| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আর্যভট্র ভারতের প্রাচীন গণিতবিদদের মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত ।![]()
৪৭৬ খ্রিষ্টাব্দে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। মৃত্যুবরণ করেন ৫৫০ খ্রিষ্টাব্দে। আর্যভট্রকে "শূণ্য" ০ আবিষ্কারের মর্যাদা দেওয়া হয়। ০ হল বিজ্ঞানের আবিষ্কারের মধ্যে অন্যতম আবিষ্কার । তার প্রকৃত জন্মস্থান জানা যায় না। তবে তাকে কাশ্মীরের লোক বলে মনে করা হয়। কিছু তথ্যমতে জানা যায় যে তিনি উচ্চশিক্ষার জন্য কুসুমপুরায় গিয়েছিলেন। সেখানেই তিনি বসবাস শুরু করেন। কুসুমপুরাকে বর্তমানে পাটনা হিসাবে অভিহিত করা হয়। বিহারের নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় তিনি উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন এবং সেখানে তিনি অধ্যপক হিসাবে নিযুক্ত হন। প্রাচীন ভারতীয় গণিতবিদ -এর মধ্যে তিনি এমন একজন ব্যাক্তি যার কিছু অবদানের কথা এখনো জানা যায়। তার বিখ্যাত রচনার মধ্যে আছে আযভট্রম ও আর্যভট্র-সিদ্ধান্ত । আর্যভট্রমের বেশকিছু গাণিতিক এবং জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক তত্ত্বকথা পদবাচ্যের আকার সন্নিবেশিত ছিল যা পরবর্তী কয়েক শতাব্দীব্যাপী প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম হয়েছিল। মাত্র ২৩ বছর বয়সে আর্যভট্র অনেকগুলো গ্রন্থ রচনা করেন। তার মধ্যে হল কালক্রিয়া, গোলপাদ, দশগীতিকা, গণিতপাদ ইত্যাদি। এসব বইয়ে আর্যভট্র জ্যামিতি গণিত , ত্রিকোণমিতি, পাটিগীণিত, বীজগণিত সমতল ত্রিকোণমিতি দ্বিঘাত সমীকরণ বিষয়ে অনেক তথ্যা সন্নিবেশ করেন। এছাড়া আর্যভট্ট্র পাই এর মান বের করেন। তিনি বৃত্তের পরিধির সঙ্গে এর ব্যাসের মান ৩.১৪১৬ হিসাবে চিহ্নিত করেন। তার পুস্তকগুলোর মূরকথা পরবর্তীতে তার শিষ্য প্রথম ভাস্কর এবং নীলকন্ঠ সম্যজী কর্তৃক পরিবর্ধিত ভাষ্য আকারে সংকলিত করেন। তখনকার সময়ে আর্যভট্ট ছিলেন একজন নামী মনীষি।
সংগ্রহ, তথ্যসূত্র পত্রিকা এবং ইন্টারনেট।![]()
![]()
©somewhere in net ltd.