নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সম্পাদক, শিল্প ও সাহিত্য বিষয়ক ত্রৈমাসিক \'মেঘফুল\'। প্রতিষ্ঠাতা স্বেচ্ছাসেবী মানবিক সংগঠন \'এক রঙ্গা এক ঘুড়ি\'।

নীলসাধু

আমি খুব সহজ এবং তার চেয়েও বেশী সাধারন একজন মানুষ । আইটি প্রফেশনাল হিসেবে কাজ করছি। টুকটাক ছাইপাশ কিছু লেখালেখির অভ্যাস আছে। মানুষকে ভালবাসি। বই সঙ্গে থাকলে আমার আর কিছু না হলেও হয়। ভালো লাগে ঘুরে বেড়াতে। ভালবাসি প্রকৃতি; অবারিত সবুজ প্রান্তর। বর্ষায় থৈ থৈ পানিতে দুকুল উপচেপরা নদী আমাকে টানে খুব। ব্যাক্তিগতভাবে বাউল, সাধক, সাধুদের প্রতি আমার দুর্বলতা আছে। তাই নামের শেষে সাধু। এই নামেই আমি লেখালেখি করি। আমার ব্লগে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। শুভকামনা রইলো। ভালো থাকুন সবসময়। শুভ ব্লগিং। ই-মেইলঃ [email protected]

নীলসাধু › বিস্তারিত পোস্টঃ

এ জগত আসলে মায়ারই খেলা!

২৯ শে জুলাই, ২০১৫ রাত ৯:১৯


কিছুদিন আগে সবুজে ছাওয়া চমৎকার একটি জায়গায় গিয়েছিলাম।
ঢাকার কাছেই, গালিমপুর ইউনিয়ন। নবাবগঞ্জ। উদ্দেশ্য ছিল বাৎসরিক একটি আয়োজনে যোগ দেয়া।

সেদিন বিকেলে সব কাজ শেষে ঢাকায় ফেরার জন্য আমাদের জন্য রাখা নির্ধারিত লঞ্চে উঠলাম। লঞ্চ ছাড়তে দেরি করায় আশেপাশে চোখ বোলাচ্ছিলাম।
কেমন শান্ত, স্নিগ্ধ একটি পরিবেশ। চারপাশে মৌন সবুজ গাছপালার সমাহার।
অনিন্দ্য সবুজের মাঝে খুব বেমানান ভাবে ঘাটে ভেড়ানো রয়েছে আমাদের ৩টি লঞ্চ। আশেপাশে প্রচুর বাচ্চারা ঘুরছে। তাদের মুল উদ্দেশ্য ছিল লঞ্চে হুটোপুটি। তারা দলবেঁধে একবার লঞ্চে উঠছে, আবার নামছে। অতি আনন্দ নিয়ে তারা খেলছিল। আমি বাচ্চাদের দেখছিলাম। ছবি তুলছিলাম। অসাধারণ কিছুটা সময়, স্বপ্নের মতন একটি বিকেল!

আমাদের লঞ্চ যখন যখন সেই ঘাট থেকে ছাড়ার প্রস্তুতি নিলো তখনই পরিবেশ কেমন বিষণ্ণ হয়ে গেলো।
বাচ্চারা পাড়ে লাইন ধরে দাঁড়িয়ে লঞ্চের ফিরে আসা দেখছিল। কেউবা হাত নাড়ছিল।
আমিও তাদের উদ্দেশ্য করে হাত নাড়লাম। বিদায় জানালাম।
তারা খুব খুশী।
এই, মাত্র অল্প কিছুক্ষণের একসাথে কাটিয়েই যেন আমাদের মাঝে তৈরি হয়েছিল অচেনা কোণ এক বন্ধনের। সেই বন্ধনের জন্যেই হয়তো আমাদের লঞ্চটি ঘাট থেকে যতটা দূরে আসছিল চিনচিন করে বেদনার খুব সূক্ষ্ম একটি হুল যেন নিজের মধ্যে টের পাচ্ছিলাম।
খুব মায়া হচ্ছিল সেখানের সবুজের জন্যে।
মায়া হচ্ছিল যে বাচ্চাগুলো খেলছিল তাদের জন্যে। কিছুক্ষণ আগেও যে বাচ্চাগুলো হাসছিল সেই তাদের জন্য মন কেমন করে উঠছিল।
যে মেয়েটি শিশু কোলে নিয়ে
কিছুক্ষণ আগেও চোখে মুখে দুষ্ট ভাব নিয়ে আমাদের দেখছিল
সেও যখন খুব আগ্রহ নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে ঘাটে
তখন মনে হয় এই জগত আসলে মায়ার খেলা যা তৈরি হয় খুব দ্রুত!
তাদের মধ্যে চেনা জানা হয় একেবারেই অন্তর্নিহিত কোন এক অনুভব থেকে। মায়া এমনই একটি অদ্ভুত অনুভব যা মানুষকে আচ্ছন্ন করে রাখতে পারে!

মন্তব্য ১০ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (১০) মন্তব্য লিখুন

১| ২৯ শে জুলাই, ২০১৫ রাত ৯:৪৫

প্রামানিক বলেছেন: চমৎকার ছবি এবং বর্ননা। ধন্যবাদ নীল সাধু ভাই।

২৯ শে জুলাই, ২০১৫ রাত ৯:৫৬

নীলসাধু বলেছেন: শুভেচ্ছা প্রামানিক ভাই!

২| ২৯ শে জুলাই, ২০১৫ রাত ১১:৫৫

শতদ্রু একটি নদী... বলেছেন: ছবিগুলো সুন্দর। বর্ননাও চমৎকার। ++

৩০ শে জুলাই, ২০১৫ দুপুর ১২:০৪

নীলসাধু বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইসাব।

৩| ৩০ শে জুলাই, ২০১৫ রাত ১২:২৯

আমি পিন্টু বলেছেন: বলেছেন বেশ।


মানবজাতির সব প্রবলেম তো সমাধান হয়েছে দেখুন কোন টেকনোলজি তে চলে সত্যিকারের পৃথিবী কিভাবে এই গ্রহকে বসবাসের উপযুগী করা হয়েছে |
বইটি ডাউনলোড করতে ও বিস্তারিত পড়তে এখানে ক্লিক করুন

৩০ শে জুলাই, ২০১৫ দুপুর ১২:০৫

নীলসাধু বলেছেন: হুম

৪| ৩০ শে জুলাই, ২০১৫ দুপুর ১২:৫৭

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: ছবিগুলো যেমন সুন্দর, বর্ণনাও তেমনই হয়েছে। +++

৩১ শে জুলাই, ২০১৫ রাত ১২:০২

নীলসাধু বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইসাব। ভালো থাকবেন।

৫| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১৫ বিকাল ৩:২১

রুদ্র জাহেদ বলেছেন: চমৎকার নির্মল ছবি এবং বর্ণনা

১০ ই জানুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ১২:০৪

নীলসাধু বলেছেন: শুভেচ্ছা রইলো রুদ্র জাহেদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.