্টারন্যাশনালের সভাপতি ডগলাস ভ্যাকোচ চিড়িয়াখানার হাইপোথিসিকে সঠিকই বলেছেন । তাই এ কারণেই তাদের মহাকাশ সংকেত অনুসন্ধানের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছিল । কারণ এলিয়েনরা তাদেরকে সুরক্ষিত করে রেখেছে।

ভ্যাকোচের যুক্তি অনুসারে, অবশ্য এই একমুখী দৃশ্যের পরিবর্তন হতে পারে। যদি চিড়িয়াখানার একটি প্রাণী হঠাৎ প্রতিবন্ধক দেয়ালের মধ্যে ঝাঁকুনি দিয়ে বলে , "আমি এখানে আছি এবং আমার মনে হয় আপনি বাইরে এসেছেন", অন্য পাশের লোকেরা তখন প্রতিক্রিয়া জানাতে পারে।সহজ কথায় বলতে গেলে, মেটির প্রেরণকৃত বার্তাগুলি মহাজাগতিক নব আবিষ্কারের দিকে নিয়ে যেতে পারে কারণ সম্প্রচারগুলি এলিয়েনকে বলে দিতে পারে যে আমাদের আর তাদের হেলিকপ্টার প্যারেন্টিংয়ের দরকার নেই। তাদের সংস্পর্শে আসার জন্য আমরা পর্যাপ্ত বয়স্ক। তবেএটা ঠিক যে পৃথিবীতে আমরা সব সময় একে অপরের সাংস্কৃতিক বিকাশে হস্তক্ষেপ করি। এলিয়েনরা কিভাবে বিশ্বাস করবে আমাদেরকে ?কেন যোগাযোগ রাখবে অআমাদের সাথে ?
তবুও, চিড়িয়াখানার হাইপোথিসিস সত্যই গুরুত্বপূর্ণ, এটি আমাদেরকে আপাতভাবে কয়েক মিলিয়ন বা বিলিয়ন বছরের বেশি উন্নত সমাজগুলির আচরণকে নির্দেশ করে ।

এখানেএকটি বিষয় প্রসঙ্গক্রমে উল্লেখ করতে চাই যে পোষ্টটি পাঠে মন্তব্যের ঘরে আসার সময় ১৫ নং মন্তব্যে চাঁদগাজীর ভুল করে দেয়া মন্তব্যটি তথা ড্রেক ইকোয়েশনটি কিন্তু এই বিষয়ে আলোচনার জন্য একেবারে অপাসঙ্গিক কিছু নয় । আপনি এটাকে এখানে রেখে দিয়ে ভালই করেছেন। ড্রেকের ইকোয়েশনটি বৈদ্যুতিক চৌম্বকীয় নির্গমনের মাধ্যমে মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির সভ্যতার সংখ্যা সনাক্তকরণে ব্যবহৃত হয়েছে।

যাহোক মোদ্দা কথা হলো এই গবেষক বলের চিড়িয়াখানা হাইপোথিসিস উদভাবনের ১৪শত বছর আগে ঐশি বানীতে কোরানে অতি সংক্ষিপ্তভাবে সুরা আন-আমের ১০৩ নং আয়াতে আল্লা রাব্বুল আলামীন বিষয়টি মানবজাতিকে সুশ্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন কেন আল্লার আস্তিত্বকে আমরা দেখতে পারিনা ।

বুঝতে পেরেছি পোষ্টটি তৈরীতে আপনাকে অনেক মেধা ও পরিশ্রম দিতে হয়েছে। কামনা করি কোরানের বাণিকে অনুসরণ করে সারা বিশ্ব ব্রম্মান্ডে জ্ঞান বিজ্ঞানের সাধনা আরো প্রসার লাভ করুক । মানুষ জানুক আল্লাহ কত মহাবিজ্ঞ এবং নিপুন সৃস্টিকর্তা।

বিষয়টির সাথে আপনি পবিত্র কোরানের প্রাসঙ্গিক আয়াতগুলিকে তুলে ধরে মহান রাব্বুল আলামিনের অসীম ক্ষমতা ও প্রাজ্ঞতা তুলে ধরেছেন । আমাদের জানার পরিধিকে বিস্তৃত করেছেন । আল্লার মহাত্বতা ,শ্রেষ্টতা ও তাঁর গুণাবলী প্রকাশের জন্য জ্ঞানীর কলমের কালী অনেক নফল ইবাদতের চেয়েও বেশী মর্তবান । দোয়া করি আল্লাহ আপনাকে অনেক অনেক নেক আমল দান করুন।

পোষ্টটি প্রিয়তে গেল ।

শুভেচ্ছা রইল

০১ লা জানুয়ারি, ২০২০ রাত ৯:১৫

মলাসইলমুইনা বলেছেন: আলী ভাই ,

অসম্ভব সুন্দর মন্তব্যটার জন্য প্রথমেই একটা বড় ধন্যবাদ জানবেন । হ্যা, Messaging Extraterrestrial Intelligence -এর চেষ্টার মতোই আশির দশকে সৌরজগতের বাইরে বুদ্ধিমান প্রাণীর সন্ধানে পাঠানো ভয়েজারেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল গোল্ডেন রেকর্ড । তাছাড়াও সেখানে ম্যাথমেটিক্সের ইউনিভার্সেল ল্যাঙ্গুয়েজে বলা হয়েছিল আমাদের সৌরজগতে পৃথিবীর অবস্থানের কথা, আমাদের কথা । ম্যাথমেটিকাল ল্যাংগুয়েজ ইউজ করার কারণ ছিল একটাই আর সেটা হলো সৌরজগতের বাইরের কোনো বুদ্ধিমান প্রাণী যদি ভয়েজারের মেসেজ ইন্টারসেপ্ট করতে পারে তাহলে তারা অন্তত ম্যাথমেটিক্সের ভাষা বুঝতে পারবে আমাদের পৃথিবীর কোনো ভাষা বুঝতে পারলেও । গ্রহান্তরের বুদ্ধিমান প্রাণীর সাথে যোগাযোগের চেষ্টাটা মানুষ বেশ আগের থেকেই করে যাচ্ছে । আসলে এই বিষয়টা আমি তেমন করে হাইলাইট করতে চাইনি লেখায় ।সেজন্যই ড্রেক ইকুয়েশন বা এধরণের কিছু এই লেখায় বলতে চাইনি ।

আমার পুরো কনসেন্ট্রেশনটাই ছিল আল্লাহকে না দেখতে পাবার ব্যাপারে কুরআনের ভাষ্যের বিষয়ে ।তাই অন্য আরো অনেক ব্যাপার কিছুটা প্রাসঙ্গিক হলেও এতে চাইনি লেখায় । লেখাটা খুবই পয়েন্টেড রাখতে চেয়েছিলম্ শুধু একটা বিষয়েই । জু হাইপোথিসিস পড়তে পড়তে মনে হয়েছিল এরকম কোনো বৈজ্ঞানিক করণেইহয়তো লাখ আমাদের দেখা দেবেন না কখনো এই পৃথিবীতে আর সেটা আল্লাহ খুবই বিজ্ঞানময়তার সাথে আমাদের বলেওছেন পবিত্র কুরআনে । সেজন্যই এই লেখাটা লিখেছিলাম বেশ কয়েক বছর আগে ।এই লেখাটা আমার একটা বইয়ে থাকবে । ইনশাল্লাহ বইটা হয়তো এ'বছর ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে বই মেলায় পাবলিশ হবে । আপনাকে কেমন করে যোগাযোগ করা যাবে জানালে খুশি হবো ।

হ্যাপি নিউ ইয়ার আপনার আর আপনার ফ্যামিলির সবার জন্য ।

৩০| ০১ লা জানুয়ারি, ২০২০ রাত ৯:৫২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



ধন্যবাদ সুন্দর প্রতিমন্তব্যের জন্য।
আপনার মুল্যবান বইটি প্রকাশের কথা শুনে খুশী হলাম ।
আগামী বই মেলায় যাওয়ার জন্য সম্ভাবনা রয়েছে। প্রকাশিত
বইটির নাম ব্লগে প্রকাশ করলে সংগ্রহ করে নিতে পারব ।
নব বর্ষের শুভেচ্ছা রইল ।

০২ রা জানুয়ারি, ২০২০ ভোর ৫:১৭

মলাসইলমুইনা বলেছেন: আলী ভাই,
অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যে ।
ইনশাল্লাহ আমি বইটার নাম, প্রকাশনী সব আপনাকে জানাবো ।
আমি আপনাকে যোগাযোগ করবো বইটা মেলায় যখন পাওয়া যাবে তখন ।

৩১| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:৫১

রিফাত হোসেন বলেছেন: ২২ মন্তব্যে নতুন সাহেব আমার প্রতিমন্তব্য প্রায় হুবুহু ছাপালেও, উনার আলোচনাকে যে সম্মান করেছি, তা এড়িয়ে গিয়েছেন। তা ব্যথিত করল।
আর আমার প্রমাণ ৭ নম্বর মন্তব্যে রয়েছে। যা যুক্তি ভিত্তিক। ভগবানকে তো হাজির করার মত প্রমাণ চাইলে বলতাম মানুষের আত্মা বা প্রাণ দেখাতে। সেটা চর্মচক্ষে দেখানো যাবে না, এগুলি যুক্তি দিয়ে প্রমাণ করা যাবে।
আর প্রমাণ নিয়ে ২২ নম্বর প্রতি মন্তব্যে পোস্টের লেখক বিস্তারিত বলেছেন, যা সমর্থন করছি। আর এইটাই এই পোস্টে শেষ মন্তব্য৷ ধন্যবা।

০১ লা মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:১২

মলাসইলমুইনা বলেছেন: রিফাত হোসেন,
অনেক ধন্যবাদ আবার এসে মন্তব্যের জন্য ।অনেক দেরি হলো উত্তর দিতে সেজন্য খুবই খারাপ লাগছে ।সত্যিই দুঃখিত এই দেরির জন্য । ভালো থাকুন ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.