নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

[email protected]

সেলিম জাহাঙ্গীর

সেলিম জাহাঙ্গীর যে দ্যাশে নাই জীন মরণরে আমার মন ছুটেছে সেই দ্যাশে গুরু লওনা আমায় তোমার সে দ্যাশে

সেলিম জাহাঙ্গীর › বিস্তারিত পোস্টঃ

আরবীতে নয় ইমাম আবু হানিফা নিজের মাতৃ ভাষায় নামাজ পড়তেন।

০৯ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:৩২

আরবি ভাষায় সুপণ্ডিত থাকা সত্ত্বেও সালাতের সময় ইমাম আবু হানিফা নিজের আপন মাতৃ ভাষায় কোরআনের অনুবাদ ব্যবহার করতেন।

ইমাম আবু হানিফা জীবনীগ্রন্থ পড়লে তার বিস্তারিত তর্থ্য পাওয়া যায়। তিনাকে এ বিষয় প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, সালাত পালনের সময় বাক্যের অর্থের চেয়ে ব্যাকরণের দিকে তার খেয়াল চলে যেত বেশী। তিনি ফতোয়া দিয়েছিলেন যে, নামাজ নিজের মাতৃভাষায় পড়া হলে সে নামাজ পড়া জায়েজ হবে। আরবি কোরআনের পরিবর্তে কোরআনের অনুবাদ পড়লেও নামাজ সিদ্ধ হবে। এমনকি তকবিরে তাহরীমা নিজ ভাষায় বললেও নামাজের ত্রুটি হবে না। এতে দেখা যায় যে ইমাম আবু হানিফা কোরআনের নির্দেশ অনুসরণ

করেই উক্ত ফতোয়া দিয়েছিলেন। আপনাদের অভিমত কি? আপনারা যদি আবু হানিফার এই নির্দেশ না মানেন তাহলে তিনার অন্য নির্দেশ মানা কি যক্তিযুক্ত? আমরা যারা তিনার মাযহাব মানি তাহলে তিনার অন্য নির্দেশ কেন মানবেন না?

তথ্যসূত্র: গরিয়ান ফোরকান; আব্দুল জব্বার; ‘কৈফিয়ত’ অধ্যায়,পৃ: ৫।

মন্তব্য ৫০ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (৫০) মন্তব্য লিখুন

১| ০৯ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:৪১

ব্লগার ইমরান বলেছেন: এই ফতোয়াটা এখন রহিত হয়ে গেছে। কারন পরবর্তিতে হানাফি মাযহাবের ঈমামরাই এটাকে রহিত করে দিয়ে গেছেন।
অতএব, এই ব্যাপারে কোনো কথা আসতে পারে না।

০৯ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:৫৫

সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: আবু হানিফার শিশ্যরা ওস্তাদের ফতোয়া রহিত করে দিলেন, তাহলে আবু হানিফার জীবনের ইবাদত গুলো কি রহিত হয়ে গেলো? আবু হানিফার শিশ্যরা ওস্তাদের ফতোয়া বন্ধ করতে পারে? এটা যদি রহিত হয় তাহলে আবু হানিফার অন্য ফতোয়া গুলো রহিত হবে না কেন?

২| ০৯ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:৪৫

ইভা_110 বলেছেন: তাহলে , নামাজ নিজের মাতৃভাষায় পড়া হলে সে নামাজ পড়া জায়েজ হবে?!

০৯ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:৫৩

সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: অবশ্যই জায়েজ হবে। আল্লাহ্ কোরআনের অনেক জায়গায় বলেছে কোরআন বুঝে পড়। বুঝেপড়া মানে জেনেপড়া। আমি আরবী জানি না। তাহলে নামাজে যা পড়ছি সেটা কি বলছি তাও জানি না। একটা মূর্খ্য মানুষের মত কেবল মন্তর পড়ে যাওয়ার দশা আরকি। আমি নামাজে যে আয়াতটা পড়ছি সেটা যদি অর্থ জেনে পড়ি তাহলে নামাজে আমার হৃদয়ঙ্গম খুব চমৎকার হবে।

৩| ০৯ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:৫৭

ব্লগার ইমরান বলেছেন: অবশ্যই পারে।
আর ইমাম আবু হানিফা স্পষ্ট ভাষায় বলে গিয়েছেন ঃ
আমার ফতোয়ার বিপক্ষে যদি এর থেকও কোনো সহিহ হাদিস থাকে, তবে ওটাই আমার ফতোয়া।

আর ইসলামি শরিয়াতের মুল নীতি ৪টি। অতএব, এগুলো কোনো সমস্যা না।

০৯ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:০৪

সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: নামাজে মাতৃভাষা ব্যবহার করেছে আবু হানিফা। এটা যদি আবু হানিফার কথা মত সহীহ্ হাদীস দিয়ে তার শিশ্যরা রহিত করে, ভালো। তবে সেই সহীহ্ হাদীস টি কোথায় প্লিজ পারলে লিংক দিবে। কোন হাদীস দিয়ে এটা বন্ধ করা হলো।

৪| ০৯ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:৫৯

ব্লগার ইমরান বলেছেন: আরি বাপরে বাপ ! উপরে দেখি ফতোয়া দেয়া আরম্ভ করেছেন ।
ভালো !

০৯ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:০৬

সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: আপনি আমার কথাকে ফতোয়া বলছেন কেন। কোরআন এর বানী সেতো চিরন্তন সত্য। কোরআনের বানী কখনো ফতোয়া হয় না। কোরআনের যা নাই তা হাদীস দিয়ে আলেমরা দেয়, হাদীসে যা নাই সেটা তারা ইজমা কিয়াস দিয়ে ফাইসালা দেয় এটাকে ফতোয়া বলে।

৫| ০৯ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:০৩

নাটক বলেছেন: উনি মাতৃভাষায় পড়েননি সম্ভবতঃ!! শুধুমাত্র ফার্সিতে পড়া বৈধ হবে বলেছিলেন। তবে, পরে তিনি নিজেও এ মতামতকে প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।

ধন্যবাদ!!

০৯ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:০৮

সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: ফার্সিতে পড়া বৈধ হবে বলেছিলেন কেন। ফার্সিকী আরবীর ছোট ভাইলাগে?

৬| ০৯ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:০৪

রিমন০০৭ বলেছেন: ১টা রেফারেন্স দিয়া সবকিছু চলেনা, আরো রেফারেন্স দেন

০৯ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:০৯

সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: আবু হানিফার সম্পর্কে তার বই থেকে কথা চলছে, আর কি রেফারেন্স লাগবে?

৭| ০৯ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:০৫

পানকৌড়ি বলেছেন: ভাইজান, আবার প্যাচাল পারছেন। বিষটি নিয়ে নতুনভাবে ভাবার অবকাশ নাই।

০৯ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:১১

সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: আবু হানিফা বললে ভালো আর সেলিম বললে প্যাচাল? হয়রে মানুষ। কৃষ্ণ করলে নিলাখেলা আর আমি করলে দোষের!

৮| ০৯ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:০৬

ব্লগার ইমরান বলেছেন: আচ্ছ, আপনার উপরেল্লিখিত তথ্যসূত্রে বইটা কোথায় পাবো বলতে পারেন ?
আপনার ব্লগ হিস্টরি দেখে বুঝলাম গ্যান্জাম লাগানোর অনেক প্রশ্ন করছেন।
এরপর আপনার দেয়া উত্তর গুলো তো আরও হাস্যকর ।
তার ,মানে এটা নিশ্চিত এগুলো াপনর মনে জাগা কোনো প্রশ্ন না। ধার করা প্রশ্ন। নইলে হাস্যকর সব জবাব দিতেন না।
তাই মূল বইটাই পড়তে পারলে ভালও হতো।

লিন্ক দেয়া যাবে কি ?

০৯ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:১৬

সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: ইসলামিক লাইব্রেরীতে পাবেন। আর আমি কোন হাস্যকর জবাব দেয় নাই। সামুতে এখন দেখছি লেখকের চায়তে কমেন্ট কারীরাই বেশী জ্ঞান জাহেরী করে! নিজের বিবেককে জাগ্রত করুন ইসলামের অনেক খুটিনাটি বিষয় গুলো চোখে আসবে।

৯| ০৯ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:০৯

শাহ আলম বাদশাহ বলেছেন: আপনাদের এই ফালতু ফতোয়ার বিতর্ক দেখে আমি হেসেই মরি---- কুরআান-হাদীস বড় নাকি আবু হানিফা বড়? আবার নবী বড় নাকি তার উম্মত আবু হানিফা বড়--- কাকে মানলে পরকালে মুক্তি!! হাদীসের কাছে ফতোয়ার কী দাম আছে??
নবী কি মাতৃভাষায় নামাজ পড়তে বলেছেন নাকি সাহাবীরা পড়েছেন???

আমরা কতবড় বেকুব--দেখুন এসব প্রশ্নের জবাব??

০৯ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:১৫

সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: হ্যাঁ নবীতো মাতৃভাষায় নামাজ পড়তেন। শাহ আলম বাদশাহ এটা আপনি জানতেন না? বড় আশ্চর্য। আবু হানিফাকে মানবেন না অথচ তার মাজাব মানবেন এটা কেমন কথা?

১০| ০৯ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:১৭

মাহমুদডবি বলেছেন: আপনার কাজ হলো বিভ্রান্তি ছরানো। আল্লহ (সুব: ) কোরআন আছে , নবীজি ( সা: ) হাদিস আছে ব্যাস । কোনো সমস্যায় যদি পড়েন সেটা দিয়েই বিচার করেন কে কি করলো তা নিয়ে আপানর না ভাবলেও চলবে। দয়া করে বিভ্রান্টি ছরাবেন না ভাই।

০৯ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:১৯

সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: আবু হানিফাকে মানবেন না অথচ তার মাজাব মানবেন এটা কেমন কথা?

১১| ০৯ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:১৮

নাহিয়ান ব্লগ বলেছেন: কতবড় বেকুব।

০৯ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:২০

সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: বেকুবে বেকুব চিনে তুমি চিনলে দোষকি?

১২| ০৯ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:২২

নাহিয়ান ব্লগ বলেছেন: স্বীকার করলে তুমি বেকুব ।
তাহলে তুমি বেকুবের কথা মানুশ শুনবে কেন ?

০৯ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:৩২

সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: আমি শুনতে বলি নাই। আমি সামুতে কেবল আমার স্বাধীন মত প্রকাশ করেছি।

১৩| ০৯ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:২২

ব্লগার ইমরান বলেছেন: কোন ইসলামিক লাইব্রেরিতে পাবো ? যে কোনো বইয়েরই একটা স্পেসিফিক প্রাপ্তিস্থান থাকে। এরকম একটার বলুন। ঢাকার কোথায় আছে ?
হ্যা, উক্ত বইখানা পড়েই আমি আমার নলেজ বাড়াতে চাচ্ছি।

০৯ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:৩৪

সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: আপনি ঢাকাতে থাকেন আর আমি রাজশাহীতে সেই দিক থেকে আমারদের এই খানের লাইব্রেরীর কথা বলেছি। বইটি ঢাকাতে পাবেন এটা আমার বিশ্বাস।

১৪| ০৯ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:৩০

মানব ও মানবতা বলেছেন: আমি জানি না, আপনি আরবী পড়ার যোগ্যতা রাখেন কি না? তবুও জানিয়ে দিচ্ছি, ইমাম আবু হানিফা তার এ কথা প্রত্যাহার করে নিয়েছিলেন এবং হানাফী মাযহাবের প্রখ্যাত ইমাম হাসান তার একটি গ্রন্থে যার নাম আত তুহফাতুল কুদসিয়া- এতে এ বিষয়ে সম্পূর্ণ বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।

আর এসব বিষয়ে গবেষণা করতে চান ভালো কথা- তবে সেজন্য আরবী কিতাবাদী সম্পর্কেও জ্ঞান থাকা দরকার। বাংলা বই পড়েই কি আলেম হওয়া যায়???

০৯ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:৩৭

সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: আমি আরবী জানি কি নাজানি সেটা না জেনেই অবজ্ঞা করছেন কেন? আপনার এই আচরণকে অহংকারো বলা যায়। ভাইজান আমি একজন ক্ষুদে লেখক গবেষক যায় বলুন না কেন, আপনাদের মত অত গভীর জ্ঞানের মানুষ নই। তবুও চেষ্টা আছে কিছু করার। দোয়া করবেন আমার জন্য।

১৫| ০৯ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:৩৩

মানব ও মানবতা বলেছেন: আপনার অন্যান্য পোস্টের প্রশ্নগুলোও দেখলাম। নিতান্ত বাচ্চাসুলভ এবং অজ্ঞতার পরিচায়ক। একটু সামান্য সময় পড়াশোনায় মন দিলেই সব পরিস্কার হয়ে যাবে। এর আগে অবশ্য দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে হবে। কালো চশমায় সাদা কাগজও কালো দেখায়। আপনার সুবুদ্ধি এবং সচেতনতা একান্তভাবে কামনা করছি।

০৯ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:৪০

সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: ভাইজান বললামতো আমি একজন ক্ষুদে লেখক। আমার আরও একটি কাঁচা হাতের লেখা পারলে পড়েন।

Click This Link

১৬| ০৯ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:৪৬

মাহমুদডবি বলেছেন: আমি কোনো মাজহাব মানি না। সুরা হাসর৫১:৭, সুরা নজম৫৩:৩-৪, সুরা হাক্কাহ ৬৯:৪৪-৪৭, সুরা আহজাব৩৩:২ এই আয়াত গুলি পড়ুন সব ক্লিয়ার হয়ে যাবে।

০৯ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:৫৩

সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: Click This Link

ভাই মাহমুদডবি আমি নিজেই একজন কোরআনের অনুসারী। আমি কোরআন মানি এবং জানার চেষ্টা করি।

Click This Link

১৭| ০৯ ই অক্টোবর, ২০১২ ভোর ৪:১৬

মাহমুদডবি বলেছেন: কিছু প্রশ্নের জবাব দিন

১) আবু হানিফা (র: ) আসল নাম কি ?
২) তার ভাষা কি ছিলো ?
৩) আপনি কি হানিফার অনুসারি ?

০৯ ই অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৩:১১

সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: চাকুরী দিবেন নাকি এত জিজ্ঞাসা করছেন?

১৮| ০৯ ই অক্টোবর, ২০১২ ভোর ৪:২১

মিশনারী বলেছেন: ভাই গবেষক, মুসলমান থাকতে হলে, মাজহাব মানতে হবে এমন কোন শর্ত আছে কি?

০৯ ই অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৩:১৪

সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: আপনি বলেছেনঃ ভাই গবেষক, মুসলমান থাকতে হলে, মাজহাব মানতে হবে এমন কোন শর্ত আছে কি?

কোন শর্ত নাই। আমি নিজেও কোন মাজহাব মানি না। কেবল কোরআন মেনে চলার চেষ্টা করি। ভালো তাকবেন, আপনাকে ধন্যবাদ।

১৯| ০৯ ই অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৭:৫৫

পাস্ট পারফেক্ট বলেছেন: তথ্যসূত্র: গরিয়ান ফোরকান; আব্দুল জব্বার; ‘কৈফিয়ত’ অধ্যায়,পৃ: ৫।-------------------
এই আব্দুল জব্বারকি আপনার দাদা? উনিও কি কাদিয়ানী? কোথাকার কোন জব্বার কৈলো যে আবু হানিফা নিজ ভাষায় ফার্সিতে নামায পড়ছে- আর তাই আমাদের মানতে হবে? ভান্ডামী করার যায়গা পাননা?
পারলে আরো রেফারেন্স দেন? আবু হানিফা নিজে লিখে গেছেন এমন রেফারেন্স দেন। এইসব দাদা চাচার রেফারেন্স দিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোই কাদিয়ানীদের কাজ।

০৯ ই অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৩:১৭

সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: এই সব দাদা চাচার রেফারেন্সে হাদীস রচনা হয়েছে। সেই সময় দাদা চাচারা খুব ভালো ছিলো নাকি? মানুষের মুখে থেকে শুনে হাদীস না লিখলে আপনি লিখিত আকারে কোথায় পাইতেন?

২০| ০৯ ই অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৯:০৯

মুহাই বলেছেন: আবাল

০৯ ই অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৩:১৭

সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: শুধু আবাল নয়, আবাল বৃদ্ধা বনিতা।

২১| ০৯ ই অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১২:৩০

স্পেলবাইন্ডার বলেছেন: malur bachcha!

০৯ ই অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৩:১৮

সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: খাৎনা নেওয়া আছে।

২২| ০৯ ই অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১:০০

ফরিদ আলম বলেছেন: শুধু এই নয় আবু হানীফা এমন সব ফতোয়া দিয়েছেন যা শুনালে আজকের হানাফী ভাইয়েরা আমাদের কতল করে দেবেন।

০৯ ই অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৩:২১

সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: আরে ভাই আমি যা বলতে চেয়েছি সেটা কেউ না বুঝে সমানে উল্টাপাল্টা বকে যাচ্ছে। আমি নিজেই কোরআন ছাড়া মাজহাব মানি না। কোন মাজহাব মানতে হবে এমন কোন নির্দেশও কোরআনে নেই। সেখানে যারা মাজহাব মানে তাদের বলছিঃ আবু হানিফার অনুসারীরা তাকে মেনে চলে অথচ তিনি যা করেছেন সেটা তারা করেনা কেন? এটা আমার লিখার তত্বকথা।

২৩| ১০ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:২৬

লুবনা ইয়াসমিন বলেছেন: আমি এখন যা বলছি তা শিক্ষিত সমাজের লোকজনদের জন্য। আমার যারা পড়াশোনা করি বা চাকুরী করে খাই, দেখা যায় যে যত ভাল ইংরেজী জানে সাথে অন্যান্য পড়াশোনা সহ সে তত ভাল চাকুরী পায়।

তাই আল্লহার প্রিয় বান্দা হবার জন্য এবং তাঁর নেক নজরে আসার জন্য তাঁর আয়াত পরে (যে ভাষায় কোরান নাজিল হয়েছে) তাঁর সামনে হাজির হওয়াই উত্তম।

যাঁরা মুর্খ তাঁরা নিজ ভাষায় পড়বে সেটাই স্বাভাবিক। আল্লাহ সর্বজ্ঞানী, সর্বশক্তিমান এবং পরম করুনা ময়। তিনি যা জানেন আমরা তা জানি না।

২৪| ১০ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:৩৬

পাতিকাক বলেছেন: সালাম,
কাজ না থাকলে যা হয় আর কি। কাম নাই তো আপনের, সারাদিন খালি ধর্মের নামে প্যাঁচ লাগানো। ব্লগে শীর্ষস্থানীয় কয়েকটা বলদ এর আর ধর্ম ক্যাচাল কারীর ৩ জনের ১ জন আপনে। পারলে মসজিদে মসজিদে যাইয়া বইলেন। ব্লগে আর বলদের সংখ্যা বারাইয়েন না। নাস্তিক গুলো রে যেমন গদাম দেয়া হয় আপ্নেরেও তেমন দেয়া লাগব।

আপনার আর্কাইভ খান দেখলেই আপনারে খালি গদাম দিতে ইচ্ছে করে। B-)) B-)) B-))

বিনীত :( :(

২৫| ১৭ ই অক্টোবর, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৫৩

নজিবুল্লাহ বলেছেন: Click This Link

২৬| ১৪ ই নভেম্বর, ২০১২ দুপুর ১২:২৯

আলতামাশ বলেছেন: তোদের মত নাস্তিকদের কাজ শুধু বিভ্রান্তি ছড়ানো

২৭| ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১১:৩৯

যাযাবরমন বলেছেন: মানব ও মানবতা আপ[নার সমস্বার সমাধান করে দিয়েছে, এরপরও এই লেখা রাখার মানে কি। অনেকেই এই লেখা পড়ে বিভ্রানত হবে।
আপনারএই লেখা ইসলাম ধর্মকে গালি দেয়ার চেয়েও খারাপ।
নাকি াপনিও ইসলাম বিরোধী? নাহলে এইধরনের লেখা নুছে দেন।

২৮| ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১৩ রাত ১১:১৬

সৌর কলঙ্কে পর্যবসিত বলেছেন: ১। মাতৃভাষায় নামাজ পড়া যাবে বলে যদি ফতোয়া দেয়া হয়ে থাকে তাহলে প্রশ্ন হল আপনার মত সেলিম আর আমার মত সৌকপ এর জন্য তা জাএজ হবে কিনা। আপ্নে আর আমি বাংলা আর আরবী কিছুই বুঝি না। আর ইমামে আজম আবু হানিফা আরবী বুঝতেন , নিজের ভাষাও জানতেন। আপনি কার অনুবাদ গ্রহন করবেন ??


২। ইমামে আজম আবু হানিফা হাদীসের মর্মার্থ বুঝতে সক্ষম ছিলেন যা তৎকালীন তার সমসাময়িক অনেক ইমামও পারতেন না । ব্যপারটাকে বলে 'ইলমে লাদুন্নী । তাহলে আপনি কেমনে বুঝলেন যে, আপনি যার অনুবাদ গ্রহন করবেন তিনি পুরাপুরি আয়াতটার অরথ অনুধাবন করেছেন ??

৩। আপনি হুযুরের (সঃ) সহীহ হাদীসের বিরোধিতা করছেন। হুজুর (সঃ) কুরআন আর সুন্নাহ এর কথা বলেছেন আর আপনি বললেন শুধু কুরআন মানার চেষ্টা করেন যা সমূহ মিথ্যা কথা। কেননা আল্লাহ্‌ কুরআনে বলছেন আল্লাহ্‌ ও রাসূলের আনুগত্য করতে আর আপনি বলছেন , দরকার নাই, এম্নিতেই বুঝি।

৪।ততকালীন অনেক ইমাম , ইমামে আযম আবু হানীফার কাছে কিছু হাদীস বললে তিনি বলে দিতেন যে, এই এই হাদীস গ্রহণযোগ্য আর ঐটা ঐটা গ্রহণযোগ্য না। কারন ঐ হাদীসের ঐ বর্ননাকারকের কারনে তা গ্রহণযোগ্য হচ্ছে না । তার হাদীসের জ্ঞান নিয়ে প্রশ্ন তোলার মত জ্ঞান আপনার আছে কি না ??

৫। আপনি নিজে নিজে কুরআন মানতে পারেন না। আপনি মিথ্যা বলছেন । কারন আপনি যে অনুবাদ পড়ছেন তার জন্য আপনি অন্য একজনের ওপর নির্ভর করছেন । তবে কেন তার থেকে অধিক যোগ্য একজনের উপর নির্ভর করবেন না ??

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.