| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
শুধু ভারত বিদ্বেষই না।
মাদ্রাসাগুলোতে কোনও ব্যতিক্রম ছাড়াই মোল্লারা ইসলামের দোহাই দিয়ে,
/নিজের দেশ তথা নিজের জন্মভূমি বাংলাদেশের প্রতি বিদ্বেষ করা শেখায়।
/মোল্লারা তাদের মাথায় এই ধারণা খুব অল্প বয়সেই ঢুকিয়ে দেয় যে কেবল মাত্র ভারতের ষড়যন্ত্রের কারণে পাকিস্তান ভেঙ্গে বাংলাদেশ হয়েছে। আর কোনও কারণ নেই।
/আর বাংলাদেশ নামটাই তো হিন্দুয়ানী নাম, কারণ রবী ঠাকুর সর্বপ্রথম শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন। যদিও রবী ঠাকুর ছিলেন ব্রাহ্ম।
/এজন্যই বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত গাওয়া ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা মাদ্রাসায় মোল্লা কর্তৃক নিষিদ্ধ। (কিন্তু মুসলিম হওয়া সত্ত্বেও, জিসিসি ভুক্ত ছয়টা আরব দেশের কেনো নিজ নিজ জাতীয় সংগীত ও জাতীয় পতাকা আছে এবং কেনো সেক্ষেত্রে ইসলাম বাধা হয়ে দাড়াচ্ছে না তার ব্যাখ্যা মোল্লারা দেয় না)।
এভাবেই লিল্লাহ খোর মোল্লারা তাদের মাদ্রাসা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে একটা বড় অথর্ব ভিক্ষুক শ্রেণী সমাজে তৈরি করছে যারা একই সাথে ২.০ প্রজন্মের রাজাকার তথা লাল বদর তথা বাঙ্গালী পাকিস্তানি বটে।
সুতরাং মাদ্রাসা বন্ধ করলে এক সাথে অনেক গুলো সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। দেশে গরিব, জঙ্গী, রাজাকার, তৌহিদী জনতা নামের মব সন্ত্রাসীদের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাবে। শিশুদের বলাৎকার, ধর্ষণ, শারীরিক নির্যাতন, হত্যা বন্ধ হয়ে যাবে।
সরকারের উচিত নতুন কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন আর বিদ্যমান প্রতিষ্ঠান সমূহে আর্থিক বরাদ্দ ও আনুষঙ্গিক সুযোগ সুবিধা বাড়ানো। এসব প্রতিষ্ঠানের সাথে বিদেশীদের (যেমন জাপান, কোরিয়া, জার্মানি….) সঙ্গে affiliation করার মাধ্যমে নিজেদের প্রশিক্ষিত জনবলের আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানো। এতে মাদ্রাসা ব্যবস্থার মাধ্যমে সমাজে ভিক্ষুকের হাত বৃদ্ধির পরিবর্তে কর্মীর হাত বাড়বে। সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
©somewhere in net ltd.