| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
প্লেটো বা এরিস্টটলের মতোন মহান দার্শনিকদের রাষ্ট্র চিন্তায় যখন দাস ও শ্রমিক শ্রেনী রাষ্ট্রের নাগরিকের অধিকার পায়নি বরং এরিস্টটল দাসদের যন্ত্র হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন। ঠিক সে সময় ডেমোক্রেটাস বলেন, পৃথিবীর সকল কিছুই অভিন্ন উপাদান হতে সৃষ্ট আর প্রেটেগোরাস, সবার উপরে মানুষের সত্যতা উল্লেখ করেন।
এসব মতবাদের খন্ডন করতে গিয়ে এরিস্টটল পলিটিক্স এ লিখেছেন দাসপ্রথা প্রকৃতি প্রদত্ত। সক্রেটিস যখন বললেন, অজ্ঞানতাই অন্যায়, তখন প্রশ্ন জাগে, তবে ন্যায় কি? প্লেটোর মত জ্ঞানী দার্শনিক ও সক্রেটিসের যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে সুযোগ ছিলো ন্যায় এর মহৎ কোনো সংজ্ঞায়ন করার। কিন্তু তিনি ছিলেন গ্রীক সুপ্রেমেসি এর ধারক ও বাহক। এথেন্সের শাসকদের(দার্শনিক) শাসন জিয়ে রাখার মূখপাত্র, তিনি ন্যায় এর সংজ্ঞায়ন করেন, দাসদের দাস থাকা, শ্রমিকের শ্রমিক থাকা আর শাসকের শাসক থাকায় ন্যায়সংগত। এই ন্যায় প্রতিষ্ঠা ও স্থায়ী করার জন্য শাসক স্বর্নের তৈরি, শ্রমিক রুপার তৈরি আর দাস লোহার তৈরি এমন মতবাদ দিয়ে গেছেন প্লেটো। তিনিও দাসপ্রথাকে ঈশ্বর প্রদত্ত বলে আখ্যায়িত করেছেন। এরিস্টটল এর মতে, পুরুষ নিখুঁত। তাই পৃথিবীর সমস্ত অন্যায়, সমস্যা, অপরাধের পেছনে নারী দায়ী এবং পুরুষ এসব কিছুর ঊর্ধে।
মূলত প্লেটো বা এরিস্টটলের রাষ্ট্র ব্যবস্থার মূল ভিত্তি ছিলো গ্রীক সুপ্রেমেসি। সম্ভবত এই দীক্ষায় দীক্ষিত হয়ে এরিস্টটলের ভাবশিষ্য আলেকজান্ডার বিশ্বজয়ী সৈন্যবাহিনী নিয়ে বিশ্ব জয়ে নেমে গিয়েছিলেন।
(এরিস্টটল বা সক্রেটিসের সমালোচনা এই লেখার উদ্দেশ্য নয় মোটেও এবং তা করার অন্যতম যোগ্যতা ও জ্ঞান কোনোটাই নেই আমার। শুধুমাত্র সেই সময়ের প্রেক্ষিতে তাদের মত মহান মানুষের মত ও দর্শনটা তুলে ধরাই মূল লক্ষ্য)
©somewhere in net ltd.