| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আমি যখন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ি, তখন আমার কয়েকজন বন্ধু তাবলিগ করত। তাবলিগের প্রতি আমার কখনোই আগ্রহ ছিল না। তবে ওরা নিজেরা রান্না করত, আর আমি রান্না করতে পছন্দ করি। তাই একদিন বললাম, তোদের সঙ্গে যাব, তবে আমাকে রান্না করতে দিতে হবে।
তিন দিনের জন্য গেলাম। থাকার ব্যবস্থা হলো একটি মসজিদে। গিয়ে দেখি, মসজিদের আশপাশ প্রচণ্ড নোংরা। বললাম, ভাই, আমরা সবাই মিলে জায়গাটা একটু পরিষ্কার করে ফেলি। ওরা বলল, না, আমাদের আরও অনেক কাজ আছে।
রান্নার সময় হলে বললাম, এবার আমাকে রান্না করতে দে। উত্তর এল, তুমি তো প্রথমবার এসেছ। আগে কিছু নিয়মকানুন শিখতে হবে। রান্না পরেরবার করবে।
আমি ভেবেছিলাম পরের বেলা। পরে বুঝলাম, পরেরবার মানে আরেকবার তাবলিগে আসা!
যেহেতু আমার কোনো কথাই ওরা শুনল না, রাগ করে বেরিয়ে পড়লাম। তারপর টিএসসিতে সুন্দর সুন্দর রমণী দেখে ক্যাম্পাসে ফিরে গেলাম।
এই ছোট্ট অভিজ্ঞতাটা আমাদের সমাজের একটা বড় সমস্যার কথা মনে করিয়ে দেয়।
আমরা ধর্ম নিয়ে কত কথা বলি! অন্য ধর্মের মানুষের বিশ্বাস আর আচরণ নিয়েও আমাদের আলোচনা-সমালোচনার শেষ নেই। অথচ নিজের মসজিদ, মন্দির, স্কুল কিংবা আশপাশের জনপরিসর কতটা পরিষ্কার, সেদিকে নজর দিই না।
আমার মনে হয়, সামাজিক দায়বদ্ধতার শুরুটা খুব সাধারণ জায়গা থেকেই হওয়া উচিত। ধর্মের বড় বড় কথা বলার আগে নিজের উপাসনালয়ের চারপাশটা একবার দেখে নেওয়াও ভালো শুরু হতে পারে।
©somewhere in net ltd.
১|
১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:১১
রাসেল বলেছেন: আমরা অনেক সময় নিজেদের স্বার্থ ও সুবিধা অনুযায়ী ধর্মকে ব্যবহার করি, অথচ নিজেদের অন্যায় ও অপকর্মের দায়ভার শেষ পর্যন্ত ধর্মের ওপরই চাপিয়ে দেই।