| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সেলিম জাহাঙ্গীর
সেলিম জাহাঙ্গীর যে দ্যাশে নাই জীন মরণরে আমার মন ছুটেছে সেই দ্যাশে গুরু লওনা আমায় তোমার সে দ্যাশে
যারা আল্লাহ ও রাছুলদের প্রত্যাখ্যান করে এবং তাঁদের মধ্যে পার্থক্য সৃষ্টি করে-প্রকৃত পক্ষে ইহারাই কাফির এবং ইহাদের জন্য কঠিন লাঞ্চনাদায়ক শান্তি রয়েছে। [৪: ১৫০, ১৫১]
কোন র্ধম গ্রন্থই স্বয়ং আল্লাহ, ফরেস্তো এমনকি অধিকাংশ নবীগণও নিজ হাতে লিখেননী; লিখেছনে সাধারণ মানুষ, আর মানুষ কোনক্রমেই ভুলের উর্দ্ধে নয় বা হতে পারে না।
আমরা যারা হাদীসকে বিশ্বাস করি; বিশেষ করে বোখারী শরীফকে সহীহ বলে দাবী করি তারা কি জেনেছি হাদীস কিভাবে সংগ্রহ হয়েছে? হাদীস কেবলী অনুমানের উপর বিশ্বাস করে রচিত হয়েছে রাসুলের দোহায় দিয়ে। তার পরেও অনেকে বলেন যারা হাদীস বর্ণনা করেছেন তারা ছিলো খুব বিশ্বাসী। ধরে নিলাম তারা বিশ্বাসী, তার পরেও বলবো যে হাদীস লিপি বদ্ধ হয়েছে রাসুলের মৃত্যুর প্রায় তিনশত বছর পরে। তার পরেও এই শোনা কথা গুলো আজ সহীহ্। শোনা কথা সহীহ্ ,কিন্তু ঈসা (আঃ) এর সাথে তাবলীগ করা সাহাবী যিনারা সব সময় তাঁর সাথে থেকেছেন তার কথা শুনেছেন যেমন লূক মথি, মার্ক, জোহন। ঈসা (আঃ) এর স্বর্গে আরোহণের পর ইনারাই ইঞ্জিল স্বহস্তে লিপিবদ্ধ করেন। কারো কাছে শুনে তিনশত বছর পর কিন্তু ইঞ্জিল লিপিবদ্ধ হয় নাই। ঈসা (আঃ) এর কাছে যে ভাবে শুনেছিলেন ঠিক সেই ভাবে তারা লিখেছেন। তার পরেও একদল মানুষ আছে তারা বলে বেড়ান ঐ কিতাব (ইঞ্জিল) ভুল আছে ঠিক নাই! অথচ বোখারীদের কথা গুলো হাদীস হিসাবে লিখেছে রাসুলের চলে যাওয়ার অনেক অনেক বছর পরে। তাদের জন্ম হয়েছে কবে, আর রাসুলের জন্ম কবে একবার ভেবে দেখেছেন কি? এইসব শরীয়তী আলেম বোখারীরা কেবল মানুষের মুখে থেকে শুনে শুনে অনুমানের উপর ভিত্তি করে কথা গুলো হাদীস হিসাবে লেখেছেন। লিখার দরকার ছিলো কি? কারন এইগুলো না লিখার আগেও ইসলাম ধর্ম ছিলো; মানুষ মানতো সালাত কায়েক করতো, যাকাত দিতো। কিন্তু তখনতো হাদীস লিখিত আকারে ছিলো না। তাহলে কিসের ভিত্তিতে এগুলো করতো তারা, একবার ভাববেন কি? অবশ্য আল্লাহ কোরআনে বলেছেন অনুমানের উপর ভিত্তি করে কোন কথা বলা বড় অপরাধ। অনুমান গুনাহ্ র কাজ এই অনুমান সম্বন্ধে সূরা ইউনুস ১০:৩৬ আয়াতে আল্লাহ্ বলেন
وَمَا يَتَّبِعُ أَكْثَرُهُمْ إِلاَّ ظَنًّا إَنَّ الظَّنَّ لاَ يُغْنِي مِنَ الْحَقِّ شَيْئًا إِنَّ اللّهَ عَلَيمٌ بِمَا يَفْعَلُونَ
অর্থঃ বস্তুতঃ তাদের অধিকাংশই শুধু আন্দাজ-অনুমানের উপর চলে, অথচ আন্দাজ-অনুমান সত্যের বেলায় কোন কাজেই আসে না। আল্লাহ ভাল করেই জানেন, তারা যা কিছু করে।
কেবল রাসুল (সাঃ) মূখে থেকে শুনে সঙ্গে সঙ্গে সাহাবাদের দ্বারা বিভিন্ন পাথর,ফলক,গাছের বাকল বা চামড়ায় লিখিত আকারে যে গ্রন্থটি লিপি বদ্ধ হয়েছে সেটি হলো পবিত্র কোরআন। হাদীস রাসুলের মূখে থেকে শুনে কোন সময়'ই লিপি বদ্ধ হয় নাই। ইতিহাস তা বলে না। বরং রাসুল (সাঃ)এর মৃত্যুর বহু বছর পর তা মানুষের মূখে থেকে শুনে সংগ্রহ করে লিখা হয়েছে।
তাহলে এবার আপনারাই বলেন কিসের ভিত্তিতে আমরা হাদীসকে সহীহ বলছি? কেবল অনুমানের ভিত্তিতে এমন জোর দিয়ে কথা বলা কোরআনের সূরা ইউনুস এর ৩৬ নং আয়াতকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখাচ্ছি নয় কি?
হাদীস দিয়ে ধর্ম চলছে সেই ক্ষেত্রে কোরআনের সাথে হাদীস মিসলে অসুবিধা কোথায়? যেমন নামাজ কিভাবে পড়বেন, যাকাত কিভাবে দিবেন, কতভাগ দিবেন এই গুলিতো কোরআনে নাই হাদীসে আছে। তায় এগুলো কোরআনে এ্যাড হলে আপনাদের ভাষায় কোরআন পূর্ণতা পেতো। নাকি কোরআনের সাথে হাদীস মিশলে অসুবিধা আছে?
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:১৯
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: লিখার বিষয় বস্তু নিয়ে আলোচনা করুন তাহলে প্রসঙ্গটা অন্য দিকে মোড় নিবে না।
২|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৩৯
দেশী মামা বলেছেন: আলোচনা করার আগে কার সাথে আলোচনা করছি এই সম্পর্কে একটা পরিস্কার ধারণা থাকা জরুরি।
আবার জিজ্ঞাস করি -
ম জ বাসার সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন কি ?
উনার নবী নানা ও নবী বাবা সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন কি ?
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৫০
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: আপনি বলেছেনঃ আলোচনা করার আগে কার সাথে আলোচনা করছি এই সম্পর্কে একটা পরিস্কার ধারণা থাকা জরুরি। দেশী মামা আমার লিখার বিষয় বস্তু নিয়ে আপনার সঙ্গে আলোচনা করলে ম জ বাসার সম্পর্কে আগে বলতে হবে এটা কোন ধরনের কথা।
৩|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৪৬
সানশাইনশুভ বলেছেন: "সাহাবী যিনারা সব সময় তাঁর সাথে থেকেছেন তার কথা শুনেছেন যেমন লূক মথি, মার্ক, জোহন। ঈসা (আঃ) এর স্বর্গে আরোহণের পর ইনারাই ইঞ্জিল স্বহস্তে লিপিবদ্ধ করেন। "..........াপনার েখনও ানেক পরাশুনার দরকার..।
Click This Link
৪|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৪৭
নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ বলেছেন: দেশী মামা বলেছেন: আলোচনা করার আগে কার সাথে আলোচনা করছি এই সম্পর্কে একটা পরিস্কার ধারণা থাকা জরুরি।
আবার জিজ্ঞাস করি -
ম জ বাসার সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন কি ?
উনার নবী নানা ও নবী বাবা সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন কি ?
গদামের উপ্রে থাক।
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৫১
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: কপি পেস্ট করে লাভ কি?
৫|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৫৭
পাস্ট পারফেক্ট বলেছেন: নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ বলেছেন: দেশী মামা বলেছেন: আলোচনা করার আগে কার সাথে আলোচনা করছি এই সম্পর্কে একটা পরিস্কার ধারণা থাকা জরুরি।
আবার জিজ্ঞাস করি -
ম জ বাসার সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন কি ?
উনার নবী নানা ও নবী বাবা সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন কি ?
গদামের উপ্রে থাক।
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৫২
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: আপনাদের জ্ঞানের পরিধী দেখে ভালো লাগছে!! বিষয় নিয়ে কথা বলুন।
৬|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৫৯
ফুরব বলেছেন: আমার প্রশ্ন অন্য খানে------ এই মহা কোরান কি অসম্পুর্ন ? উত্তর যদি না হয়ে থাকে তাহলে নবীর হাদিস বলার যুক্তি কি?? নবীর জীবিত থাকতে হাদিস বলে কি কিছু ছিল নাকি?? আবুবকর ওমরউস্মানআলী উনারা হাদিস লেখে না ই কেন?? এই প্রশ্ন গুলো কি কাঠ মোল্লা মসজিদের ইমামআলেমদের মনে জাগে না??এই কোরানের সাথে সাঙ্ঘর্শিক হাদিস রচনা করে এক শ্রেনীর মুশলিম নাম ধারী কাফের ইসলামের চরম ক্ষতি সাধন করে মুসলমানদের কে বিভিন্ন দল ও গোত্রে বিভক্ত করেছে। ইবলিশের মনবাসনা পুর্ন হইছে।
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৫৬
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: সঠিক কথা বলেছেন। আসলে প্রথমে ধর্ম জানাতে হবে, তারপর ধারণ করতে হবে, তার পর মানতে হবে। এত সহজ সরল কথাগুলো মানুষ বুঝলে এই ধর্ম আজ এত নাস্তানাবুদ হতনা। ফুরব আপনাকে অনেক ধন্যবাদ সুন্দর কমেন্ট করার জন্য।
৭|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:১০
ফুরব বলেছেন: ম।জ বাশার কোথাও বলেন নাই উনার নানা/বাবা নবী ছিলেন। বাশার সাহেব শুধু কোরান দিয়ে শরিয়ত কে চ্যালেঞ্জ করেছেন।কোরান বাদ দিয়ে যারা শরিয়ত কে নিজেদের জীবন বিধান মেনে নিয়েছেন উনি কোরানের আয়াত দিয়ে তাদেরকে সতর্ক করেছেন মাত্র। শয়তানের কাজই হল মিথ্যা দিয়ে মানুষ কে বিভ্রান্ত করা।
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১২:১০
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: ম জ বাসার ”কোরান বনাম শরিয়ত” গ্রন্থে যা বোঝাতে চেয়েছে সেই জ্ঞান হয়তো ইনাদের হয় নাই ফুরব। আমি আবারো অনুরোধ করি ম জ বাসার সাহেবের ”কোরান বনাম শরিয়ত” বইটি পড়ে দেখেন এবং নোট করেন তারপর এই নেটে বলেন কোনটা তার অসংগতি। একটি কিতাব ঠিকমত নাপড়ে মূর্খেরমত মিথ্যা কথা দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করাটাও পাপের কাজ।
ফুরব আপনার সাথে একম শয়তানের কাজই হল মিথ্যা দিয়ে মানুষ কে বিভ্রান্ত করা।
৮|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:২৭
বাঙাল শিক্ষক বলেছেন: কুরআনের ১৭ জায়গায় বলা হয়েছে, 'আল্লাহকে মান এবং রসুলকে মান'। যেমন ৯/৭১, ৪৮/১৭, ৩৩/৭১, ২৪/৫২, ৪/৬৯, ৪/১৩, ৩৩/৬ ইত্যাদি। তর্কের খাতিরে যদি ধরে নেওয়া হয় যে, কুরআন দিয়ে আল্লাহকে মানা যাবে, তাহলে প্রশ্ন হলোঃ রসুলকে কিভাবে মানবেন? হাদীস ছাড়া রসুলকে মানা কি সম্ভব? আবার আল্লাহকে মানতে গেলে নামায পড়তে হবে। কিন্তু কিভাবে নামায পড়তে হবে তা কি শুধুমাত্র কুরআন দিয়ে বলা সম্ভব? সুতরাং কুরআনকে পরিপুর্নভাবে বাস্তবয়ায়ন করতে হলে হাদীস অবশ্যই দরকার।
আল্লাহ কুরআনকে হিফাযতের দায়ীত্ব নিজে নিয়েছেন, এই কুআনকে বাস্তবায়ন করার জন্য যে হাদীস দরকার তা কি আল্লাহ হিফাযত করবেন না? অবশ্যই আল্লাহ কুরআন এবং হাদীস উভয়কেই পরিপূর্ন ভাবে সংরক্ষন করছেন এবং কিয়ামত পর্যন্ত করে যাবেন।
বিঃদ্রঃ কিছু কিছু ক্ষেত্রে বাহ্যিকভাবে হাদীসের সাথে কুরআনের আয়াত সাংঘর্ষিক মনে হলেও প্রকৃত পক্ষে সাংঘর্ষিক নয়।
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১২:৫৯
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: আপনি বলছেনঃ কুরআনের ১৭ জায়গায় বলা হয়েছে, 'আল্লাহকে মান এবং রসুলকে মান'।
আপনার এই কথার সাথে আমি দ্বিমত পোষন করছিনা। এই কথাতো আল্লাহ সব রাসুলের ক্ষেত্রেই বলেছে।
আপনি বলেছেনঃ রসুলকে কিভাবে মানবেন?
কেন কোরআন বলে নাই রাসুল (সাঃ) কে কিভাবে মানতে হবে?
হাদীস না মানলে আপনি নামাজ পড়বেন কেমন করে এটা শুনুন। আপনাকে একটি প্রশ্ন করি। রাসুলে মৃত্যুর তিন থেকে সাড়ে তিন শত বছর পরে শুরু হয়েছে হাদীস সংগ্রহের কাজ। তাহলে হাদীস লিখার পূর্বে এই সব মানুষ গুলি কি পড়তো, কি ভাবে নামায আদায় করতো? আসলে তারা নামাজ আদায় করতো বংশপরম্পরায় অনুসরন করে। আপনিও অনুরসন করে নামাজ আদায় করা শিখেছেন। হয়তো বাবার কাছে নয়তো মসদিজের ঈমামের পিছনে দাড়ীয়ে অনুকরন করে। কেউ নামাজ শিখতে হাদীস পড়েনা।
()()।পৃথিবীতে এত নবী রাসুল আসলো কেবল মুহাম্মাদের উম্মতদের বেলায় হাদীস দরকার হলো?
ক। ঈশা (আঃ) এর উম্মতদের হাদীস গ্রন্থের নাম কি?
খ।ইব্রাহীম (আঃ) এর উম্মতদের হাদীস গ্রন্থের নাম কি?
গ। ইসমাইল (আঃ) এর উম্মতদের হাদীস গ্রন্থের নাম কি?
ঘ। ঈশাহাক (আঃ) এর উম্মতদের হাদীস গ্রন্থের নাম কি?
ঙ। ইদ্রীশ (আঃ) এর উম্মতদের হাদীস গ্রন্থের নাম কি?
চ। ইয়াকুব (আঃ) এর উম্মতদের হাদীস গ্রন্থের নাম কি?
ছ। ইউসুফ (আঃ) এর উম্মতদের হাদীস গ্রন্থের নাম কি?
বললে অনেক বলা হবে, তবে এই রকম অনেক নবী রাসুল পৃথিবী থেকে বিদায় নিলো তাদের উম্মত গুলি কিসের ভিত্তিতে ইবাদত করলো বা চললো।
হাদীস দিয়ে ধর্ম চলছে সেই ক্ষেত্রে কোরআনের সাথে হাদীস মিসলে অসুবিধা কোথায়? যেমন নামাজ কিভাবে পড়বেন, যাকাত কিভাবে দিবেন, কতভাগ দিবেন এই গুলিতো কোরআনে নাই তায় এ্যাড হলো কোরআন আপনাদের ভাষায় পূর্ণাঙ্গতা পেতো। নাকি কোরআনের সাথে হাদীস মিশলে অসুবিধা আছে?
কেন একজন সফল সয়ং সম্পূর্ণ রাসুল তার উম্মতদের জন্য হাদীস লিখলেন না তা ভাবতে হবে। কেনই বা তার চার জন খলিফা এই গুরু দায়ীত্ব পালন করলেন না তা জানতে হবে; তবে কি তারা ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে! নাকি হাদীস লিখা তাদের জন্য নিষেধ ছিলো?
রাসুলকে অনুসরন করতে বলেছে তার অর্থ এই নয় যে, হাদীস কে অনুসরন করতে বলেছে। কোথায় ছিলো রাসুলের হাদীস? রাসুলের সময় এমনকি রাসুলে মৃত্যুর পরেও কোন খলিফ হাদীস লিপিবদ্ধ করান নাই। প্রয়োজন ছিলো না। এমন কি রাসুলের নিষিদ্ধ ছিলো চলুন হাদীস দেখি।
১। হযরত আবু ছাইদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত: রাসুলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেছেন যে, কোরআন ব্যতীত আমার কোন কথাই লিখিও না। আর কোরআন ব্যতীত আমার নিকট থেকে অন্য কিছু লিখে থাকলে, তা যেন মুছে ফেলা হয়।” [ দ্র: সহিহ্ মুসলিম, আ. ফা. ভুইয়া, ১ম খ. ১ম সংস্করণ, পৃ: ৫১]
শরীয়তি আলেমরা কি সব মুছে ফেলেছে?
২।আমার কাছ থেকে তোমরা কোরান ছাড়া আর কিছুই লিখবেনা। যদি কেউ লিখে থাকে তবে অবশ্যই তা নষ্ট করে ফেল।'' -সহিহ মুসলিম, ভলিউম১, পৃষ্ঠা ২১১, হাদীস নং ৫৯৪, প্রিন্টার-মতকবে আদনান, বৈরুত,১৯৬৭।
৯|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৪৮
শুধু মুসলিম বলেছেন: ইমাম বুখারী কি হাদিসের লেখক নাকি সংকলক। লেখা আর সংকলন কি এক জিনিস?
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১২:২১
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: ইমাম বোখারীরা হাদীসের লেখক এত কোন সন্দেহ নাই। কেন? সংকলন বলতে হলে তার পান্ডুলিপি থাকতে হবে। হাদীসের কোন পান্ডুলিপি ছিলো না যে, সমষ্টিগতভাবে একত্রে করে সংকলন করা হয়েছে। হাদীস গল্প আকারে মানুষের মূখে মূখে ছিলো।
১০|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৮:১৯
ইমরুল_কায়েস বলেছেন: শিরনাম দেখে মনে হল আপনি বোধহয় আসমানী কিতাব ও হাদিস গ্রন্থের পার্থক্য বুঝতে পারেন নাই। হাদিস হচ্ছে কোন বিষয় সম্পর্কে রাসূল (সঃ)-এর দৃষ্টিভঙ্গি আর আসমানী কিতাব মহান আল্লাহর কাছ থেকে সরাসরি পাওয়া বান্দাদের প্রতি নির্দেশ।
ঈশা (আঃ)-এর মৃত্যুর পর তৎকালীন শাসকেরা তাদের সুবিধামত ইঞ্জিল শরিফের পরিবর্তন করেছিল। যার ফলশ্রুতিতে এসেছে বাইবেল, যা পরিপূর্ন নয়।
হাদিস সংরক্ষণের উদ্দেশ্য হল যাতে ভবিষ্যতে মানুষ রাসূল (সঃ)-এর আদর্শ ভুলে না যায়।
বাঙাল শিক্ষক ভাল বলেছেন।
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১২:৪৩
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: আপনি বলেছেনঃ ঈশা (আঃ)-এর মৃত্যুর পর তৎকালীন শাসকেরা তাদের সুবিধামত ইঞ্জিল শরিফের পরিবর্তন করেছিল। যার ফলশ্রুতিতে এসেছে বাইবেল, যা পরিপূর্ন নয়।
আপনার কথার সাথে যদি সুর মিলিয়ে আমি বলি একই কথা যে, সেই সময়ের শাসকরা খেলাফত কু করে হাদীস পরিবর্তন করে তাদের সুবিধামত মিথ্যা হাদীস রচনা করেছে। মুহাম্মাদ (সাঃ) ও তাঁর পরিবারকে নিয়ে অশ্লীল মানহানীকর হাদীস গুলো রচনা করেছে।
আমি আমার লেখার যে শিরোনাম দিয়েছি তা হয়তো অনেক পাঠক বুজতে পারে নাই। আমি বলেছি ঈসিা (আঃ) এর সাহাবীরা সয়ং স্বহস্তে ইঞ্জিল লিখলো তারপরেও আমরা বলি সেটা ভুল ঠিক নয়। কিন্তু হাদীস বর্ণনাকারীরা মুহাম্মাদ (সাঃ) কে বা কোন সাহাবা বা রাসুলকে দেখেছেন এমন কেউই জীবিত ছিলেন না। কেবল তিনশত বছর পরে গল্পের মত মানুষের কাছে থেকে শুনে লিপিবদ্ধ করলেন বোখারীরা। তারপরেও সেই মানুষের হাতের লিখা কিতাবকে আমারা সহীহ্ বলছি। কিন্তু ঈসা (আঃ) কে যে সব সব সাহাবীরা দীর্ঘ সময় চোখে দেখেছেন,সাথে থেকেছেন, ইঞ্জিলের বানী রাসুলের কাছে শুনেছেন,তারপরে সেইসব সাহাবীরা ইঞ্জিল কিতাব আকালে লিপিবদ্ধ করেছেন। এরপরেও আমরা বলছি ইঞ্জিল ঠিক নাই, ভুল অর্থাত সহীহ্ না। এটাকি ধর্মীয় হিংসার কথা নয়?
১১|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৮:৪৮
শার্ক বলেছেন: ha ha stll you are publishing updated version of bibel and if you compare with the old testament then you will notice the difference. if you believe in quran then u dont need to worry with bibel. this is no more valid.
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১:০৭
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: বাইবেল পুরনো নিয়োম ও নতুন নিয়োম বলতে আপকি বোঝেন জানি না। তবে আপনার কমেন্ট পড়ে বুজলাম আপনি এই দুই নিয়োমের কিছু বোঝেন না। তবে হ্যা সময় আছে জানার চেষ্ট করুন। আর হ্যাঁ আপনার কমেন্টগুলো বাংলায় লিখবেন তাহলে বাংলা ভাষাভাসি মানুষ সকলে পড়বে পারবে।
১। জাব্বুর
২। তাওরাত
৩। ইঞ্জিল
৪। কোরআন
(ক) এদের অনুসারীরা সকলেই বলছে আমারটা ঠিক। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে কোনটা ঠিক এটা কে ফাইসালা দিবে?
(খ) কিষের ভিত্তিতে বলবেন এটাই ঠিক, এটা মাপার কোন যন্ত্র আছে কি? নাকি কেবল বিশ্বাস?
১২|
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ২:৩৯
হাছন রাধা করিম বলেছেন: সেলিম ভাই সত্যি করে বলুনতো আপনি আসলে কি উদ্দেশ্যে নিয়ে ব্লগিং করছেন। একজন আত্মসমালোচনাকারি মুসলমান আর আপনার মাঝে কিন্তু বিস্তর ফারাক আছে। এইটা কি আপনি ধরতে পারছেন?
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:১৮
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: জানিনা আপনি কোন জ্ঞানের বলে বিস্তর ফরাক খুজে পেলেন। আমি এই পোস্টটি দিয়েছি কিতাব সহীহ্ আর সহীহ্ না এই বিষয়ে। ইসলামের মানুষ আমরা বলি হাদীস সহীহ্ অথচ এর রেফারেন্স গুলি কল্প কথা, গল্প কথা মানুষের মুখে থেকে শুনে তিনশত বছর পর লিপিবদ্ধ, তার পরেও সেটা নাকি সহীহ্! আর ইঞ্জিলের লিপিবদ্ধ সয়ং ঈসা (আঃ) এর ঘনিষ্ট সাহাবীরা িকরেছেন তার পরেও ইসলামের মানুষ আমরা বলি সেটা ঠিক নাই।
১৩|
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৩:৩২
রাহীম বলেছেন: প্রতিটি লাইনই তো মিথ্যা কোনটার উত্তর দিব ?? কুকুরের কাজ ঘেউ ঘেউ করা , তাকে আর কেউ লাগাম লাগাতে পারে না । আপনি সত্যি করে বলুন আপনি আসিফ কিনা ?? যদি আপনার একটু ও পড়া-শুনা থাকতো তবে আমি একটু আলোচনা করতাম , বা আপনার এত টুকু জ্ঞান থাকতো যে, যে বিষয়ে যিনি পড়া -লিখা করেছেন তিনি আমার চাইতে ভালো জানবেন । তবে আমি আপনাকে একটু দিক নির্দেশনা দিতাম । এখন আপনি কুকুরের মত আচরণ করছেন । কিন্তু কুকুরের জন্য মুগর ছাড়া বিকল্প কিছু আছে কিনা আমার জানা নাই ।
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:২৩
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: আমার এত সহজ সরল লিখা পড়তে আপনার যে খুব কষ্ট হয়েছে তা আপনার কমেন্টস্ পড়ে বুজেছি। কেন? আপনি আমার লিখাটি পড়ে বুজতে পারেন নাই। বুজতে পারলে এমন উল্টাপাল্টা বলতেন না। কুকুরের আচরণ বুজবার মত ক্ষমতা কোন মানুষের থাকতে পারেনা। কেবল থাকতে পারে আর এক কুকুরের। স্যরি আপনাকে বলি নাই।
১৪|
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৩:৫৩
*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: চারটা গস্পেলের মধ্যে একমাত্র লুখের গসপেলেই ঈসা (আঃ) কে ঈশ্বর পুত্র হিসেবে দেখনো হল কেন ?
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:২৭
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: আমি যে বিষয় নিয়ে লিখেছি সে বিষয় নিয়ে বলেন? আমি বলেছি সহীহ্ সংক্রান্ত বিষয় গুলো; আসলে কেন হাদীস সহীহ্? আর কেনইবা ইঞ্জিল সহীহ্ না?
১৫|
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ ভোর ৫:২৭
সীমানা ছাড়িয়ে বলেছেন: সেলিম ভাই, আপনারে যে খাউজানি মলম দিছিলাম, ঐটায় কি কাম হয় নাই?
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:২৯
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: মলমে কাম হইলে কি আর ডাক্তার রোগীর কাছে ছুটে আসে?
১৬|
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ সকাল ৭:৩০
পাস্ট পারফেক্ট বলেছেন: জ্বী, হাদিসের আর দরকার নাই, তবে বর্তমান প্রেক্ষাপটে কাদীয়ানিদের চটি বইয়ের খুব দরকার হয়ে পরেছে। না হইলে ইসলাম রক্ষা করা মুশকিলই হয়ে পরবে।
-----------------------------------------
আপনার যদি জানার ইচ্ছা থাকতো তাইলি বিষয় নিয়া কথা বলতাম। কাদিয়ানীদের সাথে যুক্তি তর্কে যাই না। কারন তাদের এজেন্ডা ভিন্ন। তারা একটা মিশন নিয়া নামছে।
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৩১
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: এটা উপহাস করার জায়গা নয়; এখানে লেখক যা বোঝাতে চেয়েছে সেই বিষয় থেকে আলোচনা করুন তাহলে প্রাণবন্ত হয়।
১৭|
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৯:২২
পারভেজ রবিন বলেছেন: 'বোখারী'রা হাদিস সংগ্রহ করেছেন, ধর্ম গ্রন্থ অর্থাত আল্লাহর বানী লিখেন নি। অতএব হাদিস ও বাইবেলের তুলনা করা চলে না্। আপনি কোরান ও বাইবেল তুলনা করতে পারেন, হাদিস ও বাইবেল নয়।
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৩৫
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: হাদীস ছাড়া ধর্ম টেকে না আর হাদীস নিয়ে আলোচনা করলে জাত যায়? আপনি জানেন কি হাদীসও এক ধরনের আল্লাহর ওহী বলে এক শ্রেণীর মানুষ প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছে?
১৮|
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১২:৫৬
ইমরুল_কায়েস বলেছেন:
পারভেজ রবিন বলেছেন: 'বোখারী'রা হাদিস সংগ্রহ করেছেন, ধর্ম গ্রন্থ অর্থাত আল্লাহর বানী লিখেন নি। অতএব হাদিস ও বাইবেলের তুলনা করা চলে না্। আপনি কোরান ও বাইবেল তুলনা করতে পারেন, হাদিস ও বাইবেল নয়।
সহমত।
১৯|
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১:০১
ইমরুল_কায়েস বলেছেন: সহি হাদিসের কোনটা মহানবী (সঃ)-এর পরিবার সম্পর্কে মানহানিকর কথা বলেছে। জানালে খুশি হতাম।
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৪২
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: রাসুল (সাঃ) পরিবার নিয়ে অশ্লীল ও মানহানিকর হাদীস
১। হোযায়ফা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি একদিন হযরতের
সঙ্গে চলছিলাম। তিনি মহল্লার আবর্জনা ফেলবার স্থানের নিকটে
এসে একটি দেয়ালমুখী হয়ে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলেন। আমি দূরে সরে
যাচ্ছিলাম, তিনি আমাকে ইসারা করে ডাকলেন; আমি নিকটে হাযির
হয়ে তাঁর (পিঠে পিঠ দিয়ে বিপরীতমুখী) দাঁড়িয়ে রইলাম।
(সম্মুখদিকের পর্দা ছিল দেওয়াল এবং পিছন দিকে হোযায়ফাকে দাঁড়
করে রাছুল (সাঃ) পর্দার ব্যবস্থা করলেন; দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করার দরুন
কাপড় একটু বেশি উঠবে।)
[দ্র: বোখারী, ১ম খ. ১২ সংস্করণ, আ. হক; হাদিস নং-১৬৪, পৃ: ৩৮,
হামিদিয়া লাইব্রেরী; বোখারী ১ম খ. ৭ম সংস্করণ, আধুনিক প্রকাশনী,
হাদীস নং-২১৮-২২০, পৃ: ১ ৩১।]
এমন সুন্নত কি পালন করা যায়? রাসুল (সাঃ) এমন কাজ করতে পারেন না। এই হাদীসটি নিয়ে ভাবতে হবে।
২। মুসলিম জননী উম্মে সালামা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন,
একবার আবু তালহার বিবি উম্মে সুলাইম (রাঃ) রাসুলের কাছে এসে
বললেন, হে রাসুলুল্লাহ! আল্লাহ সত্যের ব্যাপারে লজ্জা করেন না।
আচ্ছা স্ত্রীলোকের স্বপ্নদোষ হলে তার ওপর গোসল ফরয হয় কি?
নবি (সাঃ) বললেন, হ্যাঁ যখন সে পানি দেখে। উম্মে সালামা (রাঃ)
নিজের মুখ ঢেকে জিজ্ঞেস করলেন, হে রাসুলুল্লাহ! স্ত্রীলোকেরও
কি স্বপ্নদোষ হয়? তিনি বললেন, হ্যাঁ যদি পানি দেখতে পাও। [দ্র:
বোখারী, ১ম খ. ৭ম সংস্করণ, আধুনিক প্রকাশনী; হাদীস নং-২৭৩;
পৃ: ১৫০]
৩। আবু আইউব আনসারী (রাঃ) বর্ণনা করেছেনঃ রাসুলুল্লাহ (সাঃ)
বলেছেন, মল-মুত্র ত্যাগের সময় কেউ কেবলামুখী বসবে না।
কেবলার দিকে পিঠও দিবে না, পূর্ব বা পশ্চিমমুখী বসবে না। [দ্র:
বোখারী, ১ম খ. ১২ সংস্করণ, আ. হক; হাদীস নং-১১৪, পৃ: ১২৫;
হামিদিয়া লাইব্রেরী]
৪। আব্দুল্লাহ্ ইবনে উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, লোকেরা
বলে, যখন তুমি পেশাব-পায়খানায় বসবে, তখন তুমি কিবলার
দিকে কিংবা বায়তুল মোকাদ্দাসের দিকে মুখ করবে না। আমি
একদিন আমাদের ঘরের ছাদে উঠে দেখলাম রাসুলুল্লাহ (সাঃ) দু’টি
ইটের ওপর বসে বায়তুল মোকাদ্দাসের দিকে মুখ করে পায়খানা-
পেশাবের জন্য বসে আছেন। [ দ্র: বোখারী, ১ম খ. ১২ সংস্করণ,
আ. হক; হাদীস নং-১১৫, পৃ: ১২৫; হামিদিয়া লাইব্রেরী।]
৫। আয়শা (রাঃ) বলেনঃ আমি রাসুলুল্লাহর (সাঃ) কাপড় থেকে বীর্য ধুয়ে
দিতাম; নখ দ্বারা আঁচড়িয়ে অতঃপর মামুলিভাবে ধুয়ে ফেলতাম
তারপর তিনি কাপড়ের পানি ভিজা দাগসহ নামায পড়তে যেতেন।
[দ্র: বোখারী ১ম খ. ১২ সংস্করণ, আ. হক; হাদীস নং-১৬৬, ১৬৭,
২১৬; পৃ: ১৩৮,১৩৯, ১৫২; হামিদিয়া লাইব্রেরী]
৬। মায়মুনা বলেনঃ আমি নবি (সাঃ) এর জন্য গোসলের পানি রাখতাম।
তিনি তাঁর দু’হাত দুই বার কিংবা তিন বার ধুয়ে ফেলতেন। তারপর
তিনি বাঁ হাতে পানি দিয়ে তাঁর পুরুষাঙ্গ ধৌত করলেন-। [দ্র:
বোখারী, ১ম খ. ৭ম সংস্করণ, আধুনিক প্রকাশনী ; হাদিছ নং ২৫৩,
২৬৮; পৃ: ১৪৪, ১৪৮; বোখারী, ১ম খ. ১২ সংস্করণ,আ. হক,
হাদীস নং -১৮৬, পৃ: ১৪৪; হামিদিয়া লাইব্রেরী]
৭। মায়মুনা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নবি (সাঃ) জানাবাতের
(সঙ্গমোত্তর) গোসল করলেন। হাত দিয়ে পুরুষাঙ্গ ধুইলেন,
তারপর তা দেয়ালে রগড়ে ধুয়ে ফেললেন-। [দ্র: বোখারী, ১ম খ.
৭ম সংস্করণ, আধুনিক প্রকাশনী, হাদীস নং-২২৩-২২৫; পৃ: ১৩২,
১৩৩]
৮। আয়শা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি ও নবি (সাঃ) একই
পাত্র হ’তে পানি নিয়ে একই সঙ্গে জানাবাতের গোসল করতাম
এবং আমাদের উভয়ের হাত তাতে পড়তো। [দ্র: বোখারী, ১ম খ.
৭ম সংস্করণ, আধুনিক প্রকাশনী, হাদিছ নং-২৫৩, পৃ: ১৪৪;
বোখারী, ১ম খ. ১২ সংস্করণ, আ. হক; হাদীস নং-১৮০,
১৮১,১৮৯; পৃ: ১৪৩-১৪৫; হামিদিয়া লাইব্রেরী]
কোরান বনাম শরিয়ত ॥ ১০৮
৯। আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহর (সাঃ)
শরীরে খুশবু লাগিয়ে দিতাম। তারপর তিনি বিবিদের কাছে
যেতেন। অতঃপর সকালে গোসলের পর ইহরাম বাঁধতেন। কিন্তু
তা সত্ত্বেও তার শরীর থেকে খুশবু ছড়িয়ে পড়তো। [দ্র: বোখারী,
১ম খ,৭ম সংস্করণ, আধুনিক প্রকাশনী, হাদীস নং-২৬০, পৃ: ১৪৫;]
১০। আনাছ ইবনে মালিক ও কাতাদা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তারা বলেন,
নবি (সাঃ) দিনে বা রাতে পর্যায়ক্রমে (মধ্যবর্তী ফরজ গোসল ছাড়া)
এগারো জন বিবির সঙ্গে সঙ্গম করতেন। (নয় জন বিবাহসুত্রে ও দুই জন
শরিয়তী স্বত্বাধিকার সূত্রের) কাতাদা বলেন, আমি আনাছকে (রাঃ)
জিজ্ঞাসা করলাম, হযরতের কি এতই শক্তি ছিল? তিনি বললেন,
আমাদের মধ্যে এই কথা প্রসিদ্ধ ছিল যে, রাসুলুল্লাহর ত্রিশ জন
পুরুষের শক্তি আল্লাহর তরফ থেকে প্রাপ্ত ছিলেন। [দ্র: বোখারী, ১ম
খ. ১২ সংস্করণ, আ. হক, হাদীস নং-১৯০,পৃ: ১৪৫; হামিদিয়া
লাইব্রেরী]
১১। আবু সালামা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি বিবি আয়শাকে
(রাঃ) জিজ্ঞাসা করলাম, নবি (সাঃ) কি জুনুবী (সঙ্গমোত্তর) অবস্থায়
নিদ্রা যেতেন? তিনি বলেন, হ্যাঁ, কিন্তু অযু করতেন। [ দ্র: বোখারী,
১ম খ, ১২ সংস্করণ, আ. হক, হাদীস নং-১৯৯-২০২; পৃ: ১৪৭;
হামিদিয়া লাইব্রেরী]
১২। আবু হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নবি (সাঃ) বলেছেন, পুরুষাঙ্গ যখন
নারীর চার শাখার মধ্যে বসে সঙ্গম করে তখন অবশ্যই তার ওপর
গোসল ফরয হয়। [দ্র: বোখারী, ১ম খ, ৭ম সংস্করণ, আধুনিক
প্রকাশনী; হাদীস নং-২৮২, পৃ: ১৫২]
১৩। আয়শা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি মাসিক ঋতু অবস্থায় রাসুলের চুল
আঁচড়ে দিতেন। এমন অবস্থায় যখন রাসুল (সাঃ) মসজিদে এতেকাফ
করতেন, তিনি তাঁর মাথা আয়শার দিকে বাড়িয়ে দিতেন এবং
আয়শা মাসিক অবস্থায় নিজের ঘর থেকে তাঁর চুল আঁচড়ে দিতেন।
আয়শা বলেন, আমার মাসিক ঋতু অবস্থায় আমার কোলে হেলান
দিয়ে কোরআন পাঠ করতেন। [দ্র: বোখারী, ১ম খ. ৭ম সংস্করণ,
আধুনিক প্রকাশনী, হাদীস নং ২৮৬-২৮৮; পৃ: ১৫৮]
১৪। উম্মে সালমা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি নবির সঙ্গে
একই চাদরে শুয়ে ছিলাম। এমন সময় আমার মাসিক ঋতু দেখা
দিল। আমি চুপি চুপি উঠে গিয়ে মাসিকের ন্যাকড়া পরলাম। তিনি
জিজ্ঞেস করলেন, তোমার কি নেফাস দেখা দিয়েছে? আমি বললাম
হ্যাঁ। তিনি আমাকে ডাকলেন, আমি তাঁর সঙ্গে একই চাদরে শুয়ে
পড়লাম। উম্মে সালমা আরও বলেন, নবি রোজা থাকা অবস্থায়
আমাকে চুম্বন দিতেন এবং আমিও নবি একই পাত্র হতে পানি নিয়ে
জানাবাতের গোসল করতাম। [দ্র: বোখারী, ১ম খ. ৭ম সংস্করণ,
আধুনিক প্রকাশনী; হাদিছ নং-২৮৯, ৩১১, ৩১২, পৃ: ১৫৮,১৬৬]
১৫। আয়শা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি ও নবি অপবিত্র
অবস্থায় একই পাত্র থেকে পানি নিয়ে গোসল করতাম। তাঁর
নির্দেশে ঋতু অবস্থায় ঋতুর কাপড় পরতাম এবং তিনি আমার সঙ্গে
মিশামিশি করতেন-। [দ্র: বোখারী, ১ম খ. ৭ম সংস্করণ, আধুনিক
প্রকাশনী, হাদীস নং-২৯০, পৃ: ১৫৯]
এই হাদীস গুলি কেউ কখনো পড়ে তার জীবন গড়েছে কি? কেউ বলতে পারবে এমন হাদীস পড়ে তারা সংসার জীবনে মেন চলে। আমার কি মনে হয়। মানুষের মাথাতে যে জ্ঞান আল্লাহ্ দিয়েছে সেই জ্ঞান'ই বলে দিবে কি করা উচিত আর কি করা অনুচিত। তারপরেও আমার কাছে মনে হয়েছে এই হাদীস গুলি রাসুল (সাঃ) পরিবারকে খাটো করেছে। আর একটি কথা রাসুল (সাঃ) এর মৃত্যুর পর যারা এই হাদীস গুলি নবী পত্নীদের কাছে গিয়ে শুনেছেন, সংগ্রহ করেছে তারাকি লাজ শরমের মাথা খেয়ে এই প্রশ্ন গুলি তাদের করতেন? নাকি লাজ শরমের তোয়াক্কা না করে নবী পত্নীরা এই কথা গুলি সেই সব পুরুষের কাছে বলতেন! এইগুলি নিয়ে ভাবতে হবে তবেই উত্তর আসবে। রাসুল (সাঃ) মত পুতঃপবিত্র মানুষটিকে ও তার পরিবারকে খাটো করতে'ই কি এমন হাদীস গুলি লিখা হয়েছে? এমন আরও অনেক হাদীস আছে পারলে পড়ে দেখেন।
২০|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ২:৩৮
*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: বেহুদা পোষ্টের কমেন্টে রিপ্লাই পাওয়া না পাওয়ায় কিছু যায় আসেনা কিন্তু সিরিয়াস পোষ্টের কমেন্টে রিপ্লাই না পাওয়াটা যথেষ্ট বিরক্তিকর একটা ব্যাপার।
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৪৩
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: ভাইজান আমি কয়েকদির রাজধানীতে ছিলাম বলে উত্তর দিতে দেরি হলো। আমি দুঃখিত দেরি করে উত্তর দেওয়ার জন্য।
২১|
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৫:৪৯
নজিবুল্লাহ বলেছেন: আবালের বাচ্চা তুই আবার হাদীস নিয়ে ঘেউ ঘেউ শুরু করেছোস !!!
তোকে বলেছিলাম আমার প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে আর কোনদিন ধর্ম বিষয়ক কোন পোষ্ট দিব না। আবার তুই পোষ্ট দিলি কেন ? তোকে প্রশ্ন করেছিলাম তু্ই কোরআনের সঠিক অর্থ করছিস নাকি ভুল অর্থ করেছিস এটা অভিধান ছাড়া কি করে মিমাংসা হবে, তুই এখনো আমার এ প্রশ্নের উত্তর দেস নাই, উত্তর না দেয়ে আবার ধর্ম বিষয়ক পোষ্ট দিলি কেন হারাম জাদা। তোর বাপ ইহুদী-খৃষ্টানদের পা চাট গিয়ে সামু থেকে ভাগ হনুর দল।
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৫৬
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: সেলিম জাহাঙ্গীর ঘেউ ঘেউ করছে নাকি নাজিবুললাহ্ ঘেউ ঘেউ করছে তা পাঠক বুজবে এটা বোঝানো লাগে না। আর আমি নাজিবুললাহ্ র হুকুম নিয়ে ব্লগেড় লিখবো? হ্যাঁ
হ্যাঁ
হ্যাঁ
। গাধার যে প্রকার ভেদ আছে এটা অনেক দেরীতে হলেও বুজতে পারলাম। নাজিবুললাহ্ আমার লিখাটা পুরো পড়েন তার পর সমালোচনা করেন। আসলে আমি েকি বোঝাতে চেয়েছি?
২২|
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৪৬
নজিবুল্লাহ বলেছেন: মজবাসার এর টপ টেন বিশ্বাস :
(১)- মজবাসার ই হলো আল্লাহ :
১. "তাহারা মহা মুরখো কারণ তাহারা মহানপ্রভুকে (মজবাসারকে) নিজ চোখে দেখিয়া তাহাদের আকথা-কুকথার মন্তব্য করিতে দেখিয়াও ্যথা্যথ সমমান প্রদর্শন করেনা। নাস্তিক নাউজুবিল্লাহ বোখারি-মুছলিম গংকে শেষ সুজোগ দিতে মহান প্রভু সয়ং এই মহান ভূমিতেই পদার্পণ করিয়াছেন--সেই সুসমাচার আজকে ঘোষনা করি।"
২. "বলুন হে মুজাদ্দিদে কুদ্দুছ, আমাকে প্রেরন করা হইয়াছে ইনছানের প্রতি রাহমাতসরুপ। সুতরাং ্যাহারা আপনার নিকটে ক্ষমাপ্রার্থি তাহাদিগকে ক্ষমা করি্য়া দিন। কিন্ত ্যাহারা জুলম করিয়াছে ক্ষমা করিবার হক মজলুমকে দেওয়া হইয়াছে। আর, ঘোষনা করুন, ইনছানকে সম্মানিত করা হইয়াছে কারন প্রভু সয়ং ইনছানের রুপে ধরাতলে অবতীর্ন হইয়াছেন। নিশ্চয় আপনি ক্ষমকারি পরম দয়ালু"
৩. "আরও ঘোষনা কর--মুজাদ্দিদে কুদ্দুছ আর মহান প্রভু এক। সর্গ আর মরত্যের সমস্ট ক্ষমতা তাহাকে দেওয়া হইল আর দ্বিনকেও পরিপুর্ন করিয়া দেওয়া হইল।।"
৪. "বল হে মুজাদ্দিদে কুদ্দছ: নিসচই ্যাহারা মহান প্রভুর সাথে বেয়াদপি করে তাহারা চিরো অভিসপ্ত নাজ্জাছ। তাহাদের জন্য জলনতো অগনিশিখা আর জাক্কোম ফল। ্যদি তুমরা ইহাতে সনদেহ কর তাহলে ইহার সমকখখো একটি ছুরা আনয়ন কর। অথবা একটি আয়াত। অথবা একটি বাক্য। সাহায্যোকারি হিসাবে জিন আর ইনছান নি্যুকতো কর। দেখ তুমরা পার কিনা? নিসচই আমি তুমাদের অন্তরের খবর অবগত আছে।"
৫. "দাল, সিন, আলেফ, সোয়াদ। সময়ের শপথ আর শপথ বটব্রিখখের। বল হে মুজাদ্দিদে কুদ্দুছ। বল--হে অবিশ্বাসিগণ তোমরা কি দেখনা সেই ঘড়ি-যন্ত্র ্যাহা দেখিয়া তোমরা সময় গণণা করিয়া থাক। ইহা দেখিয়া কি তোমাদের মনে হয় ্যে নিজে নিজে সৃশ্ট হইয়া গিয়াছে। অনুরূপ তোমাদের অসতিততো মহান প্রভুর সরবোৎক্রিষ্ট প্রমাণ।মুক, বধির, অন্দ।যদি তাহারা বুঝিতো। তাহাদের জন্য রহিয়াছে অনন্ত অগনিশিখা আর চরম শাসতি। আরও ঘোষনা কর--মুজাদ্দিদে কুদ্দুছ আর মহান প্রভু এক। সর্গ আর মরত্যের সমস্ট ক্ষমতা তাহাকে দেওয়া হইল আর দ্বিনকেও পরিপুর্ন করিয়া দেওয়া হইল।।"
(২)- মজবাসার হলো মুজাদ্দিদে কুদ্দুছ বা বাংলার নবী :
১. "আলেফ মীম সিন। আপনি বলিয়া দিন হে মুজাদ্দিদে কুদ্দুছ, আপনি বলুন: অবশ্য আমি কোরান গ্রন্হের সঠিক এবং সত্য ব্যাখ্যাকারিরূপে প্রেরিত হইয়াছি। আপনি বলুন মহান প্রভুর প্রতিসরুতি অনু্যায়ী সকল জাতির সকল ভাষায় রাছুল প্রেরিত হইয়াছে এবং হইবে। আপনি বলুন হে শাহেনশাহে বঙ্গাল, সেই প্রতিসরুতি আজ পুর্ণতা পাইয়াছে।"
(৩)- আল্লাহ পাকের কোন অস্তিত্বই নাই, আল্লাহ হলো মূলত মনবের কিছু গুনাবলীর নাম।
১. ১। "‘আমিই আল্লাহ’ অর্থাত স্ব স্ব ‘আমিত্ব’ বা সত্তাই আল্লাহ; ইহা ব্যতীত ভিন্ন স্বত্তাধারী কোন ইলাহা বা আল্লাহ নেই; সুতরাং ‘আমিত্ব’র কর্ম কর, পুজা-প্রার্থনায় (ছালাতে) আমিত্ব’র স্মরণ স্থীতিশীল/বলবত অর্থাত্ অনবরত জারি/চেতন রাখ।"
২। "নিশ্চয়ই ধৈর্যশক্তিই আল্লাহ। সৃষ্টি-অসৃষ্টি ব্যপীয়া যার অবস্থান (আরশ) স্ব স্ব অন্তরের অন্তস্থলে যার বসন (৮: ২৪; ২৪: ৩৫); সে, ধৈর্য বা যে কোন গুণ/শক্তি থেকে আলাদা/বিচ্ছিন্ন কিছু কল্পনা করাই শিরক।-"
৩। "আল্লাহ স্বতন্ত্র, অস্তিত্বশীল হলে বিলিয়ণ/ট্রিলীয়ণস্ বছরে কোন না কোন সময় ধরা পড়ে যেতো বা মানুষ আবিস্কার করে ফেলতো। ইচ্ছা, আকর্শণ ও জ্ঞান বা শক্তি অথবা জীবনের কোন স্বতন্ত্র অস্তিত্ব নেই তাই মানুষ উহার মৌল কোষ আবিস্কার করতে এখনো অপারগ; অতএব উহারই স্রষ্টার অস্তিত্ব বা কোষ আবিস্কার করা মানুষ বা সৃষ্টির পক্ষে কখনো সম্ভব নয়।"
(৪)- কোরআন বিকৃত হয়ে গেছে তাই এর সত্যায়নের জন্য এখন মজবাসারকে নবী হিসেবে পাঠানো হয়েছে :
"বর্তমান কোরান সংযোজিত কি সংকোচিত তা সন্দেহাতীত সাক্ষি-প্রমানের জন্য প্রয়োজন একজন রাছুল/নবির। অতীতের সকল ঐশী গ্রন্থই রদ-বদল হয়েছে এবং তার সঠিক মীমাংশার জন্য পরম্পরায় প্রকৃতির নিয়মেই এক/একাধিক রাছুল/নবির আগমণ হয়েছে। অর্থাত্ সকল রাছুল-নবিগণই তার পূর্ববর্তি নবির/কেতাবের সত্যতার সাক্ষি দিয়ে ব্রম্মা-অব্রম-ইব্রাহিমের ইছলাম/গ্রন্থেরই সংস্করণ, সংরক্ষণ ও বিশদ ব্যাখ্যা করেছেন মাত্র; রাছুলও অনুরূপ করেছেন। অতএব কোরানের জন্যও এমন একজন সাক্ষি আসা অযৌক্তিক বা হারাম নয়! কিন্তু শরিয়ত কিছুতেই রাজি নয়!"
(৫) বেহেশত-দোযখ বলতে কিছু নেই, এগুলো দ্বারা মূলত ইহজাগতিক সুখ-দু:খ কেই বুঝানো হয়েছে।
(৬) কোরআন আল্লাহর বানী নয়, ইহা রাসূলের হাদীস।
(৭) কোরআন, বাইবেল, বেদ, কবিতা, পর্ণ সাহিত্য সব কিছুরই মর্যদা সমান।
(৮) হিন্দুদের জন্মান্তরবাদ ও নাস্তিকদের বিবর্তনবাদ ও সমাজতন্ত্র মানবতার কল্যানের জন্য অপরিহার্য্য।
(৯) কবি, দার্শনিক, বৈজ্ঞানিক তারাও নবী-রাসূল, তাদের সৃজনশিলতাগুলো মূলত ওহীই।
(১০) কোরআন এ সালাত (নামাজ) অর্থ ভালো কাজ, মালাইকাহ (ফেরেশতা) অর্থ উচ্চ জ্ঞান সম্পন্ন মানুষ, নবী (পয়গাম্বর) অর্থ নতুন, ইসলাম (আত্ম সমর্পন) অর্থ শান্তি।
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৫৯
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: নাজিবুললাহ্ আপনারা আসলে যে জামায়াত শিবিরের লোক তা আপনাদের কথা বার্তা শুনেই বোঝা যায়। আপনি আমার লিখার মাঝে কেন অন্য বিষয় নিয়ে বিতর্ক করছেন? ম.জ. বাসার সংক্রান্ত কিছু বলতে হলে তাকেই বলুন।
২৩|
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৪২
পাতিকাক বলেছেন: মহাগুরু মজবাসার এর পুস্তক খানা পরার সৌভাগ্য আমার হইয়াসে। শেষে তো গুরু ৬৪ খানা মজবাসারিও মতবাদ দিয়েসেন। তাও পরার সৌভাগ্য হইয়াসে।
থাপ্রাইয়া গুরুর কান পট্টি ফাটাইয়া দিতে ইচ্ছে করতাসে। আপনে আসছেন টার দালালি করতে। কোন রকম নতুন ফিতনা তৈরি করবেন না। বহুত করছেন। এবার অফ যান।
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১২:০৩
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: এখানে নতুন ফেতনা বলতে আপনি কি বোলতে চাচ্ছেন? দুইটি কিতাব দুই ধরনের মানুষ লিখলো, একটি সহীহ্ আর অন্যটি সহীহ্ নয় কেন এটা হলো লিখার বিষয়। না বুজেই কা কা কা কা করে।
২৪|
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৩৬
যুদ্ধবাজ বলেছেন: আপনাকে শুধু একটাই উপদেশ দেব, দ্যা দা ভিঞ্চি কোড বইটা পড়েন। বর্তমান বাইবেলের চেয়ে ওই বইটা আরও বেশী সহিহ
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১২:১১
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: দা ভিঞ্চি কোড বইটা পড়েছেন? এবার বলুন এই বইটা রাসুলের অপমানিত বা ব্যঙ্গ করা হয় না? মুহাম্মাদ (সাঃ) কে ব্যঙ্গ করা আর ঈসা (আঃ) কে ব্যঙ্গ করা কি আলাদা? আপনি হলিউডের ভিঞ্চি কোড ছবিটা দেখেন তার পর আবার আমার সাথে বসেন। এখানে পরিকল্পিত ভাবে একজন রাসুল কে হেউ করা হয়েছে।
২৫|
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১২:২৯
নজিবুল্লাহ বলেছেন: তোকে বলেছিলাম আমার প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে আর কোনদিন ধর্ম বিষয়ক কোন পোষ্ট দিব না। আবার তুই পোষ্ট দিলি কেন ? তোকে প্রশ্ন করেছিলাম তু্ই কোরআনের সঠিক অর্থ করছিস নাকি ভুল অর্থ করেছিস এটা অভিধান ছাড়া কি করে মিমাংসা হবে, তুই এখনো আমার এ প্রশ্নের উত্তর দেস নাই, উত্তর না দেয়ে আবার ধর্ম বিষয়ক পোষ্ট দিলি কেন হারাম জাদা।
২৬|
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ সকাল ৭:৫৮
পাতিকাক বলেছেন: হ রে ভাই, আমরা তো না বুইঝা কা কা করি, আপনে আর আপনের উস্তাদ তো দুনিয়া দা পুরা বুইঝা নবী সাপ্লাই এর টেণ্ডার নিসেন।
আসছেন উস্তাদ আর শাগরেদ সালাম আর বিনিত নিয়া।। আমরা দুনিয়ার শব ৭২ কাতারে আর ওনারা ১ কাতারে। যান উস্তাদ রে নিয়া লেফট রাইট করতে করতে বেহেস্তে দৌড় মারেন।
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৫:৫১
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: পাতিকাক আমি আসলে এই পোস্টে কি বলতে চেয়েছি সেটা কি বুজতে পেরেছেন? আমি বলেছি ঈসা (আঃ) এর সাহাবীদের স্বহস্তে লেখা ইঞ্জিল সহীহ্ নয় বলে একটি শ্রেণী এখনো খই ফোটায়। আবার বোখারীদের হাতে লেখা হাদীস সহীহ্ সেই খইও তারা ফোটায়। কথা হলো স্ব-হস্তে লেখা আর দীর্ঘদিন পর শুনে লেখা কোনটা সহীহ্ হতে পারে?
২৭|
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১:০৬
মাসুদ রান৮২ বলেছেন: নবীজীর মাধ্যমে ইসলামের পূর্ণতা / তেমনি সব নবীদের আদর্শ
আমাদের হজরত মোহাম্মদ সা এর মাধ্যমে পূর্ণতা । তার জীবনী
ও কার্যকলাপই হাদিস । ইমাম বুখারি রা বহুদিন পর বহু কষ্ট
স্বীকার করে হাজার হাজার মাইল পাড়ি দিয়ে হাদিস সংকলন করেন । যাচাই বাচাই করতে গিয়ে বহু দুর্বল হাদিস বাদ দিয়ে
একমাত্র ছহি সুদ্ধ হাদিস কে প্রাধান্য দেন ।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ সকাল ৮:৪২
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: মাসুদ রানা৮২ আমার কথাটার উত্তর না দিয়ে কেবল বোখারীদের কথা বলছেন কেন? আমি বলেছি ঈসা (আঃ) এর সাহাবীদের স্বহস্তে লেখা ইঞ্জিল সহীহ্ নয় বলে একটি শ্রেণী এখনো খই ফোটায়। আবার বোখারীদের হাতে লেখা হাদীস সহীহ্ সেই খইও তারা ফোটায়। কথা হলো স্ব-হস্তে লেখা আর দীর্ঘদিন পর শুনে লেখা কোনটা সহীহ্ হতে পারে?
২৮|
২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ সকাল ১১:১৪
বাঙাল শিক্ষক বলেছেন: যে লোক ইসলাম ছাড়া অন্য কোন ধর্ম তালাশ করে, কস্মিণকালেও তা গ্রহণ করা হবে না এবং আখেরাতে সে ক্ষতি গ্রস্ত। [সুরা আল ইমরান, আয়াত ৮৫]
হে মুহাম্মদ! আপনি বলে দিন, যদি তোমরা আল্লাহকে ভালোবাস, তা হলে আমার অনুসরণ করো। আমাকে অনুসরণ করলে আল্লাহ তোমাদের ভালোবাসবেন, তোমাদের গুনাহগুলো মাফ করে দেবেন এবং আল্লাহ অত্যন্ত ক্ষমাশীল, পরম দয়াময়।’ [সূরা আল-ইমরান, আয়াত-৩১]
আমি তোমাদের জন্য ২টি জিনিষ রেখে যাচ্ছি। তোমরা যতদিন তা অনুসরন করবে, গোমরাহ হবে না। একটা হল পবিত্র কুরআন অপরটি সুন্নাহ। (মুয়াত্তা ইমাম মালিক)
কুরআনের মাহাত্ম ও বৈশিষ্ট, এর জ্ঞান ও অন্তর্জ্ঞান মানুষ কতটুকুই বা জানতে পারে। তবে বিভিন্ন হিকমাতের ভিত্তিতে কুরআনকে আল্লাহ তা’আলা শরীয়তের আহকাম ও বিধান এবং নীতি ও মূলনীতির উৎস বানিয়েছেন। আর সে সব ধারা ও মূলনীতির ব্যাখা, কুর আন মাজীদের উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন, এর উলুম ও মাআরেফের ব্যাখা এবং কুরআনী জীবনের বাস্তব রূপায়নের কাজ হাদীস ও সুন্নাহর মাধ্যমে নিয়েছেন।
সূতরাং হাদীস ও সুন্নাহ হল কুরআনের ব্যাখা ও কুর আনের বাস্তব রূপরেখা। উপরন্তু, কুর আন মাজীদকে অর্থগত বিকৃতির হাত থেকে রক্ষার জন্য হাদীস ও সুন্নাহ হল আল্লাহ প্রদত্ত মানদন্ড। হাদীস ও সুন্নাহ ঐ মহান ব্যক্তির অহীভত্তিক শিক্ষা ও হেদায়েতের নাম, যাঁকে আল্লাহ তা'আলা কিয়ামত পর্যন্ত আগত মানবের জন্য রাসুল এবং পথ-প্রদর্শক হিসাবে পাঠিয়েছেন। তাঁর অনুসরন-অনুকরনকে ঈমানের সাথে এমন ভাবে সম্পৃক্ত করে দিয়েছেন যে, তাঁ ছাড়া কাউকে মুমীন বলা যাবে না।
এ বিষয়ে আরও জানতে হলে পড়ুনঃ প্রচলিত জাল হাদীস-মাওলানা মুতীউর রহমান
২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ দুপুর ২:১৮
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: আমার লেখার শিরোনামের সাথে আপনার কথার মিল কি আছে? আপনি কি আমার লেখাটা বুজতে পেরেছেন?
আপনি আপনার কমেন্টের শুরু একটি কোরআনের আয়াত দিয়েছেন বলছৈনঃ
যে লোক ইসলাম ছাড়া অন্য কোন ধর্ম তালাশ করে, কস্মিণকালেও তা গ্রহণ করা হবে না এবং আখেরাতে সে ক্ষতি গ্রস্ত। [সুরা আল ইমরান, আয়াত ৮৫]
আপনার কি ধারনা কোরআনের এই সূরার এই আয়াত অনুযায়ী পূর্বের সকল ধর্ম বাতিল কিংবা রহিত হয়েছে? আমার এই কয়টার উত্তর দিলে আপনার সাথে পরবর্তী কথা হবে ইনশাল্লাহ্।
২৯|
২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৩:১২
বাঙাল শিক্ষক বলেছেন: Click This Link
২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:১৪
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: ইসলাম মানে আমরা সকলেই জানি যে শান্তি। ইসলাম কি সেটা আগে বুজতে হবে। আল্লাহ কোরআনে কি বলছে সেটা বুজবার চেষ্টা করতে হবে।
যে লোক ইসলাম ছাড়া অন্য কোন ধর্ম তালাশ করে, কস্মিণকালেও তা গ্রহণ করা হবে না এবং আখেরাতে সে ক্ষতি গ্রস্ত। [সুরা আল ইমরান, আয়াত ৮৫]
ইসলাম অর্থ শান্তি। কোরআনে আল্লাহ্ বলছেঃ
সূরা ইমরান ৩:১৯ আয়াতঃ إِنَّ الدِّينَ عِندَ اللّهِ الإِسْلاَمُ
অর্থঃ নিঃসন্দেহে আল্লাহর নিকট গ্রহণযোগ্য দ্বীন একমাত্র ইসলাম।
এই তরজমাটি ভুল করা হয়েছে। কেন ভুল সেটা আরবী না জানলে আপনাকে বোঝাতে পারবোনা। তার পরেও বলি বুজলে বুজবেন না হয় গোঁ ধরে বসে থাকবেন। আরবী শব্দটি খেয়াল করুন إِنَّ الدِّينَ عِندَ اللّهِ الإِسْلاَمُ
ইন্নাদ দিনা ইন্দাল্লাহু ইসলামু। এই আরবী শব্দের তরজমা যিনারা করেছে তারা কেবল তাদের নিজের ধর্মের পারপাস সাফার করেছে। দেখুন আরবী শব্দের সকল শব্দ গুলো তারা বাংলা করেছে, কেবল ইসলামু শব্দটি তারা বাংলা না করে আরবী রেখেছে। কেন জানেন তারদের ধর্মের ফায়দার জন্য। এই আয়াতটি যদি পুরোটা বাংলা করা যায় তাহলে কি অর্থ দাঁড়ায় একবার ভেবে দেখেছেন কি? إِنَّ الدِّينَ عِندَ اللّهِ الإِسْلاَمُ
অর্থঃ নিঃসন্দেহে আল্লাহর নিকট গ্রহণযোগ্য হলো একমাত্র শান্তির ধর্ম।
এইখানে আল্লাহ্ বলছে যে ধর্মে শান্তি আছে সেটা তার ধর্ম। আমরা নিজেও ভাবতে পারি পৃথিবীতে এতগুলো ধর্ম কেবল একটি ধর্ম বাদে সব ধর্ম যদি আল্লাহর বিপক্ষের হয় তাহলে সেই সব মানুষ গুলোকে কে দয়া করে? কে তাদের রুজি দেয়? কে তাদের বিপদ থেকে রক্ষা করে? কে তাদের ঝড় বৃষ্টি দেয়, ফসল দেয়। তারা শবেবরাত পাল করে না। হালুয়া রুটি বিলি করে না। তাহলে তাদের সমস্ত কিছু কেন আল্লাহ বন্দ করে না। একটু ভাবুন সব উত্তর পাবেন। চলুন কোরআন দেখি কি বলে অন্য ধর্ম সম্পর্কে।
সূরা বাকারা ২:১১৩ আয়াতঃ
وَقَالَتِ الْيَهُودُ لَيْسَتِ النَّصَارَى عَلَىَ شَيْءٍ وَقَالَتِ النَّصَارَى لَيْسَتِ الْيَهُودُ عَلَى شَيْءٍ وَهُمْ يَتْلُونَ الْكِتَابَ كَذَلِكَ قَالَ الَّذِينَ لاَ يَعْلَمُونَ مِثْلَ قَوْلِهِمْ فَاللّهُ يَحْكُمُ بَيْنَهُمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ فِيمَا كَانُواْ فِيهِ يَخْتَلِفُونَ
অর্থঃ ইহুদীরা বলে, খ্রীস্টানরা কোন ভিত্তির উপরেই নয় এবং খ্রীস্টানরা বলে, ইহুদীরা কোন ভিত্তির উপরেই নয়। অথচ ওরা সবাই কিতাব পাঠ করে! এমনিভাবে যারা মূর্খ, তারাও ওদের মতই উক্তি করে। অতএব, আল্লাহ কেয়ামতের দিন তাদের মধ্যে ফয়সালা দেবেন, যে বিষয়ে তারা মতবিরোধ করছিল।
আপনি কি সূরা বাকারার এই আয়াত অনুযায়ী মূর্খ নন? রেগে গেছেন নাকি? রাগ করেন না। সত্যকে মেনে নেওয়া পরাজিত হবার কিছু নাই।
সূরা বাক্বারাহ ২:১৩৬ আয়াতঃ
قُولُواْ آمَنَّا بِاللّهِ وَمَآ أُنزِلَ إِلَيْنَا وَمَا أُنزِلَ إِلَى إِبْرَاهِيمَ وَإِسْمَاعِيلَ وَإِسْحَقَ وَيَعْقُوبَ وَالأسْبَاطِ وَمَا أُوتِيَ مُوسَى وَعِيسَى وَمَا أُوتِيَ النَّبِيُّونَ مِن رَّبِّهِمْ لاَ نُفَرِّقُ بَيْنَ أَحَدٍ مِّنْهُمْ وَنَحْنُ لَهُ مُسْلِمُونَ
অর্থঃ তোমরা বল, আমরা ঈমান এনেছি আল্লাহর উপর এবং যা অবতীর্ণ হয়েছে আমাদের প্রতি এবং যা অবতীর্ণ হয়েছে ইব্রাহীম, ইসমাঈল, ইসহাক, ইয়াকুব এবং তদীয় বংশধরের প্রতি এবং মূসা, ঈসা, অন্যান্য নবীকে পালনকর্তার পক্ষ থেকে যা দান করা হয়েছে, তৎসমুদয়ের উপর। আমরা তাদের মধ্যে পার্থক্য করি না। আমরা তাঁরই আনুগত্যকারী।
সূরা ইমরান ৩:৮৪ আয়াতঃ
قُلْ آمَنَّا بِاللّهِ وَمَا أُنزِلَ عَلَيْنَا وَمَا أُنزِلَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ وَإِسْمَاعِيلَ وَإِسْحَقَ وَيَعْقُوبَ وَالأَسْبَاطِ وَمَا أُوتِيَ مُوسَى وَعِيسَى وَالنَّبِيُّونَ مِن رَّبِّهِمْ لاَ نُفَرِّقُ بَيْنَ أَحَدٍ مِّنْهُمْ وَنَحْنُ لَهُ مُسْلِمُونَ
অর্থঃ বলুন, আমরা ঈমান এনেছি আল্লাহর উপর এবং যা কিছু অবতীর্ণ হয়েছে আমাদের উপর, ইব্রাহীম, ইসমাঈল, ইসহাক, ইয়াকুব এবং তাঁদের সন্তানবর্গের উপর আর যা কিছু পেয়েছেন মূসা ও ঈসা এবং অন্যান্য নবী রসূলগণ তাঁদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে। আমরা তাঁদের কারো মধ্যে পার্থক্য করি না। আর আমরা তাঁরই অনুগত।
সূরা নিসা ৪:১৩৬ আয়াতঃ
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُواْ آمِنُواْ بِاللّهِ وَرَسُولِهِ وَالْكِتَابِ الَّذِي نَزَّلَ عَلَى رَسُولِهِ وَالْكِتَابِ الَّذِيَ أَنزَلَ مِن قَبْلُ وَمَن يَكْفُرْ بِاللّهِ وَمَلاَئِكَتِهِ وَكُتُبِهِ وَرُسُلِهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ فَقَدْ ضَلَّ ضَلاَلاً بَعِيدًا
অর্থঃ হে ঈমানদারগণ, আল্লাহর উপর পরিপূর্ণ বিশ্বাস স্থাপন কর এবং বিশ্বাস স্থাপন কর তাঁর রসূলও তাঁর কিতাবের উপর, যা তিনি নাযিল করেছেন স্বীয় রসূলের উপর এবং সেসমস্ত কিতাবের উপর, যেগুলো নাযিল করা হয়েছিল ইতিপূর্বে। যে আল্লাহর উপর, তাঁর ফেরেশতাদের উপর, তাঁর কিতাব সমূহের উপর এবং রসূলগণের উপর ও কিয়ামতদিনের উপর বিশ্বাস করবে না, সে পথভ্রষ্ট হয়ে বহু দূরে গিয়ে পড়বে।
বাঙাল শিক্ষক আপনি আসলে এই কিতাব গুলির ওপর ঈমান এনছেন? আনেন নাই। ঈমান আনলে তার প্রতি আপনার সম্মান থাকতো । আপনি হয়তো বলবেন আমি এই কতাব গুলো বিশ্বাস করি। যাকে বিশ্বাস করবেন তাকে আবার বলেবেন যে সেটা ঠিক নাই এটাকে বিশ্বাস বলেনা। আপনি একটি ছেলেকে বিশ্বাস করলেন। তাকে বাজারে বিভিন্ন কাজে পাঠচ্ছেন বাজার হাট করতে টাকা দিয়ে। এটা আপনার বিশ্বাস। কিন্তু আপনি যখন পাঁচ লক্ষ টাকা ব্যাংকে জমাদিতে হবে ভাবছেন তখন আপনি নিজেই যাচ্ছেন; টাকাটা জমা দিতে তাকে দিচ্ছেন না যদি সে টাকাটা মেরে দেয় ভাবছেন। এটা কি সেই ছেলের উপর আপনার বিশ্বাস আনা হলো? বিশ্বাস সেটায় যেটাকে বলে অন্ধ বিশ্বাস। মাবুদের কিতাবের বিরুদ্ধে এমন মন্তব্য করা আপনার উচিত হয় নাই। আপনি কেমন মানুষ, মাবুদের কিতাব বিশ্বাস করে না। আর মানুষের হাতের লেখা হাদীস (কিতাব) বিশ্বাস করছেন। চলুন নিচের আয়াত গুলি দেখি।
(গ) সূরা আশ-শুরা ৪২:১৫ আয়াতঃ
فَلِذَلِكَ فَادْعُ وَاسْتَقِمْ كَمَا أُمِرْتَ وَلَا تَتَّبِعْ أَهْوَاءهُمْ وَقُلْ آمَنتُ بِمَا أَنزَلَ اللَّهُ مِن كِتَابٍ وَأُمِرْتُ لِأَعْدِلَ بَيْنَكُمُ اللَّهُ رَبُّنَا وَرَبُّكُمْ لَنَا أَعْمَالُنَا وَلَكُمْ أَعْمَالُكُمْ لَا حُجَّةَ بَيْنَنَا وَبَيْنَكُمُ اللَّهُ يَجْمَعُ بَيْنَنَا وَإِلَيْهِ الْمَصِيرُ
অর্থঃ সুতরাং আপনি এর প্রতিই দাওয়াত দিন এবং হুকুম অনুযায়ী অবিচল থাকুন; আপনি তাদের খেয়ালখুশীর অনুসরণ করবেন না। বলুন, আল্লাহ যে কিতাব নাযিল করেছেন, আমি তাতে বিশ্বাস স্থাপন করেছি। আমি তোমাদের মধ্যে ন্যায় বিচার করতে আদিষ্ট হয়েছি। আল্লাহ আমাদের পালনকর্তা ও তোমাদের পালনকর্তা। আমাদের জন্যে আমাদের কর্ম এবং তোমাদের জন্যে তোমাদের কর্ম। আমাদের মধ্যে ও তোমাদের মধ্যে বিবাদ নেই। আল্লাহ আমাদেরকে সমবেত করবেন এবং তাঁরই দিকে প্রত্যাবর্তণ হবে।
নিশ্চয় উপরের আয়াতটি বুঝতে পেরেছেন? চলুন নিচে দেখি আল্লাহ্ কি বলেন।
(ঘ) সূরা মায়েদা ৫:৬৮ আয়াতঃ
قُلْ يَا أَهْلَ الْكِتَابِ لَسْتُمْ عَلَى شَيْءٍ حَتَّىَ تُقِيمُواْ التَّوْرَاةَ وَالإِنجِيلَ وَمَا أُنزِلَ إِلَيْكُم مِّن رَّبِّكُمْ وَلَيَزِيدَنَّ كَثِيرًا مِّنْهُم مَّا أُنزِلَ إِلَيْكَ مِن رَّبِّكَ طُغْيَانًا وَكُفْرًا فَلاَ تَأْسَ عَلَى الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ
অর্থঃ বলে দিনঃ হে আহলে কিতাবগণ, তোমরা কোন পথেই নও, যে পর্যন্ত না তোমরা তওরাত, ইঞ্জিল এবং যে গ্রন্থ তোমাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে তোমাদের প্রতি অবতীর্ণ হয়েছে তাও পুরোপুরি পালন না কর। আপনার পালনকর্তার কাছ থেকে আপনার প্রতি যা অবর্তীণ হয়েছে, তার কারণে তাদের অনেকের অবাধ্যতা ও কুফর বৃদ্ধি পাবে। অতএব, এ কাফের সম্প্রদায়ের জন্যে দুঃখ করবেন না।
আল্লাহ সুরা মায়েদার ৬৮ নম্বার আয়াতে বলছে আমরা কোন পথেই নাই যতক্ষন না তাওরাত,জাব্বুর,ইঞ্জিল ও কোরআনের আলো মানুষের মাঝে পৌছালাম। কি এটা আমার কথা নয় এটা কোরআনের কথা। কি রাগ করছেন? আরও আছে নিচে নামেন।
(ঙ) সূরা মায়েদা ৫:৪৬-৪৭ আয়াতঃ
وَقَفَّيْنَا عَلَى آثَارِهِم بِعَيسَى ابْنِ مَرْيَمَ مُصَدِّقًا لِّمَا بَيْنَ يَدَيْهِ مِنَ التَّوْرَاةِ وَآتَيْنَاهُ الإِنجِيلَ فِيهِ هُدًى وَنُورٌ وَمُصَدِّقًا لِّمَا بَيْنَ يَدَيْهِ مِنَ التَّوْرَاةِ وَهُدًى وَمَوْعِظَةً لِّلْمُتَّقِينَ
অর্থঃ আমি তাদের পেছনে মরিয়ম তনয় ঈসাকে প্রেরণ করেছি। তিনি পূর্ববর্তী গ্রন্থ তওরাতের সত্যায়নকারী ছিলেন। আমি তাঁকে ইঞ্জিল প্রদান করেছি। এতে হেদায়াত ও আলো রয়েছে। এটি পূর্ববতী গ্রন্থ তওরাতের সত্যায়ন করে পথ প্রদর্শন করে এবং এটি খোদাভীরুদের জন্যে হেদায়েত উপদেশ বানী।
وَلْيَحْكُمْ أَهْلُ الإِنجِيلِ بِمَا أَنزَلَ اللّهُ فِيهِ وَمَن لَّمْ يَحْكُم بِمَا أَنزَلَ اللّهُ فَأُوْلَـئِكَ هُمُ الْفَاسِقُونَ
অর্থঃ ইঞ্জিলের অধিকারীদের উচিত, আল্লাহ তাতে যা অবতীর্ণ করেছেন। তদানুযায়ী ফয়সালা করা। যারা আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন, তদনুযায়ী ফয়সালা করে না, তারাই পাপাচারী।
উপরের এই আয়াত আরও ক্লিয়ার করলো যে, আগের কিতাব বাতেল হয় নাই। বরং বহাল আছে বলেই সেই কিতাবধারীদের ইঞ্জিলের অনুযায়ী ফয়সালা করতে বলেছেন।
(চ) সূরা ইউনুস ১০:৯৪ আয়াতঃ
فَإِن كُنتَ فِي شَكٍّ مِّمَّا أَنزَلْنَا إِلَيْكَ فَاسْأَلِ الَّذِينَ يَقْرَؤُونَ الْكِتَابَ مِن قَبْلِكَ لَقَدْ جَاءكَ الْحَقُّ مِن رَّبِّكَ فَلاَ تَكُونَنَّ مِنَ الْمُمْتَرِينَ
অর্থঃ সুতরাং তুমি যদি সে বস্তু সম্পর্কে কোন সন্দেহের সম্মুখীন হয়ে থাক যা তোমার প্রতি আমি নাযিল করেছি, তবে তাদেরকে জিজ্ঞেস করো যারা তোমার পূর্ব থেকে কিতাব পাঠ করছে। এতে কোন সন্দেহ নেই যে, তোমার পরওয়ারদেগারের নিকট থেকে তোমার নিকট সত্য বিষয় এসেছে। কাজেই তুমি কস্মিনকালেও সন্দেহকারী হয়ো না।
বাঙাল শিক্ষক রাজা আসে রাজা যায় কিন্তু আল্লাহ্ চিরকাল স্থায়ী। তিনি আসেনও না, যানও না। তাওরাত কিতাবের যে, ১০ শরিয়ত মুসাকে দেওয়া হয়েছে সে হুকুম কি বাতিল হয়েছে? হয়নি হবেও না। আগের কিতাব যে বাতিল হয়েছে এমন কোন আয়াত কি কোরআেনে আছে? নাই।
ঈশা মসীহ্ আগের কিতাব বাতিল করতে না, বরং সেগুলো পূর্ণ করতে আসলেন---ইঞ্জল শরীফ মথি ৫:১৭-১৮ আয়াত
আল্লাহ কোরআনেও বলেছে সূরা সূরা ইমরান ৩:৩ আয়াতঃ
نَزَّلَ عَلَيْكَ الْكِتَابَ بِالْحَقِّ مُصَدِّقاً لِّمَا بَيْنَ يَدَيْهِ وَأَنزَلَ التَّوْرَاةَ وَالإِنجِيلَ
অর্থঃ তিনি আপনার প্রতি কিতাব নাযিল করেছেন সত্যতার সাথে; যা সত্যায়ন করে পূর্ববর্তী কিতাবসমুহের।
সূরা সূরা ইমরান ৩৫:৩১ আয়াতঃ
وَالَّذِي أَوْحَيْنَا إِلَيْكَ مِنَ الْكِتَابِ هُوَ الْحَقُّ مُصَدِّقًا لِّمَا بَيْنَ يَدَيْهِ إِنَّ اللَّهَ بِعِبَادِهِ لَخَبِيرٌ بَصِيرٌ
অর্থঃ আমি আপনার প্রতি যে কিতাব প্রত্যাদেশ করেছি, তা সত্য-পূর্ববর্তী কিতাবের সত্যায়ন কারী নিশ্চয় আল্লাহ তাঁর বান্দাদের ব্যাপারে সব জানেন, দেখেন।
সূরা সূরা ইমরান ৪৬:১২ আয়াতঃ
وَمِن قَبْلِهِ كِتَابُ مُوسَى إِمَامًا وَرَحْمَةً وَهَذَا كِتَابٌ مُّصَدِّقٌ لِّسَانًا عَرَبِيًّا لِّيُنذِرَ الَّذِينَ ظَلَمُوا وَبُشْرَى لِلْمُحْسِنِينَ
অর্থঃ এর আগে মূসার কিতাব ছিল পথপ্রদর্শক ও রহমতস্বরূপ। আর এই কিতাব তার সমর্থক আরবী ভাষায়, যাতে যালেমদেরকে সতর্ক করে এবং সৎকর্মপরায়ণদেরকে সুসংবাদ দেয়।
সূরা সূরা ইমরান ৪৬:৩০ আয়াতঃ
قَالُوا يَا قَوْمَنَا إِنَّا سَمِعْنَا كِتَابًا أُنزِلَ مِن بَعْدِ مُوسَى مُصَدِّقًا لِّمَا بَيْنَ يَدَيْهِ يَهْدِي إِلَى الْحَقِّ وَإِلَى طَرِيقٍ مُّسْتَقِيمٍ
অর্থঃ তারা বলল, হে আমাদের সম্প্রদায়, আমরা এমন এক কিতাব শুনেছি, যা মূসার পর অবর্তীণ হয়েছে। এ কিতাব পূর্ববর্তী সব কিতাবের প্রত্যায়ন করে, সত্যধর্ম ও সরলপথের দিকে পরিচালিত করে।
বাঙাল শিক্ষক একটু ভালো করে কোরআন পড়ুন যে ভাবে আপনারা হাদীস পড়েন। দেখবেন এই কোরআন কত প্রাণউজ্জল। কোরআনের মজাটা সত্যি আলাদা; এটার স্বাদ যে দিন আপনি সত্যি পেয়ে যাবেন সেই দিন আর কিছু নয় আমার নামে আল্লাহর দরবারে একটু দোয়া করবেন। আল্লাহ কোরআনে আগের কিতাবকে সমর্থন করেছে সম্মান করেছে । আগের কিতাব বিকৃত সম্পর্কে হযরত ইবনে আব্বাস, আল- তাবরী, ইবনে কাসির ইনাদের লিখা পড়েন অনেক জানবেন। আমি জানি এই যুক্তিও আপনার মন ভরাতে পাবে না, কারন আপনাদের সম্পর্কে কোরআনে স্পষ্ট আয়াত আছে সেটা আমি জানি কিন্তু বললাম না। আল্লাহ আপনাকে কোরআন বুঝে পড়ার তৌফিক দান করুক ---আমেন
৩০|
২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:২০
মুদ্দাকির বলেছেন: ১) আপনি কি চাচ্ছেন হাদিস মুসলিমরা ছুড়ে ফেলে দিক?
২) আপনি কি চাচ্ছেন হাদিস গুলো কুরআনে যোগ করা হোক?
৩) আপনি কি একজন জন কাদিয়ানি?
আসা করি প্রশ্ন গুলোর জবাব পাবো।
আর আপনি বাইবেলের ইতিহাসও ঠিক মত জানেন না। আর হাদিসের সংগ্রহ সম্পর্কেও ঠিক মত জানেন না, বলেই বোধ করছি। এগুলো নিয়ে লিখবার আগে পড়ালেখা করবার আনুরোধ থাকলো।
মনে রাখবেন,"অল্প বিদ্যা ভয়ংকরি"
২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:২১
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: ১। আমি বলছিনা যে হাদীস ছুড়ে ফেলুক কিংবা আকড়ে ধরুক। এটা ধারণ করা ধার্মীকের জ্ঞানের উপর নির্ভর করবে।
২। হাদীস কোরআনে যোগ করলে অসুবিধা কোথায় প্লিজ বলবেন? কারন হাদীস ছাড়া ধর্মতো টেকে না।
(ক) নামাজ কিভাবে পড়বেন, হাদীসে দেখো।
(খ) যাকাত কিভাবে দিবেন, হাদীসে দেখো।
(গ) কোরবানী কি ভাবে কেন দিবেন, হাদীসে দেখো।
(ঘ) ইসলামের পাঁচ স্তম্ভের একটি "কালেমা" কোথায় পাবেন, হাদীসে দেখো।
এইসবগুলো যদি হাদীস ছাড়া না জানা যায় তাহলে সেই হাদীস কোরআনের যোগ হলে অসুবিধা কোথায়? বরং আপনাদের ভাষায় কোরআন পূর্ণাঙ্গতা পেতো । আপনাদের ভাষা অনুযায়ী কোরআন একটি অপূর্ণঙ্গ কিতাব বিধায় হাদীস মানতে হবে।
৩। আমি কাদিয়ানী নই।
৪। বাইবেলের ইতিহাস জানার কথা আসছে কেন? আমি বলেছি কোন নবীর সাহাবীরা স্বহস্তে কোন কিতাব লিখলো সেটা সহীহ্ নাকি তিন শত বছর পর কেউ কিতাব মানুষের কাছে থেকে শুনে শুনে লিখলো সেটা সহীহ্।
৫। বাইবেলে ইতিহাস কেবল নয় এইসব বিষয় পড়েই সামুতে এসেছি। সামুতে বক্তব্য ছুড়ে কারো কাছে জানতে আসিনাই।
৩১|
২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:৩৪
শরীফ িবিড বলেছেন: লেখক বলেছেন: আমি বলেছি ঈসা (আঃ) এর সাহাবীদের স্বহস্তে লেখা ইঞ্জিল সহীহ্ নয় বলে একটি শ্রেণী এখনো খই ফোটায়।
আপনি কোথায় পেলেন যে ইঞ্জিল ঈসা (আঃ) এর সাহাবীদের স্বহস্তে লেখা ??
এই ইঞ্জিলের মূল কপি কোন দেশে কোন গীর্জায় সংরক্ষিত আছে বলবেন কি?আপনার লেখা পড়ে উত্তর দেয়ার ইচ্ছা ছিল না কিন্তু আপনার ভূল তথ্য অন্যের মাঝে বিভ্রান্তি ছড়াতে পারে বলে কিছু info দিচ্ছি।
প্রথমত ঈসা (আঃ)কে যে আসমাণী কেতাব দেয়া হয়েছিল তা কিভাবে, কার দ্বারা সংরক্ষিত হয়েছিল এবং কিভাবে মূল কিতাব খানি বিলুপ্ত হয়েছিল তা আমরা জানি না। কারন রাসূল (সা) তা বিস্তারিত ভাবে জানাননি।
বর্তমানে বাইবেলের যে রূপ তা মূলত ভ্যাটিক্যানে রক্ষিত চারজন সাহাবী, মার্ক, লুক, জন ও ম্যাথিউ যা গসপেল বা সুসংবাদ হিসেবে পরিচিত। এই চারটি ছাড়াও অনেক গসপেল রযেছে, গসপেল অব থোমাস, গসপেল অব ফিলিপস, গসপেল অব ম্যারী, গসপেল অব পিটার ও কয়েকবছর আগে আবিস্কৃত গসপেল অব জুডাস অন্যতম। এইসব গসপেলের কোনটাই তারা নিজেরা লেখেন নাই। তাদের যারা শিষ্য ছিল তারা তা লিখেছিল, তাও প্রায় দুইশত বছর পর। সাপ্রতিক যে গসপেল অব জুডাস এর পান্ডুলিপি উদ্বার করা হঢেছে তাও লেখা হয়েছে যীশু এর মৃত্যুর ২০০ বছর পরে। আর এই সকল গসপেলের বয়স নির্ধারন করা হয়েছে কার্বন ডেটিং পদ্ধতিতে।
২য়... যীশু এর মৃত্যুর ২০০ বছর পরে যখন অসংখ্য গসপেল এ ভরে যায় তখন খৃষ্টান ধর্মগুরু ইরিনিয়াস অসংখ গসপেল ধ্বংস করেন।
সুতারাং এ গুলোকে সহিস বলেন কিভাবে????
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১২:০৮
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: শরীফ বিডিআপনি বলেছেনঃ এই ইঞ্জিলের মূল কপি কোন দেশে কোন গীর্জায় সংরক্ষিত আছে বলবেন কি?
(ক) এই ইঞ্জিলের মূল কপি বৃটিশ মউজিয়ামে আজও সংরক্ষিত আছে।
(খ) আর আপনি যে গসপেল এর কাহিনী বলছেন সেটা যুগে যুগে থাকতে পারে সেটা বড় বিষয় নয়। বড় বিষয় ঈসা (আঃ) এর সাথে তাবলীগ করা সাহাবী যিনারা সব সময় তাঁর সাথে থেকেছেন তার কথা শুনেছেন যেমন লূক মথি, মার্ক, জোহন। ঈসা (আঃ) এর স্বর্গে আরোহণের পর ইনারাই তাদের জীবনের শেষ সময় ইঞ্জিল স্বহস্তে লিপিবদ্ধ করেন। হ্যাঁ পরে অনেকেই সেই সূর তুলতে পারে সেটা ভুল প্রমানিত হলে বাতিল হতেই পারে। কিন্তু এই ইঞ্জিল যে মুহাম্মাদ (সাঃ) স্ত্রী মা খাজিদার চাচাতো ভাই ওয়ার কাইফ নফেল এর কাছে নিজে দেখেছেন তার বাণী শুনেছেন এমনকি সেটা দিয়ে শুরুর দিকে বিচার করেছেন সেটা কোন ইঞ্জিল ছিলো?
শরীফ বিডিআপনি বলেছেনঃ প্রথমত ঈসা (আঃ)কে যে আসমাণী কেতাব দেয়া হয়েছিল তা কিভাবে, কার দ্বারা সংরক্ষিত হয়েছিল খুব ভালো একটা প্রশ্ন করেছেন। এটাই জানার বিষয়। তবে চলুন কোরআন দেখি বলেঃ
সূরা ইমরান ৩:৪৫ আয়াতঃ
إِذْ قَالَتِ الْمَلآئِكَةُ يَا مَرْيَمُ إِنَّ اللّهَ يُبَشِّرُكِ بِكَلِمَةٍ مِّنْهُ اسْمُهُ الْمَسِيحُ عِيسَى ابْنُ مَرْيَمَ وَجِيهًا فِي الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ وَمِنَ الْمُقَرَّبِينَ
অর্থঃ যখন ফেরেশতাগণ বললো, হে মারইয়াম আল্লাহ তোমাকে তাঁর এক কালেমার সুসংবাদ দিচ্ছেন, যার নাম হলো মসীহ-মারইয়াম-তনয় ঈসা, দুনিয়া ও আখেরাতে তিনি মহাসম্মানের অধিকারী এবং আল্লাহর ঘনিষ্ঠদের অন্তর্ভূক্ত।
শরীফ বিডি দেখুন ইমরানের এই আয়াতে বলছেঃ হে মারইয়াম আল্লাহ তোমাকে তাঁর এক কালেমার সুসংবাদ দিচ্ছে। মানে দাওয়াত দিচ্ছে। ঈসা (আঃ) নিজেই ছিলেন জীবন্ত কালেমা। এটা কোরআনের বাণী। আপনি হয়তো মানবেন না। আপনি কি জানেন,কেন সে জীবন্ত কালেমা ? ঈসা মসীহ্ পৃথিবীতে আসলেন কিন্তু তার উপর নাজেলকৃত কিতাব এর নাম হচ্ছে ইঞ্জিল। এই ইঞ্জিল কিতাব তার উপর কিভাবে আসলো? যেমন কোরআন মুহাম্মাদ (সাঃ) এর উপর ২৩ বছরে জীব্রাইল (আঃ) এর মাধ্যেমে পৃথিবীতে এসেছে। কিন্তু ইঞ্জিল আসলো কিভাবে? ইঞ্জিল কিন্তু জীব্রাইলের মাধ্যমে পৃথিবীতে আসে নাই; তাহলে অবাক কান্ড আসলো কিভাবে? আসলে ঈসা (আঃ) জন্ম থেকেই কিতাব প্রাপ্ত। তিনি ইঞ্জিল নিয়েই জন্ম গ্রহন করেছে। তিনি যা বলতেন সেটাই ছিলো পবিত্র বাণী বা আয়াত; যে আসলে ছিলেন জীবন্ত কিতাব। এটাকেই আল্লাহ মিন করে মরিয়াম কে বলছেন আমি তোমাকে কালেমার সুসংবাদ দিচ্ছি। সে কলের শিশু বাচ্চা অবস্থায় মানুষের সাথে কথা বলেছেন,আল্লাহর বাণী শুনিয়েছেন।
৩২|
২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৫০
বাঙাল শিক্ষক বলেছেন: কুরআন ও হাদীসের ব্যাপারে আমি মূর্খ, এটা আমি মানি। কিন্তু মূফতী শফী (রহঃ) এর ব্যাখা না মেনে আপনার ব্যাখা মানতে হবে কেন, সেটা বলবেন কি?
মানুষের মুখ থেকে শুনে শুনে বা দেখে দেখে আমাল করতে অসুবিধা নাই, হাদীস লিখার কারনে সমস্যা দাঁড়িয়ে গেল?
২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৪২
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: বাঙাল শিক্ষক আপনি বলেছেনঃ কুরআন ও হাদীসের ব্যাপারে আমি মূর্খ, এটা আমি মানি। কিন্তু মূফতী শফী (রহঃ) এর ব্যাখা না মেনে আপনার ব্যাখা মানতে হবে কেন
দয়া করে বলবেন কোনটা আমার ব্যাখ্যা? আমি আমার নিজের কোন ব্যাখ্যা দেয় নাই। আমি কোন বাংলা তরজমা পড়ি না। আমি আরবী পড়েই বলছি।
বাঙাল শিক্ষক আপনি বলেছেনঃ মানুষের মুখ থেকে শুনে শুনে বা দেখে দেখে আমাল করতে অসুবিধা নাই, হাদীস লিখার কারনে সমস্যা দাঁড়িয়ে গেল?
আমি আপনাকে যা বোঝাতে চেয়েছি তা বুজতে পারেন নাই। আমিতো বলছি না যে হাদীস ঠিক নাই। আমি বলছি ঈসা (আঃ) এর সাহাবীদের স্বহস্তে লেখা ইঞ্জিল সহীহ্ নয় বলে অনেক চিৎকার করে। কিন্তু তিন শত বছর পরে মানুষের মূখে থেকে গল্প আকারে শোনা কথা বোখারীরা লিখলেন সেটা কি করে সহীহ্ হয়। এই হাদীস যদি সহীহ্ হয় তাহলে সাহাবীদের স্বহস্তে লেখা ইঞ্জিল কেন সহীহ্ হবে না? কি বুজতে পারলেন?
৩৩|
২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১০:২৯
মুদ্দাকির বলেছেন: এইসবগুলো যদি হাদীস ছাড়া না জানা যায় তাহলে সেই হাদীস কোরআনের যোগ হলে অসুবিধা কোথায়?
আপনার এইটুকু কথাতেই বোঝা যায় যে, আপনার উদ্দেশ্য ভালো না।
আশা করি সকল মুসলমানরা বুঝবেন যে আপনি একজন ভালো উদ্দেশ্যের লোক নন।
ইসলাম নিয়ে আপনার লেখার উদ্দেশ্য হচ্ছে মুসলিমদের বিভ্রান্ত করা।
আল্লাহ আপনার ব্লগের হাত থেকে মুসলমানদের রক্ষা করুন।(আমিন)
২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৩৩
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: আপনিও সেই দলের অনুসারী। যারা বলে ইসলাম ছাড়া সকল ধর্ম বাতিল, আগের সকল কিতাব বাতিল। কত পাগোল দেখলাম ধর্ম নিয়ে তাদের ধারনা; কেবল স্ব-ধর্ম ঠিক আর সব ধর্ম ভুল। সকল ধর্মের মানুষের কাছে তার নিজ ধর্ম ছাড়া পৃথিবীর সমস্ত ধর্ম বাতিল।
আল্লাহ্ আপনাকে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ার তৌফিক দান করুন---আমেন
৩৪|
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ দুপুর ১:১৪
বাঙাল শিক্ষক বলেছেন: ইয়াহুদীরা মারিয়াম (আঃ) কে কুলটা নারী বললো, ইসা (আঃ) কে নবী হিসাবে স্বীকার করল না, ইয়াহুদী ও খৃস্টান কেউই মুহাম্মাদ সল্লাল্ললাহু আলাইস সালাম কে নবী বলে স্বীকার করেনা। মুসলামানরা মারিয়াম (আঃ) কে পুবিত্রা নারী হিসাবে স্বীকার করে, ইসা (আঃ) কে সত্য নবী হিসাবে স্বীকার করে। কিন্তু ইসলাম ছাড়া সব ধর্ম যেহেতু বাতিল, তাই ইঞ্জিল যতই সহীহ থাকুক না কেন সেটা মানার কোন দরকার নাই।
আপনিই শুধু সব কিতাবকে মানতে চাছেন বা মানছেন। সূতরাং আপনার লেখা অনুসারে আপনিই একমাত্র ঠিক, বাকি সবাই বেঠিক।
আসলে পাগল নিজেকে বাদে সবাইকে পাগল মনে করে আর নিজেকে সুস্থ মনে করে।
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:৩৪
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: বাঙাল শিক্ষক আপনি বলেছেনঃ ইসলাম ছাড়া সব ধর্ম যেহেতু বাতিল, তাই ইঞ্জিল যতই সহীহ থাকুক না কেন সেটা মানার কোন দরকার নাই।
কোথায় বলেছে ইসলাম ছাড়া সব ধর্ম বাতিল! আপনি দেখাতে পারবেন? দখাতে পারলে রেফারেন্স অবশ্যই দিবেন। আপনি বলছেন ইঞ্জিল যতই সহীহ থাকুক না কেন সেটা মানার কোন দরকার নাই। এটা কোরআন বিরুদ্ধ কথা। আপনি এখনী আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রর্থনা করুন। আসুন কোরআনে দেখি ইঞ্জিল মানা যাকে কি না।
সূরা মায়েদা ৫:৬৮ আয়াতঃ
قُلْ يَا أَهْلَ الْكِتَابِ لَسْتُمْ عَلَى شَيْءٍ حَتَّىَ تُقِيمُواْ التَّوْرَاةَ وَالإِنجِيلَ وَمَا أُنزِلَ إِلَيْكُم مِّن رَّبِّكُمْ وَلَيَزِيدَنَّ كَثِيرًا مِّنْهُم مَّا أُنزِلَ إِلَيْكَ مِن رَّبِّكَ طُغْيَانًا وَكُفْرًا فَلاَ تَأْسَ عَلَى الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ
অর্থঃ বলে হে কিতাবগণ তওরাত, ইঞ্জিল ওযাহা তোমাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে তোমাদের প্রতি অবতীর্ণ হয়েছে, তোমরা তাহা প্রতিষ্ঠিত নাকরা পর্যন্ত। তোমাদের কোন ভিত্তি নাই।
দেখলেন বাঙাল শিক্ষক তাওরাত ইঞ্জিল ও যাহা পালন কর্তার পক্ষ থেকে এসেছে সেটা পালন না করা পর্যন্ত আমরা কেউ মমোনিন নই। আমাদের কোন ভিত্তি নাই। আর আপনি বলছেন ইঞ্জিল মানা যাবে না!
সূরা মায়েদা ৫:৮২ আয়াতঃ
لَتَجِدَنَّ أَشَدَّ النَّاسِ عَدَاوَةً لِّلَّذِينَ آمَنُواْ الْيَهُودَ وَالَّذِينَ أَشْرَكُواْ وَلَتَجِدَنَّ أَقْرَبَهُمْ مَّوَدَّةً لِّلَّذِينَ آمَنُواْ الَّذِينَ قَالُوَاْ إِنَّا نَصَارَى ذَلِكَ بِأَنَّ مِنْهُمْ قِسِّيسِينَ وَرُهْبَانًا وَأَنَّهُمْ لاَ يَسْتَكْبِرُونَ
অর্থঃ আপনি সব মানুষের চাইতে মুসলমানদের অধিক শত্রু ইহুদী ও মুশরেকদেরকে পাবেন এবং আপনি সবার চাইতে মুসলমানদের সাথে বন্ধুত্বে অধিক নিকটবর্তী তাদেরকে পাবেন, যারা নিজেদেরকে খ্রীষ্টান বলে। এর কারণ এই যে, খ্রীষ্টানদের মধ্যে আলেম রয়েছে, দরবেশ রয়েছে এবং তারা অহঙ্কার করে না।
সূলা নিসা ৪:১৫৯ আয়াতঃ
وَإِن مِّنْ أَهْلِ الْكِتَابِ إِلاَّ لَيُؤْمِنَنَّ بِهِ قَبْلَ مَوْتِهِ وَيَوْمَ الْقِيَامَةِ يَكُونُ عَلَيْهِمْ شَهِيدًا
অর্থঃ আর আহলে-কিতাবদের মধ্যে যত শ্রেণী রয়েছে তারা সবাই ঈমান আনবে ঈসার উপর তাদের মৃত্যুর পূর্বে। আর কেয়ামতের দিন তাদের জন্য সাক্ষীর উপর সাক্ষী উপস্থিত হবে।
বাঙাল শিক্ষক আগের কোন কিছু বাতিল কিংভা রহিত হয় নাই। এটার যারা বলে তারা মূর্খ। মানুষের কাছে থেকে শুনে ফালতু বয়ান দেয়। চলুন কোরআন দেখি কাদেরকে মানতে হবে। আল্লাহ্ কি বলেন।
সূরা বাক্বারাহ ২:১৩৬ আয়াতঃ
قُولُواْ آمَنَّا بِاللّهِ وَمَآ أُنزِلَ إِلَيْنَا وَمَا أُنزِلَ إِلَى إِبْرَاهِيمَ وَإِسْمَاعِيلَ وَإِسْحَقَ وَيَعْقُوبَ وَالأسْبَاطِ وَمَا أُوتِيَ مُوسَى وَعِيسَى وَمَا أُوتِيَ النَّبِيُّونَ مِن رَّبِّهِمْ لاَ نُفَرِّقُ بَيْنَ أَحَدٍ مِّنْهُمْ وَنَحْنُ لَهُ مُسْلِمُونَ
অর্থঃ তোমরা বল, আমরা ঈমান এনেছি আল্লাহর উপর এবং যা অবতীর্ণ হয়েছে আমাদের প্রতি এবং যা অবতীর্ণ হয়েছে ইব্রাহীম, ইসমাঈল, ইসহাক, ইয়াকুব এবং তদীয় বংশধরের প্রতি এবং মূসা, ঈসা, অন্যান্য নবীকে পালনকর্তার পক্ষ থেকে যা দান করা হয়েছে, তৎসমুদয়ের উপর। আমরা তাদের মধ্যে পার্থক্য করি না। আমরা তাঁরই আনুগত্যকারী।
কোরআন বলছে মুহাম্মাদ (সাঃ) কে উপরের উল্লেখিত নবীগুলোকে অনুসরণ করতে। এবং বলেছে তাদের সাথে কোন পার্থক্য করো না, বাঙাল শিক্ষক আপনিও পার্থক্য করেন না। এইসব বিষয় নিয়ে শোনা কথা বলতে নেই। এতে করে গোমরাহী হবেন। আল্লাহ্ আমাদের সকলকে কোরআন বুঝে পড়ার তৌফিক দান করুন---আমেন
৩৫|
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:০০
বাঙাল শিক্ষক বলেছেন: Click This Link
Are Bibles And Injil The Same?
Feb 7
Posted by Fauzan Ibrahim
Rate This
(This is part of a dialogue between a Non-Muslim from Portugal, John (J), an expatriate working with a multinational company in Malaysia, with Dr. Danial bin Zainal Abidin (DD), a Malaysian).
JOHN: Dr Danial (DD), thanks for your answers before this… Now I would like to ask you concerning the Bible, the sacred book of the Christians. What is your opinion about the Bible? Why don’t Muslims treat the sacred Bible just like the Quran?
DD: This is a good question, John. Actually, it is obligatory for Muslims to believe in all the Books of Allah. This standpoint is mentioned in the Quran, in chapter The Cow verse 136, “Say ye: We believe in Allah and the revelation given to us and to Abraham, Ishmael, Isaac, Jacob and the Tribes and that given to Moses and Jesus and that given to (all) Prophets from their Lord. We make no difference between one and another and we bow to Allah (in Islam).”
Thus it is obligatory for the Muslims to believe in the Original Book that was given to Jesus. This was called the Injil. If the contents of the Bible today is the same as the original Injil, then, Muslims are obliged to believe that all the words found in the Bible are Words of God. But I am sorry John, the Bible of today had been tampered with and it is not the same as the original Injil. Many things found in the Bible today are very controversial…….
JOHN: No. that is not true. Why did you say that?
DD: Again I am sorry, John. But I am saying this after referring to books of authority written by the scholars of Christianity. For example, in The Interpreter’s Dictionary of the Bible (George Arthur Buttrick, Vol. 4, Abingdon Press, Nashville, 1962), it was mentioned that the original copies of the New Testament have long disappeared. The reason for this disappearance was that, they were written on papyrus, a very fragile and perishable material.
Since the Bible had no original manuscripts, it had to be reconstructed. This was done by using imperfect, often widely divergent later copies, which were not original copies. This statement was made by David Noel Freedman in The Anchor Bible Dictionary (CD-ROM under Textual Criticism, NT).
Indeed, one Christian scholar, Bruce M. Metzger, admitted that certain errors in the Bible had been done intentionally, for example, to alter certain verses in the Bible because of doctrinal considerations. When you are free, John, please read The Text of the New Testament: Its Transmission, Corruption & Restoration written by Bruce M. Metzger. It was published by Oxford University Press in 1992. By the way John, do you believe that all the contents of the Bible are revealed by God?
JOHN: Err, yes of course (nodding his head).
DD: Well John, your christian scholars may not agree with you. For example, Dr. M. J. Sawyer, Ph.D., an Associate Professor of Theology at Western Seminary, San Jose Campus, in his article, Inspiration and Inerrancy, said, “We legitimately refer to the Bible as a special revelation, although we recognize that not all the contents of the Bible are directly revealed by God. In so saying we recognize that portions of the Scriptures are historical in nature, and that the human authors at times involved themselves in historical research before they undertook to write their books.” So John, when we talk about the Bible we have to talk about the human authors who authored the Bible. And John, have you read the U.S. News and World Report, dated July 1st 1991?
JOHN: No..
DD: On page 57, the U.S. News and World Report quoted a team of Christian scholars who said that over 80 percent of the words ascribed to Jesus in the Gospels may be apocryphal. Do you know the meaning of ‘apocryphal’?
JOHN: Not authentic?
DD: Right. According to the Oxford Advanced Learner’s Dictionary, apocrypha means, “not likely to be genuine; untrue or invented.” Thus this team of Christian scholars said that 80 percent of the words ascribed to Jesus in the Gospels may not likely be genuine or authentic. That includes Jesus’ Eucharistic speech at the Last Supper, and every word he is said to have uttered from the cross. And the Gospel is part of the Bible. This is one of the controversies of the Bible.
Another controversy is concerning the writers or scribes of the Bible. I hope you don’t mind if I ask you who is St Paul, John?
JOHN: Yeah, he was the most prolific writer of the Bible.
DD: Right, John. And who is this St. Paul actually? Again, John, as usual, I am not giving my own opinion. Instead I am quoting from the US News, dated 5th April 1999. Under the headline Reassessing An Apostle, Jeffery L. Sheler wrote, “(St.Paul) never walked with Jesus of Nazareth, yet he traversed the Roman Empire proclaiming him the divine Christ. He never heard Jesus teach, yet he became Christianity’s most influential expositor of doctrine. He spoke little about Jesus’ life, yet he attached cosmic significance to his death and Resurrection. The Apostle Paul, some scholars now believe, was more instrumental in the founding of Christianity than anyone else — even Jesus himself.”
St. Paul is more important than Jesus in determining the foundation of Christianity? Forgive me John, but I find this very scary. Have you read the book titled The Messianic Legacy by Michael Baigent, Richard Leigh and Henry Lincoln?
JOHN: No..
DD: In The Messianic Legacy (Dell Pub. Co, 1989), the authors, Michael Baigent, Richard Leigh and Henry Lincoln, ask, how many Christians today are aware of the enormous differences between Jesus and St. Paul. They see St. Paul as the first heretic who turned Jesus into an object of religious veneration, which Jesus and other Nazarenes in Jerusalem would have regarded as blasphemous. And yet, as you mentioned, St Paul was the most prolific writer of the Bible!
JOHN: Dr Danial, you really study about the Bible…..
DD: Yes, and I study to understand and I used books written by your scholars to understand. My opinions are based on their writing and conclusions…. So allow me to conclude our discussion by quoting the christian scholars from the Bible Shelf Online. In The Bible Shelf under ‘History of the Bible FAQ’, it was stated, “The doctrine that the Bible is free of any error (at least in the original languages), is always an issue of dispute among Christians. I believe that it is not necessary to hold blindly to the fundamentalist doctrine of inerrancy, twisting and turning the possible interpretation of a verse to try and make it agree with another. Plenty of minor errors exist in the Bible, from the age of Saul when he became king of Israel (missing from the original Hebrew in 1 Samuel 13:1) to the order of Jesus’ deeds (jumbled in the four gospels). Many so-called ‘contradictions’ asserted by those who are unfamiliar with the Bible are simply taken out of context, but errors are there. There is no reason to toil day and night in attempts to reconcile every contradiction in the 66 books of the Bible. It was written, edited and copied (and eventually translated) by fallible men and women.”
So now you understand John, why Muslims believe completely in the Injil revealed to Jesus by God but the same belief is not accorded to the Bible which was written and edited by fallible human beings…. And I am sorry if my explanation hurt you, John.
JOHN: No, no, Dr Danial. You are not attacking but explaining. I thank you for that. I really have to study your answers………
Dr. Danial bin Zainal Abidin (M.B.Ch.B. University of Alexandria) is the Managing Director of Danial Zainal Consultancy based in Penang Island, Malaysia. He is also a Medical Practitioner. Until now, he has written altogether ten books on Islam)
৩৬|
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:০২
বাঙাল শিক্ষক বলেছেন: In The Interpreter’s Dictionary of the Bible (George Arthur Buttrick, Vol. 4, Abingdon Press, Nashville, 1962), it was mentioned that the original copies of the New Testament have long disappeared. The reason for this disappearance was that, they were written on papyrus, a very fragile and perishable material.
৩৭|
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:১৬
বাঙাল শিক্ষক বলেছেন: Abu Hurayrah may Allaah be pleased with him said, “The people of the Scripture (Jews) used to recite the Torah in Hebrew and explain it in Arabic to the Muslims. On that, the Messenger of Allaah , said, "Do not believe the people of the Scripture or disbelieve them, but say: {We believe in Allaah and what is revealed to us.}[Quran 2:136].” [Al-Bukhaari]
Praise be to Allah, the Lord of the World; and blessings and peace be upon our Prophet Muhammad and upon all his Family and Companions.
Do not read that book (Bible); it has been changed and corrupted. The Prophet did not allow Umar ( may Allaah be pleased with him) to read this book as Imams Ahmad and Ad-Darimi narrated that Umar Ibn al-Khattab brought to Allah's Messenger (peace be upon him) a copy of the Torah and said: "Allah's Messenger, this is a copy of the Torah. He (Allah's Messenger) kept quiet and he (Umar) began to read it. The (colour) of the face of Allah's Messenger (peace be upon him) underwent a change, whereupon AbuBakr said: Would that your mother mourn you, don't you see the face of Allah's Messenger? Umar saw the face of Allah's Messenger (peace be upon him) and said: I seek refuge with Allah from the wrath of Allah and the wrath of His Messenger. We are well pleased with Allah as Lord, with Islam as religion, and with Muhammad as Prophet. Whereupon Allah's Messenger (peace be upon him) said: By Him in Whose hand is the life of Muhammad, even if Moses were to appear before you and you were to follow him, leaving me aside, you would certainly stray into error; for if (Moses) were alive (now), and he found my prophetical ministry, he would have definitely followed me".
Imam Ibn Taymiyah said: 'It is not permissible to rely on what the People of the Book narrate or to trust those who narrate from them. This is a consensus of all Muslims. Because the Prophet said: "When the People of the Book tell you something neither accept what they say as a fact nor deny completely as they might tell you something true and you deny it and they might tell you something wrong and you accept it".
If you want details about the changes which have happened in that Book you may refer to the books of Sheikh Deedat and the like. There are two known books on this subject in Arabic language.
1. Al-Jawab al-Sahih Liman Bddala al-Den al-Maseeh (The correct answer to the one who changed the religion of Jesus) written by Ibn Taymiyah.
2. Izhar al-Haq. (Bringing the truth to light). Compiled by the Indian scholar Rahmatullah. Allah has sent us the Qur'an which is the best of all books. Allah Says (interpretation of meaning): {Is it not sufficient for them that We have sent down to you the Book (the Qur'ân) which is recited to them? Verily, herein is mercy and a reminder (or an admonition) for a people who believe.}[29:51].
৩৮|
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:২৫
বাঙাল শিক্ষক বলেছেন: ৩৮ নং কমেন্টটি ভুল বশত হয়েছে। এটা মুছে দিন।
০১ লা অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:২২
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: বাঙাল শিক্ষক আপনি হঠাৎ করে বাংরেজী হয়ে গেলেন কেন? আপনার কমেন্ট গুলো যদি আপনি বাংলা করে দেন তাহলে অনেক মানুষ তা সাচ্ছন্দে পড়তে পারে। এটা ইংরেজী লিখা আপনি কি কপি পেস্ট করেছেন। এটা কোথায় থেকে কপি করলেন? ভাই আপনাদের মত আমি ইংরেজীতে জ্ঞানের সাগর নই, পারলে কমেন্ট গুলো বাংলা করে দিয়েন।
৩৯|
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১০:০০
শরীফ িবিড বলেছেন: লেখক বলেছেন: আর আপনি যে গসপেল এর কাহিনী বলছেন সেটা যুগে যুগে থাকতে পারে সেটা বড় বিষয় নয়। বড় বিষয় ঈসা (আঃ) এর সাথে তাবলীগ করা সাহাবী যিনারা সব সময় তাঁর সাথে থেকেছেন তার কথা শুনেছেন যেমন লূক মথি, মার্ক, জোহন। ঈসা (আঃ) এর স্বর্গে আরোহণের পর ইনারাই তাদের জীবনের শেষ সময় ইঞ্জিল স্বহস্তে লিপিবদ্ধ করেন।
আপনি এই সমস্ত তথ্য কোথায় পেয়েছেন ??? রেফারেন্স দিন।
আপনার অবগতির জন্য বলছি.....
১। যেখানে চার্চ গুলো পর্যন্ত স্বীকার করে যে এগুলো লূক মথি, মার্ক, জন এর discipleদের দ্বারা লিখিত হয়ে থাকতে পারে, wikipedia.org-এ এভাবেই উল্লেখ করা হয়েছে সেখানে আপনি কোন তথ্যের ভিত্তিতে বলছেন যে তাদের স্বহস্তে লিপিবদ্ধ ।
২। "বড় বিষয় ঈসা (আঃ) এর সাথে তাবলীগ করা সাহাবী যিনারা সব সময় তাঁর সাথে থেকেছেন তার কথা শুনেছেন যেমন লূক মথি, মার্ক, জোহন।"
আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি, Luke was a physician who became a follower of Jesus after Jesus' life on earth. He spent time with many who were close to Jesus during His earthly ministry.
-------------------------------------------------------------------------
Mark grew up to travel with Peter, one of Jesus' first followers and closest friends. Peter was a fisherman who followed Christ personally and traveled with Him for more than three years.
http://followchrist.ag.org/history.cfm
আমি নিচে ঈসা (আঃ)এর ১২ জন সাহাবীর নাম দিলাম, দেখেন তো সেখানে মার্ক বা লুক এর নাম আছে কিনা.....
The original twelve disciples/apostles are listed in Matthew 10:2-4,
“These are the names of the twelve apostles: first, Simon (who is called Peter) and his brother Andrew; James son of Zebedee, and his brother John; Philip and Bartholomew; Thomas and Matthew the tax collector; James son of Alphaeus, and Thaddaeus; Simon the Zealot and Judas Iscariot, who betrayed Him.”
০১ লা অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:১০
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: সব কথা বলার আগে একটা কথা বলে নেই।
আপনার এবং আমার কারো ওপর ওহী হয় না। আমাদের সকলেরী সেই সময়ের ঘটনা জানার মাধ্যম হলো বই (কিতাব) আপনিও কোন না কোন বই পড়ে বলছেন, আমিও কোন না কোন বই পড়ে বলছি। তাহলে আমাদের দুইজনের মধ্যে কারটা ঠিক? এই ফায়শালা কে দিবে? তার পর অন্য কথা।
৪০|
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১০:৩২
সবখানে সবাই আছে বলেছেন: উপরে এখনো পর্যন্ত এমন একজন কে পায় নাই যারা ইসলামের ৪টা সহীহ হাদীস গ্রন্থ পড়ে এসে মন্তব্য করেছেন। আমি সব কয়টা পড়েছি। এরপরে আমার একটা কথা, এইসব হাদীস গ্রন্থ পড়ে সবচেয়ে বেশী সংখ্যক মানুষ নাস্তিক হয়। পশ্চিমাদের অনুকরন করে নাস্তিক হয় মাত্র ২০ থেকে ৩০ ভাগ মানুষ।
০১ লা অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:১৭
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: আপনার সাথে সহমত। ভাইজান একটা বিষয় নিয়ে সামুতে লিখলে কেউ সেটাকে অনুধাবন না করেই সমানে তার জ্ঞানের ভান্ডার থেকে জ্ঞান পেশ করে যাচ্ছে। আসলে এটা জ্ঞান জাহেরী করার জায়গা নয়। এটা মুক্ত মনে লেখা ও আলোচনা করার জন্য। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ মন্তব্য করার জন্য।
৪১|
০১ লা অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:২৫
টাইম নাই রাস্তা বেশি বলেছেন: দেশী মামা বলেছেন: ম জ বাসার সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন কি ?
উনার নবী নানা ও নবী বাবা সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন কি ?
০২ রা অক্টোবর, ২০১২ রাত ২:১৫
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: আমার লিখার বিষয় পড়ে কথা বুলন। আমার ধারণা আপনার মাথা ঠিক নাই চোখে ভুলভাল দেখছেন।
৪২|
০১ লা অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:৪২
নুর ফ্য়জুর রেজা বলেছেন: কোরান নাজিলের পর বাকি আসমানী কিতাবগুলো বাতিল হয়ে যায়। এইজন্যি বলা হয়েছে "ইঞ্জিল শরীফ" এর চেয়ে বেশী কোরানকে গুরুত্ব দিতে। আর এখনকার বাইবেলের সাথে আগের "ইঞ্জিল শরীফ" এর অনেক তফাত। আমি নিজে এখনও সব সহীহ হাদিস পড়িনি বলে আর কিছু বলতে অপারগ।
০২ রা অক্টোবর, ২০১২ রাত ২:২৪
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: সূরা মায়েদা ৫:৬৮ আয়াতঃ
قُلْ يَا أَهْلَ الْكِتَابِ لَسْتُمْ عَلَى شَيْءٍ حَتَّىَ تُقِيمُواْ التَّوْرَاةَ وَالإِنجِيلَ وَمَا أُنزِلَ إِلَيْكُم مِّن رَّبِّكُمْ وَلَيَزِيدَنَّ كَثِيرًا مِّنْهُم مَّا أُنزِلَ إِلَيْكَ مِن رَّبِّكَ طُغْيَانًا وَكُفْرًا فَلاَ تَأْسَ عَلَى الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ
অর্থঃ বলে হে কিতাবগণ তওরাত, ইঞ্জিল ওযাহা তোমাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে তোমাদের প্রতি অবতীর্ণ হয়েছে, তোমরা তাহা প্রতিষ্ঠিত নাকরা পর্যন্ত। তোমাদের কোন ভিত্তি নাই। তোমরা প্রতিপালকের নিকট হইতে তোমার প্রতি যাহা অবর্তীর্ণ হইয়েছে তাহা তাহাদের অনেকের ধর্মদ্রোহিতা ও অবিশ্বাসই বর্ধিত করিবে। সুতরাং তুমি কাফের সম্প্রদায়ের জন্যে দুঃখ করিও না।
তওরাত, জাব্বুর,ইঞ্জিল ও কোরআন প্রতিষ্ঠিত নাকরা পর্যন্ত। তোমাদের কোন ভিত্তি নাই। আপনার ভিত্তি আছেতো? উল্লেখিত
আয়াতটি আবারো পড়ুন।
সূলা মায়েদা ৫:৪৭ আয়াতঃ
وَلْيَحْكُمْ أَهْلُ الإِنجِيلِ بِمَا أَنزَلَ اللّهُ فِيهِ وَمَن لَّمْ يَحْكُم بِمَا أَنزَلَ اللّهُ فَأُوْلَـئِكَ هُمُ الْفَاسِقُونَ
অর্থঃ ইঞ্জিলের অধিকারীদের উচিত, আল্লাহ তাতে যা অবতীর্ণ করেছেন। তদানুযায়ী ফয়সালা করা। যারা আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন, তদনুযায়ী ফয়সালা করে না, তারাই পাপাচারী।
উপরের এই আয়াতে আল্লাহ বলছে ইঞ্জিল অনুসারীদের উচিত ইঞ্জিল অনুসারে বিচার করা। ইঞ্জিল বাতিল হলে এটা বলতো না। বলতো ইঞ্জিল অনুসারীদের উচিত কোরআন অনুসারে বিচার করা। এটা বলেছেকি?
৪৩|
০১ লা অক্টোবর, ২০১২ রাত ৮:০৭
শরীফ িবিড বলেছেন: লেখক বলেছেন: সব কথা বলার আগে একটা কথা বলে নেই।
আপনার এবং আমার কারো ওপর ওহী হয় না। আমাদের সকলেরী সেই সময়ের ঘটনা জানার মাধ্যম হলো বই (কিতাব) আপনিও কোন না কোন বই পড়ে বলছেন, আমিও কোন না কোন বই পড়ে বলছি। তাহলে আমাদের দুইজনের মধ্যে কারটা ঠিক?
ঠিক তারটাই যার তথ্য প্রমান আছে। আমি কিন্তু রেফারেন্স দিয়েছি, আপনি কোন রেফারেন্স ছাড়াই লিখেছেন।
আমার মনে হচ্ছে আপনি আপনার অবস্থান থেকে অনেকটাই সরে এসেছেন। ভাল ....কিন্তু পুরোপুরি স্বীকার করতে পারছেন না।
০২ রা অক্টোবর, ২০১২ রাত ২:২৮
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: আমি আপনাকে তর্থ্য প্রমান দেয় নাই আপনি বলেছেন। এটা একটা মিথ্যা কথা। আপনি পুরো লিখাটা পড়েন এবং বিভিন্ন কমেন্টের উত্তর গুলো পড়েন জবাব পেয়ে যাবেন। এখনো ওরিজিনাল ইঞ্জিল আছে ব্রিটিশ মিউজিয়ামে। কারা তা লিপিবদ্ধ করেছে সেটাও দেখে আসেন।
৪৪|
০২ রা অক্টোবর, ২০১২ রাত ২:৪০
শার্লক বলেছেন: আপনি বার বার এক কথা বলছেন। একটা জিনিষ বুঝেন না কেন যে ইঞ্জিল যেটা লিখা হইছিল অবিকল সেরকম নাই তো। পোপরা সেটার অনেক পরিবর্তন করছে নিজেদের স্বার্থের জন্য। অরজিনাল ইঞ্জিল শরীফ এখন আছে কিনা সন্দেহ আছে।
০২ রা অক্টোবর, ২০১২ রাত ২:৫৬
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: ইঞ্জিল ঠিক না থাকলে কোরআনের বানি মিথ্যা হয়ে যাবে। আল্লাহ্ বলেছেন আমার কালাম ও আয়াত আমি নিজেই সংরক্ষ করি। আর এক জায়গায় বলছে এই কিতাবে (কোরআনে) সন্দেহ থাকলে তুমি পূর্বের কিতাব দেখো। পূর্বের কিতাব যদি ঠিক না থাকে তাহলে আপনি কি করে পূর্বের কিতাব দেখবেন? তাহলে কি আল্লাহ জানতেন না যে, এই কিতাব একদিন ভুলেভালে ভোরে যাবে। কেবল নিজের কিতাব ঠিক অন্যের কিতাব ঠিকনয় এটা কিসের ভিত্তিতে বলছেন। কোরআন সংকলনের ইতিহাস পড়লে এখানেও সমস্যা।
৪৫|
০২ রা অক্টোবর, ২০১২ ভোর ৫:০২
আমি আমার চেয়ে বড় হতে চাই বলেছেন: অযথা সময় নষ্ট করছেন ভাই। এরা কোনদিন কুরান পড়ে নাই। পড়লেও খতম করার জন্য পড়েছে। এদের আপনি হাজার চেষ্টা করেও কুরান ধরাইতে পারবেন না। এদেরকে ইবলিশ খুব ভালো রকম চাবি মেরে দিছে। হাদিস যারা রচনা করেছিলো তাদের প্রধান লক্ষ্য ছিল ইসলাম নামের এক বিশেষ ধর্ম প্রচলনের মাধ্যমে নিজেদের ব্যাবসায়িক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক সুবিধা বৃদ্ধি করা। হাদিস লেখা শেষ হওয়ার পরেই মুসলমানেরা যুদ্ধবাজ হয়ে অন্যদের উপর ঝাঁপিয়ে পরেছেই। ইহুদী খ্রিস্টার্ন দের উপর যুদ্ধ চাপিয়ে দিয়ে রাজ্য দখল করেছে। হাদিসের রেফারেন্স দিয়ে ওদের দাশ বানাইছে, ওদের বৌ দের গনিমতের মাল বানাইছে, নিরাপত্তার জন্য কর দিতে বাধ্য করেছে। হাদিসের প্রধান সুবিধা কি জানেন? আপনার যখন যেইটা ইচ্ছা আপনি ঐরকম হাদিস নিজেই প্রণয়ন করতে পারবেন। এইটা যেহেতু আল্লাহ নাজিল করে নাই এখানে কুরানের মত ছন্দ থাকবেনা, এইটার সায়েন্স তেমন মজবুত হবে না, পাই এর ফর্মেশন মেনে চলতে হবে না, প্রফেসি গুলো না মিললেও চলবে.। তবুও হাদিস বিশ্বাস করা জরুরি, যতই হাদিস কুরানের আয়াতের সরাসরি বিরোধী হোক না কেন। কুরানে যাকাতের নিয়ম কইল প্রয়োজনের অতিরিক্ত সম্পত্তি মাত্রই যাকাত দিতে হবে, হাদিস আইসা বলে সম্পদের অতিরিক্ত যা আছে তার থেকে মাত্র ২.৫ পারসেন্ট যাকাত দিতে হবে... এইগুলো দেইখা বুঝেন না হাদিস কারা কেন কুন উদ্দেশ্যে বানাইছে? আপনি এখানে হাজার চেস্টা কইরা এদের বুঝাইতে পারবেন না হাদিস মিথ্যা। as long as they are not studying quran themselves. সুতরাং, হাদিস শব্দ উচ্চারন কইরেন না। কৌশলে এদের কুরান পড়তে উৎসাহিত করেন। তাইলে দেখবেন automatic এক সময়ে এরা নিজেরাই এই রকম ব্লগ লিখতছে। আপনাকে প্লাস তারপরেও। সত্য রাস্তা চিনতে পারার জন্য।
এবং আমারও প্রশ্ন, কে এই ম জ বাশার? উনার উপ্রে পাব্লিক খ্যাপা ক্যারে?
০২ রা অক্টোবর, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৫১
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: চমৎকার আপনার কমেন্টা,খুব ভালো লাগলো। আপনার লেখা যতই পড়ছি মুগ্ধ হচ্ছি চেতনাগত কারণে। আপনি ঠিকি বলেছেন অযথা সময় নষ্ট হচ্ছে এই সব ধর্মান্ধদের বোঝাতে। যাকাত সম্পকে খুব ভালো বলেছেন আমি কেবল আপনার সাথে একটু সিয়ার করছি আর দশজন পাঠকের অগতির জন্য।
ইসলামের অনেক জায়গায় যাকাত কথাটির উল্লেখ আছে কোরআনে। ইসলামের পঞ্চ স্তম্ভের মধ্যে যাকাত একটি নির্দেশনা। কোরআনের বহু জায়গায় যাকাত ও সালাতের কথা অতোপতো ভাবে জড়িত। আল্লাহ্পাক সূরা রুমের ৩৯ নাম্বার আয়াতে বলছেনঃ “ওয়ামা আ-তাইতুম মিন যাকা-তিন তুরিদুনা ওয়াজ্বহাল্লা হি ফাউল ইকা হুমুল মুদ্ব’ইফুন” অর্থঃ এবং তোমাদের মধ্যে যারা আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের লক্ষে যাকাত দান করে, তাহাদিগের ধন ও সম্পদ বৃদ্ধি পায়; ওরাই সমৃদ্ধশালী। কোরআন বলছে “আকিমুস সালা-তা ওয়া আ-তুয্ যাকা-তা ওয়া আকরি দুল্লা-হা ক্বারদান হাসানান” অর্থঃ সালাত প্রতিষ্ঠিত করো, যাকাত আদায় করো। এবং আল্লাহকে উত্তম ঋণ বা কর্জে হাসানা দাও। যাকাতকে কোরআনে সদ্কাও বলা হয়েছে। “যাকাত” শব্দটি “জাক্কা” শব্দ হতে এসেছে; যার অর্থ পবিত্র হওয়া বা নিজেকে শুদ্ধ করা। সূরা তওবার ১০৩ নং আয়াতে আল্লাহ্ বলছেনঃ “খুয্মিন আমওয়া-লিহিম সাদাকাতন তুত্বাহহিরুহুম ওয়া তুযাক্কিহিম বিহা ওয়া সাল্লি আলাইহিম” অর্থঃ ওদর সম্পদ হওত সদ্কা গ্রহণ করো, ইহা দ্বারা তুমি তাহাদিগকে পাক করিবে ও আশীর্বাদ করিবে। এযাকাত অন্যাণ্য নবী-রাসুলদের উম্মতের বেলায়ও ছিলো বলে কোরআন সাক্ষ্য দেয়; সূরা বাকারা ৮৩ নং আয়াতে। সূলা মুমিনুনের ৪ নং আয়াতে বলা হয়েছেঃ “ওয়াল্লাযিনা হুম লিয্যাকা-তি ফা-ইলুন” অর্থঃ যারা স্বীয় যাকাত প্রদানে সক্রিয়। কালেমা সাওম বা রোজা ও হাজ্জ্ব সম্পর্কে কোরআনে পৃথক পৃথক নির্দেশ এসেছে এবং কালেমার বিষয়টি মৌলিকভাবে নির্দেশ আছে। কিন্তু সালাত ও যাকাতকে একই সঙ্গে একই আয়াতে বার বার নির্দেশ দেয়া আছে বিভিন্ন আঙ্গিকে। এই রহস্যটি সকলকে জানতে হবে,এটা আসলেই জানার বিষয়। কেন কোরআন সালাতের সাথে যাকাতের নির্দেশ দিচ্ছে। যাকাত পাবে নিঃস্ব, ফকির, মিসকিন ও মুসাফির। সূরা তওবা ৬০ আয়াত। সালাত,রোজা.হাজ্জ্ব, কলেমা ও যাকাত ইসলামের পঞ্চ স্তম্ভ হলেও যাকাত ও হাজ্জ্ব সামর্থবান মানুষের জন্য নির্ধারিত বলে হাদীসে কথিত আছে। আর সামর্থহীনদের স্তম্ভ হলো তিনটি, মানে কলেমা,সালাত ও রোজা। তাহলে কি দাড়ালো ধনীদের জন্য ইসলামের বুনিয়াদ বা স্তম্ভ হলো পাঁচটি আর গরীবদের জন্য ইসলামের স্তম্ভ হলো তিনটি। মানে ইসলামের পঞ্চ স্তম্ভ সবার জন্য নয়! ইহা’ই কি কোরআনের বিধান? না, হতে পারে না। ইহা কোরআনের বিধান নয়। কোরআনের বিধান হতে হবে সবার জন্য সার্বজনীন মানে সব মানুষের জন্য সমান প্রযোজ্য। কোরআনের বিধান জাগতিক ধনী-গরীব হিসাবে নয়। এটা হলো প্রাথমিক যুগের উমাইয়া-আব্বাসীয়া রাজশক্তী এবং তাদের পোষা মোল্লা মৌলবীদের অন্ধ কুপমন্ডুকতার কারসাজি। এরা যাকাত বলতে শুধু পার্থিব ধনের যাকাত’ই বুঝেছিলো এবং মানুষকে তা বুঝিয়েছিলো এবং সেইভাবে সস্তা বস্তপঁচা শত সহস্র কিতাব ও তারা রচনা করেছিলো কেবল তাদের সার্থে, তাদের কিছু মত চরিতার্থ করার জন্য। তারা একটি কথা বোঝেনি এবং বুঝতেও পারেনী যে পার্থিব ধনের যাকাতটি ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক এবং রাষ্ট্রীয় কল্যাণ এর জন্য। এবং তাহলো প্রতীক বা রূপক হিসাবে প্রযোজ্য যা মানব জাতির ইহলোকের জন্য সাময়িক এবং সামাজিক কল্যাণকর হিসাবে প্রযোজ্য। ইহা প্রতীক, আসলে উপমা, যার মাধ্যমে আসল পাওয়া যায় বা, হকিকতে পৌঁছাতে পারে। মুহাম্মাদ (সাঃ) পার্থিব ধনের যাকাত ব্যবস্থা প্রবর্তন করেছেন মানব সমাজের নিঃস্ব ব্যক্তিদের মঙ্গলার্থে যার দ্বারা মানব সমাজ আর্থিক, সামাজিক ভাবে সাম্যের দিকে এগুতে পারে। ইহা কোরআনের যাকাতকে লক্ষ্য করে দেয়া হয়েছে; যা আসলের উপমা বা প্রতীক স্বরূপ। মাওলানারা মানুষকে যাকাত বলতে যা বুঝাচ্ছে তার কোন নির্দিষ্ট পরিমান কোরআনে নেই। কোরআনের কথা হলো প্রয়োজনে অতিরিক্ত তোমাদের যা আছে তা-ই যাকাত দিতে হবে। রাসুল (সাঃ) ইহলোকে ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায যে সুষ্ঠ বিধি-বিধান প্রবর্তন করেছেন এবং আর্থিক যাকাত ব্যবস্থা তার একটি। কোরআনে যেখানে প্রয়োজনের অতিরিক্ত মানুষকে বিলি করতে বলেছে সেখানে আড়াই পার্সেন্ট যাকাত কথাটা এলো কোথা থেকে? ইসলাম সম্পদ জমাতেই নিষেধ করেছে সেখানে যাকাত মানুষের গড়া আড়াই পার্সেন্ট। ভালো থাকবেন, আবারো কথা হবে। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
৪৬|
০২ রা অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৫:০২
শরীফ িবিড বলেছেন: যেখানে বাইবেল নিজেই (Matthew 10:2-4) মার্ক ও লুককে ঈসা (আঃ)এর ১২ জন সাহাবীর মধ্যে নয় বলছে, আর আপনি বলছেন মার্ক ও লুক ঈসা (আঃ)এর সাথে তাবলীগ করেছেন, সব সময় তাঁর সাথে থেকেছেন, তার কথা শুনেছেন।
লেখক বলেছেন: আমাদের সকলেরী সেই সময়ের ঘটনা জানার মাধ্যম হলো বই (কিতাব) আপনিও কোন না কোন বই পড়ে বলছেন, আমিও কোন না কোন বই পড়ে বলছি।
আবার লিখলেন...এখনো ওরিজিনাল ইঞ্জিল আছে ব্রিটিশ মিউজিয়ামে। কারা তা লিপিবদ্ধ করেছে সেটাও দেখে আসেন।
তারমানে আপনার কথা প্রমান করার জন্য লন্ডন যেতে হবে...কেন রেফারেন্স দিতে পারেন না।
সেই সাথে আপনার এই কথাগুলোর রেফারেন্স দেন। (নিজের মনগড়া কথা লিখে উদ্দেশ্যমুলকভাবে বিভ্রান্তি ছড়াবেন।)
১। স্বহস্তে লেখা
২। মার্ক ও লুক..১২ জন সাহাবীর অন্তর্গত।
৩। ওরিজিনাল ইঞ্জিল ব্রিটিশ মিউজিয়ামে সংরক্ষিত রয়েছে।
------------------------------------------------------------------------
লেখক বলেছেন: ইঞ্জিল ঠিক না থাকলে কোরআনের বানি মিথ্যা হয়ে যাবে।
আপনি বাইবেল বা ইঞ্জিলকে বিশুদ্ধ বা অবিকৃত তা প্রমান করার জন্য প্রানপণ চেষ্টা করছেন কোন প্রমান ছাড়াই।
সবশেষে একটি কথা লেখককে...আপনি যদি মুসলিম হন তবে প্রশ্নটির উত্তর আপনার কাছ থেকে আশা করছি...
বাইবেল বলে....
Son of the Most High; Son of God (Luke 1:32, 35)(Luke 1:26-38)
(Mark 8:38; 14:36; see also 11:25; 13:32)
আর কোরআন বলে...(Q.6:101). He is the Originator of the heavens and the earth. How can He have children when He has no wife?
আপনি কোন গ্রন্থের কথাকে সঠিক বলে মনে করেন...কোরআন না বাইবেল???
৪৭|
০২ রা অক্টোবর, ২০১২ রাত ৮:০৩
উড়ালিয়া বলেছেন: লেখক বলেছেন: সেলিম জাহাঙ্গীর ঘেউ ঘেউ করছে নাকি নাজিবুললাহ্ ঘেউ ঘেউ করছে তা পাঠক বুজবে এটা বোঝানো লাগে না
আমি পাঠক বলছি >> " সেলিম জাহাঙ্গীর ঘেউ ঘেউ করছে "
০৩ রা অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:০৮
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: নাজিবুললাহর আরেক নিক এটা।
৪৮|
০৪ ঠা অক্টোবর, ২০১২ রাত ১০:২৮
উড়ালিয়া বলেছেন: এই বেয়াদবের বাচ্চা কাদিয়ানী, মুখ সামলে কথা বলবি, তোর নাজিবুল্লাহ আব্বাকে ডাক, দেখ এটা কার মাল্টি নিক। স্টুপিডের ঘেউ ঘেউ করবি ,আর যাকে তাকে মাল্টি নিক বলবি,
[link|
০৫ ই অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:৪৪
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: আপনি নিজে নাজিবুললাহ্ না বলছেন, কিন্তু নাজিবুললাহ্ বলাতে এতো চেতেযাচ্ছেন কেন?? নাজিবুললাহ্ তো খারাপ কিছু না; একটি মানুষের নাম মাত্র। আল্লাহ আপনার রাগ পশমিত করুন---আমেন
৪৯|
০৮ ই অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৪:৪৯
নজিবুল্লাহ বলেছেন: Click This Link
৫০|
১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১০:২০
আত্মকেন্দ্রিক বলেছেন: এবং বলল, আমাদের উপাস্যরা শ্রেষ্ঠ, না সে? তারা আপনার সামনে যে উদাহরণ উপস্থাপন করে তা কেবল বিতর্কের জন্যেই করে। বস্তুতঃ তারা হল এক বিতর্ককারী সম্প্রদায়। সূরা ঃ যুখরুফ, আয়াতঃ ৫৮।
আপনি কি আদৌ আল্লাহু ত'য়লা কে স্রষ্ঠা বলে স্বীকার করেন?
৫১|
১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১০:২৬
আত্মকেন্দ্রিক বলেছেন: অতএব, তাদেরকে বাকচাতুরী ও ক্রীড়া-কৌতুক করতে দিন সেই দিবসের সাক্ষাত পর্যন্ত, যার ওয়াদা তাদেরকে দেয়া হয়।
সূরা ঃ যুখরুফ,আয়াত ঃ ৮৩।
আমি সেই দিবসে আপনার অবস্থা দেখতে চাই। আমীন।
৫২|
১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১১:১৬
আত্মকেন্দ্রিক বলেছেন: এরপর আমি আপনাকে রেখেছি ধর্মের এক বিশেষ শরীয়তের উপর। অতএব, আপনি এর অনুসরণ করুন এবং অজ্ঞানদের খেয়াল-খুশীর অনুসরণ করবেন না।
সূরা আল জাসিয়া, আয়াতঃ ১৮
৫৩|
১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১১:২৯
আত্মকেন্দ্রিক বলেছেন: আবার তাদের মধ্যে কেউ কেউ তোমাদের প্রতি দৃষ্টিনিবদ্ধ রাখে; তুমি অন্ধদেরকে কি পথ দেখাবে যদি তারা মোটেও দেখতে না পারে।
সূরা ইউনুস ১০:৪৩
৫৪|
১১ ই আগস্ট, ২০১৫ ভোর ৬:১২
হৃদয় ভারাবী বলেছেন: 
কোনটা ঠিক এটার ফায়সালা আল্লাহ নিজেই দিয়েছেন। এখন প্রশ্ন করবেন কোথায় দিয়েছেন? আপনি যে ভাবে কথা বলছেন তাতে বুঝা যাচ্ছে ধর্ম গ্রন্থ গুলোর ব্যাপারে আপনার অনেক ভালো জ্ঞান আছে, আপনিই খুঁজে দেখুন, খুব সহজেই পেয়ে যাওয়ার কথা।।
আর শুধুই বিশ্বাস কিনা জানতে চাওয়া টা আসলেই হাস্যকর, আর এই ব্যাপার টা যে হাস্যকর আপনি এটা বুঝতে পারেন নাই ভেবেই আমার হাসি পাচ্ছে., যাই হোক মূল কথাই আসি. ধর্মের পুরো ব্যাপার টাই বিশ্বাস, সেখানে বিশ্বাস নিয়ে প্রশ্ন করা টা....... বুঝতেই তো পারছেন.
©somewhere in net ltd.
১|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:১২
দেশী মামা বলেছেন: ম জ বাসার সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন কি ?
উনার নবী নানা ও নবী বাবা সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন কি ?