নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সম্পাদক, শিল্প ও সাহিত্য বিষয়ক ত্রৈমাসিক \'মেঘফুল\'। প্রতিষ্ঠাতা স্বেচ্ছাসেবী মানবিক সংগঠন \'এক রঙ্গা এক ঘুড়ি\'।

নীলসাধু

আমি খুব সহজ এবং তার চেয়েও বেশী সাধারন একজন মানুষ । আইটি প্রফেশনাল হিসেবে কাজ করছি। টুকটাক ছাইপাশ কিছু লেখালেখির অভ্যাস আছে। মানুষকে ভালবাসি। বই সঙ্গে থাকলে আমার আর কিছু না হলেও হয়। ভালো লাগে ঘুরে বেড়াতে। ভালবাসি প্রকৃতি; অবারিত সবুজ প্রান্তর। বর্ষায় থৈ থৈ পানিতে দুকুল উপচেপরা নদী আমাকে টানে খুব। ব্যাক্তিগতভাবে বাউল, সাধক, সাধুদের প্রতি আমার দুর্বলতা আছে। তাই নামের শেষে সাধু। এই নামেই আমি লেখালেখি করি। আমার ব্লগে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। শুভকামনা রইলো। ভালো থাকুন সবসময়। শুভ ব্লগিং। ই-মেইলঃ [email protected]

নীলসাধু › বিস্তারিত পোস্টঃ

শীতার্তদের সহায়তায় আমরা ঘুড়ি!

২৩ শে নভেম্বর, ২০১৮ দুপুর ২:৩৯



বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলগুলোতে শীতকালে বৃষ্টির পানির মত ঝিরঝিরে কুয়াশা পড়ে! তীব্র শীতে স্থবির হয়ে যায় সব কিছু। শিশু বৃদ্ধ নারী পুরুষ সহ অনেক অসহায় মানুষ খুবই কষ্টে এই শীত কাটায়; পাতলা ফিনফিনে এক টুকরো কাপড়ে কাঁপতে থাকে মানুষটি। আমরা যারা শহরে থাকি তাদের মধ্যে যারা এসব পরিবেশে না গিয়েছি তারা আসলে ধারনাও করতে পারবো না শীত মানুষের জন্য কত দুর্ভোগ নিয়ে আসে। বাংলাদেশে প্রতি বছর শীতে মৃত্যুবরণ করে অনেক মানুষ।

একটা সময়ে দেশের প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ শীতের সময়টায় কম্বল বিতরণ করতেন। এখন আর সে সব দৃশ্য দেখা যায় না। তার বদলে আমরা দেখি প্রতি বছর সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী অসংখ্য সংগঠন তরুণ তরুণী এই কর্মযজ্ঞে ঝাঁপিয়ে পড়ছে। দুঃস্থ অসহায় মানুষদের পাশ গিয়ে দাঁড়াচ্ছে। জেলার পর জেলা তারা তাদের সীমিত সামর্থ্য দিয়ে কাভার করার চেষ্টা করছে। যেখানেই শীতার্ত মানুষ, শৈত্য প্রবাহ সেখানেই কেউ না কেউ বা কোন সংগঠন সেই সব দরিদ্র অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়াচ্ছে। 'এক রঙ্গা এক ঘুড়ি'ও অন্যান্য ব্যক্তি/সংগঠনের মতই দীর্ঘদিন থেকে শীতার্তদের পাশে রয়েছে। আমরা আমাদের নিজেদের তহবিলের পাশাপাশি বন্ধু শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছ হতেও সহায়তা, নতুন কম্বল কাপড় সংগ্রহ করি! নির্ধারিত অঞ্চলের শীতার্ত মানুষদের কাছে শীতবস্ত্র পৌঁছে দেই। এভাবেই গত ১১ বছর নিয়মিত আর্ত মানবতার সেবায় অবদান রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছি।

ডিসেম্বরের ১৫ এবং ২১ তারিখ দুই দফায় নতুন কম্বল সহ শীতবস্ত্র বিতরণের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। শীতবস্ত্র বিতরণ ইভেন্টে সহযোগিতা জমা দেবার শেষ সময় ডিসেম্বর ১৪, ২০১৮ এবং ডিসেম্বর ১৯, ২০১৮!

বিকাশ বা ব্যাংক একাউন্ট দু ভাবেই অর্থনৈতিক সহায়তা জমা দেয়া যাবে।

ঢাকা বা দেশের যে কোন স্থান হতে নতুন কম্বল বা নতুন শীতবস্ত্র পাঠাতে চাইলে বার্তায় যোগাযোগ করার বিনীত অনুরোধ করছি।

এক রঙ্গা এক ঘুড়ির এই কর্মযজ্ঞ সফল করার পেছনে রয়েছে আমাদেরই কাছের কিছু মানুষ। যাদের সাহায্য সহযোগিতায় নিয়েই আমরা এগিয়ে যেতে পারছি, মানবিক সাদা মনের সেই সব বন্ধু শুভাকাঙ্ক্ষীদের জানাই অপার ভালোবাসা।
আশা করছি বরাবরের মতন এবারেও আমরা তাদের সান্নিধ্য পাবো।

ভালোবাসা রইল।
মানবিক বাংলাদেশ গড়ায় আমাদের সঙ্গে থাকুন।
ধন্যবাদ।

শীতার্তদের শীত বস্ত্র বিতরণ উদ্যোগ বিস্তারিত:
কার্যক্রমে সহায়তা জমা দেবার শেষ তারিখ: ডিসেম্বর ১৪, ২০১৮ এবং ডিসেম্বর ১৯, ২০১৮!
বিতরণ: ডিসেম্বরের ১৫, ২০১৮ এবং ডিসেম্বরের ২১, ২০১৮

বিকাশ পারসোনাল একাউন্ট নাম্বার: (বার্তা বা SMS করে করুন)
01711310476
01981236989
01739700793

ব্যাংক একাউন্ট:
এক রঙ্গা এক ঘুড়ি
একাউন্ট নাম্বার: ০২১০০৩৫৭৭৬
জনতা ব্যাংক লিমিটেড
ধানমন্ডি কর্পোরেট ব্রাঞ্চ
.......................................
উদ্যোগ: এক রঙ্গা এক ঘুড়ি
......................................

//বিশেষ সংযুক্তি//

= আমরা কোন পুরাতন কাপড় নিচ্ছি না। তাই বিনীত অনুরোধ কেউ পুরাতন কাপড় পাঠাবেন না।

মন্তব্য ৩ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (৩) মন্তব্য লিখুন

১| ২৩ শে নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:৪৪

রাজীব নুর বলেছেন: ভালো কাজ।
এভাবেই সবার এগিয়ে আসতে হবে।

২| ২৩ শে নভেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৪৮

পাঠকের প্রতিক্রিয়া ! বলেছেন: ভালো উদ্যোগ, সাথে আছি... :)

৩| ২৩ শে নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:৪৬

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: চমৎকার উদ্যোগ। আপনার এই উদ্যোগ সফল হোক।+

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.