| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
নানাভাই
মানবিক দায় ও বোধহীন শিক্ষা মানুষকে প্রশিক্ষিত কুকুরে পরিণত করে....আইস্ট্যাইন। https://www.facebook.com/nana.bhai.5209
নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের কিশোরী বয়সেই প্রেমে পড়েছিলেন প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁর নাতনি গুলতেকিন। প্রেমের কয়েক বছর পর ১৯৭৩ সালে তাদের বিয়ে হয়। ২০০৩ সালে তাদের বিয়েবিচ্ছেদ হয়। হুমায়ূনের সাহিত্যিক হিসেবে জনপ্রিয় হওয়ার পেছনে গুলতেকিনের অবদান অনেক—যা হুমায়ূন নিজেও বিভিন্ন সময় স্বীকার করেছেন। সব কীর্তিমান পুরুষের পেছনে যেমন থাকে কোনো নারীর অনুপ্রেরণা, তেমনি হুমায়ূনের পেছনেও ছিল গুলতেকিনের প্রেরণা। বিয়ে-বিচ্ছেদের পর ছেলে-মেয়েদের নিয়ে
অন্তরালে চলে যান গুলতেকিন। একপর্যায়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান। সেখানেই এখন আছেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের বেলভ্যু হাসপাতালে চিকিত্সাধীন অবস্থায় গত বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় বেলা ১টা ২০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় রাত ১১টা ২০ মিনিট) মারা যান সমসাময়িক বাংলাসাহিত্যের জনপ্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমেদ। এ সময় তার শয্যাপাশে ছিলেন বর্তমান স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন, ভাই ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবাল, শাশুড়ি তহুরা আলী ও অন্য ঘনিষ্ঠজন। যুক্তরাষ্ট্রের হাসপাতালে হুমায়ূনের মৃত্যু হলেও গুলতেকিন তাকে শেষবারের মতো দেখতে সেখানে যাননি। তিনি হুমায়ূনের মৃত্যুসংবাদ পেয়েছেন কি না—সে খবরও হুমায়ূন আহমেদের পরিবারের কেউ জানেন না। হুমায়ূন আহমেদের ছোট ভাই কার্টুনিস্ট আহসান হাবীব গতকাল সাংবাদিকদের গুলতেকিনের অবস্থান সম্পর্কে জানান, ‘তিনি যুক্তরাষ্ট্রে আছেন। সেখানকার কোন রাজ্যে বা কোথায় আছেন, তা জানি না।’
হুমায়ূন আহমেদের নন্দিত লেখক হয়ে ওঠার পেছনে অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছেন তার প্রথম স্ত্রী গুলতেকিন। তার প্রথম দিকের প্রকাশিত বইগুলোর উত্সর্গ করেছিলেন গুলতেকিনকে। তিনি গুলতেকিন সম্পর্কে বলেছিলেন, ‘জীবনের শ্রেষ্ঠ নারী গুলতেকিন।’ হুমায়ূনের আত্মজীবনী ‘আপনারে আমি খুঁজিয়া বেড়াই’ বইটিতেও তার লেখক হয়ে ওঠার পেছনে গুলতেকিনের অবদানের কথা উল্লেখ করেছেন। হুমায়ূনের প্রথম উপন্যাস ‘নন্দিত নরকে’ প্রকাশিত হয় ১৯৭২ সালে। এর তিন বছর পর তিনি বিয়ে করেন গুলতেকিনকে। তাদের ছিল তিন মেয়ে ও দুই ছেলে। তিন মেয়ের নাম বিপাশা আহমেদ, নোভা আহমেদ, শীলা আহমেদ এবং ছেলের নাম নুহাশ আহমেদ। অন্য আরেকটি ছেলে অকালে মারা যায়। ২৯ বছর ঘর করেছেন সাবেক এবং প্রথম স্ত্রী গুলতেকিনের সঙ্গে। জীবনের দীর্ঘ সময় আনন্দ-বেদনার সাথি ছিলেন তারা দু’জন। প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছিন্ন হওয়ার সঙ্গে ছেলেমেয়েরাও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন বাবার কাছ থেকে। শাওনকে বিয়ে করার পর একপর্যায়ে পুরো পরিবার, বিশেষ করে ভাইবোন থেকেও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিলেন হুমায়ূন। তবে হুমায়ূন আহমেদের ক্যান্সার ধরা পড়ার পরে তার ধানমন্ডির দখিন হাওয়া অ্যাপার্টমেন্টের বাসায় স্বামী ও সন্তানসহ মেয়েরা বাবাকে দেখতে এসেছিল।
২০০৪ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ‘দৈনিক আজকের কাগজ’ (অধুনালুপ্ত) পত্রিকায় প্রকাশিত হয় হুময়ায়ূন আহমেদের সঙ্গে শাওনের প্রেমের সম্পর্কের কথা। জানাজানি হয় পাঠকসমাজে। হুমায়ূন আহমেদ ও গুলতেকিনের বিচ্ছেদের পর ২০০৫ সালে বিয়ে করেন শাওনকে। ১৯৯০ সালের মধ্যভাগ থেকে মেয়ে শীলার বান্ধবী এবং তার বেশ কিছু নাটক-চলচ্চিত্রে অভিনয় করা অভিনেত্রী শাওনের সঙ্গে হুমায়ূন আহমেদের ঘনিষ্ঠতা জন্মে। শাওন ও হুমায়ূন আহমেদের ঘরে তিন ছেলেমেয়ে জন্মগ্রহণ করে। প্রথম ভূমিষ্ঠ মেয়েটি মারা যায়। ছেলেদের নাম নিশাত হুমায়ূন ও নিনিত হুমায়ূন। বিয়ের পর হুমায়ূন আহমেদ তার সেন্টমার্টিনের বাড়ি ‘সমুদ্র বিলাস’ লিখে দেন শাওনের নামে। গুলতেকিনের নামে লিখে দিয়েছিলেন ধানমন্ডির পাঁচতলা একটি বাড়ি।
সুত্রঃ আমার দেশ
২|
২১ শে জুলাই, ২০১২ ভোর ৪:০১
অমিয় উজ্জ্বল বলেছেন: Faltu pachal
৩|
২১ শে জুলাই, ২০১২ ভোর ৪:৩৫
নিয়েল ( হিমু ) বলেছেন: কঠিন পেচাল । হিটের ধান্দা । যত্তসব
৪|
২১ শে জুলাই, ২০১২ ভোর ৪:৪৮
িমরর বলেছেন: রোযা ধরছি বিধায় কিছু কইলাম না
৫|
২১ শে জুলাই, ২০১২ ভোর ৬:২০
একলা বগ বলেছেন: আজিব, এত সুন্দর একটা লেখারে ফালতু প্যাচাল বলার কি আছে? লেখক তো সত্য কথাই লিখছেন।
৬|
২১ শে জুলাই, ২০১২ সকাল ৮:২২
সহজ সরল রমণী বলেছেন: মহান আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামীন হুমায়ুন আহমেদকে বেহেশত নসীব করুন।
৭|
২১ শে জুলাই, ২০১২ সকাল ৮:২৯
রাহী আবদুল্লাহ বলেছেন: অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে তাঁর জন্য সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করছি- তিনি যেন আমাদের প্রিয় এই মানুষটিকে জান্নাতবাসী করেন।
৮|
২১ শে জুলাই, ২০১২ সকাল ৮:৪৫
সুচিন্তিত মতবাদ বলেছেন: ভাবতেই কষ্ট লাগছে হিমু-মিসির আলীর জনক আমাদের মাঝে নেই! তাঁর জান্নাত কামনায় দোয়া রইল।
৯|
২১ শে জুলাই, ২০১২ সকাল ৮:৫৮
কাউছারপুর বলেছেন: কিন্তু জীবদ্দশায় নিজের নাস্তিকতার ঘোষনা করে গেছে । তাই তাকে ইসলামী নীতি অনুসারে দাফন করা উচিত নয় । হুমায়ন আহমদের বক্তব্যটি দেখুন:
"মৃত্যুর মতন ভয়ঙ্কর বিষয় আর নেই।' প্রসঙ্গ পাল্টে মৃত্যুর পরের জীবন প্রসঙ্গ আনলে হুমায়ূন আহমেদ বলেন, 'মুত্যুর পরে অনন্ত জীবন রয়েছে_ অনেকের কাছেই এ কথা শুনি। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি না। হ্যাঁ, ধর্মীয় বিশ্বাসের ক্ষেত্রে তা রয়েছে। তবে আমি বিশ্বাস করি, মৃত্যুর পর আমি মাটির সাথে মিশে যাব। জানি না, আমার বক্তব্য ধর্মপ্রাণ হৃদয়ে আঘাত হানবে কি না। " আপনারা কি মনে করেন যে ,নাস্তিকরা অন্তত জানা উচিত যে তাদের জানাজা হবেনা ?
মুত্যুর পরে অনন্ত জীবন রয়েছে_ অনেকের কাছেই এ কথা শুনি। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি না। হ্যাঁ, ধর্মীয় বিশ্বাসের ক্ষেত্রে তা রয়েছে। তবে আমি বিশ্বাস করি, মৃত্যুর পর আমি মাটির সাথে মিশে যাব। জানি না, আমার বক্তব্য ধর্মপ্রাণ হৃদয়ে আঘাত হানবে কি না। ”
এক দেশে নানান বিশ্বাসের মানুষ থাকতে পারে। তবে তবে যে ব্যক্তি ইসলামের বিশ্বাস গ্রহণ করেনি এবং সে পথে চলেইনি, সে অন্য ধর্ম ও বিশ্বাসেরর লোক। অন্য ধর্ম ও বিশ্বাসের লোককে এনে ইসলামী জানাযা ও দাফন দেওয়া একদিকে ইসলামে জায়েজ নেই, অপর দিকে সেই ব্যক্তির বিশ্বাসকে তার মৃত্যতে অমর্যাদা করা হয়। এটা কোন পক্ষই মেনে নেয়া ঠিক নয়।
মুসলমানরা নাস্তিক হুমায়ুনের জানাজা বয়কট করুন। মুসলমানরা নাস্তিক হুমায়ুনের জানাজা বয়কট করুন। মুসলমানরা নাস্তিক হুমায়ুনের জানাজা বয়কট করুন। মুসলমানরা নাস্তিক হুমায়ুনের জানাজা বয়কট করুন।
১০|
২১ শে জুলাই, ২০১২ সকাল ১০:৫০
শামীম আরা সনি বলেছেন: আচ্ছা এখানে তো কোন খারাপ ভাষা আসেনি তাহলে ফালতু কেনো হলো?
১১|
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১২:১৫
"চিত্ত যেথা ভয় শূণ্য, উচ্চ সেথা শির" বলেছেন: ২১শে বইমেলায় গিয়েছিলাম অন্য প্রকাশ প্রকাশনীর সামনে গিয়ে থমকে দাড়েয়ে ছিলাম অনেকক্ষণ। চোখ বেয়ে জল পরছিল অবিরত। পা দুটা অবশ হয়ে আসছিল আর ভাবছিলাম জন্মেছি কেন।
©somewhere in net ltd.
১|
২১ শে জুলাই, ২০১২ রাত ৩:৪০
শামীম আরা সনি বলেছেন: হমম