নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

\"Thus let me live, unseen, unknown/ Thus unlamented let me die/ Steal from the world and not a stone/ Tell where I lye \"

মলাসইলমুইনা

Reading maketh a full man; conference a ready man; and writing an exact man. **** -Sir Francis Bacon

মলাসইলমুইনা › বিস্তারিত পোস্টঃ

‘টাইফয়েড মেরি’র গল্প, হাসান মাহবুবের "করোনার লাশ কই" পোস্ট /লেখা আর লক ডাউনের পক্ষ বিপক্ষে কিছু শংকিত ভাবনা

২৮ শে এপ্রিল, ২০২০ বিকাল ৪:৪৯


মেরি মেলোন যিনি 'টাইফয়েড মেরি' হিসেবেই খ্যাত (বা কুখ্যাত) হয়ে উঠেছিলেন


মেরি মেলোন । ইতিহাসের বিখ্যাত (বা কুখ্যাত ) এই মহিলা জন্মেছিলেন আয়ারল্যান্ডে ১৮৬৯ সালে ।১৮৮৪ সালে পনেরো বছর বয়সে মেরি ইমিগ্রান্ট হিসেবে আমেরিকায় আসেন। আমেরিকায় মেরি অনেক ধনী ফ্যামিলির বাসায় হাউস মেড হিসেবে কাজ করেন হাউজ কুক (সহজ বাংলায় রাঁধুনি বলা যেতেই পারে)হিসেবে পরিচিতি পাবার আগে। এসিম্পটোমিক হেলদি ক্যারিয়ার হিসেবে টাইফয়েড (Salmonella typhi) রোগ ছড়াবার কারণেই মেরি মেলোন ‘টাইফয়েড মেরি’ হিসেবেই ইতিহাসে পরিচিত হয়ে আছেন । মরণঘাতী টাইফয়েড রোগ ছড়াবার কারণে আজ থেকে প্রায় একশো বছর আগেই মেরি মেলোনকে দুই পর্যায়ে ছাব্বিশ বছর কোয়ারিন্টিনে কাটাতে বাধ্য করা হয় নিউইয়র্ক সংলগ্ন নর্থ ব্রাদার আইল্যান্ডে (North Brother Island) । সেখানে একাকী বন্ধুহীন অবস্থায় ১৯৩৮ সালে মেরি মেলোন মারা যান । জীবনের শেষ দিনগুলোতে ঈশ্বরের আরাধনায় মেরি আর জীবনের সুখ আর স্বান্তনা খুঁজে পান বলে জানা যায়।

চার্লস হেনরি ওয়ারেন নামের একজন ধনী নিউইয়র্ক ব্যাংকারের লং আইল্যান্ডের নর্থ শোরের অস্টার বে-র এক রেন্টেড বাসায় কুকের কাজ করার জন্য মেরিকে নিয়োগ করা হয় ১৯০৬ সালের সামারে। সে সময়েই আগস্ট মাসের ২৬ তারিখ থেকে সেপ্টেম্বরের ৩ তারিখের মধ্যে বাড়ির ১১ জন মানুষের মধ্যে ৬ জন টাইফয়েড আক্রান্ত হন ।টাইফয়েড কিছু মাত্রায় নিয়ন্ত্রণ কর আগেলেও দশ শতাংশ আক্রান্ত রোগীর ক্ষেত্রে তখনও টাইফয়েড মরণঘাতী রোগ হিসেবেই বিবেচনা করা হতো।

টাইফয়েডের কারণ বের করতে ওয়ারেন ফ্যামিলি জর্জ সোবার নামের একজন স্যানিটারি ইঞ্জিনিয়ারকে নিয়োগ করেন । জর্জ সোবারের প্রাথমিক হাইপোথিসিস ছিল ফ্রেশ ওয়াটারের নরম ক্লাম্স (এক ধরণের শামুক) খাবার থেকেই টাইফয়েড আক্রান্ত হয়েছে ওয়ারেন পরিবারের সদস্যরা। অনিচ্ছা সত্বেও মেরিসহ আক্রান্তদের সবাইকে ইন্টারগেট করেন সোবার। মেরির মধ্যে টাইফয়েডের মডারেট লক্ষণ ছিল । এই ইন্টারোগেশনের থেকে সোবার জানতে পারেন যে আক্রান্ত সবাই ক্লাম্স খায় নি ! তাই সবার তার হাইপোথিসিস বাদ দিতে বাধ্য হন । মেরি তখন তার আশেপাশে সব কিছুতেই টাইফয়েডের ব্যাকটেরিয়া ছড়াচ্ছেন ! ১৯০৭ সালের মার্চ মাসের সেই ইন্টারোগেশনের পর থেকে সোবার মেরিকে কঠিন ভাবে পর্যবেক্ষণ করা অব্যাহত রাখেন এবং মত প্রকাশ করেন যে মেরি তার কাজের মধ্যে দিয়েই টাইফয়েড ও মৃত্যু ছড়াচ্ছেন ! কিন্তু মেরির ত্বক, ইউরিন ও ব্লাড স্যাম্পল থেকে টাইফয়েডের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায় নি ।কিন্তু সোবার তার অনুসন্ধানে জানতে পারেন ওয়ারেন ফ্যামিলির আগে মেরি যে আটটি পরিবারে কুকের কাজ করেছে তাদের সাত ফ্যামিলির সদস্যরাই টাইফয়েডে আক্রান্ত হয়েছে। সেই সাত পরিবারের মোট বাইশ জন টাইফয়েড আক্রান্ত হয় আর কয়েকজনের মৃত্যু পর্যন্ত হয়।তার অনুসন্ধান শেষে সোবার মেডিকেল সাইন্সে প্রথম ব্যাকটেরিয়া জীবাণু ছড়ানো সম্পর্কিত প্রথম "হেলদি ক্যারিয়ার" ধারণার জন্ম দেন । ১৯০৭ সালের জুন মাসে আমেরিকান মেডিকেল এসোসিয়েশনের জার্নালে(JAMA)তার অনুসন্ধানের ফলাফল পাবলিশ করেন ।


নর্থ ব্রাদার আইল্যান্ড


নর্থ ব্রাদার আইল্যান্ডের এই ছোট কটেজেই মেরি মেলোনকে কোয়ারিন্টিনে থাকতে হয়েছিল ছাব্বিশ বছর

সে বছর নিউইয়র্কে প্রায় তিন হাজার মানুষ টাইফয়েড আক্রান্ত হয়। এদের একটা উল্লেখযোগ্য অংশই আক্রান্ত হয় মেরির সংস্পর্শে এসে বা মেরির সংস্পর্শে আসা টাইফয়েড আক্রান্তদের সরাসরি সংস্পর্শে এসে। তখনও টাইফয়েডের ব্যাকটেরিয়া Salmonella typhi-র ইম্মিউনাইজেশন বের হয় নি (আর টাইফয়েডের এন্টিবায়োটিক বের হয়েছিল ১৯৪৮ সালে)। তাই সোবারের JAMA আর্টিকল পাবলিশ হবার পর নিউইয়র্কের পাবলিক হেলথ ডিপার্টমেন্ট মেরিকে জন স্বাস্থ্যের জন্য হুমকি মনে করে তার টাইফয়েড পরীক্ষার জন্য সমন জারি করে। মেরি প্রাথমিক ভাবে বাধ্যতামূলক ভাবে তার টাইফয়েড পরীক্ষার বিরোধিতা করেন ।কিন্তু পরে বাধ্য হন পরীক্ষায় সায় দিতে । তার স্টুল Salmonella typhi পজিটিভ প্রমাণিত হয়। সেই সাথে সোবারের ধারণাও সত্যি প্রমাণিত হয়।মেরিকে প্রথমবারের মতো নর্থ ব্রাদার আইল্যান্ডে একটি কটেজে কোয়ারিন্টিনে রাখা হয় ।১৯০৯ সালে মেরি মেলোন নিউইয়র্ক হেলথ ডিপার্টমেন্টের বিরুদ্ধে মামলা করেন তাকে কোয়ারিন্টিনে রাখার সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে যদিও কোর্ট মামলাটি খারিজ করে দেয়। মেরিকে কেউ টাইফয়েডের "ক্যারিয়ার" বিষয়টা কখনো ব্যাখ্যা করেনি বরং তার গলব্লাডার অপারেশনের প্রস্তাব দেওয়া হলে সে সেটা প্রত্যাখ্যান করে। তাকে আরো কিছু ভ্যাকসিন দিয়ে চিকিৎসার চেষ্টা করা হয় । এর কোনোটাই সাফল্যের মুখ দেখেনি ।১৯১০ সালে নিউইয়র্কের নতুন হেলথ কমিশনার মেরির আবেদনের প্রেক্ষিতে মেরিকে মুক্তি দেন কোয়ারিন্টিনের বন্দি জীবন থেকে। কিন্তু তাকে কুকের কাজ থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয় ।


মেরি মেলোনকে নিয়ে কার্টুন

মেরি কোয়ারিন্টিন থেকে মুক্তি পাবার পর কমিশনারের নির্দেশ অমান্য করেন। 'হেলদি ক্যারিয়ার' ধারণাটাতে স্কেপ্টিক কিছু ইমপ্লয়ার তাকে কাজের জন্য আহ্বান জানায় । মেরি একটি রেস্টুরেন্ট চেইনে কাজ নেন আর সেই সাথে আবার নিউইয়র্কের জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি হয়ে উঠেন । ম্যানহাটনের Sloane Maternity-তে তিন মাস কুকের কাজ করার সময় অন্তত ২৫জন ডাক্তার নার্স ও স্টাফ টাইফয়েড আক্রান্ত হয় এবং তাদের দু'জন মারা যায় । সে সময় থেকেই মেরি মেলোন "টাইফয়েড মেরি" নামে খ্যাত বা কুখ্যাত হয়ে উঠেন । তার নাম সমধর্মী হয়ে ওঠে ডিজিজ ক্যারিয়ার হিসেবে।মেডিকেল ডিকশনারিতে " টাইফয়েড মেরি" টার্মটা সংযুক্ত হয় ডিজিজ ক্যারিয়ার বা রোগের বাহক কথাটা বোঝাতে। অসংখ্য কার্টুন, ব্যঙ্গ চিত্র তৈরী হয় তার নামে। মেরি, নাম পাল্টিয়ে মেরি ব্রাউন হিসেবে আরো কিছু দিন কাজ করেন নিউইয়র্কে । কিন্তু অল্প পরেই তাকে আবার নর্থ ব্রাদার আইল্যান্ডে কোয়ারিন্টিনের আদেশ দেওয়া হয় । মৃত্যুর দিন পর্যন্ত মেরি মেলোন কোয়ারিন্টিনেই অন্তরীণ থাকতে বাধ্য হন । ১৯৩২ সালের ক্রিসমাসের সকালে তার জন্য কিছু ডেলিভারি দিতে আসা এক লোক তাকে বাংলোর মেঝেতে প্যারালাইজড অবস্থায় পরে থাকতে দেখেন । সেই থেকে ১৯৩৮ সালে মৃত্যুর আগে পর্যন্ত মেরি চলৎশক্তিহীন হিসেবেই কাটান । মৃত্যু পরবর্তী পোস্ট মর্টেম অনুযায়ী ডাক্তারদের ধারণা যে গ্যালাস্টনের কারণেই তার Salmonella typhi ব্যাকটেরিয়া নানান পরীক্ষায় আড়াল থেকে যায়(এর বিরুদ্ধ মতও আছে )। মৃত্যুর পর তাকে খুবই দ্রুততার সাথে নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসের সেইন্ট রেমন্ড সেমিটারিতে কবর দেওয়া হয় ।


ব্রঙ্কসের সেইন্ট রেমন্ড সেমিটারিতে মেরি মেলোনের কবর

লক ডাউন আর রোজা মিলে প্রতি দিনের রুটিনে দিনরাত্রিসম পরিবর্তন মানে বিড়াট পরিবর্তন হয়েছে । সাধারণত আমি সন্ধ্যাবেলা দিনের সব কাজ শেষে ব্লগে একটু আসতাম । কিন্তু এখন নয়টা/ সোয়া নয়টার দিকে ইফতার শেষ করার পর অল্প একটু বসতে বসতেই প্রায় এশার নামাজ আর তারাবির সময় হয়ে যায় (সেই সময়টা আমার আয়েশ করে কফিতে চুমুক দিয়ে লেট্ নাইট নিউজ দেখার সময় !)। যদিও এবার বাসায়ই তারাবি পড়ছি তবুও তারাবি শেষ করতে করতে প্রায় রাত সাড়ে এগারোটা থেকে বারোটা বেজে যাচ্ছে । তাই ব্লগে আসাও হচ্ছে না তেমন । এর মধ্যেই ব্লগে কিছু লেখা পড়লাম। কিছু লেখায় চোখ বুলিয়েই শেষ করলাম। ব্লগের প্রিয় নাম হাসান মাহবুবের "করোনার লাশ কই " লেখাটাও পড়া হলো ।মন্তব্যগুলোও পড়লাম । সেই থেকেই টাইফয়েড মেরির কাহিনীটা মনে হলো ।

প্রথমেই বলি, এখন পর্যন্ত হাসান মাহবুবের শিরোনামটার উত্তরে দেশে করোনায় হাজার হাজার মৃত মানুষের লাশ গুনতে হয়নি দেখে হাজার শুকরিয়া করছি (আজ আমেরিকায় ৬০ হাজার পেরিয়ে গেলো মৃত্যু )। আগের কয়েকটা পোস্টে দেশি বিদেশী কয়েকটা গবেষণায় করোনা ভাইরাসে বাংলাদেশে লক্ষাধিক মানুষ মারা যাবার সম্ভাবনার কথা আমিও লিখেছিলাম। হাসান মাহবুব মনে হলো সেই গবেষণাগুলোর ফাইন্ডিংস নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন ? যদিও করোনা ইতালির মতো দেশে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেনি একই ধরণের কাজ কর্মের পরেও সেটা থেকেই হাসান মাহমুদের এই উপসংহারটা আপাত সত্যি কিন্তু তবুও আমি কেন যেন একটু শংকিত। আমেরিকায় সিডিসি কিন্তু একটা সেকেন্ড ওয়েভের কথা বলছে খুব জোরের সাথেই।এটাও বলছে যে সেকেন্ড ওয়েভ আরো ডিভাস্টেটিং হয়ে উঠতে পারে সামারে আমেরিকার কোনো কোনো জায়গায়।

হাসান মাহবুবের লেখায় কেউ কেউ ক্যালিফোর্নিয়া আর নিউইয়র্কের করোনার দুই ধরণের ফলাফলের জন্য উষ্ণতার ভুমিকার কথা মনে হয় বলতে চাইছেন কিন্তু এখানে বেশির ভাগ বিশেষজ্ঞই কিন্তু বলছেন এই দুই স্টেটে করোনার মৃত্যুর পার্থক্যের কারণ হলো করোনা ম্যানেজমেন্টে । ক্যালিফোর্নিয়া অনেক আগে ভাগেই লক ডাউন শুরু করেছিল সেখানে নিউইয়র্ক শুরু করেছে অনেক পরে ।এমন কি NYC মেয়র ব্লাজিও প্রকাশ্যে টিভি ইন্টারভিউয়ে সিটিতে লক ডাউনের কথা বললেও সেটা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে গভর্নর কোমো সেটার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছিলেন । যদিও তার কয়েক দিন পরে লক ডাউনের ঘোষণা দেন স্বয়ং গভর্নর নিজেই।এই ম্যানেজমেন্টই পার্থক্য গড়ে দিয়েছে বলে সবাই বলছেন । আর উষ্ণ বা গরম ওয়েদারে করোনা ভাইরাসের শক্তি কমে যাবে তার কোনো প্রমান যে নেই সেটা প্রায় প্রতিদিনই ডক্টর ফাউচি (ইনাকে নিয়ে আমায় একটা লেখায় বলেছি ) বলছেন । ডব্লিউএইচও- কিন্তু একই কথা বলছে অনেক দিন ধরেই ট্রাম্পের উষ্ণ তত্বের প্রচারের প্রচেষ্টার পর থেকেই । আমাদের দেশে এখনো করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা খুব কম সে থেকে টাইফয়েড মেরির পোস্টমর্টেমে ডাক্তারদের Salmonella typhi ব্যাকটেরিয়া মিস করে যাবার ব্যাপারটা মনে হলো । আমরাও কি কিছু মিস করছি ? আমাদের করোনা ভাইরাস কেমন করে ইতালি বা আমেরিকার থেকে ভিন্ন তা কি আমরা নিশ্চিত ডেটা এনালাইসিস দিয়ে জানি ? এটা যে আগে পরে কখনো আমাদের জন্য মারাত্মক জীবন সংহারী হয়ে উঠবে না সেটার ব্যাপারে আমাদের পলিসি মেকাররা কি সম্পূর্ণ নিশ্চিত ? (করোনার উষ্ণ তত্ত্বের বিপরীতে) আসছে শীতে একটা সেকেন্ড ওয়েভ যে আমাদের এখানেও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠবে না তার ব্যাপরে আমরা কি নিশ্চিত ? "টাইফয়েড মেরি"-র মতো (হয়তো) অসংখ্য এসিম্পটোমিক হেলদি ক্যারিয়ার হিসেবে যারা আছেন বা থেকে যাবেন তারা যে এই সেকেন্ড ওয়েভকে কন্ট্রিবিউট করবেন না তার কোনো নিশ্চয়তা কি আমাদের আছে ? কোনো ডেটা ? মনে রাখতে হবে কোনো ভ্যাকসিন কিন্তু আমাদের নেই হাতে ।বরং আছে করোনা ভাইরাস টেস্টিংয়ের ব্যাপারেও আমাদের সরকারের অবিশ্বাস্য অনীহা ! এখানকার সব স্টেট্ গভর্নর কিন্তু স্টেট্ ইকোনোমি ওপেন করার ব্যাপারে সবচেয়ে জোর দিচ্ছেন টেস্টিংয়ের ব্যাপারেই । টেস্ট থেকেই শুধু নিশ্চিত ভাবে জানা যাবে কার করোনা আছে আর কার নেই । তার থেকেই খুব সীমিত ভাই কোয়েরিনটিন চালু করে লক ডাউন তুলে দেবার পক্ষেই সব গভর্নরদের মত আর যেটা খুব বাস্তব একটা চিন্তা ।আরো একটা কথা মনে রাখা দরকার কয়েকশো বিলিয়ন ডলার বিনিয়গের সামার অলিম্পিকও এক বছর পিছিয়ে দেবার মতো অবিশ্বাস্য ঘটনা কিন্তু জাপানের মতো দেশ করেছে করোনা সামলাতে।সামারের উষ্ণ দিনগুলোতেও অলিম্পিক আয়োজন করার ঝুঁকি নেয় নি। সাধু সাবধান হবার সময় কি পেরিয়ে এসেছি দেশে?তবে হাসান মাহবুবের সাথে একটা ব্যাপারে আমি একমত যে লক ডাউন তাড়াতাড়ি তুলে নেবার একটা কার্যকরী ব্যবস্থা নিতেই হবে নইলে ক্ষুধা দুর্ভিক্ষে অবস্থা খারাপ হবে দেশের। ক্ষুধা দারিদ্র্যের থেকে নিশ্চিত বেঁচে থাকতে হলে করোনার ব্যাপারে সিদ্ধান্তগুলোও শুধু অনুমান ভিত্তিক নয়, বিজ্ঞানভিত্তিক হলেই ভালো হয় ।

মন্তব্য ৬৬ টি রেটিং +২২/-০

মন্তব্য (৬৬) মন্তব্য লিখুন

১| ২৮ শে এপ্রিল, ২০২০ বিকাল ৫:০৮

মৌরি হক দোলা বলেছেন: মেরির থেকে অনেকে টাইফয়েডে সংক্রমিত হয়েছিল। কিন্তু মেরির শরীরে এই জীবানু সংক্রমণ ঘটেছিল কীভাবে?

২৮ শে এপ্রিল, ২০২০ বিকাল ৫:২০

মলাসইলমুইনা বলেছেন: মৌরি হক দোলা,
আপনিতো খুব ভালো স্টুডেন্ট দেখছি ! কঠিন প্রশ্ন । ঠিক কোথায় বা কার থেকে মেরি মেলোনের টাইফয়েড হয়েছিল সেটা নিয়ে কোথাও দেখেছি বলেতো মনে হয় না ।আসলে সেতো ছিল সাইলেন্ট ক্যারিয়ার বা হেলদি ক্যারিয়ার ।তার কখন সংক্রমণ হয়েছিল সেটা তাই কখনোই জানা যায় নি। অনেক মনোযোগ দিয়ে লেখাটা পড়েছেন বলে মনে হলো । অনেক ধন্যবাদ সেজন্য । ও আর কঠিন প্রশ্নের জন্যও ।তা আপনাদের পরীক্ষা যে পিছিয়ে গেলো সেটার কি নতুন ডেট হলো কোনো ?

২| ২৮ শে এপ্রিল, ২০২০ বিকাল ৫:২০

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: করোনা সম্পর্কে বিশ্ববাসীর জ্ঞান এখনো খুব কম।

২৮ শে এপ্রিল, ২০২০ বিকাল ৫:৪৯

মলাসইলমুইনা বলেছেন: হেনা ভাই,
এই কথাটাই আমেরিকান মেডিকেল সাইন্টিস্টদের মুখ থেকে সব সময় শুনছি যে করোনা সম্পর্কে এখনো আমরা বেশি কিছু জানি না । আসলে এতো কম সময়ের মধ্যে ভাইরাসটা এতো ডিভাস্টেটিং হয়ে গেছে যে অন্য কেটে এনভায়রনমেন্ট (সামারে বা ফলে ) এটা কেমন আচরণ করবে সেটা পরীক্ষা করার সময়ও হয়নি তাই অনেক কিছুই এটা সম্পর্কে ঠিক এখুনি বলা যাচ্ছে না । সেটাই এখানকার মেডিকেল এক্সপার্টরা বলছেন । আমাদের ওখানে মানুষ কেমন করে এতো দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলছেন এই ভাইরাস সম্পর্কে সেটা ভেবেই আমি খানিকটা অবাক । মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ।ভালো থাকুন ।

৩| ২৮ শে এপ্রিল, ২০২০ বিকাল ৫:২৬

মৌরি হক দোলা বলেছেন: :D ;) B-) :P

নাহ আপু। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে সেপ্টেম্বর অবধি সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে বলে ঘোষণা এসেছে। আজ তো ৫০০এর উপরে আক্রান্ত হয়েছে গত ২৪ঘন্টায়। আল্লাহপাক জানেন কি হবে!

২৮ শে এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০৬

মলাসইলমুইনা বলেছেন: মৌরি হোক দোলা,
হাহাহা ----(নাহ আপু !)মনোযোগী পাঠক এতো অমনোযোগী হয়ে গেলো কিভাবে ?
পরীক্ষার প্রিপারেশনে কিন্তু এতো অমনোযোগী হওয়া যাবে না !!

ইনশাল্লাহ দেশের সবার জন্য আল্লাহ কাছে দোয়া চাইছি রোজার রাতগুলোতে ।আশাকরি দেশে আপনারা সবাই ভালো থাকবেন ।

৪| ২৮ শে এপ্রিল, ২০২০ বিকাল ৫:৩৬

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: পৃথিবীর অন্যান্য দেশের সাথে সঙ্গতি রেখে আমাদের দেশের লক-ডাউনের সময়কাল বর্ধিত, কিংবা সীমিত আকারে লকডাউন খুলে দিতে হবে। ধরুন, যে-সমস্ত দেশের সাথে আমাদের আমদানি-রফতানি, বিশেষ করে গার্মেন্টস রফতানির বাণিজ্য রয়েছে, তারা লকডাউন কন্টিনিউ করলে আমাদের তড়িঘড়ি করে লকডাউন উঠিয়ে গার্মেন্টস চালু করা মানে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ করার ঝুঁকির শামিল হবে।

পৃথিবীর কোনো দেশই আগেভাগে করোনা পরিস্থিতি সঠিকভাবে আঁচ করতে পারে নাই, ফলে করোনার বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নিতে পারে নাই কোনো দেশই (সিঙ্গাপুরসহ আরো কয়েকটা দেশ বাদে)। আমাদের দেশ গরম আবহাওয়ায় আক্রান্ত হবে না- এই তত্ত্বের কারণে প্রস্তুতি নিতে একটু বেশিই গড়িমসি করেছিল। কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আমাদের হাওকাওয়ের অন্ত নাই। কিন্তু, তারপরও, আমি মনে করি, দেশের অবস্থা আল্লাহর রহমতে অতটা নাজুক বা ভয়ঙ্কর না। এই মে মাসেই করোনার ভয়াবহতা ডিসেন্ডিঙে নামবে বলে শোনা যাচ্ছে। সেটা সত্যি হলে আল-হামদুলিল্লাহ।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, পরিস্থিতির উন্নতি না হলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো সেপ্টেম্বরের আগে খুলবে না। এ থেকে সারাদেশের সার্বিক লকডাউনের সময়কালের একটা ধারণা পাওয়া যায়। বেঁচে থাকার জন্যই লকডাউনের সময়কাল পর্যায়ক্রমে বাড়াতে হবে। অসহায় মানুষদের জন্য সরকারি ত্রাণের ব্যবস্থা জরুরি। তবে, পর্যাপ্ত ত্রাণ প্রাপ্যদের হাতে না পৌঁছালে লকডাউন মানবে না জনগণ। এখানে একটা আশার কথা হলো- টেকনোলজি আমাদেরকে একটা ভালো সুবিধা দিবে এই মহামারিতে। কোথাও কোনো দুর্যোগ, অসঙ্গতি দেখা দিলে সাথে সাথে তা সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ছে এবং সে-সবের ব্যবস্থাও নেয়া হচ্ছে যথাসাধ্য। কাজেই, লকডাউনের সময়কাল যদি বাড়ানো হতে থাকে, অন্তত ৬ মাস অসহায় মানুষদের চালিয়ে নেয়ার মতো সামর্থ সরকারের আছে বলেই মনে করি।

তবে, মহামারির প্রকোপ যদি বাড়ে, লক-ডাউনের সময়কাল বাড়তে থাকবে। এই সময় যদি খুবই দীর্ঘ হয়, মানুষের শস্য উৎপাদন ব্যাহত হলে, খাবার ফুরিয়ে গেলে, মানুষ আপনা-আপনি আবঁচার জন্য লক্ডাউন ভেঙে বাইরে বেরিয়ে পড়বে। সেই সাথে কলকালখানাও চালু হবে, মানুষ কাজে ব্যস্ত হবে। তখন, হাতের মুঠোয় প্রাণ নিয়েই মানুষ জীবিকার জন্য সংগ্রাম করতে থাকবে।

আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি, অতি দ্রুত এই দুর্যোগ কেটে যাক।

মেরি মেলোনের ঘটনাটা পড়ে আমি ব্যথা পেয়েছি মেরির জন্য। মেরি নিজে কোথা থেকে এই জীবাণু ধারণ করেছিল, তা অনাবিষ্কৃতই থেকে গেল। সে এক ভাগ্যবিড়ম্বিত মহিলা ছিল, বলা যায়।

০১ লা মে, ২০২০ ভোর ৫:৩৬

মলাসইলমুইনা বলেছেন: খলিল ভাই,

অনেক সুন্দর মন্তব্য করে আমার লেখাটাকে দারুন ভাবে কমপ্লিমেন্ট করেছেন । আমি যে ব্যাপারগুলো শুধু প্রশ্নের মধ্যেই সীমিত রেখেছিলাম সেগুলোর একটা চমৎকার ব্যাখ্যা আর বর্ণনা হয়ে গেছে আপনার মন্তব্য । এই ইস্যুগুলোর জন্যই আসলে নিশ্চিত হতে হবে করোনার বিস্তার কতটুকু হলো সে ব্যাপারে । সেটা না করতে পারলে সামনে বিপদটা অনেক বড় হয়ে যাবে বলে আমার আশংকা । করোনা টেস্ট নিয়ে লুকোচুরি করলে করোনার এখনকার ঝামেলা কেটে গেলেও বাংলাদেশের জনসংখ্যা রপ্তানিতে একটা প্রভাব পড়তে পারে । যেভাবে অনেক কম সংখ্যক ইনফেক্টেড মানুষ থেকে এই ভাইরাস আমেরিকা বা ইউরোপ এই চরম সংকট সৃষ্টি করেছে তা থেকে ভবিষ্যতে এই দেশগুলো যে করোনার ব্যাপারে যে অনেক কড়াকড়ি করবে সেটা মুটামুটি নিশ্চিত । তাই করোনার টেস্টিং বা এর বিস্তারের ব্যাপারে বিশ্বাসযোগ্যতার অভাব সৃষ্টি হলে সে থেকে কিন্তু আমাদের জনশক্তি রপ্তানিতে একটা ধ্বস নামতে পারে বলেই আমার ধারণা । গার্মেন্টসসহ অন্য প্রোডাক্ট এক্সপোর্টের ব্যাপারেও বিশ্বাসযোগ্যতার সংকট সমস্যা তৈরী করতে পারে ।

আর করোনা ঠিকঠাক মতো নিয়ন্ত্রণ না করা গেলে আভ্যন্তরীন সংকটটাও হবে কঠিন। আজীবন লক ডাউন করেতো আর চলা যাবে না ।সেটা দেশের অর্থনীতির কারণেই তুলে দিতে হবে ।আর আমাদের দেশের সামর্থ্যও সীমিত । এক নাগারে সরকারের পক্ষে খাদ্য,নগত সাহায্য বা রেস্কিউ প্যাকেজ দেওয়া (যে ফর্মেই হোক ) সম্ভব না । তাই সঠিক ভাবেই কাজগুলো করতে হবে ।নইলে ক্ষতির প্রভাবটা হবে অনেক বড় ।অসংখ্য মানুষকে ইনফেক্টেড রেখে লক ডাউন তুলে নেওয়াও কোনো বড় সুবিধা দেবেনা দেশের অর্থনীতিকে বরং এটার নেগেটিভ ইফেক্টটাই বোরো হয়ে যেতে পারে। চিটাগাঙে ইপিজেডে এখনই লক ডাউন তুলে নিয়ে গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিগুলো খুলে দেওয়া নিয়ে আমি আসলেই খুব ভয়ে আছি এখন ।

সেজন্য যতদুর সম্ভব টেস্টিং বাড়িয়ে এই ব্যপারে একটা বিশ্বাসযোগ্য ধাৰণা দেশে বিদেশে সবাইকে দেওয়াই সরকারের জন্য ভালো। পোস্টটা লেখার সময় এটাই মূল ভাবনা ছিল। যাহোক, অনেক সুন্দর মন্তব্যের জন্য আবারো ধন্যবাদ। ভালো থাকুন ।সুস্থ্য থাকুন ।

৫| ২৮ শে এপ্রিল, ২০২০ বিকাল ৫:৩৯

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: উপরের কারেকশন : মানুষ আপনা-আপনি আবঁচার জন্য লক্ডাউন ভেঙে বাইরে বেরিয়ে পড়বে < মানুষ আপনা-আপনি বাঁচার জন্য লকডাউন ভেঙে বাইরে বেরিয়ে পড়বে।

০১ লা মে, ২০২০ ভোর ৫:৩৮

মলাসইলমুইনা বলেছেন: খলিল ভাই,
লজ্জা পেয়ে গেলাম ভীষণ আপনার এই মন্তব্যে ।এখন থেকেতো ডিকশনারি সাথে নিয়ে আপনার লেখায় মন্তব্য করতে হবে তাহলে । হাহাহা ---।লিখতে যেয়ে আমার যা ভুল ভাল হয় !

৬| ২৮ শে এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:২১

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: অজানা একটা বিষয় জানলাম। তার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আল্লাহ সবাইকে এই কঠিন সময় থেকে উত্তরণ করুন।

০১ লা মে, ২০২০ ভোর ৫:৫৫

মলাসইলমুইনা বলেছেন: মাহমুদুর রহমান সুজন,
অনেক ধন্যবাদ পোস্ট পড়া আর মন্তব্যের জন্য । হ্যা আল্লাহ সবাইকে এই কঠিন সময়ে হেফাজত করুন ।

৭| ২৮ শে এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২২

আহমেদ জী এস বলেছেন: মলাসইলমুইনা,




মেরীর কাহিনী জানা ছিলোনা। জানানোর জন্যে ধন্যবাদ।

অনেক অনেক প্রশ্ন রেখেছেন। সব প্রশ্নের উত্তরই এখন পর্যন্ত্ অনিশ্চয়তায় ভরা।
একটি ঘনবসতিপূর্ণ আর দিনমজুরে ভরা দেশে জীবন আর জীবিকার প্রশ্ন যেখানে প্রকট সেখানে ভেবে চিন্তে, সব কিছু বৈজ্ঞানিক তথ্য-উপাত্ত দিয়ে বিশ্লেষণ করে সুপরিকল্পনাময় সিদ্ধান্ত গ্রহন করা উচিৎ যাতে জীবন ও জীবিকা যেন একই সাথে অক্সিজেন টেনে নিতে পারে একটু একটু হলেও!

০১ লা মে, ২০২০ সকাল ১০:১১

মলাসইলমুইনা বলেছেন: আহমেদ জী এস ভাই ,

অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যে । বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারে যে গাছাড়া একটা ভাব দেখা যাচ্ছে সে থেকেই টাইফয়েড মেরির কাহিনীটা মনে এলো।গতকাল থেকে মনে হয় চিটাগাঙ ইপিজেডে গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিগুলো খুলে দেওয়া হয়েছে।লক ডাউন এক সময় অবশ্যই তুলে নিতে হবে। এটা সব সময়ের জন্য সমাধান না ।কিন্তু সবাইকে টেস্ট না করে এই ফ্যাক্টরিগুলো খুলে দেওয়া মনে হচ্ছে এক ধরণের আত্মহত্যা। এতে যারা এখনো করোনা মুক্ত আছে তারাও ইনফেক্টেড হয়ে যেতে পারে । আর কোনো কর্মচারী ইনফেক্টেড হয়ে গেলেতো আর কাজে যেতে পারবে না আর বেতনও পাবে না । তাহলে কি লাভ হবে শ্রমিক বা কর্মচারী কোনো পক্ষেরই সেটাই ভাবছি । লক ডাউন তুলে নেবার আগে এই ব্যাপারগুলো ভাবার দরকার ছিল । কারণ এই নভেল করোনা ভাইরাসটাতো এক্সট্রিমলি ট্রান্সমিটেবল । তাছাড়া এটা প্রথম ওয়েভের পর আবার ফিরেও আসতে পারে । তাই সব মিলিয়ে করোনা টেস্ট করাটা খুব জরুরি কিন্তু আমাদের সরকার মনে হয় এসব নিয়ে খুব একটা ভাবছেন না । এই সব উদ্বেগ থেকেই লেখা । টাইফয়েড মেরির ঘটনাটা শুধু ইতিহাস থেকে একই ধরণের ঘটনায় কেমন ডেঞ্জারাস ফলাফল হতে পারে সেটা বলবার জন্যই । আপনার লেখাটা ভালো লেগেছে জেনে খুবই সন্তুষ্ট হলাম নিজের লেখা সম্পর্কে ।ভালো থাকুন ।

৮| ২৮ শে এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২৮

নতুন বলেছেন: দেশে যেহেতু ৫-৬ লক্ষ প্রবাসী ফিরে এসেছে তাদের কয়েক % আক্রান্ত হলে এবং দেশে এসে আক্রান্ত করলেও কয়েক হাজার আক্রান্ত আছে এই মূহুতে`। সংখ্যাটা ৫ থেকে ৫০ হাজার হলেও অবাক হবো না।

আমাদের দেশে কিন্তু এই গরমের মৌসুমে কাশি, শদি`, নিউমোনিয়ার আক্রমন কমে যায়।

করোনায় আক্রান্তের কপ্লিকেসনের একটা দিক খারাপ টাইপের নিউমোনিয়ায় রুপ নেয় ফুসফুসের সংক্রামন।

হয়তো আমাদের দেশের আবহাওয়া এবং সাবজনীন বিসিজি টীকা, আমাদের দেশের মানুষের লাইফস্টাইল টাইপ, লকডাউন শুরু করা এবং কিছুটা পালন করার মতন কিছু কাজের ফলে এখনো মৃত্যুর সংখ্যা খুব বেশি বাড়ছেনা।

আমার মনে হয় যারা মারা যাচ্ছেন তারা যদি সময় মতন ভালো চিকিতসা পেতেন তবে মৃত্যুর সংখাটা আরো কম হত।

অনেকেই শোনা যাচ্ছে বিভিন্ন হাসপাতালে ঘুরে চিকিতসা পাচ্ছেনা ।

আশা করি আমাদের দেশের আক্রান্তের সংখ্যা কমতে থাকবে।

কিন্তু পরিক্ষা করে বুঝতে হবে আসলে কতলোক আক্রান্ত আছে। ১৭ কোটি মানুষের দেশে দিনে ৩ হাজার করে টেস্ট করে ১০% মানুষের টেস্ট করতে ১৫ বছর লাগবে। :(

১ লক্ষ মানুষ স্ক্রিনিং করার সুবিধা বানাতে হবে যাতে দিনে ২০ হাজার টেস্ট করা যায়।

দেশের ৫ থেকে ১০ % মানুষকে পরিক্ষা না করতে পারলে আসল গভীরতা বোঝা যাবে না।

০১ লা মে, ২০২০ সকাল ১০:৪০

মলাসইলমুইনা বলেছেন: নতুন,
হ্যা টেস্ট করে আসলে জানাটা খুব দরকার যে আনুমানিক কি পরিমান মানুষ এই করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত দেশে । মেরি মেলনের ইতিহাস থেকে আমরা জানি যে প্রায় তিন হাজার মানুষের ইনফেকশনের জন্য সে প্রত্যক্ষ আর পরোক্ষ দু ভাবেই দায়ী । তাই আপনি যে বললেন ৫থেকে পঞ্চাশ হাজার ইনফেক্টেড মানুষ থাকার সম্ভাবনা সেটা দেশে শুরুর দিকেই মানে যখন বিদেশ থেকে কয়েক লাখ মানুষ ফিরে এলো তখনই ছিল। এর পরে গার্মেন্টস কর্মীদের ঢাকায় ডেকে আনা (যে ভাবে ক্লোজ কন্টাক্টে তারা এসেছে ) আর ঢিলে ঢালা লক ডাউন থেকে এখন যে ঠিক কি পরিমান ইনফেক্টেড রুগী দেশে আছে সেটা আল্লাহই একমাত্র জানেন । একজন ক্যারিয়ার যদি ৩০০০ মানুষকে টাইফয়েড আক্রান্ত করতে পারে তাহলে এই পঞ্চাশ হাজার বা তার বেশি সংখ্যক মানুষ দিয়ে যে কত মানুষ আমাদের মতো ঘনবসতির দেশে আক্রান্ত হতে পারে সেটা ভাবতেও ভয় করছে আমার । আমেরিকাতে কি পরিমান দ্রুত যে এই ভাইরাসটা ছড়িয়ে গেলো সেটাতো নিজে চোখেই দেখছি । এই ভয় থেকেই এই লেখা ।

আপনি ঠিকই বলেছেন দেশের ৫ থেকে ১০ % মানুষকে পরিক্ষা না করতে পারলে আসল গভীরতা বোঝা যাবে না। টেস্টের ব্যাপারে আপনি যা বলেছেন তার সাথে সম্পূর্ণ একমত ।এই টেস্ট না করাটা হবে এক ধরণের আত্মহত্যা । প্রয়োজনীয় সংখ্যক মানুষকে টেস্ট না করে করোনা নেই দেশে সেটা বলে আত্মপ্রসাদের কোনো সুযোগ আছে বলে আমার মনে হয় না । তাছাড়া করোনা সম্পর্কে বিশ্বাসের সংকট থাকলে সেটা করোনা উত্তর বিশ্বে বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানিতে গভীর সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে ।কারণ কোনো দেশই করোনা সম্পর্কে নিশ্চিত না হয়ে বিদেশী শ্রমিক নেবে না মনে হয় কারণ যেই পরিমান ঝামেলা দেশগুলো এই ভাইরাসের কারণে পোহালো সেটার পুনরাবৃত্তি এরা করবে না সেটাই সত্যি । আমাদের সরকারকে ব্যাপারগুলো দীর্ঘমেয়াদি লাভ লোকসানের ভিত্তিতেই দেখতে হবে । লেখার সময় সেই কথাগুলোই ভাবছিলাম । যাক, ভালো থাকুন । আপনার মেয়ের জন্য আদর ।

৯| ২৮ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:০৫

সোহানী বলেছেন: মেরি মেলোনের ঘটনাটি শেয়ারের জন্য ধন্যবাদ। এর থকে একটি জিনিস সবাই শিক্ষা নিতে পারতো যেমন মেরিকে যদি সঠিক ভাতা দেয়া হতো তাহলে ২য় পর্যায়ে বা ৩য় পর্যায়ের বিপর্যয় হতো না। যা কানাডার ট্রুডো করেছে। সিম্পল সরকার সব কিছুর দায়িত্ব নিয়েছে। ভাতা, চাইল্ড বেনিফিট, খাবার সরবরাহ, স্কুলের সব উপকরন এমন কি কম্পিউটার পর্যন্ত। যার কারনে কারোই তেমন ঘর থেকে বের হবার প্রয়োজন হয়নি। তাই নিয়ন্ত্রন থেকেছে সবকিছূ।

আমাদের দেশে কিছু নয়, শুধুমাত্র বিদেশ থেকে আগতদেরকে যদি ৩/৪ তারকা হোটেলে রাখার ব্যবস্থা করতো তাহলে বলতে গেলে বিশাল অংশই রক্ষা পেতো।

তবে হাসান ভাইয়ের সাথে আমিও একমত। আমাদের মতো গরীব দেশে পেটের ভাত জোগাড় একটা বড় চ্যালেন্জ। আমরাতো আর কানাডা আমেরিকা নই!!

০১ লা মে, ২০২০ সকাল ১০:৫৫

মলাসইলমুইনা বলেছেন: সোহানী,

আপনি আমার লেখার মূল পয়েন্টটাই একেবারে শুরুতেই বলেছেন । হ্যা এই কথাটা বলতেই লেখাটা । যে ভাবেই হোক ভাইরাস ক্যারিয়ারকে আলাদা রাখতে হবে (ভাতা দিয়ে বা অন্য কোনো ভাবে)। আমাদের দেশে লম্বা সময় সবাইকে ভাতা দেবার মতো আর্থিক সক্ষমতা আমাদের সরকারের নেই । সেটা সম্ভব না সরকারের পক্ষে ।তাই যতদূর সম্ভব বেশি টেস্ট করেই বোঝা যাবে কত মানুষের করোনা আছে (অন্তত একটা ধারণা হলেও পাওয়া যাবে)। সেটা খুব দরকার । তাতে লক ডাউন তাড়াতাড়ি কিভাবে তুলে নেওয়া যাবে তার একটা বাস্তব সম্মত পরিকল্পনা সরকার করতে পারবে।নইলে এখন করোনা ভাইরাস আক্রান্তদের সম্পর্কে সুস্পষ্ট কোনো ধারণা না পেয়েই লক ডাউন তুলে নিয়ে সব কাজ কর্ম আগের মতো করতে গেলে কে জানে হিতে বিপরীত হয়ে যায় কি না ? আমেরিকায় এরা কি ভাবে করোনা ম্যানেজ করছে সেটা খুব ফলো করছি দেখেই দেশে সরকারের এই ব্যাপারগুলোর ম্যানেজমেন্টে ভয় করছে । মন্তব্যে অনেক ধন্যবাদ ।ভালো থাকুন ।

১০| ২৮ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:১৪

জুন বলেছেন: মলাসইলমুনা সম্পুর্ন অজানা এক তথ্য নিয়ে হাজির হলেন দেখছি। মেরীর মত আমাদের দেশেও অনেকে আছে যাদের মাঝে কীন উপসর্গ নেই কিন্ত নীরবে নিভৃতে রোগ ছড়িয়ে যাচ্ছে। ভাইরাসটি মানুষের তৈরি যা এক জাপানি নোবেল বিজয়ী বলেছেন। যদি কোনদিন এটা ভুল প্রমানিত হয় সেদিন যেন তার নোবেল প্রাইজটি কেড়ে নেয়া হয় তা যদি তার মৃত্যুর পরেও হয়ে থাকে। চীনাদের কোন ধর্মে বিশ্বাস নেই। মালয়েশিয়া বেড়াতে যাবার পর আমাদের গাইড একটা চীনা মন্দিরে নিয়ে গিয়েছিল। সেখানে বিশাল এক মুর্তি পুজিত হচ্ছে বিভিন্ন উপাচারে। কোন দেবতার মুর্তি আমাদের প্রশ্নের উত্তরে গাইড জানালো অর্থের দেবতার। চীনারা একমাত্র অর্থের দেবতাতেই বিশ্বাসী আর সেই তাদের একমাত্র আরাধ্য দেবতা। সেই গাইডের কথা এখনো মনে পড়ে। নৈতিকতা বিবর্জিত চীনারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে এটা আমারও মনে হয়। শুধু শুধু ওয়েট মার্কেটের নিরীহ বাদুর আর কুইরকুঞ্চো (প্যাংগোলিন) কে দোষারোপ।
ভয় ভয় ভালোলাগা রইলো অনেক। ভালো থাকুন সবসময়।

০২ রা মে, ২০২০ সকাল ১০:৪৩

মলাসইলমুইনা বলেছেন: জুন,
আপনি জানা শোনায় আর পড়াশোনায় আমার চেয়ে অনেক এগিয়ে আছেন আবার বুঝলাম । আপনি নোবেল বিজয়ী জাপানি এক সাইন্টিস্টের করোনা ভাইরাস মানুষের বানানো সেটা বলার একদিন মানে পুরো চব্বিশ ঘন্টা পরে সেটা নিয়ে আমি পড়লাম ।আজকে অবশ্য ডব্লিউএইচও বলেছে যে মানুষের না প্রকৃতগত ভাবেই তৈরী হয়েছে ! এর আগে আমেরিকা, ব্রিটেনসহো আরো কয়েকটা দেশই (একজন ফ্রেঞ্চ নোবেলরিয়েট আছেন সেই অভিযোগকারীর তালিকায়) )চীনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিল এই ভাইরাস ম্যানুফাকচারের । যাহোক এই ডামাডোলে এখনই বোঝা যাচ্ছে না সত্যিকার ভাবে কি হয়েছিলো । কিন্তু আমার একটা ব্যাপার শুরু থেকেই আশ্চর্য লাগছে সেটা হলো চীন বলছে এটা তাদের সি ফুড মার্কেট থেকে ছড়িয়েছে ! সি ফুড মার্কেটে বাদুড় বা প্যাঙ্গোলিন কেমন করে গেলো (এটা কি বানানো কোনো গল্পের একটা বড় ফাঁক ? হুমায়ুন আহমেদের একটা গল্পের কথা মনে হলো যেখানে একজন সন্যাসী টাইপ মানুষ একটা ছোট মেয়েকে এবিউজ করে খুন করে । তারপরে সে একটা মেয়ে তাকে ভুতের ভয় দেখায় সেটা বলে । কিন্তু সেই গল্প লেখকের কাছে শুনে মিসির আলী বলে সেটা সাজানো গল্প ।কাৰণ ভয় পাবার সময় একজন সন্যাসী গায়ত্রী মন্তর আর এই ধরণের মন্ত্র পড়বে কিন্তু সেটা এই বর্ণনায় নেই কারণ এটা বানানো গল্প তাই গুরুত্বপূর্ণ একটা ব্যাপারই বাদ পরে গেছে ভুলে । এখানেও কি সেকম হলো নাকি সেটা মনে আসে মাঝে মাঝেই ।) আরেকটা কথাও মনে হয় সেটা হলো এমন কি হলো যে করোনা ভাইরাস ঠিক এখন এরকম ভয়ঙ্কর হয়ে উঠলো ?বাদুড় বা প্যাঙ্গোলিন চাইনিজরা খায়তো অনেক আগে থেকেই । এমন কোনো এনভায়রনমেন্টাল ডিজাস্টার বা প্রাকৃতিক পরিবর্তন অব ইফেক্টের কথাতো শুনলাম না যাতে এমন হতে পারে ।তাহলে এটা এখন কেন এতো ভয়ংকর হয়ে ছড়িয়ে গেলো সেটার কোনো সন্তোষজনক ব্যাখ্যা আমি কোথাও দেখলাম না ।তাই মনের খুঁতখুঁত ভাবটা রয়েই গেলো এই ভাইরাসের উৎস নিয়ে । জ্বি, বাংলাদেশের কথা ভাবতে গিয়ে মেরি মেলনের ঘটনাটা এ'জন্যই বেশি মনে পড়লো যে একজন হেলদি ক্যারিয়ার কিভাবে অসংখ্য মানুষকে ইনফেক্টেড করতে পারে সেটা মনে হয় আমাদের পলিসি মেকাররা মনে রাখছেন না। যে অপ্রস্তুত অবস্থায় ইপিজেডে আমাদের গার্মেন্টস খোলা হলো আর অন্যগুলোও খোলার চিন্তা করা হচ্ছে তাতে আমাদের না কখনো 'করোনা কমলা' বা 'করোনা করিম' ধরণের টার্ম ব্যবহার করার দরকার হয় সেটা ভেবেই ভয় পাচ্ছি । যাক আল্লাহ ভরসা এখন । ভালো থাকুন ।কুশলে থাকুন ।অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যে ।

১১| ২৮ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:১৯

সন্ধ্যা প্রদীপ বলেছেন: হেলদি ক্যারিয়ার ব্যাপারটা যেকোনো রোগের জন্যেই বেশ ভয়ংকর।
মেরীর জন্য খারাপ লাগছে।ভাগ্য বিড়ম্বিত এক মানুষ বেচারি।



০২ রা মে, ২০২০ সকাল ১০:৫০

মলাসইলমুইনা বলেছেন: সন্ধ্যা প্রদীপ,
জ্বি, হেলদি ক্যারিয়ার ব্যাপারটা খুবই ভয়ংকর । এই করোনার ব্যাপারে এটা খুব ভালো ভাবেই বোঝা গেলো । এই ভাইরাসে প্রথম দু'সপ্তাহতো বোঝাই যায়নি কোনো সিম্পটম । কারো কারো ক্ষেত্রেতো কখনোই কোনো সিম্পটম বোঝা যায়নি ।আর তাতেই এই ভাইরাস এতো বিধংসী হয়ে ছড়িয়ে যেতে পারলো একজন থেকে অন্য জন্যে। এতো দ্রুতহয়ে উঠতে পারলো এক নির্মম হত্যাকারী । আর মেরি মেলোন খানিকটা হতভাগ্যই বলবো । সেই সময় মেডিকেল সাইন্স আরো একটু উন্নত থাকলে হয়তো তার দুর্ভাগ্য কিছুটা কম হতে পারতো । অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য ।

১২| ২৮ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:৫৯

রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্ট এবং মন্তব্য গুলো পরলাম।

০২ রা মে, ২০২০ সকাল ১০:৫২

মলাসইলমুইনা বলেছেন: রাজীব নুর,
আমি শিওর যে পোস্টের চেয়েও আপনার বেশি ভালো লেগেছে মন্তব্যগুলো । জ্যোতিষী হিসেবে আমি কেমন ?

১৩| ২৮ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ১০:০১

শের শায়রী বলেছেন: মেরীর কাহিনী জানা ছিল না ভাই। আফসুস মেরীর জন্য সারা জীবন বেচারী নিজের অনিচ্ছাকৃত এক রোগের বাহক হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করল।

পোষ্টে +++

০২ রা মে, ২০২০ সকাল ১১:০৪

মলাসইলমুইনা বলেছেন: শের শায়রী
হ্যা, মেরি মেলোনের ভাগ্য খানিকটা খারাপ সেটা বলতেই হবে । হেলদি ক্যারিয়ার ব্যাপারটাতে তার নিজের দোষ ছিল না কিন্তু তবুও তাকে জীবনের বড় একটা অংশ সেই দোষের জন্য প্রায়শ্চিত্ত করতে হলো । আপনার এ্যালিগেটর বেইটঃ সাদা মানুষের কালো অমানবিকতা লেখাটা পড়েছি আগেই ।একটা মন্তব্য করবো ভেবেছি লেখাটা পড়ার পরেই কিন্তু আর করা হয়ে উঠেনি । ইনশাল্লাহ করবো আজ কালের মধ্যেই ।পোস্ট পড়া আর মন্তব্যে অনেক ধন্যবাদ । ভালো থাকুন ।

১৪| ২৮ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ১০:০৭

নেওয়াজ আলি বলেছেন: জানলাম মেরী সম্পর্কে । হাসান মাহামুদ বলে বিএনপি জামাত লাশ হাসাপালে রেখে আসে । তা কতটুকু সত্য।

০২ রা মে, ২০২০ সকাল ১১:০৮

মলাসইলমুইনা বলেছেন: নেওয়াজ আলি
"--- বিএনপি জামাত লাশ হাসাপালে রেখে আসে । তা কতটুকু সত্য।" এ'ব্যাপারটা নিয়ে আসলে আমি কিছুই জানি না । দেশে যারা আছেন তারাই ভালো বলতে পারবেন ।অনেক ধন্যবাদ পোস্ট পড়ার আর মন্তব্যে ।

১৫| ২৮ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ১১:২১

ভুয়া মফিজ বলেছেন: এই টাইফয়েড মেরি'র থেকেই আমাদের র‌্যাব সম্ভবতঃ সন্ত্রাসীদের নামের আগে বিশেষণ লাগানোর আইডিয়া পায়। যেমন, সুইডেন আসলাম, হনুমান বজলু ইত্যাদি ইত্যাদি। বিজ্ঞ ব্লগারদের অনেকেই দেখলাম এই টাইফয়েড মেরি'র ব্যাপারটা জানতেন না, কিন্তু দেখেন, আমাদের র‌্যাব বাহিনীর জ্ঞানের পরিধি। ইনারা ঠিকই জানতেন। :P

বাংলাদেশ যে করোনা নিয়ন্ত্রণে একটা কৌশলগত সুবিধা পেতে পারে, এটা গত ২২শে মার্চেই আমি লিখেছিলাম। দেখতে পারেন, করোনা ভাইরাসঃ বাংলাদেশের কতিপয় কৌশলগত সুবিধা এবং অসুবিধা

গরম আবহাওয়া, আল্লাহর রহমত, বৃষ্টির কারনে ওয়াশ আউট বা অন্য যে কোনও কারনেই বলেন, বাংলাদেশে করোনা এখন পর্যন্ত তেমন একটা সুবিধা করতে পারে নাই। এটা সত্যি। তারপরেও, শেষ কথা বলার সময় এখনও আসেনি। দেখা যাক। দেশে আজ কথা বলে জানলাম, ঢাকার লকডাউন অনেকটা অলিখিতভাবেই উঠে গিয়েছে। এক হিসাবে আমার মতে এটা ঠিকই আছে। লোকজনের না খেয়ে মরার চেয়ে এটা ভালো। যে কোনও মহামারীর এন্ড রেজাল্ট হলো বিপুল সংখ্যক মানুষের মৃত্যু। সেটা দেশে কিন্তু আমরা তেমনভাবে এখনও দেখিনি। বাকীটা আল্লাহ ভরসা।

আর হ্যা, বলতে ভুলে গিয়েছিলাম, লেখাটা পড়ে ভালো লেগেছে। :)

০৫ ই মে, ২০২০ সকাল ১১:১১

মলাসইলমুইনা বলেছেন: ভুয়া মফিজ,
আপনিতো আমার জ্ঞানের দিনতা প্রকাশ করে দিতে আমার বদ্ধ ঘরের দরজা জানাল সব হাট করে খুলে দিলেন ! এই ভুয়া কাজটা না করলেই কি চলতো না ? ওমেরা (সুইডেন) আসলাম পর্যন্ততো জানতাম তার পরই নিঃসীম অজ্ঞানতা । তা এখন বলুন হনুমান বজলুটা কি ?

আপনার লেখাটা আমি পড়েছিলাম মনে হচ্ছে কিন্তু কোনো কারণে করবো করবো করেও মন্তব্য করা হয়ে উঠেনি । আপনি কি জ্যোতিষী চর্চা করেন নাকি ? লেখার কথা বার্তাতো এখন কৌশলগত সুবিধা প্রাপ্তির হাইপোথিসিসেই সীমিত না সেটাতো সত্যি হয়ে যাচ্ছে ! সেটাই সত্যি হোক । সেটা ভীষণ ভাবেই চাইছি । হ্যা সত্যি, লক ডাউন আসলেই দেশে নেই ।আর এখনতো আনুষ্ঠানিক ভাবেই শপিং মল, রেস্টুরেন্ট, ইফতারির বাজার, গার্মেন্টস সব ছোট বড় জায়গা (যে গুলো থেকে অবিশ্বাস্য গতিতে ইনফেকশন ছড়িয়ে যেতে পারে ) সব খুলেই দেওয়া হলো ! একটা গণহত্যার আয়োজন করা হলো কিনা দেশে সেটা ভেবেই চিন্তায় আছি (বিশাল ভয়েও)।যে কোনও মহামারীর এন্ড রেজাল্ট হলো বিপুল সংখ্যক মানুষের মৃত্যু। সেটা দেশে কিন্তু আমরা তেমনভাবে এখনও দেখিনি। বাকীটা আল্লাহ ভরসা। জ্বি, করোনার এই মহামারির ম্যানেজমেন্টে আমার যা করলাম দেশে তাতে আল্লাহই ভরসা এখন ।

লেখাটা পরে মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ । ভালো থাকুন ।

১৬| ২৯ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ১:৩৪

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
নাইমুল ইসলাম ভাই চমৎকার একটি আর্টিকেল পড়ার
সুযোগ দেবার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। করোনা নিয়ে
এখনও গবেষকদের ধারনা ধারনাই থেকে যাচ্ছে। গরমে
কমে বা শীতে বাড়ে এমন তথ্য এখনো প্রমানিত হয়নি।
এখন পনিতেও এর অস্তিত্ব পাওয়া যাচেছ। নিত্য নতুন
সিম্পটম গবেষকদের বিভ্রান্তির মধ্যে রেখেছে।

০৫ ই মে, ২০২০ সকাল ১১:৩৯

মলাসইলমুইনা বলেছেন: নুর মোহাম্মদ নুরু,

অনেক ধন্যবাদ লেখাটা পরে আন্তরিক মন্তব্যের জন্য । হ্যা, করোনার ব্যাপারে এখন আমাদের সাইন্টিস্টরা যতটুকু জানেন তার চেয়েও বেশি জিনিস মনে হয় না জানা । আমেরিকায় এই ব্যাপারটা কিন্তু সাইন্টিস্টরা বলছেন যে নভেল করোনা ভাইরাসের অনেক বৈশিষ্ট্যের ব্যাপারেই এখনই চূড়ান্ত ভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। এর অনেক বৈশিষ্ট্যই পরিবর্তিত হচ্ছে আর সেটাই এই ভাইরাস নিয়ন্ত্রণের কাজটা কঠিন করে দিয়েছে এখন পর্যন্ত ।দেখা যাক যে ওষুধগুলো ট্রায়ালে আছে সেগুলো কত তাড়াতাড়ি তৈরী হয় । লেখায় মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ । ভালো থাকুন ।

১৭| ২৯ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ৩:২১

কলাবাগান১ বলেছেন: এখানে দেখুন বিবিসিএর প্রতিবেদন
https://www.bbc.com/news/world-asia-india-52435463

০৫ ই মে, ২০২০ দুপুর ১২:১৭

মলাসইলমুইনা বলেছেন: কলাবাগান১,
ভারত নিয়ে বিবিসির প্রতিবেদনটা পড়লাম । অবাক হইনি খুব ।এখন পর্যন্ত অনেকটাই নিয়ন্ত্রনেই আছে মনে হয় ভারতের করোনা সিচুয়েশন কিন্তু সেটাতো মনে হয় লক ডাউনের সাফল্যের কারণেই । কিন্তু ভারতের টেস্টিং নিয়ে কিন্তু আমি কোথাও দেখেছি বলে মনে হয় না । টেস্টিং ঠিকমতো না হলে লক ডাউন যদি তুলে নেওয়া হয় তাহলে ভারতের করোনা অবস্থা কেমন হবে সেটাওতো মনে হয় অনিশ্চিত । আমেরিকায়তো আগামী সপ্তাহে বেশির ভাগ স্টেটে সীমিত ভাবে লক ডাউন উঠে যাবে বলেই ডেথ প্রেডিকশন তিনগুণ বেড়ে এখন আবার দুই লাখের মতো হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে ! এটাই আমি ভয় পাই আমাদের দেশের জন্য। আমাদের লক ডাউন থাকা অবস্থাতেই যা অবস্থা দেখা গেলো আর এখনতো আনুষ্ঠানিক ভাবেই কিছু কিহু ক্ষেত্রে লোক ডাউন তুলে নেওয়ার ঘোষণা হলো ।আল্লাহই জানেন তার ফলাফল কতটা ভালো হবে । যাক, আল্লাহ ভরসা । আপনি ভালো থাকুন ।

১৮| ২৯ শে এপ্রিল, ২০২০ ভোর ৪:১৮

রাফা বলেছেন: থিউরিক্যালি তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে বলতে গেলে বাংলাদেশ দাড়িয়ে আছে ডেন্জার জোনে।একেবারে খাদের কিনারে অবস্থান বাংলাদেশের।প্রচুর সময় পাওয়ার পরেও ন্যুনতম প্রস্তুতি গ্রহণ করে নাই বাংলাদেশ।প্রাথমিক পর্যায়ে বাংলাদেশ যদি একটু কঠোর ও নিষ্ঠুরতা দেখাতে পারতো তাহলে ৭০% নিরাপদ থাকতো ঐ পদক্ষেপের জন্যই।

বিদেশ ফেরত অর্থাৎ প্রাবাসীদের জন্য অপশন রাখা যেতে পারতো সবাইকে অর্ধেক খরচ দিয়ে মিনিমাম ১৪ দিন হোটেলে থাকতে হবে এবং বাকিটা সরকার বহন করবে।অর্থাত বাধ্যতা মুলক কোয়াররন্টাইন।চায়নার সাথে প্রথমেই সকল যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়া উচিত ছিলো।যদিও অনেক ক্ষতির সম্ভাবনা থাকতো ।এখন কিন্তু তাহলে নিরাপদ থাকতে পারতো ।অর্থাত তুলনামুলক অনেক কম ক্সতি হইতো।

আশাবাদি হওয়ার একটাই কারন এবং অত্যন্ত যুক্তিযুক্ত।সব কিছুর শুরু হয়ে পিকে যাওয়া যেমন সত্য ।সেটা আবার একটা সময় টার্নিং নেয় শেষের পথে।বিগত প্যন্ডেমিক গুলো এনালাইসিস করে দেখা গেছে একটা নির্দিষ্ট সময়ের পর সেটা নিস্তেজ হয়ে আসে.।সেই সময়টা সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে।আর মানুষের ভেতর সচেতনতা জাগ্রত থাকলে ,মোকাবেলা করা সম্ভব খুব ভালোভাবেই।এটুকু আশান্বিত হতেই পারে মানুষ ।কিন্তু কোনভাবেই সবচাইতে খারাপ পরিস্থির মোকাবেলা করার প্রস্তুতি থেকে বিরত থাকা যাবেনা।এটাই আমার পর্যবেক্ষন।

টাইফয়েড মেরির কাহিনি জানতামনা ।বিপদ কেটে গেলে কবরটা দেখে আসবো।হাসান মাহবুবের লেখাটাপড়া হয়নি, পড়তে গেলাম।

ধন্যবাদ,না.ইসলাম।

০৭ ই মে, ২০২০ রাত ৩:৪৯

মলাসইলমুইনা বলেছেন: রাফা,

আমাদেরতো এটি দুর্ভাগ্য যে ক্ষমতার ছাতার তলে যে মহারথিরা আমাদের দেশে থাকেন তারা সাধাৰণ কাজগুলো করার কথা কখনো ভাবেন না । সেই রবীন্দ্রনাথের জুতো আবিষ্কারের মতো । নিজের পা না ঢেকে সারা বিশ্ব চামড়ায় মুড়ে দেবার বুদ্ধিতে গজগজ করে এদের মাথা । আপনি যেই কথাগুলো বললেন সেগুলো যদি শুরু থেকেই করা হতো তাহলে খুব অল্প খরচেই কিন্তু আমরা করোনা থামাবার বিরাট একটা কাজ করতে পারতাম দেশে । ঠিক আর কঠিন ভাবে প্রথম দিকে বিদেশ ফেরত মানুষগুলোকে যদি লক ডাউন বা কোয়ারিন্টিনে রাখার কাজটা করা যেত তাহলে ইনফেকশন হবার বড় সুযোগটাকেই আটকে দেওয়া যেত । যাক কি আর করা যাবে । এটাই আমাদের কপাল । এই করোনার বছরেই আমাদের উৎসবে মজে থাকতে হয়, অথর্ব সব মন্ত্রীর মন্ত্রিত্ব দেখতে হয় যাদের কাৰণে করোনা নিয়ন্ত্রণতো না হয়ে বরং করোনা ইনফেকশন হবার দরজাগুলো খুলে যায় !

হাসান মাহবুবের লেখাটি পড়ুন (হয়তো পরেও ফেলেছেন এর মধ্যে )। চমৎকার লেখা ।আমার লেখাটা আসলে হামা-র লেখাটা পরেই চিন্তা করা। ওই লেখা না হলে আমার লেখাটাও হয়তো হতো না । ওটা পড়ে আপনার এই লেখার চেয়েও বেশি ভালো লাগবে আমি নিশ্চিত । ভালো থাকুন আর নিউইয়র্কের কোনো ফটো ব্লগ আর করবেন না যেন । আমি নিউইয়র্কের বাসিন্দা না কখনোই । কিন্তু অনেক দিন আগে এক রাতে জেএফকে-ই ছিল আমার আমেরিকায় আসার পোর্ট অফ এন্ট্রি । সেই থেকেই নিউইয়র্কের সাথে আমার সখ্য । নিউইয়র্কের ---জ্যাকসন হাইটের জমজমাট রাস্তাগুলো ফাঁকা দেখলেই খুব খারাপ লাগে । লক ডাউন খুলে আবার যখন হৈ হল্লায় ভরে উটবে আপনার আগের পোস্টের জায়গাগুলো তখন সেই জনারণ্যের একটা ফটো ব্লগ করবেন কিন্তু অবশ্যই । ভালো থাকুন ।

১৯| ২৯ শে এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১০:০২

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: টাইফয়েড মেরির ব্যাপারটা জানা ছিল না। ধন্যবাদ আপনাকে। সঙ্গে করোনার বাস্তবাতাকে নিয়ে ভালো লাগলো লেখাটি। আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানে শুধু বাংলাদেশেই নয় উপমহাদেশের ক্ষেত্রে সরকারেরর বিজ্ঞাপন সর্বস্বতার কারণে রোগ বাদ দিয়ে প্রচারিত প্রাধান্য পেয়েছে। যার ফলে রোগ নিয়ে তেমন কোন পদক্ষেপ না নিলেও মৃত্যু হার সেইহারে বাড়েনি। ভারতের একদল বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের মতে মিউটিশন করে করোনা ইতিমধ্যে রূপ বদল করেছে। প্রধান তিন রকম প্রকারভেদের মধ্যে এখানে বি ক্যাটাগরির ভাইরাসের উপস্থিতিতে মৃত্যুহার ইউরোপ-আমেরিকা অপেক্ষা অনেকাংশে কম। তবে এই শ্রেণীর ভাইরাসের মিউটেশন ক্ষমতা দ্রুত হওয়ায় আরো ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।যে জন্য মে মাসে সম্ভাব্য পিক পয়েন্টে পৌঁছাতে পারে। এমতাবস্থায় সরকারের অবস্থান রীতিমতো ধোঁয়াশায়। লকডাউন কবে উঠেবে তার কোন সদুত্তর নেই।
অন্যদিকে সমাজকর্মীদের কথায় উঠে আসছে লকডাউন পরবর্তী পর্বের ভয়ঙ্কর পরিনতির কথা। দেশের প্রতি তিনজনের দুজন যেখানে বিপিএল (below poverty line) কার্ডের অধিকারী সেখানে দুর্ভিক্ষ অবধারিত। যা রোগ করোনার চেয়ে বহুগুণ বেশি ক্ষতিকারক হতে বাধ্য।
আগামী দিনে হয়তো এর উত্তর মিলবে, সত্যিই কে বেশি ক্ষতিকারক, করোনা না দুর্ভিক্ষ?

2/1 টি মন্তব্য বাদে বেশিরভাগ মন্তব্যগুলোও খুব ভালো লেগেছে। ++

শুভেচ্ছা নিয়েন।




০৫ ই মে, ২০২০ দুপুর ১:০০

মলাসইলমুইনা বলেছেন: পদাতিক চৌধুরী,
ভারতের একদল বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের মতে মিউটিশন করে করোনা ইতিমধ্যে রূপ বদল করেছে। প্রধান তিন রকম প্রকারভেদের মধ্যে এখানে বি ক্যাটাগরির ভাইরাসের উপস্থিতিতে মৃত্যুহার ইউরোপ-আমেরিকা অপেক্ষা অনেকাংশে কম। এই ব্যাপারটা জেনে ভালো লাগলো । কেন আমাদের এসে মৃত্যু কম সেটার একটা বিশ্বাস্য ব্যাখ্যা পাওয়া গেলো । কিন্তু বাকি ব্যাপারটা -মানে মে মাসে এটা মিউটেশনের কারণে আরো বিপদজনক হয়ে উঠতে পারে সেটাও একই সাথে বিশ্বাস করছি দেখেই ভয় লাগছে ।তার মধ্যে এই অনিশ্চয়তা আর আশংকার মধ্যে আমাদের সরকার দেশে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু ক্ষেত্রে লক ডাউন তুলে নিচ্ছে দেখেই ভয়টা আরো বেশি । করোনাত্তোর দুর্ভিক্ষ বা এর কাছাকাছি ঘটনায় দেশে মানুষের অবস্থা যে খুবই শোচনীয় হবে সেটা ভেবেও মন খারাপ হচ্ছে । কিন্তু দেশে সব কিছুতেই এতো অব্যবস্থা যে সেটা মনে হয় থামাবার আর কোনো উপায় নেই। যাক আল্লাহ ভরসা এখন । আর কিছু করার নেই । চমৎকার মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ । ভালো থাকুন ।

২০| ২৯ শে এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১১:৩৪

রাজীব নুর বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে এই পোষ্ট টির জন্য।

০৫ ই মে, ২০২০ দুপুর ১:০৪

মলাসইলমুইনা বলেছেন: রাজীব নুর,
আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ পোস্টটা পড়ে এই সদয় মন্তব্যের জন্য ।

২১| ২৯ শে এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ১২:৫৭

মৌরি হক দোলা বলেছেন: মনোযোগ না ভাই, এসব ক্ষেত্রে বুদ্ধি লাগে, আমার নিতান্তই কম :)

পরে লক্ষ্য করলাম আপনার ট্রিক্স :(

০৫ ই মে, ২০২০ দুপুর ১:১৬

মলাসইলমুইনা বলেছেন: মৌরি হক দোলা,
হাহাহা ----দ্রুতই ধরে ফেলেছেন ! তার মানে আপনার অনেক বুদ্ধি যেটা বলেছি । আর আমিতো ট্রিক্স করিনি কোনো ! যাহোক ভালো থাকুন ।

২২| ২৯ শে এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ২:৩৩

করুণাধারা বলেছেন: মেরি মেলোনের কথা জানা ছিল না। নিজের কোন হাত নেই, এমন দোষে দোষী হবার কারণে তার দীর্ঘ কোয়ারেন্টিন জীবনের কথা জেনে তার জন্য দুঃখবোধ করলাম। ভেবে অবাক লাগলো, প্রায় তিন দশক সময়ের মধ্যেও নিউইয়র্কের স্বাস্থ্য বিভাগ বের করতে পারল না কি কারনে মেরি এমন টাইফয়েড কেরিয়ার হয়ে গেলেন, কিভাবে এ থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায়!! এটা নিয়ে গবেষণা না করে তারা মেরিকে একাকী পঙ্গু জীবন কাটাতে বাধ্য করলেন...

ধন্যবাদ মেরির কাহিনী বলার জন্য।

আমাদের দেশে লকডাউনের ফলে এখনি খাদ্যাভাব শুরু হয়েছে। দীর্ঘ কাল এটা চালানো ক্ষতিকর হবে। সমস্যা হল, আক্রান্ত আর মৃত্যুর সঠিক সংখ্যা প্রকাশ না করায় মানুষ লকডাউন মানছে না। এই সময়ের মধ্যে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে এই ভাইরাসের গতি প্রকৃতি নিয়ে গবেষণা হতে পারত, গাণিতিক মডেল বানানো যেত...

সময়ই বলে দেবে আমাদের ভাগ্যে কী আছে।

০৫ ই মে, ২০২০ দুপুর ১:৩৯

মলাসইলমুইনা বলেছেন: করুণাধারা,
জ্বি, মেরি মেলোনের ঘটনাটা মন খারাপ করা কিন্তু ঘটনাটা একশো বছর আগের ভাবলে হয়তো স্বাভাবিকই মনে হবে । আমাদের এটা মনে রাখতে হবে টাইফয়েডের ভ্যাকসিনও কিন্তু বের হয়েছিলো মেরি মেলোনের ঘটনা এক্সপোজড হবার আরো চল্লিশবছর পরে ।

ঢাকায় কথা বলে শুনছি যে গত দু'বছর বাসায় প্রায় ভিক্ষে করতে কেউ আসতোই না । কিন্তু এখন আবার শুরু হয়েছে । করোনা, লক ডাউন মিলে যে খাদ্যাভাব শুরু করে দিয়েছে এরই মধ্যে সেটা রিলেট করতে পারলাম আপনার মন্তব্যের সাথে ঢাকায় কথা বলার কারণেই । এই সময়ের মধ্যে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে এই ভাইরাসের গতি প্রকৃতি নিয়ে গবেষণা হতে পারত, গাণিতিক মডেল বানানো যেত... আপনার মন্তব্যের এই অংশটা পড়ে খুব মন খারাপ হলো । করোনার এই দারুন হযবরল -এর মধ্যেও এখানে করোনা নিয়ে মূল রিসার্চগুলো কিন্তু ইউনিভার্সিটিগুলোতেই হচ্ছে । ফেডারেল গভর্নমেন্টের থিঙ্কট্যাংকরা ইউনিভার্সিটিগুলোর রিসার্চগুলোর ভিতিত্বেই পলিসিগুলো নিচ্ছে । আর রাজনীতিকরণ করতে করতে আমাদের দেশের ইউনিভার্সিটিগুলোর কি অবস্থা ! দেশের এই চরম দুর্দিনেও এতগুলো পাবলিক ইউনিভার্সিটি কিন্তু কারো কোন পজিটিভ কন্ট্রিবিউশন নেই সমস্যা সমাধানে ! এর চেয়ে বিব্রত খবর কি আর হতে পারে ? সত্যিই সময়ই বলে দেবে আমাদের ভাগ্যে কী আছে। এখন আল্লাহর উপর ভরসা করা ছাড়া খুব বেশি কিছু করার নেই । ভালো থাকুন ।

২৩| ৩০ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ২:১৩

ওমেরা বলেছেন: মেরী মেলোন যদি টাইফয়েটের জীবানু ছড়িয়ে টাইফয়েট মেরী হয়ে য়ায়,তাহলে করোনা ভাইরাসকে চীনা ভাইরাস বলাই উচিত। মহামান্য ট্রাম্প সাহেরের সাথে একমত।
করোনা নিয়ে চিন্তার দিনতো শেষ, করোনা আক্রান্তদের শরীরে হ্যান্ড ডিসইনফেকশন পুশ করলেই ভাইরাস মরে পরিস্কার হয়ে যাবে তো। তবে সবার আগে এটা মহামতি ট্রাম্পকে দিয়ে পরিক্ষা করা হোক। আমি কিন্ত ফান করি নাই। :D :D

লিখাটা খুবই ভালো হয়েছে কিন্ত আমি অনেক রাগস্যু হয়েছি ভাপু । !:#P

তবু সুন্দর লিখার জন্য অনেকগুলো ধন্যবাদ ভাপু।

০৫ ই মে, ২০২০ দুপুর ১:৪৬

মলাসইলমুইনা বলেছেন: এই যে ওমেরা, আমি কিন্ত ফান করি নাই ! এতো জ্বলজ্যান্ত ফান আমাদের মহান প্রেসিডেন্টকে নিয়ে ! আবার বলছেন ফ্যান করি নাই ! কোন ব্লগ ভুত আছড় করলো আপনাকে আবার ! লিখাটা খুবই ভালো হয়েছে কিন্ত আমি অনেক রাগস্যু হয়েছি ভাপু !! ভালো লেখা পরে রাগাস্যূ কেন ? রাগাস্যূ কি কমেছে এখন একটু ? হাহাহা । রাগাস্যূ কমুক পুরো পুরো সেই আশায় রইলাম তাহলে । ভালো থাকুন আর চটপট একটা নতুন পোস্ট করে ফেলুন ।

২৪| ০১ লা মে, ২০২০ সকাল ১১:২৬

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: দারুন পোষ্টে ধন্যবাদ।
টাইফয়েড মেরি বিষয়টা জেনে অবাক হলাম।
আর আমাদের কানা ফারুক, মুরগী মিলন, কানকাটা রমজান ;) নামের সমার্থকতা পেয়ে মজা পেলাম।

আর বাংলাদেশে লাশের সংখ্যা মিলাবেন কি করে? শুরু থেকেই কম টেস্ট কমাক্রান্ত্ নীতির চর্চা! হাসপাতাল থেকে মিডিয়া সর্বত্র হাউড এন্ড সিক নীতি এবং যেখানে তথ্য গোপন করা হলো যোগ্যতা! মতপ্রকাশে গুম করা হলো বাহাদুরির বিষয়! সেখানে প্রকৃত ত্য আশঅ করা বাতুলতা বৈ নয়।
প্রথম কয়েকদিন ডেথ টোল কাউন্ট করেছিলাম শুধু অনলাইন থেকে তথ্য নিয়েই।
সরকারী ঘোষনা আর প্রকাশিত সংবাদের তথ্যে ১০:১ ব্যবধান ছিল। আর অপ্রকাশিত মৃত্যুর তো হিসেবই নেই।
বহু কারণেই মানুষ মৃত্যু তথ্যও গোপন করছে। করোনা শুনলে জানাজায় বাঁধা, দাফনে বাঁধা, কবর দিতে বাঁধা! শুধু তাই নয় মৃত্যু পরবর্তী কোয়ারেন্টিনের ভয়, সামাজিক অচ্ছুৎপনা চেতনা, সব মিলিয়েই মৃত্যু যে যতটা পারছে চেপে যাচ্ছে। লাশ হাসপাতালে ফেলে চলে যাচ্ছে। পথের পাশে পড়ে মরে আছে..আর করোনা উপসর্গ নিয়ে বা সর্দি জ্বরে আক্রান্ত মৃত্যুর সংক্যাও এর আগে এত দেখেনি বাংলাদেশ.... অথচ কাউন্টিংয়ে কিন্তু ওঠেনি সেই সংখ্যাগুলো!

আর যেহেতু তথ্য গোপন করাই চলমান নীতি তাই ভবিষ্যতেও সরকারী বা আন্জুমানের সঠিক দাফনের সংখ্যা জানা যাবেনা বলেই মনে হয়।

আর প্রবন্ধে মূল বিষয়ে শতভাগ সহমত। যেভাবে লক ডাউনের লক ভাংগা হচ্ছে- এক অবশ্যম্ভাবী জাতিগত গণ আত্মহত্যার দিকেই যেন আমরা ঝাপিয়ে পড়ছি!!!পরের ঘাড়ে দোষ চাপানো বা তথ্যগোপন করায় বাহাদুরির কিছূ নেই।
দায়বোধ না জাগলে, এর থেকে পরিত্রান নেই।

০৫ ই মে, ২০২০ দুপুর ১:৫৮

মলাসইলমুইনা বলেছেন: বিদ্রোহী ভৃগু
আপনার পুরো মন্তব্যের সাথেই একমত । কিন্তু বিশেষভাবে একমত যেভাবে লক ডাউনের লক ভাংগা হচ্ছে- এক অবশ্যম্ভাবী জাতিগত গণ আত্মহত্যার দিকেই যেন আমরা ঝাপিয়ে পড়ছি!!!পরের ঘাড়ে দোষ চাপানো বা তথ্যগোপন করায় বাহাদুরির কিছূ নেই। দায়বোধ না জাগলে, এর থেকে পরিত্রান নেই। --এই মন্তব্যের সাথে । আপনার এই কথা শুনে বিদ্রোহ করতে ইচ্ছে করছে করোনা ম্যানেজমেন্টের সব ব্যবস্থা আর অরাজকতার বিরুদ্ধে । আজকে পড়লাম সরকার বাহাদুর মনে হয় সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বেশ কিছু ক্ষেত্রে আনুষ্ঠানিকভাবে লক ডাউন তুলে নেবার ব্যাপারে । ভ্যাকসিন আর টেস্টবিহীন একটা সময়ে লক ডাউন তুলে নেবার এই সিদ্ধান্ত দেশে বড় ধরণের বিপর্যয়ের সৃষ্টি করবে কিনা সেটা সময়ই বলে দেবে । ভালো থাকুন ।

২৫| ০৫ ই মে, ২০২০ সকাল ১১:৪৭

জুন বলেছেন: মলাসইলমুনা আপনি কি মিশিগান রাজ্যের বাসিন্দা? আজ পেপারে পড়লাম মিশিগান অংগরাজ্যে মা-বা ও মেয়ে তিনজন এক সুপার স্টোরে গিয়েছিল। মেয়েটি (২৩ বছর) মাস্ক পরেনি তাই গার্ড বাধা দেয় এতে বাবা বন্দুক বের করে সেই নিরীহ প্রহরীটিকে তৎক্ষনাৎ খুন করে। এত শিক্ষা দীক্ষা নিয়ে বড়াই করা বিশ্বের শ্রেষ্ঠ দেশের নাগরিকদের এই অবস্থা কেন! আইন কানুনের প্রতি শ্রদ্ধা বলতে মনে হয় কিছুই নেই তাদের। সব সময় হলিউডের কাউবয় স্টাইলে তাদের জীবনযাত্রা।
আপনি ভালো আর সাবধানে থাকুন। কি অবস্থা!

০৭ ই মে, ২০২০ রাত ৩:১১

মলাসইলমুইনা বলেছেন: জুন,
লক ডাউনে থাকতে থাকতে এখানে করোনার ইস্যুর মতই বড় হয়ে উঠেছে মেন্টাল হেলথ ইস্যু ! তাছাড়া নর্দান স্টেটগুলোতে লং একটা উইন্টারের পরে এই এপ্রিল থেকেই মানুষ বাসা থেকে বের হয় -আউটডোর এক্টিভিটিগুলো শুরু হয় । আর আমাদের নর্থ, ওয়েস্ট আর ইস্ট জুড়েতো নীল পানির চোখ জুড়ানো গ্রেট লেকস । পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সুপেয় পানির রিজার্ভ এটা ।মে- মাস থেকেই লেকের বিচগুলোতে ভিড় শুরু হয়ে যায় । বিচগুলোতে হৈ হল্লা ।বাবারবিকেও পার্টি সারা দিন ধরে চলতেই থাকে সামারের লং দিনগুলোতে । কিন্তু এবারতো সেটা করতে পারছে না এখানকার মানুষ । বড় গ্যাদারিংগুলো নিষিদ্ধ । লেকের কিনারে বারবিকিউ করে সারা দিন কাটানো বন্ধ ---মেন্টালি সিক হয়ে যাচ্ছে মানুষ । সেটারই মনে হয় ভায়োলেন্ট আউটবার্স্ট আপনি যেটা বললেন সেটা । কিন্তু ঠিক কোন জায়গায় হয়েছে সেটা অন লাইন পেপার খুঁজে পেলাম না । নর্থে হবে হয়তো । আমাদের নর্থে কিছু জায়গা ভীষণ কনজারভেটিভ । এগুলো মনে হয় সেদিনকেরই কোনো জায়গায় হবে । যাক এখনো গুলিটুলী খাইনি । করোনায় এখনো চলে যাচ্ছে দিন একটা একটা করে । আপনারাও ভালো থাকুন ।

২৬| ০৫ ই মে, ২০২০ বিকাল ৪:২৮

আখেনাটেন বলেছেন: আমাদের দেশেও এখন অসংখ্য টাইফয়েড মেরি বিচরণ শুরু করেছে এটা নিশ্চিত। করোনার এটি একটি বড় সাফল্য মনে হচ্ছে। সরকার তাই চাচ্ছে গুপনে গুপনে মনে হয়। এখন দেখা যাক, দেশি মেরিদের বহনকারী দানব কতটা ভয়ঙ্কর হতে পারে ভ্যাজালখোর বাঙ্গালীদের জন্য। :((

০৭ ই মে, ২০২০ রাত ৩:২৩

মলাসইলমুইনা বলেছেন: ফ্যারাও আখেনাটেন,
হ্যা করোনা নিয়ে এই হেলদি ক্যারিয়ার ব্যাপারটাই সবচে ভয়াবহ । একজন হেলদি ক্যারিয়ার খুবই ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে যদি তার সোশ্যাল কমিউনিকেশন বেশি করার সুযোগ থাকে । আমাদের দেশেও যে টাইফয়েড মেরির মতো ক্যারিয়ার থাকবে সেটা স্বাভাবিক । কিন্তু অস্বাভাবিক ব্যাপারটা হলো সেটা নিয়ে আমাদের করোনা নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে যারা আছে তাদের কোনো মাথা ব্যাথা আছে সেটা কোথাও দেখলাম না । এই অবস্থায় লক ডাউন তুলে নিলে যে কি হবে আল্লাহই জানেন ।আমেরিকায় সীমিতভাবে লক ডাউন তুলে নেওয়ার ডিসিশন হবার পরেও এদের করোনা ভাইরাসে মৃত্যুর ব্যাপারটা রিভাইজ করে নতুন যে প্রোজেকশন হলো তাতে মৃত্যু ষাট হাজার থেকে বেড়ে দুই লাখের মতো দেখানো হচ্ছে এখন । এটা আরো খারাপও হতে পারে বলা হচ্ছে --যদি লক ডাউন পুরোপুরি তুলে নেওয়া হয় । আমাদের কি হৰে ভেবেই ভয় লাগছে । যাক, ফ্যারাওকে সহি সালামতে পেয়ে ভালো লাগলো এই করোনাক্রান্ত দিনেও । ভালো থাকুন আর নতুন নতুন রাজ্য জয়ের সংবাদ দিন (মানে নতুন নতুন লেখা লিখুন ) !

২৭| ১৪ ই মে, ২০২০ রাত ১২:৪৪

মনিরা সুলতানা বলেছেন: আজকাল লগইন করা হয় কম, তাই আপনার এই চমৎকার তথ্যবহুল লেখাটি পড়ে ও মন্তব্য করা হয়ে উঠে নাই। ভাইয়া আপনার সব লেখা বরাবরই আপনার প্রজ্ঞার পরিচয়, এবং অন্যধারার হয়ে থাকে।
চমৎকার লেখার জন্য ধন্যবাদ।

আশা করছি ভালো আছেন, ভালো থাকুন।

১৮ ই মে, ২০২০ রাত ৩:৫১

মলাসইলমুইনা বলেছেন: মনিরা সুলতানা,
হাহাহা ---অনেক দিন পরে আমার পোস্টে এসে যথাযথ ভাবে লজ্জ্বা দিতে পেরেছেন !
কি যে সব লিখি হাবিজাবিইতো মনে হয় ! আমার সেই সামান্য লেখায় আপনার এই মন্তব্যে প্রচুর আন্তরিকতা আছে জানি কিন্তু আমার লজ্জ্বা লুকোবার কোনো পথ যে জানি না তার কি হবে, কবিতার সুলতানা ? ভালো আছেন আশাকরি । অনেক ধন্যবাদ আর ভালো থাকার কামনা অনেক অনেক ।

২৮| ২৫ শে মে, ২০২০ সকাল ৭:০৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:


করোনায় আআক্রান্ত হওয়ার কারণে সামুতে বিচরণ করতে না পারায় মুল্যবান কথামালা সমৃদ্ধ পোষ্টটি পাঠ করতে পারিনি যথাসময়ে ।এখন এটাকে প্রিয়তে তুলে রখলাম । সময় সুযোগ মত মনোনিবেশ সহকারে পাঠ করব।

আপনার প্রতি রইল

২২ শে জুন, ২০২০ ভোর ৪:৩০

মলাসইলমুইনা বলেছেন: আলী ভাই,
ভাবতেই লজ্জা লাগছে যে আপনার কমেন্ট কেমন করে আমার চোখ এড়িয়ে গেলো ! দিলেইড এই মন্তব্যে সেজন্য স্যরি বলছি শুরুতেই । ঈদ শুভেচ্ছার জন্য অনেক ধন্যবাদ । আশাকরি আপনাদেরও ঈদ ভালো কেটেছিল । আপনি করোনা ইনফেক্টেড হয়েছিলেন সেটাতো জানতাম না । আপনার লেখায় জেনে খুব ভালো লাগলো যে সেটা থেকে আপনি পুরো ভালো হয়েছেন । এখন আশাকরি আরো ভালো আছেন । আপনার মাদার ইন ল অসুস্থ্য বলেছিলেন । আশাকরি উনি ভালো আছেন এখন । ভালো থাকুন সেটাই সব সময় চাওয়া ।

২৯| ২৮ শে মে, ২০২০ দুপুর ১২:৫৩

শায়মা বলেছেন: ভাইয়া কেমন আছো?

কবে মরে যাই ঠিক নাই.....

তাই অকারণে গান গাই ..... :(

১৭ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১:২২

মলাসইলমুইনা বলেছেন: শায়মা ,
হাহা এই অবেলায় মরবার কথা কেন ? এই অরুন পৃথিবীতেও দারুন ভাবে গানে মানে খুশিতে হাসিতে বেঁচে থাকুন । আর ব্লগে অমর হয়ে থাকুন লেখায় রেখায় । অনেক দিন পরে ব্লগে কিছুটা নিয়মিত হলেন দেখে খুবই খুশি হলাম ।

৩০| ২৮ শে মে, ২০২০ দুপুর ১:১১

শায়মা বলেছেন: টাইফয়েড মেরীর কথা পড়লাম এবার। কি সাংঘাতিক জীবন পার করেছে সে। বিধাতার অভিশাপ ছাড়া আর কিছুই বলার নেই। তার তো কোনো দোষ নেই এই জীবনের! :(

১৭ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১:২৫

মলাসইলমুইনা বলেছেন: শায়মা,
হ্যা, ঠিক বলেছেন মনে হয় 'বিধাতার অভিশাপ'ই । একটা ভুল সময়ে তার ব্যাপারটা ঘটেছিলো । তার নিজের দোষছিলোনা সেটা সত্যি । ভালো থাকুন ।

৩১| ০২ রা জুন, ২০২০ দুপুর ২:৪৪

মিরোরডডল বলেছেন: নাঞ্চি , ইউ ওকে? অনেকদিন দেখিনা নাহ যে !
হোপ অল গুড ।

১৭ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১:২৯

মলাসইলমুইনা বলেছেন: মিরোরডডল,
নিজের অনেক ব্যস্ততার মধ্যেও মরে আছি না বেঁচে আছি খবর নেবার জন্য খুশি হলাম খুব । কিছু একেবারেই নিজস্ব ঝামেলার কারণে ব্লগে আসতে ভালো লেগেছে না । ঝামেলাগুলো কেটে গেলেই আশাকরি আবার ব্লগে আসা হবে । ভালো থাকবেন ।

৩২| ১৭ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১:৪৩

শায়মা বলেছেন: ভাইয়া আমি এখন একদম রেগুলার।

১৭ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১:৫০

মলাসইলমুইনা বলেছেন: জ্বি সেই খুশীটাইতো বললাম ! এ'রকমই থাকবেন ব্লগে সব সময় । আমরা সবাই চলে গেলেও ব্লগ ঠিক থাকবে ।কিন্তু আপনি অল্প ক'দিন না থাকলে ব্লগই থাকবে না । সিরিয়াস এন্ড অনেস্টলি বললাম। ভালো থাকুন ।

৩৩| ১৭ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৩:০১

শায়মা বলেছেন: হা হা ব্লগ নিয়ে কত কিছু চিন্তা ভাবনা হয়ে গেলো এতদিন জেন রসি আর মাহমুদ ভাইয়ার ব্লগে আর তুমি কই ছিলে!!!

২২ শে জুন, ২০২০ ভোর ৪:৩৪

মলাসইলমুইনা বলেছেন: শায়মা,
আলোচনায় নিরীহ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নিয়েছিলাম কিন্তু এখনতো অন্যান্য প্রার্থীদের ও জনগণের (ব্লগারদের) জবাবদিহি করতে করতে (উত্তর দিতে দিতে ) অবস্থা ভর্তা !
ভালো থাকুন ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.