নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

দূর পাহাড়

নীরব বয়ান

অডং চাকমা

আমার কথা আমারে কইতে দাও

অডং চাকমা › বিস্তারিত পোস্টঃ

লোগাং গণহত্যা ও কফিনে পেরেকবিদ্ধ জাতীয় বিবেক

১০ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১০:১৫

আজ ১০ এপ্রিল। ১৯৯২ সালের এই দিনে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার পানছড়ি উপজেলাধীন লোগাং-এর এক গুচ্ছগ্রামে বিভৎস গণহত্যা সংঘটিত হয়। আঠারো বছর পেরিয়ে গেলো এ হত্যাকান্ডের বিচার হয়নি।হবে বলেও মনে হয় না, কেননা জাতির বিবেক আজ কফিনে পেরেকবিদ্ধ।তারপরও প্রশ্ন রাখি, সরকার যদি ‘৭১-এ সংঘটিত যুদ্ধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার করতে পারে, ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে পারে তাহলে নিজের দেশের সেনামদতে সংঘটিত এ লোগাং গণহত্যার বিচারও সরকার করবে কি? আমরা কি বিচারের আশা করতে পারি? নাকি এখানেও পাহাড়ী-বাঙালির রকমভেদ হবে?



লোগাং গণহত্যায় আমার এক দাদু (আপন দাদুর বোনের স্বামী)ও তার পাশের বাড়ির এক প্রতিবন্ধী যুবক আগুনে পুড়ে মারা যায়।সেনাবাহিনী ও বাঙালিরা মিলে পুরো গুচ্ছগ্রাম জ্বালিয়ে দেয়।এতে ৫৫০টি ঘর পুড়ে যায়। সেনাবাহিনীর মতে, ঐ ঘটনায় ১২ জন, আর প্রাক্তন খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সমিরণ দেওয়ানের দেয়া হিসাব অনুসারে ১৩৮ জন লোক মারা যায়।অন্যদিকে স্থানীয়সূত্র অনুসারে ১১০০ জন লোক মারা যায়। এরা সবাই পাহাড়ী।বেশির ভাগ হলো শিশু ও বৃদ্ধলোকজন। তাদের কী অপরাধ ছিল? পাহাড়ী বলে?



ঘটনার সূত্রপাত হয় লোগাং বাজারের জনৈক কবির হোসেনের মৃত্যূকে ঘিরে।কবির হোসেনের গলায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছিল, কিন্তু কিভাবে, এবং কে বা কারা তাকে মেরেছিল তা জানা যায়নি।নিজেদের আভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে কোন বাঙালি মারা গেলে বা খুন হলে তার দায়ভার সহজেই পাহাড়ীদের উপর চাপিয়ে দেয়া হয়।যত দোষ নন্দ ঘোষ।এখানেও যথারীতি বাঙালিরা দোষ চাপিয়েছিল শান্তিবাহিনীর উপর।কিন্তু প্রশ্ন হলো, উদোরপিন্ডি বুদোর ঘাড়ে চাপানো কেন? শান্তিবাহিনীরা দোষ করে থাকলে সেটার জন্যে নিরীহ গ্রামবাসীরা দায়ী হবে কেন? তাদের উপর নির্মম হত্যাযজ্ঞ চালানো কেন? আরো একটি বিষয় উল্লেখ্য, ঘটনার কিছুদিন আগে ঐ কবির হোসেন নারী ধর্ষণের চেষ্টার অপরাধে শাস্তি পেয়েছিল। তার মৃত্যুর পেছনে ঐ ঘটনাও একটি কারণ ছিল কি না তা বাঙালি বা সেনাবাহিনীরা কেউই খতিয়ে দেখেনি।তদন্ত কমিটিগুলোকে এ বিষয়ে তদন্ত করতে সেনাবাহিনী বাধা সৃষ্টি করেছিল।



এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন, যারা এ গণহত্যায় মারা গিয়েছিল তারা সবাই গুচ্ছগ্রামবাসী।গুচ্ছগ্রামটা লোগাং বাজারের খুব কাছে। মূলত বাঙালিদের বসবাস ছিল বাজারের মধ্যে। বাজার ও গুচ্ছগ্রামের চারদিকে সবসময় সেনা প্রহরা থাকত, এখনো আছে। সেখানে শান্তিবাহিনীর পক্ষে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেদ করে বাজারে প্রবেশ করা সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ।অন্যদিকে, সেনাবাহিনীরা লোগাং এলাকার বিভিন্ন গ্রাম থেকে ও শরণার্থী শিবির থেকে পালিয়ে আসা পাহাড়ী পরিবারগুলোকে গুচ্ছগ্রামে জড়ো করেছিল নিরাপত্তা দেওয়ার নাম করে। অনেকটা ফার্মে মুরগী পালনের মত।সেনাবাহিনীদের আরো উদ্দেশ্য ছিল, শান্তিবাহিনীদেরকে গ্রামবাসীদের থেকে দূরে রাখা।সেনাবাহিনীর এ কৌশলটা ছিল ভিয়েতনামে মার্কিন বাহিনী অনুসৃত ‘কৌশলগত পল্লীর’ মডেল অনুসারে (এ কথাটা চট্টগ্রামের জনৈক প্রাক্তন জেলাপ্রশাসক পরিস্কারভাবে তুলে ধরেছেন তার লেখায়: দেখুন Broken Promises, at Click This Link)। কিন্তু সেই রক্ষকরাই ভক্ষকে পরিণত হয়েছিল।



পূর্বেই উল্লেখ করেছি, লোগাং গণহত্যায় অনেক লোক মারা যায়।সংখ্যা কত তা নিয়েও বিভ্রান্তি রয়েছে। কোন কোন হিসাব মতে ১২ জন, আবার কোন কোন সূত্র মতে ১১০০ জন। তবে তৎকালীন খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে ১৩৮টি লাশ গুণেছিলেন বলে জানিয়েছিলেন।খাগড়াছড়ির তখনকার ব্রিগেডিয়ার শরীফ আজিজও তা স্বীকার করেছিলেন, যদিও পরে সেনাবাহিনীর পক্ষে বলা হয়েছিল ১২ জন লোক মারা গিয়েছিল। অন্যদিকে বাঙালি আহত হয়েছিল ৪ জন।এ গণহত্যার পেছনে সেনাবাহিনীর ভূমিকা সবচেয়ে ন্যাক্কারজনক।যাদের উপর নিরাপত্তা বিধান করার দায়িত্ব অর্পন করা হয়েছিল তারাই পাহাড়ী বিদ্বেষী হয়ে বাঙালিদের লেলিয়ে দিয়েছিল নিরীহ গ্রামবাসীদের উপর।সেনাবাহিনীর ঐ ব্রিগেডিয়ার বলেছিলো, “শান্তিবাহিনী ও বাঙালিদের মধ্যে মারামারি ফলে এ ঘটনা ঘটে”। কিন্তু প্রশ্ন হলো, মারামারি বন্ধ করার জন্যেই তো সেনাবাহিনীকে সেখানে পাঠানো হয়েছে।তাহলে, এইটা কি তাদের ব্যর্থতা নাকি নিরবতা? আর সেনাবাহিনীর নাকের ডগায় বাঙালিরাই কিভাবে সাহস পায় ৫৫০টি ঘর পুড়ে দেওয়ার? কিভাবে বাঙালিরা অক্ষত থাকে (মাত্র ৪ জন আহত হয়), আর পাহাড়ীরাই বেশি সংখ্যায় মারা যায়?এই উত্তর কি সেনাবাহিনী দিতে পারবে?সেনাবাহিনী কেন তদন্ত সংস্থাগুলোকে তদন্ত করতে দেয় নি?কেন তারা ক্ষতিগ্রস্ত পাহাড়ী-বাঙালি লোকজনের সাথে কথা বলতে দেয়নি?



লোগাং-এর এ গণহত্যায় দেশে বিদেশে ব্যাপক প্রতিবাদের ঝড় উঠে। অবশেষে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক চোখকে ফাঁকি দেওয়ার জন্যে তৎকালীন খালেদার নেতৃত্বাধীন জাতীয়তাবাদী সরকার অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি সুলতান হোসেন খানকে (পরে তিনি দুদকের চেয়ারম্যান হয়েছিলেন)দিয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছিলেন।ঐ তদন্ত প্রতিবেদনের কী হাল হয়েছিল জানা নেই। কারোর বিচার হয়েছিল বলেও জানা নেই।স্বভাবতই প্রশ্ন জাগে, কোথায় বিচারকের বিবেক? কোথায় জাতির বিবেক?স্বাধীন দেশে গণহত্যার বিচার হয় না।জাতির বিবেক কি কফিনে পেরেকবিদ্ধ হয়ে গেছে?



পরিশেষে আরও প্রশ্ন জাগে, মানবতাবিরোধী এসব হত্যাযজ্ঞ কেন আদিবাসীদের প্রাণের উৎসব বৈসু-সাংগ্রাই-বিজু (বৈসাবি)-এর আগে ঘটে? আদিবাসীদের প্রাণ, সংস্কৃতি সবকিছু কি নি:শেষ করে দেওয়ার জন্যে? লোগাং-এর গণহত্যা ঘটেছিল বৈসাবি-র কয়েকদিন আগে।শোকে বেদনায় মূহ্যমান হয়ে সে বছর আদিবাসীরা বৈসাবি উৎসব বর্জন করেছিল। এবছরও বাঘাইহাটে ফেব্রুয়ারীতে ঘটে গেল আরো একটি নারকীয় ঘটনা। সেখানকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো আজও থিতু হতে পারেনি। জীবন চলছে অনিশ্চিত পথে। তাই অনেকে এবারও বৈসাবি উৎসব বর্জনের ডাক দিয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সাথে সমব্যথী হতে। প্রশ্ন জাগে, রাষ্ট্র তুমি কার? জাতির বিবেক তুমি কোথায়? বিবেক তুমি কি শবযাত্রার পথে?

মন্তব্য ৩৩ টি রেটিং +২/-১৯

মন্তব্য (৩৩) মন্তব্য লিখুন

১| ১০ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১০:৪৮

শৈল্পিক ভাবনা বলেছেন: EU ও RAW এর কাছ থেকে কত করে সম্মানী পাচ্ছেন প্রতি পোষ্টের জন্য।

১০ ই এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:৫৬

অডং চাকমা বলেছেন: ক্যান? শৈল্পিক ভাবনা! হা! হা! হা! শিল্প নাই। বে-আক্কেলের মত প্রশ্ন করেন ক্যা?

২| ১০ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:০৫

লুকোচুরি বলেছেন: পাহাড়ীরা উপজাতীয়রা নিরীহ বাংগালী মেরে ছাপা কইরা ফালাইছে......

ধর হালারে ধর......

কইস্যা মাইনাচ।

১০ ই এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১:০১

অডং চাকমা বলেছেন: লুকোচুরি, লুকোচুরি কইরা চিল্লাস ক্যা! কোন মা-বাপের বর্জ্য পদার্থ, থু: থু: ওয়াক!

৩| ১০ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:০৮

বান_দর বলেছেন: ধর হালারে ধর......

১০ ই এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১:০৬

অডং চাকমা বলেছেন: বানদর, বান্দরামি করিস না।মানষরে জ্বালাতন করিস না। না হইলে খাঁচায় পুইরা বানদি রাখুম।

৪| ১০ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:১৩

মিথুন-১ বলেছেন: ধর হালারে ধর......

১০ ই এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১:০৮

অডং চাকমা বলেছেন: চিল্লাস না। বানদরের পোলা, বেশি টন টন করলে বানদরের সাথে মিথুন কর গে।

৫| ১০ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:১৭

বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: ৩৫ জন কাঠুরিয়াকে ধরে নিয়ে জবাই করার বিচারের কথাডাও একটু কইয়েন........ :(:(

১০ ই এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১:১০

অডং চাকমা বলেছেন: হ ভাই, কইতাছি। আপনেও ভাল কইরা লিখে আওয়াজ তুলেন।

৬| ১০ ই এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:৩০

জুবেরী বলেছেন: "কফিনে পেরেকবিদ্ধ জাতীয় বিবেক"
প্রশ্ন জাগে, রাষ্ট্র তুমি কার? জাতির বিবেক তুমি কোথায়? বিবেক তুমি কি শবযাত্রার পথে?


সত্যই সমব্যথী ।


১০ ই এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১:১১

অডং চাকমা বলেছেন: ধন্যবাদ সমব্যথী হওয়ার জন্যে।

৭| ১০ ই এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:৩৩

ফালতু মিয়া বলেছেন: ৩৫ জন কাঠুরিয়াকে ধরে নিয়ে জবাই করার বিচারের কথাডাও একটু কইয়েন@বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত

কিছুই কইবো না। কওয়ার মুখ নাই। দেশের মধ্যে থেকে এরা আরেক রাজ্যে বসবাস করতে চায়।

১০ ই এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১:১৩

অডং চাকমা বলেছেন: ফালতু মিয়া, ফালতু করে কথা কন ক্যা? ফালতুমি ছাইড়া কথা কন।

৮| ১০ ই এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১:০৭

ব্রাইটসেন্ট্রাল বলেছেন: comment by: ফালতু মিয়া বলেছেন: ৩৫ জন কাঠুরিয়াকে ধরে নিয়ে জবাই করার বিচারের কথাডাও একটু কইয়েন@বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত

কিছুই কইবো না। কওয়ার মুখ নাই। দেশের মধ্যে থেকে এরা আরেক রাজ্যে বসবাস করতে চায়।

১০ ই এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১:১৫

অডং চাকমা বলেছেন: কত কিছুই তো কইলেন, আবার কন কিছুই কইবো না। চরম মিথ্যুক। মিথ্যাবাদীর হিসাব কেয়ামতের দিনে দিতে হইবো। এ কথা মনে রাইখ্যান।

৯| ১০ ই এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১:২৮

চেম্বার জজ বলেছেন: এই জানোয়ারের বাচ্চাডা কেডায়? এইডাতো বান্দরেরও জম্ম না স্রেফ কুত্তার...... চুদির পুত, তোরে এই কথাগুলান কইলাম কারন তুই গালাগালি করছোশ। চুদির পুত...... পেরেকটা তোর পুটকীর মধ্যে হান্ধাইয়া দিয়াম......

১০ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:৪২

অডং চাকমা বলেছেন: কোন মা-বাবার বর্জ্য পদার্থ! থু: থু: ওয়াক!

১০| ১০ ই এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:০১

আমি বীরবল বলেছেন: স্বাধীনতা যুদ্ধের বিরোধীতাকারী পাহাড়ী উপজাতীয়দের এবং পাহাড়ে বাংগালী হত্যাকারী পাহাড়ীদের বিচার দাবী করি।

১০ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:৪৩

অডং চাকমা বলেছেন: এতদিন কোথায় ঘুমাইয়া আছিলা!

১১| ১০ ই এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:০৩

জন্ম থেকে জ্বলছি বলেছেন: পাহাড়ে যে বাঙ্গালীদের ধইরা মারছত তাগো কথা কইলি না .বান্দীর পুত কোনহান কার

১০ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:৪৫

অডং চাকমা বলেছেন: তুই অন্ধ। তোর দুনিয়াটাই অন্ধ!চিরজীবন অন্ধ হইয়া থাক।

১২| ১০ ই এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:২৭

সাকীব বলেছেন: ভাই আপনি লেখা থামাবেননা। আমি আছি আপনার সাথে। এই বিষয়ে জানা ছিলনা। আরো জানতে চাই। সম্ভব হলে আপনার সাথে কথা বলবো ভবিষ্যতে ইনশাল্লাহ এ বিষয়ে। এ ধরনের অপরাধের সুষ্ঠ তদন্ত ও বিচার হওয়া প্রয়োজন।

যারা অহেতুক আপনাকে অশালীন কথা বলে বিব্রত করতে চাইছে আমি একজন বাঙ্গালী হিসেবে তার প্রতিবাদ জানাই এবং আপনাকে জানাতে চাই আপনার কথা শুনতে আমরা প্রস্তুত। আর আমাদের পাহাড়ি ভাইদের উপর কোন ধরনের অত্যাচার মেনে নিবনা।

১০ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:৪৮

অডং চাকমা বলেছেন: ভাই ধন্যবাদ সাথে থাকার জন্যে।

জানি, আবর্জনার স্তুপ সরিয়ে সামনে যেতে হবে। আশা করি সাথে থাকবেন।

১৩| ১০ ই এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:৩০

নক্ষত্রপথ বলেছেন: ধর হালারে ধর......

১০ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:৫০

অডং চাকমা বলেছেন: অক্ষম লোকের তর্জনগর্জনই সার।

১৪| ১০ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:১২

কুয়াশা বলেছেন: ফালতু মিয়া বলেছেন: ৩৫ জন কাঠুরিয়াকে ধরে নিয়ে জবাই করার বিচারের কথাডাও একটু কইয়েন@বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত

কিছুই কইবো না। কওয়ার মুখ নাই। দেশের মধ্যে থেকে এরা আরেক রাজ্যে বসবাস করতে চায়।

আমার এলাকার এক সেনা অফিসার, নিহত হয় তথাকথিত শান্তি বাহীনির হাতে। আমিও এর বিচার চাই। ভাই আপনিও এর বিচার দাবি করেন। কারণ এই দেশ আপনার আমার সকলের।

১০ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:৫৩

অডং চাকমা বলেছেন: সেনাবাহিনী পাহাড়ে কত লোক মেরেছিল সেটারও বিচার দাবী করেন।

১৫| ১০ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:৫৯

অণুসন্ধানী বলেছেন: আসলে আপনি আপনার লেখায় শুধু এক পক্ষের প্রতি লিখেছেন। অন্যপক্ষের লোকেরাও ক্ষতিগ্রস্থ। দুইটা লিখলে গ্রহনযোগ্যতা থাকত। আশা করি মাথায় রাখবেন।

১০ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৪:২২

অডং চাকমা বলেছেন: আপনি ভাল করে পড়েছেন কি? লিখেছিলাম ১ জন বাঙালি (কবির হোসেন) মারা গিয়েছিল। তার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ঘটনার সূত্রপাত। ঘটনায় ৪ জন বাঙালি আহত হয়। অভিযোগ ছিল, কবির হোসেন একজন নারীকে ধর্ষণের চেষ্টায় শাস্তি পেয়েছিল। একজন ধর্ষকের পক্ষ নিয়ে সেনাবাহিনী ও বাঙালির দল ঝাঁপিয়ে পড়েছিল নিরীহ গ্রামবাসীদের উপর। আরো কি লিখব বলেন?

আসল ঘটনা উদঘাটন করার জন্যে তদন্ত করা দরকার ছিল। সেনাবাহিনী কেন তদন্ত করতে দিল না? বিচারপতি সুলতান খান কর্তৃক যে তদন্ত হয়েছিল তার প্রতিবেদনও প্রকাশ হলো না কেন? আপনিও কি ধর্ষকের পক্ষে কথা বলতে চান?

১৬| ১১ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৯:০০

আট আনা বলেছেন: পাহাড়ে সেনাবাহিনীর অত্যাচারের কথা অল্প বিস্তর শুনেছি। আসলে এসব ঘটনা তো মিডিয়াতে সেভাবে আসেনা। এক শেখ মুজিবের বিচার করতেই ৩৫ বছর লেগেছে, সেদেশে তদন্ত রিপোর্টের নিখোঁজ হওয়াটা অস্বাভাবিক নয়। রাজাকারের বিচারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় আসা সরকারও এখন মানবতাবিরোধির বিচারে চলে গেছে। আশা করি সেই তদন্ত রিপোর্ট আলোর মুখ দেখুক।

১৭| ১১ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৯:২২

মেক্সবিডি বলেছেন: এই অডং চাকমা কোন উপজাতি বা পাহাড়ী না। কইলকাইত্তা "র" এর দুই টেকার কেরাণী।
থু থু দেই এইসব নীচ চামচা শ্রেণীয় প্রাণীগুলারে।

১৮| ০২ রা অক্টোবর, ২০১০ দুপুর ১:০৬

নাইট গার্ড বলেছেন: আমার বিশ্বাস- আপনারা বিচ্ছিন্নতাবাদী । মুখোশ টা খুলে দিলেন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.