নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

শিরোনাম হীন

কোথাও কেউ নেই

মীর শওকত

অন্তঃহীন স্বপ্ন

মীর শওকত › বিস্তারিত পোস্টঃ

তাজউদ্দীন তনয়া শারমিন আহমদ এর জন্য কি পরিণতি অপেক্ষা করছে?

২৩ শে এপ্রিল, ২০১৪ রাত ১২:৫৬

তাজ উদ্দিন আহম্মেদের বড় মেয়ে শারমিন আহমদ



এ যে একেবারে ইতিহাস বদলে দেয়া। Thinking Thinking Thinking Thinking Thinking



সরকার কি সইবে এমন ইতিহাস বিকৃতি? (!!??)







প্রয়াত মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ এর বড় মেয়ে শারমিন আহমেদ ‍‍"তাজউদ্দিন আহমেদ- নেতা ও পিতা" নামে একটি বই লিখেন। ঐতিহ্য প্রকাশনী বইটি প্রকাশ করেছে। বইটি রাজধানীর শাহবাগের কেন্দ্রীয় গণগ্রন্থাগারের উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে ঐতিহ্যের ১৪তম বর্ষপূর্তি উদযাপন উপলক্ষে মাসব্যাপী মেলায় পাওয়া যাবে।



বইয়ের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৮৫০ টাকা। তবে যারা মেলা থেকে এই বইটি সংগ্রহ করবেন তারা ৬০০ টাকা পাবেন। মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে অনুষ্ঠানে বইয়ের লেখক শারমিন আহমেদ বলেন, মেয়ে হিসাবে বাবাকে নিয়ে লেখা ভীষণ কষ্টকর। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাসকে তুলে আনার প্রয়াস ছিল।আমি যতটুকু পেয়েছি সঠিক ইতিহাস আনার চেষ্টা করেছি।



তিনি বলেন, পাঠ্যবই থেকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে মুক্তিযুদ্ধের আংশিক সত্য শেখানো হচ্ছে। তরুণ প্রজন্ম এই বইটিতে সঠিক ইতিহাস খুঁজে পাবে।



সে বইয়ের বক্তব্যগুলো নিয়েই সৃষ্টি হচ্ছে সব বিতর্ক। কিছু চুম্বক অংশ।



“পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী ২৫ মার্চের ভয়াল কালো রাতে আব্বু গেলেন মুজিব কাকুকে নিতে। মুজিব কাকু আব্বুর সঙ্গে আন্ডারগ্রাউন্ডে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করবেন সেই ব্যাপারে আব্বু মুজিব কাকুর সাথে আলোচনা করেছিলেন। মুজিব কাকু সে ব্যাপারে সম্মতিও দিয়েছিলেন। সেই



অনুযায়ী আত্মগোপনের জন্য পুরান ঢাকায় একটি বাসাও ঠিক করে রাখা হয়েছিল। বড়



কোনো সিদ্ধান্ত সম্পর্কে আব্বুর উপদেশ গ্রহণে মুজিব কাকু এর আগে দ্বিধা করেননি।



আব্বুর, সে কারণে বিশ্বাস ছিল যে, ইতিহাসের এই যুগসন্ধিক্ষণে মুজিব কাকু কথা রাখবেন।



মুজিব কাকু, আব্বুর সাথেই যাবেন অথচ শেষ মুহূর্তে মুজিব কাকু অনড় রয়ে গেলেন। তিনি আব্বুকে বললেন, ‘বাড়ি গিয়ে নাকে তেল দিয়ে ঘুমিয়ে থাকো, পরশুদিন (২৭ মার্চ) হরতাল ডেকেছি।’



মুজিব কাকুর তাৎক্ষণিক এই উক্তিতে আব্বু বিস্ময় ও বেদনায় বিমূঢ় হয়ে পড়লেন। এদিকে বেগম মুজিব ঐ শোবার ঘরেই সুটকেসে মুজিব কাকুর জামাকাপড় ভাঁজ করে রাখতে শুরু করলেন। ঢোলা পায়জামায় ফিতা ভরলেন। পাকিস্তানি সেনার হাতে মুজিব কাকুর স্বেচ্ছাবন্দি হওয়ার এইসব প্রস্তুতি দেখার পরও আব্বু হাল না ছেড়ে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে বিভিন্ন ঐতিহাসিক উদাহরণ টেনে মুজিব কাকুকে বোঝাবার চেষ্টা করলেন। তিনি কিংবদন্তি সমতুল্য বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের উদাহরণ তুলে ধরলেন, যাঁরা আত্মগোপন করে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করেছিলেন। কিন্তু মুজিব কাকু তাঁর এই সিদ্ধান্তে অনড় হয়ে রইলেন। আব্বু বললেন যে, পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মূল লক্ষ্য হলো পূর্ব বাংলাকে সম্পূর্ণ রূপেই নেতৃত্ব-শূন্য করে দেওয়া। এই অবস্থায় মুজিব কাকুর ধরা দেওয়ার অর্থ হলো আত্মহত্যার শামিল। তিনি বললেন, ‘মুজিব ভাই, বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা হলেন আপনি। আপনার নেতৃত্বের ওপরই তারা সম্পূর্ণ



ভরসা করে রয়েছে।’ মুজিব কাকু বললেন, ‘তোমরা যা করবার কর। আমি কোথাও যাব না।’



আব্বু বললেন, ‘আপনার অবর্তমানে দ্বিতীয় কে নেতৃত্ব দেবে এমন ঘোষণা তো আপনি দিয়ে যাননি। নেতার অনুপস্থিতিতে দ্বিতীয় ব্যক্তি কে হবে, দলকে তো তা জানানো হয়নি। ফলে দ্বিতীয়



কারো নেতৃত্ব প্রদান দুরূহ হবে এবং মুক্তিযুদ্ধকে এক অনিশ্চিত ও জটিল পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দেওয়া হবে।’ আব্বুর সেদিনের এই উক্তিটি ছিল এক নির্মম সত্য ভবিষ্যদ্বাণী। পূর্ব-পরিকল্পনা অনুযায়ী আব্বু স্বাধীনতার ঘোষণা লিখে নিয়ে এসেছিলেন এবং টেপ রেকর্ডারও নিয়ে এসেছিলেন।



টেপে বিবৃতি দিতে বা স্বাধীনতার ঘোষণায় স্বাক্ষর প্রদানে মুজিব কাকু অস্বীকৃতি জানান। কথা ছিল যে, মুজিব কাকুর স্বাক্ষরকৃত স্বাধীনতার ঘোষণা হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্ হোটেলে (বর্তমানে শেরাটন) অবস্থিত বিদেশি সাংবাদিকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে এবং তাঁরা আন্ডারগ্রাউন্ডে



গিয়ে স্বাধীনতাযুদ্ধ পরিচালনা করবেন।



আব্বু বলেছিলেন, ‘মুজিব ভাই, এটা আপনাকে বলে যেতেই হবে, কারণ কালকে কী হবে, আমাদের সবাইকে যদি গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়, তাহলে কেউ জানবে না, কী তাদের করতে হবে। এই ঘোষণা কোনো-না- কোনো জায়গা থেকে কপি করে আমরা জানাব। যদি বেতার মারফত কিছু করা যায়, তাহলে সেটাই করা হবে।’



মুজিব কাকু তখন



উত্তর দিয়েছিলেন, ‘এটা আমার বিরুদ্ধে দলিল হয়ে থাকবে। এর জন্য পাকিস্তানিরা আমাকে দেশদ্রোহের জন্য বিচার করতে পারবে।’



(পৃষ্ঠা ৫৯) "তাজউদ্দীন আহমদ : নেতা ও পিতা” স্বাধীনতা ও স্বাধীনতা পরবর্তী ইতিহাসের দলিল গ্রন্থ তাজউদ্দিন আহমেদ'র বড় মেয়ে শারমিন আহমদ রচিত।



তাহলে কি শেখ মুজিব স্বাধীনতা চাননি? শারমিন আহমদ সম্ভবত প্রবাসী। দেশে থাকলে এতদিনে গ্রেফতার হয়ে যেতেন হয়তো। অবশ্য তার আরেক বোন সিমিন হোসেন রিমি এ সরকারেরই এমপি। দেখা যাক শারমিন আহমদ এর জন্য কি পরিণতি অপেক্ষা করছে

সংগৃহীত.।

মন্তব্য ৩ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (৩) মন্তব্য লিখুন

১| ২৩ শে এপ্রিল, ২০১৪ সকাল ৯:০৬

আরজু পনি বলেছেন:

দেখা যাক কী হয় ।

২৫% কমিশনে দিলে ৬০০টাকার চেয়ে কম আসার কথা ।

২| ২৩ শে এপ্রিল, ২০১৪ সকাল ৯:৩২

মীর শওকত বলেছেন: ৮৫০ টাকাতে ২৫% মানে ৬৩৭,৫ টাকা াসে । মানে ২৫% ের বেশি ..

৩| ২৩ শে এপ্রিল, ২০১৪ বিকাল ৪:৫২

তিক্তভাষী বলেছেন: এজাতীয় বক্তব্যের জন্য আওয়ামীদের কাছ থেকে তারেক যে সব খেতাব উপহার পেয়েছেন তার মধ্যে রয়েছে “আহাম্মক, মহামুর্খ, ফকিন্নীর পুত..”।

দেখা যাক শারমিন আহমদের জন্য কী অপেক্ষা করছে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.