নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বিশ্বজোড়া পাঠশালাতে সবাই ছাত্র-ছাত্রী, নিত্য নতুন শিখছি মোরা সদাই দিবা-রাত্রী!

নীল আকাশ

এই ব্লগের সমস্ত লেখা সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। আমার অনুমতি ছাড়া এই ব্লগের লেখা অন্য কোথাও প্রকাশ করা যাবে না।

নীল আকাশ › বিস্তারিত পোস্টঃ

ভৌতিক গল্পঃ অ-স্পর্শ (তৃতীয় পর্ব)

১১ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:০৮



ঘটনার ধারাবাহিকতার জন্য পড়ে আসুনঃ
ভৌতিক গল্পঃ অ-স্পর্শ (দ্বিতীয় পর্ব)
ভৌতিক গল্পঃ অ-স্পর্শ (প্রথম পর্ব)

...........রুপা জ্ঞান হারিয়ে মাটিয়ে লুটিয়ে পড়ার আগে শেষবারের মতো দেখল ওর লম্বা চুলের ঝুটি ধরে ওকে কোথায় যেন টেনে নিয়ে যাচ্ছে…………

রিফাত বাসায় ফিরে বেডরুমের মেঝেতেই রুপাকে অজ্ঞান অবস্থায় খুঁজে পেল। শরীরের উন্মুক্ত বেশ কিছু জায়গায় লাল লাল দাগ, যেন কোন কিছু দিয়ে প্রবল আক্রোশে আঘাত করা হয়েছে। গতকালকে রাতেরবেলা বাসা থেকেই ওদের থেকে বের হওয়াই ঠিক হয়নি। রুপা'র ফোন পাবার পরই রিফাতের সন্দেহ হলে খোঁজ নিয়ে জানতে পারে গতকালকে পূর্ণ অমাবস্যা ছিল। রুপাকে অমাবস্যা এবং পূর্ণিমার রাতে ঘর থেকে বের হওয়া তো দূরের কথা, বাসার বারান্দায় যেতেই বারণ করা হয়েছিল। হুট করেই রুপা'র কবজটার কথা মনে পড়তেই রিফাত পাগলের মতো সারা বাসা খুঁজেও সেটা আর কোথাও আর সেটা পেল না।

এই দুর্ঘটনার পর থেকে রুপা আর পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠল না। এখন দিনের বেশ কিছু সময় রুপা অপ্রকৃতিস্থ অবস্থায়ই থাকে। ঐ সময়ে রুপার নিজের উপর কোন নিয়ন্ত্রনই থাকে না। রিফাত'কে দেখলেই গর্জন করে আক্রমণ করার জন্য ঝাঁপিয়ে পরে। একটু দূর থেকে খেয়াল করলেই দেখা যায় রুপা উদ্ভুত পুরুষালী একটা কন্ঠস্বরে কারও সাথে যেন কথা বলছে কিন্তু কেউ কাছে গেলেই থেমে যায়। হঠাৎ হঠাৎ পাগলের মতো ছুটে কোথাও চলে যেতে চায়! বাধ্য হয়েই এখন একটা নির্জন ঘরে রুপাকে আটকে রাখতে হচ্ছে। রুপার শারীরিক অবস্থা দিন দিন ভয়াবহ খারাপ হয়ে গেল রিফাত কয়েকজন ডাক্তারের পরামর্শে একজন নামকরা সাইক্রিয়াটিস্টকেও দেখিয়ে আনল। দুইটা সেশন করার পর, উনি জানালেন রুপার ডুপ্লেক্স পার্সোনালিটি গ্রো করেছে। এই রোগের নাম জানালেন- Dissociative identity disorder, DID (previously known as multiple personality disorder, MPD). এই ধরনের পেশেন্টকে লংটার্ম ট্রীটমেন্ট করতে হবে। তাও পুরোপুরি কবে ঠিক হবে সেটার কোনই নিশ্চয়তা নেই!

বিয়ের পর থেকে গত পাঁচমাস ধরে ঘটে যাওয়া সবকিছু মিলিয়ে রিফাতের প্রায় পাগলের মতো অবস্থা হলো। ওর মায়ের পাঠানো সেই ভদ্রলোককে আবার খুঁজে বের করে মোবাইলে সবকিছু বিস্তারিতভাবে জানালে উনি সময় চাইলেন বিষয়টা আবার অনুসন্ধান করার। পরেরদিন উনি নিজেই ফোন করে রিফাতকে জানালেন, রুপাকে এখন কিছু করা উনার সাধ্য এবং ক্ষমতার পুরোপুরি বাইরে চলে গেছে। উনার দেয়া কবজ পরিহিত অবস্থাতেই রুপাকে আক্রমণ করা হয়েছে, যে সাধক এই কাজ করিয়েছে সে প্রচন্ড শক্তিশালী। উনার পক্ষে একে থামানো সম্ভব না। এখন এই বিষয়ে আবার নাক গলালে উনার উপরও ব্যক্তিগত আক্রমণ হতে পারে। উনি খুব নরম স্বরে ক্ষমা চেয়ে ফোন কেটে দিলেন।

ঠিক তিনদিন পরে রিফাত সেই ভদ্রলোকের কাছ থেকে আবার একটা ফোন কল পেল, যেখানে ঢাকা শহরের সুনির্দিষ্ট একজন প্রসিদ্ধ শায়খের কাছে রিফাতকে অবশ্যই যেতে বলা হলো।

পরেরদিনই রিফাতকে পুরানো ঢাকার খুব প্রাচীন একটা মসজিদের বারান্দায় অধীর আগ্রহে সেই শায়খ সাহেবের অপেক্ষায় আরও অনেক মানুষের সাথে বসে থাকতে দেখা গেল।

শায়খ সাহেবের সাথে কথা বলতে পারলো রিফাত প্রায় দুইঘন্টা পরে। রুপার সবকিছু শুনে উনি রিফাত'কে আগে বাসায় ফিরে সুনির্দিষ্ট কিছু কাজ পরীক্ষা করে দেখতে বললেন। সর্ম্পূণ নিশ্চিত না হয়ে উনি রুগীর এইধরনের চিকিৎসা করেন না। খরচ কত লাগবে জানতে চাইলে উনি হেসে রিফাত'কে বললেনঃ
-আমি এইসব কাজ বিনামূল্যেই করে থাকি। বিপদগ্রস্থ এই ধরনের ব্যক্তিদের সাহায্য করার জন্য রাসুলে পাক (সাল্লালাহু আলাহিস ওয়াসালাম) এর সরাসরি নির্দেশ আছে।

রিফাত অবাক হয়ে উনার দেয়া একটা কাগজ হাতে নিয়ে বাসার উদ্দেশ্য রওনা দিল। এত শত শত মানুষজনকে উনি ফ্রী ফ্রী চিকিৎসা করেন? এই রকম দ্বীনদার পরোপকারী মানুষ এই দুনিয়ায় আছে এখনও!

নয়

তিনদিন ধরে শায়খ সাহেবের দেয়া নিয়ম মোতাবেক সবকিছু করার পরেও যখন রুপার তেমন কোন উন্নতি হলো না, রিফাত উনার কাছে ফিরে আবার উনার সাহায্য চাইলো। উনি এবার আর রিফাত'কে ফিরিয়ে দিলেন না।

বিকালবেলা থেকেই রুপার আচরণ যে বদলে গেল সেটা বাসার সবাই টের পেল। ঘরের ভিতর প্রচন্ড গর্জন করার সাথে সাথে যে কাউকে দেখলেই এখন মারতে আসছে। গায়ে অসুরের মতো শক্তি! ভয়ে রুপার কেউ কাছে যেতেই সাহস পাচ্ছে না। তবে ঠিক একঘন্টা পরে হুট করে রুপা অজ্ঞান হয়ে মেঝেতে পরে গেল।

রুপাকে যখন ড্রয়িংরুমে সেই শায়খ সাহেবের কাছে নিয়ে আসা হলো, তখন রুপা সর্ম্পূণ অপ্রকৃতিস্থ অবস্থায় আছে। উনি রুপার সবকিছু আবার প্রথম থেকে খুব মনোযোগ দিয়ে শুনলেন। রুপাকে কিছুক্ষন পরীক্ষা করে জানতে চাইলেন রুপার এখন কি কি ধরনের চিকিৎসা করা হচ্ছে। রিফাতের কাছে সব ধরনের চিকিৎসার বিস্তারিতভাবে জানার পর সাইক্রিয়াটিস্ট সাহেবের মতামত কি শুনে উনি একটু মৃদু হাসলেন, তারপর রিফাতের দিকে তাকিয়ে বললেনঃ
-পবিত্র আল ফুরকান এই পৃথিবীর যেকোন রোগের চিকিৎসার জন্যই যথেষ্ঠ। কারণ সুস্থ করার মালিক হলো একমাত্র আল্লাহ রাব্বুল আলামীন। তিনি নিজেই তো ঘোষনা করেছেনঃ
“We revealed in the Qur’aan what is a healing and mercy for the believers.” (Qur’aan,17:82) মাত্র সুরা আল ফাতিহা দিয়ে একজন সাহাবী স্করপিয়নের ভয়ংকর বিষে আক্রান্ত মৃতপ্রায় একজন ব্যক্তিকেও পুরোপুরি সুস্থ করে তুলেছিলেন। এর মূলে রয়েছে বিশ্বাস আর সৃষ্টিকর্তার উপর আস্থা।
-সাইকোলজি এখনও এইসব বিষয়ে প্রায় কিছুই জানে না। এই ধরনের পেশেন্টের মুখ দিয়ে যখন এর উপর সিহর করা এক বা একাধিক জ্বীন কথা বলে তখন সাইকোলজি বলে DID অথবা MPD disorder কিন্তু যখন জ্বীন কথা বলে না তখন সাইকোলজি বলে Schizophrenia. আজও মেডিক্যাল সায়েন্স epilepsy রোগের কোন সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা বের করতে পারে নি। অথচ আমাদের সবার শিক্ষক শায়খ ইবন তায়মিয়াহ (রাহমাতুল্লাহি আলাইহি) এইধরনের রুগীর দুইকানে মাত্র আজান আর ইকামত দিয়েই তাকে সুস্থ করে তুলতেন।
-আপনার স্ত্রীর উপরে কোন খারাপ জ্বীন সিহর করেছে। এটাকে আমরা sara‘ al-jinn (demonic possession) বলি। এটা দুই ভাবেই হতে পারে। জ্বীন স্বেচ্ছায় আসতে পারে অথবা কেউ তাকে কুফরী যাদুর মাধ্যমে আপনার স্ত্রীর কাছে পাঠাতে পারে। আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের প্রতি ঈমান থাকলে কেউ এই ধরনের কাজ করার সাহস পায় না। এটা ভয়ংকর গুনাহের কাজ, এটা করার সাথে সাথেই ঈমান চলে যায়। ইনসাল্লাহ আপনার স্ত্রী আবার সুস্থ হয়ে যাবেন। কিন্তু সুস্থ হবার পর থেকেই আপনাদের জীবনযাত্রা পরিবর্তন করতে হবে। ইসলামের বিধি বিধান মোতাবেক আপনাদের চলতে হবে। না হলে আবারও একই সমস্যা হতে পারে। আপনি যখন আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের নির্দেশিত রাস্তায় চলবেন তখন আল্লাহই আপনাকে রক্ষা করার দায়িত্ব নেবেন। আপনি নিশ্চয় শুনেছেন উনি কি বলেছেন পবিত্র কুরআন শরীফেঃ
“Surely, every soul has a protector over it.”[Qur’aan, 43:36]
“Each [person] has a succession of angels in front of him and behind him, protecting him by Allaah’s command.”[Qur’aan, 13:11]
“He is the Irresistible, high above His servants, and He sends protectors over you.”[Qur’aan, 6:61]

কিছুক্ষন চুপ থেকে উনি আবার বললেনঃ
-রিফাত সাহেব, আপনি যদি আমাকে ওয়াদা করেন এখন থেকে আপনারা পরিপূর্ন ভাবে আল্লাহর দেয়া রাস্তায় চলবেন তাহলে আমি এখনই আপনার স্ত্রী চিকিৎসা শুরু করবো।
রিফাত সাথে সাথে রাজী হয়ে গেল। শায়খ সাহেবের শুধু উপস্থিতিই ওর মনে অনেক সাহস এনে দিয়েছে। কেন জানি রিফাতের মনে হচ্ছে উনিই রুপাকে পুরোপুরি সুস্থ করে তুলতে পারবেন।

শায়খ সাহেব কিছুক্ষন পবিত্র কুরআন শরীফের সুনির্দিষ্ট কিছু আয়াত পড়ার পর রুপার দিকে তাকিয়ে আদেশ দিলেনঃ
-সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আদেশ মেনে এই মুহূর্তে তুমি এই দেহ ছেড়ে চলে যাও। তুমি কি জান না জ্বীন এবং ইনসানের আবাস স্থল আলাদা করে দেয়া হয়েছে। শেষনবী হযরত মুহাম্মাদ (সাল্লালাহু আলাহিস ওয়াসালাম) আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের নির্দেশে তোমাদের খাদ্য এবং আবাসস্থল ঠিক করে দিয়েছেন। কোন সাহসে তুমি আল্লাহর আদেশ অমান্য করছো?

বেশ কয়েকবার বলার পরও যখন রুপার কাছ থেকে কোন উত্তর আসলো না তখন শায়খ সাহেব রিফাতের দিকে ফিরে বললেনঃ
-রিফাত সাহেব, শায়খ ইবন আল-কাইয়ুম (রাহমাতুল্লাহি আলাইহি) বলেছেন, কারও উপর যদি সিহর করা অনেকদিন হয়ে যায় তাহলে শুধুমাত্র Qur’ânic verses and prophetic methods এর মাধ্যমে রুকাইয়া করে তাকে ভালো করা সম্ভব নয়। এই ধরনের জটিল রুগীর চিকিৎসার জন্য শায়খ ইবন তায়মিয়াহ (রাহমাতুল্লাহি আলাইহি) Qur’ânic spiritual medicine এর সাথে approved arabic method ব্যবহারের জন্য অনুমতি দিয়েছেন। এই রুগীকে সুস্থ করে তোলা এখন আমার পবিত্র দায়িত্ব যা আমি কোনভাবেই অস্বীকার করতে পারবো না।

এরপর উনি রিফাতকে কিছু দোয়া পড়া সুতা দিলেন এবং সেইগুলি দিয়ে রুপার হাতে এবং পায়ের প্রতিটা আঙ্গুল একটার সাথে আরেকটা বাঁধতে বললেন। রিফাত উনাকে বাঁধতে বললে উনি রাজি না হয়ে বললেনঃ
-আপনার স্ত্রী আমার জন্য গায়েরে মাহরাম। উনাকে সামান্য স্পর্শ করাও আমার জন্য হারাম।

সুতা বাঁধার সময় রুপা প্রচন্ড অস্থির ভাবে নড়াচড়া করতে লাগলো। পাগলের মতো ছুটে চলে যেতে চাইলো। রিফাত আর বাসার আরও চারজন মিলেও রুপাকে প্রায় ধরে রাখতে পারছে না। অনেক কষ্ট করে সবগুলি সুতা বাঁধা শেষ হবার পর শায়খ সাহেব কিছুক্ষণ দোয়া পড়ে ফু দিয়ে রুপাকে নাম জিজ্ঞেস করলেন। প্রথমবার রুপা নিজের নাম বললেও দ্বিতীয়বার ভিন্ন একটা কন্ঠস্বরে আরেকটা বেশ দুর্বোধ্য নাম বলল। শায়খ সাহেব এবার নিশ্চিত হলেন যে রুপার উপর সিহর হয়েছে। মাত্র একটা নাম বলার কারণে একটা জ্বীন যে রুপার দেহে আশ্রয় নিয়েছে সেটাও নিশ্চিত হওয়া গেল। এরপর এই জ্বীনকে জিজ্ঞেস করা হলে জানালো, সে একজন অমুসলিম পুরুষ জ্বীন। এবং তাকে একটা সুনির্দিষ্ট কাজের জন্যই এখানে পাঠানো হয়েছে। এবং রুপাকে এর বেশ পছন্দ হয়েছে, তাই রুপাকে এটা কোনভাবেই ছেড়ে যাবে না। এমন কি শায়খ একে ইসলাম গ্রহন করার আমন্ত্রন জানালে সেটাও অস্বীকার করলো।

এবার শায়খ সাহেব বাধ্য হলেন কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করতে। আল ফুরকানের সুনির্দিষ্ট কিছু আয়াত তিলোয়াত করা শুরু করলে রুপার দেহে আশ্র‍য় গ্রহণকারী জ্বীন প্রচন্ড যন্ত্রনায় ছটফট করতে লাগলো। রুপাকে এখন সবাই মিলেও ধরে রাখতে পারছে না। পাগলের মতো ছুটে দূরে কোথাও চলে যেতে চাইছে। শাস্তির তীব্রতা সহ্য করতে না পেরে একপর্যায়ে জ্বীন রুপার দেহ ছেড়ে একবারে চলে যাবার অনুমতি চাইলে শায়খ সাহেব আগে একে বিস্তারিত ভাবে সবকিছু, বিশেষ করে কে তাকে পাঠিয়েছে, কিভাবে কোথায় কার দ্বারা রুপার উপর কুফরী যাদু করা হয়েছে সেটা জানাতে বললেন। সুতা দিয়ে বেঁধে রাখার জন্য ইচ্ছে করলেও এখন এই জ্বীন রুপার দেহ থেকে বের হতে পারবে না। প্রথমে উত্তর না দিয়ে জ্বীন চুপ করে আছে দেখে উনি আবারও তিলোয়াত করা শুরু করলে এবার জ্বীন গড়গড় করে একদম প্রথম থেকে সবকিছু বলে দিল।

শায়খ সাহেব রিফাতকে বললেনঃ
-কুফরী দ্বারা জ্বীন চালনা করতে হলে রুগীর ব্যবহার্য কোন কিছুর উপর যাদু করে সেটা কোথাও লুকিয়ে রাখা হয়। এটা আগে তুলে সর্ম্পূণ নষ্ট না করা পর্যন্ত এই জ্বীনকে পুরোপুরি দূর করে দেয়া যাবে না। আপনি এখনই রুপার গ্রামের বাড়িতে রুপার ঘরের বাইরে আমগাছের উপর বেঁধে রাখা যাদুর তাবিজ এটার বলে দেয়া জায়গা থেকে বের করে আনুন। এই তাবিজ পুরোপুরি নষ্ট করার পরই রুপার চিকিৎসা আবার শুরু করবো। কোন স্টেপই বাদ দেয়া যাবে না।

রিফাত ওর শ্বশুরকে সাথে সাথেই ফোন দিয়ে সবকিছু বিস্তারিত জানালে উনি একই সাথে দুইটা কাজ করলেন। গাছে ঝুলানো তাবিজ তো বের করলেনই, তার সাথে এই বদমায়েস রফিককে ধরে নিয়ে আসলেন। এর জন্যই উনার মেয়ের এই অবস্থা! মারের চোটে রফিক সবকিছু স্বীকার করে দিল। শায়খ সাহেবের কথামতো তাবিজ খুলে ভিতর থেকে রুপার কিছু চুল, ছোট্ট এক টুকরো কাপড়, চিরুনির ভাঙ্গা একটা অংশ এবং আরবীতে লেখা একটা কাগজ পাওয়া গেল। রুপা’র সুচিকিৎসার প্রয়োজনে এই কাগজে কি লেখা আছে সেটা জানা খুবই দরকার। শায়েখ সাহেবের অনুরোধে রুপার বাবা কাছের মসজিদ থেকে একজন ইমাম সাহেবকে ডেকে এনে সেই কাগজ পড়তে দিলেন। ইমাম সাহেব ভালো করে লেখাটা পড়ার পর, কাগজে কি কি নক্সা আঁকা আছে এবং কিভাবে কাগজে লেখা হয়েছে সেটা বিস্তারিতভাবে শায়খ সাহেবকে ফোনে জানালেন। এবার শায়খ সাহেব কাগজের লেখা এবং নক্সার পাঠোদ্ধার করে ফেললেন। উনার ধারনাই ঠিক হলো। পবিত্র কুরআনের আয়াত উল্টো করে আরবীতে লিখে এই যাদু করা হয়েছে। সাধারণ কেউ এটা পড়ে কিছুই বুঝতে পারবে না। এরপর এরপর শায়খ সাহেব দেয়া পদ্ধতি মোতাবেক সহী শুদ্ধ ভাবে রুপার বাবা সেই ইমাম সাহেবকে দিয়ে সেই কালো যাদুর তাবিজের সবকিছু একসাথে নষ্ট করে ফেলা হলো। রিফাত অবাক হয়ে দেখল রুপা মুহুর্তের মধ্যেই অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠল। শায়খ সাহেব সেই সিহর করা জ্বীনকে এবার চলে যাবার আগে সৃষ্টিকর্তার নামে পরপর তিনবার ওয়াদা করালেন যে সেটা আর কখনই রুপার কাছে ফিরে আসবে না। জ্বীন কোনদিক দিয়ে বের হয়ে যাবে জানতে চাইলে উনি বললেনঃ
-আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের আদেশ মেনে তুমি যেদিক দিয়ে অন্যায় ভাবে এইদেহে প্রবেশ করেছ, ঠিক সেইজায়গা দিয়েই বের হয়ে যাও।

এরপর রুপার দেহে থেকে রিফাত শায়খ সাহেবের নির্দেশ মেনে সেই সুতাগুলি খুলে ফেললে রুপার দেহ একবার ভয়ংকর কেঁপে উঠলো এবং রুপা সাথে সাথেই জ্ঞান হারিয়ে মেঝেতে পড়ে গেল।

শায়খ সাহেব চলে যাবার আগে রুপার শারীরিক সুস্থতার জন্য দ্রুতই সাধারণ চিকিৎসা করার নির্দেশ দিয়ে গেলেন।

দশ

শায়খ সাহেবের কাছে দেয়া ওয়াদা রিফাত এবং রুপা বাকি জীবনে বেশ ভালোভাবেই মেনে চলেছে এবং এদের দাম্পত্য জীবনেও এই ধরনের আর কোন সমস্যাই হয় নি। যেই সাধক রুপার উপর এই কালোযাদু করেছিল তাকে এলাকা থেকে চলে যেতে বাধ্য করা হয়েছিল। কিন্তু রুপার কাহিনী শুনার পর কেউ তাকে এর চেয়ে বেশি কিছু করার সাহস পায় নি। পরিবর্তিতে ভালোমতো খোঁজ নিয়ে জানা গেছে যে সেই সাধক হিন্দু ছিল। বংশ পরিক্রমা ধরে এটাই তাদের ব্যবসা। দুইবাচ্চা সহ রুপা এখন মধ্যবয়স্ক একজন মহিলা। বেশ কিছুদিন আগে রুপার থেকে তার জীবনের ভয়াবহ এই কাহিনী উদ্ধার করা হয়েছিল। সরাসরি রুপার সাথে কথা না বলার কারণে কিছু তথ্য এবং এই ঘটনার সবকিছু সুচারুভাবে উদ্ধার করা সম্ভব হয় নি।


পুনশ্চঃ
১। রুপার (আসল নাম গোপন করা হয়েছে) ঘটনার শেষ কাহিনী আমি পুরোপুরি জানতে পারিনি। শেষের দিকের কিছু অংশ লেখার জন্য আমি মিসরীয় একটা সত্য ঘটনার উপর ভিত্তি করে লিখেছি। কায়রোর বিখ্যাত সেই রাকীর নাম হলো Abdul-Khaaliq al-‘Attaar.
২। পবিত্র কুরআন শরীফের আয়াত ইংরেজিতে বর্ণনা করা হয়েছে যেন এর অর্থ পরিষ্কার ভাবে সবাই বুঝাতে পারে।
৩। ইসলামিক সহী পদ্ধতিতে রুকাইয়া করার জন্য সারা পৃথিবীতেই রাকী'রা শায়খ ইবন তায়মিয়াহ (রাহমাতুল্লাহি আলাইহি) এর দেয়া নিয়ম একনিষ্ঠ ভাবে মেনে চলেন। উনিই প্রথম এই বিষয়ের উপর সাহাবীদের (রাজিয়াল্লাহু আনহু) পদ্ধতিগুলি লিপিবদ্ধ করেন যা আজও সারা পৃথিবীতে বিনা প্রশ্নেই অনুসরণ করা হয়।


সবাইকে ধন্যবাদ ও শুভ কামনা রইল।
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত@ নীল আকাশ, নভেম্বর ২০১৯

মন্তব্য ৪৮ টি রেটিং +১৫/-০

মন্তব্য (৪৮) মন্তব্য লিখুন

১| ১১ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:৩২

ইসিয়াক বলেছেন: আবারো প্রথম।

১১ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:৩৫

নীল আকাশ বলেছেন: শুভ কামনা রইল।
পুরোটা পড়ার পর কেমন লাগলো জানাবেন।

২| ১১ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:৪৭

ইসিয়াক বলেছেন: এক কথায় বাক রুদ্ধ।
একসময় সম্ভবত সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন[পাক্ষিক ও হতে পারে ঠিক মনে নেই ]চিত্রবাংলায় এ ধরনের সত্যকাহিনী ছাপা হতো।
৥ কুরআন শরীফের আয়াত সমুহের[......] কুফরি ব্যবহার সম্পর্কে যা বলেছেন এটা সত্য।

১১ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:৫৩

নীল আকাশ বলেছেন: ধন্যবাদ। আমি তো প্রথমেই বলে দিয়েছি এটা চরম সত্য কাহিনী।
মিথ্যা কিছু বলবো না দেখেই এক্সট্রা কিছু লিখি নি।
পড়ার এবং সুন্দর একটা মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।

৩| ১১ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:৪১

খাঁজা বাবা বলেছেন: পুরোটা পড়লাম

১১ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:৫২

নীল আকাশ বলেছেন: কেমন লাগলো জানাবেন না ?

৪| ১১ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:৪১

খাঁজা বাবা বলেছেন: ভাল লেগেছে :)

১১ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:০৭

নীল আকাশ বলেছেন: ধন্যবাদ এবং শুভ রাত্রী।

৫| ১১ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:৫২

জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন: একবার নানুবাড়ি বিয়েতে আমাদের এক কাজিন'কে (মেয়ে) ডেউয়াগাছের কালা ভূতের পছন্দ হয়ে গেছিলো। মসজিদের মাওলানা নাকে মরিচ পুড়া ঘ্রাণ, তাবিজ ইত্যাদি ব্যবহার ছাওয়াল করলে, ভূত বলেছিলো- সন্ধ্যারাইতে লালরং ড্রেস পরে ডেউয়ার তলায় দেইখ্যা তার পছন্দ হয়ে গেছে। তাই এসেছে। হুজুর মেলা কষ্টে, এরে তাড়িয়েছিলেন। আমি অবশ্য এইসব ভিকটিমের ভেল্কিবাজি ধরে নিয়েছিলাম।

এরে কিছুদিন পর পর ভূতে ধরার গল্প শুনতাম, বড়বেলায় একবার শুনেছিলাম 'ধামাইর বাগান' থেকে কোনোএক প্রেমিক জীন হায়ার করে পাঠিয়েছে। জ্বীনের দায়িত্ব ছিলো, এরে প্রেমিকের কাছে নিয়ে যাওয়া।
ইদানীং এমন বাস্তব গল্প আর শুনা যায় না। কোনো সমস্যা হলেই মানুষ ডাক্তারের কাছে চলে যায়, এবং সমস্যার সম্ভবত সমাধানও হয়।


গল্প পড়ে অনেক স্মৃতি মনে পড়লো।

১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৮:৩১

নীল আকাশ বলেছেন: জুনায়েদ ভাই,
এরা অবশ্যই মাওলানা নয়। নাকে মরিচ পুড়া ঘ্রাণ, তাবিজ ইত্যাদি ব্যবহার ইসলামে পুরোপুরি নিষিদ্ধ। এমন কি রুগীকে মারধর করাও নিষিদ্ধ। যারা করে তারা কেউ আসলে সহী পদ্ধতি জানে না এবং এই কাজের উপযুক্ত নয়। এরা ব্যবসায়ী।

দ্বিতীয় যে কাহিনী বললেন সেটা নিয়েও ব্যবসা করা হয়। এখানে দেখুন কি ভন্ডামী করে এরাঃ
মেয়েদের বশীকরন




৬| ১১ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:৫৮

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




নীল আকাশ ভাই,
গল্প ভালো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো হয়েছে সুন্দর সমাপ্তি। গল্প ভৌতিক করার ছলে অনেক লেখক নায়ক নায়িকাকে গল্পে হত্যা করে থাকেন - যদিও গল্পে নায়ক নায়িকাকে বাঁচিয়ে দেওয়া খুব কঠিন কাজ নয়। আবারো বলছি আপনার লেখায় আকর্ষনীয় কিছু বিষয় ছিলো যা পর্ব একটির পর একটি ভালো লেগেছে।

ধন্যবাদ সুন্দর একটি গল্প উপস্থাপন করার জন্য।

১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:২৬

নীল আকাশ বলেছেন: শুভ সকাল ভাই,
এই গল্পে কাউকে ভয় দেখানোর চাইতে সর্তক করে দেয়াটাই আমার মূল উদ্দেশ্য। মানুষের জীবনে ঘটে যাওয়া বাস্তব কিছু কাহিনী ব্লগের পাতায় তুলে আনলাম। অবিশ্বাস্য হলেও ঘটনাগুলি সত্য এবং যারা ভুক্তভুগি তারাই জানে। এটা কোন গল্প নয়। বাস্তব ঘটনার ফাঁকে ফাঁকে আমি বেশ কিছু জিনিস বিস্তারিত ভাবে লিখে দিয়েছি, যেন যারাই পড়বেন তারাই কাছাকাছি এইধরনের কোন ঘটনা দেখলেই এর সাথে মিলিয়ে নিতে পারেন, বুঝতে পারেন পিছিনে আসলে কি কারণ। লেখার মেসেজ যদি কেউ বুঝতে পারে তাহলেই আমি সার্থক।

এই গল্পের সাথে প্রথম থেকে থাকার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। শুভ কামনা রইল।

৭| ১১ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:৩৫

কিরমানী লিটন বলেছেন: অন্য রকম ভালোলাগা - অসাধারণ লাগলো....

১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৮:৩২

নীল আকাশ বলেছেন: ভাই,
ব্যস্ততার মাঝেও কষ্ট করে প্রার এবং সুন্দর একটা মন্তব্য করার জন্য কৃতজ্ঞতা রইল ভাই।
শুভ কামনা রইল।

৮| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১২:১৫

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় নীল আকাশ ভাই,

মাত্র তিনটি পরপর শেষ করে দিয়েছেন দেখছি। আগের পর্বেও পূর্ণাঙ্গ মন্তব্য করার সময় হয়নি। আপাতত জমা করছি সময়মতো আবার আসবো।

১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:৩০

নীল আকাশ বলেছেন: শুভ সকাল।
আমি জানি আপনি পড়বেন। আপনার নিজের পোস্ট নিয়ে ব্যস্ত তাই সময় দিতে পারছেন না।
আমি ভালো একটা রিভিউ চাই পুরোটার উপরে।
ধন্যবাদ।

৯| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ২:২১

অনেক কথা বলতে চাই বলেছেন: অনেক সুন্দর হয়েছে!

একটা কথা। এটা যেহেতু অনেক আগের ঘটনা, সেই যুগে এত তাড়াতাড়ি কি করে রূপার বাবা ছবি তুলে পাঠালেন? পড়ে মনে হলো যেন MMS করেছিলেন।

আরেকটা কথা। রিফাতের মা যেই লোকটাকে এনেছিলেন রূপার চিকিৎসা করাতে, তাকে আমার সন্দেহ হয়। কালো জাদু নিয়ে আমি কিছুটা পড়াশুনা করেছিলাম। আমার মনে হয় রুপার চিকিৎসার আড়ালে লোকটা অন্য কোন একটা কাজ করতে চেষ্টা করেছিল। তা হলো, রূপার উপর ভর করা জিনিসটাকে নিজের আয়ত্বে আনা! ভন্ড মৌলভী যারা (যারা মুূলত জ্বিন সাধক)। নাহলে রূপাকে একটা চক্রের মাঝখানে বসিয়ে ওমন অদ্ভুত সব কাজ করার কথা না লোকটার। তার গোপন সেই উদ্দেশ্য সফল হয়েছিল কি হয়নি আমরা জানি না, কিন্তু লোকটা নিজেকে গুটিয়ে নিল। রূপাকে সে যেই তাবিজ দিয়েছিল সেটা একটা সন্দেহের বিষয়। অবশেষে যেই genuine মৌলভী সাহেব রূপার treatment সফলভাবে করতে পেরেছিলেন, তিনি সেই তাবিজটা খুলে পড়লে না জানি কি বেরিয়ে আসতো! এটা আমার অনুমান।

১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:২৮

নীল আকাশ বলেছেন: শুভ সকাল, প্রথমেই কৃতজ্ঞতা জানাই।
এত ভালো পাঠক পেলে একজন লেখকের প্রায় যেকোন ভুল ঠিক করে ফেলা যায়।
আপনি একদম ঠিক বলেছেন। আমি বিষয়টাকে পাঠকের কাছে বিস্তারিত ভাবে তুলে ধরতে যেয়ে এই ভুল করে ফেলেছি। ঐ সময় মোবাইলে ছবি পাঠানো সম্ভব ছিল না। আমি আবার পুরো অংশটাকে নতুন করে লিখে দিয়েছি। আপনাকে একান্ত অনুরোধ করবো আবার পড়ে দেখুন। এর আগের ২টা পর্বও পড়ার অনুরোধ করে গেলাম। আচ্ছা আপনি কি আমার জ্বীন সাধনা এবং পরী সাধনা এই ২টা গল্প পড়েছেন? কিছুদিন আগেই লিখেছিলাম। দারুণ মজা পাবেন। পড়ে দেখুন ।

রুপার মা যাকে পাঠিয়ে ছিলেন এই ধরনের কিছু গুনিন/সাধক আমিও দেখেছি। এরা নিজেরাও জ্বীন সাধনা করে, কিন্তু তেমন কারও ক্ষতি করে না। কিন্তু কালোযাদুর প্রভাব বেশি দেখে এরা খুব বেশি দূর যেতে পারে না। এটা নির্ভর করে কার জ্বীন কত ক্ষমতাধর। তবে যেভাবেই হোক, তাবিজ সবসময় সব ক্ষেত্রেই পরিত্যাজ। ইসলামে কঠোর ভাবে নিষেধ করা আছে। আমি শিঘ্রই এই নিয়ে একটা পোস্ট দিবে ব্লগে। পড়ার আমন্ত্রণ দিয়ে গেলাম।

ব্যস্ততার মাঝেও কষ্ট করে মনোযোগ দিয়ে পড়ার এবং সুন্দর একটা মন্তব্য করার জন্য কৃতজ্ঞতা রইল ভাই।
শুভ কামনা রইল।

১০| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ২:৪১

মুক্তা নীল বলেছেন:
নীল আকাশ ভাই ,
আজকের পর্বের সমাপ্তি সুন্দরভাবে উপস্থাপন করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনি এবার ওই বিষয়টা নিয়ে অনেক জটিল বিষয় সহজ ভাবে উপস্থাপনা করেছেন তাই আরো বেশী ভালো
লাগলো। কবিরাজি চিকিৎসা খুব সুন্দর করে বর্ণনা এঁকেছেন।
অনেক ভালোলাগা ও শুভকামনা জানিয়ে গেলাম এমন সুন্দর একটি গল্প আমাদেরকে উপহার দেয়ার জন্য।

১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:২৯

নীল আকাশ বলেছেন: এই গল্পের সাথে প্রথম থেকে থাকার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। বাস্তব ঘটনার ফাঁকে ফাঁকে আমি বেশ কিছু জিনিস বিস্তারিত ভাবে লিখে দিয়েছি, যেন যারাই পড়বেন তারাই কাছাকাছি এইধরনের কোন ঘটনা দেখলেই এর সাথে মিলিয়ে নিতে পারেন, বুঝতে পারেন পিছিনে আসলে কি কারণ। লেখার মেসেজ যদি কেউ বুঝতে পারে তাহলেই আমি সার্থক।

অনেকদিন হলো আপনার কোন লেখা আসছে না। নতুন লেখা দিন। বেশি গ্যাপ হয়ে গেলে লিখতে আবার সমস্যা হবে।
শুভ কামনা রইল।

১১| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:৪৮

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের সাথে ধর্মীয় চিকিৎসার একটা দ্বন্ধ সব সময়েই আছে। একটার মূলে তথাকথিত আধুনিক বিজ্ঞান, আরেকটার মূলে বিশুদ্ধ বিশ্বাস। এই দুটোর টানা পোড়েন বেশ ভালোভাবেই এসেছে গল্পে (কিংবা সত্যি ঘটনাটাতে)।

আপনি বলেছেন.....হুবহু সত্যি ঘটনাটাই তুলে ধরেছেন। তা না করে যদি ঘটনা ঠিক রেখে গল্প আকারে লিখতেন, আরো সুখ পাঠ্য হতো নি:সন্দেহে। আপনার গল্প বলার স্বাভাবিক স্বতস্ফুর্ততা কম থাকায় পড়ে ততটা মজা পাইনি। তবুও আমি নিত্য নতুন এক্সপেরিমেন্টের পক্ষে সবসময়েই।

পরের গল্পের জন্য শুভকামনা। :)

১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:৫৭

নীল আকাশ বলেছেন: মফিজ ভাই,
তবুও আমি নিত্য নতুন এক্সপেরিমেন্টের পক্ষে সবসময়েই। একদম আমার মনের কথাই বলে দিয়েছেন। আমার এক রিলেটিভ (অনেক আগে মারা গেছেন) এই ধরনের কাজ করতেন। আমি আমার আম্মার কাছে থেকে ঘটনাগুলি কেবলই শুনা শুরু করেছি। সেইগুলি লেখার আগে হাত পাকানো বলতে পারেন বা প্রাক্টিসও বলতে পারতেন। এরপর আসল কাজে নেমে পরবো।

আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের সাথে ধর্মীয় চিকিৎসার একটা দ্বন্ধ সব সময়েই আছে। একটার মূলে তথাকথিত আধুনিক বিজ্ঞান, আরেকটার মূলে বিশুদ্ধ বিশ্বাস।
কারণ আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান সময়ের সাথে সাথে চেঞ্জ হতে থাকে কিন্তু সহী ধর্মীয় চিকিৎসা শ্বাশত এবং চিরস্থায়ী। এটা সরাসরি সাহাবীদের কাছ থেকে এসেছে।

চমতকার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

১২| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:২৩

জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন: জাদুটুনার ব্যবসা এখন কমে গেছে। আমি মেলাদিন এইসব শুনিনা। আশাপাশে তান্ত্রিক সাধক, তাবিজ কবজের মাওলানাও এখন চোখে পড়ে না।

১৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:০০

নীল আকাশ বলেছেন: জাদুটুনার ব্যবসা এখন কমে গেছে সেটা ঠিক বলা যায় না। এখন আর পোস্টার দিয়ে এরা ব্যবসা করে না। সোসাল মিডিয়া, ফেসবুক ইত্যাদিতে এ্যাড দিয়ে এরা লোকজনকে আকৃষ্ট করে।
তাবিজ দেয়ার তান্ত্রিক সাধক, তাবিজ কবজের মাওলানাও যথেষ্ঠই আছে। যাদের দরকার তারা কিন্ত ঠিকই খুঁজে নেয়। আগের প্রতিমন্তব্যে একটা লিংক দিয়েছিলাম দেখেছেন কি? এই রকম অনেক সাইট আছে। সার্চ দিলেই পাবেন।
ভালো থাকুন মিতা ভাই। শুভ কামনা রইল।

১৩| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:৪১

ফয়সাল রকি বলেছেন: আমরা যারা গ্রামে-গঞ্জে বড় হয়েছি তারা প্রায় সবাই কমবেশি এরকম ঘটনার দুয়েকটা ঘটনা দেখেছি। তবে কেনো যেনো আমার কাছে পুরাপুরি বিশ্বাস হয় না। যাই হোক, বিশ্বাস-অবিশ্বাস নিজস্ব ব্যাপার।
গল্পে ঘটনা ও বর্ণনা সুন্দর হয়েছে। বোঝা যাচ্ছে অনেক সময় দিয়েছেন লেখার প্রতি। প্রতিটি বিষয়ের ব্যাখ্যা দেবার চেষ্টা করেছেন। তবে গল্পটা বর্ণনাত্মকরীতিতে লেখার কারণে পড়ে খুব একটা আরাম পেলাম না।
আমি রিসেন্টলি আপনার কাছাকাছি থিমের একটা লেখা দিয়েছি যদিও সেটা আপনার লেখার কাছাকাছিও যায়নি। সময় থাকলে পড়ে আসবেন।

১৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:১৮

নীল আকাশ বলেছেন: আপনার গল্প আমি পড়ে সেখানেই মন্তব্য করে এসেছি। পারলে এটার ২য় পর্ব বা নতুন করে লিখতে পারেন।
সত্য ঘটনায় খুব বেশি কিছু লেখা যায় না। অযাযিত কিছু লিখলে সত্য থেকে দুরে সরে যাওয়া হয়।
আর বিশ্বাস তো করতেই হয়। আমি নিজের চোখেই এই রকম কিছু ঘটনা দেখেছি যেটার ব্যাখ্যা দেয়া কঠিন।
পরার এবং সুন্দর একটা মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ।

১৪| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:৪১

তারেক ফাহিম বলেছেন: বাস্তব ঘটনাকে কেন্দ্র করে লিখা হওয়ায় আপনার অন্যান্য গল্পের পাঠক হিসেবে এই গল্পের তৃপ্তি কম ছিল :P
ভুয়া ভাই’র ন্যায় আমারও বলতে ইচ্ছে করছে, মুলভাব ঠিক রেখে আপনার মত করে লিখলে আরও সুন্দর হতো।

পুর্বের পর্বগুলো পড়া হয়নি। সময় করে দেখে আসবো।

১৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:২০

নীল আকাশ বলেছেন: আমি চেয়েছি সত্য ঘটনা সবাইকে জানানোর জন্য।
ঠিক আছে ফাহিম ভাই, এর পরের বার লেখার সময় নিজের মতো করে লিখার চেস্টা করবো।

১৫| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২৫

মা.হাসান বলেছেন: সাইকিয়াট্রির প্রায় পুরাটাই ভুয়া । নিচের ভিডিও লিংক দেখার অনুরোধ থাকলো:



MPD বা DIDর ও কোন অথেনটিক কেস পাওয়া দুষ্কর। সত্য-মিথ্যার মিশেল দিয়ে সিবিল নামের একটি বই ৭০ এর দশকে লেখা হয়েছিলো, কয়েক মিলিয়ন কপি বিক্রি হয়েছিলো। পরে এটা নিয়ে টিভি সিরিজ এবং সিনেমাও হয়েছে। পরে দেখা গেছে পুরাটাই ভুয়া। নিচের লিংক দেখতে পারেন।
https://www.npr.org/2011/10/20/141514464/real-sybil-admits-multiple-personalities-were-fake?t=1573560505126

ডেমোনিক পজেশনের অসংখ্য রিপোর্টেড কেস আছে। কয়টা সত্য কয়টা মিথ্যা বলা মুশকিল, তবে ধর্মগ্রন্থে যতটুকু আছে বিশ্বাস করি।

সত্য ঘটনার বর্ননায় বাহুল্য কম হলে বিচ্যুতি কম ঘটে। যাকে প্রৌঢ় বলছেন এবং বার্ধক্যের কারনে বেশি তথ্য উদ্ধার করা যাচ্ছে না বলছেন, এমন লোকের বয়স ৭০এর কম হবার কথা না, বরং আরো দশ বছর বেশি হইয়াই স্বাভাবিক। বিয়ের সময়ে ওনার বয়স ১৬-১৮ থাকার কথা, ঐ সময়ে এরকম বয়সেই প্রায় সব মহিলার বিয়ে হয়ে যেত। আজ থেকে পঞ্চাশ বছর আগে রাজা বাজার এলাকায় পাঁচতলা বাসা কি ছিলো? মনে হয় না। আর ফ্লাট বাসা ঢাকায় আরো পরে এসেছে বলে মনে করি। বিরামপুরে বানিজ্যিক লিচুর চাষ শুরু হয়েছে কুড়ি বছরের কম হবে । ওর থেকে কাছেই (ভাদুরিয়া) দারোগার বাগান নামে পরিচিত বিশাল আম বাগান থাকলেও বিরামপুরে ৫০ বছরের বেশি পুরাতন আম বাগানের কথা শুনিনি। এ ক্ষেত্রে ঢাকার একটা বাসা বা অবস্থা সম্পন্ন গৃহস্থ বললে প্রশ্ন কম উঠতো বলে মনে করি।

শেষে যে বর্ননা এসেছে তা অত্যন্ত বাস্তব সম্মত মনে হয়েছে।
প্রচন্ড পরিশ্রমের কাজ করেছেন। ভালো লেগেছে।

১৯ শে নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:২০

নীল আকাশ বলেছেন: হাসান ভাই,
ব্লগে দারুন দারুন সব পোস্ট পড়তে পড়তেই সময় শেষ। প্রতি মন্তব্য দিতে দেরি হয়ে গেল।
আপনার মন্তব্য পড়ার পর আবারও বেশ কিছু জায়গা নিয়ে আবার প্রথম থেকে লিখেছি। পড়ার পর ভুলগুলি বুঝতে পারলাম। তাড়াহুড়া করে লিখেছি। এবার ঠিক আছে মনে হচ্ছে। বয়সের সমস্যাটাও ঠিক করে দিয়েছি। আমি এর সাথে সামনা সামনি কথা বলতে পারি নিদেখেই এই সমস্যা হয়েছে। আন্দাজ সব সময় ঠিক হয় না।
আমার বাড়ি বিরামপুরের পাশেই ঘোড়াঘাটে। আমার নানাবাড়িতে লিচু গাছ আছে গত চল্লিশ বছর ধরে। ছোটবেলা থেকেই আমি সেখানকার লিচু খাই। মনে হ্লো আপনার বাড়ীও আশে পাশেই। কোথায়?

আমি যেকোন একটা লেখার আগে খুব স্ট্যাডি করি। হুট করে কোন কিছু লিখে ফেলি না।
ইবন তাইমিয়ার বই কেমন লাগছে?
মনোযোগ দিয়ে পড়া এবং ভুল ধরিয়ে দেবার জন্য ধন্যবাদ।

১৯ শে নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:২২

নীল আকাশ বলেছেন: সাইকিয়াট্রির প্রায় পুরাটাই ভুয়া বলা মনে হয় ঠিক হবে না। সমকামিতা নিয়ে এদের আনালাইসিস ঠিক। এরা কিন্তু এটাকে মানসিক সমস্যা বলে চিকিতসা করে। এছাড়াও কিছু কিছুই স্নায়বিক রোগেও এরা ভালোই ট্রিট্মেন্ট দেয়।
ধন্যবাদ।

১৬| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:৫৯

আরোগ্য বলেছেন: বোনাই,
গতকাল রাতেই পড়েছি কিন্তু মন্তব্য করার সময় পাই নি। আমি আর কি বলবো এতো আমার দীর্ঘ পরিচিত চিত্র। কিন্তু সব ঘুরে আপাতত সিজোফ্রেনিয়া নাম দিয়েই নিজেকে স্বান্তনা দেয়া। হয়তো এটাই আল্লাহর ইচ্ছা।

১৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:২৩

নীল আকাশ বলেছেন: আল্লাহর ইচ্ছে তবে ইসলামে চিকিতসা কিন্তু নিতে বলা হয়েছে। কেন যেন আমার মনে হয় ভালো কোন রাকী বা শায়খের কাছে আপনি নিয়ে যান নি। হতাশ হবেন না। আমি একজনের কথা ঢাকায় জানতাম কিন্তু উনি মারা গেছেন। দেখি নতুন কারও খোঁজ পেলে আপনাকে জানাবো।

১৯ শে নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৮:৩৯

নীল আকাশ বলেছেন: আরোগ্য ভাই নীচে একটা রুকাইয়া করার ভালো সাইট পেয়েছি। এরা ফেসবুকে ফ্রী চিকিতসা করে। ঢাকায় এদের অফিস আছে। এদের ফোন নাম্বার সহ ছবি নীচে দিয়ে দিলাম। কপি করার পর জানাবেন। আমি ছবি সহ এই মন্তব্য ডিলিট করে দেব। এদের মাধ্যমে অনেকেই ভালো সুফল পেয়েছে। হতাশ হবেন না। নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্য্যশীলদের সাথে আছেন। আপনার ফেসবুক এ্যাড্রেস জানি না দেখে এখানেই দিলাম। ফেসবুকে সামু ব্লগের গ্রুপে আমাকে সহজেই খুজে পাবেন। পদাতিক ভাইয়ের পেজেও আমাকে পাবেন। পেলে অবশ্যই মেসেঞ্জারে নক করবেন। আমি তাহলে খালাম্মার সুস্থতার আপডেট জানতে পারবো।


ধন্যবাদ।

১৭| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:৪৩

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: দম বন্ধ করা কাহিনী। সিনেমাতে এমন দেখি

আজ পড়ে শিহরিত হলাম
ভালো লাগলো গল্প

১৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:২৪

নীল আকাশ বলেছেন: সিনেমার কাহিনী তো জীবন থেকেই নেয়া হয়। আমি কিন্তু আপনাকে ভয় দেখাতে লিখিনি।
ধন্যবাদ।

১৮| ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:২৪

শিখা রহমান বলেছেন: নীল ভালো লেগেছে। তবে সত্য কাহিনী ভিত্তিক বলেই হয়তো এই শেষের পর্বটা খুব তথ্যবহুল লেগেছে। আর আবেগ কম মনে হয়েছে। অবশ্য এটা আমার ব্যক্তিগত মতামত। তবে শেষ পর্যন্ত পড়তেই হয়েছে গল্পটা আর সেখানেই লেখক হসেবে আপনার সার্থকতা।

ভালো থাকুন সবসময়। শুভকামনা ও শুভরাত্রি।

১৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:১৭

নীল আকাশ বলেছেন: আপু,
সত্য কাহিনী দেখেই গল্প লেখার সময় খুব কঞ্জারভেটিভ ছিলাম। অতিরিক্ত যেন কিছু চলে না আসে সেই ব্যাপারে সাবধান ছিলাম। আর তথ্য দেয়া ব্যাপার হলো সবাইকে আসল সত্যটা জানানো। সূত্র দেয়ার অর্থ হল অনর্থক কোন প্রশ্ন যেন কেউ না করে। পাঠক ধরে রাখার ব্যাপারে আমি আপনার কাছ থেকেও অনেক কিছু শিখেছি।
আপনার জন্য শুভ কামনা রইল।

১৯| ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৩:৩৬

অনেক কথা বলতে চাই বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার compliments-এর জন্য। জ্বি, আমি আপনার গল্পের তিনটা অংশই পড়েছি। তাবিজের ব্যাপারটা edit করার পর আরও অসাধারণ হয়েছে। আমি অবশ্যই আপনার অন্য গল্পগুলো পড়ব। তবে আমি মনে করি আপনার এই গল্পটা শুধু পড়ার জন্যই নয়, বরং এ থেকে আমাদের জানার আছে যে সমাজে মানুষ কি সব বিপদজনক কাজ করে বেড়ায় অন্যদের বিপদে ফেলতে। গল্পটা আমাদের সাবধান হতে ভালো heads-up দিবে।

১৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:২০

নীল আকাশ বলেছেন: compliments আমি না, আপনার প্রাপ্য। ভুলটা কিভাবে যেন চোখ এড়িয়ে গিয়েছিল। ঠিক করে দেবার পর আসলেও এখন অনেক বেশি বাস্তব মনে হচ্ছে।
এই গল্পে কাউকে ভয় দেখানোর চাইতে সর্তক করে দেয়াটাই আমার মূল উদ্দেশ্য। অবিশ্বাস্য হলেও ঘটনাটা সত্য এবং যারা ভুক্তভুগি তারাই জানে। এটা কোন গল্প নয়। বাস্তব ঘটনার ফাঁকে ফাঁকে আমি বেশ কিছু জিনিস বিস্তারিত ভাবে লিখে দিয়েছি, যেন যারাই পড়বেন তারাই কাছাকাছি এই ধরনের কোন ঘটনা দেখলেই এর সাথে মিলিয়ে নিতে পারেন, বুঝতে পারেন পিছিনে আসলে কি কারণ। লেখার মেসেজ যদি কেউ বুঝতে পারে তাহলেই আমি সার্থক।
নিশ্চয় ব্লগীয় মিথস্ক্রীয়ার আপনার সাথে ঘন ঘন যোগাযোগ হবে।
শুভ কামনা রইল।

২০| ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:৩০

রাজীব নুর বলেছেন: ভয় টা জয় করা দরকার।
তবে অশশীরিরা আছেন। তাদের অনুভব করা যায়।

১৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:০২

নীল আকাশ বলেছেন: যেকোন ভয় অবশ্যই জয় করতে হবে। তবে এইসব অশীরিরা বা জ্বীণদের অস্তিত্ব পবিত্র কুরআন শরীফেই বলে দেয়া আছে। এটা বিশ্বাস করতেই হবে।
ধন্যবাদ।

২১| ১৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:১২

জুন বলেছেন: যদি আপনার কল্পিত কাহিনি হতো তাহলে তেমন ভয় হয়তো পেতাম না, কিন্ত যখন লিখেছেন সত্য কাহিনী তখন কিন্ত সত্যি আতংকজনক। আমি এম্নিতেই প্রচন্ড ভয় পাই অশরীরীদের এখনতো তা আরো বাড়লো নীলাআকাশ :-&
+

১৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৫

নীল আকাশ বলেছেন: আমি এম্নিতেই প্রচন্ড ভয় পাই অশরীরীদের এখনতো তা আরো বাড়লো
এটা তো কিছুই না। আগের পর্বগুলিতে নাকি সেই রকম ভয় পান নি আপনি?
আপনার জন্যই স্পেশাল একখান ভয়ের রেসিপি দিয়ে গল্প তৈরী করছি।
এবার কোন জ্বীন নিয়ে কাজ কারবার নাই!

২২| ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১৬

মোঃ নুরুজ্জামান (জামান) বলেছেন: শাইখ ইবনে তায়মিয়াহ (রঃ) কোন অনবাদ কৃত বাংলায় বা ইংরেজীতে ম্যানেজ করে দতিে বা লিংক দিতে পারবেন? কেন জানি মনে হচ্ছে আপনি ঠিক বলেছেন।

১৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪৫

নীল আকাশ বলেছেন: পড়ার জন্য অবশ্যই দিতে পারি। তবে এটার কোন বাংলায় অনুবাদ নেই। মূল বই আরবীতে। সেখান থেকে কিছুটা অংশ একজন ইংরেজিতে অনুবাদ করেছেন। আপনি যদি চান সেটাই দিয়ে দেব।
আপনার ইমেইল এড্রেস দিয়ে যাবেন।
আমি যে কোন কিছু লেখার আগে প্রচুর স্ট্যাডি করি। উল্টা পাল্টা আমি লিখি না।
ধন্যবাদ।

১৯ শে নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৮:৪৩

নীল আকাশ বলেছেন: ইচ্ছে করেই আপনার ইমেইল এড্রেস দেয়া নীচের মন্তব্যটা ডিলিট করে দিয়েছি।
এই ইমেইল এড্রেস আমার জিমেইলে রাখা আছে। দরকার পরলে সেখান থেকেই আবার মেইল দিতে পারবো।
এভাবে ওপেন স্পেসে কারও ইমেইল এড্রেস থাকা ঠিক নয়। আশা করি আপনি বুঝতে পারবেন।
ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.