নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বিশ্বজোড়া পাঠশালাতে সবাই ছাত্র-ছাত্রী, নিত্য নতুন শিখছি মোরা সদাই দিবা-রাত্রী!

নীল আকাশ

এই ব্লগের সমস্ত লেখা সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। আমার অনুমতি ছাড়া এই ব্লগের লেখা অন্য কোথাও প্রকাশ করা যাবে না।

নীল আকাশ › বিস্তারিত পোস্টঃ

ভৌতিক গল্পঃ অ-স্পর্শ (প্রথম পর্ব)

০৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:৫০



প্রায় মাঝরাত। গভীর নিঃস্তব্ধতায় চারপাশের প্রায় সবকিছুই ডুবে আছে। মেহেদি আঁকা উন্মুক্ত দুইহাত সহ প্রায় সারা শরীরেই হলুদ রঙে মাখামাখি হয়ে রুপা এখন নিজের বিছানায় আরামে ঘুমিয়ে আছে। আজকে ওর গায়ে হলুদ হয়েছে, বিয়ে মাত্র দুইদিন পরে। সন্ধ্যা থেকেই গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান শুরু হলেও পুরো অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে বেশ রাত হয়ে গিয়েছিল। প্রচন্ড ক্লান্ত রুপা কোনরকমে হলুদের পোষাক পরিবর্তন করে নিজের বিছানায় এখন অঘোরে ঘুমাচ্ছে। রাত তিনটার দিকে রুপা টেরও পেল না ওর ঘরের একটা মাত্র জানালা নিঃশব্দে হুট করে খুলে গেল আর হালকা ধোয়াটে একটা অবয়ব জানালা দিয়ে ভিতরে প্রবেশ করে ওর দিকে খুব ধীরে ধীরে নিঃশব্দে এগিয়ে এলো..................

এক

বিএ অর্নাস দ্বিতীয় বর্ষে পড়ার সময় রুপার পারিবারিক ভাবে রিফাতের সাথে হুট করেই বিয়েটা ঠিক হয়ে গেল। রিফাত একটা বেসরকারি ব্যাংকে ঢাকায় চাকুরী করে। রিফাতের বাবা গাজীপুরের একটা গ্রামের স্কুলের প্রধান শিক্ষক, পরিবার নিয়ে থাকেনও সেখানেই। দুই বোন এক ভাইয়ের মধ্যে রিফাতই বড়। রুপা'রা তিনবোন। বড় দুইবোনের আগেই বিয়ে হয়ে গিয়েছিল। রুপার বাবার অবস্থা বেশ ভালো। অবস্থাপন্ন গৃহস্থ পরিবার। দিনাজপুরের বিরামপুর এলাকাতে অনেক জায়গা জমি আছে। এছাড়াও পৈত্রিক সূত্রে আম, কাঠাল আর লিচুর বিশাল একটা বাগান পেয়েছে রুপার বাবা।

রুপার সাথে রিফাতের বিয়ে হলো রুপার গ্রামের বাড়িতেই। বাবার সবচেয়ে আদরের মেয়ে রুপা। তাই বিয়েতে বিশাল হুলস্থুল অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল রুপার বাবা। বিয়ের পর বাসর রাতেই রুপার সাথে রিফাতের প্রথমবারের মতো অনেকক্ষন কথাবার্তা হলো। এর আগে যখন প্রথমবারের মতো রুপাকে দেখতে এসেছিল রিফাত, তখন লজ্জায় রুপা কথাই বলতে পারে নি। আজকে তাই মন খুলে জড়তা কাটিয়ে অনেকক্ষন গল্প করল দুইজন। কথাবার্তা শেষ করে দুইজনই যখন ঘুমাতে গেল তখন প্রায় রাত তিনটা বাজে। কিছুক্ষণ পরেই হঠাৎ নূপুরের রিনঝিন শব্দে রুপার ঘুম ভেঙ্গে গেল। রিফাত রুপাকে জড়িয়ে ধরে অঘোরে ঘুমাচ্ছে। মাথার কাছের খোলা জানালা দিয়ে আসা ঝকমকে চাঁদের আলোতে সারা বাসরঘর আলোকিত হয়ে আছে। কিন্তু তারপরও রুপার মনে হলো ঘরের ডানদিকের একটা কোনা কেমন যেন কিছুটা অন্ধকার অন্ধকার লাগছে! মাথার কাছের জানালাটাও কেমন যেন হা হয়ে খুলে আছে! একটু অবাকই হলো রুপা, যতদূর ওর মনে পড়ে, এই জানালা তো লাগানোই ছিল। বাসর ঘরে কে কোন দিক দিয়ে উঁকি দিবে, এই ভয়ে রুপার মেঝবোন ঘরের একটা মাত্র জানালা রুপার সামনে বেশ ভালোভাবেই বন্ধ করে দিয়েছিলেন। হয়ত কোন একভাবে খুলে গেছে ভেবে, রুপা খুব সাবধানে রিফাতের হাত ওর গায়ের উপর থেকে সরিয়ে উঠে বসে জানালাটা আবার ভালো করে বন্ধ করে দিয়ে রিফাতের কাছে এসে ঘুমিয়ে পড়ল। ভীষন ঘুমে কাতর রুপা খেয়ালও করল না, ওর দুইপায়ের নূপুর এখন আর ওর পায়ে নেই, বাসরঘরের মেঝেতে নিঃশব্দে নেচে বেড়াচ্ছে!

দুই

বিয়ের পাঁচদিন পরে রিফাত রুপাকে রেখে ঢাকায় চলে এলো বাসা ভাড়া করার জন্য। বিয়ের আগে রিফাত মেসে থাকত, রুপাকে নিয়ে তো আর মেসে উঠতে পারবে না। বাসা ভাড়া করেই সদ্য বিবাহিত বৌকে ঢাকায় নিয়ে যাবে ও। ঐদিন দুপুরবেলা রিফাত যখন চলে গেল, রুপার মন খুব খারাপ হয়ে গেল। মাত্র অল্প কয়েকদিনে কিভাবে কিভাবে যেন গভীর একটা টান তৈরি হয়ে গিয়েছিল রিফাতের জন্য। রিফাত চলে যাবার পর তাই খুব নিঃসঙ্গ লাগতে শুরু করলো রুপার। রাতেরবেলা একা ঘুমাতে যেয়ে আবার মন খারাপ হলো। এই কয়টা দিন রিফাত কি সুন্দর করে ওকে জড়িয়ে ধরে ঘুমাতো। অথচ আজকে ওকে একদম একা ঘুমাতে হবে, আজকে কি সহজে ঘুম আসবে ওর? বড় একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে তবুও ঘুমাতে গেল রুপা। মধ্যরাতের দিকে যখন রুপা কিছুটা তন্দ্রাচ্ছন্ন হলো, ঠিক তখনই ঘরের ভিতরে হাল্কা মিষ্টি একটা অদ্ভুত ঘ্রাণ পেল ও, অনেকটাই কর্পূরের মতো। ঠিক সেই মুহূর্তেই ঘরের ভিতরে অজানা কোন এক ভাষায় কেউ কিছু খুব মৃদুস্বরে আবৃত্তি করতে শুরু করল। রুপার ঘুম ভেঙ্গে গেল, বিছানায় উঠে বসে কান খাড়া করে শুনার চেস্টা করলো কে কি পড়ছে? কিন্তু সেটা পরিচিত কোন ভাষার সাথেই সেটা ও মিলাতে পারলো না। অল্প কিছুক্ষন পরেই আবার সবকিছু নিঃস্তব্ধ হয়ে গেল। একটু পরেই কিভাবে যেন রুপার দুই চোখে জোর করে প্রচন্ড ঘুমের আবেশ নেমে আসল, শত চেস্টাও চোখ খোলা রাখতে পারল না রুপা!

তিন

পনেরদিন পরে ঢাকার পুর্ব রাজাবাজারে বাসা ভাড়া করে রুপাকে নিয়ে এসেছে রিফাত। বিয়ের পর নতুন সংসার গুছিয়ে দিতে রুপার শ্বাশুড়িও ঢাকায় চলে এসেছেন। দুপুরবেলা খাওয়া দাওয়ার পর শ্বাশুড়ি চলে গেলেন নিজের ঘরে রেস্ট নিতে আর রুপা নিজের ঘরে বিছানায় শুয়ে পড়ল ঘুমানোর জন্য। বেলা বাজে প্রায় দুপুর তিনটার মতো। দুইতলা বিল্ডিংয়ের নীচের তলার একটা ফ্ল্যাট ভাড়া করেছে রিফাত। দক্ষিনমুখী বাসা দেখে ঘরের ভিতর প্রচুর আলো বাতাস আসে। রুপা ঘুমানোর আগে দুইটা জানালার মোটা পর্দা ভালোমতো টেনে ঢেকে দিয়ে আসল। ঘর কিছুটা অন্ধকার হতেই বিছানায় শুয়ে চোখ বন্ধ করে শুয়ে পরলো রুপা। সহসাই রুপার চারপাশ নিঃস্তব্ধ হয়ে আসে। হুট করেই কিছু একটা যেন ওর বুকের উপর জোর করে চেপে বসল, ভালোমতো নিঃশ্বাসও নিতে পারছে না এখন রুপা। কার কাছে যেন শুনেছিল এটাকে বোবায় ধরা বলে, কিন্তু ওর তো এই ধরনের সমস্যা আগে কখনই হয় নি। নিজেকে ছুটানো জন্য নড়াচড়া করতেই রুপার মনে হলো জিনিসটার সারা গায়ে বেশ বড় বড় ঘন লোম ভর্তি। লোমগুলি অনেকটা বিড়ালের লোমের মতো নরম তুলতুলে। আতঙ্কে রুপার প্রায় বাকরূদ্ধ অবস্থা। প্রচন্ড ভয়ে অনেক চেস্টার পর চোখ খুলে রুপা দেখে, ধবধবে সাদা রঙ্গের কাপড় পড়ে একটা কিছু ওর উপরে, জিনিশটা এতই লম্বা যে এর নীচের দিকের শেষ অংশ রুপা কিছুতেই দেখতে পারছিল না। হঠাৎই সেই জিনিশটা অনেক জোরে রুপার গলা চেপে ধরল। আপ্রাণ চেস্টা করেও গলা থেকে জিনিসটার হাতের মতো অংশগুলি রুপা ছাড়াতে পারছে না। রুপার শরীরের সবশক্তি আস্তে আস্তে কমে আসছে। কোনোমতে শরীরের বাকি সবশক্তি জোগার করে রুপা শেষ একটা চিৎকার দিয়েই জ্ঞান হারিয়ে ফেলল।

রুপার জ্ঞান ফিরল অনেক পরে। ততক্ষনে রিফাত মায়ের কাছে খবর পেয়ে বাসায় চলে এসেছে। পালা করে মা আর ছেলে মিলে রুপার মাথায় পানি ঢালছে। চোখ খুলে ভয়ার্ত দৃষ্টিতে রিফাতকে দেখে রুপার ভয় কিছুটা কমে আসল। রিফাত ওকে ধরে কোন রকমে বসিয়ে দিতেই রুপা কাঁপা কাঁপা গলায় কি ঘটনা ঘটেছে সেটা বলে গেল। ফিজিক্সের মাস্টার্স করা রিফাত এইসব আজগুবি ঘটনা কোনভাবেই বিশ্বাস করলো না। তবে রিফাতের মায়ের মুখ সাথে সাথেই কালো হয়ে গেল, এগিয়ে এসে রুপার খুব কাছে বসে এর আগে এই ধরনের আর কোন ঘটনা কিংবা ছোটবেলায় কখনও কোন কিছু দেখে ভয় পেয়েছিল কিনা ভালোমতো জিজ্ঞেস করল। রুপা বিয়ের পরের কয়েকটা ঘটনা যখন উল্লেখ করল, রিফাত হেসে সেইসব ঘটনা উড়িয়ে দিতে চাইলেও রিফাতের মা কঠিন ধমক দিয়ে রিফাতকে চুপ করিয়ে দিল। তারপর রিংটোন বেজে উঠলে মোবাইলের কল ধরার জন্য উনি রুম থেকে বাইরে চলে গেলেন।

চার


সেইদিনের পর থেকেই রুপার সাথে রিফাতের সর্ম্পক অকারণেই দ্রুত খারাপ হতে শুরু করলো। বিয়ের পর থেকে কখনই ঝগড়াঝাটি না হলেও এখন মাঝে মধ্যেই শুরু হয়ে যায়। একদম অকারণে রিফাত রাগারাগি করা শুরু করে। অযথাই রুপার সাথে বাজে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে। এদিকে রিফাতের মা ফিরে গেছেন নিজের বাসায়। দিনেরবেলা বাসায় একা একা বেশ ভয়ও লাগে রুপার, কিন্তু রিফাতের সাথে কথা বলে যে সেটা বুঝাবে সেই উপায়ও নেই। রিফাত এইসব কিছু্তেই বিশ্বাস করে না। মাঝে মাঝে রুপার প্রচন্ড শ্বাসকষ্টও শুরু হয়। তখন সমস্ত শরীর দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকে, অনেকটাই যেন মরিচের গুড়া লাগিয়ে দিলে যেমন জ্বলে সেইরকম। শরীরের অসহ্য জ্বালা যন্ত্রণা কমানোর জন্য রুপা বাথরুমে যেয়ে হ্যান্ড শাওয়ারের কল খুলে এর নীচেই বসে থাকে, কতক্ষণ ও নিজেও বলতে পারবে না। শরীরে ঠান্ডা পানি লাগলে কিছুটা ভালো অনুভূতি হয় রুপার।

ধীরে ধীরে রুপার অবস্থা আরও খারাপ হতে লাগলো। এখন রাতে রুপা ঠিক মতো ঘুমাতেও পারে না। প্রায়ই রাতেরবেলা ভয়ংকর দুঃস্বপ্ন দেখে চিৎকার করে ঘুম থেকে উঠে বসে। জিজ্ঞেস করলে বলে চোখের সামনে ভয়ংকর হিংস্র জন্তু জানোয়ারকে দেখে ওকে মেরে ফেলতে আসছে। কেন যেন রিফাতকেও এখন আর সহ্যই করতে পারে না রুপা। ইদানিং প্রায় সবসময়ই মাথা প্রচন্ড ধরে থাকে রুপার। ডাক্তার দেখিয়েও কোন লাভ হয়নি, কোন ঔষধই কাজ করে না। যতক্ষন রিফাত বাসায় থাকে না, ততক্ষন রুপা কিছুটা ভালো থাকে কিন্তু রিফাত অফিস থেকে বাসায় ফিরলেই ওর শরীরে প্রচন্ড অস্থিরতা শুরু হয়ে যায়।

কোন এক অজানা কারণে রিফাত আর রুপার মধ্যে স্বাভাবিক শারীরিক সর্ম্পক একদম বন্ধ হয়ে গেল। বিয়ের মাত্র দেড়মাস হয়েছে অথচ এত তাড়াতাড়ি দুইজনই এর প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলল। রিফাত ইচ্ছে করেই রাতে অনেক দেরি করে ঘুমাতে আসে। রুপার গায়ের সাথে গা লাগলে সাথে সাথেই ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেয়। রুপাকেও দূরে সরে ঘুমাতে বলে। রুপার নিজেরও শারীরিক অবস্থা প্রায় সারামাসই খারাপ থাকে, কোন পুরুষের কাছে আসার উপযুক্ত নয়।

এতদিন এইসব বিশ্বাস না করলেও, বিয়ের ঠিক দুইমাস বিশদিন পরে রিফাত এবার হতবিহবল হয়ে নিজের মাকে সবকিছু বিস্তারিতভাবে খুলে বলে, রুপাকেও মোবাইলটা ধরিয়ে দেয় কথা বলার জন্য। শ্বাশুড়িকে ফোনে পেয়ে রুপা কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে, হাউমাউ করে কাদঁতে কাঁদতে কি ভয়ংকর যন্ত্রণা আর কষ্টের মধ্যে দিয়ে দিন কাটাচ্ছে সেইগুলি জানালো। রিফাতের মা সবকিছু শুনে খুব রাগ করলেন, পরিস্থিতি যে এতই খারাপ হয়ে গেছে সেটা কেন উনাকে আরও আগে জানায় নি দেখে দুইজনকে ইচ্ছেমতো বকা দিলেন। বকাঝকা শেষ হবার পর ওদেরকে দুই বা তিনদিন অপেক্ষা করতে বললেন।

পাঁচ

ঠিক তিনদিন পরে, বৃহস্পতিবার বিকালবেলা রিফাতের বাসায় একজন অপরিচিত ব্যক্তি এসে হাজির হলেন। বয়স্ক লোক। তবে কথাবার্তা খুব মার্জিত। উনি নিজেই জানালেন যে রিফাতের মা উনাকে পাঠিয়েছেন আর ইতিমধ্যেই রুপার ব্যাপারে প্রায় সবকিছুই জেনে এসেছেন। রিফাত মায়ের কাছে ফোন করে কনফার্ম হলো, ওর মা এই ভদ্রলোক’কে ওদের বাসায় পাঠিয়েছেন। রিফাতের মা খুব ভালো করে রিফাত আর রুপাকে বলে দিলেন কি কি করতে হবে।

ভদ্রলোক অনেকদূর থেকে এখানে আসার কারণে খুব ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন। একটা বিছানা চাইলেন ঘুমানোর জন্য। রুপা খাবারের ব্যবস্থা করলে উনি গোছল করে এসে খেয়েদেয়ে বড় করে একটা ঘুম দিলেন। ঘুমানোর আগে জানিয়ে দিলেন, ঘুম থেকে উঠে রুপার সাথে কথা বলেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন।

চারঘন্টা পরে ঘুম থেকে উঠে উনি হাত-মুখ ধুয়ে, রাত এগারোটার সময় রুপার বেডরুমেই রুপার আর রিফাতের সাথে কথা বলতে বসলেন। সব কিছু শুনার পর দুইজনকেই রুম থেকে বের হয়ে যেতে বলে সেখানেই সাধনায় বসলেন।

বেশ কিছুক্ষন পরেই রুপা রুপা বলে বেডরুম থেকে অদ্ভুত গুরুগম্ভীর একটা নিনাদ শুনে রিফাত আর রুপা দৌড়ে বেডরুমে যেয়ে ঢুকলো……

পূনশ্চঃ সত্য ঘটনা অবলম্বনে বেশিরভাগ অংশই লেখা হয়েছে। শুধু গল্প লেখার প্রয়োজনে নাম-স্থান-কাল কিছুটা পরিবর্তন করে দেয়া হয়েছে।

সবাইকে ধন্যবাদ ও শুভ কামনা রইল।
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত@ নীল আকাশ, নভেম্বর ২০১৯

মন্তব্য ৪৮ টি রেটিং +১৬/-০

মন্তব্য (৪৮) মন্তব্য লিখুন

১| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:৫৮

মা.হাসান বলেছেন: কোনো বেটা প্রশ্ন ফাঁস জেনারেশন আছে কি? নাকি আমি একা?

০৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:১০

নীল আকাশ বলেছেন: হায় খোদা! শেষ মেষ আপনি প্রথম?
ওলে মফিজ ভাই, আপনি কুথায় গো?
আপনার লেখা নিয়ে বসে আছি! কবিতা লেখা ছেড়ে দিয়েছ অনেক দিন হলো। দেখি কিছু দাড়া করাতে পারি নাকি!!!
শুভ কামনা রইল।

২| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:০৫

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: ভৌতিক গল্প লেখার খুব শখ আমার। কিন্তু লিখতে পারিনা। সবার লেখা অনেক আগ্রহ নিয়ে পড়ি। প্লট মাথায় আসে কিন্তু লেখা আগায় না।
সত্য ঘটনা নিয়ে বেশির ভাগ অংশ লিখেছেন। চমৎকার লেগেছে।

০৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:১৬

নীল আকাশ বলেছেন: ভৌতিক গল্প লেখা একটু কঠিন। তবে একবার লেখা শুরু করলে গড়গড় করে এগিয়ে যায়।
আমার এই সিরিজের আগের ৪টা গল্প আছে। পড়ে দেখুন আর সাহস করে একটা লিখে ফেলুন।
কি আছে জীবনে!!!

৩| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:০৯

মা.হাসান বলেছেন: আপনি দেখি পদাতিক ভাইয়ের মতো শেষের লাইনে একটা ঝামেলা পাকালেন। এরকম হতে থাকলে কিন্তু হরতাল হবে।

৪ নম্বর সেকশনের শেষ প্যারার প্রথম লাইন পড়ে মনে হলো এর আগে আরো কিছু ছিলো, বাদ পড়ে গেছে।

বিয়ের পর বেশিরভাগ মেয়ের কিছু মানসিক সমস্যা দেখা দেয়, বিশেষ করে যারা বাসায় সারা দিন একা থাকে তাদের মধ্যে এটা বেশি। তবে এই ক্ষেত্রে সমস্যা সাইকোলজিকাল না তা পরিস্কার। বাসায় একা, রাতে শোয়ার ঠিক আগে আরেকবার পড়বো, ভয় পাবার জন্যই।
গল্প সুখপাঠ্য, তবে আমার খিদা বেশি, যত বড় তত মজা।
অনেক শুভ কামনা।

০৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:১৪

নীল আকাশ বলেছেন: বেশ বড় লেখা। ৩ পর্ব হবে। একদম বাস্তব কাহিনী। পড়লে মনে হবে চোখের সামনেই দেখছি।
৪ নম্বর সেকশনের শেষ প্যারার প্রথম লাইন পড়ে মনে হলো এর আগে আরো কিছু ছিলো, বাদ পড়ে গেছে। - নাহ। এই পর্যন্ত শেষ। উনি এরপরই সেই ভদ্রলোককে পাঠিয়েছেন।
বিয়ের পর বেশিরভাগ মেয়ের কিছু মানসিক সমস্যা দেখা দেয়, বিশেষ করে যারা বাসায় সারা দিন একা থাকে তাদের মধ্যে এটা বেশি। তবে এই ক্ষেত্রে সমস্যা সাইকোলজিকাল না তা পরিস্কার। বাসায় একা, রাতে শোয়ার ঠিক আগে আরেকবার পড়বো, ভয় পাবার জন্যই। - মেয়েদের প্রতি আক্রমণ হয় বেশি। অনেক কারণ আছে। ২য় পর্বে দেখবেন।
ভয় পেতে চান? ২য় পর্বে সেইরম ভয় দৃশ্য আছে।
ধন্যবাদ।

৪| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:১৮

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:





১ম পর্ব পড়ে ২য় পর্বের জন্য শুরু হলো অপেক্ষা।
দেখি বিংশ শতাব্দীতে কারা কারা বিস্বাস করেন না। - আমি আগেই আত্মপক্ষ সমর্থন করে রাখছি, আমি বিস্বাস করি - কারণ আমি নিজে সাক্ষী। ভুত প্রেত শয়তান জ্বীন - হেন কিছু নাই যা পৃথিবীতে নেই।


০৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:৩৫

নীল আকাশ বলেছেন: বিশ্বাস তো করতেই হবে।
ইসলাম ধর্মে ‘অদৃশ্যে’ বিশ্বাস স্থাপন করা অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পবিত্র কুরআন মাজীদে বলা হয়েছে-
“এ সেই কিতাব যাতে কোনই সন্দেহ নেই। পথ প্রদর্শনকারী পরহেযগারদের জন্য। যারা অদেখা বিষয়ের উপর বিশ্বাস স্থাপন করে এবং নামায প্রতিষ্ঠা করে। আর আমি তাদেরকে যে রুযী দান করেছি তা থেকে ব্যয় করে।” (সূরা আল-বাকারা, ২-৩)
জ্বীন এই অদৃশ্য বিষয়গুলোর মধ্যে একটি। পবিত্র কুরআনে বেশ কয়েকবার জ্বীনদেরকে মানুষদের সাথে সম্বোধন করা হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কাছে জ্বীনদের আগমন নিয়ে ‘সূরা জ্বীন’ নামে একটি সম্পূর্ণ সূরা অবতরণ করা হয়েছে। জ্বীনদের অস্তিত্ব নিয়ে যাঁরা সন্দিহান, তাদের জন্য আমি পবিত্র কুরআন মাজীদে থেকে কয়েকটি আয়াত নিচে উল্লেখ করছি-
”যখন আমি একদল জ্বীনকে আপনার প্রতি আকৃষ্ট করেছিলাম, তারা কোরআন পাঠ শুনছিল। তারা যখন কোরআন পাঠের জায়গায় উপস্থিত হল, তখন পরস্পর বলল, চুপ থাক। অতঃপর যখন পাঠ সমাপ্ত হল, তখন তারা তাদের সম্প্রদায়ের কাছে (জ্বীন সম্প্রদায়) সতর্ককারীরূপে ফিরে গেল।” (সূরা আল-আহক্বাফ, ২৯)

এরপর আর কেউ কিছু বললে, এটাও দেখিয়ে দেবেনঃ
“আর তিনি জ্বীনকে সৃষ্টি করেছেন আগুনের শিখা দিয়ে।” (সূরা আর-রহমান, ১৫)

৫| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:১৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: গল্প মাত্র শুরু, ঘটনার ঘনঘটা দেখি কোন দিকে যায়! তবে কিছু কথোপকথনের অংশ রাখলে ভালো হতো। মনে হচ্ছে একটু তাড়াহুড়া করেছেন গল্পের শুরুতে, অনেকটা বর্ণনাধর্মী আর্টিকেল লেখার মতো হয়ে গিয়েছে।

তবে শুরুটা খুবই ইন্টারেস্টিং মনে হচ্ছে। তার উপরে সত্য ঘটনার উপরে লেখা। দেখা যাক.....জল কিভাবে গড়ায়! :)

@মা.হাসান: সফলতার সাথে প্রশ্ন ফাঁস করার জন্য আমার অভিনন্দন!!! =p~

০৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:৪৭

নীল আকাশ বলেছেন: @মা.হাসান: সফলতার সাথে প্রশ্ন ফাঁস করার জন্য আমার অভিনন্দন!!! আপ্নাদের ২জনকেই অভিনন্দন।
বাস্তব ঘটনা তো, যা শুনেছি তাই লিখে গেছি। শেষ দিকে কিছু জায়গা নিজের পছন্দ মতো লিখতে পেরেছি।
জল গড়িয়েছে বহুত দূর। সাথেই দেখুন।
ধন্যবাদ।

৬| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:৩৩

বলেছেন: ভৌতিক গল্প এই পর্ব পড়লাম ---- পুরোটা শেষ করার পর বুঝতে পারবো কতটা ভৌতিক।।।

সম্পর্কটি এত দ্রুত খারাপ হলো কেন --? এটা বুঝতে হলে অপেক্ষা করতে হবে।।।

০৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:৪৯

নীল আকাশ বলেছেন: যত না ভৌতিক তার চেয়ে বেশি বাস্তব। ভৌতিক লিখেছি কারণ এটা আমার সিরিজের নাম সেই জন্য।
সম্পর্কটি এত দ্রুত খারাপ হলো কেন --? এটা বুঝতে হলে অপেক্ষা করতে হবে।।। - আপনার প্রশ্নের আপনি ঠিক উত্তর দিয়েছেন। স হ মত।
শুভ কামনা রইল।

৭| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:৫৮

বলেছেন: জীবন থেকে নেয়া গল্প-- অচেনা পঠ পাঠকের চোখ খুলে দিতে পারে।।।
জীবন থেকে নেয়া গল্প- সৃস্টিশীলতার স্পষ্ট ছাপ রাখে।।।
জীবন থেকে নেয়া গল্প -- জীবন নিয়ে ভাবে এমন মানুষ সাজাতে পারে।।।
জীবন থেকে নেয়া গল্প -- গালগপ্পোময়তায় গেঁথে থাকে।।।

সাথে আছি।।।।

আপনার গল্প পড়ে আর অপেক্ষা করতে পারলাম না এখন একটা পুরো গল্প পোস্ট দিবো।।।
সময় করে পড়ার অনুরোধ৷ রইলো।।

০৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:০২

নীল আকাশ বলেছেন: অসাধারণ মন্তব্য। যে কোন লেখককের জন্যই উজ্জীবক।
হুম, পোস্ট দিয়ে দিন। আপনার কোন লেখা আমি না পড়েছি বলুন তো? তবে আমি ধীরে সুস্থে পড়ি, ভালো করে পড়ি।
ধন্যবাদ।

৮| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:০৩

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনার পোষ্টে আমিই প্রথম হতাম।
নিজের পোষ্টে মন্তব্য করতে গিয়ে ফাকতালে মা.হাসান দান মেরে দিয়েছে। আমি যখন আপনার পোষ্ট খুলেছি তখনও মন্তব্য আসে নাই। লাইক দেখে বুঝলাম, এবার চান্স নাই। =p~

যাক, ব্যাপার না। এক মাঘে কি আর শীত যায়! মাঘমাস আরো আসবে। ;)

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:০২

নীল আকাশ বলেছেন: অসুবিধা নেই। মাঘমাস আরও আসবে!!!

৯| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:২০

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় নীল আকাশ ভাই,

বরাবরের মতো সুখপাঠ্য হয়েছে। তবে বর্ণনার চেয়ে সংলাপটা আরেকটু একটু বেশি দিলে ভালো হতো। শুরুতেই চরিত্র নির্মাণ ভালো লেগেছে। আশা করি পরের পর্বে গল্পটি আরো জমে উঠবে, যেখানে উভয়ের চরিত্রের ভৌতিক বা প্যারাসাইকোলজিক্যাল বৈশিষ্ট্যগুলো পরিস্ফূট হবে।

মা.হাসান ভাই ইতিমধ্যে হরতালের প্রসঙ্গ তুলেছেন।। কাজেই দুঃখিত যে আজ আর আপনার সঙ্গে নয়, মা.হাসান ভাইয়ের নেতৃত্বে পাঠককুলের পক্ষে আছি।

গল্পটা বড্ড তাড়াহুড়োর নমুনা পেলাম। বেশ কিছু টাইপো চোখের সামনে ঘোরাঘুরি করছে। মন দিয়ে আরেকবার গল্পটি এডিট করতে অনুরোধ করবো।

অফুরান শুভেচ্ছা জানবেন।



০৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:০৭

নীল আকাশ বলেছেন: শুভ সকাল,
এই গল্পটা সত্য ঘটনা অবলম্বনে লেখা হয়েছে। আমি শুধু টুকটাক কিছু কাজ করেছি লেখার সময়, ব্যাস। যা বাস্তব তাই লিখে গেছি। কথোপকথন ইচ্ছে করেই কম দিয়েছি কারণ যা আমি শুনেছি তাই লিখে দিয়েছি। কথোপকথন ২য় পর্বে আছে যেখান থেকে আসল গল্প শুরু হবে।
লেখার সময় আমি সাধারনত তাড়াহুড়া করি না। বানান ভুল থাকতেই পারে, একবারে পুরো গল্পের সব কিছু ঠিক করে দেব। আপনার মেসেজ আমি পেয়েছি। সেই জন্য আবারও ধন্যবাদ।
শুভ কামনা রইল।

১০| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:২২

রাজীব নুর বলেছেন: খুব সুন্দর গল্প।
রুপা ও রিফাত ভালো থাকুক।

০৯ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:১২

নীল আকাশ বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ। রুপা ও রিফাত মনে হয় ভালো নেই। দেখা যাক এদের কি হয় পরের পর্বগুলিতে!

১১| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:৫৩

ইসিয়াক বলেছেন: এক আর দুই পড়লাম ।

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:০৭

নীল আকাশ বলেছেন: পড়ার এবং মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ।

১২| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:১৪

ইসিয়াক বলেছেন: অনেক ভালো লাগলো।
এক কথায় চমৎকার।
......পরবর্তী তাড়াতাড়ি দেবেন দয়া করে ।
শুভরাত্রি

০৯ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:৪০

নীল আকাশ বলেছেন: সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
পরের পর্ব আজকেই দিয়ে দিব।

১৩| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ২:২১

মা.হাসান বলেছেন: নূপুরের সারা ঘর বেড়ানোর আর বুকের উপর লোম ওয়ালা কিছুর চেপে বসার কথা আবার পড়ে ঘুমাতে যাচ্ছি, দেখি কিছু হয় নাকি।

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:২৮

নীল আকাশ বলেছেন: দেব নাকি চালান? হোক কিছু টাকা পয়সা খরচ? কি আছে জীবনে? আর থাইল্যান্ড সিঙ্গাপুর মাঞ্জা মেরে ঘুরার লাগবে না!!!!

১৪| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ২:৩১

আরোগ্য বলেছেন: বোনাই,
আশা করি ভালো আছেন। দিনেই পোস্ট দেখেছি কিন্তু যেহেতু ভৌতিক গল্প তাই রাতে পড়ার সিদ্ধান্ত নেই। তাই সিদ্ধান্ত মোতাবেক সবেই পড়া শেষ করলাম।
আমার কাছে কিন্তু ঘটনাগুলো বেশ পরিচিত যেহেতু পুরান ঢাকার বাসিন্দা। আমাদের বাসায় তো আগে রাতের বেলা হরেক রকম শব্দ পাওয়া যেত, এখনও কেউ কেউ পায়।
দ্বিতীয় পর্ব দিতে দেরি করবেন না কিন্তু বোনাই।

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:০৫

নীল আকাশ বলেছেন: ভাই,
আমি তো প্রথমেই বলেছি এটা সত্য ঘটনা অবলম্বনে লেখা হয়েছে। আমি শুধু টুকটাক কিছু কাজ করেছি লেখার সমইয়, ব্যাস।
যা বাস্তব তাই লিখে গেছি। এইসব যে শুনা যায় তা আমি খুব ভালো ক রেই জানি।
পরের পর্বগুলি লেখা শেষ, এডিটিং চলছে। খুব তাড়াতাড়ি দিয়ে দেব।
শুভ সকাল।

১৫| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:০৭

খাঁজা বাবা বলেছেন: পরের পর্ব কবে?

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:০৯

নীল আকাশ বলেছেন: আমি সাধারনত পুরো গল্প লেখা শেষ করেই দেয়া শুরু করি।
২য় পর্বের এডিটিং এর চলছে। খুব তাড়াতাড়ি দিয়ে দেব।

১৬| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:৪২

মুক্তা নীল বলেছেন:
নীল আকাশ ভাই ,
অনেকদিন পর একটা গল্প পড়লাম পারিপার্শ্বিক কিছু ঘটনার সাথে বাস্তব মিল পেলাম যা আমার নিজ কানে শোনা।
জীন আমাদের মহান আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন যা পবিত্র কুরআনের ব্যাখ্যা দেওয়া আছে। আমার কেনো জানি জীন খুব ভয় লাগে আপনার গল্প পড়ে পরের পর্ব পড়ার জন্য উদগ্রীব হয়ে আছি
পড়তে ভালোই লাগলো।
অনেক ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জানবেন ।

০৯ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:৫৩

নীল আকাশ বলেছেন: আপু,
এটা বাস্তব ঘটনা নিয়ে লেখা। পারিপার্শ্বিক ঘটনার সাথে বাস্তব মিল পাবার সম্ভাবনাই বেশি।
শুধু আপনি কেন সবাই এদের খুব ভয় পায়। আজকেই পরের পর্ব দিয়ে দেব।
ধন্যবাদ এবং শুভ কামনা রইল।

১৭| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:৩৬

জুন বলেছেন: এইটা কিছু হইলো :-* সঁমাপ্তিতে এঁইরাঁম চঁমক থাঁকলে ভঁবিষ্যতে আঁমি আঁর আঁসপোঁনা বইঁলে দিঁলাঁম কিঁন্ত।

০৯ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:৫১

নীল আকাশ বলেছেন: আঁপনি না আঁসলে রুপার জিঁনিস আঁপনার কাঁছে পাঁঠিয়ে দেঁব।
তখন বুঁঝবেন দুঁনিয়া ক্যা চীঁজ হ্যাঁয়?

১৮| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:০৫

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: গল্প রাতে পড়েছি আর এখন আইছি মন্তব্য করতাম হাহাহা
ভুলেই গেছিলাম মন্তব্য করতে

গল্প ভালো লাগছে ভাইয়া

০৯ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:৪৯

নীল আকাশ বলেছেন: রাতে এই গল্প পড়ে আবার ভয় পান নি তো?
এবার ভয় না পেলে পরের পর্বে নির্ঘাত পাবেন।
ধন্যবাদ।

১৯| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:২৪

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
আসলেই এগুলো বাস্তবে ঘটছে তা অনেকে মানতে চায় না।

কিন্তু যার সাথে ঘটে সে ই বুঝে কেমন মর্ম যাতনা।
++++++

০৯ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:৪২

নীল আকাশ বলেছেন: আমি একদম বাস্তব ঘটনা নিয়েই লিখেছি।
খুব ভয়ংকর যন্ত্রণা করে এরা।
যাদের হয় তারাই বুঝে।
ধন্যবাদ।

২০| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:২৭

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: ভুত ভুত ভুতং
দেখি শেষে কি হলং ;)

হা হা হা

অপেক্ষায় রইলাম

০৯ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:৪৮

নীল আকাশ বলেছেন: ভুত বলে কিছু নেই। সব অদৃশ্য প্রাণির কাজ। এদের কথা পবিত্র কুরান শরীফেও বলা আছে।
পরের পর্ব আজকেই দিয়ে দিব। পড়ার আমন্ত্রন দিয়ে গেলাম।

২১| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:১৪

মা.হাসান বলেছেন: আরো দুজন হরতালের কথা বলেছেন দেখছি। কাজেই ২য় পর্বে সাবধান, শুধু হরতাল না, বাটি চালান-ডোডো চালান করে ডেব।

০৯ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:২৬

নীল আকাশ বলেছেন: পরের পর্ব খুব মনোযোগ দিয়ে লিখেছি। বিশেষ করে একদম শেষের অংশ। আপনাকে ভয় দেখানোর জন্য।
দেখি আপনি কি বলেন পড়ার পর? আজকেই দিয়ে দেব।

২২| ১০ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:৪৭

আমি তুমি আমরা বলেছেন: শুধুমাত্র বর্ণনা পড়ে গেলাম। কয়েক জায়গায় সংলাপ দিয়ে কিছু দৃশ্য তৈরী করলে এই পর্বটা আরো উপভোগ্য হত।

পঞ্চদশ ভাললাগা।

১০ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:৫৫

নীল আকাশ বলেছেন: এই লেখাটা নিয়ে কিছুটা সমস্যায় পড়েছি। একদম সত্য ঘটনা লিখেছি। কথপোকথনগুলি এত ডিটেইলস জানা নেই। আন্দাজে দিলে মিথ্যা কথা বলা হয়ে যায়। তাই বাহুল্য কিছুই দেই নি। পরের পর্বগুলিতে কিছুটা দিয়েছি নিতান্তই ঠেকায় পরে।
সত্যা সবসময়ই কিছুটা রুক্ষ আর কর্ক্ষ হয়।
ধন্যবাদ পড়ার জন্য।

২৩| ১১ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১২:০৬

আমি তুমি আমরা বলেছেন: আপনি হয়ত শুনেছেন ঘটনা হিসেবে, এখানে তো লিখেছেন গল্প হিসেবে। গল্প লিখতে গিয়ে অল্প বিস্তর স্বাধীনতা লেখক নিতেই পারেন।

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:২৯

নীল আকাশ বলেছেন: শুভ সকাল,
লেখালিখি নিয়ে আমি নিত্য নতুন এক্সপেরিমেন্টের পক্ষে সবসময়েই। এই ধরনের লেখা আগে লিখি নি। গল্প তো অনেক লিখেছি । এবার সত্য ঘটনা নিয়ে লিখি কিছু, দেখা যাক কেমন হয়! হাত পাকানো বলতে পারেন বা প্রাক্টিসও বলতে পারতেন।
ধন্যবাদ।

২৪| ১১ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:১৬

ফয়সাল রকি বলেছেন: শুরুটা ভালোই হলো। খেলা জমে যাচ্ছে। পরের পর্বে যাই।

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:৪৯

নীল আকাশ বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ। পরের পর্বগুলিতে আমি আরও বিস্তারিত ভাবে এই ঘটনা লিখেছি। পড়ার আমন্ত্রন দিলাম।
শুভ কামনা রইল।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.