নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সম্পাদক, শিল্প ও সাহিত্য বিষয়ক ত্রৈমাসিক \'মেঘফুল\'। প্রতিষ্ঠাতা স্বেচ্ছাসেবী মানবিক সংগঠন \'এক রঙ্গা এক ঘুড়ি\'।

নীলসাধু

আমি খুব সহজ এবং তার চেয়েও বেশী সাধারন একজন মানুষ । আইটি প্রফেশনাল হিসেবে কাজ করছি। টুকটাক ছাইপাশ কিছু লেখালেখির অভ্যাস আছে। মানুষকে ভালবাসি। বই সঙ্গে থাকলে আমার আর কিছু না হলেও হয়। ভালো লাগে ঘুরে বেড়াতে। ভালবাসি প্রকৃতি; অবারিত সবুজ প্রান্তর। বর্ষায় থৈ থৈ পানিতে দুকুল উপচেপরা নদী আমাকে টানে খুব। ব্যাক্তিগতভাবে বাউল, সাধক, সাধুদের প্রতি আমার দুর্বলতা আছে। তাই নামের শেষে সাধু। এই নামেই আমি লেখালেখি করি। আমার ব্লগে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। শুভকামনা রইলো। ভালো থাকুন সবসময়। শুভ ব্লগিং। ই-মেইলঃ [email protected]

নীলসাধু › বিস্তারিত পোস্টঃ

বিদায় আব্দুল জব্বার!

৩০ শে আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:২১



সাদা কালো টেলিভিশনে 'ছায়াছন্দ' অনুষ্ঠানে
'এতটুকু আশা' সিনেমার 'তুমি কী দেখেছ কভু' গানটি দেখালেই আম্মা খুব উত্তেজিত হয়ে আমাদের জানাতেন এই সিনেমাটি ব্রাম্মণবাড়ীয়ার কোন এক হলে গিয়ে তিনি দেখেছিলেন।
আমরা বুঝতাম সেই সময়ের প্রেক্ষাপটে আম্মার জন্য এটা খুব আনন্দজনক একটি ঘটনা ছিল।

আম্মার মুখ থেকে এই কথা শুনতে শুনতে আমাদের সবার এই তথ্য মুখস্ত হয়ে গিয়েছিল। তবু আম্মার মনে থাকতো না। যখনই টিভিতে এই গান তখনই সেই কথা এবং
খুব মনোযোগ দিয়ে সেই গান শোনা।
এভাবে শুনতে শুনতে এই গানটি আমাদেরও প্রিয় গান হয়ে উঠেছিল।
'এতটুকু আশা' সিনেমার পরিচালক ছিলেন নারায়ণ ঘোষ মিতা। অভিনয় করেছিলেন রাজ্জাক, সূজাতা, হাসমত, আলতাফ প্রমুখ।

এই গানটি সহ অসংখ্য কালজয়ী গানে কণ্ঠ দিয়ে আব্দুল জব্বার সকলের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। বাংলা চলচ্চিত্রে প্লেব্যাকে তার গাওয়া ‘তুমি কি দেখেছ কভু জীবনের পরাজয়’, ‘পিচ ঢালা এ পথটারে ভালবেসেছি’, 'ও রে নীল দরিয়া', ‘আমায় দে রে দে ছাড়িয়া’ এমন অনেক গান মানুষের মুখে মুখে ফেরে!

আজ প্রিয় এই শিল্পী আমাদের ছেড়ে না ফেরার দেশে চলে গেছেন!
বিদায় আব্দুল জব্বার!
.
.
তুমি কী দেখেছ কভু
জীবনের পরাজয়?
দুঃখের দহনে, করুন রোদনে,
তিলে তিলে তার ক্ষয়।

আমি তো দেখেছি কত যে স্বপ্ন
মুকুলেই ঝরে যায়।
শুকনো পাতার মর্মরে বাজে
কত সুর বেদনায়।

আকাশে বাতাসে নিষ্ফল আশা
হাহাকার হয়ে রয়।

প্রতিদিন কত খবর আসে যে
কাগজের পাতা ভরে,
জীবন পাতার অনেক খবর
রয়ে যায় অগোচরে।

কেউ তো জানে প্রাণের আকুতি
বারে বারে সে কি চায়।
স্বার্থের টানে প্রিয়জন কেন
দূরে সরে চলে যায়।

ধরণীর বুকে পাশাপাশি তবু
কেউ বুঝি কারো নয়।
.
.
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন আব্দুল জব্বার
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র হতে প্রচারিত
সালাম সালাম হাজার সালাম
জয় বাংলা বাংলার জয় সহ অনেক উদ্বুদ্ধকরণ গানের গায়ক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।

তাঁর গাওয়া 'তুমি কি দেখেছ কভু জীবনের পরাজয়', 'সালাম সালাম হাজার সালাম' ও 'জয় বাংলা বাংলার জয়' গান তিনটি ২০০৬ সালে মার্চ মাস জুড়ে অনুষ্ঠিত বিবিসি বাংলার শ্রোতাদের বিচারে সর্বকালের শ্রেষ্ঠ ২০টি বাংলা গানের তালিকায় স্থান পেয়েছে!

মন্তব্য ৬ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (৬) মন্তব্য লিখুন

১| ৩০ শে আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:৩২

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: নায়ক রাজ গেলেন গায়ক রাজও গেলেন এই মাসে যে নায়িকা মারা যাবেন তাকে নায়িকা রানী বলা যেতে পারে। :(

আব্দুল জাব্বার স্মরনীয় হয়ে থাকবেন দেশপ্রেমিক হৃদয়ে।

২৬ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১১:৫৮

নীলসাধু বলেছেন: ৎতনি অমর হয়ে থাকবেন এটা আমি মনে করি। অসংখ্য জনপ্রিয় গান গেয়েছেন তিনি।

২| ৩০ শে আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:৩৬

সেয়ানা পাগল বলেছেন: ‘তুমি কি দেখেছ কভু জীবনের পরাজয়’ এবং 'ও রে নীল দরিয়া' আমার খুব প্রিয় গানের মধ্যে অন্যতম।

২৭ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১২:০০

নীলসাধু বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩| ৩১ শে আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:৩৯

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

এই জব্বার আর লাকি আখন্দরা বাঙালির আবেগকে ধারণ করেছেন, নাকি তারাই বাঙালিকে আবেগী করেছেন... সেটাই মাঝেমাঝে ভাবি।

২৭ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১২:০৩

নীলসাধু বলেছেন: আমার কাছে ২য়টিকেই সত্য মনে হচ্ছে। তারা সত্যি আমাদের আবেগী হয়ে উঠতে শিখিয়েছে।
ভালো থাকবেন ভ্রাতা!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.