নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সম্পাদক, শিল্প ও সাহিত্য বিষয়ক ত্রৈমাসিক \'মেঘফুল\'। প্রতিষ্ঠাতা স্বেচ্ছাসেবী মানবিক সংগঠন \'এক রঙ্গা এক ঘুড়ি\'।

নীলসাধু

আমি খুব সহজ এবং তার চেয়েও বেশী সাধারন একজন মানুষ । আইটি প্রফেশনাল হিসেবে কাজ করছি। টুকটাক ছাইপাশ কিছু লেখালেখির অভ্যাস আছে। মানুষকে ভালবাসি। বই সঙ্গে থাকলে আমার আর কিছু না হলেও হয়। ভালো লাগে ঘুরে বেড়াতে। ভালবাসি প্রকৃতি; অবারিত সবুজ প্রান্তর। বর্ষায় থৈ থৈ পানিতে দুকুল উপচেপরা নদী আমাকে টানে খুব। ব্যাক্তিগতভাবে বাউল, সাধক, সাধুদের প্রতি আমার দুর্বলতা আছে। তাই নামের শেষে সাধু। এই নামেই আমি লেখালেখি করি। আমার ব্লগে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। শুভকামনা রইলো। ভালো থাকুন সবসময়। শুভ ব্লগিং। ই-মেইলঃ [email protected]

নীলসাধু › বিস্তারিত পোস্টঃ

ভুভুজেলাটিং!! বৈশাখের ইভ টিজিং -

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৪ রাত ৯:৪১

রমনার বটমূলে বৈশাখের আয়োজনে যোগ দেয়ার শুরুটা ছিল খুব ছোটবেলা থেকেই। ১৯৮৬/৮৭ সনের দিকের কথা বলছি আমি। মনে আছে সে সময়ের বৈশাখের প্রথম দিনে রমনার বটমূলে শুধু যেখানে গান হতো সেখানে দু/আড়াইশো মানুষ হত। আর আশে পাশে কিছু মানুষ বেড়াতে বা ঘুরতে আসতো। এই ছিল পরিবেশ। অনেক সময় রমনার আয়োজন শেষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান দিয়ে টিএসসির গেট দিয়ে বের হবার সময়ে উদ্যানের ভেতরে এই নিয়ে হৈচৈ চোখে পড়েনি।

শিশু পার্কের গেটের সামনে ফকির আলমগীরের “ঋষিজ” গান পরিবেশনা শুরু করে তার বেশ ক’বছর পর থেকে। আমি যে সময়ের কথা বলছি সে সময় বৈশাখের প্রথম দিনটিতে শাহবাগ থেকে মৎস্য ভবনের এই রাস্তাটি খোলাই থাকতো। কারণ রাস্তা বন্ধ করে অনুষ্ঠান করার প্রয়োজনীয়তা বা লোক সমাগম তেমন হতোনা। শিক্ষিত সংস্কৃত-মনা মানুষজন এবং ঢাকার বিশেষ একটি শ্রেণীর মানুষ ছাড়া এই আয়োজনের কথা তেমন কেউই জানতো না। আমজনতার কোন অংশগ্রহণ ছিলনা ঢাকা কেন্দ্রিক এই আয়োজনে। আয়োজন ছিল খুবই সু শৃঙ্খল। দুপুরের মধ্যেই সকল কিছু সমাপ্ত হয়ে যেতো।

তখন মিডিয়া বলতে সংবাদপত্র এবং এক মাত্র টেলিভিশন চ্যানেল বিটিভি। এক ১লা বৈশাখে দেখি রমনার বর্ষ বরণ আয়োজন সরাসরি দেখাবে। সেই শুরু তখন ১ বা ২ ঘণ্টা লাইভ দেখাতো। এতে করে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মানুষজন জানতে পারলো ১লা বৈশাখে ঢাকায় একটি গান বাজনার আয়োজনের মধ্যে দিয়ে নতুন বাংলা বছরকে বরণ করে নেয়া হয়। পাশাপাশি পান্তা ইলিশ খাবারের শুরু তখন থেকেই।

গত ২৫/২৭ বছরের নাগরিক এই উৎসব সার্বজনীন রূপ নিয়েছে। শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট শ্রেণীর বাইরে এসে এই উৎসব এমন সার্বজনীন রূপ নিয়েছে যে এর জন্য এখন মানুষ একটা বছর অধীর হয়ে অপেক্ষা করে। যে ছায়ানটে গান গায় সে যেমন আনন্দ করে তেমনি যে কাওরান বাজারে মাছ বেঁচে সেও একইভাবে আনন্দে মেতে উঠতে চায়। যে মন মননে আধুনিক সে যেভাবে বৈশাখকে অবগাহন করতে চায় তেমনি পাড়ার তরি তরকারী বেঁচে যে তরুণ সেও হাতে মাথায় এটা সেটা লাগিয়ে বৈশাখের আনন্দে ভাসতে চায়।

ভিন্ন ভিন্ন সামাজিক পারিবারিক অবস্থানের অনেক মানুষ এক সাথে মিলিত হলে সেখানে নানা সমস্যা হয় যা স্বাভাবিক কারণ কাওরান বাজারে যে মাছ বিক্রয় করে বা ফুটপাথে যে তরকারী বিক্রয় করে এবং ছায়ানটে যে গান শিখে বা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠরত তরুণ তরুণি এদের সকলের মন মানসিকতা পারিবারিক শিক্ষা সর্বোপরি তাদের মানসিক গঠন একেক রকম। এদের আচার আচরনেও রয়েছে সু স্পষ্ট পার্থ্যক্য।

সার্বজনীন উৎসবে ঘটনা/দুর্ঘটনা সহ অনেক কিছুই হতে পারে। সে সব নিয়ে কথা বলে আফসোস করে আবালীয় সুশীলয় মন্তব্য করে সময় কাটানো যায় কিন্তু এতে এই উৎসবে কোন রকম ফের হবেনা। দীর্ঘ ২৫/২৭ ধরে নিয়মিত ১লা বৈশাখের দিনটিতে আমি রমনা, শাহবাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, অধুনা ধানমন্ডি লেক সহ আশে পাশের অনেক এলাকায় ঘুরে ফিরে যা দেখি তাতে এই উৎসব আনন্দময় দিনটি নিয়ে আমি শঙ্কিত।

সাম্প্রতিক সময়ে আনন্দঘন উৎসব মুখর এই দিনটিতে বিশেষ বিশেষ এলাকায় একদল নীচ, অসভ্য, হীন মানসিকতার তরুণদের দল দেখে আমি অবাক এবং বিস্মিত হই। সাম্প্রতিক সময়ে ভুভুজেলা নামক বিকট আওয়াজ উৎপাদনকারী খেলনা নিয়ে দলবেঁধে তারা ঘুরে শুধুমাত্র মহিলা/তরুণীদের আকৃষ্ট বিরক্ত করার কাজে। আর সুযোগ পেলে “সবাই পুরুষ” এই তত্ত্বে বিশ্বাস করে তারা আরও নীচ জঘন্য কাজ করতেও দ্বিধা করে না।

চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মতে মানুষের শ্রবণসীমার স্বাভাবিক মাত্রা ৪৫ ডেসিবেল। কিন্তু ভুভুজেলার শব্দ ৬০ ডেসিবলের বেশি হওয়ায় এটি মানুষের, বিশেষ করে শিশুদের শ্রবণশক্তির বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারে। এমনকি এতে শ্রবণশক্তি নষ্ট হওয়ারও আশঙ্কা থাকে। ভুভুজেলা উচ্চস্বরে বাজালে রক্তচাপ, কণ্ঠনালীর প্রদাহ, আলসার, মস্তিষ্কের রোগ, কাজ করার ক্ষমতা হ্রাস, বদমেজাজ বা খিটখিটে মেজাজ, ক্রোধ প্রবণতা স্নায়ুবিক দুর্বলতা, রক্তনালীর সংকোচন এবং হার্টের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

আমি মনে করি ১লা বৈশাখের সার্বজনীন রূপকে আরও সমৃদ্ধ করতে হলে এসব তরুণ/ বিকৃত মানসিকতার লোকজনদের সম্মিলিতভাবে প্রতিরোধ করা প্রয়োজন এবং তা এখনই!! আর তা করত বার্থ হলে এদের কারণেই আমাদের ঐতিহ্য হবে প্রশ্নবিদ্ধ - আমাদের নৈতিকতা হবে কলঙ্কিত।

আসুন আমরা সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ হই। মানবিক মানুষ হই। নিজের মধ্যে পশুটাকে বর্জন করে এগিয়ে যাই নতুন দিনের নতুন আলোয়। শুধু মুখে নয় কাজে প্রমাণ করি আমি একজন সুস্থ মানবিক মানুষ।

নতুন বাংলা বছরে সকল পাপ পংকিলতা থেকে আমরা দূরে থাকবো এই হোক ব্রত।

মন্তব্য ৩২ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (৩২) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৪ রাত ৯:৪৪

অন্ধবিন্দু বলেছেন:

শুধু মুখে নয় কাজে প্রমাণ করি আমি একজন সুস্থ মানবিক মানুষ।
এইড্যা কামের কতা কইছেন, নীলসাধু !

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৪ রাত ১০:২৫

নীলসাধু বলেছেন: ধন্যবাদ।
বাঙ্গালী বলতে বলতে মুখে ফেনা তুলে ফেলেও সেই একই ভঙ্গীতে যা করছিল তাই আবার করে
তাই জানালাম আর কি!! কিন্তু কাজের কাজ কতটুকু হবে কে জানে।

শুভেচ্ছা রইল।

২| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৪ রাত ৯:৫৬

রাজহংসী বলেছেন: মদীনার ইহুদীদের প্রতি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মহানুভবতা জানুন

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৪ রাত ১০:২৯

নীলসাধু বলেছেন: লিংক দেখি না আমি। সেটা যে লিংকই হোক ন কেন। ধন্যবাদ কষ্ট করে লিংক দেয়ার জন্য।

৩| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৪ রাত ১০:০০

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: সহমত নীল দা। সামগ্রিক ব্যাপারটা নিয়ে খুবই বিরক্ত।

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৪ রাত ১০:২৩

নীলসাধু বলেছেন: হুম। সেটাই। তা ছাড়া এর সাহায্যে তীব্র শব্দ উতপাদনের সঙ্গে তীব্র বিরক্তি উতপাদন করছে দলবেধে। এর আড়ালে হচ্ছে নানা অনৈতিক কর্মকান্ড যা কোণভাবেই কাম্য নয়!


শুভেচ্ছা নিরন্তর

৪| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৪ রাত ১০:২৫

মামুন রশিদ বলেছেন: একমত । সময়ের সাথে উৎসবের আমেজ আর ব্যাপকতায় পরিবর্তন আসতেই পারে । তাই বলে ফুটবল উন্মাদনার ভুভুজেলা কেন বাজবে দেশের প্রধানতম সাংস্কৃতিক উৎসবে ?

আজব আমাদের ভাবনা চিন্তা, আজব আমাদের ব্যবসা চিন্তা !!

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৪ রাত ১০:৩১

নীলসাধু বলেছেন: শুভেচ্ছা মামুন রশিদ ভাই। সত্য বলেছেন। ভুভুজেলা এক্সহাড়াই আমাদের বৈশাখ রনগিন। উজ্জ্বল। আলকিত। উচ্ছ্বল। প্রাণবন্ত। তবে কেন ওই যন্ত্রনা?
আর দলবেধে কেন তরুনী মহিলাদের বিরক্ত করা?
আমরা মানুষ হবো কবে?

৫| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৪ রাত ১০:৩২

শাহ আজিজ বলেছেন: একজন সুদরশন এক্সিকিউতিভ , হাতে দামী ব্যাগ, পোশাকে খুব স্মার্ট, হয়তো অফিস থেকে চারুকলায় এসেছে । হাজার মানুষ গান শুনছে । আমরা দাড়িয়ে গ্যালারীর দেয়াল ঘেঁষে । হটাত লোকটি ভিরের অজুহাতে আলোছায়ার সুযোগ নিয়ে দ্রুত আঙ্গুল দিয়ে ঐ মহিলার নিন্মাঙ্গে গুঁতো দিলো । কেউনা আমি দেখলাম এবং তার কলার ধরে টেনে আনলাম কাছে । এলাকা তো আমার । আমার স্ত্রী শঙ্কিত , লোকটি ইংরিজি মারাচ্ছে এবং তার মুখ দিয়ে ভুর ভুর করে মদের গন্ধ । তাঁকে বললাম এইমাত্র যা করলি তা তো মায়ের সাথে করবি । উলটো থাপ্পরে ঠাণ্ডা হয়ে ভাবল মাফ চাওয়াই ভালো । সে এবার সরি বলতে লাগলো । কি ঘটছে আশেপাশের লোকরা গানের আওয়াজে টের ই পাচ্ছেনা । ছেড়ে দিলে দ্রত দৌড় । আমরা এরপর আর সন্ধ্যার পর বেঙ্গল ছাড়া কোথাও যাইনা ।

লাঠির ব্যবহার কখন কখনো যৌক্তিক মনে হয় । মহিলার স্বামী কিছুই টের পাননি এবং থাপ্পড় দেখে অবাক হয়ে তাকিয়ে রইল ।

১৭ ই এপ্রিল, ২০১৪ সকাল ১১:০৫

নীলসাধু বলেছেন: শাহ আজিজ ভাই খুব ভাল করেছেন। এদের এভাবেই শিক্ষা দিতে হবে। এদের মন মননে যে অসুখের পোকা ঢুকেছে তাতে মাইর না দিলে বা শাস্তির ব্যাবস্থা না করলেে এর থেকে রেহাই পাবে না কেউই।

সুন্দর থাবেন।

৬| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৪ রাত ১০:৪১

আশরাফুল ইসলাম দূর্জয় বলেছেন:
বিকট শব্দ উৎপাদনকারী 'ভুভুজেলা' যে কোন উদযাপনকে বিরক্তিকর বানাতে যথেষ্ট। মিরপুর স্টেডিয়ামে ক্রিকেট খেলা দেখতে গিয়ে এই যন্ত্রনায় ভুগেছি কয়েকবার। গত পহেলা বৈশাখেও অসহ্য শব্দের কাছে অসহায় ভুগেছি। এবার বের হইনি। কিন্তু বিকেলে ঠিকই এই যন্ত্রনা দেখলাম। কয়েকটা তরুন যখন মানুষের ভিড়কে, স্পষ্ট করে বললে তরুণিদের সম্মুখে দেখে ফুৎকার দিয়ে যন্ত্রনা দেয়, তখন মনে হয় এসব বোধহীন মানুষকে ঘরবন্দি না করে উৎসব সার্বজনীন আনন্দের সম্ভব না।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৪ বিকাল ৪:৩৯

নীলসাধু বলেছেন: বিকট শব্দ উৎপাদনকারী 'ভুভুজেলা' যে কোন উদযাপনকে বিরক্তিকর বানাতে যথেষ্ট।
একমত।


শুভেচ্ছা সুপ্রিয় দুর্জয়

৭| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৪ রাত ১২:৩১

ভালোবাসার কাঙাল বলেছেন: সম্পূর্ণ সহমত আপনার সাথে। বাঙালি সংস্কৃতির আনাচে কানাচে এইসব ছোটখাট ভুলগুলো এখনই শুধরে না নিলে তা ডালপালা গজিয়ে বাঙালি সত্তাকেই পেঁচিয়ে ধরবে।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৪ বিকাল ৪:৩১

নীলসাধু বলেছেন: বাঙালি সংস্কৃতির আনাচে কানাচে এইসব ছোটখাট ভুলগুলো এখনই শুধরে না নিলে তা ডালপালা গজিয়ে বাঙালি সত্তাকেই পেঁচিয়ে ধরবে।

আমিও একমত।


ধন্যবাদ।

৮| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৪ রাত ১:১৮

আমিনুর রহমান বলেছেন:



বিরক্তিকর একটা জিনিস ...

পোষ্টে সহমত।


শুধু মুখে নয় কাজে প্রমাণ করি আমি একজন সুস্থ মানবিক মানুষ।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৪ বিকাল ৪:৩০

নীলসাধু বলেছেন: ধন্যবাদ সুপ্রিয় আমিনুর।

শুধু মুখে নয় কাজে প্রমাণ করি আমি একজন সুস্থ মানবিক মানুষ।

৯| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৪ ভোর ৫:২৪

বিদ্রোহী বাঙালি বলেছেন: আমাদের দেশের প্রতিটা প্রাণের উৎসবে ইদানীং ভিনদেশীয় সংস্কৃতির ছোবল লক্ষ করা যাচ্ছে। কেউ কেউ উৎসবগুলোকে থার্টি ফার্স্ট নাইট বানিয়ে ফেলেন। ভিনদেশীয় ছোবলের সাথে যোগ হয়েছে কর্পোরেটীয় এবং কমার্শিয়াল থাবা। ভুভুজেলা কীভাবে পাতার বাঁশি কিংবা বাঁশের বাঁশির জায়গায় জায়গায় দখল করে নিচ্ছে তার কিছুটা ইংগিত আলো ব্লগে হামিদ ভাইয়ের পোস্টে রব্বানী ভাই দিয়েছেন। এক শ্রেণীর প্ল্যাস্টিক ব্যবসায়ী বর্ষবরণ অনুষ্ঠানকে ঘিরে ভুভুজেলা মার্কেটে ছেড়ে দিয়েছে। আর কিছু নিচুমনা বখাটে সেটাকে ব্যবহার করছে ইভ টিজিং এর কাজে। আমরা মনে হয় আমরা অনেকেই এখনো মনে প্রাণে বাঙালী হয়ে উঠতে পারি নাই। তাই এমন হচ্ছে। ভবিষ্যতে কী দেখতে হবে, সেই চিন্তায়ই এখন অস্থির। বিষয়টা নিয়ে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য অনেক নীলদা।
আপনার স্মৃতিচারণও ভালো লাগলো। আর সব চেয়ে ভালো লাগলো আপনার নিচের কথাগুলো। আমিও সবাইকে এই কথাগুলোই বলতে চাই,
আসুন আমরা সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ হই। মানবিক মানুষ হই। নিজের মধ্যে পশুটাকে বর্জন করে এগিয়ে যাই নতুন দিনের নতুন আলোয়। শুধু মুখে নয় কাজে প্রমাণ করি আমি একজন সুস্থ মানবিক মানুষ।

১৭ ই এপ্রিল, ২০১৪ সকাল ১১:০৩

নীলসাধু বলেছেন: ধন্যবাদ সুপ্রিয়।

এক শ্রেণীর প্ল্যাস্টিক ব্যবসায়ী বর্ষবরণ অনুষ্ঠানকে ঘিরে ভুভুজেলা মার্কেটে ছেড়ে দিয়েছে। আর কিছু নিচুমনা বখাটে সেটাকে ব্যবহার করছে ইভ টিজিং এর কাজে। আমরা মনে হয় আমরা অনেকেই এখনো মনে প্রাণে বাঙালী হয়ে উঠতে পারি নাই। তাই এমন হচ্ছে। ভবিষ্যতে কী দেখতে হবে, সেই চিন্তায়ই এখন অস্থির।
সত্য। এটা প্লাষ্টিক ব্যাবসায়ীদের কাজ আর এতে উতসাহ পাচ্ছে বিকৃত মান্সিকতার তরুনের দল যাদের শিক্ষা নেই, নিতী নৈতিকতার বালাই নেই। আর আমরা অনেকেই এর শিকার। শিকার বাংলার ঐতিহ্য। শিকার বাংলাদেশের সংস্কৃতি।

তাই মানবিক মানুষ হবার জন্য আমাদের আহবান।

সুন্দর থাকবেন। শুভেচ্ছা নিরন্তর।

১০| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৪ সকাল ১১:০৬

মুদ্‌দাকির বলেছেন: তরুনদের এই বিকৃতি এক ধরনের মানষিক অসুস্থতা যার শারিরিক ভিত্তি আছে, চিকিৎসা প্রয়োজন !!!

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৪ বিকাল ৪:২৯

নীলসাধু বলেছেন: ধন্যবাদ। আমাদের সবাইকে এদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী এবং তাদের এ হেন আচরনের নিন্দা প্রতিরোধ করা দরকার।

১১| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৪ সকাল ১১:৪০

হেডস্যার বলেছেন:
১০১ ভাগ একমত।

মানুষ দিন দিন অসুস্থ্য হয়ে যাচ্ছে....

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৪ দুপুর ২:৪২

নীলসাধু বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

আসুন আমরা সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ হই। মানবিক মানুষ হই। নিজের মধ্যে পশুটাকে বর্জন করে এগিয়ে যাই নতুন দিনের নতুন আলোয়। শুধু মুখে নয় কাজে প্রমাণ করি আমি একজন সুস্থ মানবিক মানুষ।

নতুন বাংলা বছরে সকল পাপ পংকিলতা থেকে আমরা দূরে থাকবো এই হোক ব্রত।


সুন্দর থাকুন।

১২| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৪ রাত ১০:৪০

শুঁটকি মাছ বলেছেন: এরকম একটা সার্বজনীন অনুষ্ঠানে কোনো সুস্থ্য মানুষ এধরনের কাজ করে কিভাবে?

১৭ ই এপ্রিল, ২০১৪ সকাল ১০:৫৭

নীলসাধু বলেছেন: ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
আমি মনে করি তারা অসুস্থ। তাদের চিকিতসা দরকার।

১৩| ১৯ শে এপ্রিল, ২০১৪ রাত ১:৫১

প্রোফেসর শঙ্কু বলেছেন: সহমত পোষ্টের সাথে। আসলে আমাদের মান ভুমিমুখো হচ্ছে দিনদিন।

১৪ ই এপ্রিল, ২০১৫ রাত ১১:০৮

নীলসাধু বলেছেন: সুন্দর বলেছেন। একমত আমিও।

১৪| ৩০ শে এপ্রিল, ২০১৪ রাত ৩:৫৩

স্নিগ্ধ শোভন বলেছেন:




শুধু মুখে নয় কাজে প্রমাণ করি আমি একজন সুস্থ মানবিক মানুষ।

১৪ ই এপ্রিল, ২০১৫ রাত ১১:০৯

নীলসাধু বলেছেন: ভালোবাসা রইলো।

১৫| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৫ রাত ৯:৩৮

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
খুব ক্ষুব্ধ হয়েছি। অবশ্য, মনে মনে। কাজে প্রকাশ করতে পারলে বা এরকম সুযোগ পেলে কিছুটা ক্ষোভ কমতো। ক্ষোভটা এজন্য যে, যারা এসব করেছে, তারা প্রভাবশালী এবং ধরাছোঁয়ার বাইরে... এজন্য যে, শুধুই সহ্য করার দলে পড়ে আছি :(


তরুণদের এই অবক্ষয় দেখে নিজেকে তরুণ ভাবতে লজ্জা হয়। খুব শিঘ্রই তরুণত্ব থেকে ইস্তফা দিতে হবে ভেবে স্বস্তি পাই।


শুভেচ্ছা জানবেন, কবি!

১৬| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৫ রাত ৯:৪৮

আমার বাংলাদেশ স্বাধীন বলেছেন: আসুন আমরা সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ হই। মানবিক মানুষ হই।



খুবই যুক্তিনির্ভর পোস্ট।

১৭| ১৭ ই এপ্রিল, ২০১৫ রাত ৩:১১

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: একমত। অনেক কিছুই বলার ছিল, কিন্তু বলতে পারলাম না :(

শাহ আজিজ ভাইয়ের বীরত্ব মুগ্ধ হলাম। লাঠির ব্যবহার কখন কখনো যৌক্তিক মনে হয়। সম্পূর্ণ একমত।

১৮| ১৭ ই এপ্রিল, ২০১৫ সকাল ৮:৪৪

তুহিন সরকার বলেছেন: এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানাচ্ছি, অনতিবিল্মবে দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি দাবী করছি।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.