| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
অন্ধকার ঘর বলতে গ্রীন হাউজের কথা বলছিনা।অথবা আলোবিহীন কোন ঘরের কথা বলছিনা।তবে কৃত্রিমভাবে অন্ধকার করে রাখা কিছু "চাইনিজ রেষ্টুরেন্ট"এর কথা বলছি।যেখানে দিবা-নিশি অন্ধকার করে রাখা হয়।তবে এই অন্ধকার করে রাখার কারণটি প্রথমে জানতে পারিনি।মনে করতাম কোন অভিজাত রেষ্টুরেন্ট বুঝি।কিন্তু পরে দেখতে পেলাম ছেলে-মেয়ে,ছাত্র-ছাত্রীরা হরদম সকাল-বিকাল-রাত্রি "অন্ধকার ঘরে"যাতায়াত করছে।আবার অনেকের থেকে শুনতে পেলাম,ছাত্র-ছাত্রীরা অথবা ছেলে-মেয়েরা সকালে প্রবেশ করলে বিকেলে বের হয়,অথবা ক্লাশ সময় পার করে।সেখানে নাস্তার দাম স্বাভাবিক রেষ্টুরেন্ট থেকে বহুগুন বেশী,তারপরে ও কেন ছেলে-মেয়েরা "অন্ধকার ঘরে" ভিড় করে তার মাহাত্য বুঝতে পারিনি।জেলা শহর,বিভাগীয় শহর,বিশেষ করে ঢাকা শহরের অলিতে গলিতে চাইনিজ রেষ্টুরেন্ট ওরফে "অন্ধকার ঘর" গড়ে উঠেছে।এছাড়াও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এর পাশাপাশি "অন্ধকার ঘরগুলি" গড়ে উঠেছে।যার ফলে ছেলে-মেয়েরা অবাধে মেলামেশা করার জন্য সমাজ বা রাষ্ট্রকর্তৃক একধরনের অনুমোদন পেয়েছে বলে মনে হচ্ছে।এটা এখন ওপেন সেক্রেট হয়ে গেছে।এই কথা সঠিক যে,অন্ধকার ঘর থেকে কোন মেয়ে তার স্বতিত্ব নিয়ে বের হয় না,এবং কোন ছেলে সৎ থাকতে পারেনা।আমাদের দেশের পর্যটন ও শহরগুলিতে কিছু কিছু হোটেলে দেহব্যবসা ও যৌনাচার চলে।কিন্তু চাইনিজ রেষ্টুরেন্ট ওরফে "অন্ধকার ঘরে" ভবিষ্যৎ প্রজন্মদের অনৈতিক কাজ করার পথ সহজ করে দিচ্ছে।এটা হোটেলের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে।বাবা-মা কত কষ্ট করে ছেলে-মেয়েদের পড়ালেখা করার জন্য ভাল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি করান।শহর কেন্দ্রীক পড়ালেখা করানোর চেষ্টা করেন।অথচ তারা শিক্ষার পরিবর্তে অনৈতিক কর্মকান্ডে লিপ্ত হচ্ছে,সেখানে অবৈধ কাজ করার সকল আয়োজন রয়েছে।আর অন্ধকার থাকাতে যে যার মতো উপভোগ করতে পারে।"অন্ধকার ঘর" এইভাবে পুরো জাতিকে অন্ধকার করে দিবে।সম্প্রতি ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া নাকি যৌন হয়রানীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে।শুধু এইসকল দেশেই নয় পুরো পাশ্চাত্যে এখন কুমারী মেয়ে খুজে পাওয়া যায়না।সেখানে শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধা পর্যন্ত ধর্ষনের স্বীকার হয়।আর উভয়ের সম্মতিক্রমে যে যৌনাচার হয় তার কোন হিসাবই নেই।আমাদের কিশোর ও যুব সমাজ এখন পাশ্চাত্যের অন্ধ অনুসরনে অবাধ যৌনাচারে লিপ্ত হচ্ছে।আর "অন্ধকার ঘর"এ অনৈতিক কাজে বিশেষ ভূমিকা রাখছে।যা আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য হুমকিসরূপ।যারা ভবিষ্যতের কান্ডারী হবে,তারা যদি নৈতিকভাবে দূর্বল হয়ে পড়ে,অথবা অংকুরেই বিনষ্ট হয়ে যায় তাহলে তা জাতির জন্য অভিশাপ হবে।কবি বলেছেন,"ঘুমিয়ে আছে শিশুর পিতা,সব শিশুরই অন্তরে"।যারা জাতির নের্তৃত্ব দেবে তারা যদি নৈতিকভাবে অসুস্থ হয়,তাহলে তারা জাতিকেও অসুস্থ করে ফেলবে।যারা এইসব রেষ্টুরেন্টের মালিক বা ব্যবসা করে,আমি তাদেরকে বলবো:নিজের ছেলে বা মেয়ে,অথবা স্ত্রীকে এইরকম অনৈতিক কাজ করলে মেনে নেবেন কিনা?আমাদের আইন শৃংঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সামনে এই কাজগুলো প্রতিনিয়ত চলছে কিন্তু এইসকল "অন্ধকার ঘরে" আলো ফিরে আসছেনা।কোন ধর্মে অবাধ যেীনাচার সমর্থন করেনা।সেকুলার হলে ভিন্ন কথা।সরকার শুধু রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল করার চেষ্টা করছে।কিন্তু দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ও যুব সমাজ নিয়ে তেমন কোন কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না,যার ফলে দেশে যুব সমাজের মধ্যে অনৈতিক কর্মকান্ড বেড়ে যাচ্ছে।ইংরেজিীতে একটি কথা আছে,"A good citizen become a good nation.অর্থাৎ একজন সুনাগরিক একটি ভাল জাতি উপহার দিতে পারে।"মদ পান করানোর পর যদি নেশাগ্রস্ত ব্যাক্তি থেকে ভাল কিছু আশা করা যেমন অবান্তর,তেমনি অনৈতিক কাজের সুযোগ করে দিয়ে নৈতিকতাসম্পন্ন জাতি গড়া ও অসম্ভব"।যে জাতির নৈতিকতার বিপর্যয় ঘটে,সে জাতি খুব সহজেই তার অস্তিত্ব হারিয়ে ফেলে।তাই বলা হয়ে থাকে-Health is lost something lost, Wealth is lost nothing is lost but character is lost everything is lost. অর্থাত স্বাস্থ্য হারালে তা সামান্য কিছুই হারালো,সম্পদ হারালে তা ফিরে পাওয়া সম্ভব কিন্তু চরিত্র হারালে কখনো ফিরে পাওয়া সম্ভব নয়।তাই মিডিয়া,সুশীল সমাজ,শিক্ষক,অভিভাবক,প্রশাসন,সংগঠন ও সরকার সকলকেই চাইনিজ রেষ্টুরেন্ট ওরফে "অন্ধকার ঘর" বন্ধ করার ব্যবস্থা নিতে হবে।নতুবা ভবিষ্যৎ প্রজন্ম অন্ধকারে লীন হয়ে যাবে।
মোহাম্মদ নুরূল আবছার (টিপু)
২|
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৫১
আফিফা মারজানা বলেছেন: একমত
৩|
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১০:৫৬
গোবর গণেশ বলেছেন: “এক্সকিউজ মি, বাতি জ্বালিয়ে দেন” উত্তরে রেষ্টুরেন্টের ওয়েটার বললেন ‘স্যার আমাদের এটাই স্বাভাবিক লাইট’- কিন্তু কেন? স্বাভাবিক বাতিতে আলোকিত হলে কি অতিথি কমে যাবে? অন্ধকারে বসে অসৎ উদ্দেশ্য চরিতার্থ করাই মূখ্য উদ্দেশ্য, খাওয়া নয়।
আইন প্রয়োগ করে স্বাভাবিক নিয়মে আলোকিত করায় বাধ্য করা উচিত এদের।
©somewhere in net ltd.
১|
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৪২
মনসুর-উল-হাকিম বলেছেন: +++
বিশ্ব জুড়ে যৌন নির্যাতন এবং ধর্ষনের এই ঘটনা প্রবাহ প্রমান করে যে, কুশিক্ষা (সুশিক্ষার অভাব), অশ্লীলতার চর্চা (পর্দাহীনতা), অনৈতিক লোভ (সুদ/ ঘুষ/চুরি) আর ধর্মনিরোপেক্ষ গণতন্ত্র (নৈতিকতাহীন মূর্খের আধিক্ষ্য) মানুষকে পশুরও অধম এক অসভ্য প্রাণী বানিয়ে দেয়। সভ্য-সুন্দর মানব সভ্যতার বিনির্মানে এক আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস, সুশিক্ষা, সৎ নৈতিকতা, সামাজিক মূল্যবোধের চর্চা বিষয়গুলি অপরিহার্য। সততার সাথে ইসলাম পালন ও চর্চা মানুষকে এই অসভ্য-অনাচার থেকে মুক্তি দিতে পারে বলে আমার বিশ্বাস।