নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সম্পাদক, শিল্প ও সাহিত্য বিষয়ক ত্রৈমাসিক \'মেঘফুল\'। প্রতিষ্ঠাতা স্বেচ্ছাসেবী মানবিক সংগঠন \'এক রঙ্গা এক ঘুড়ি\'।

নীলসাধু

আমি খুব সহজ এবং তার চেয়েও বেশী সাধারন একজন মানুষ । আইটি প্রফেশনাল হিসেবে কাজ করছি। টুকটাক ছাইপাশ কিছু লেখালেখির অভ্যাস আছে। মানুষকে ভালবাসি। বই সঙ্গে থাকলে আমার আর কিছু না হলেও হয়। ভালো লাগে ঘুরে বেড়াতে। ভালবাসি প্রকৃতি; অবারিত সবুজ প্রান্তর। বর্ষায় থৈ থৈ পানিতে দুকুল উপচেপরা নদী আমাকে টানে খুব। ব্যাক্তিগতভাবে বাউল, সাধক, সাধুদের প্রতি আমার দুর্বলতা আছে। তাই নামের শেষে সাধু। এই নামেই আমি লেখালেখি করি। আমার ব্লগে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। শুভকামনা রইলো। ভালো থাকুন সবসময়। শুভ ব্লগিং। ই-মেইলঃ [email protected]

নীলসাধু › বিস্তারিত পোস্টঃ

কৃষ্ণচূড়া আড্ডা ২০১৮

১১ ই মে, ২০১৮ রাত ১১:৫৯



নাগরিক কোলাহলের মধ্যে থেকেও ফুলের প্রতি ভালোবাসা, প্রকৃতির জন্য মায়া; সময় করে প্রকৃতি জল ফুল লতা পাতার সঙ্গে কিছুটা সময় থাকার বিষয়টিকে মাথায় রেখেই সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা 'এক রঙ্গা এক ঘুড়ি' নিয়মিত উদ্যোগ গ্রহণ করে কৃষ্ণচূড়া আড্ডা, কাশফুল উৎসব, জলের কাছে নদীর পাশে যাবার মতোন নানা আয়োজনের।
নানাবিধ কাজকর্মের মধ্যেও কিছুটা সময় প্রকৃতির অপার রহস্য রূপ রস গন্ধ নেবার তেমন একটি আয়োজনেই আজ আমরা যোগ দিয়েছিলাম :)

কৃষ্ণচূড়া আড্ডা ২০১৮!!

ঢাকার যে রাস্তাটিতে সবচেয়ে বেশি কৃষ্ণচূড়া গাছ ছিল সে রাস্তার পাশে ক্রিসেন্ট লেক, চন্দ্রিমা উদ্যানে ছিল আমাদের আড্ডা। যদিও আজকে সেখানের অবস্থা দেখে কিছুটা হতাশ হয়েছি আমরা। সম্প্রতি ঝড়ে অনেক গাছ ভেঙ্গে গেছে। কৃষ্ণচূড়া গাছের সংখ্যা অনেক কমে গেছে। :(

দুবার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আসা এবং যাওয়ার কারণে নিরাপত্তার জন্য দীর্ঘক্ষণ রাস্তাটি বন্ধ ছিল। তার উপর ছিল বৈশাখের এই রোধ এই বৃষ্টির হানা। তার মধ্যেই আমরা কজন আড্ডারু সাড়ে তিনটার পরে হতেই সেখানে জমায়েত হতে শুরু করি।

আমার সাথে প্রথমেই দেখা হয়েছিল ইমুর!
এসেছিল শিমুল সঙ্গে তার স্ত্রী এবং দুই দেব শিশু। মাহবুব আনাম ভাই, শামীমা আপা এলো তার কিছুটা পরেই।
শামীমা আপা নিয়ে এসেছিলেন পেয়াজু আর আলুর চপ, দু দফা বাদাম সাবাড় এবং চায়ের সঙ্গে আকাশের ক্ষণে ক্ষণে রঙ বদলানো দেখেছি।
মিলন ক্রমাগত ছবি তুলে গেছে।
আড্ডায় ছিল আবিদ, ইকু এবং ভাবী সহ তুষার।
সবশেষে যোগ দিয়েছিল বন্দনা আপা, সাঁকো আপা গং :D

সবুজ জমিনে বসে কৃষ্ণচূড়া দেখার চেয়ে বেশি আকাশের দিকেই চোখ ছিল আমাদের; সবশেষে তার চোখ রাঙ্গানোতেই ফিরতি পথ ধরা।
তবে এর মধ্যেই কেটে গেছে পুরো এক বিকাল।
হাসি, ছবি তোলা, হাল্কা কিছু কাজের কথা আর নির্ভেজাল সময় কাটানো।
সন্ধ্যায় আমরা যখন ভিন্ন এক পথে আড্ডা-স্থল ত্যাগ করি তখন শুরু হলো বৃষ্টি! :D

আহা ভালো লাগা সময়।
যারা যোগ দিয়েছিলেন তাদের সকলের জন্য ভালোবাসা অশেষ। যারা নানা কারণে আসতে পারেননি তাদের সাথে আগামীতে আবার অন্য কোণ আড্ডায় দেখা হয়ে যাবে নিশ্চয় :)


































মন্তব্য ৮ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (৮) মন্তব্য লিখুন

১| ১২ ই মে, ২০১৮ রাত ১২:১৫

প্রামানিক বলেছেন: আড্ডার ছবি দেখে প্রাণ জুড়িয়ে গেল। ধন্যবাদ নীল দা।

২| ১২ ই মে, ২০১৮ রাত ১২:১৬

সোহাগ তানভীর সাকিব বলেছেন: ছুটির দিনে বেড়ানোটা মনে হয় ভালোই হয়েছে?

৩| ১২ ই মে, ২০১৮ রাত ১২:২১

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: চমৎকার উদ্যোগ ।+ :)

৪| ১২ ই মে, ২০১৮ সকাল ৭:২১

খায়রুল আহসান বলেছেন: বাহ, চমৎকার আয়োজন! প্রশংসনীয় উদ্যোগ।

৫| ১২ ই মে, ২০১৮ সকাল ৯:৩৯

রাজীব নুর বলেছেন: ছবি গুলো ভালো লাগলো।
অনেক ধনব্যবাদ।

৬| ১২ ই মে, ২০১৮ দুপুর ১২:২৭

ব্লগার_প্রান্ত বলেছেন: শুনলাম কৃষ্ণচূড়া গাছ চাপায় এক প্রকৌশলী মারা গেছেন :(

৭| ১৩ ই মে, ২০১৮ রাত ৮:০১

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
আমরা জানলামনা কেন?
প্রামানিক ভাইও তো নাই আড্ডায়!
নীলদা অনেক রোগা হয়ে গেছেন!

ছবিটি কার, খুব জানতে ইচ্ছা করে!

৮| ০৩ রা মে, ২০১৯ ভোর ৪:৩৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ছবি ও বিববরণ ভাল লাগল ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.