| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
১৯৭১ সালে লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে আজ আমরা বাংলাদেশ নামক একটি মানচিত্র পেয়েছি,বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশ নামক একটি রাষ্ট্রের স্থান হয়েছে।১৯৭১ সালে ২ই মার্চ যুদ্ধচলাকালীন সময় ডাকসুর পক্ষ থেকে ততকালীন জিএস আসম আব্দুর রব প্রথম পতাকা উত্তোলন করেন।১৯৭১ সালে ১৭ই এপ্রিল অস্থায়ী মজিবনগর সরকার গঠন করা হয়,এরপর স্বাধীন বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধু শেখমজিবের নেতৃত্বে আওয়ামীলীগ সরকার গঠন করা হয়।এরপর থেকে বর্তমান পর্যন্ত স্বাধীনতার ৪২ বছর ধরে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকেই জাতীয় পতাকা উত্তোলন,জাতীয় শোকদিবস,জাতীয়ভাবে বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করা হয়।তবে গণপজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের দায়ীত্বে এই পর্যন্ত বাংলাদেশের বড় রাজনৈতিক দল,আওয়ামীলীগ,বিএনপি,বাংলাদেশ জামাআত ইসলামী(জোটবদ্ধভাবে) ও জাতীয় পার্টি ছিল।আমরা সরকারী কর্মসূচীকে সরকারীভাবেই পালন করতে দেখেছি।কিন্তু সরকারী কর্মসূচীকে কোন সংঘ বা কোন পক্ষকর্তৃক ঘোষনা করে তা আবার বাস্তবায়ন করতে আমরা বাংলাদেশ সরকারের ইতিহাসে কখনো শুনিনি এবং দেথিনি।কিন্তু দূর্ভাগ্য হলেও সত্য যে,এই প্রথম বাংলাদেশ সরকারের দায়িত্বে থাকা আওয়ামীলীগ সরকারকে আরেকটি সরকার নিয়ন্ত্রণ করছে,এবং তারা দাবী করছে যে বাংলাদেশের বর্তমান সরকার চেয়েও কথিত নতুন শাহবাগ সরকার বেশী শক্তিশালী।মনে হচ্ছে যেন দেশের ভেতরে আরেকটি দেশের উত্থান।এই শাহবাগ সরকারের রাজনৈতিক দল হলো তথাকথিত তরূন প্রজন্ম যার প্রধান হলো ডা: ঈমরান এইচ সরকার,যার দাদা রাজাকার হওয়ার কারণে বিএসএফের সহযোগীতায় বাঙ্গালীরা তাকে হত্যা করে।তাদের আয়তন হলো শাহবাগ চত্বর।আর বাংলাদেশ আওয়ামী সরকারের প্রধান হলেন শেখ হাসিনা যার আয়তন শাহবাগ ছাড়া সারা বাংলাদেশ,তবে ডা: ইমরান এইচ সরকার যদি চায় বাংলাদেশের যে কোন আঙ্গিনায় তাদের কর্মসূচী ঘোষনা করতে পারেন।তবে বাংলাদেশ সরকার নির্বাচিত আর শাহবাগ সরকার হলো সরকারের মনোনীত।তিনি যে কর্মসূচী দেবেন বাংলাদেশ সরকার তা পালন করতে বাধ্য থাকিবেন।যেমন:শাহবাগ সরকারের প্রধানের নির্দেশে সারাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন,ধর্মীয় উপসনালয়ে প্রার্থনা ইত্যাদি।এখন জাতির কাছে প্রশ্ন জেগেছে শাহবাগ সরকার সার্বভৌম নাকি বাংলাদেশ সরকার সার্বভৌম?তারো আছে নিরাপত্তা বাহিনী যারা সার্বক্ষণিক শাহবাগ সরকারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে।তবে তার শক্তি নাকি আরো বেশী,তাকে পেছন থেকে শক্তি যো্গাম্ছে বাংলাদেশের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত।ভারতীয় পত্রিকা The Times of India তে শিরোনাম করেছে-”Protesters at Shabag in Bangladesh banked by India”.আবার আমাদের দেশের কিছু অতি উতসাহী মিডিয়া শাহবাগ সরকার নিয়ে বেশী প্রচারণা চালাচ্ছে।এটা বাংলাদেশ সরকারের সার্বভৌমত্বের জন্য একটা থ্রেট বা হুমকী।দেশের বিশিষ্ট গুণীজন ও রাজনীতিবিদগণ শাহবাগ সরকারের উত্থান নিয়ে শংঙ্কা প্রকাশ করেছেন।বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী ডা:ঈমরান এইচ সরকারের পতাকা উত্তোলনের কর্মসূচী ঘোষনার বিরধীতা করেছেন,সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক এবং এটা শুধু রাষ্ট্রপতির পদাধিকার।তাই আমরা চাইবো বাংলাদেশ সরকারের সার্বভৌমত্বে আঘাত লাগে এমন কোন অপশক্তিকে সরকার শক্ত হাতে মোকাবেলা করবে।এই অপশক্তি যে নামেই আবির্ভূত হোকনা কেন।
লেখক
মোহাম্মদ নুরূল আবছার(টিপু)
২|
০৪ ঠা মার্চ, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:০৫
নায়করাজ বলেছেন: রাজাকারদের বাচানোর জন্য মানুষের চেষ্টা দেখে ভালোই লাগে।
৩|
০৪ ঠা মার্চ, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:১০
অচেনা আগন্তুক বলেছেন: তরূন প্রজন্ম যার প্রধান হলো ডা: ঈমরান এইচ সরকার,যার দাদা রাজাকার হওয়ার কারণে বিএসএফের সহযোগীতায় বাঙ্গালীরা তাকে হত্যা করে।তাদের আয়তন হলো শাহবাগ চত্বর।আর বাংলাদেশ আওয়ামী সরকারের প্রধান হলেন শেখ হাসিনা যার আয়তন শাহবাগ ছাড়া সারা বাংলাদেশ,তবে ডা: ইমরান এইচ সরকার যদি চায় বাংলাদেশের যে কোন আঙ্গিনায় তাদের কর্মসূচী ঘোষনা করতে পারেন।তবে বাংলাদেশ সরকার নির্বাচিত আর শাহবাগ সরকার হলো সরকারের মনোনীত।তিনি যে কর্মসূচী দেবেন বাংলাদেশ সরকার তা পালন করতে বাধ্য থাকিবেন।যেমন:শাহবাগ সরকারের প্রধানের নির্দেশে সারাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন,ধর্মীয় উপসনালয়ে প্রার্থনা ইত্যাদি।এখন জাতির কাছে প্রশ্ন জেগেছে শাহবাগ সরকার সার্বভৌম নাকি বাংলাদেশ সরকার সার্বভৌম?
সত্য কথা তিতা!!!!
কেনু বলেন
???
কথায় আছে বিড়ালে লেজ নাড়ে- না লেজে বিড়াল নাড়ে!!!
শাহবাগী দের দেখে মনে হয় লেহেই বিড়াল নাড়েছে
৪|
০৪ ঠা মার্চ, ২০১৩ রাত ৯:৫৮
হাবিব০৪২০০২ বলেছেন: আমার ব্যক্তিগতভাবে মনে হয় ডা.ইমরানের উচিত "আমার দেশ" পত্রিকার বিরুদ্ধে মানহানি মামলা করা এবং আদালতে প্রমাণ করা টকশোতে দেয়া উনার দাবিই সত্য, উনার দাদা মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন. সেই সাথে হলুদ সাংবাদিকতার দায়ে মহামান্য আদালত "আমার দেশ" পত্রিকার বিরুদ্ধে যথোপযুক্ত ব্যাবস্হা নিবেন
©somewhere in net ltd.
১|
০৪ ঠা মার্চ, ২০১৩ বিকাল ৫:৪৯
প্যারাসিটামল বলেছেন: Dr. Imran Hasan sarkar was a leader of chatroleague, later he was a leader of shachip of rangpur medical college, Now he is a leader of Shahbag