নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নির্বোধের ব্লগ

মরেনো

ভবঘুরে -

মরেনো › বিস্তারিত পোস্টঃ

হেফাজতে ইসলামের ১৩ দফা দাবি – আমার কিছু মন্তব্য -১

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:০৯

আমি একাধিক পোষ্টে, একে একে হেফাজতের ১৩ দফা দাবির ওপর আলোচোনা করে আমার ব্যক্তিগত মতামত আর সাজেশন উপস্থাপন করছি, এই দাবির সমর্থক এবং বিরোধিতাকারি সবার বিবেচনার জন্য। আমি কোন বুদ্ধিজিবিও নই বা কোন আলেমও নই, আমি আমার সাধারন বুদ্ধি আর যুক্তি তর্কেই আমার মতামত তুলে ধরছি, যা হয়তো বাংলাদেশের বহু সাধারন মানুষের মনেই জেগেছে। আশাকরি সকলেই আমার বক্তব্যকে সেই হিসাবেই ক্ষমাসুন্দর আর সহনশিল চোখেই দেখবেন।



১. সংবিধানে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিতে ‘সর্বশক্তিমান আল্লাহর ওপর অবিচল আস্থা ও বিশ্বাস’ পুনঃস্থাপন করতে হবে।



এই দাবির বিপরিতে হেফাজতের ব্যাখ্যা শুরু হয়েছে এদেশের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের জিবনে সর্বশক্তিমান আল্লাহর উপর অবিচল আস্থা এবং ধর্মিয় চেতনার গুরুত্ব ব্যাখ্যা করে। এব্যাপারে নিজের মনে পরিস্কার হওয়ার জন্য আমার কিছু প্রাসঙ্গিক প্রশ্ন আছে হেফাজতে ইসলামের উদ্দেশ্যে।



প্রথমত, একজন মুসলমান হিসাবে আমি এবং সকল মুসলমানই বিশ্বাস করে এক এবং অদ্বিতিয় সর্বশক্তিমান আল্লাহয়। আর সে বিশ্বাসের সুত্রেই আমরা নিশ্চয় বিশ্বাস করি যে অন্য ধর্ম্বাবলম্বিরা যে নামেই তাদের ইশ্বরকে ডাকুন না কেন, আমাদের থেকে ভিন্নভাবে বিশ্বাস করুন না কেন – সে আল্লাহ ব্যাতিত আর কেউ হতে পারেন না। এমনকি তথাকথিত নাস্তিকেরাও তাদের ধারনায় আল্লাহ/ইশ্বর/ভগবান অস্বিকার করে যখন সৃষ্টির সব কৃতিত্ব প্রকৃতি বা নেচার বা কোন অদৃশ্য শক্তিতে অর্পন করেন, তখনও তাদের অজান্তেই তারাও কিন্তু এক এবং অদ্বিতিয় সর্বশক্তিমান আল্লাহর কথাই বলছেন – বলতে বাধ্য, কারন বিজ্ঞানের মতেও সব সৃষ্টির নিয়ন্তাও এক এবং অদ্বিতিয় হতে বাধ্য। তাই আমার মতে আল্লাহ বা সর্বশক্তিমানের অবস্থানের ব্যাপারে বিতর্কের কোন অবকাশই নেই, আর সেক্ষেত্রে সংখ্যাগরিষ্ঠ সংখ্যালঘিষ্ঠ ইস্যু নিতান্ত্যই অবান্তর।



দ্বিতিয়ত এবং মূল ইস্যু, “সংবিধানে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিতে ‘সর্বশক্তিমান আল্লাহর ওপর অবিচল আস্থা ও বিশ্বাস’ পুনঃস্থাপন করতে হবে” এই দাবির ব্যাপারে মনে হয় আমাদের সুক্ষ্মভাবে অনেক কিছুই ভেবে দেখার প্রয়োজন আছে।



কাগুজে বা আইনি ব্যাবস্থার মাধ্যমে কি রাষ্ট্রিয়, সামাজিক বা ব্যাক্তি পর্য্যায়েই কি আমরা আমাদের জিবনের প্রতিক্ষনে প্রতিটি কর্মে সর্বশক্তিমান আল্লাহর ওপর অবিচল আস্থা ও বিশ্বাস নিশ্চিত করতে পারি বা তা কি কখোনই বাস্তবে সম্ভব? একমাত্র রসুলাল্লাহ ব্যতিত অন্য কোন মানুষ কি কোনদিন বুকে হাত রেখে বলতে পারবে যে সে তার জিবনের প্রতিটি কর্মে প্রতিটি ক্ষনে একমাত্র সর্বশক্তিমান আল্লাহর ওপর অবিচল আস্থা ও বিশ্বাস রেখেই কাজ করেছেন। বাকি সব দুর্বল মানুষের পক্ষে সেই লক্ষ্যে পৌছানোর চেষ্টা করা সম্ভব, কিন্তু সেই লক্ষ্যে পৌছানো কি সম্ভব? বোধহয় না, আর কেঊ সে লক্ষ্যে সত্যিই পৌছেছে কিনা তা অন্তর্যামি আল্লাহ ব্যাতিত আর কারো পক্ষে কি তা নিশ্চিত করা সম্ভব? সেই অবস্থায় আজকের জটিল বিশ্বে সংবিধান, আইন আর রাষ্ট্রের মাধ্যমে কি করে সম্ভব “রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিতে ‘সর্বশক্তিমান আল্লাহর ওপর অবিচল আস্থা ও বিশ্বাস স্থাপন করা, কারন দুর্বল মানুষই তো ঐ সব ব্যাবস্থা পরিচালনা আর বিচার করবে। আমরা কি করে জানবো আর বিচার করবো তাদের নিয়ত আর অন্তরের অন্তস্থলের কথা। বরং সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করে, প্রকাশ্যে জাতিগতভাবে ঘোষনা দিয়ে আমরা যদি তা নিশ্চিত করতে না পারি, তবে কি আমরা জাতি হিসাবেই মোনাফেক হয়ে যাব না?



আমরা কি বলতে পারি যে সংবিধানের পঞ্চম সংশোধোনির আগে বাংলাদেশ পরিচালনার মূলনীতিতে ‘সর্বশক্তিমান আল্লাহর ওপর অবিচল আস্থা ও বিশ্বাস’ পুনঃস্থাপন হয়ে গিয়েছিল?



আমার তো মনে হয় এধরনের পোষাকি বা কাগুজে ভাবে বাংলাদেশ পরিচালনার মূলনীতিতে ‘সর্বশক্তিমান আল্লাহর ওপর অবিচল আস্থা ও বিশ্বাস’ পুনঃস্থাপন আমাদেরকে মনাফেকির পথেই ঠেলে দেবে। শুধু তাই নয়, এর প্রতিক্রিয়ায় যদি ভারত সহ বহু মুসলিম সংখ্যলঘিষ্ঠ দেশ তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠের ধর্মকে মুসলমানদের ধর্মপালনের অন্তরায় করে তাদের সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করে ফেলে, তখন তার দ্বায় কিন্তু আমাদের ঘাড়েই বর্তাবে। আর এধরনের অবস্থায় তার প্রতিবাদ করার মুখ কি আমাদের থাকবে, না আমদের ক্ষমাতায় কুলাবে সেই সব কোটি কোটি মুসলিমকে আশ্রয় দেওয়ার।



তার চেয়ে আমরা নিশ্চয় অনেক ভাল ফল পাব যদি দৈনন্দিন, সামাজিক বৈষয়িক আর পেশাগত কর্মকান্ডে আমরা নিরন্তর প্রচেষ্টা চালাই আল্লাহর ওপর অবিচল আস্থা ও বিশ্বাস রেখে সৎ মানুষ হিসাবে জীবন যাপন করতে। এব্যাপারে নামাজসহ আমাদের অন্যান্য ধর্মিয় আচার কর্তব্য সমুহ আর ওলেমা ও ধর্মিয় নেতাদের দৃষ্টান্তমুলক জীবন আমাদের নিরন্তর স্মরন করিয়ে দিতে পারে আল্লাহর ওপর অবিচল আস্থা ও বিশ্বাস স্থাপনের প্রয়োজনিয়তা।



আমাদের ইতিহাসও প্রমান দেয় যে এদেশে ইসলামের প্রচার ও প্রসার হয়েছিল সামাজিকভাবে সুফি দরবেশ আর সাধারন মানুষের মাধ্যমে, ইসলামের অন্তর্নিহিত শক্তি ও আকর্ষনেই, রাষ্ট্র ক্ষমতা, সংবিধান, আইন, যুদ্ধ জয় বা অস্ত্র বলে নয়।



হেফাজত আরো দাবি তুলেছে সংসদের মাধ্যমে সংবিধান পরিবর্তন করে তাদের দাবি পূরনের। আমি তাদের এই পন্থাকে ভিষন অযৌক্তিক মনে করছি, কারন যখন একইভাবে পঞ্চম সংশোধোনি আনাতেই তারা আজকে তাদের দাবি তুলতে বাধ্য হয়েছেন, তখন এব্যাপারে তাদের আরো গভিরভাবে ভাবনা চিন্তা করা উচিত ছিল বলেই আমি মনে করি।



প্রথমত, আমরা সকলেই জানি বাংলাদেশের বর্তমান সংসদিয় গনতানন্ত্রিক ব্যাবস্থায় সংসদের দুই তৃতিয়াংশ আসন সেই অনুপাতে জনসমর্থন নির্দেশ করে না। গত নির্বাচনে বর্তমান ক্ষমতাসিন জোট সরকার সমগ্র ভোটের ৫০% এর সামান্য অধিক ভোট পেয়েছিল মাত্র। তদোপরি বাংলাদেশের সংসদ ও রাজনৈতিক দল সমুহের মধ্যে কোন গনতন্ত্রের চর্চার লেশমাত্র নেই, চলছে গনতন্ত্রের নাম একনায়কত্ব। সেই অবস্থায়, সংবিধানের যে কোন মৌলিক সংশোধন ব্যাপক আলোচনার পর গনভোটের মাধ্যমে সর্বসাধারন সিদ্ধান্তেই হওয়া বাঞ্ছনিয়।



নির্বোধ/মরেনো

মন্তব্য ৭ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৭) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৩৭

গেস্টাপো বলেছেন: আমিও একটা লিখছিলাম বাট আওয়ামী হাম্বারা কুনু ভুল ধরায়া দিতে পারলো না।আই মিন লেডিস বিসয়ে এইখানে গুতা

২| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:০৯

অপরিপক্ক বলেছেন: ভালই লেখেছেন। আমার মনে হয় আমাদের সংবিধানের দিকে নজরটা পরে দিয়ে আগে শিক্ষা ব্যবস্থাটা ইসলামিক করতে হবে। ধর্ম শিক্ষার ঐ ছট্ট বইটা যেনো এমন হয় যাতে একটা ছেলে ক্লাস ১ থেকে ক্লাস ১০ পাস করাকালীন সময়ে পুরা কোরানটা তাফসীর সহ ক্লাসেই পড়ে ফেলে। পাশাপাশি "আর রাহীকুল মাখতুম" এর মতন সীরাত গ্রন্থ যেন স্কুলেই পড়ানো হয়। তাহলে আর সমাজে আমাদের ভূল ইসলাম শিখে লাফালাফি করতে হবে না।

৩| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:১৬

পরাজিত মধ্যবিত্তের একজন বলেছেন: হুমম। কথা সত্য।

ভণ্ড ভণ্ড ভণ্ড (পর্ব-১)
Click This Link

৪| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৩ ভোর ৪:১২

মরেনো বলেছেন: @ অপরিপক্ক।

আমার মনে হয় আপনি স্বিকার করবেন যে অন্য সব শিক্ষার মত আমাদের দেশের ইসলামি শিক্ষার মানও অতন্ত নিন্ম। তাই আমার মনে হয় এদেশে ইসলামি শিক্ষার রিফর্ম করতে হলে আমাদেরকে গভির চিন্তা ভাবনা করেই তা করা উচিত।

এই ব্যাপারে আপনি নিশ্চয় স্বিকার করবেন যে ইসলাম পুথিগত মুখস্থ বিদ্যার ব্যাপার নয়, ইসলাম ব্যাবহারিক ভাবে জিবনের এবং সমাজের প্রতি স্তরে, প্রতিটি কাজে ইসলামের মূল নিতি এবং আদর্শ সমূহ প্রতিফলন করার ধর্ম।

আমার মনে হয় ইসলামি শিক্ষা শুরুর প্রথম ধাপ হওয়া উচিত ক্রমে ক্রমে ইসলামের মূল নিতি এবং আদর্শ সমুহ গভিরভাবে বোঝানো, উপলব্ধি করানো আর তা বাস্তব জিবনে কি ভাবে সর্বকাজে প্রয়োগ করতে হবে তা শেখানোর মাধ্যমে, যাতে ভুল ইসলাম শেখার সম্ভবনা রহিত হয়।

আজকের এই প্রযুক্তির যুগে আমরা অতি সহজেই পৃথিবির শ্রেষ্ঠ ইসলামি স্কলার ও চিন্তাবিদদের স্কুলে স্কুলে পৌছে দিয়ে, তাদের সাহাজ্যেই সর্বোচ্চ মানের ইসলামি শিক্ষা পৌছে দিতে পারি এবং আর তা বাস্তব জিবনে কি ভাবে সর্বকাজে প্রয়োগ করতে হবে তা শেখাতে পারি।

আমার সিমিত বুদ্ধিতে মনে হয়, সালাত এবং অন্যান্য আবশ্যিক কর্তব্যের শিক্ষার সাথে সাথে ইসলামি শিক্ষার প্রধান যে দুইটি আবেদন, যা ইসলামের প্রচারে এবং প্রসারে সর্বোচ্চ ভুমিকা রেখেছে, তা সর্বাগ্রে গভিরভাবে শেখালে এবং প্রতিষ্ঠা করতে পারলে, ভুল ইসলাম শেখার সম্ভবনা থকবেনা বা কমে যেতে বাধ্য। এই দুই নিতি বা আদর্শঃ

১) এক এবং অদ্বিত্বিয় সর্বশক্তিমান আল্লাহর প্রতি সর্ববিষয়ে অবিচল আস্থা স্থাপন করে কাজ করা - তথা একেশ্বরবাদিতা

২) ইসলামের সাম্যে আর ন্যায়ের নিতি - আল্লাহর সামনে আর তার শেষ বিচারে ধনি গরিব, জাত পাত, বর্ন পদমর্য্যাদা নির্বিশেষে সব মানুষ সমান - এবং তাই এই পৃথিবিতেও সব মানুষ সমান মর্য্যাদা, অধিকারের, ন্যায় বিচারের এবং সুযোগের দাবিদার।

৫| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৩ ভোর ৪:৩২

মরেনো বলেছেন: @ পরাজিত মধ্যবিত্তের একজন

ধন্যবাদ ভাই। আপনার লেখাটি পড়েছি, ভাল লেগেছে এবং যেখানে দ্বিমত পোষন করেছি সে বিষয়ে মন্তব্য পোষ্ট করেছি।

৬| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:১৮

অপরিপক্ক বলেছেন: ভাই, খুব ভালো বলেছেন। তবে ইসলামের ইউনিক সোর্স কিন্তু কোরআন আর সুন্নাহ। এই ২টা (এট লিস্ট কোরান আর বোখারী, আর একটা সীরাত) না পড়লে ইসলামটা কি তা কেউই বুঝতে পারবে না।

৭| ১৭ ই এপ্রিল, ২০১৩ ভোর ৪:৪৯

মরেনো বলেছেন: @ অপরিপক্ক। আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

অবশ্যই, ইসলামের ইউনিক সোর্স কোরআন আর সুন্নাহ। কিন্ত শুধু কোরআন আর সুন্নাহ পড়ে বা মুখস্ত করেই কি ইসলামের সত্যিকারের ম্যাসেজ বোঝা সম্ভব, বিশেষ করে সাধারন মানুষের পক্ষে?

রাসুলাল্লাহর মাধ্যমে ১৪ শ বছর আগে কোরান আবির্ভুত হয়েছিল স্থান কাল নির্বিশেষে রোজ কেয়ামতের আগ পর্যন্ত সব মানুষকে হেদায়েত করতে। এমন একাটি গভির কিতাবের আর তার সহযোগি সুন্নহার যুগোপোযোগি সঠিক ব্যাখ্যা করা কি সর্বসাধারনের পক্ষে বা এমন কি সাধারন মানে জ্ঞানিদের পক্ষেও সম্ভব?

উদাহরন হিসাবে ধরুন, এর চেয়ে মানব সমাজের উপর আপেক্ষিক ভাবে অনেক অনেক কম গুরুত্বপূর্ন এবং কম জটিল আইনেষ্টাইনের বা অন্য বিজ্ঞানি, বা দার্শনিক বা চিন্তাবি্দের লেখা ব্যাখ্যা করা কি যার তার পক্ষে বা সাধারন মানের জ্ঞানিদের পক্ষে সম্ভব? বরং এধরনের ভুল বা নিন্মমানের শিক্ষা ভুল বা সম্পুর্ন আন ইসলামিক শিক্ষার বিস্তার ঘটানোর সুযোগ করে দেয়। বিশেষ করে আজকের সর্বগ্রাসি দুর্নিতিতে আক্রান্ত আমদের সমাজে, দুর্বল ও নিন্ম মানের ইসলামি এবং অন্যান্য শিক্ষার সূযোগ গ্রহন করে, অনেকেই ব্যাক্তি বা গোষ্ঠি স্বার্থে একে ব্যাবহার করতে পারেন।

তাই আমি মনে করি তথ্য প্রযুক্তির সুযোগ নিয়ে আমরা অতি সহজেই এবং অল্প খরচেই মাদ্রাসা ও স্কুলে ইসলামি শিক্ষার একটা গুনগত বিপ্লব আর তার ব্যাবহারিক প্রয়োগের মাধ্যমে একটা সমাজের দেশের একটা গুনগত সংস্কার করতে পারি। ইসলামি শিক্ষার এই মডেল সাধারন শিক্ষার গুনগত মানঊন্নয়নেও বিশাল প্রভাব রাখতে পারে।

আমি কি বলতে চাচ্ছি বা কি ধরনের মডেলের কথা বলতে চাচ্ছি তা বোঝানোর জন্য, আমি নিচে খান একাডেমি বলে একটা ওয়েব বেসড প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুল শিক্ষার/পাঠদানের (বিনামুল্যে) একটি অয়েব সিটের লিঙ্ক দিচ্ছি। এটি প্রতিষ্ঠা করেছেন একজন হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষিত সালমান খান নামের একজন বাংলাদেশি আমেরিকান তরুন। এটি এখন বাংলা ভাষা সহ বহু ভাষায় সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ শিশু কিশোরদের বিনামুল্যে সর্বোচ্চ মানের পাঠদান করছে। যার দেখা দেখি এখন বিশ্বের বহু নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকরাও বহু জটিল বিষয়ে এধরনের অয়েব বেসড ফ্রি কোর্স চালু করেছেন।

খান একাডেমি

একবার ভেবে দেখুন, সামান্য সরকারি আর বেসরকারি উদ্যোগেই, বিশ্বসেরা ইসলামি চিন্তাবিদ ও ওলেমাদের সহায়তায়, কারিকুলাম তৈরি করে সর্বোচ্চ মানের ইসলামি শিক্ষার আর জিবনের সর্বক্ষেত্রে তার ব্যাবহারিক প্রয়োগ শেখানোর ব্যাবস্থা করা সম্ভব।

প্রাথমিক অবস্থায়, এই মডেলের মাধ্যমে মেধার ভিত্তিতে নির্বাচিত মাদ্রাসা আর স্কুলের ইসলামি শিক্ষকদের মান উন্নয়ন এবং পরিক্ষা নিরিক্ষার মাধ্যমে ফাইনাল মডেল নির্বাচন করা যেতে পারে।

শিক্ষাই যেহেতু মানুষের সব ব্যাবহার নিয়ন্ত্রন করে, তাই শিক্ষা আর তার মানের উপর জোর দেওয়া সংস্কার করাই আমার মনে হ সর্বপ্রথম ও জরুরি বিষয়।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.