নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সম্পাদক, শিল্প ও সাহিত্য বিষয়ক ত্রৈমাসিক \'মেঘফুল\'। প্রতিষ্ঠাতা স্বেচ্ছাসেবী মানবিক সংগঠন \'এক রঙ্গা এক ঘুড়ি\'।

নীলসাধু

আমি খুব সহজ এবং তার চেয়েও বেশী সাধারন একজন মানুষ । আইটি প্রফেশনাল হিসেবে কাজ করছি। টুকটাক ছাইপাশ কিছু লেখালেখির অভ্যাস আছে। মানুষকে ভালবাসি। বই সঙ্গে থাকলে আমার আর কিছু না হলেও হয়। ভালো লাগে ঘুরে বেড়াতে। ভালবাসি প্রকৃতি; অবারিত সবুজ প্রান্তর। বর্ষায় থৈ থৈ পানিতে দুকুল উপচেপরা নদী আমাকে টানে খুব। ব্যাক্তিগতভাবে বাউল, সাধক, সাধুদের প্রতি আমার দুর্বলতা আছে। তাই নামের শেষে সাধু। এই নামেই আমি লেখালেখি করি। আমার ব্লগে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। শুভকামনা রইলো। ভালো থাকুন সবসময়। শুভ ব্লগিং। ই-মেইলঃ [email protected]

নীলসাধু › বিস্তারিত পোস্টঃ

নগরের গ্রীষ্ম ফুল!

২৪ শে এপ্রিল, ২০১৫ বিকাল ৪:২৪


আবার ফুটেছে দ্যাখো কৃষ্ণচূড়া থরে থরে শহরের পথে
কেমন নিবিড় হয়ে। কখনো মিছিলে কখনো-বা
একা হেঁটে যেতে যেতে মনে হয়—ফুল নয়, ওরা
শহীদের ঝলকিত রক্তের বুদ্বুদ, স্মৃতিগন্ধে ভরপুর।
একুশের কৃষ্ণচূড়া আমাদের চেতনার রঙ।


’৫২-এর একুশে ফেব্রুয়ারির চেতনায় রচিত কবি শামসুর রাহমানের এই কবিতাটি অনেকেরই প্রিয়। বৈশাখের এই সময়টায় নানা সমস্যায় নাকাল নগরবাসীকে এক অনিন্দ্য আনন্দময় অনুভবে ভরিয়ে রাখে কিছু অপরূপ সুন্দর মন মুগ্ধ করা গ্রীষ্মকালীন ফুল।

রঙ রূপ আর নানা বাহারি বর্ণিল সাজের এই ফুল প্রচণ্ড গরমেও এনে দেয় এক ধরনের স্বস্তি। ক্ষণিকের জন্য হলেও আমাদের ফিরিয়ে নিয়ে যায় প্রকৃতির কাছে। আমরা ভুলে যাই আমাদের বর্তমান। বসন্তের শিমুল, মান্দার, পলাশের রেশ কাটতে না কাটতেই প্রকৃতি সেজেছে রাধাচূড়া, সোনালু, কৃষ্ণচূড়া ও জারুলের বাহারি রঙে।

গ্রীষ্মের দাবদাহ থেকে একটু স্বস্তি দিতেই যেন প্রকৃতির এই আয়োজন। নানা ব্যস্ততায় ছুটে চলা নগরবাসীর জন্য এ যেন প্রকৃতির কাছ থেকে অপার প্রাপ্তি, যা অল্প সময়ের জন্য হলেও প্রশান্তির দোলা দিয়ে যায় সবার মনে। ফুলের সৌন্দর্যে মুগ্ধ পথিক ভুলে যায় তার ক্লান্তি।

ঢাকার রমনা পার্ক, বোটানিক্যাল গার্ডেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, সচিবালয়ের দক্ষিণে আব্দুল গণি রোড, হাইকোর্ট প্রাঙ্গণ, মানিক মিয়া এভিনিউ, জিয়া উদ্যান, মিন্টু রোড, ময়মনসিংহ রোড, ধানমণ্ডি, গুলশান এবং বনানীর বিভিন্ন রাস্তাসহ শহরের অন্যান্য রাস্তায় এখন কৃষ্ণচূড়ার লাল আগুন চোখে পড়ে।

কৃষ্ণচূড়া এ দেশে সুপরিচিত এবং ঢাকার প্রধানতম ফুলের গাছ। এ ছাড়াও বেশ কিছু এলাকায় রাস্তার দুপাশে, আইল্যান্ডে, পার্কগুলোতে ফোটে বেশ কিছু নয়নাভিরাম অন্যান্য ফুল। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে কৃষ্ণচূড়া, রাধাচূড়া, জামরুল, সোনালু, শিমুল, ভাঁটফুল, কূর্চি, করবী এবং জারুল সহ নানা ফুল। জীবনানন্দ দাশের কবিতায় জারুলের সরব উপস্থিতি লক্ষণীয়। তিনি লিখেছেন:

এই পৃথিবীর এক স্থান আছে – সবচেয়ে সুন্দর করুণ
সেখানে সবুজ ডাঙ্গা ভরে আছে মধুকুপী ঘাসে অবিরল,
সেখানে গাছের নাম: কাঁঠাল, অশ্বত্থ, বট, জারুল, হিজল।


আশংকার কথা নানা কারণে প্রতিদিন এই নগরে কমছে গাছের সংখ্যা।
অনেক গাছ কেটে ফেলা হচ্ছে; তার বিপরীতে নতুন করে গাছ লাগানো হচ্ছে না এবং সর্বত্রই পরিচর্যার বড় অভাব। অথচ সরকারী ব্যবস্থাপনায় কিছুটা পরিচর্যা পেলেও বর্তমান গাছগুলো বেঁচে থাকতে পারতো আরও বহু বছর। সেদিকে কারো খেয়াল নেই, নেই কোন পরিকল্পনা।
আফসোস!








পোষ্ট ব্যাবহার করা সকল ছবি ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহ করা। ফটোগ্রাফারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।

মন্তব্য ২৩ টি রেটিং +৫/-০

মন্তব্য (২৩) মন্তব্য লিখুন

১| ২৪ শে এপ্রিল, ২০১৫ বিকাল ৪:৪০

প্রামানিক বলেছেন: ফুলের ছবি এবং বর্ননা ভাল লাগল।

২৪ শে এপ্রিল, ২০১৫ বিকাল ৫:২৩

নীলসাধু বলেছেন: ধন্যবাদ প্রামানিক ভাই!

২| ২৪ শে এপ্রিল, ২০১৫ বিকাল ৫:০৩

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: চমৎকার একটা পোস্ট নীল দা!! দারুন সব ছবি!

২৪ শে এপ্রিল, ২০১৫ বিকাল ৫:২৪

নীলসাধু বলেছেন: শুভেচ্ছা সুপ্রিয় ভ্রাতা!

৩| ২৪ শে এপ্রিল, ২০১৫ বিকাল ৫:০৪

আরণ্যক রাখাল বলেছেন:

২৪ শে এপ্রিল, ২০১৫ বিকাল ৫:২৫

নীলসাধু বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪| ২৪ শে এপ্রিল, ২০১৫ বিকাল ৫:১৪

দিশেহারা রাজপুত্র বলেছেন: চমৎকার পোস্ট। ভালো লাগা জানিয়ে গেলাম। +

২৪ শে এপ্রিল, ২০১৫ বিকাল ৫:২৪

নীলসাধু বলেছেন: শুভেচ্ছা রইলো।
ভাল থাকুন।

৫| ২৪ শে এপ্রিল, ২০১৫ রাত ৮:০০

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: Nice.gach Lagan jibon baChan.

২৫ শে এপ্রিল, ২০১৫ রাত ৯:১৮

নীলসাধু বলেছেন: ধন্যবাদ সেলিম ভাই!

৬| ২৪ শে এপ্রিল, ২০১৫ রাত ৯:০৪

ভ্রমরের ডানা বলেছেন: অনেক ভাল পোস্ট। সবুজে ভরে উঠে প্রতিটি লোকালয়।

২৬ শে এপ্রিল, ২০১৫ বিকাল ৪:৪১

নীলসাধু বলেছেন: ধন্যবাদ।

৭| ২৪ শে এপ্রিল, ২০১৫ রাত ১১:০০

অন্ধবিন্দু বলেছেন:
নীলসাধু,

খেয়াল ঠিকই আছে। তবে সময় নেই আর কি ! হেহে হে হে...

ফুলেল শুভেচ্ছা জানালুম।

২৬ শে এপ্রিল, ২০১৫ বিকাল ৪:৪২

নীলসাধু বলেছেন: তবু সময় করে দেখুন চারপাশ। ভালো লাগবে।

৮| ২৫ শে এপ্রিল, ২০১৫ সকাল ৯:২৬

সোহেল মাহমুদ বলেছেন: চমৎকার পোস্ট

২৫ শে এপ্রিল, ২০১৫ দুপুর ১২:১১

নীলসাধু বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই!

৯| ২৫ শে এপ্রিল, ২০১৫ রাত ৮:০৭

সুফিয়া বলেছেন: খুব সুন্দর উপস্থাপনা। ভাল লেগেছে।

২৫ শে এপ্রিল, ২০১৫ রাত ৯:৩২

নীলসাধু বলেছেন: ধন্যবাদ।
ভালো থাকুন।

১০| ২৫ শে এপ্রিল, ২০১৫ রাত ৯:৩২

যুগল শব্দ বলেছেন:
সুন্দর-ফুলেল পোস্ট, ভালোলাগা +

২৬ শে এপ্রিল, ২০১৫ বিকাল ৪:৪০

নীলসাধু বলেছেন: ধন্যবাদ জানবেন।

১১| ২৬ শে এপ্রিল, ২০১৫ বিকাল ৪:৪৮

কলমের কালি শেষ বলেছেন: পোস্টে ফুলেল ভাললাগা । কিন্তু এইসব সৌন্দর্য্য ধরে রাখার ক্ষেত্রে সরকারের তেমন কোন উদ্যোগ নেই । ভালকিছু কথা বলেছেন ।

২৭ শে এপ্রিল, ২০১৫ রাত ১২:৪৭

নীলসাধু বলেছেন: হু কোন উদ্যোগ নেই।
যা আমাকে আশাহত করেছে। অথচ চাইলেই এই নগরে এখনো অনেক গাছ লাগানোর জায়গা রয়েছে তা ব্যাবহার করে নগরীকে সুন্দর করা যায়। যা হয়নি।

ধন্যবাদ।

১২| ২৭ শে এপ্রিল, ২০১৫ বিকাল ৩:৪৮

কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: রঙ রূপ আর নানা বাহারি বর্ণিল সাজের এই ফুল প্রচণ্ড গরমেও এনে দেয় এক ধরনের স্বস্তি। ক্ষণিকের জন্য হলেও আমাদের ফিরিয়ে নিয়ে যায় প্রকৃতির কাছে। আমরা ভুলে যাই আমাদের বর্তমান। বসন্তের শিমুল, মান্দার, পলাশের রেশ কাটতে না কাটতেই প্রকৃতি সেজেছে রাধাচূড়া, সোনালু, কৃষ্ণচূড়া ও জারুলের বাহারি রঙে।


চমৎকার বর্ণনা সেই সাথে ছবির কালেকশন!!!
অসাধারণ !!! অনেক শুভেচ্ছা নীলদা।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.