নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

\"Thus let me live, unseen, unknown/ Thus unlamented let me die/ Steal from the world and not a stone/ Tell where I lye \"

মলাসইলমুইনা

Reading maketh a full man; conference a ready man; and writing an exact man. **** -Sir Francis Bacon

মলাসইলমুইনা › বিস্তারিত পোস্টঃ

নৃশংস হত্যাকারীর হিট লিস্টের টার্গেট হবার ধূসর বেলার গল্প (একটি করোনাক্রান্ত লেখা )

০২ রা এপ্রিল, ২০২০ সকাল ৭:১৩


ফটো : ফ্যাবুলাস ফল , অঙ্কন স্বত্ব : মলাসইলর্দো মুইনাঞ্চি (দ্যা ভিঞ্চির জনৈক আত্মিক আত্মীয়)

মার্চের এই যাবার বেলায় এখন অনেক শীত ঠিক তা নয় । চার পাঁচ দিন আগেও চারিদিক ঢাকা ছিল স্নোতে । এখন মাঠের সবুজ, পাতার সবুজ দেখা যাচ্ছে। পাতা ঝরা গাছগুলোর ডালেও স্নো জমে নেই । সেদিন গাড়ি ড্রাইভ করতে করতে বাসার সামনের পার্কেও দেখলাম সাতটা হরিণ মনের আনন্দে ঘাস বিচালি খাচ্ছে । এই সময় এই সবই পরিচিত দৃশ্য আমাদের এখানে । খুব বেশি ভিন্নতা নেই । চেনা জানা প্রকৃতিই সব সময়ের মতোই ছড়িয়ে আছে । শুধু বদলে গেছে চলমান জীবনের যান্ত্রিকতা । এই হালকা মেঘ বৃষ্টির দিনে থেমে গেছে মনে হয় সব গতিময়তা। শহরটা বেশ চুপচাপ । প্রতিদিনের ব্যস্ত রাস্তা ঘাট নীরব নিথর। অনেক পর পর দুই একটা গাড়ির আওয়াজ শোনা যায় । বাসার অল্প দূর দিয়ে চলা রেলের কুউউ বাঁশীটাও শোনা যাচ্ছে না আজ যেন ক'দিন হলো! শহরের মল,মুভি থিয়েটার,শপিং কমপ্লেক্স, স্কুল, কলেজ সব বন্ধ। স্টেট্ ইমার্জেন্সি তার সাথে ম্যান্ডেটরি হোম স্টে অর্ডার জারি হয়েছে বেশ কয়েক দিন। তার আরো আগেই শুরু হয়েছিল দশ জনের বেশি গ্যাদারিংয়ের নিষেধাজ্ঞা । করোনার অভ্যর্থনাহীন শীতল আগমন ও তান্ডব মেনে নিয়ে বিহ্বল সবাই আজ স্বভাব বিরুদ্ধ ঘরমুখী দিন রাত্রে !সব মিলিয়ে দ্রুতগতির পশ্চিমা জীবন তাই আজ মন্থর।চেনা জানা জীবন হয়ে উঠেছে ভীষণ অচেনা।কনফুসিয়াসের সাম্য, মৈত্রীর বাণী,সামাজিক কল্যাণের অমিয় বাণী অগ্রাহ্য করে তার দেশেরই এক ভাইরাস সারা বিশ্ব তছনছ করে দিয়েছে মৃত্যুর হিম শীতল আলিঙ্গনে। তার ছোয়া সারা আমেরিকায়, আমাদের পুরো শহরের আনাচে কানাচে।

সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল এন্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) কালকেই মাত্র ঘোষণা করেছে বেস্ট কেস সিনারিও হচ্ছে সব নিখুঁত ভাবে করতে পারলেও দু’লাখের মতো মানুষ মারা যেতে পারে করোনাতে আমেরিকাতেই (এই মডেলিং অনুযায়ী ওয়ারস্ট কেস সিনারিওটা বলতে ইচ্ছে করছে না। সেটা মন খারাপ করা এক বিরাট সংখ্যা)! অর্থনীতি, স্টকমার্কেট ঠিক রেখে নিজের পারফর্মেন্স রেটিং ঠিক রাখতে মরিয়া প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এপ্রিলের বারো তারিখের মধ্যে ম্যান্ডেটরি স্টে হোম অর্ডার আর সোশ্যাল ডিস্টেনসিং পলিসি তুলে নেবার কথা বলেছিলেন গত সপ্তাহেই। কিন্তু সিডিসি এক্সপার্টদের অসংখ্য মানুষ মারা যাবার ঝুঁকির কথা শুনে তার মত বদলে ৩০শে এপ্রিল পর্যন্ত স্টে হোম অর্ডার আর সোশ্যাল ডিস্টেনসিং পলিসি অব্যাহত রাখার কথা বলতে বাধ্য হয়েছেন ।ট্রাম্প প্রশাসনের করোনা নিয়ে তথ্য লুকোচুরি আর তথ্য মিসইউজ, ম্যানিপুলেশনের কূপ্রচেষ্টার লাগামহীন রশিটা একাই টেনে ধরেছেন ডক্টর এন্থনি ফাউচি।প্রায় আশি বছর বয়সী পৃথিবীর প্রথম সারির একজন ইনফেকটলজিস্ট ডক্টর ফাউচি আমেরিকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ এলার্জি এন্ড ইনফেকটেসাস ডিজিজেস -এর ডাইরেক্টর আর ট্রাম্পের করোনা নিয়ন্ত্রণ টাস্কফোর্সের প্রধান। ট্রাম্পের তথ্য লুকোচুরির বিরুদ্ধে তার পাশে দাঁড়িয়েই সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে প্রেসিডেন্টের দেওয়া তথ্যের বিপরীত (কিছু ক্ষেত্রে সাংঘর্ষিক) প্রেডিকশন, সত্য তথ্য দিয়ে তিনি হয়ে উঠেছেন আমেরিকার ভরসার প্রতিচ্ছবি। প্রতিটা নিউজ মিডিয়া প্রায় প্রত্যেক দিন তার সাক্ষাৎকার নিচ্ছে করোনা নিয়ে আসল খবরগুলো জানতে ।

আজ সকালেই আমাদের স্টেটের করোনা ভাইরাস আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ৫০০০ ছাড়িয়ে গেলো। আমাদের স্টেটে মৃত্যুর শীতল ছোয়ায় চিরদিনের মতো চোখ বুঝেছে একশো'র-ও বেশি মানুষ। সিডিসির প্রেডিকশনু অনুযায়ী করোনার নেক্সট দু’টো হট স্পট হচ্ছে আমার পাশের দুই শহর শিকাগো আর ডেট্রয়েট (আমি ঠিক এই দুই শহরের মধ্যে থাকি)। লেক মিশিগানের তীরে দাঁড়িয়ে থাকা অপরূপ শিকাগো আর লেক হিউরনের জল ধোয়া 'মো টাউন' ডেট্রয়েট। এই দুই শহর আমার কাছে দুই যমজ ভাই বা বোন, গ্রেট লেকসের জলে ভরা মুখের অপরূপ দুই নয়ন আর আমাদের শহরকে গ্রেটে লেকসের সেই অপরূপ মুখশ্রীর ছোট একটা তিলের (ছোট এক নদী, পাহাড় আর ভ্যালির আমাদের এই শহর চমৎকার !) উপমার মতোই এতো দিন মনে হয়েছ। কিন্তু আজ সকালের সব ছাপিয়ে আরো এক উপমা মনে পড়লো এই দুই শহরের জন্য।এক মাথার দুই কান!এই বিশ্রী উপমা মনে হবার কারণ সিডিসি। ওই যে বললাম আমেরিকার নেক্সট করোনা হটস্পট হচ্ছে এই দু’শহর । কান টানলে মাথা আসেই । তাই শিকাগো আর ডেট্রয়েট যেই কানই করোনা টানুক না কেন আমরাও মুখের ছোট তিল সেদিকেই হেলে যাবো। করোনার হিট লিস্টে আমরাও ঢুকে পড়েছি তা যতই অপছন্দও করি না কেন ! করোনার নেক্সট হটস্পট আমরা মানে করোনার হিট লিস্টের প্রথম টার্গেট!এই সকালের উষ্ণ টেম্পারেচারেও মন তাই শীতল।কোনো উষ্ণতার ছোয়া নেই। দু'দিন আগেই নিউয়র্কে স্কুল বন্ধুর হ্যাজবেন্ডের করোনায় মৃত্যুর মন খারাপ করা নিউজটা শুনতে হলো ।নিউইয়র্ক থেকে গতকাল আর তার আগের দিন ব্লগার রাবেয়া রাহিম আর ব্লগার রাফা অচেনা আরো অনেক বাংলাদেশির মৃত্যুর মন খারাপ করা খবর নিয়ে লিখেছেন । দু সপ্তাহ আগে গিয়েছিলাম ডেট্রয়েটে একটা কাজে । কাজটা করে বাংলাদেশী পাড়া হ্যামট্রামক-এ (Hamtramck) গেলাম কিছু বাংলাদেশী বাজার করতে । গতকাল শুনি সেখানেও হানা দিয়েছে করোনার করুণাহীন মৃত্যু ছোয়া ! একেকটা দিন কাটছে ভয়ে, আশাংকায় । নৃশংস হত্যাকারীর এক লাখ থেকে কোয়াটার মিলিয়ন মানুষ হত্যার টার্গেটের একজন হয়ে যাবার সম্ভাবনা নিয়ে শুরু হবে আরেকটা ধূসর বেলা আগামী কালের আলো ঝলমল সূর্য ওঠার আধার সকালে । এই শীতের সকালে তাই এই সব অসহ্য উৎকণ্ঠা, অল্প দিনেই করোনায় আমেরিকায় এতো মৃত্যু,মিলিয়ন মানুষের মৃত্যুর ভয়াল আশংকা অবসানের পরে একটা হাজার রঙের পাতার বাহারে সাজানো উষ্ণতার একটা শরতের কথা মনের ভেতর বারবারই ভেসে উঠছে ! জীবনে একটু উষ্ণতার ছোয়ার কথা ভেবেই কি ভার্চুয়াল ক্যানভাসে নিজের অজান্তেই এই শীতের পাতা ঝড়া বেলায়ও ফলের একটা ছবি আঁকা হয়ে গেলো ? কে জানে ?

মনের উষ্ণতায় আঁকা ফলের ছবিটা দেখতে দেখতে খানিকটা আনমনাও হলাম । দূর দেশে ফেলে আসা সবার কথা ভেবে মনটা বারবার উদ্বিগ্ন হয়ে উঠছে। আমাদের দেশে সরকার আছে আমরা সবাই জানি। জানিনা শুধু তারা এই সংকটে কি করছেন। তারা এখনো বলে বেড়াচ্ছেন দেশে করোনা রুগী বেশি নেই। কোনো সমস্যা নেই। অবস্থা পুরো নিয়ন্ত্রণে । আসলেই কি তাই ?এদিকে দু'দিন আগে The Australians -এর অনলাইন ভার্সনে একটা নিউজে বাংলাদেশ যে করোনা ভাইরাসের চিকিৎসায় প্রস্তুর না একেবারেই আর তাতে যে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কয়েক মিলিয়ন মানুষ মারা যেতে পারে বলা হয়েছে । চীনের রাষ্ট্রদুতও মনে হয় করোনার আশংকায় বাংলাদেশের পাশে থাকার ঘোষণা দিয়েছেন।পাশের দেশ ভারতে এর মধ্যেই করোনাতে একশোর বেশি মানুষের মৃত্যুর খবর সরকারি ভাবেই বলা হয়েছে। কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটির একটি মডেলের ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের কিছু শিক্ষাবিদের একটি গবেষণায় দেশে নয় কোটি মানুষ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত এবং তাতে পাঁচ লাখ মানুষের মৃত্যুর আশংকা প্রকাশ করা হয়েছে । জাতিসংঘের একটি গবেষণায় মনে হয় করোনা ভাইরাসে মৃত্যু আরো চারগুন বেশি মানে ২০ লাখ বলে প্রজেক্ট করা হয়েছে।সরকার এই সব গবেষণার সম্ভাব্যতা যাচাই বাছাই না করেই সেই দেশি গবেষক ও সে সম্পর্কে খবর প্রকাশকারী মিডিয়ার বিরুদ্ধে কঠিন ব্যবস্থা নিয়েছেন। করোনা ভাইরাস নিয়ে খবর প্রকাশের জন্য এর মধ্যেই কয়েকজন সাংবাদিকই নাজেহাল হয়েছেন প্রশাসনিক ভাবে।এই সব কোনো খবরই দেশের করোনার অবস্থার কোনো সুখবর দেয়না। কিছু ফেসবুক ব্যবহারকারীকে করোনা নিয়ে গুজব ছড়ানোর জন্য অভিযুক্ত করেছে দেশের পুলিশ বাহিনী। শুধু আমাদের সরকার সত্যি তথ্য দেবার ব্যাপারে মুখবন্ধ করে রেখেছেন।আমাদের বিশেষজ্ঞরাও (মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা-র কথা মনে আসছে) সেই মিথ্যে বা ভুল তথ্য সবাইকে দিতে মনে হয় ফ্রন্টলাইনে এসে দাঁড়িয়েছেন !এটাই ভীষণ উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।সেই যে অমর্ত্য সেন বলেছেন একটা গনতান্ত্রিক রাষ্ট্রে দুর্ভিক্ষের সূচনা হবার সম্ভাবনা কম কাৰণ সেখানে অবাধ তথ্য প্রবাহ থাকে তাই প্রস্তুতির জন্য সুযোগও থাকে বেশি । ভুল বা ব্যর্থতা ধামাচাপা দিতে আমরা ঘরের দুয়ার বন্ধ করে রাখতে চাইছি I কিন্তু তাতে করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে বাঁচার লড়াইয়ের মূল হাতিয়ার "তথ্য"পাবার সুযোগও যে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে সেটা যে আমাদের সরকার কত ক্ষতির পর বুঝবেন আল্লাহই জানেন। আমাদের প্রশাসনে কথায় না বড় হয়ে (কাজেও না বড় হোক ক্ষতি নেই) ডক্টর এন্থনি ফাউচির মতো সশংয়হীন,দৃঢ় চিত্ততায়, সত্যবাদীতায় বড় হবার মতো কিছু মানুষ বা একজন কেউ কি কোথাও নেই? একজন কেউ কি কোথাও নেই যিনি করোনার ক্রমশ ঘনিয়ে আসা করাল মৃত্যুর থাবার ওপর ভুল তথ্যে ঢাকা প্রশাসনিক চাদরটা সরিয়ে দেশের মানুষকে সত্যি কথা বলে একটু ভরসা জোগাবেন ? আমাদের এতো নেতা, মন্ত্রী উপমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী,দলীয় দলছাড়া এতো নেতা ! এদের মধ্যে কেউ কি এমন নেই যিনি করোনার বিরুদ্ধে আরেকটা টিকে থাকার যুদ্ধে প্রকৃত নেতার বিচক্ষণতায় নেতৃত্ব দেবেন একাত্তুরের যুদ্ধ বিজয়ী এই জাতিকে? এমন প্রকৃত বিচক্ষণ একজন নেতার বড় প্রয়োজন আমাদের দেশে এই ধূসর বেলায় I
যাক, আমার এলো মেলো চিন্তা নিয়ে বেশি মাথা না ঘামানোই ভালো । সবাই ভালো থাকুন দেশে ও বিদেশে ।

মন্তব্য ৩২ টি রেটিং +১০/-০

মন্তব্য (৩২) মন্তব্য লিখুন

১| ০২ রা এপ্রিল, ২০২০ সকাল ৭:২৮

শের শায়রী বলেছেন: জানেন এদেশে করোনায় মাত্র ছয় জন মানুষ মারা গেছে, তারাপরো সাধারন সর্দি কাশি, বা হার্ট ফেইলিওর মৃত্যুতেও সতর্কতা স্বরূপ পিপিই পরে করোনার জন্য নির্ধারিত স্থানে দাফন করা হয়। তবুও ‘করোনা নির্ধারিত স্থানে’ দাফন

০২ রা এপ্রিল, ২০২০ সকাল ৮:২৯

মলাসইলমুইনা বলেছেন: শের শায়রী,
আমাদের সরকার যে কি ভাবছেন আর কি করছেন আল্লাহই জানেন । আমেরিকা আর ইতালির উদাহরণ দেখে এখন মনে ভীষণ ভয় লাগছে এই ভেবে যে আমাদের দেশ সম্পর্কে কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি মডেলের আদলে করা দেশি শিক্ষাবিদদের আর জাতিসংঘের এক্সট্রাপোলেশনটাই না আবার সত্যি হয়ে যায় ! তাহলে না চাইলেও এই লুকোচুরি আর উদাসীনতার জন্য দুই মিলিয়ন মানুষের মৃত্যু দেখতে হবে । আমেরিকায় এক লক্ষ করোনা পেশেন্ট রিপোর্ট হয়েছিল টেস্টিংয় শুরুর একমাস পরে । পরের এক লক্ষ ইনফেকশন হয়েছে তার এক সপ্তাহের মধ্যেই । আমাদের দেশের মতো এতো ঘন বসতির এক দেশে এই ভাইরাস যে কি পরিমান দ্রুত ছড়িয়ে যাবে আর কত মানুষকে ইনফেক্টেড করবে আর কত মানুষের মৃত্যুর কারণ হবে সেটা একমাত্র আল্লাহই জানেন । দেশের মানুষের জন্য দোয়া করা ছাড়া এই মুহূর্তে যে আর কি করার আছে সেটাই ভেবে পাচ্ছি না । আমাদের দেশের সরকার তার নিজের দেশের মানুষের জন্য একটা মুটামুটি পারমাণবিক বোমা ডেটোনেট করার সব ব্যবস্থা রেডি করে ফেলেছেন বলে মনে হচ্ছে অযথা উৎসব আয়োজনে ব্যস্ত থেকে । যাহোক , দেশে সবাই ভালো থাকুন সেই কামনা সব সময় । লেখাটা পড়ে মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ ।

২| ০২ রা এপ্রিল, ২০২০ সকাল ৯:২০

নেওয়াজ আলি বলেছেন:

০২ রা এপ্রিল, ২০২০ সকাল ৯:৪৭

মলাসইলমুইনা বলেছেন: ভাই আমার সাথে আপনিও ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নাইলাইহি রাজিউন পড়ুন মোহাম্মদ রিপন (৩০)-এর জন্য । লেখাটা পড়বার জন্য ধন্যবাদ ।

৩| ০২ রা এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১০:১৭

শামছুল ইসলাম বলেছেন: ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

চমৎকার লিখেছেন ।
আপনার বিশদ লেখা পড়ে অনেক কিছু জানলাম।

ভালো থাকুন। সুস্থ থাকুন ।

০২ রা এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:২৯

মলাসইলমুইনা বলেছেন: শামছুল ইসলাম,
অনেক ধন্যবাদ লেখাটি পড়ে মন্তব্যের জন্য ।আপনারাও সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন ।

৪| ০২ রা এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১০:৩২

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: পার নাস্তিকের বঙ্গদেশৈ এসে বেঁচে থাকার মিরাকল দেখে আস্তিক হবার কৌতুকের মতোই -
আমরা বেশ আছী ভায়া!

না বলে কি গুম, জেল জুলুমের স্বীখার হবো নাকি?
মৃত্যুতে হবেই। আল্লাহর মাল আল্লাহয় নিছে দেশে স্বৈরাচার যে সহজেই পার পেয়ে যায়
তাতো গত একযুগে প্রমাণীত। :(( :-/ X((

তাই -ইয়া নাফসি বলে ঘরে বসে আছি। ভাগ্যিস অফিস ছুটি দিয়েছে। যদিও এই ছুটির শেষে ছুটির আবেদন দিতে বলেছে,
যাতে প্রাপ‌্য ছুটির সাথে ভোগকৃত ছুটি সমন্বয় করে নিতে পারে!!!!!!!!!!! বোঝেন ঠেলা!

যাক। আমাদের কথা ছাড়ুন, আল্লাহর মাল আল্লায় রাখবো।
আপনারা সাবধানে থাকুন। আল্লাহকে স্মরণ করুন, প্রার্থনা করুন যেন এই বালা তিনি দূর করে দেন।
আমাদের তথ্যহীনের দেশে আপনাদের তথ্যেই বাকীটা কল্পনা করে নিই মাত্র।
আমাদের জন্য দোয়া করবেন।

করোনাত্তোর পৃথিবীতে আবার নতুন স্বপ্ন নিয়ে বাঁচার পথে দেখা হবার শুভকামনা রইলো।

০২ রা এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৩৫

মলাসইলমুইনা বলেছেন: বিদ্রোহী ভৃগু,
দেশের ইনফরমেশন লুকোচুরির ব্যাপারটা যে কি ভয়াবহ হতে পারে সেটা নিয়ে ভাবলেই মন খারাপ হয়ে যাচ্ছে ।
আপনারা ভালো থাকবেন । সবার জন্য ভালো থাকার অফুরন্ত দোয়া ।
এর বাইরে আর কিছু ভাবতেও ভালোও লাগে না আর ভাবার সাহসও পাই না ।
অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য ।

৫| ০২ রা এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১০:৩৯

আহমেদ জী এস বলেছেন: মলাসইলমুইনা,





এতো শুধু করোনাক্রান্ত লেখাই নয়, হৃদয়ের সুদূর ঝরনা থেকে নেমে আসা এক অশ্রুক্রান্ত লেখাও বটে।
নিজের কাছে ধেঁয়ে আসা এক অশনি সংকেতের মাঝেও ফেলে আসা দেশটার জন্যে যে লেখা আশংকা আর উৎকন্ঠাক্রান্ত।

হাল ধরতে হবে নিজেদেরই। সামাজিক দূরত্ব কঠোর ভাবে মেনে চলে সে হাল হয়তো ধরা যাবে কিন্তু হতদরিদ্র মানুষগুলোর কি হবে!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
বিপদ যিনি দিয়েছেন হয়তো সে বিপদ থেকে তিনিই রক্ষা করবেন। এছাড়া এই হতভাগাদের আর যে আশার জায়গা নেই কোথাও।

নিরাপদে থাকুন, সতর্ক থাকুন। এ করোনাক্রান্ত সময় আমরা পেরিয়ে যাবোই..................

০৩ রা এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১০:৩৩

মলাসইলমুইনা বলেছেন: আহমেদ জী এস ভাই,
হ্যা, আমাদের সচেতনতাই করোনা থেকে আমাদের বাঁচাতে পারে । সে জন্য সোশ্যাল ডিস্টেনসিং, লক ডাউনের মতো কাজগুলো করা জরুরি । কিন্তু এগুলো করতে গেলে মূল প্রশ্নটাই হলো দেশের হতদরিদ্র মানুষগুলোর কি হবে ? আমি সব সময় এই ভয়টাই পাচ্ছি যে একটা খাদ্য সংকট তৈরী হতে পারে দেশে এই করোনা সমস্যাটা ঘিরে । সরকারের কাছে মজুত খাদ্যের অভাব আর আর গরিব মানুষের কাজের ( সে থেকে মজুরির) অভাবে খাদ্য কিনতে না পাবার দুটো কারণেই । এই অবস্থা এড়ানোর জন্য অনেক আগে থেকেই পরিকল্পনা থাকা দরকার ।কিন্তু আমাদের কোনো সরকারেরই সে রকম কোনো পরিকল্পনা থাকে না সেটাই সমস্যা । আল্লাহর ওপর ভরসা এখন । সাবধানে থাকবেন আর ভালো থাকবেন সেই কামনা ।

৬| ০২ রা এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ১২:৫৭

রাজীব নুর বলেছেন: আপাতত আগে করোনা থেকে বাঁচতে হবে।

০৩ রা এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২৮

মলাসইলমুইনা বলেছেন: রাজীব নূর,
হ্যা আগে বেঁচে থাকতে হবে নিজেদের । আর সরকারের কাজটা হলো দেশের মানুষগুলোকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে ।
ধন্যবাদ ।

৭| ০২ রা এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ১:০১

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনি এক কাজ করেন। এতো বিপদ মাথায় নিয়ে বেকুব ট্রাম্পের আমেরিকায় না থেকে বাংলাদেশে চলে আসেন। পরিসংখ্যানের দিকে তাকান, আমেরিকার চেয়ে বাংলাদেশ অনেক নিরাপদ। তাছাড়া, এই পৃথিবীতে একজন প্রধানমন্ত্রীই আছেন, যিনি হলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী; যাকে করোনা যমের মতো ডরায়! সময়ের কাজ সময়ে না করলে কিন্তু পরে পস্তাবেন কইলাম!!! :P
(এইটা কিন্তু আমার কথা না। বাংলাদেশের একজন প্রভাবশালী মাননীয় মন্ত্রীর কথা। উনার কথা অবিশ্বাস করার কোন কারনই নাই =p~ )

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২০ সকাল ৮:০৯

মলাসইলমুইনা বলেছেন: ভুয়া মফিজ,
আপনি সাইকিক নাকি, মনের কথাটা বুঝলেন কেমন করে ? চলেইতো যেতাম এতদিনে 'আমার এই পথ চাওয়াতেই আনন্দ' গান গাইতে গাইতে এই মরার 'স্টে এট হোম' অর্ডার না শুনে । কিন্তু তারপরেই মনে হলো গেলেইতো খাড়ার ঘা হিসেবে প্রবাসী বলে আমাকে হজ্ব ক্যাম্পের ফ্লোরে মশারির নিচে চৌদ্দ দিনের কোয়ারিন্টিনে রাখবে ।মাটিতে মশারি খাটিয়ে শোয়া নিয়ে আমার কোনো সমস্যা নেই হাজার হোক বাঙালি রক্ত আমার ছায়া আর কায়ায় । কিন্তু সমস্যাটা হলো আমার দুই ফিট দূরত্বে মশারি ঢাকা আর কোনো কোয়ারিনটিন ম্যানকে দেখতে যে চার বা চব্বিশ জন ভিজিটর আসবে না আর আমার নীরোগ দেহে যে তারা করুনা করে করোনা ঢোকাবার চেষ্টা করবে না সেটার তো কোনো নিশ্চয়তা নেই । এই সব নানাবিধ সমস্যায় 'এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি'র দেশে যাওয়া বন্ধ করলাম আর কি আপনার বলা মাননীয় প্রভাবশালী মন্ত্রীর কথার পরেও (কিন্তু ভুলেও সন্দেহ করবেন না যে আপনার বলা মন্ত্রীর কথিত "...এই পৃথিবীতে একজন প্রধানমন্ত্রীই আছেন,যিনি হলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী; যাকে করোনা যমের মতো ডরায়!"এই বাক্যে বিন্দুসম সন্দেহ করেছি। হাজ্বী ক্যাম্প থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দূরত্বের কারণেই এই সিদ্ধান্ত ।প্রধানমন্ত্রীর কাছাকাছি থাকার সুযোগ থাকলে এখনো সিদ্ধান্ত পুনঃ বিবেচনার জন্য প্রস্তুত মাননীয় স্পিকার)! করোনার আঘাত প্রত্যাঘাতেও কুশলে থাকুন ।

৮| ০২ রা এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২৬

সোহানী বলেছেন: বাংলাদেশ নিয়ে যা বলেছেন তা নিয়ে শুরু থেকেই আতংকে আছি। কিন্তু একবার চিন্তা করে দেখুন, বিশ্বের মড়ল খোদ আমেরিকার এ অবস্থা সেখানে আমাদের দেশতো কোন ছাড়! যদি সত্যিকারে করোনা নিয়ে বাংলাদেশ রিপোর্ট করতে চায় তাহলে কত ট্রিলিয়ন ডলার বাজেট লাগবে, জানেন? এ মানুষগুলোর পরীক্ষা, হসপিটাল, ডাক্তার, নার্স, আইসিইউ, ওষধ......... বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার। ভাতই যেখানে আমাদের জোগাড় নেই সেখানে হঠাৎ এ ধরনে ফান্ড জোগাড় অসম্ভব। তাই যা হবার তাই হবে ও আপনি বাঁচলে বাপের নাম পলিসিতে এগানোই কি একমাত্র সমাধান নয়!!!!!!!!!!

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২০ সকাল ৯:৩৯

মলাসইলমুইনা বলেছেন: সোহানী,
বাংলাদেশ নিয়ে শুরু থেকেই আপনার আতঙ্কটা মিথ্যে নয় ।কখনোই ছিল না । "কিন্তু একবার চিন্তা করে দেখুন, বিশ্বের মড়ল খোদ আমেরিকার এ অবস্থা সেখানে আমাদের দেশতো কোন ছাড়! যদি সত্যিকারে করোনা নিয়ে বাংলাদেশ রিপোর্ট করতে চায় তাহলে কত ট্রিলিয়ন ডলার বাজেট লাগবে, জানেন? এ মানুষগুলোর পরীক্ষা, হসপিটাল, ডাক্তার, নার্স, আইসিইউ, ওষধ......... বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার।" আপনার এই কথাটাও মিথ্যে না । এটা সত্যি যে আমাদের দেশের বিশাল একটা অংশ যদি কোরনা ভাইরাসে ইনফেক্টেড হয় তাদের সবার মেডিকেল কেয়ারের জন্য একটা বিশাল বাজেট দরকার হবে । আর সেজন্যই জানুয়ারির শুরুর থেকেই যখন চীনের নিউজগুলো আসছিলো তখন থেকেই আমাদের সাবধান হবার দরকার ছিল (সেই সময় আমি এমন কিছু মানুষকে জানি যারা তাদের চাকুরী ব্যবসার কাজে চিনে গিয়েছিলো ) । তখনি চীন সোশ্যাল ডিস্টেনসিং বা লোক ডাউনের মতো কাজগুলো করছিলো সেটা দেখে শেখ দরকার ছিল কি কাৰণে তারা সেটা করছে । মন্ত্রী মহোদয়দের আবোল তাবল না বকে কিছু কাজ আগের থেকেই নিশ্চিত করা উচিত ছিল করোনার প্রকোপটা যথাসম্ভব কম রাখতে । যেমন বড় ধরণের গেদারিংগুলো কমানোর ব্যাপারে খুব স্পষ্ট ঘোষণা দেওয়া দরকার ছিল জানুয়ারির মাঝামাঝি থেকে শেষের মধ্যেই । কেন সেই গ্যাদারিংগুলো কমানো দরকার সেটা নানান মিডিয়ায় বিজ্ঞাপনের মধ্যে দিয়ে বলা দরকার ছিল যাতে মানসূহ ব্যাপারটার সিরিয়াসনেস বুঝতে পারে । এই যে সাজেক ভ্রমণ আর কক্সবাজারে ভিড় করার চূড়ান্ত বোকার মতো যেই কাজগুলো আমাদের মানুষেরা করলো সেটা কম হতো তাহলে । ফ্লোরিডা গভর্নমেন্ট লক ডাউন করেছে অনেক পরে ।আর তাতে স্প্রিং ব্রেকে ফ্লোরিডার বিচে মজা করতে গিয়ে বিশজন স্টুডেন্ট করোনাতে ইনফেক্টেড হয়েছে । আমাদের সাজেক আর কক্সবাজার ভ্রমণেও যে সেরকম হয়নি সেটা কে বলবে ?সেটা তাহলে ছড়িয়েও গিয়েছে সেই মানুষগুলো তাদের নিজের জায়গায় ফেরার সাথে সাথে । এই ছোট ছোট কাজগুলো শুরুর থেকে করা গেলে খানিকটা করোনার প্রকোপ হয়তো কম হতো ।কিছু মানুষ হয়ত বেঁচে যেত । ঠিকঠাক কাজগুলো করা গেলে এই পলিসি ফেইলারগুলোই এড়ানো যেত আর কিছুটা কম ক্ষয়ক্ষতি হতো। আর কিছু না । " আপনি বাঁচলে বাপের নাম পলিসিতে এগানোই কি একমাত্র সমাধান নয়..." হয়তো, কিন্তু এই পথেও করোনা দেশে বিরাট অংশে ছড়িয়ে গেলে বাঁচা যাবে কিনা বুঝতে পারছি না । মনে অমঙ্গলের একটা আশংকা থেকেই যাচ্ছে দেশ নিয়ে আমেরিকার অবস্থা দেখে । যাক ভালো থাকুন ।

৯| ০৩ রা এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১১:৫২

পলাতক মুর্গ বলেছেন:

০৫ ই এপ্রিল, ২০২০ সকাল ৭:৪৬

মলাসইলমুইনা বলেছেন: পলাতক মুর্গ,
থ্যাংক ইউ । প্রকাশ্যে ডক্টর ফাউচির ভিডিও আমার পোস্টে দেবার জন্য ধন্যবাদ । আমাদের ওদের মতো করোনা আছে কিন্তু করোনা ভাইরাসের পেন্ডিমিকের মতো একটা বিজ্ঞানগত বিষয়ে রাজনৈতিক নেতা নেত্রীদের অতিবাচল ও ভুলভাল কথাবার্তা ধরিয়ে দিয়ে সঠিক বৈজ্ঞানিক তথ্যই করোনা ভাইরাসের আক্রমণ থেকে হাত থেকে আমাদের বাঁচাতে পারে বলবার মতো দৃঢ় চিত্তের, একজন মানুষও নেই ডক্টর ফাউচির মতো।সেটাই কষ্টের । ভালো থাকুন করোনা পেন্ডিমিকের তান্ডবের মধ্যেও ।

১০| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২০ রাত ১:৪৯

অন্তরন্তর বলেছেন: আপনি যে দেশে আছেন বা আমি যে দেশে আছি তাদের করুণ অবস্থা দেখে বাংলাদেশের জোকার এবং দুর্নীতিবাজ রাজনীতিবিদদের কথা শুনে অনেক সময় হাসি পায়। তারপর কষ্ট পাই প্রিয় দেশের জন্য। মনের গহীনে দেশের জন্য আপনার ভালবাসা এ পোস্টে সুস্পষ্ট। তবে আমার আর আপনার কিছু করার নাই। আমি মনে করি দেশের ৮০% মানুষ দুর্নীতিগ্রস্ত তাই আমাদের আরও খারাপ অবস্থা সামনে আসছে। আমি আসলেই বাংলাদেশের সকল মানুষকে নিয়ে শঙ্কিত। মানুষের এখন খুব দরকার সচেতন হউয়ার। মহান আল্লাহ্‌ পাক আমাদের সকলের হেফাজত করুন। শুভ কামনা।

০৬ ই এপ্রিল, ২০২০ ভোর ৪:৫৬

মলাসইলমুইনা বলেছেন: অন্তরন্তর,
আপনি বলেছেন " বাংলাদেশের জোকার এবং দুর্নীতিবাজ রাজনীতিবিদদের কথা শুনে অনেক সময় হাসি পায়" , আমিও হাসতাম এদের বাগাড়ম্বর শুনে । কিন্তু এই ভয়ংকর সময়ে এদের কাজ জোকার সেজে খুনিদের মতো ভয়ংকর হয়ে গেছে (ব্যাটম্যানের জোকারের কথা মনে হয় এদের দেখে এখন )। অনেক দিন নিজে দেশের বাইরে ঠিকই কিন্তু অন্যরাতো বাংলাদেশেই ।তাই কোনো ঝামেলা হলে সবার আগে দেশে থাকা সবার কথাই মনে হয় । আর এবার আমেরিকায়তো দেখছি ট্রাম্পের ম্যালাডিমিনিস্ট্রেশনের কারণে কি অবস্থা হলো এখানে । তাই দেশ নিয়ে ভয়টা বেশি হচ্ছে এবার । ঠিকই বলেছেন মনে হয় "তবে আমার আর আপনার কিছু করার নাই।" আপনার এই কথাটাও হয়তো ঠিক যে "...দেশের ৮০% মানুষ দুর্নীতিগ্রস্ত তাই আমাদের আরও খারাপ অবস্থা সামনে আসছে। আমি আসলেই বাংলাদেশের সকল মানুষকে নিয়ে শঙ্কিত।" কিন্তু আমাদের দেশের কেয়ার টাকার সরকারগুলোর সময়কার কথা ভাবুন ।এই আপাদমস্তক দুর্নীতিগ্রস্থ আমাদের দেশটাই তিন মাস/ ছয় মাস কি সুন্দর চলে ! এটাই কষ্ট লাগে । উঁচু পর্যায়ে অল্প কিছু সৎ, ইনটেলিজেন্ট আর দক্ষ মানুষ হলেই কিন্তু আমাদের দেশের সামান্য চাওয়া পাওয়ার স্বপ্ন নিয়ে বেঁচে থাকা সাধাৰণ মানুষগুলোকে নিয়ে সুন্দর চালানো যায় দেশটা । সেটাই আমরা পারছিনা । সরকারের পুরো কাঠামোটাই মিথ্যে আর অসততায় ভোরে গেছে ।তাই একটা অনির্বাচিত ছোট আকারের কেয়ার টাকার সরকার যতটুকু সুন্দর করে দেশ চালায় এতো হাতি ঘোড়া বিশাল মন্ত্রী পরিষদ, উপদেষ্টা পরিষদ নিয়েও আমাদের নির্বাচিত সরকারগুলো সেভাবে দেশ চালাতে পারে না । ঝামেলাতো সব সময় হয় না । হয় হঠাৎ হঠাৎ । এইবার যেমন হচ্ছে ।তাতেই আমাদের সরকারটা যে কি পরিমান অদক্ষ আর বাখোয়াজ সেটা বোঝা যাচ্ছে (অন্য দলের কোনো সরকার থাকলেও কম বেশি এরকমই হয়তো হতো সেটাও বলছি এখানে ) ।

" মানুষের এখন খুব দরকার সচেতন হউয়ার। মহান আল্লাহ্‌ পাক আমাদের সকলের হেফাজত করুন।" আপনার এই কথাটাই সবসময় মনে মনে আর নামাজে দোয়ায় বলি দেশের আর দেশের সবার জন্য । ভালো থাকুন ।

১১| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১১:৫৫

ওমেরা বলেছেন: নিজেদের সাবধনতা আর আল্লাহর উপর ভরসা করা ছাড়া অন্য কোন উপায় নেই আপাতত। উন্নত বিশ্ব যেখানে করোনার কাছে নাজেহাল হচ্ছে সেখানে বাংলাদেশ নিয়ে ভেবে কষ্ট পাওয়ার কিছু নেই । দেশ নিয়ে যদি এতই ভাবেন, আপনারা শিক্ষিত লোকজন বিদেশে না থেকে দেশে যেয়ে রাজনীতি করুন , দেশের মানুষকে সচেতন করুন একটি সুস্থ্যধারার রাজনীতি শুরু হোক।

অনেক ধন্যবাদ দেশের প্রতি দরদভরা লেখার জন্য।

০৬ ই এপ্রিল, ২০২০ সকাল ৯:৫৫

মলাসইলমুইনা বলেছেন: প্রিয় ওমেরা,
গুড গড কাকে দেখছি ! প্রথমেতো ভেবেছিলাম চোখে ভুল দেখছি কিনা? তারপর দেখি না না অরে এতো টোটালি আপনিই !
তাহলেতো এতদিন পরে স্বাগতম বলতে হবে ---ঘটাকরে বলা স্বাগতম জানালাম ব্লগে ।হাহাহা ----

কিন্তু এসেই এতো কঠিন মন্তব্য কেন ? ওপরে ভুয়া মফিজের মন্তব্যেইতো বললাম ঠিক কি কারণে 'এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাক তুমি'র বাংলাদেশে যেতে পারছি না এখন । ভুয়া মফিজের মন্তব্যের উত্তর করেছি দেখেই আমার মন্তব্যকেও ভুয়া মনে করলেতো হবে না । ওটাতো জেনুইন মন্তব্য । এতো দূরে থাকি দেশ থেকে তাই কারণে অকারণে চঞ্চল হই দেশের কথা ভেবে । সে থেকেই দেশ নিয়ে কিছু ভাবনা, কিছু আশংকার কথা বলা ব্লগে এই ধূসর বেলায় । আর কিছু না । আমার বলায় দেশের সব কিছু উল্টে যাবে না বা উল্টো হয়ে থাকলে সোজাও হবে না আমিতো জানি সেটা । তবুও কেমন করা মন কি আর সে কথা মানতে চায় ? তাই নিরন্তর বলে যাওয়া আর কি । দেশের রাজনীতি নিয়ে আমার কখনই উৎসাহ ছিল না ইহ জন্মেও সেটা হবার আশা আছে তাও ভাবিনা । আমাদের ক্ষমতায় যারা থাকেন বা তাদের সাথে সখ্য করা প্রভাৱশালী গোষ্ঠী যারা আমাদের দেশের পলিসি করেন তারা অসূর্যস্পর্শা অসাধারণ কোনো এক ধরণের প্রাণ । এদের সমগোত্রীয় হবার সম্ভাবনা আমার ইহকালে হবে বলে মনে হয় না । দুঃখিত, তাই আপনার কথা ফলপ্রসূ হবার সম্ভাবনা পারফেক্ট জিরো পার্সেন্ট ।যাহোক, মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ ।

১২| ০৬ ই এপ্রিল, ২০২০ বিকাল ৫:৩৮

জেন রসি বলেছেন: এন্থনি ফাউচির মত আমাদের দেশে তেমন কেউ নেই। যাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তারা সব সরকারের পোষা তোতা পাখির মত কথা বলে যাচ্ছে। তার বাইরে যারা গবেষণা বা অ্যানালিসিস করে সতর্ক করার চেষ্টা করছে তাদের মুখ বন্ধের চেষ্টা করা হচ্ছে। আর ব্যক্তি, দলীয় এবং ধর্মীয় স্বার্থে গুজব ছড়ানোর দলও সক্রিয়। সুতরাং রিয়েল সিনারিও অনুধাবন করা খুব মুশকিলের ব্যাপার হয়ে যাচ্ছে।

ক্রাইসিসের সময় এমন কিছু দায়িত্তপ্রাপ্ত মানুষ লাগে যাদের কথায় মাস পিপল আস্থা রাখতে পারবে। আমাদের দেশে এই ক্রাইসিসের সময় তেমন কেউ নেই।

১০ ই এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১১:১০

মলাসইলমুইনা বলেছেন: জেন রসি,
জ্বি, আমি সেটা ধারণা করি সব সময় আর সেটাই আমার দুঃখ । আমি অনেক দিন আমেরিকায় । এখানে অঢেল বিত্ত । কোনায় কোনায় আধুনিকতা আর টেকনোলজির ছড়াছড়ি । কিন্তু এই ব্যাপারগুলো দেখে আর বাংলাদেশের এই জিনিশগুলো না পাবার কথা ভেবে আমার কখনো খুব বেশি মন খারাপ হয়নি । কিন্তু এদের যে জিনিষটা আমাদের নেই দেখে আমার মন খারাপ হয় সেটা হলো এদের অনেক যোগ্য মানুষ আছে যে কোনো ইমার্জেন্সি সামলে দেবার। এরা নানা ঝামেলায়ও যেমন দুটো বিশ্বযুদ্ধ, দশক ব্যাপী ভিয়েতনাম, মিডিল ইস্ট যুদ্ধের মাঝেও নিজেদের শিক্ষা ব্যবস্থা আর ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দেশের দায়িত্ব নেবার উপযুক্ত করে গড়ে তুলবার ব্যবস্থাগুলো করাপ্ট করেনি কখনো ।তা ডেমোক্রেট আর রিপাবলিকানদের মধ্যে যতই আদায় কাঁচকলায় সম্পর্ক থাকুক না কেন ! তাতে নীতি ন্যায় (হয়তো ইউনিভার্সাল না কিন্তু তাদের সমাজের যুপোযোগী), দক্ষতা, যোগ্যতা সম্পন্ন মানুষ তৈরী করতে পেরেছে এরা । এই মানুষগুলোই বিপর্যয়ের মুখে দেশকে ঠিকঠাক চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছে । একজন এন্থনি ফাউচি কিন্তু হঠাৎ করে জন্ম নেওয়া কেউ না ।একটা সফল সিস্টেমের প্রোডাক্ট । বাংলাদেশে এই সিস্টেমটাই আমরা বানাতে পারলাম না কখনো । এখানে তাই মীরজাফর, রায় দুর্লভ, আমি চাঁদ, জগৎ শেঠ তৈরী হয় দুইশ বছর ধরেই । এই স্বাধীন দেশেও এদের ধারে ভারে আমাদের ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা । কিন্তু একজনও এন্থনি ফাউচি তৈরী হতে পারে না । সেই রাস্তাগুলো আমরা নানা ধ্বনি, স্লোগানের আড়ালে বন্ধ করে ফেলেছি । তাই জীবন মরণের এই ক্রান্তিকালেও ক্ষমতা বলয়ে আমাদের সত্যি কথা বলে দেশের মানুষকে বাঁচাবার মতো কেউ নেই । সব ধামাধরা । ক্ষমতার কাছে বিক্রি হয়ে যাওয়া বিকৃত সব নেতা নেত্রী আর পঁচে যাওয়া আমলাদের ভিড়ই শুধু দেখতে হয় ক্ষমতাবলয়ে ও তার আশেপাশে ।

যাহোক, অনেক ধন্যবাদ লেখায় মন্তব্যে । ভালো থাকুন এন্থনি ফাউচি বিহীন সত্যহীন বাংলাদেশ এই কঠিন সময়ে ।

১৩| ০৯ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:৩৪

মনিরা সুলতানা বলেছেন: এখন কি অবস্থা ভাইয়া !! আশা করছি ভালো আছেন সবাই !
এই নিদারুণ কালে সবাই সুস্থ্য ভাবে বেঁচে থাক এটুকুই কামনা যেখানেই থাক।

১২ ই এপ্রিল, ২০২০ সকাল ৮:২৮

মলাসইলমুইনা বলেছেন: মনিরা সুলতানা,
আলহামদুলিল্লাহ ।
ইনশাল্লাহ এখনো ভালো আছি আমরা । আমাদের স্টেট্ এখন মনে হয় করোনার ইনফেশন নাম্বার আর ডেথের দিক থেকে আমেরিকায় থার্ড । আজকে পর্যন্ত আমাদের স্টেটে প্রায় চব্বিশ হাজার কনফার্মড ইনফেকশন কেস আর ডেথ প্রায় চৌদ্দশো (আট জন কম) । এই ইনফেকশন আর ডেথের প্রায় সবই আমাদের থেকে দেড়শো মাইল ইস্টে ডেট্রোয়েটের কাছে । আমাদের কাউন্টিতে এখনো ইনফেকশন আর ডেথ সে তুলনায় খুব কম । কিন্তু এই অবস্থা আর কতদিন থাকে সেটাই হলো প্রশ্ন । এখনো স্টে এট হোম অর্ডার কঠিন ভাবে চলছে । আগামী কালের ইস্টার সানডেতে এক নেইবারহুড থেকে অন্য নেইবারহুডে (কিছু কিছু জায়গায় এক বাসা থেকে অন্য বাসায়) যাওয়া প্রহিবিট করা হয়েছে ইনফেকশন কন্ট্রোলে রাখতে (জেসাসের রেজারেকশন সেলিব্রেট করতে এখানে রোববার সন্ধ্যায় ফ্যামিলি ডিনার ধরণের হয় কাছাকাছি ক্লোজ রিলেটিভদের নিয়ে । সেগুলো থামাতে এই ব্যবস্থা )। ডেট্রয়েটের নিউজগুলো খুব মন খারাপ করা। এতো মানুষ মারা যাচ্ছে যে কালকেই 'ওয়াশিংটন পোস্ট' মনে হয় ডেট্রয়েটের হাসপাতাল নিয়ে নিউজ করেছে যে খুব শিগ্রী এখানে বডি ব্যাগের (ডেড বডি কভার করার ব্যাগ) শর্টেজ দেখা দেবে। এর মধ্যে পিপিই-র শর্টেজ, ক্রিটিকাল পেশেন্টদের বাঁচাবার ভেন্টিলেটরের শর্টেজটা আছেই । গত মাসে আমি দুবার ডেট্রয়েট গিয়েছি । এতো পরিচিত জায়গা এসব ! এখানে এতো মৃত্যু অবিশ্বাস্য লাগছে ।এই সব সমস্যার মধ্যেই পিপিই ছাড়াই ডাক্তার,নার্স,অন্য হেলথ ওয়ার্কাররা নিশ্চিত মৃত্যুর সম্ভাব্যনা জেনেও রুগীদের বাঁচাতে ব্যাটেল ফিল্ডের একেক জন জেনারেলের সাজে যুদ্ধ করে চলেছেন করোনা পেশেন্টদের জীবন বাঁচাতে । এদের সাহস দেখেই আমেরিকা এই যুদ্ধে জয়ের স্বপ্ন দেখছে । আমাদের দেশের কথা মনে করেও মন খারাপ হচ্ছে । দেশেতো মনে হয় খারাপ খবরগুলো নোঙ্গর ফেলে ঘাটে জেঁকে বসে আছে । পিপিই নেই তাই হসপিটালে পেশেন্ট ফেলে ডাক্তাররা পালিয়েছেন বা রুগী ফিরিয়ে দিচ্ছেন এগুলো শুনে মন খারাপ করা ছাড়া আর কিইবা হবে । যাহোক এগুলো আমাদের ভাগ্য । আমাদের দুর্ভাগা দেশে এসব মেনে নিতেই হবে । যাহোক ভালো থাকুন । আল্লাহর অপার করুণাধারায় থাকুন সবাই ।

১৪| ১১ ই এপ্রিল, ২০২০ সকাল ৯:৫৯

মিরোরডডল বলেছেন: শুরুতেই প্রকৃতির বর্ণনাটা সেইরকম ভালোলাগার ।

আমাদের এখানে মোর দেন টু পারসন আউটডোর ক্যাচ আপ হলে ১০০০ ডলার ফাইন দিচ্ছে । তারপরও কিছু মানুষ রুল ব্রেইক করছে ফাইনও খাচ্ছে ।

সত্যি করোনা শেষ করে দিচ্ছে সবকিছু । ট্রাম্প এর নেগ্লেজেন্সির কারনে আজ পুরো দেশ কি ভীষণ পেনাল্টি দিচ্ছে । খুবই কষ্টদায়ক । তাতো অবশ্যই আপনারাও রিস্কের বাইরে না ।

আর আমার মাতৃভূমির কথা কি বলবো ! কি যে করছে আর কি যে হবে এই ভেবে অস্থির লাগে । শুরুতেই সুযোগ ছিল ইমারজেন্সি ব্যাবস্থা নেয়ার যেটা নেয়নি । আর এখন যা করছে সেটাও ইনাফ না । এখন ব্যাক্তিগত সচেতনতা ছাড়া আর কোন অপশন দেখিনা ।

দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে , যদি সত্যিটা প্রকাশ করা হয় , কতজন ভাইরাস ইনফেক্টেড, কোন লোকেশনে কে বা কারা , এতে যে কত উপকার হবে সবার জন্য । মানুষ তখন অনেক বেশী সচেতন আর ওয়েল প্রিপেয়ার্ড হতে পারবে । মোস্ট নীডেড মানুষগুলোর যে কি হবে , কিভাবে কি করবে ! সামান্য সহযোগিতাও এখন তাঁদের জন্য অনেককিছু । দেখা যাক কি হয় । কাছের মানুষ প্রিয় মানুষ সবাইতো সেখানেই তাই মনটা সারাক্ষন ওদেরকে নিয়েই ভাবে ।

বাই দা ওয়ে , মুইনাঞ্চির অংকনটা কিন্তু বেশ লেগেছে :)

ভালো থাকবেন এই প্রত্যাশা ।

১৩ ই এপ্রিল, ২০২০ ভোর ৬:১৮

মলাসইলমুইনা বলেছেন: মিরোরডডল,
জ্বি --এই যান্ত্রিক আর গতিময় জীবনে লক ডাউনের মতো ব্যাপারে সাথে এরাতো একেবারেই পরিচিত না । সপ্তাহে পাঁচদিন চোখমুখ বুঝে কাজ করবে আর উইক এন্ড রাতে পার্টি করবে । এটাই জীবন । ঘরে আটকে থাকতে থাকতে এদের অবস্থা খারাপ । ইকোনোমিক ডিপ্রেশনের মতোই একই হারে যেটা এখন শুনছি সেটা হলো মেন্টাল ডিপ্রেশনের কথা । মানুষের মেন্টাল ডিপ্রেশনের ব্যাপার নিয়েই এই করোনার জীবন মরণ সমস্যার মাঝেও এক্সপার্টরা উদ্বিগ্ন হয়ে উঠেছেন । টিভিতে অনেকবার করেই এক্সপার্টরা বলছেন এই লক ডাউনে কিভাবে হাসিখুশি করে কাটানো যায় সে সব কথা ! দেশের কথাটা ঠিক বলেছেন । সময়ের সময় ঠিকঠাক কাজগুলো না করাতে সব হজপচ হয়ে গেছে । এখন করোনার মতোই বা তার চেয়েও আশংকার ভাবনা নিয়ে এসেছে মানুষকে বেসিক নিডগুলো ঠিকঠাক দিয়ে বাঁচিয়ে রাখার ক্রিটিকাল প্রশ্নটা। এতো অব্যবস্থা ত্রানের কাজে যে আরেকটা দুর্ভিক্ষ না হয়ে যায় অনেক মানুষের মৃত্যু সাক্ষী করে সেই ভয়টাও পাচ্ছি । যাক, আল্লাহর করুনার ওপর ছেড়ে দিয়েছি দেশের মানুষের ভার ।

হাহাহা ---আপনি সব সময়ই ভালো পাঠক সেটা জেনেও মুইনাঞ্চির চিত্রকলা খেয়াল করেছেন দেখে খানিকটা অবাক । অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যে ।ভালো থাকুন ।

১৫| ১২ ই এপ্রিল, ২০২০ বিকাল ৫:৩২

নীল-দর্পণ বলেছেন: সব জায়গায় বিষাদের সুর, ভালো লাগেনা কিছু, অস্থির লাগে। মনে হচ্ছে বড় ঝড়ের পূর্বাভাস। ঝড়টি যাতে দূর্বল হয়ে যায় সেই দোয়া করা ছাড়া উপায় নেই। আল্লাহ সবাইকে নিরাপদে রাখুন।

বি:দ্র: দ্যা ভিঞ্চির জনৈক আত্নীয়কে কিন্তু চিনি আমি ;)

১৭ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ১০:৩২

মলাসইলমুইনা বলেছেন: জ্বি, সব কিছু বড় এলোমেলো হয়ে গেছে এখন ।
ভয়, আশংকা, বিষাদ আর বিষন্ন সময় এখন । আপনার অফিসতো বন্ধ এখন, নাকি ? অফিস বন্ধ আপনাদের সেটা ভেবে ভালো লাগছে । নইলে এই সময় ঢাকার বাইরে অফিস করা ঝামেলার হয়ে যেত । আচ্ছা আপনার নতুন আকিকা লেখাটা/ফটো ব্লগের কতদূর কি হলো ?

আর হাহাহা দ্যা ভিঞ্চির জনৈক 'আত্মীয়' নাতো 'আত্মিক আত্মীয়' ! এতবড়ো এতো কিছু উনি তার কিছু আঁকা ঝোকার দিকে সব সময়ই তাকিয়েই থাকতে ইচ্ছে করে । তার আঁকা থেকে উৎসাহ পাওয়ায় আমার অকর্মন্য মাথা মুণ্ডুহীন আঁকাঝোকার হাত নিয়েও তার 'আত্মিক আত্মীয়' বলে পরিচয় দেওয়া আর কি ! সম্মুখের উর্মিরেতো ডাকবেই পেছনের ঢেউ তাই না ? হাহাহা ----।
সুস্হ্য থাকুন, ভালো থাকুন সবাই সেই দোয়া করি সব সময় ।

১৬| ১৪ ই এপ্রিল, ২০২০ বিকাল ৫:৪২

করুণাধারা বলেছেন: মৃত্যু উপত্যকায় বসে দেশের দুরবস্থা নিয়ে ভাবছেন মলা..., এই বিষন্ন দিনে আপনার ভাবনা ভালো লাগলো।

আমাদের সবকিছু চলছে অপরিকল্পিতভাবে, যাদের দায়িত্ব নেবার কথা তারা নিজেদের চিকিৎসার বন্দোবস্ত করা নিয়ে ব্যস্ত। জানিনা কী হবে, রোগে মারা না গেলেও অসংখ্য মানুষ মারা যাবে অনাহারে। লুকোছাপা না করে যদি সত্যি তথ্য জানানো হতো, তবে হয়ত মানুষ সচেতন হতো...

পোস্ট পড়ে আরেক দফা বিষন্ন হয়ে গেছিলাম, তাই মন্তব্য করতে দেরি হল। চমৎকার পোস্টে ++++

ছবিটা অতি চমৎকার, আরেকবার প্লাস।

আজ বাংলা নববর্ষ শুরু, শুভেচ্ছা।

১৮ ই এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১১:৫০

মলাসইলমুইনা বলেছেন: করুনাধারা,
আমাদের সবকিছু চলছে অপরিকল্পিতভাবে, যাদের দায়িত্ব নেবার কথা তারা নিজেদের চিকিৎসার বন্দোবস্ত করা নিয়ে ব্যস্ত। জানিনা কী হবে, রোগে মারা না গেলেও অসংখ্য মানুষ মারা যাবে অনাহারে। লুকোছাপা না করে যদি সত্যি তথ্য জানানো হতো, তবে হয়ত মানুষ সচেতন হতো...

হ্যা সত্যি,বড় বিষন্ন সময় । জীবন মৃত্যুর কথা খুব ভাবছি সেটা কিন্তু না । নিজের অতটুকু সাবধান থাকা দরকার সেটা সাধ্যমত থাকার চেষ্টা করছি । বাকিটা নিশ্চই আল্লাহর হাতে । কিন্তু আপনার কথাটা খুব সত্যি সেজন্যই খারাপ লাগছে ।কোনো কাজেই আমরা আমাদের সক্ষমতাটা কাজে লাগাতে পারি না কিছু অযোগ্য মানুষ আমাদের নেতৃত্বের উপরতলাটা দখল করে থাকেন বলে । এই করোনাতেও ক্ষতিগুলো এদের জন্যই হবে সেটাই দুঃখ । মুইনাঞ্চির আঁকা ভালো লেগেছে বলে ধন্যবাদ --হাহাহা ।ভালো থাকবেন ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.