নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বিশ্বজোড়া পাঠশালাতে সবাই ছাত্র-ছাত্রী, নিত্য নতুন শিখছি মোরা সদাই দিবা-রাত্রী!

নীল আকাশ

এই ব্লগের সমস্ত লেখা সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। আমার অনুমতি ছাড়া এই ব্লগের লেখা অন্য কোথাও প্রকাশ করা যাবে না।

নীল আকাশ › বিস্তারিত পোস্টঃ

ভৌতিক গল্পঃ অ-স্পর্শ (দ্বিতীয় পর্ব)

০৯ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:৪৫



ঘটনার ধারাবাহিকতার জন্য পড়ে আসুনঃ ভৌতিক গল্পঃ অ-স্পর্শ (প্রথম পর্ব)

……..কিছুক্ষন পরেই রুপা রুপা বলে বেডরুম থেকে অদ্ভুত গুরুগম্ভীর একটা নিনাদ শুনে রিফাত আর রুপা দৌড়ে বেডরুমে যেয়ে ঢুকলো……

ঘরের মেঝেতে বৃত্তাকার আকৃতির একটা চক্র এঁকে তার মাঝখানে সেই ভদ্রলোক চোখ বন্ধ অনেকটাই চন্দ্রাসনের ভঙ্গিতে বসে বিড়বিড় করে কি যেন পড়ছেন। সমস্ত শরীর অদ্ভুত ভঙ্গিতে দুলছে। ঘরের সব লাইট বন্ধ। চক্রের চারপাশের বিজোড় সংখ্যার মোমবাতিগুলিও কেমন যেন নিভু নিভু করে আবার ধুপ করে জ্বলে জ্বলে উঠছে। সারাঘরে মিষ্টি একটা ঘ্রাণ ময়ময় করছে। রিফাত এই ঘ্রাণটা কিসের না চিনলেও রুপা সাথে সাথেই চিনতে পারলো। কিছুদিন আগেই বিয়ের পর রাতের বেলা এই ঘ্রাণটা ও পেয়েছিল। কিছুটা অবাক চোখে সামনে তাকিয়ে রইল রুপা!

হুট করে উনি চোখ খুলে রুপার দিকে তাকালেন। আর সাথে সাথেই সবগুলি মোমবাতি ধুপ করে একসাথে নিভে গেল আর ঘরের ২টা টিউবলাইটও জ্বলে উঠল।

-রুপা, তুমি এখানে, এই চক্রের ভিতরে চলে আস। এখানে কোন ভয় নেই। এর ভিতরে কেউ তোমাকে স্পর্শ করতে পারবে না।
-রিফাত, রুপার সদ্য ব্যবহার করা যে কোন একটা কাপড় দাও আমাকে। আর কাপড় দেয়ার পর অন্যকোন দিকে না তাকিয়ে তুমি এই ঘর থেকে সোজা বের হয়ে যাবে। এরপর এই রুমের ভিতর থেকে যত কিছুই শুনো, আমি না ডাকা পর্যন্ত এইখানে প্রবেশ করবে না। কারণ এই বৃত্তের মধ্যে আমি নিরাপত্তা দিতে পারবো কিন্তু এর বাইরে পারবো না।

রিফাত ঘর থেকে বের হয়ে যাবার পর, উনি রুপাকে বৃত্তের ভিতরে বসলে জাফরানের রঙ দিয়ে আরবীতে কিছু লেখা একটা কাগজ ধরতে বলে সুনির্দিষ্ট কিছু প্রশ্ন করা শুরু করলেন। রুপার উত্তরগুলি শুনে সন্তুষ্ট না হয়ে, রুপার বামহাতের কনিষ্ঠ আঙ্গুল জোরে চেপে ধরে চোখ বন্ধ করে কিছু পড়তে শুরু করলেন। রুপার চোখ কেন যেন নিজে নিজেই বন্ধ হয়ে আসল। এরপরেই রুপার মানসপটে এক এক করে এর সাথে সংশ্লিট সব ঘটনাগুলি ভেসে উঠতে লাগলো।

কিছুক্ষন পরে-
-তোমার এতটাই খারাপ অবস্থা হয়েছে আগে জানাও নি কেন? এত আহাম্মক কেন তুমি?
-রিফাত কিছুতেই বিশ্বাস করে না। আমার আব্বু আম্মুকেও বলেছিলাম। আমাদের আব্বু আম্মুও এইসব কিছু বিশ্বাস করে না। উনারা মনে করেছে রিফাতের সাথে ঝগড়াঝাটি করে সংসার ভেঙ্গে দিয়ে আমি চলে আসতে চাইছি।
-এতকিছু গোপন রেখে নিজের সর্বনাশ ডেকে এনেছ তুমি।
-আমার কোন উপায় ছিল না। আমি কাউকে কিছু বলতে গেলেই এটা আমাকে শাস্তি দেয়া শুরু করে। প্রথমদিকে বাধা দিতাম দেখে অনেক কষ্ট দিত, সারাশরীরে ব্যথা ব্যথা করে ফেলত। প্রচন্ড মাথাব্যথার সাথে সারা শরীর জ্বলেপুড়ে যেত। কাউকে কিছু জানালেই ঘুমের মধ্যে এসে হাজির হতো, একটা লাল টকটকে আগুনের মুখ বিভিন্ন ভাবে ভয় দেখাত। হুট করেই ঘুমের মধ্যে আপনা আপনি আমার গায়ের সব জামা কাপড় উধাও হয়ে যেত। একদিন আম্মুকে ফোনে বলেছি দেখে দুপুরবেলা বিছানা থেকে উঁচু করে নিয়ে মেঝেতে ছুড়ে ফেলে দিয়েছিল। এটার ভয়ে কাউকেই কিছু বলতে পারতাম না কি কষ্ট পাচ্ছি।
-হুম, একটা খবিস জ্বীন এসে আস্তানা গেড়েছে তোমার কাছে। কিন্তু এটা তোমার কাছে আসল কিভাবে? তোমার কোন ধারণা আছে?
-আমি জানি না। বিয়ের আগে আমার এই ধরনের কোন সমস্যাই ছিল না।
-তুমি নিশ্চিত বিয়ের আগে এই ধরনের কোন সমস্যাই ছিল না?
-না, রিফাতের সাথে বিয়ে হবার আগে এই রকম কিছুই হতো না।

রুপার দিকে কিছুক্ষন তাকিয়ে থেকে, উনি রুপার একটা কাপড় হাতে নিয়ে বিড়বিড় করে কি যেন পড়া শুরু করলেন, চোখ বন্ধ করে। কিছুক্ষণ পর-
-আচ্ছা রুপা, তোমাকে কি কোন ছেলে বিয়ে করতে চেয়েছিল, খুব করে চেস্টা করেছিল। ভালো করে ভেবে চিন্তে বল!

রুপা অনেকক্ষণ চুপ থেকে কি জানি ভাবলো। এরপর লজ্জায় মাথা নীচু করে অস্ফুটস্বরে বললঃ
-আমাদের বাসার কাছের একটা ছেলে আমাকে বিয়ে করতে চেয়েছিল। ছেলেটা মোটেও ভালো না। লেখাপড়াও খুব একটা করে নি। আমার মেঝবোনকেও বিয়ে করতে চেয়েছিল। আব্বু কারও সাথেই এর বিয়ে দেননি। এদের অর্থনৈতিক অবস্থা খুব খারাপ। আমাদের ফ্যামিলির সাথে কোনভাবেই মানায় না। এর বাবা আমাদের আম-কাঠালের বাগানে আগে কাজ করতো।
-এর নাম কি?
-রফিক উল্লাহ। ডাকনাম রফিক।
-তোমার বিয়ে ঠিক হয়ে যাবার পর কখনও কোন কাপড়চোপড় চুরি হয়ে যাওয়া কিংবা কিছু অংশ কাটা এইরকম পেয়েছ? তোমার ব্যবহার করা চিরুনি কিংবা চুলের কাঁটা খুঁজে পাওনি? অথবা ব্যবহার্য অন্যকোন কিছু খুঁজে আর পাওনি? খুব ভেবে চিন্তে বলবে!

রুপা অনেকক্ষন চুপ করে থেকে কি জানি ভাবল।
-হলুদের অনুষ্ঠানের দিন বারান্দায় শুকাতে দেয়া আমার নতুন একটা ওড়নার কিছু অংশ কে যেন কেটে নিয়েছিল। আর আমার একটা চিরুনি হারিয়ে গিয়েছিল। চিরুনিটা আমার খুব প্রিয় ছিল। ওটা দিয়েই আমি সবসময় চুল আচড়াতাম।
-ভয় যা পেয়েছিলাম তাই হয়েছে। এইসব জিনিশগুলিই কারও বিরুদ্ধে যাদু করার জন্য কাজে লাগে। বিশেষ করে মেয়েদের বিরুদ্ধে।

কিছুক্ষন চুপ করে থেকে উনি কি জানি ভাবলেন, তারপর রুপার দিকে তাকিয়ে বললেনঃ
-রুপা, এখন তুমি চোখ বন্ধ করবে এবং প্রথম যেদিন এই ঘরে এটা তোমাকে আক্রমণ করে, সেটা মনে করার চেস্টা করবে। আমি জানি এটা এইসব স্মৃতি মনে করতে দেয় না, তবে এখন তুমি চক্রের ভিতরে আছ। এটা কোনভাবেই তোমার কাছে আসতে পারবে না। সাহস করে একবার আমাকে এটার স্বরূপ দেখতে দাও। আমি এটা কোথা থেকে এসেছে জানতে চাই। একমাত্র তুমিও পার এটাকে দেখার ব্যাপারে আমাকে সাহায্য করতে।

এরপর পাশে রাখা একটা ব্যাগ থেকে চন্দন কাঠের অদ্ভুত একটা পুঁতির মালা বের করে রুপার গলায় পরিয়ে দিলেন। রুপার সাথে সাথে উনিও চোখ বন্ধ করলেন, তবে মনে হলো উনি খুব মৃদুস্বরে কিছু পড়া শুরু করলেন।

পনের মিনিট পরে উনি রুপাকে চোখ খুলে রিফাতকে যেয়ে ডেকে আনতে বললেন।

রিফাত আসার পর উনি আবার কথা শুরু করলেনঃ
-রিফাত, এই পৃথিবীতে সবকিছু লজিক আর বিজ্ঞান মেনে চলে না। তোমার চেনাজানা পৃথিবীর বাইরেও আরেকটা জগত আছে, যেখানে অনেক ভয়ংকর কিছুই সম্ভব, যার মধ্যে কালোযাদু একটা। এই ধরনের যাদুর মধ্যে সবচেয়ে পুরাতন আর নোংরা যাদু হলো স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটানোর কালো যাদু। যতদুর শুনা যায়, সুদূর ব্যাবলনীয় সময়কালে প্রথম এই যাদুর উৎপত্তি হয় হারুত/মারুতের কাছে থেকে। তোমার কাছে অসম্ভব মনে হলেও, রুপার উপর এই কালোযাদু প্রয়োগ করা হয়েছে। যে করিয়েছে সে রুপাকে বিয়ে করতে চায়। রুপা যেন কোনভাবেই তোমার সাথে সংসার করতে না পারে সেই জন্য, এই কালো যাদুর সাথে আবার একটা দুষ্টজ্বীনকেও রুপার উপর চাপিয়ে দেয়ার ব্যবস্থা করেছে। এই ধরনের জ্বীন পাঠানো ভয়ংকর কঠিন কাজ, এটা যে কেউ করতে পারে না। যে এইকাজ করেছে সে খুবই শক্তিশালী একজন সাধক। আমি অনেক চেস্টা করেও এর কোন খোঁজখবর বের করতে পারলাম না।
-তুমি এখন থেকে সবসময় রুপার কাছে কাছে থাকবে। বিশেষ করে রুপার ঘুমের সময়। বাসায় অবশ্যই অতিরিক্ত কাউকে এনে রাখার ব্যবস্থা করো। এটা শুধুমাত্র রুপা যখন একা থাকে তখনই আক্রমণ করে। সুতরাং কোনভাবেই রুপার একা থাকা চলবে না।
-তাহলেই কি রুপা’র এইসব সমস্যা ঠিক হয়ে যাবে?
-না। রুপা’র জন্য আমি একটা কবজ তৈরি করে যাবার আগে দিয়ে যাব। এটা রুপার ২৪ঘন্টাই পড়ে থাকতে হবে। যতকিছুই হোক, কোনভাবেই এটা খোলা যাবে না। আমি দেখতে চাচ্ছি এরপর এটা কিভাবে রুপাকে বিরক্ত করে। এটা কিভাবে পড়তে হবে সেটা আমি ভালো করে রুপাকে বুঝিয়ে দিয়ে যাব। তাছাড়া রুপা’কে বেশ কিছু নিয়ম কানুন মেনে চলতে হবে।

এরপর রিফাত লজ্জায় মাথা নীচু করে আরেকটা ভয়ংকর সমস্যার কথা ইতঃস্তত করে বলা শুরু করতেই উনি উচ্চস্বরে হেসে উঠলেন।
-রিফাত তুমি থাম, আমি জানি। এই কালোযাদুর প্রথম কাজই হচ্ছে এটা বন্ধ করা। এটা দুইভাবে করা হয়। পুরুষকে নির্জীব করে দেয়া হয়, কোনভাবেই যৌন উত্তেজনা আসে না। আর নারীদের মাসিকের রক্তপাত কোনভাবেই বন্ধ হয় না। এটার কোন এলোপ্যাথিক কিংবা হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা নেই। রুপার এখন কি অবস্থা সেটা আমি শুনেছি। তোমারও কি এই সমস্যা হচ্ছে?

রিফাত দ্রুতই মাথা উপর নীচ করল।
-রাতের বেলা রুপার কাছে যেতেই ইচ্ছে করে না। ওর গায়ের সাথে গা লাগলেও বিরক্ত লাগে।
-আচ্ছা ঠিক আছে। এটা ঠিক করে দেয়া যাবে। তবে তোমাদের দুইজনকেই আমি যেভাবে চলতে বলবো ঠিক সেইভাবে চলবে।

পরেরদিন সকাল এগারোটা দিকে উনি সবকিছু সুন্দর করে দুইজনকে বুঝিয়ে দিয়ে চলে গেলেন।


সাত

হুট করেই রুপা আর রিফাতের দাম্পত্য সর্ম্পক আবার খুব মধুর হয়ে উঠল। বাসায় পালা করে রুপার আর রিফাতের মা রুপার সাথে থাকা শুরু করলেন। রাতেরবেলা মাঝে মাঝে হালকা কিছু দুঃস্বপ্ন দেখা ছাড়া রুপার আর কোন সমস্যাই হলো না।

দেখতে দেখতে প্রায় একমাস পার হয়ে গেল। এর মাঝে একদিন রিফাতের এক কলিগের বাসায় রাতের বেলা দাওয়াত খেয়ে রিকশায় করে বাসায় ফিরছিল দুইজন। রিফাত জানতো না আজকে পূর্ণ অমাবস্যা। বাসা থেকে একটু দূরেই রিকশার পিছনের একটা চাকা, যেদিকে রুপা বসেছিল সেটা আচমকা বাঁকা হয়ে গেল। ভারসাম্য হারিয়ে ওরা দুইজনই ছিটকে পরে গেল রাস্তায়। তেমন কোন ব্যাথা না পেলেও আরেকটা রিকশায় বাসায় ফেরার সময় রুপা ফিসফিস করে রিফাতকে জানালো যে রুপার কোমড়ে বাধা কবজটার সুতা ছিড়ে রাস্তায় পড়ে গিয়েছিল। রুপা ছেড়া কবজটা ভেনিটিব্যাগে করে নিয়ে এসেছে। কবজটার বেশ কিছু জায়গায় ছিড়ে ছিড়ে গেছে।

বাসায় ফেরার পর রুপা কিংবা রিফাত দুইজনই বেমালুম সেই কবজের কথা ভুলে গেল।

পরেরদিন সকালবেলা রিফাতের ছোটবোনের প্রচন্ড জ্বর আসলো। ডাক্তার কিছুতেই জ্বর কমাতে পারছে না। হু হু গায়ের তাপমাত্রা বেড়েই যাচ্ছে। তাড়াহুড়া করে রিফাতের মা নিজের গ্রামের বাড়ি চলে গেলেন রুপাকে একদম একা রেখে।


আট

ফাঁকা বাসায় রুপার কিছুটা ভয় লাগতে শুরু করলে রিফাতকে ফোন সবকিছু জানিয়ে আজকে তাড়াতাড়ি বাসায় চলে আসতে বললো। একা একা ঘুমাতে রুপাকে নিষেধ করা আছে দেখে, দুপুরবেলা খাওয়া দাওয়ার পর রান্নাঘরে এসে রুপা পায়েস রান্না করা শুরু করল। রিফাত ওর রান্না করা পায়েস খুব পছন্দ করে। দুধ গরম হয়ে যাবার পর ডেকচিতে চিনির প্যাকেট থেকে চিনি ঢালা শুরু করল রুপা। কিন্তু রুপা অবাক হয়ে দেখল, যতই চিনি ঢালছে সবগুলিই ডেকচির ভিতরে টগবগ করা দুধের অনেক উপর থেকেই অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছে। আস্ত এককেজি প্যাকেটের চিনি যখন ওর চোখের সামনে এভাবেই অদৃশ্য হয়ে গেল, রুপার সারাশরীরে রীতিমতো কাঁটা দিয়ে উঠল। শরীর ঘামিয়ে উঠলে শাড়ির আঁচল দিয়ে কপাল মুছার সময় সহসাই রুপার উন্মুক্ত কাঁধে হালকা গরম বাতাস এসে পড়লো, যেন কেউ পিছনে দাঁড়িয়ে ওর কাঁধে নিঃশ্বাস ফেলছে। ঝট করে ঘাড় ফিরিয়ে পিছনে তাকিয়ে রুপা ভয়ংকর চিৎকার দিয়ে উঠল, কিন্তু কেন যেন একটা শব্দও ওর গলা দিয়ে বের হলো না। গরগর করে কিছু শুনা যাচ্ছে শুধু। রুপা জ্ঞান হারিয়ে মাটিয়ে লুটিয়ে পড়ার আগে শেষবারের মতো দেখল ওর লম্বা চুলের ঝুটি ধরে ওকে কোথায় যেন টেনে নিয়ে যাচ্ছে…………


সবাইকে ধন্যবাদ ও শুভ কামনা রইল।
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত@ নীল আকাশ, নভেম্বর ২০১৯

মন্তব্য ৬১ টি রেটিং +১৫/-০

মন্তব্য (৬১) মন্তব্য লিখুন

১| ০৯ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:৪৯

ইসিয়াক বলেছেন: পড়ছি...।

০৯ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:০৬

নীল আকাশ বলেছেন: সুস্বাগতম। পড়া শেষে ভয় পাবেন নাতো? রাতে ঘুমে অসুবিধা হলে আমি দায়ী নই।

২| ০৯ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:২৮

ইসিয়াক বলেছেন: পুরোটা পড়লাম। একটা ঘটনা শেয়ার করি .....।আমার একজন পরিচিত আছেন সেই মেয়েটি বিয়ের অনেক বছরেও সন্তান হয় না।
অনেক কবিরাজ দেখিয়ে ,ডাক্তার দেখিয়ে তেমন কোন উপকার হয় না শেষে একজন কবিরাজ ,যে জ্বীন ভারণ দিতে পারে অর্থাৎ ভালো জ্বীন তার কথা শোনে বা মানে এরকম কিছু ।যা হোক সে জানালো এই মেয়েটিকে একটি ছেলে ভালোবাসতো ।মেয়েটি তাকে ভালোবাসতে অস্বীকার করাতে সে কালো জাদুর আশ্রয় নেয়। মেয়েটির এক বান্ধবীর সহায়তায় সে তার ব্যবহৃত কাপড় ও চুল আমাবশ্যার রাতে জোড়া কবরের মাঝখানে তাবিজ বানিয়ে পুঁতে রাখে।.....মেয়েটির এখনো সন্তান হয়নি । আর সবচেয়ে বড় কথা
কবিরাজ যা যা বলেছিল সব মিলে গিয়েছিল । কবিরাজ কি করে জানলো ?
গল্পটি দারুণ লাগছে...চিরুনি বানান টাইপো আছে
ধন্যবাদ

১০ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:৪৫

নীল আকাশ বলেছেন: আপনার মন্তব্য গতকালকেই পড়েছি। আপনার আরেকটা মম্তব্যের প্রতিমন্তব্য দিতে যেয়ে এটা মিস হয়ে গেছে। মন্তব্য দেখার সাথে সাথেই বানান ঠিক করে দিয়েছি। ধন্যবাদ আপনাকে। দ্রুত লেখার সময় এত খেয়াল রাখা কঠিন!

একদম ঠিক এইরকম ঘটনা আমার এক আত্মীয়ের সাথেও ঘটেছে। কাছের একটা মানুষই করেছিল। অনেক কষ্ট করে সেটা খুঁজে বের করতে হয়েছিল। অনেকদিন বিয়ে আটকে ছিল। বের করে নষ্ট করার পর অল্পদিনের মধ্যেই বিয়ে হয়ে যায়। শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও এটাই বাস্তব এবং সত্য।
শুভ কামনা রইল।

৩| ০৯ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:২৯

মা.হাসান বলেছেন: আল্লাহ ভুয়া মফিজ ভাইকে ভুয়া এবং আসল সকল প্রকার জ্বীনের হাত থেকে রক্ষা করুন।

বিলাতে শুনি বছরে আট মাসই মাঘ মাস। ওনার মাঘ মাস আসে না কেন?

হরতালের প্রবল ইচ্ছা ছিল, কিন্তু আপনি তিন পর্বে শেষ করবেন বলেছেন বলে হরতাল ডাকা থেকে বিরত থাকছি। তবে..
এই রকম কিছু আপনার কাছে চালান দিতে ইচ্ছা হচ্ছে। আপনার ডিএনএর স্যাম্পল দরকার ছিল। কিন্তু নাই বলে লেখার স্যাম্পল দিয়েই কাজ চালাচ্ছি। আপাতত কিছুদিন সাবধানে থাকবেন। আপনার ব্যস্ত সময় যাচ্ছে অনুমান করছি। কামনা করি শীঘ্রই যেন আপনার ব্যস্ততা আর জাদিদ ভাইয়ের ব্যস্ততার কারণ এক হয়।

০৯ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:০৪

নীল আকাশ বলেছেন: আমার বাড়ি ঘটনার কাছাকাছি। দিনাজপুরেই।
ব্লগে বড় গল্প দিলে অসুবিধা হয় দেখে ২টা এখন ৩টা পর্ব করে দেই।
আপনাকে ইমেইলে একটা বই পাঠাবো। পড়ে দেখবেন।
জাদিদ ভাইয়ের ব্যস্ততার কারণ আমি জানি না। তবে আমি আমারটা জানি। আপ্রাণ চেস্টা করছি সাইজ করতে। আশা করছি আজকেই কাজ প্রায় শেষ হয়ে আসবে। আপনার সাথে পরে ফোনে কথা বলবো।
শুভ কামনা রইল।

৪| ০৯ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:৪০

মা.হাসান বলেছেন: ব্যবহৃত কাপড়ের অংশ দিয়ে কালো জাদুর ঘটনা আমার নিকটাত্মিয়ের মাঝেও ঘটেছে। চায়ের দোকানের আড্ডায় এসব উড়িয়ে দেয়া যায়, কিন্তু রোগি যখন সব জায়গা থেকে ফিরিয়ে দেয় তখন অতি বড় নাস্তিকও ফকির খোঁজে। আপনি যে এলাকার ঘটনা বলেছেন ঐ এলাকা আমার পরিচিত। ওখানে কিছু বড় গুনিন ছিলেন, এখনো বেঁচে আছেন কি না জানা নেই। আপনাকে আমি এই বইটা পড়ার অনুরোধ করবো, আরো কিছু গল্পের রসদ পাবেন আশা করি:
আমার যত ভৌতিক অভিজ্ঞতা
রূপা তার সমস্যার কথা শুরুতেই বললে মনে হয় ভোগান্তি কম হত, তবে আগে আর পরে-- আসর কাটাবার পদ্ধতির বেশ কম হতো না। পরের পর্বের অপেক্ষায় থাকবো। আজকেও রাতে চক্রে বসে আবার পড়বো।
অনেক মুগ্ধতা।

০৯ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:৫৯

নীল আকাশ বলেছেন: আমি এখানে নিতান্তই বাস্তব কিছু জিনিস নিয়ে লিখেছি। আমাদের চারপাশেই এইসব ঘটনা ঘটে যায়।
আমি নিজের চোখে ওড়নার এককোনা কেটে নিয়ে যেতে দেখেছি। কি করবে এটা দিয়ে ভাবুন?
অনেকেই এইসব বিশ্বাস করতে চায় না। বিশেষ করে উচ্চ শিক্ষিতদের মাঝে এই প্রবনতা বেশি।
আমি এই ধরনের অনেক ঘটনা দেখেছি। ধাপে ধাপে বিভিন্ন জায়গায় লিখবো।
যেই বইটা দিয়েছেন সেটা পড়ে দেখবো। আপনাকেও একটা লিংক দিলাম। অনেক গুলি বই আছে এখানে।
ভয়ের বই সংকোলন
ধন্যবাদ।

৫| ০৯ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:৫৬

ইসিয়াক বলেছেন: লেখক বলেছেন: সুস্বাগতম। পড়া শেষে ভয় পাবেন নাতো? রাতে ঘুমে অসুবিধা হলে আমি দায়ী নই।
আমার ভয় ডর কম । রাতে বাজি ধরে নিস্তব্ধ কবরখানায় কাটানো লোক আমি । ভয় যে একেবারে করিনি তা নয়।
আমি গ্রামে থাকাকালীন সময়ে মন খারাপ হলে বড় খোলা মাঠের মধ্যে একা একা রাতে জোছনা দেখতে যেতাম। জোড়া দীঘির পাড়ে নিস্তব্দ রাতে একা বসে থাকার মজাই আলাদা। চুপচাপ বসে জোছনায় ঢেউ এর আঁকিবুকি দেখতাম।

০৯ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:০৪

নীল আকাশ বলেছেন: আমার খুব ইচ্ছে আপনার নিক ইসিয়াক নিয়ে একটা গল্প লিখি। কোন অসুবিধা আছে?

৬| ০৯ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:১২

ইসিয়াক বলেছেন: লেখক বলেছেন: আমার খুব ইচ্ছে আপনার নিক ইসিয়াক নিয়ে একটা গল্প লিখি। কোন অসুবিধা আছে?


অবশ্যই লিখবেন । আমি খুশি হবো । সম্মানিত বোধ করবো ।

০৯ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:২৩

নীল আকাশ বলেছেন: ঠিক আছে, আমার একটা দারুণ গল্পের নায়কের নাম চেঞ্জ করে দেব। বড় গল্প।

৭| ০৯ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:১৬

ভুয়া মফিজ বলেছেন: গল্প এগুচ্ছে ভালোই। সমস্যা হলো, আমার ভুতের ভয় নাই। সেজন্যে গল্প হিসাবেই পড়ছি আর ভয় পাওয়ার চেষ্টা করছি। শেষ পর্ব পড়লে বুঝতে পারবো, আসলে কতোটুকু ভয়ংকর হলো। B-)

এতোদিন ধরে বাধা দিয়ে রেখেছে.....জ্বীনের চেতারই কথা। তবে, একজন মেয়ের চুলের ঝুটি ধরে টেনে-হিচড়ে নিয়ে যাওয়া বাজে ম্যানারের লক্ষণ, ভদ্রভাবেও নেয়া যায়! গল্প শেষ হলে ওটাকে আমার কাছে পাঠাতে পারেন কিনা দেখেন। ব্যাটাকে একটু ম্যানার শেখাতে হবে। :P

@মা.হাসান: দাড়ান দাড়ান, এতো ব্যস্ত হচ্ছেন কেন? এখানে মাঘমাস এসে গিয়েছে। আজ ভোরে তাপমাত্রা ছিল মাইনাস দুই। আমি আগামী মাঘ মাসের কথা বলেছি!! :P

১০ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:১৮

নীল আকাশ বলেছেন: মফিজ ভাই, আমি কিন্তু এই গল্পে কাউকেই ভয় দেখানোর জন্য লিখিনি। কাউকে ভয় দেখানোর চাইতে সর্তক করে দেয়াটাই আমার মূল উদ্দেশ্য। মানুষের জীবনে ঘটে যাওয়া বাস্তব কিছু কাহিনী ব্লগের পাতায় তুলে আনলাম। অবিশ্বাস্য হলেও ঘটনাগুলি সত্য এবং যারা ভুক্তভোগী তারাই জানে কত কষ্ট তারা করেছে। নিজের প্রায় কিছুই লিখিনি যা বাস্তব তাই শুধু তুলে দিয়েছি।

জ্বীন মাঝে মাঝে মারাত্মক অত্যাচার করে সেটা আমি নিজের চোখে দেখেছি। মারতে মারতে সারা শরীর ফুলিয়ে ফেলে। এরা ম্যানার শিখলে তো কাজই হয়ে যেত। এদের অবাধ্যতার কথা পবিত্র কুরআন শরীফেও দেয়া আছে।

ঠিক আছে, আসছে মাঘ মাসের আপনাদের দুইজনের কর্মকান্ডই ব্লগের ভিজিলেন্স টীমের আওতায় আনা হবে।
ধন্যবাদ।

৮| ০৯ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:১৯

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: কমেন্ট করার সময় পোস্টের প্রসঙ্গে থাকা খুব জরুরী।

আমার পোস্টে আপনার শেষ কমেন্ট অপ্রাসঙ্গিক হওয়ায় মুছে দিয়েছি।

সরকারের সমালোচনা মূলক কমেন্ট রাজনৈতিক পোস্টে করতে হয়।

আশা করি বুঝতে পেরেছেন।

ধন্যবাদ।

[আমার এই কমেন্ট-টাও আপনার এই পোষ্টের সাথে অপ্রাসঙ্গিক। কিন্তু, আপনাকে বুঝাতে করতেই হলো।]

০৯ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:৫০

নীল আকাশ বলেছেন: সরকারের সমালোচনা মূলক কমেন্ট রাজনৈতিক পোস্টে করতে হয়।
এই থিওরি কে আবিষ্কার করলো আপ্নি নাকি?
আমার মন্তব্য অপ্রাসঙ্গিক ছিল না সরকারের ভয়াবহ উন্নতির কথা বলা হয়েছিল। গায়ে জ্বালা ধরিয়ে দিয়েছিল না?
লীগে সমালোচনা সহ্য করতে পারেন কেন? রাজনৈতিক কোটা নাকি?
মন্তব্যটাতে কি আপনাকে গালি দেয়া হয়েছিল না বাজে ভাষায় কটুক্তি করা হয়েছিল?
ব্লগে কারও মন্তব্য ডিলিট না করা একধরনের ব্লগীয় ভদ্রতা। কিন্তু ব্লগের দেখছি অনেকেই সেটা জানে না।
আপনার মতো এত সংকীর্ণ মনের ব্লগার আর আমার ব্লগে আসার দরকার নেই। আমিও আপনার ব্লগে যাব না।
আপনার এই মন্তব্য এখানেই থাকবে। সবাই দেখুক আপনার আসল পরিচয় কি?

৯| ০৯ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:৩৮

জুন বলেছেন: এই পর্বে ভুতের তেমন কোনো কারিশ্মা দেখলাম্না তাই ভয়ও পাই নাই নীল আকাশ :-&
দেখি আগামী পর্বে পাই কি না /:)
=p~
+

০৯ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:৫৪

নীল আকাশ বলেছেন: আপু,
এটা গল্পের চাইতেও বেশি বাস্তব ঘটনা। আমি শুধু বর্ননা করে গেছি। ইচ্ছে করেই লেখার কোন ক্যারিসমা দেখাই নি।
বাস্তবের যত কাছাকাছি থাকা যায়। অনেক বাস্তব ঘটনার মিল পাবেন এটার সাথে।
ধন্যবাদ।

১০| ০৯ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৪

জুন বলেছেন: আরেকটা কথা গপ্পডা এক্কেবারে টানা বইলা গেছেন, কোন সাসপেন্স রাখেন নাই কিচ্ছু না। ট্যাং ট্যুং শোওওও, হি হি হি, এই রকম টাইপ কোন ভৌতিক শব্দই নাই :( তার উপর রিফাতরে কইছেন ভয়ংকর কোন শব্দ হইলেও যেন রুমে না আসে। কিন্ত কোন শব্দ হওয়ার আগেই তারে রুমে ডাইকা আনছেন #:-S এমুন মেলা অসংগতি সেঈটা আর কইলাম্না ( মানে খুইজা পাইলাম্না) :P
পরের পর্বগুলো জমাট ক্ষীরের মত লেখবেন :) আমরা পঠকরা জানি ভয় পাই :((

১০ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:২২

নীল আকাশ বলেছেন: জুন আপু,
আমি তো প্রথমেই বলে দিয়েছি এটা সত্য ঘটনা অবলম্বনে লিখা হয়েছে। নিজের লেখার কোন কিছুই এতে ঢুকাই নি। জগা খিচুরী হয়ে যেত। সত্য সত্যই থাক। এই পৃথিবীতে কত আজব আজব ঘটনা ঘটে সেটা লেখা হয়ে থাক। কাউকে ভয় দেখানোর চাইতে সর্তক করে দেয়াটাই আমার মূল উদ্দেশ্য। আর আপনার জন্য স্পেশাল একটা ভয়ের গল্প লিখে দেব, কথা দিলাম। ভয় না পেলে ব্লগের পোস্ট ফেরত।
ধন্যবাদ।

১১| ০৯ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:৫৮

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:

আপনি পুরোনো ব্লগার। তারপরো, এখনো ব্লগে কমেন্ট কিভাবে করতে হয়, তা বুঝলেন না।

আপনাকে বুঝালাম যে 'অপ্রাসঙ্গিক' কমেন্ট করতে নেই। যারা পোস্টের সাব্জেকেটের সাথে মিল না রেখে কমেন্ট করে, তারা উজবুক।

১২| ০৯ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:১৩

আরোগ্য বলেছেন: রাতে পড়বো ইনশাআল্লাহ বোনাই। ভুতের কাহিনী রাতেই মজা।

১০ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:৪৮

নীল আকাশ বলেছেন: আরোগ্য ভাই,
ভুতের কাহিনী রাতেই মজা। কোন দ্বিমত নেই এই ব্যাপারে। আমি জানি আপনি এই গল্প মিস করবেন না।
ধন্যবাদ।

১৩| ০৯ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:২৫

রাজীব নুর বলেছেন: খুব সুন্দর।

১০ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:৪৪

নীল আকাশ বলেছেন: আমি একদম বাস্তব ঘটনা নিয়ে লিখেছি। পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

১৪| ০৯ ই নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩৭

হাবিব স্যার বলেছেন: ছবি দেখেই ভয় পাচ্ছি.......... প্রথম পর্ব আগে পড়ে আসতে হবে। তবে আপনি যে সুলেখক তাতে ভালোই হবে গল্প মনে হচ্ছে

১০ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:৪৪

নীল আকাশ বলেছেন: হাবীব ভাই,
অনেক দিন পরে আপনাকে দেখে বেশ ভালো লাগছে।
একসাথে ২্টা পর্ব পড়েই আপনার কেমন লেগেছে জানান।
ধন্যবাদ।

১৫| ০৯ ই নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪৮

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: বহুমাত্রিক ফ্লেভার আছে। মূল কমেন্টে সময় নিয়ে পরে আসছি। ++

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:৫৫

নীল আকাশ বলেছেন: দেরিতে প্রতি মন্তব্য করার জন্য দুঃখিত। কিছুটা ব্যস্ত ছিলাম।
পূর্ণ মন্তব্যের জন্য অপেক্ষায় থাকলাম।

১৬| ০৯ ই নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫২

ঢাবিয়ান বলেছেন: খবিশ জ্বীন =p~ =p~ !:#P B:-/

১০ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:৪৭

নীল আকাশ বলেছেন: ভাই, বেশ মজার ব্যাপার হলো এইসব ব্যাপারে খবিস, বদমায়েস, বেহায়া, লাভার জ্বীন এই শব্দগুলিই ব্যবহার করে।
পড়াতে আসার জন্য ধন্যবাদ।

১৭| ০৯ ই নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫৩

বলেছেন: ভুতের সাথেও রাজনীতি চলে ---??

১০ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:৫০

নীল আকাশ বলেছেন: না। তবে ব্লগে লেখা দিলে সহনশীলতা থাকা উচিত। নিজের দলের সমালোচনা সহ্য করতে পারবো না, এটা কেমন কথা?
আজকে রাতে হয়তো আপনাকে নক দেব। ছোট করে ফেলেছি।
ধন্যবাদ।

১৮| ০৯ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:১৫

রাজীব নুর বলেছেন: মন্তব্য গুলো পড়তে পোষ্টে আবার এলাম।

১০ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:৩৮

নীল আকাশ বলেছেন: সুস্বাগতম। আমার পোস্টে মন্তব্যের মেলা বসে। অবশ্যই পড়তে আসবেন।

১৯| ০৯ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:৩২

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: প্রেম পিরীতের ভুত ;)

হা হা হা

হুম। চলছে চলুক। জুনাপুর পর আমি কিছু কই কি করে? :P
আগামী পর্বে জমাট পর্বরে অপেক্ষায় :)

+++

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:৫৭

নীল আকাশ বলেছেন: প্রেম পিরীতের ভুত - ভালোই বলেছেন। এদেরকে লাভার জ্বীন বলা হয়।
জুন আপু অনেক কিছুই বলে দিয়েছেন, আমিও প্রতি উত্তর দিয়েছি। পড়ে দেখবেন।
আগামী পর্ব ইতিমধ্যেই দিয়ে দিয়েছি।

২০| ০৯ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:৪৭

শিখা রহমান বলেছেন: নীল গল্পটা পড়তে ভালো লাগছে। তবে ভুয়া মফিজের মতোই আমার ভয় নেই। পরাবাস্তব কোন কিছুর চাইতে আমার মানুষকেই বেশী ভয়ঙ্কর মনে হয়।

সত্য ঘটনা অবলম্বনে বলেছেন বলেই আগ্রহ নিয়ে পড়ছি যে শেষটা কেমন হবে। আর আগেও বলেছি যে আপনার লেখার গুণ হচ্ছে যে শেষ পর্যন্ত পাঠকের আগ্রহ ধরে রাখতে পারেন।

অপেক্ষায় থাকলাম পরের পর্বের।

১০ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:৩৬

নীল আকাশ বলেছেন: শিখা আপু,
আমি বেশ কয়েকটা ভৌতিক গল্প লিখলেও এবার ভিন্ন ধরনের লেখা লিখেছি। মানুষের জীবনে ঘটে যাওয়া বাস্তব কিছু কাহিনী ব্লগের পাতায় তুলে আনলাম। অবিশ্বাস্য হলেও ঘটনাগুলি সত্য এবং যারা ভুক্তভোগী তারাই জানে কত কষ্ট তারা করেছে। নিজের প্রায় কিছুই লিখিনি যা বাস্তব তাই শুধু তুলে দিয়েছি। কাউকে ভয় দেখানোর চাইতে সর্তক করে দেয়াটাই আমার মূল উদ্দেশ্য।
ধন্যবাদ।

২১| ০৯ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:৫৪

শেহজাদী১৯ বলেছেন: এমন গল্প লিখলে তো একা বাসায় থাকাই দায় হবে।

১০ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:৩৬

নীল আকাশ বলেছেন: এটা পড়েই এই অবস্থা?
এটা পড়ে আসুন, দেখি কি অবস্থা হয় আপনার?
গল্পঃ ভৌতিক কাহিনী - পরী সাধনা

২২| ১০ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ২:২৪

আরোগ্য বলেছেন: ধুর অতি চালাকের গলায় দড়ি। রাতে পড়ার কুফল নাকি আবার ভোগ করতে হয়। আল্লাহ ভরসা।
আর পর্ব নাই?

নানু বলে জাদুটোনা ছয় মাস, ভাগ্যের লেখা বারো মাস।

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:৫৮

নীল আকাশ বলেছেন: ভয় পেলেই ভয় না পেলে নেই। আল্লাহ ভরসা, কি বলেন?
পরের পর্ব ইতিমধ্যেই দিয়ে দিয়েছি।
ভাগ্য অনেক কিছুর উ পর নির্ভর করে।
ধন্যবাদ।

২৩| ১০ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:৩১

কিরমানী লিটন বলেছেন: ভিন্নমাত্রার- ভিন্ন স্বাদের মুগ্ধতা।
ভৌতিক গল্পে বরাবরই পড়া শেষ হলে আমার ভয় ভয় লাগে। খুব সুন্দর লিখেছেন প্রিয় নীল আকাশ। ভালোবাসা সতত.....

১০ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:৩৯

নীল আকাশ বলেছেন: ভৌতিক গল্প প্রতি সবারই আগ্রহ থাকে। আমি এই সিরিজের আরও বেশ কয়েকটা লিখেছি। তার মধ্যে পরী সাধনা পড়ে দেখবেন।
তবে এই গল্পে আমি একদম বাস্তব ঘটনা তুলে এনেছি।
পড়ার জন্য ধন্যবাদ প্রিয় ভাই।

২৪| ১০ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:২৮

জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন: পড়লাম।

ইন্দোনেশীয় জীনের মুভির গল্পের মতো, গল্পটা এগুচ্ছে। আস্তে আস্তে আরো আরো ভয়ংকর একটা পরিবেশের তৈরি হবে আশাকরি।

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:০১

নীল আকাশ বলেছেন: এইসব ঘটনার একটা কমন প্যাটার্ন আছে। সব ঘটনাগুলির দেখবেন কিছুটা হলেও মিল আছে।
পরের পর্ব ইতিমধ্যেই দিয়ে দিয়েছি।
ধন্যবাদ।

২৫| ১০ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:১৮

Muhammad Amdad বলেছেন: চলুক...
আয়োজনটা আরো বাড়বে আশাকরি

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:৫৯

নীল আকাশ বলেছেন: দেখি না কত দূর যায়?
পরের পর্ব দিয়ে দিয়েছি, পড়েছেন?
ধন্যবাদ।

২৬| ১১ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১২:০৪

আমি তুমি আমরা বলেছেন: গল্প কি এখানেই শেষ?

১১ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:৩৩

নীল আকাশ বলেছেন: ইতিমধ্যে তৃতীয় পর্ব দিয়ে দিয়েছি।
সবমিলিয়ে কেমন লাগলো জানাবেন।

২৭| ১১ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:১১

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: গল্প ভালো জমে উঠেছে আবার অপেক্ষা - - - - -

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:০১

নীল আকাশ বলেছেন: না আর, অপেক্ষা নেই। পরের পর্ব ইতিমধ্যেই দিয়ে দিয়েছি।
ধন্যবাদ।

২৮| ১১ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:৩০

ফয়সাল রকি বলেছেন: শেষটায় আবার সাসপেন্স রাখলেন! দেন পরের পর্ব পড়ি। ভালই চলছে খেলা!

১১ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:৩২

নীল আকাশ বলেছেন: ইতিমধ্যেই দিয়ে দিয়েছি। একটানা পড়তে পারবেন।
সবশেষে কিন্তু ভালো মন্তব্য চাই কেমন লেগেছে!

২৯| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ২:৩৪

মুক্তা নীল বলেছেন:
নীল আকাশ ভাই ,
গতানুগতিক ভাবে আপনার উপস্থাপনা বরাবরই বাস্তবিক ও পারিবারিক ধারাবাহিকতা জীবনের ছোঁয়া মেলে। ধারণা ছিল এভাবে চালান দেবেন ঠিক তাই হলো। খুব ভালো হয়েছে
আপনার আজকের পর্ব। যাচ্ছি পরের পর্ব পড়তে।
অনেক ভাললাগা ও ধন্যবাদ জানিয়ে গেলাম।

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:০৩

নীল আকাশ বলেছেন: আমি তো প্রথমেই বলে দিয়েছি এটা সত্য ঘটনা অবলম্বনে লিখা হয়েছে। নিজের লেখার কোন কিছুই এতে ঢুকাই নি। জগা খিচুরী হয়ে যেত। সত্য সত্যই থাক। এই পৃথিবীতে কত আজব আজব ঘটনা ঘটে সেটা লেখা হয়ে থাক।
আপনার জন্যও ধন্যবাদ এবং শুভ কামনা রইল।

৩০| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:২২

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় নীল আকাশ ভাই,

রুপাকে বিয়ে করতে চাওয়া ছেলেটিই তাহলে কালো জাদু করে ঘর সংসার নষ্টের চেষ্টা করেছে করছে। সঙ্গে জুড়ে দিয়েছে একটা খাবিশ জ্বিন। অমাবস্যা রাতে বন্ধু বাড়ির দাওয়াত খেয়ে ফেরার পথে ছোট্ট দুর্ঘটনার কবলে পড়ে রুপার তাবিজ কেটে গেছে। পরেরদিন রিফাতের পছন্দের পায়েস করতে গিয়ে 1 কেজি চিনি উধাও। ঘাড়ের কাছে গরম অনুভুতি; পাশ ফিরে তাকাতেই বিকট শব্দে জ্ঞান হারানো। আপাতত এই পর্বে এই পর্যন্ত। রুপা-রিফাতের জীবনের পরবর্তী ঘটনা জানতে শেষ পর্বে চললাম।
আমার এই সপ্তাহের পড়াটা মূলত অতিপ্রাকৃত শক্তিকে নিয়ে। টানটান উত্তেজনা পর্বটিকে অন্য মাত্রা দান করেছে।

শুভকামনা প্রিয় নীল আকাশ ভাইকে।


১৪ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:০৯

নীল আকাশ বলেছেন: আমিও নিজে এইসব অতি প্রাকৃতিক লেখা লিখি। সব বাদ দিন। আমার এই ধরনের লেখার প্রেজেনটেশন কেমন হয়? এই পর্যন্ত ৩টা গল্প লিখেছি। এই সিরিজ নিয়ে কি আরও লেখা দেয়া যায়?
দেবীর ঘটনা সাইকোলজির ব্যাখ্যা দিয়েও লেখা যায়। যেটা মিসির আলীর কর্মকান্ডে ফুটে উঠতে পারতো। নাবিলার নতুন গল্পটা ঠিক এই ধরনের থীম নিয়ে লিখছি। আধাখেঁচড়া কাজ আমি পছন্ড করি না।
ধন্যবাদ।

৩১| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:১৭

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: বাপরে ভয়ংকর ব্যাপার স্যাপার যাই হোক

পরের পর্ব বাকী আছে
সময় করে পড়বো
ভালো লাগলো এ পর্ব

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:০৪

নীল আকাশ বলেছেন: ভৌতিক গল্পে তো ভয়ংকর ব্যাপার স্যাপার থাকবেই।
পরের পর্বই শেষ। সব মিলিয়ে কেমন লাগলো জানাবেন ।
ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.