নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আস্‌সালামু আলাইকুম ।

***** ইমান,চরিত্র,সততাই মূল কথা।******

মোঃআমজাদুর রহমান রুবেল

মানবতার কল্যানই আমার লক্ষ্য।উপকার না করুন,কারও ক্ষতি করবেন না।

মোঃআমজাদুর রহমান রুবেল › বিস্তারিত পোস্টঃ

জাতীয় পরিচয়পত্রের সুফল পেতে চাই এর সার্বজনীন ব্যবহার

২৭ শে আগস্ট, ২০১৩ সকাল ১০:৫৮

জাতীয় পরিচয়পত্রের সুফল পেতে

চাই এর সার্বজনীন ব্যবহার



আমজাদ রুবেল

বিশ্বায়নের ঘুর্ণিপাকে থেমে নেই বাংলাদেশ। ইতিমধ্যে ডিজিটাল প্রযুক্তির ছোঁয়া লেগেছে বাংলাদেশের সকল অফিস আদালতে। ই-গর্ভনেন্স চালু হয়েছে সরকারি নানা কার্যক্রমে। হাতে লেখা পাসপোর্ট এর স্থলে চালু হয়েছে মেশিন রিডেবল (এমআরপি) পাসপোর্ট। ফলে ভুয়া পাসপোর্টে বিদেশ গমনের প্রবণতা কমেছে। ই গর্ভনেন্স চালুর ফলে সরকারি অফিস আদালতে কাজের গতি বেড়েছে। হয়রানি কমেছে সেবা গ্রহীতাদের।

বাংলাদেশের সম্ভবত সরকারি সবচেয়ে বৃহৎ ডিজিটাল প্রকল্প হচ্ছে জাতীয় পরিচয় পত্র। মঈন উদ্দিন ও ফখরুদ্দিন সরকার ৩শ কোটি টাকা ব্যয়ে এই প্রকল্প হাতে নেয়। নিঃসন্দেহে এটি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। আমাদেরকে দেশ একটি জাতীয় পরিচয়পত্র উপহার দিয়েছে। কিন্তু এই জাতীয় পরিচয় পত্র আমাদের দেশ ও জনগণের কি কাজে আসছে।

ব্যাংক একাউন্ট খোলা, বিদেশ থেকে টাকা পাঠানো, টাকা উত্তোলন ছাড়া তেমন কোন কাজে এটির ব্যবহার নেই বললেই চলে। অথচ এই জাতীয় তথ্য ভান্ডার ব্যবহার করে রাষ্ট্র উপকৃত হতে পারে নানাভাবে। এজন্য প্রয়োজন জাতীয় এ তথ্য ভান্ডারকে উন্মুক্ত করে দেয়া আর রাষ্ট্রীয় আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বায়োমেট্রিক্স এই তথ্য ভান্ডার ব্যবহারের অনুমতি দেয়া অতি জরুরী।

পুলিশ যদি এই তথ্য ভান্ডার ব্যবহার করতে পারে তাহলে অপরাধী তার পরিচয় গোপন করতে পারবে না। এছাড়া প্রায়ই দেখি অজ্ঞাতনামা লাশ মর্গে দিনের পর দিন পড়ে থাকতে। কিন্তু আমার কথা যে দেশে একটি জাতীয় তথ্য ভান্ডার আছে সেদেশে কেন বেওয়ারিশ লাশ পড়ে থাকবে। জাতীয় পরিচয়পত্রের বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতির ব্যবহারের মাধ্যমে তার পরিচয় জানা সহজ। কিন্তু আমাদের মাথায় তা আসে না।

যদি জাতীয় পরিচয় পত্রের আওতায় সবাইকে আনা হয় তাহলে এই তথ্য ভান্ডার রাষ্ট্রের সম্পদ হিসেবে পরিগণিত হবে। বছর বছর নতুন করে এটি হালনাগাদ করলেই চলবে। আলাদা একটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে ১৮ বছর পার হলেই এই তথ্য ভান্ডার থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নতুন ভোটার তালিকা তৈরি করা সম্ভব হবে।

প্রবাসীরাও এমআরপি পাসপোর্টোর মাধ্যমে বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতির তথ্যকোষে আবদ্ধ। সুতরাং এই প্রযুক্তিকে সহজ লভ্য করা অতি জরুরী। এটিকে সার্বজনীন করা হলে ভূমি হস্তান্তরেও স্বচ্ছতা, ভুয়া ব্যাংক একাউন্ট খোলা, ভুয়া নামে মোবাইল ও ইন্টারনেট সংযোগ নেয়া বন্ধ হবে। ফলে অপরাধ প্রবণতা কমে যাবে।

তাই দ্রুত সরকারের উচিত প্রতিটি থানায় বায়োমেট্রিক্স মেশিন সরবরাহ করা ও জাতীয় তথ্য কোষকে অন্ততঃ আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য ব্যবহারের ব্যবস্থা করা।



লেখক- সাংবাদিক

০১৮১৯৭২৭২২১

মন্তব্য ১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ২৭ শে আগস্ট, ২০১৩ সকাল ১১:২১

পরিবেশ বন্ধু বলেছেন: সুন্দর তথ্যবহুল পোষ্ট
তবে ইন্টারন্যাট সুবিধা পাইতে সফটওয়ার কোম্পানির দ্বারস্থ হতে হবে ।।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.