| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
নিষ্পাপ হয়ে জীবন শুরু।
এইভাবে সাত বছর,
আট থেকে শুরু হয় আমলনামা।
চলে মৃত্যু অবধি।
খুব চঞ্চলতায় কৈশর জীবন
কত সপ্ন,অস্থির মন।
প্রচন্ড উৎসাহ,হঠাৎ করে রেগে যাওয়া,
অল্পতেই হয় মন খারাপ।
বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেওয়া,
সকাল বিকাল খেলা করা।
স্কুল পালিয়ে দুষ্ট বন্ধুদের সাথে ছবি দেখা
অথবা কোন মেয়ের জন্য দীর্ঘক্ষন অপেক্ষা।
বাবা মায়ের বারন না মানা,
মনের ইচ্ছায় ছুটে চলা।
এইভাবে কেটে যায় কৈশর জীবন,
শুরু হয় তরূনে পদার্পন।
কলেজের আঙ্গিনায় তারূন্যের উচ্ছলতা,
তরূনদের নিয়ে মূখরিত ক্যাম্পাস।
এই সময় অনেক সপ্ন দেয় উকি,
সপ্ন পূরণে অনেকে নেয় ঝুকি।
ঝুকি নিয়ে অনেকে হয় সফল,
অথবা কেউ কেউ হয় নিষ্ফল।
এইভাবে শেষ হয় তরূনজীবন,
শুরু হয় যৌবনে পদার্পন।
পড়ালেখা শেষে শুরু হয় চাকরীর চিন্তা,
আরো কতকি নতুন ভাবনা।
রাজনীতির মাঠে সক্রিয় কর্মী,
কেউবা বাম,কেউবা ডানপন্থী।
আয়ের উৎস হলেই ঘটে একাকিত্বের অবসান,
যুগলবন্দী হলে শোনা যায় বাবা হওয়ার আহবান।
এরপর স্ত্রী-সন্তান নিয়ে শুরু হয় ব্যস্ততা,
সাংসারিক চাপে মাঝে মাঝে বেড়ে যায় অসুস্থতা।
এইভাবে কেটে যায় যৌবন,
যৌবন থেকে হয়ে যায় প্রবীন।
ছেলে-মেয়ে বিয়ে দিয়ে হয় শ্বশুর আব্বা,
সন্তান ছাড়াও অন্যরা আদর করে ডাকে বাবা।
কিছুদিন পরে যায় ডাক শোনা,
দাদী-নানী অথবা দাদা বা নানা।
এইভাবে মূখরিত কেটে যায় কারো জীবন,
আবার অনেকের কাটে বিষন্ন জীবন।
কর্মজীবন থেকে নিলে অবসর,
হয়ে পড়েন পূত্র-কন্যার উপর নির্ভর।
শুরু হয় মৃত্য ভাবনা,
হয় অতীত নিয়ে অনুশোচনা।
প্রতিটি সেকেন্ড কাটে ঘন্টার মতো,
জীবণের প্রতি আসে বিরক্তি কতো।
একদিন হঠাৎ করে প্রাণ প্রদীপ নিভে যায়,
স্বজনরা তাকে জানায় বিদায়।
এইভাবে কেটে যায় জীবন,
প্রত্যেক আদম সন্তানের।
নুরুল আবছার(টিপু)
©somewhere in net ltd.
১|
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১:৪৩
মোঃ নজরুল ইসলাম বলেছেন: Oh! very nice that.
Publisher