| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
এটা খুব সহজেই উপলব্ধি করা যায় আওয়ামী সরকারে আসল টার্গেট কে ? যুদ্ধঅপরাধের বিচার এবং জামাত শিবির নিষিদ্ধের নামে বিএনপি কে বেকায়দায় ফেলা আর জামাত-শিবির কে অযৌক্তিক ভাবে ঠেঙ্গিয়ে আওয়ামী বিরোধী মানুষের সহনুভূতী জামাতের দিকে সাময়িক ভাবে নিয়ে এসে জামাতকে BNP থেকে শক্তিশালী করাই সরকাররের লক্ষ্য । পরবর্তীতে বিএনপির সাথে জামাতের একটা ভাঙ্গন ধরিয়ে দিতে পারলেই কেল্লা-ফতে। আমি নিশ্চিত হয়েই বলতে পারি জামাত সত্যিকার অর্থে যে কোন বিষয় নিয়ে বিরোধ দেখিয়ে বিএনপি ছাড়লেই যুদ্ধ অপরাধের বিচার আর শাহবাগী-আন্দোলন সব অনিদৃস্ট কালের জন্য স্থগিদ হয়ে যাবে। আগামী নির্বাচনী বৈতিরনি পার করতেই তো সরকারের এত যাগ-যাজ্ঞ। এটা নিশ্চয়ই মনে আছে ১৯৯৬ সালে তৎকালীন ১৫ দলীয় জোট নেত্রী শেখ হাসিনা চট্রগ্রামের লালদীঘি ময়দানে তার দেওয়া সেই বিখ্যাত উক্তি “এরশাদ সরকারে অধিনে যারা নির্বাচনে যাবে তারা জাতীয় বেঈমান হিসাবে চিহ্নিত হবে” এ কথা বলার মাত্র ৩ দিন পরেই বিএনপিকে একা রাস্তায় ফেলে জামাত আওয়ামীলীগের সাথে মানিকজোড়ের মতো স্বৈরাচার এরশাদের কর্মকাণ্ড কে বৈধ করতে পাতানো নির্বাচনে অংশ নেয়। অবশ্য জামাত আওয়ামীলীগের এই মধুচন্দ্রিমা বেশী দিন টেকে নাই । বিএনপির এরশাদ-সরকার বিরোধী আন্দলনের মুখে তার ঠিক দুই বৎসর পর জামাত জাতীয়সংসদ থেকে পদত্যাগ করে রাজপথে বিএনপিকে সঙ্গ দিলে তখন আবার জামাত আওয়ামীলীগের চক্ষুশূলে পরিগনিত হয়। তখন আবার জামাতের বিরুদ্ধে আওয়ামীলীগ রাজাকার ,যুদ্ধ-অপরাধী বলে দেশের বিভিন্ন স্থানে তাণ্ডব শুরু করে। ঠিক এ ভাবেই ১৯৯১ সালে নির্বাচনের পর সরকার গঠনের সময় জামাত বিএনপি কে সমর্থন দিলে পুনরায় জামাত আওয়ামীলীগের বিরাগভাজন হয়, তখন জাহানারা ইমাম কে দিয়ে গণআদালত বানিয়ে জামাতের পিছনে লাগানো হয় । তখন জামাত আওয়ামীলীগের তাণ্ডব থেকে বাঁচার জন্য কৌশল হিসাবে আওয়ামীলীগের সঙ্গে বিএনপির সরকারের বিপক্ষে আন্দোলনে অংশ নিয়ে সে যাত্রায় রক্ষা পায় । তারপর জামাত ২০০১ সাল থেকে এখন পর্যন্ত এই দীর্ঘ সময় বিএনপির সাথে আছে বলেই আওয়ামীলীগ জামাতের উপর এত ঝাল ঝাড়ছে, এ যেন এক দ্রৌপদিকে নিয়ে পাণ্ডব দের লড়াই ।এক্ষেত্রে দ্রৌপদির (জমাত) আবার অর্জুনরে (বিএনপি) প্রতি একটু বেশী টান। ভিমের (আওয়ামীলীগ) তাই এত গোস্বা । তাই সহজেই অনুমেয় আওয়ামীলীগের জামাত বিরোধিতা উপলক্ষ মাত্র , আসল টার্গেট তো BNP .
©somewhere in net ltd.