নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সত্যের পথের সন্ধানী মানব ।

মো নাঈম ইসলাম

আমি একজন সাধারণ মানুষ । সাধারন ভাবে থাকতেই পছন্দ করি ।

মো নাঈম ইসলাম › বিস্তারিত পোস্টঃ

কেনই বা অভিমান করে নদীতে ঝাপ দিতে হবে ।

০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:৩৯

শুনে খুবই খারাপ লাগলো তাই লিখলাম গত দুই দিন আগের ঘটনা এখন খবরের কাগজ খুললেই চোখে পরে এরকম অনেক ঘটনা কিন্তু আজ কি এর কোন সমাধান আছে । গাজীপুরের কাপাসিয়া ডিগ্রি কলেজের দ্বিতীয়
বর্ষের ছাত্রী শারিরিক প্রতিবন্ধী মনিরা জাহান ফকির
মজনু শাহ্ সেতু থেকে শীতলক্ষ্যা নদীতে ঝাঁপ
দিয়ে আত্নহত্যার ২ দিন পর ৮ সেপ্টেম্বর
মঙ্গলবার সকালে রানীগঞ্জ ধাধার চর এলাকায়
ভেসে উঠেছে। কাপাসিয়া থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার
করে ময়না তদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ
তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে
পাঠিয়েছে।
জানা যায়, গত ৬ সেপ্টেম্বর রোববার সকালে
কলেজ ছাত্রী মনিরা জাহান কাপাসিয়া ডিগ্রি কলেজে
ক্লাস করার জন্য তার প্রেমিক শামীমের সাথে
মোটর সাইকেলে চড়ে আসে। প্রেমিক-
প্রেমিকার মধ্যে মান অভিমানের একপর্যায়ে
শীতলক্ষ্যা নদীর উপর ফকির মজনু শাহ্ সেতুর
উপর কলেজ ব্যাগ, পার্স, জুতা, হাত ঘড়ি, আইডি কার্ড,
প্রাইভেট পড়ার খাতা রেখে সে লাফ দিয়ে পানিতে
পড়ে তলিয়ে যায়। পরবর্তী সময়ে কলেজ
কর্তৃপক্ষ তার ব্যবহৃত জিনিসপত্র উদ্ধার করে তার
বাড়িতে খবর দেয়।
সে উপজেলার দূর্গাপুর ইউনিয়নের ডোয়াইপাখরী
গ্রামের সৌদি প্রবাসী মাঈন উদ্দিনের তৃতীয় কন্যা।
তার কলেজের সহপাঠিরা জানান, একই এলাকার তার
বোনের দেবর শামীমের সাথে প্রেমের
সম্পর্ক ছিল। ওই দিনই থানা পুলিশ কথিত প্রেমিক
শামীমকে কাপাসিয়া বাজার থেকে আটক করে। এরকম মর্মান্থি ঘটনা প্রায়ই ঘটে থাকে । কেন অভিমান করে আর্তহত্যার মত কাজ করতে যাব । কেন ? আমরা কি পারি না সবাই সব অভিমান এর অবসান ঘটাতে । আজব মানুষ ,আজব ঘটনা ঘটায় ।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.